Skip to main content

Posts

Showing posts from March, 2026

যেই মুহূর্তে আমরা সবাই তেলের জন্য হাহাকার করছি

এবার আরবদের দুধ দোহন করবে ইউক্রেন? দীর্ঘদিন যাবত আমেরিকার যখন টাকার প্রয়োজন পড়তো সে আরব শেখদের গাভীর মত দুইয়ে পুষিয়ে নিত - কখনও অস্ত্র দিয়ে কখন এমনে এমনে। সমস্যা হচ্ছে সম্প্রতি ইরান যুদ্ধে আমেরিকার অর্থের টানাটানি। এদিকে সব অস্ত্র সাপ্লাই একদিনে নিয়ে আনায় ইউক্রেনকে আগের মতন সাপোর্ট দেওয়া যাচ্ছে না। কি করা যায়? আইডিয়া। ইউক্রেন ইরানের ড্রোন ঠেকাবে। কারণ ইতিমধ্যে ইরান সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সব বেইস বসবাসের অনুপোযাগী করে ফেলেছে। তাই মার্কিন সৈনিকরা হোটেলে ঘুমায়। পাশাপাশি প্রচুর রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ধ্বংস করেছে। ফলে আমেরিকা আর ইরানের ড্রোণ সামাল দিতে পারে না। এজন্য আমেরিকা পাঠালো ইউক্রেনকে। যেহেতু সে দীর্ঘদিন রাশিয়া ও ইরানি ড্রোণ মোকাবেলা করেছে এই ব্যাপারে সে অভিজ্ঞ। ফলে সে মধ্যপ্রাচ্যের শেখদের নিরাপত্তা দিতে ড্রোন ঠেকানোর প্রযুক্তি ও লোকবল দিবে। আর বিনিময়ে শেখরা ইউক্রেনকে ডলার দিবে। এক ঢিলে দুই পাখি। ইউক্রেন ডলার পেলো যুদ্ধ করতে আর কাতার নিরাপত্তা পেল আগের তুলনায়। কিন্তু এত বছর যে আমেরিকাকে ডলার দিয়ে নিজ ভূমিতে পুষেছে নিরাপত্তার জন্য? তার উপর এখন হোটেলে রাখছ...

জীবনকে চূড়ান্ত হুমকির মাঝে ফেলে উপার্জনের জন্য

  ইউরোপের উন্নত জীবনের আশায় উত্তাল সাগরে নৌকা ভাসিয়েছিল একদল বাংলাদেশি যুবক। কিন্তু সেই অলীক স্বপ্নের কাছে পৌঁছানো হয়নি তাদের। তার আগেই নিভে গেছে ২২ টি জীবন। তাদের লাশ ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে সাগরে। এই ঘটনা এবারই প্রথম নয়। কিছুদিন পরপরই এমন লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে আর আমরা স্তম্ভিত হই। ইউরোপের অলীক স্বপ্নে বিভোর হয়ে, জীবন হাতে নিয়ে এমন দুঃসাহসী অভিযানে যারা পা বাড়ায়, তারা কেউই সম্ভবত নিঃস্ব নয়। দালালের হাতে যে টাকার বান্ডিল গুঁজে দিয়ে তারা উত্তাল সাগরে জীবন ভাসায়, চাইলে ওই টাকা দিয়ে তারা দেশেই সম্মানজনক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে। কিন্তু ওই ছোট পেশায় যে আমরা সন্তুষ্ট নই। আমরা যে উচ্চাভিলাষী। আমাদের স্বপ্ন যে সাধ্যের চেয়েও অনেক বড়। ইউরোপের চোখ ধাঁধানো আলোর মাঝেই যে আমরা খুঁজে ফিরি সুখের মঞ্জিল! কিন্তু আমরা এমন স্বপ্ন কেন দেখি, যে স্বপ্ন ছুঁতে গেলে হায়াতের সীমানা পাড়ি দিতে হয়! যে স্বপ্ন ছুঁতে গিয়ে নিজের লাশটাও দেশের মাটি থেকে বঞ্চিত হয়! জীবনকে চূড়ান্ত হুমকির মাঝে ফেলে উপার্জনের জন্য পা বাড়ানো ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এটি বরং প্রকারান্তরে আত্মহত্যার শামিল। মহান আল্লাহ বলেছেন, আর তোমর...

কেবল সততা ও স্বদিচ্ছা যদি যথেষ্ট হতো

  চার পাঁচ লক্ষ টাকা বেতন কিন্তু মনে সুখ নেই। কারণ এর পরে কি করবেন জানেন না। স্বপ্ন দ্রুত চাকরি ছেড়ে ব্যবসা করা। কিন্তু কি করবেন জানেন না। তাই পরামর্শ করতে আসলেন আমার সাথে। প্রথম প্রস্তাব বললেন ওনার একজন বন্ধু আছেন যে গ্রামে গিয়ে খামার করতে চায়। সেখানে কম দামে জমি কেনা যায় এভাবে বিনিয়োগ করে আগাবো কিনা? আমি বললাম আপনার বাড়ি কোথায়? আর তার বাড়ি কোথায়। দুইজন দূরবর্তী দুইটি বিভাগের। একটু নড়েচড়ে বসে বললাম সে কি কৃষি কাজে খুব ভালো? দুই গরু থেকে দশ গরু করতে পারে? প্রাণী বা গাছের সাথে আত্মা লেগে আছে? বললেন না, ও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। সাথে সাথে বললাম অসম্ভব। তিনি মনে হলো প্রায় টাকা দিয়ে দিচ্ছিলেন মন খারাপ করে চলে গেলেন। একটা বিষয় আমি বুঝি না, মানুষ সামান্য ঝুঁকি নিতে অস্বীকৃতি জানায় কিন্তু যে জাত কৃষক না তার হাতে কৃষি খামার তুলে দিতে ভয় করে না। কীভাবে সম্ভব? বিষয়টি বুঝছিল না দেখে বললাম কেবল সততা ও স্বদিচ্ছা যদি যথেষ্ট হতো। আমি তো জাহাজের ক্যাপ্টেন হতে পারতাম। আমার হাতে জাহাজ তুলে দেন না কেন? আমি তো খুব চাই জাহাজ চালাতে। সত্যি আগ্রহী। অনেক সৎ। কিন্তু এই বিচারে কোন মালি...

স্বাধীনতা দিবসের চাওয়া

  আপনি কি আশা করেন চীন বা ইরান জিতে গেলে আপনার আমার জীবন বদলে যাবে? পৃথিবী থেকে দাসত্ব উঠে যাবে। সাম্রাজ্যবাদ থাকবে না? আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপনার আমার দেশের ভাগ্য আগের মত থাকবে। তাহলে কেন তাদের নিয়ে এত সময় ব্যয় করছেন? এই আশায় যে নতুন এক সুন্দর বিশ্ব পাবেন? আপনি তো লড়াই করেন নাই। ঘরে বসে মুক্ত হবেন আর নতুন শক্তি আপনাকে সালাম করে চলবে? না, বরং সেক্ষেত্রে জাতির ভাগ্য আজীবন দাসত্বে নিহিত থাকবে। এমন যদি হতো ইরানের বিশেষ বন্ধু আমরা মধ্য প্রাচ্য ইস্যুতে কিংবা চীন মার্কিন বানিজ্য যুদ্ধে আমেরিকাকে বুড়ো আংগুল দেখিয়ে চীনের পাশে ছিলাম তাও একটা কথা ছিল। আপনি কি স্বপ্ন দেখেন আপনি খাটে শুয়ে স্বাধীন হবেন? নিজের কিছু দেওয়ার না থাকলে? বিশ্বাস করুন কোন লাভ হবে না। নিজেদের পরিবর্তন করতে চাইলে শক্তি অর্জন করতে হবে। অর্থনীতিতে, শিল্পে এবং প্রযুক্তিতে। আর শক্তিশালীর দিকে গর্দান না নামিয়ে বরং প্রচণ্ড সাহসের সঙ্গে নিজের অবস্থানে স্থির থাকতে হবে। অন্যথায় বিশ্ব জোড়া শক্তি বদলাতে থাকবে আপনার গোলামী জাতির অবস্থান বদলাবে না। কি ভয়ংকর। ভেবে দেখুন তো একবার কথা গুলো ঠিক? নিজে ভাবুন অন্যদেরও...

জাতি হিসেবে আজাদির বা গোলামীর জিঞ্জিরা থেকে মুক্তি

  যুদ্ধ হচ্ছে এমন এক সত্য যাকে অস্বীকার করলে আপনি গোলামে পরিণত হবেন। জাতি হিসেবে আজাদির বা গোলামীর জিঞ্জিরা থেকে মুক্তির জন্য আমাদের কোন পদক্ষেপ আছে কী? অনেকে এই প্রশ্নের উত্তরে ভাববেন সামরিক বাজেট বৃদ্ধি। অস্ত্র কেনা। কিন্তু না। কেনা অস্ত্র যে আপনাকে মুক্ত করতে পারে না তার উদাহরণ হচ্ছে সৌদি বনাম ইরান । বর্তমানে দুই দেশের পার্থক্য হচ্ছে কেউ কিনে বড় হতে চেয়েছে কেউ বানিয়ে। দুই দেশই কিন্তু টাকা খরচ করেছে। এখন দেখেন কারটা সত্যিকার অর্থে কাজে লাগছে। এবার অনেকে ভাবতে পারেন সরকারের উচিৎ সামরিক কারখানা দেয়া। এটা আরেক ভুল। সরকার না বেসরকারি উদ্যোগে প্রযুক্তি সর্বদা এগিয়ে থাকে। তার উদাহরণ হচ্ছে সোভিয়েত বনাম আমেরিকা। এমনকি চীন পর্যন্ত বর্তমানে সামরিক প্রযুক্তি বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিচ্ছে। রাশিয়া তো বটেই। এই সবকিছুর চেয়ে বড় প্রস্তুতি হচ্ছে সাপ্লাই চেইন। মনে করেন বাংলাদেশ একটি যুদ্ধে গেল। আমেরিকা সেইটা পছন্দ করলো না কিংবা যুদ্ধে যাবার অনুমতি দিল না। তখন আমরা বললাম আজাদি আজাদি যুদ্ধে গেলাম। আমেরিকা বলবে আপনাদের আজাদি ও ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সম্মান জানাই। তবে যেহেতু আমারা নিজেদের ব্যক্তি স্বাধীন...

কোটি কোটি টাকা প্রতি ঘণ্টায় বানানো যায়

  জ্বালানি সংকট ছাড়া এই মুহূর্তে আর কোন সংকট চোখে পড়ছে না সামনে। ইতিমধ্যে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা সহ বিভিন্ন দেশে নানা পর্যায়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। আমরা এমন কোন দেশ না যে ক্ষমতা দিয়ে কাজ করতে পারব। এই যুদ্ধে প্রথমে বাংলাদেশ ইরানের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়। তারপরেও ইরান আমাদের সুযোগ দেয় জাহাজ চলাচল করার। সমস্যা হচ্ছে এর পরেও কেউ জাহাজ পাঠাবে না। কারণ বীমা কোম্পানি রাজি হবে না। তাহলে যুদ্ধের মাঝে কে এত দামী একটা জাহাজ পাঠাবে? দ্বিতীয়ত যদি একজন নাবিক মারা যায় এর দায়িত্ব কে গ্রহণ করবে? সব মিলিয়ে কথা হচ্ছে জাহাজ যাবার অনুমতি দেওয়া আর জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়া এক বিষয় না। হরমুজ বিশ্বের মাত্র ২০ শতাংশ তেল বিক্রি করে তাহলে এত সমস্যা কেন? সমস্যা কারণ শক্তিশালী দেশ আগের মত থাকতে চায়। সে তার অংশ থেকে বিশ ভাগ ছাড়বে কেন? আসলেই তো সেই প্রশ্ন আসে না। আমাদের সুযোগ থাকলে আমরা ছাড়তাম? নাই দেখে অন্যের করুণা ভিক্ষা করি। তো যাই হোক, সবাই চাইছে তার দেশ নিরাপদ থাকুক সেজন্য ছোট দেশ গুলো টানাটানিতে আছে। যেমন পাকিস্তান। চীন যা করছে সেইটা হচ্ছে নিজস্ব সিস্টেম বানিয়ে ফেলা। তাদের আলাদা জাহাজ, লেন...

বিনিয়োগ স্ক্যাম চেনার জন্য

  বিনিয়োগ স্ক্যাম চেনার জন্য আমি যা করি ১ - অতি লোভনীয় প্রস্তাব পরিহার। ২ - দ্রুত বিনিয়োগ করতে হবে অন্যথায় সুযোগ হারিয়ে যাবে এমন প্রস্তাব গুলো এড়িয়ে চলা। ৩ - চোখের সামনে দেখছি না এমন ব্যবসা পরিহার। ৪ - ব্যবসায়ীর থেকে চেক সংগ্রহ। ৫ - সময় নিয়ে পর্যবেক্ষণ করা। ৬ - নেগোশিয়নের সময় অপর পক্ষ খুব দ্রুত রাজি হলে সন্দেহের চোখে দেখা। ৭ - ব্যবসায় ক্যাশ ইন ফ্লো আউট ফ্লো এর একটি পর্যায় আছে। কেউ যদি সেই পর্যায়ের চেয়ে দ্রুত টাকা তুলে ফেলতে পারবো এই ধরনের কথা বলে এবং তার লাভের হার অনেক হয় খুব সম্ভবত সে ব্যবসাই করছে না। এত কিছুর পরেও আমার ভুল হতে পারে। তবে এই জিনিসগুলো আমি দেখে থাকি। এখন পর্যন্ত ফলাফল ভালো আলহামদুলিল্লাহ্‌। ------------------------------------------------------------------------------------------------------- কেবল নিজের দলের পক্ষে বললে ঠিক , বিপক্ষে গেলে কথা ভুল। দলের বাহিরের সবাই সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেন। চাকরিতে নিজেদের লোক নিয়োগ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং নাগরিকদের উপর গোয়েন্দাগিরি কৌশলে কেবল নিজেদের ব্যবসাগুলোকে বড় করা বাকিদের যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও সুযোগ না দেওয়া ইত্য...

আপনি কি আশা করেন আরাম করতে করতে স্বাধীনতা পাবেন?

  আমেরিকা চাইছে যুদ্ধ বন্ধ করে ফেরত আসতে। কারণ আকাশ থেকে বোম্বিং করার বেশী কিছু বাকি নাই। ১৭,০০০ টার্গেটে হামলা করা হয়েছে। নৌবাহিনীর জাহাজ, কল কারখানা, গবেষণাগার, বিমানবন্দর থেকে শুরু করে পুলিশ ভবন পর্যন্ত বোম্বিং করা হয়েছে। বড় বড় লিডার শেষ। এখন আর কি করবে? এখন বাড়ি যাবার পালা। তো চলে যাক। কিন্তু? জি, কিন্তু হচ্ছে হরমুজ। জাপান , কোরিয়া সহ সকলে বলছে আমাদের এ কোন বিপদে ফেলে উল্টা রওনা দিলা। কাতার বলছে কিছুদিন আগে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বৈধ ঘুষ দিলাম। সৌদি বলছে এত বছর পেট্রো ডলার দিলাম। এখন তুমি হরমুজ খুলে যাও। আমেরিকা এতদিন বলেছে আমি আরও বোম্বিং করে খুলে যাচ্ছি। কিন্তু লাভ হয় নাই। এজন্য আমেরিকা বলছে তোমরা লড়াই কর। বাকি সবার কথা আমরা শুরু করি নাই। আপনি আসলেন আপনি সমাধান করে যান। লাগলে কিছু টাকা দেই, তাও সমাধান করে যান। আপনি না গুরু? আমরা ছোট মানুষ কি লড়াই করবো? এখন আমেরিকা বলছে আমি মুল কাজ করে দিচ্ছি। আমি হরমুজ দিয়ে তেল নেই না। তোমাদের সমস্যা তোমরা সমাধান কর। ইরান বলছে এই অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার কর। এতদিন পর্যন্ত আরবরা নীরব ছিল। কিন্তু দিন দিন তা...

কাপুরুষদের কাছে সব সময় ভুল মনে হয়

  মাটির অনেক গভীরে মিসাইল রাখার সুন্দর ব্যবস্থাপনা যা শত্রুর আক্রমকে ফাঁকি দিতে তৈরি করেছিল ইরান। কিন্তু বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির কাছে সে ধরা খাচ্ছে। প্রতিটি ভূ গর্ভস্থ মিসাইল শহরের দরজা আছে। আমেরিকা এখন সেগুলো টার্গেট করে বোম্বিং করছে যেন শহর কবরে পরিণত হয়। এর পাশাপাশি বাতাস চলাচলের স্থান গুলো বোম্বিং করে পুতে ফেলছে। ভাবছেন একাধিক মুখ থাকতে পারে এইতো? সত্যিকার অর্থে একাধিক মুখ আছে। সেগুলোর প্রতিটি ধরে ধরে লক করে ফেলছে। এভাবে মিসাইল মাটির নিচে চাপা পড়ে যাচ্ছে। এই সাফল্যের পিছে আছে প্রযুক্তি। স্যাটেলাইট দিয়ে আমেরিকা আপনার হাতের তালু পর্যন্ত দেখতে পারে। সেই ভিডিও এতদিন বিশ্লেষণ করে ai সাহায্যে ট্রাকের সাইজ, চাকার দাগ থেকে শুরু করে নড়াচড়া ট্র্যাক করে গুহা মুখ গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। এর পাশাপশি ইনফ্রা রেড প্রযুক্তি দিয়ে কোন স্থানে গরম বাতাস বের হচ্ছে তা দেখে বাতাস পরিবহনের রাস্তাও বের করে ফেলেছে। এবারে সেগুলো টার্গেট করে দুর্গকে পরিণত করছে কবরে। সব মিলিয়ে মিসাইল তার জায়গায় থাকবে কিন্তু কোন ব্যবহার তো দূরে থাক এগুলো যারা চালাতে পারেন তারা পর্যন্ত চলে যাবে পৃথিবী থেকে। ধারণা...

পাক - আফগান যুদ্ধ

  পাক - আফগান যুদ্ধ আমেরিকা ইরানে আক্রমণ করলে পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে আফগানিস্তান। এদিকে গতবার ইরানের পাশে ছিল পাকিস্তান কারণ এই দুই দেশের সীমানা এক। একজন অরক্ষিত হলে আরেক জন কাবু। এই দুই সমস্যার সমাধান কী? জি, পাকিস্তান আর আফগানিস্তানকে একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লাগিয়ে দেওয়া। বাস্তবে ঠিক তাই হচ্ছে। প্রথমে ট্রাম্পের বন্ধু পাক সেনা প্রধান অসীম মুনীর আফগানে আক্রমণ শুরু করলো। অতিষ্ট হয়ে তারা পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি নিয়ে যুদ্ধ ঘোষণা করলো। এক কথায় একটি বলদকে বলল যা সেই ঘোড়ার পিঠে লাথি মার। তোকে আমার সেক্রেটারি বানাবি । সাথে সাথে বলদ লাফ দিল আর দুই পক্ষ মারামারি শুরু করলো যেন শান্তিতে পাশে থাকা খামারিকে রাক্ষস জবাই করতে পারে। আমার বিশ্লেষণ তাই বলে। আল্লাহ সঠিক জানেন। আপনার মতে সত্যিই কি পাকিস্থান ভুল করছে? ১৯৭১ সালের মার্চের মত। নাকি পাকিস্তান এখানে যা করার ঠিকই করছে? মোহাইমিন পাটোয়ারী আফগানিস্তানের শক্তি পায়ের নিচে আর দুর্বলতা মাথার উপরে। পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্বল ভূমির একটি হচ্ছে আফগানিস্তান। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মাথার উপরের আকাশ সবার জন্য এক সমান। এই জায়গায় তাদের না আছে...

একাধিক বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

  উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে একাধিক বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যার মধ্যে আরব আমিরাত এবং কুয়েত হলো প্রধান ক্রেতা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য অনুমোদিত চুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে: F-16 Fighting Falcon যুদ্ধবিমানের গোলাবারুদ ও আপগ্রেড — ৬৪৪ মিলিয়ন ডলার দীর্ঘপাল্লার রাডার ও THAAD-এর সঙ্গে সমন্বয় — ৪.৫ বিলিয়ন ডলার উন্নত মাঝারি-পাল্লার আকাশ থেকে আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র — ১.২২ বিলিয়ন ডলার ড্রোন প্রতিরোধ ব্যবস্থা (ছোট ও ধীরগতির ড্রোন মোকাবিলা) — ২.১ বিলিয়ন ডলার অন্যদিকে কুয়েতের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে নিম্নস্তরের আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার ব্যবস্থা, যার মূল্য প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার। Md Sorwar Alam সব মিলিয়ে অর্থ দাঁড়াচ্ছে বসের এতদিন যেই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নিতে বিশ্বস্ত ছাগলের দুধের বাট ধরে চাপ দিয়েছে। বালতি বালতি দুইয়ে ইজরাইলের জন্য যা ত্যাগ করেছে তার সব ঋণ শোধ করে নিবে বড় সাহেব। যেখানে সমগ্র ইরানের সামরিক বাজেট সাড়ে ৯ বিলিয়ন ডলার হওয়া সত্বেও সবাইকে নাকানি চুবানি খাওয়াচ্ছে। পার্থক্য নিজস্ব প্রযুক্তি ক্যাপাসিটিতে, শিক্ষিত ...

বাংলা ভাষার প্রতি ভালবাসা

  বাংলা ভাষার প্রতি ভালবাসা। কেবল একদিন না, প্রতিদিনের জন্য। কোন কোম্পানি বা পেইজের নাম, নিজের বই বা ব্যাক্তির নাম কেউ দিতে বললে বাংলাতে দেই। যেখানেই সুযোগ পাই বাংলা ব্যবহার করার চেষ্টা করি। নিজের সন্তানের নামও বাংলায়। সমস্ত ভাষা আল্লাহর নিদর্শন স্বরূপ। তিনিই আমাদের নানা জাতি ও ভাষা দিয়েছেন। কিন্তু গবেষণার ভাষা হিসেবে বাংলার ব্যবহার অপ্রতুল। উচ্চ শিক্ষায় বাংলায় ভালো বই নেই। বিভিন্ন অফিস আদালতে ইংরেজির ব্যবহার প্রচণ্ড। এই সব কারণে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে ইংরেজি অনেক বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে যা সব মিলিয়ে জাতি হিসেবে আমাদেরকে শিক্ষায় পিছিয়ে দিচ্ছে। নিজের শিক্ষক জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি ছাত্র ছাত্রীরা ইংরেজি ভালো বুঝতে বা লিখতে পারে না। ফলে বিদেশী বইগুলো থেকে তারা কিছু নিতে পারে না দেশকেও দিতে পারে না। যারা কিছু রপ্ত করতে পারে তারা বিদেশে চলে যায়। অথচ এই বইগুলো বাংলাতে অনুবাদ করলে কিংবা আমাদের নিজস্ব বই থাকলে যেমন জাতি হিসেবে দক্ষ হতাম ঠিক তেমনি মেধা পাচার হতো কম। সব মিলিয়ে ইংরেজির পিছে ব্যয় সম্পূর্ণ ঋণাত্মক। পৃথিবীতে কোন দেশ ইংরেজি ভাষায় শিখে উন্নত হতে পারে নাই। কোরিয়া, জা...

বেসরকারি করণের বিকল্প নাই।

  তৃতীয় টার্মিনালের কাজ করে স্যামসাং অতিরিক্ত ১০০০ কোটি টাকা দাবি করে বসে আছে। কারণ সে বলছে তাকে দিয়ে চুক্তির বাহিরের কাজ করিয়েছে। টাকা না দিলে মামলা করবে আন্তর্জাতিক আদালতে। এতদিন সরকার টাকা না দিয়ে বসে ছিল। বলেছে তদন্ত করে দেখবে। এদিকে কোরিয়ান এম্ব্যাসি চিঠি দিয়েছে টাকা দিতে। কাল ক্ষেপণ করতে করতে অনেক যন্ত্রপাতির ওয়ারেন্টি শেষ হয়ে আসছে। জাইকার ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ঘনিয়ে আসছে। কিন্তু টার্মিনাল থেকে আয় আসছে না। এটি চালু হচ্ছে না। সাদা হাতির ন্যায় বসে আছে। এমন বিশৃঙ্খল অবস্থা থেকে কিভাবে এটি উদ্ধার হবে। আপনি আমি পকেটের এক হাজার টাকা হারিয়ে গেলে সারাদিন আফসোস করি। একটি কোম্পানি লোকসান করলে মলিকের ঘুম হারাম হয়ে যায়। আর জনগণের টাকা? সে তো কষ্টার্জিত না। তাই ইচ্ছে মত অপচয় করা যায়। সত্যিকার অর্থেই বেসরকারি করণের বিকল্প নাই। কল্যাণ অর্থনীতি এই দেশে কাজ করবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর ন্যাশনাল ব্যাংকের তারল্য সংকট কাটাতে ১,০০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। গতকাল একটি লেখা দিয়েছি যে পলিসিতে পরিবর্তন আসতে পারে। সব মিলিয়ে উদার মুদ্রানীতি আপনার আমার জীবনে কি কি পরিবর্তন আনতে প...

সুদের বিরুদ্ধে শপথ নিন

  আপনি কি নিজের টাকা নেতানইয়াহু কে দিয়ে বলেন বোম কিনে যুদ্ধ কর? সুদ তো ঠিক তাই। ভেবে দেখেছেন কি? আজ রোজার শেষ দিন। সুদের বিরুদ্ধে শপথ নিন। এই কথা সত্যি যে আপনার বিরুদ্ধ শক্তি অনেক বড়। আপনি সেই তুলনায় কিছুই না। কিন্তু যেই লড়াইয়ের মাঠে আল্লাহ আপনার সাথে এক পক্ষে আছে সেটা কি যথেষ্ট না? আপনি আমি তো নবীর সাথে এক পক্ষে থেকে লড়াই করতে পারি নাই। সেই সৌভাগ্য হচ্ছে সুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। বর্তমানে কে হক কে বাতিল সেটাই বুঝি না। তাই কোন যুদ্ধে না গিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকি - পাছে ভুল যুদ্ধ করি। কিন্তু এই এক যুদ্ধ কুরআনে বলা আছে যে আল্লাহ ও রাসূল আপনার সাথে। তারপরেও হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন কি নিয়ে? কোন কারণ আছে? থাকলে বলেন শুনি। বিষয়টি এমন না যে সুদের বিরুদ্ধে থাকতে আপনাকে পাক্কা মুসলিম হতে হবে, হজ করতে হবে, গুনাহ করতে পারবেন না আর কোন দিন। তাহলে আর মনস্থির করতে দেরি কেন? সামান্য দুই পয়সার জন্য? একবার ভাবেন আপনার টাকা নেতানিয়াহুকে দিচ্ছেন আর্মি পোষার জন্য। তার তুলনায় সেই টাকায় আগুন ধরিয়ে দেয়াও উত্তম। ( প্রয়োজনে আমার সাথে কথা বলুন। দুই পক্ষ আলোচনা করে চেষ্টা করি সমাধান ...

জাহাজ নির্মাণ শিল্প

  কেন অপার সম্ভাবনাময় বলা হচ্ছে জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে? একদা জাহাজ নির্মাণ শিল্পের কেন্দ্র ছিল আমেরিকা। তারপরে হয়েছে জাপান। তারপরে তা এসেছে কোরিয়াতে। বর্তমানে চীন বিশ্বের মোট জাহাজের ৬০% উৎপাদন করে। এই একটি দেশ এক বছরে এত জাহাজ নির্মাণ করে যে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর থেকে আজ পর্যন্ত আমেরিকা তা করেনি। তারপরেও কীভাবে বাংলাদেশ সম্ভাবনাময়? তার মূল কারণ হচ্ছে চীন ২০৩০ সাল পর্যন্ত বুকড। বর্তমানে এত বেশী অর্ডার আসছে যে তার নেওয়ার জায়গা নেই। ফলে কম দামী জাহাজ নির্মাণের অর্ডার নেওয়া বাদ দিয়ে বরং কেবলমাত্র দামী, উন্নত প্রযুক্তির জাহাজের অর্ডার নিতে পারছে - যেগুলোতে লাভ বেশী। সেরা সুযোগ আমাদের জন্য। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভারত বাগিয়ে নিয়েছে এক বছরে দ্বিগুণ অর্ডার। ১০০% গ্রোথ! অনেকে প্রশ্ন করতে পারে চীন নিজে ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করলেই তো পারে। অন্য দেশকে দিতে হবে কেন? উত্তর হচ্ছে চীন কিছু ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করলেও কিছু জাহাজ আর বানাবে না। যেভাবে গার্মেন্টস এর কিছু অংশ চীন অন্যান্য দেশে দিয়েছে, বর্তমানে জাহাজ নির্মাণেও সেই স্রোত শুরু হয়েছে। এক কথায় একটা মোক্ষম সুযোগ অপেক্ষ...

সব বিড়াল কি ভ্রমণ পছন্দ করে?

  ঈদ প্রায় আমাদের দরজায় দাঁড়িয়ে। আর ঈদের ছুটিতে পরিবারসহ বাইরে ঘুরতে যাওয়া আনন্দের বিষয়। কিন্তু আপনার বাসায় যদি একটি আদরের বিড়াল থাকে তখন সিদ্ধান্তটা একটু ভেবেচিন্তে নিতে হয়... ওকে বাসায় রেখে যাবেন, নাকি সাথে নিয়ে যাবেন? যদি ৩–৪ ঘণ্টার বেশি দূরত্বে কোথাও যান এবং বিড়ালকে সাথে নিতে চান তাহলে আগে থেকেই সঠিক প্রস্তুতি নেওয়া খুব জরুরি। কারণ বিড়াল পরিবেশ পরিবর্তন খুব সহজে মানিয়ে নিতে পারে না, আর ভ্রমণের চাপ তাদের জন্য স্ট্রেসফুল হতে পারে। প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিরাপদ ক্যারিয়ার (pet carrier)। কখনোই কোলে বা খোলা অবস্থায় গাড়িতে বিড়াল নিয়ে ভ্রমণ করবেন না। নিরাপদ, বাতাস চলাচল করে এমন শক্ত ক্যারিয়ার ব্যবহার করতে হবে। American Veterinary Medical Association পরামর্শ দেয় যে ভ্রমণের সময় পোষা প্রাণীকে সবসময় সুরক্ষিত ক্রেট বা ক্যারিয়ারে রাখতে হবে যাতে হঠাৎ ব্রেক বা দুর্ঘটনায় আঘাত না পায়। ক্যারিয়ারের ভেতরে নরম কাপড় বা ওর পরিচিত কম্বল রাখলে বিড়াল একটু স্বস্তি পায় কারণ এতে বাসার গন্ধ থাকে। দ্বিতীয় বিষয় হলো ভ্রমণের আগে স্বাস্থ্য প্রস্তুতি। যদি আপনার বিড়ালের বমি প্রবণতা থাকে বা গাড়িতে ...

বিড়ালের কৃমি একটি সমস্যা

  একটি বিড়াল বাইরে থেকে সুস্থ দেখালেও ভেতরে অনেক সময় নীরব সমস্যা চলতে পারে। পেট ফোলা, দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, হাঁচি, লোম ঝরে যাওয়া বা আচরণ বদলে যাওয়া... এসব ছোট লক্ষণই বড় সমস্যার শুরু হতে পারে। তাই কৃমি, লিভারের স্বাস্থ্য এবং ফ্লু... এই তিনটি বিষয় ভালোভাবে বোঝা খুব জরুরি। বিড়ালের কৃমি একটি খুব সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপুর্ণ সমস্যা, বিশেষ করে ছানা বিড়ালের ক্ষেত্রে। মায়ের দুধ, মাটি, সংক্রমিত খাবার, পোকামাকড় বা শিকার করার মাধ্যমে বিড়াল কৃমিতে আক্রান্ত হতে পারে। রাউন্ডওয়ার্ম, হুকওয়ার্ম এবং টেপওয়ার্ম সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এই পরজীবীগুলো অন্ত্রে বাস করে এবং বিড়ালের খাবারের পুষ্টি শোষণ করে নেয়। ফলে বিড়াল যতই খাক, তার শরীর ঠিকমতো শক্তি পায় না। পেট ফুলে যায়, ডায়রিয়া বা বমি হতে পারে, ওজন কমে যেতে পারে, লোম রুক্ষ হয়ে যায় এবং শরীর দুর্বল দেখায়। অনেক সময় পায়খানার সাথে কৃমি বের হতেও দেখা যায়। American Veterinary Medical Association জানায়, নিয়মিত ডিওয়ার্মিং বিড়ালের মৌলিক স্বাস্থ্য পরিচর্যার অংশ হওয়া উচিত। সাধারণভাবে ছানা বিড়ালকে কয়েক সপ্তাহ পরপর নির্দিষ্ট সময় পর্যন...

“বিড়ালটাকে রেখে যাব, নাকি সাথে নেব?”

  যেকোনো ছুটিতে পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন আর ভাবছেন—“বিড়ালটাকে রেখে যাব, নাকি সাথে নেব?” অনেকেই আবেগ থেকে সাথে নিয়ে যান কিন্তু প্রস্তুতি ঠিকমতো না থাকলে বিড়ালের জন্য ভ্রমণটা আনন্দের না হয়ে চরম স্ট্রেসের কারণ হতে পারে। বিড়াল কুকুরের মতো সহজে পরিবেশ বদল মানিয়ে নেয় না। তারা জায়গার সাথে, গন্ধের সাথে, রুটিনের সাথে গভীরভাবে যুক্ত থাকে। তাই ৩–৪ ঘণ্টার দূরত্ব হলেও এটি তাদের জন্য বড় পরিবর্তন। প্রথমেই বুঝতে হবে, আপনার বিড়ালের স্বভাব কেমন। যদি সে বাসার বাইরে গেলেই কাঁপতে থাকে, জোরে জোরে মিউমিউ করে বা লুকিয়ে পড়ে তাহলে তাকে জোর করে নিয়ে যাওয়া ঠিক হবে না। অনেক সময় বাসায় রেখে বিশ্বস্ত কারও তত্ত্বাবধানে রাখা বেশি নিরাপদ। কিন্তু যদি আপনার বিড়াল তুলনামূলক শান্ত ও গাড়িতে উঠলে অতটা অস্থির না হয় তাহলে পরিকল্পনা করে নিয়ে যাওয়া যায়। ভ্রমণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিরাপদ ক্যারিয়ার। কখনোই বিড়ালকে কোলে বা খোলা অবস্থায় গাড়িতে নেওয়া উচিত নয়। হঠাৎ ব্রেক করলে বা দুর্ঘটনা হলে সে গুরুতর আঘাত পেতে পারে। American Veterinary Medical Association স্পষ্টভাবে বলে, ভ্রমণের সময় পোষা প্রাণীকে সুরক্ষি...

বিড়ালের মুখের দুই পাশে থাকা লম্বা গোঁফ

  আপনি কি কখনও ভেবেছেন, বিড়ালের মুখের দুই পাশে থাকা লম্বা গোঁফগুলো কি শুধুই সৌন্দর্যের জন্য? আসলে সত্য হলো... বিড়ালের গোঁফ তার শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি। গোঁফ ছাড়া একটি বিড়াল তার চারপাশ ঠিকভাবে বুঝতেই পারবে না। বৈজ্ঞানিকভাবে এই গোঁফকে বলা হয় “vibrissae”। এগুলো সাধারণ লোমের মতো নয়। প্রতিটি গোঁফ ত্বকের গভীরে বিশেষ স্নায়ুর সাথে যুক্ত থাকে। ফলে খুব হালকা বাতাসের নড়াচড়া বা সামান্য স্পর্শও বিড়াল অনুভব করতে পারে। প্রাণী আচরণ বিশেষজ্ঞ John Bradshaw ব্যাখ্যা করেছেন যে, গোঁফ হলো বিড়ালের জন্য এক ধরনের সংবেদনশীল সেন্সর যা তাকে পরিবেশ বুঝতে সাহায্য করে। প্রথম কাজ হলো দিকনির্দেশনা বোঝা। বিড়াল অন্ধকারেও সহজে চলাফেরা করতে পারে। কারণ গোঁফ বাতাসের চাপ ও সামনে থাকা বস্তুর অবস্থান টের পায়। ফলে আলো কম থাকলেও সে দেয়াল, দরজা বা আসবাবের দূরত্ব আন্দাজ করতে পারে। দ্বিতীয় কাজ হলো জায়গা মাপা। বিড়ালের গোঁফের দৈর্ঘ্য সাধারণত তার শরীরের প্রস্থের সমান হয়। তাই কোনো ফাঁকা দিয়ে ঢোকার আগে সে গোঁফ দিয়ে বুঝে নেয় জায়গাটি যথেষ্ট বড় কিনা। যদি গোঁফ চাপে বা বাঁকে, সে বুঝে যায় জায়গা ছোট। তৃতীয়...

বিড়ালের স্ট্যাটিক ইলেকট্রিসিটি

  আপনার বাসায় যদি আদরের বিড়াল থাকে তাহলে নিশ্চয়ই দেখেছেন... কালো শার্ট পরলেই সাদা লোম, সোফায় বসলেই লোম এমনকি বিছানার চাদরেও লোম! অনেক সময় মনে হয়, বিড়ালের শরীরে যত লোম আছে তার চেয়ে বেশি লোম যেন ঘরেই পড়ে আছে। আসলে এটা একদম স্বাভাবিক আর এর পেছনে পরিষ্কার বৈজ্ঞানিক কারণ আছে। প্রথম কারণ হলো স্থিরবিদ্যুৎ বা স্ট্যাটিক ইলেকট্রিসিটি। সহজভাবে বললে, যখন দুইটা জিনিস একে অপরের সাথে ঘষা লাগে তখন হালকা বৈদ্যুতিক চার্জ তৈরি হয়। যেমন শীতকালে উলের সোয়েটার খুললে ছোট্ট শক লাগে বা চুল খাড়া হয়ে যায়, এটাই স্থিরবিদ্যুৎ। বিড়াল যখন শুকনো সোফা, কার্পেট বা কাপড়ে শরীর ঘষে তখন তার লোমে এই চার্জ তৈরি হয়। ফলে আলগা লোম আশেপাশের কাপড় বা আসবাবে আটকে যায়। বিশেষ করে নাইলন, পলিয়েস্টার বা সিনথেটিক কাপড়ে এই সমস্যা বেশি হয়। Journal of Applied Physics-এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখানো হয়েছে, ঘর্ষণের ফলে তৈরি চার্জ হালকা তন্তু বা লোমকে অন্য জিনিসের সাথে আটকে দিতে পারে। দ্বিতীয় কারণ হলো বিড়ালের লোমে থাকা প্রাকৃতিক তেল। বিড়ালের ত্বক থেকে সিবাম নামে এক ধরনের তেল বের হয় যা লোমকে নরম ও স্বাস্থ্যকর রাখে। কিন্তু এই তেলের কারণে লোম সামান...

মেল ক্যাট ইউরিনারি ব্লকেজ

  আপনার ছেলে বিড়ালটি কি বারবার লিটার বক্সে যাচ্ছে কিন্তু ঠিকমতো প্রস্রাব করতে পারছে না? কখনও বসে থাকে, চেষ্টা করে কিন্তু কিছুই বের হয় না? অনেক মালিক প্রথমে এটাকে ছোট সমস্যা মনে করেন। কিন্তু বাস্তবে এটি একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থা হতে পারে, যাকে বলা হয় মেল ক্যাট ইউরিনারি ব্লকেজ (Male Cat Urinary Blockage) বা ফেলাইন ইউরেথ্রাল অবস্ট্রাকশন। এই অবস্থায় প্রস্রাব বের হওয়ার পথ আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। তখন শরীরের ভেতরে প্রস্রাব জমতে থাকে এবং বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ রক্তে ফিরে যেতে শুরু করে। যদি দ্রুত চিকিৎসা না করা হয় তাহলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিড়ালের কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং জীবনও ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ভেটেরিনারি গবেষণায় বলা হয়েছে, এটি বিড়ালের একটি মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি অর্থাৎ এমন একটি অবস্থা যেখানে দেরি করা একদমই নিরাপদ নয়। এই সমস্যাটি সাধারণত Feline Lower Urinary Tract Disease (FLUTD) নামের একটি বড় রোগের অংশ। এই রোগগুলোর মধ্যে প্রস্রাবের সংক্রমণ, ব্লাডারের ক্ষরণ, ক্রিস্টাল তৈরি হওয়া কিংবা প্রস্রাবের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা থাকে। যখন এই সমস্যাগুলোর...

মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

  মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা thaad সিস্টেমের রাডার উড়িয়ে দিয়েছে ইরানি বিপ্লবী বাহিনী। একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় রাডার কন্ট্রোল রুম এবং লঞ্চ প্যাড+মিসাইল থাকে। এই তিনটির একটি শেষ হলে ব্যবস্থা অকার্যকর। Thaad বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল এবং খুবই উন্নত প্রযুক্তি। ইরানের মত গরীব রাষ্ট্র এটি উড়িয়ে দিয়েছে এই খবর বিস্তার করলে আমেরিকান শক্তির উপর ভরসা এবং যুদ্ধাস্ত্রের দাম কমে যাবে অনেক। কারণ যেই দৈত্যের উপর ভরসা করে মানুষ টাকা খাইয়েছে এতদিন। সে যদি একটি ছাগলের কাছে পরাজিত হয় নিশ্চই তাকে দুধ কলা দিয়ে পুষতে কেউ আগ্রহ করবে না। সব মিলিয়ে ইরান কেবল মাত্র আমেরিকাকে মধ্য প্রাচ্যে না সারা বিশ্বেই নাস্তানাবুদ করছে। অচিরেই চীন কিংবা উত্তর করিয়া ভাবতে পারে যা ইরান পারে তা আমরা পারবো ধ্বংস করতে। তাই যেই কোন মুহূর্তে তাইওয়ান বা দক্ষিণ কোরিয়ার উপর আক্রমণ করতে ভয় নাই। এদিকে এই রাষ্ট্র গুলো আগের মত এত বেশি ভরসা বা বিনিয়োগ করতে রাজি হবে না। এই সবকিছু বিচারে দ্রুত খবর গুলো লুকিয়ে মোটামুটি সম্মানের সাথে ইরান থেকে বের হয়ে আসা আমেরিকার জন্য জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রথম দিন যদি শক্তির সা...

রাস্তার কুকুরের লোম ওঠা

  আপনি কি কখনো এমন কোনো রাস্তার কুকুর দেখেছেন যার শরীরের অনেক জায়গায় লোম নেই, চামড়া লাল হয়ে আছে বা খোসা পড়ছে? অনেক মানুষ এটা দেখে ভাবে... হয়তো গরমের কারণে লোম পড়ছে বা এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু সত্যটা হলো, বেশিরভাগ সময় রাস্তার কুকুরের লোম উঠে যাওয়া মানে তার শরীরে কোনো না কোনো সমস্যা হয়েছে। ভালো খবর হলো, খুব সাধারণ কিছু উপায় জানলে একজন সাধারণ মানুষও এই কুকুরগুলিকে সাহায্য করতে পারেন। রাস্তার কুকুরের লোম ওঠার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ত্বকের পরজীবী রোগ, যাকে সাধারণভাবে মেঞ্জ বা স্ক্যাবিস বলা হয়। এতে খুব ছোট ছোট মাইট বা পরজীবী কুকুরের ত্বকে বাসা বাঁধে এবং প্রচণ্ড চুলকানি সৃষ্টি করে। তখন কুকুরটি বারবার শরীর চুলকায়, দাঁত দিয়ে কামড়ায় বা মাটিতে ঘষে। এর ফলে ধীরে ধীরে সেই জায়গার লোম উঠে যায় এবং চামড়া লাল হয়ে যায় বা ক্ষত তৈরি হয়। রাস্তার কুকুরদের মধ্যে এই রোগ খুব বেশি দেখা যায় কারণ তারা অনেক কুকুরের সংস্পর্শে থাকে এবং পরিষ্কার পরিবেশে থাকতে পারে না। আরেকটি বড় কারণ হলো খাবারের অভাব বা পুষ্টির ঘাটতি। রাস্তার কুকুররা নিয়মিত ভালো খাবার পায় না। অনেক সময় তারা ডাস্টবিন...

বিড়ালের লোম পেটে গেলে

  অনেকেই বলেন, বিড়ালের লোম পেটে গেলে নাকি মারাত্মক অসুখ হয়। বিশেষ করে বাড়িতে বাচ্চা থাকলে এই ভয়টা আরও বেশি শোনা যায়। কিন্তু আসলে বিষয়টি কতটা সত্য? সব লোম কি ক্ষতিকর? নাকি বিষয়টা একটু বাড়িয়ে বলা হয়? চলুন সহজভাবে বুঝে নেওয়া যাক। প্রথম কথা হলো, সুস্থ একজন মানুষের পেটে অল্প পরিমাণ বিড়ালের লোম চলে গেলে সাধারণত কোনো বড় সমস্যা হয় না। আমাদের হজমতন্ত্র এমনভাবে তৈরি যে ছোটখাটো অজানা বস্তু (যেমন ধুলা, চুল) অনেক সময় স্বাভাবিকভাবেই মলত্যাগের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীর সাধারণত সামান্য চুল বা লোম হজম না করলেও তা ক্ষতি না করে বের করে দিতে পারে। তবে সমস্যা হতে পারে দুইভাবে। প্রথমত, যদি কারও বিড়ালের লোমে অ্যালার্জি থাকে। আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ লোমে নয়, বিড়ালের ত্বক থেকে বের হওয়া প্রোটিনে (যেমন Fel d 1) অ্যালার্জিক হয়। American College of Allergy, Asthma & Immunology জানায়, বিড়াল অ্যালার্জির মূল কারণ হলো তাদের ত্বক ও লালায় থাকা প্রোটিন, যা লোমের সাথে বাতাসে ছড়ায়। এতে হাঁচি, চোখ চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড...