Skip to main content

Posts

Showing posts from December, 2021

গর্ভবতী মায়ের মানসিক চাপ

  আপনার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের ঘটনা কোনটি - জিজ্ঞেস করা হলে অধিকাংশ নারী না ভেবেই উত্তর দিবেন 'মা' হওয়ার মুহূর্তটি! এদেরকে যদি আবার জিজ্ঞেস করা হয়, জীবনের সবচেয়ে স্ট্রেসে কখন সময় কেটেছে? উত্তরটা অধিকাংশ সময়ই হবে গর্ভধারণের সময়! অন্ত:সত্ত্বা একজন নারীর মনের গল্পটা আমরা ক'জন জানি? শারীরিক পরিবর্তনের সাথে সাথে অনাগত সন্তানের চিন্তা, ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা, সব মিলিয়ে না চাইতেও যেন মনে ভয় চলে আসে! এর সাথে যখন যোগ হয় মানুষের কথা,তখন বিষয়টি যেন ভয়ঙ্কর মানসিক চাপে রূপ নেয়! "এভাবে হেঁটো না!" "এটা খেও না!" "এটা খাও!" "তুমি দেখি বাচ্চার ব্যাপারে কিছুই জানো না!" "আরে এসব বমি সবার হয়, কিছু না!" "আমাকে জিজ্ঞেস করে নিতা!" মেনে নিচ্ছি, অবশ্যই সবাই বাচ্চার ভাল চান, হয়তো মায়েরও ভালই চান! কখনো ভেবে দেখেছেন আমাদের কথা শুনে তার মনের ভেতর ভয়টা কি কমছে বাড়ছে!? তার সাহায্যের জন্য বলা কথাগুলো উল্টা কাজ করছে না তো? বাচ্চা হলে আরো সমাজের পরামর্শ কয়েকগুনে বেড়ে যায়! কিভাবে শিশুর হাত ধরবে থেকে শুরু করে শিশুর ঘুম - হেন কোন বিষয় নেই যা...

হারাম রিলেশনকে ‘না’ বলুন

  আবেগ অনেকটা সফট ড্রিংকসের ঝাঁজের মতো। বেশি সময় থাকে না। অন্তরে যে আবেগ আছে সেটা বৈধ ভালোবাসার জন্য জমিয়ে রাখুন। আবেগ ও প্রেম যদি দুই নম্বর ভালোবাসায় খরচ করে ফেলেন তাহলে এক নম্বর ভালোবাসা যখন শুরু হবে তখন আপনার ভালোবাসার পুঁজিতে টান পড়বে। সুতরাং হারাম রিলেশনকে ‘না’ বলুন, পবিত্রতার পথে অবিচল থাকুন।

ছেলে মেয়ের বিয়ের বয়স।

  ছেলে মেয়ের বিয়ের বয়স। বিয়ের প্রকৃত বয়স কত! এনিয়ে মহাবিপাকে দুনিয়ার মানুষ। অনেক অভিভাবক কুয়ার আরে সুরে বলে থাকে যে,'এখনো ছেলে বা মেয়ের বিয়ের বয়স হয়নি। আর কয়েক বছর অপেক্ষা করি তারপরই না হয় তাদের বিয়েটা দিই। ছেলে-মেয়ের পড়ালেখাটাও একপর্যায়ে পৌঁছুক কিংবা কোন চাকরি-বাকরি ধরে ফেলুক। না হয় বিয়ে করে তারা খাবে কি? বউকে দিবে কি? তাছাড়া পড়ালেখা শেষ না করে বিয়ে করলে লোক সমাজে মুখ দেখাই কিভাবে? ইত্যাকার প্রশ্ন আমাদের সমাজে দীর্ঘদিন থেকেই চলে আসছে। জাতিসংঘ ছেলে - মেয়ে উভয়ের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার বয়সসীমা নির্ধারণ করেছে আঠারো। এর আগে সবাই শিশু। তাই আঠারো বছরের আগে কোনো ছেলে কিংবা মেয়ের বিয়ে দেওয়া কথিত আন্তর্জাতিক আইনে সিদ্ধ নয়। কিন্তু বাস্তবে জাতিসংঘের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার এই বয়স নির্ধারণ করা কতটা যুক্তিযুক্ত? প্রকৃতপক্ষে বিয়ের প্রকৃত বয়স কত? এ প্রশ্নের জবাবে আমার দ্বিধাহীন বক্তব্য হলো, আপনি নিজ থেকে প্রথম যেদিন নিজের সাবালকত্ব সম্পর্কে পূর্ণ অনুভূতি লাভ করবেন, সেটাই আপনার উপযুক্ত বিয়ের বয়স। সব বিষয় দলিল - প্রমাণ দিয়ে হয় না। বিয়ের বয়স নির্ধারণের জন্যও কোনো দলিল - প্রমাণ তলবের প...

কোয়ান্টাম মেথড Book free download

কোয়ান্টাম মেথড Book free download https://publication.quantummethod.org.bd/detail/bacc9bde-c2fe-11e3-87b3-00270e0b2b42

রিমাইন্ডার

  এই পোস্ট যেসব মুসলিম ভাইবোনদের কাছে পৌঁছাবে, তাদের উদ্দেশ্যে বলছি। আমি জানি আপনাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা– ১. জীবনে প্রচুর সিনেমা দেখেছেন। মুভি সিরিজ, টিভি সিরিজ দেখেছেন অসংখ্য! ২. প্রচুর গল্প-উপন্যাস পড়েছেন। শরৎ, সুনীল, হুমায়ুন গোগ্রাসে গিলেছেন। ৩. ক্লাব ফুটবল সিজনের পর সিজন রাত জেগে দেখেন। প্লেয়ারদের খুঁটিনাটি তথ্য রাখেন। ৪. প্রচুর গান শুনেছেন, লিরিক্স মুখস্ত করেছেন। ৫. প্রচুর একাডেমিক পড়াশোনা করেছেন, পরিশ্রম করে সিজিপিএ তুলেছেন। আপনাদেরকে বলছি। –রাসূল (সা.) এর জীবনী নিয়ে কোনো বই পড়েছেন? –ইসলামের আকীদা নিয়ে কোনো বই পড়েছেন? –কুরআনের তাফসীর কখনো খুলে দেখেছেন? –ইসলামের ইতিহাস জানেন? –আখিরাতকে সিরিয়াসলি নিয়েছেন? এই প্রশ্নগুলো হিউমিলিয়েট করার জন্য না। একটা রিমাইন্ডার দিচ্ছি। আল্লাহর ওয়াস্তে একটু ভাবেন। কোন কাজে সময় দেয়া দরকার, একটু ভাবেন। সময় থাকতে ভাবেন। একটা বই পড়েন, একটু লেকচার শোনেন, সামনের ওয়াক্তের সালাতটা পড়েন। একটু সিরিয়াসলি নেন দ্বীনকে।

গর্ভবতী অবস্থায় করণীয়ঃ

  গর্ভকালীন সময়ে মায়ের চাই বিশেষ যত্ন। নারীদের গর্ভধারণের পূর্বেই নিজের স্বাস্থ্য, গর্ভধারণ ও সন্তান পালন সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। কারণ একজন সুস্থ মা-ই পারে একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক শিশুর জন্ম দিতে। তাই গর্ভবতী মায়ের জন্য প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও পরিচর্যা। গর্ভকালীন যত্ন বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর হার কমাতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করতে পারে। ◼️ গর্ভবতী অবস্থায় করণীয়ঃ ১. সবসময় হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করা। ২. খাবারে থাকতে হবে একটু বাড়তি ক্যালোরি। এছাড়া গর্ভের সন্তানের জন্যে বাড়তি খাবার প্রয়োজন। কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয় সেজন্যে খাবারে থাকতে হবে বাড়তি আঁশ। খাবারের আঁশ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতেও সাহায্য করবে। খাবারে থাকতে হবে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ লবণ। শাকসবজি ও ফলমূলে পাওয়া যাবে এগুলো। মাছ খাওয়া ভালো। মাছে আছে পর্যাপ্ত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড। যা বাচ্চার বিকাশে সহায়ক। ৩. প্রচুর পরিমাণে পানি ও তরল জাতীয় খাবার খাওয়া। ৪. পরিমিত বিশ্রাম নিতে হবে। একেবারে শুয়ে-বসা থাকাও নয় আবার দিনভর হাড়ভাঙা খাটুনিও নয়। কাজের ফাঁকে চাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম। ৫. দুপুরের খাবারের পর কমপক্ষে ১-২ ঘণ্টা বিশ্রাম নেয়া। ৬. ...

শপথ

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা অতি গুরুত্বপূর্ণ কোনো কথা বলার সময় তাঁরই বিভিন্ন সৃষ্টির নামে শপথ করে থাকেন। কুরআনুল কারীমে কখনো দুইবার কখনো তিনবারও শপথ করে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ের অবতারণা করেছেন তিনি। কুরআনে একসঙ্গে সবচেয়ে বেশি সংখ্যকবার শপথ করা হয়েছে সূরাতুস-শামসে (৯১)। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘য়ালা এ সূরার শুরুতে সাতটি বড় বড় সৃষ্টির (সূর্য, চন্দ্র,দিন, রাত, নভোমণ্ডল, ভূমণ্ডল এবং প্রাণ) নামে শপথ করেছেন। কী এমন গুরুত্বপূর্ণ কথা, যেটা বলার জন্য সর্বাধিক সংখ্যকবার শপথ করা হয়েছে? আসুন জেনে নিই। সাতটি সৃষ্টির নামে শপথ করার পর মহান আল্লাহ বলেছেন— “যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করে সেই সফলকাম হয় ৷ আর যে নিজেকে কলুষিত করে সে ব্যর্থ মনোরথ হয়।” আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে খুব সাধারণ কথা। বস্তুত অসাধারণ বিষয়গুলোকে শয়তান আমাদের চোখে সাধারণ করে রেখেছে। মহান সৃষ্টিকর্তার সাতত শপথ থেকে বুঝা গেল, নিজেকে সংশোধন করা একজন মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও প্রকৃত সফলতার মূল পথ। অথচ আমরা আজকাল নিজের চেয়ে অন্যকে নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকি। আমাদের মধ্যে কর্তব্য-সচেতনতার চেয়ে অধিকার-সচেতনতা বেশি। মহান আল্লাহ আমাদে...

মুক্ত করার নামে নারীকে প্রদর্শন

  মুক্ত করার নামে নারীকে প্রদর্শন ও পণ্যায়নের সংস্কৃতি নারীকে নিছক ভোগ্যপণ্যে পরিণত করে। আর তাই স্বভাবগত লাজ-লজ্জা বিসর্জন দিয়ে তথাকথিত ‘সাহসী’ উপাধী পাওয়া নারীর অসহায়ত্ব ও করুণ চিত্র দু-এক সময় প্রকাশ পেলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই থেকে যায় অপ্রকাশিত। মদীনার বনু কাইনুকা’র বাজারে একজন নারীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জেরে যুদ্ধে অবতীর্ণ হতেও পিছপা হননি। নারীকে নিয়ে কেউ বাজে চিন্তা ও অশ্লীল কল্পনা করুক সেটা কোনোভাবেই চায় না ইসলাম। আর সেজন্যই মহান আল্লাহ দৃষ্টির সংযম এবং পর্দার নির্দেশ করেছেন। নারীর ইজ্জতের দিকে নোংরা হাত বাড়ানো দূরের কথা, তার দিকে চোখ তুলে তাকাতেও নিষেধ করেছে ইসলাম। নিষেধাজ্ঞার ব্যত্যয় হলে রেখেছে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা। নারী-পুরুষ সবার জন্য পরিপূর্ণ সম্মান ও মর্যাদা রয়েছে একমাত্র ইসলামের ছায়াতলে। সুতরাং আসুন, আমরা ইসলামের দিকেই ফিরে আসি; পরিপূর্ণ মুমিন হয়ে উঠি। এতেই রয়েছে মুক্তি, সম্মান এবং দুনিয়া ও আখিরাতের সার্বিক সফলতা। collected

ধর্ষন ও এর বিচার

  👉 ১৯৯৮ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাসরঘর সাজিয়ে প্রতিরাতে একজন ছাত্রীকে ধর্ষন করা হতো, এভাবে একশত ধর্ষন করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে মিষ্টি বিতরণ করে উল্লাস করেছিলো ক্ষমতাসীন দলের সোনার ছেলে "জসিমউদদীন মানিক" এরও একটা বিচার হয়েছিলো, তবে ফাঁসি হয় নি। . 👉 দিবালোকে রামদা দিয়ে রাস্তায় প্রকাশ্যে খাদিজা কে কুপিয়ে তার মাথা কয়েকভাগ করে সিলেটের বদরুল,খাজিদার ভাগ্য ভালো মরতে মরতে বেঁচে গেছে বদরুলেরও একটা বিচার হয়েছে, তবে খুব বেশি হয় নি। . 👉 ২০১৮ সালে বরিশালের বানারিপাড়ায় মা-মেয়েকে একসাথে ধর্ষন করে মাথা নেড়ি করে দেয় প্রভাবশালী তুফান, তুফানেরও একটা বিচার হয়েছে, তবে ফাঁসি হয় নি। . 👉সংরক্ষিত এলাকা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এর ভিতরে তনুকে ধর্ষন করার পর হত্যা করা হয়,কিন্তু তনুর ধর্ষনকারী কেউ গ্রেফতার হয় নি। . 👉 ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৮ নোয়াখালীর সুবর্ণচরে দিনের বেলা যুবতি মেয়ের সামনে তার মাকে দল বেঁধে ধর্ষণ করার পর প্রহার করা হয়, ১৭ কোটি মানুষ এর সাক্ষী,ধর্ষক রুহুল আমীনের ফাঁসির দাবি উঠলেও, ফাঁসি কিন্তু হয় নি। . 👉 কিছুদিন আগে ঢাকার এক আবাসিক এলাকায় ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করার পর ...

ক্যান্সারের প্রকোপ

  ক্যান্সারের প্রকোপ কী হারে বেড়েছে তা বলাই বাহুল্য। প্রাথমিক পর্যায়ে যদি ক্যান্সার নির্ণয় করা সম্ভব হয়, তাহলে ৯০ ভাগ ক্যান্সার চিকিৎসার মাধ্যমে সারানো সম্ভব। তো এক্ষেত্রে আমাদের করণীয়টা কী? কিংবা আমরা কী ধরনের সচেতনতা অবলম্বন করতে পারি? American Cancer Society এক্ষেত্রে কয়েকটা Warning Signal জানিয়েছে আমাদেরকে। যার কোনোটা চিকিৎসা নেয়া সত্ত্বেও যদি ২ সপ্তাহের বেশি চলতে থাকে, তাহলে যতো দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। ১। মল বা মূত্র ত্যাগের অভ্যাসের যদি পরিবর্তন ঘটে। ২। যেকোনো ঘা বা ক্ষত যদি সহজে না সারে। ৩। শরীরের যেকোনো জায়গা থেকে যদি অস্বাভাবিক রক্ত ঝরে কিংবা তরল নিঃসৃত হয়। যেমনঃ সারা মাস ধরে কারও মাসিক হচ্ছে থামছে না কিংবা দুই মাসিকের মাঝখানে আবার রক্ত যাচ্ছে। ৪। স্তন কিংবা শরীরের অন্য কোথাও চাকা চাকা কিছু পাওয়া গেলে। ৫। বদহজম কিংবা খাবার গিলতে কষ্ট হলে। ৬। তিল বা আঁচিলে স্পষ্ট কোনো পরিবর্তন দেখা গেলে। যেমনঃ তিল বা আঁচিল বড় হচ্ছে কিনা, ব্যথা করছে কিনা বা সেখান থেকে কিছু নিঃসরণ হচ্ছে কিনা। ৭। খুশখুশে কাশি কিংবা ভাঙা কণ্ঠস্বর থাকলে। এছাড়া আরও কয়েকটি ওয়ার্নিং সিগন্যাল...

সফল সংসারজীবনের চাবিকাঠি

  বিয়ের ৩০ বছর পর যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয়, সফল সংসারজীবনের চাবিকাঠি কি - কি উত্তর দিবেন? ১. কোন পরিস্থিতিকে সবসময় মুদ্রার মত চিন্তা করুন। পয়সার যেমন দুইটি দিক থাকে, তেমনি ঘটনারও থাকে। হতেই পারে, আপনি একটা ব্যাপারকে যেভাবে ব্যাখ্যা করছেন, অন্যজন করছেন না। ২. স্বামী/স্ত্রী ভিন্ন দুইটি পরিবারে বেড়ে উঠেছেন; তাই তাদের অধিকাংশ কিছুই আলাদা। দাম্পত্যের দুইটি অংশেরই নিজস্ব মতামত থাকতে পারে, এতে দোষের কিছু নেই। সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য দুইজনের মতকে প্রাধান্য না দিলেও, গুরুত্ব দিন। ৩. আপনার যেমন রাগ হতে পারে, অন্যজনেরও পারে। আপনি যেমন ভুল করেন, অন্যজনও ভুল করতে পারে। খুব সাধারণ একটি বাক্য, কিন্তু ভেতর থেকে এটা মেনে নিতে পারলে সমস্যার সমাধান সহজ হবে। ৪. একটি পয়সা যখন ছুঁড়ে মারা হয়, যেকোন একটি দিক উপরে দিয়ে পড়ে, কিন্তু প্রতিবার কিন্তু একই দিক উপরে থাকে না! একইভাবে, দাম্পত্যেও কোন কোন সময় একজনের কথা প্রাধান্য পায়, কখনো আরেকজনের। নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিন, কোন বিষয়ে কার মতামত প্রাধান্য পাবে। ৫. প্রতিটি ঘটনাকে একটি আলাদা ঘটনা হিসাবে চিন্তা করুন। মনে করুন, এই বিষয়টি আপনি সামলে উঠবেন, এই ব্যাপার...

ইসলামের সৌন্দর্য (নবম পর্ব)

  মেয়েরা সাধারণত তেলাপোকা, মাকড়শা, টিকটিকি, বিছা দেখলে ভয় পায়। কেউ যদি জানে যে, অমুক মেয়ে এটা দেখলে ভয় পায়, তাহলে তার সাথে মজা করার জন্য বারবার তাকে সেটা দেখানো হয়। কেউ যদি তেলাপোকা ভয় পায়, একটি তেলাপোকা ধরে তার উপর ছুঁড়ে দেওয়া হয়। সে ভয় পেয়ে যখন চিৎকার দিতে থাকে, বাকিরা মজা পেয়ে হাততালি দেয়। Prank সংস্কৃতি তো এখন এতোটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে, কাউকে ভয় দেখিয়ে, বোকা বানিয়ে মানুষ সেটা প্রচার করে বেড়ায়। দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকে ভয় দেখানোর জন্য। যখন আরেকজন দরজার সামনে আসে, তখন ‘ভাআআআউ’ বলে উঠে। আকস্মিক এমন ভয় দেখানো কখনো কখনো মারাত্মক হয়ে উঠে। এমনও ঘটনা আছে যে, হঠাৎ ভয় পেয়ে মানুষ মারা গেছে! মানুষ যখন ভয় পায়, তার হৃদপিণ্ডের গতি বাড়তে থাকে । কেউ হয়তো অন্ধকার ভয় পায় (Nyctohobia)। তো, তার বন্ধুরা মিলে তাকে একটি অন্ধকার জায়গায় নিয়ে যায়, মজা করে এখানে আটকে রাখে বা বেঁধে আসে। ‘Attack of the Graveyard Ghouls’ উপন্যাসটি যারা পড়েছেন, তারা নিশ্চয়ই উপলব্ধি করতে পারবেন। উপন্যাসের শুরুতেই কয়েকজন বন্ধু মজা করতে গিয়ে তাদের একজনকে কবরে রেখে আসে। সে অপেক্ষা করতে থাকে বন্ধুরা তাকে নিতে আসবে, কিন্তু বন...