Skip to main content

Posts

Showing posts from September, 2021

জুলিয়ান ড্রোলোন

  খ্রিস্টান থেকে বৌদ্ধ থেকে মুসলিম! বিশ্বের সবচেয়ে ইসলামবিদ্বেষী দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স অন্যতম। জুলিয়ান ড্রোলোনের ভাষায়- “এমন একটা দিনও যাবেনা যেদিন ফ্রান্সের রেডিও, টেলিভিশন ইসলাম সম্পর্কে খারাপ কিছু না প্রচার করে। আপনি এক ঘন্টা রেডিও খুলে বসুন, ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু না কিছু শুনতেই পাবেন আপনি”। নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্টার জুলিয়ান ড্রোলেনের জন্ম ফ্রান্সে। পৃথিবীর ১১ তম ধর্মহীন দেশে জন্ম নিয়েও জুলিয়ান স্বপ্ন দেখতেন একদিন খ্রিস্টান পাদ্রী হবেন। আদতে তিনি ছোটবেলা থেকেই অনেকটা স্পিরিচুয়াল বা আধ্যাত্মিক মননের মানুষ ছিলেন। এক পর্যায়ে খ্রিস্টান মায়ের পরামর্শেই তিনি বৌদ্ধ হয়ে যান। তার মা নিজেকে অনেক লিবারেল মনে করতেন। যদিও ইসলাম ছিলো সর্বশেষ ধর্ম যেটা সম্পর্কে জুলিয়ান খোঁজ করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাও, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আজানের ধ্বনি শুনে তার মনে হতো এটা যেন তার কাছে কারো আহ্বান। তিনি সেই অনুভূতি এড়িয়ে যেতেন। অবশ্য জুলিয়ান পরবর্তীতে ফিলিপাইনে গিয়ে আবার খ্রিষ্টান ধর্মের দিকে ঝুঁকে যান। একবার তিনি মিশরে যান। সেখানে ট্যাক্সিতে উঠে তিনি এক ধরণের গান শুনতে পান। তিনি ড্রাইভারকে বলেন, “...

হজমশক্তি

  সুস্বাস্থ্যের জন্য হজমশক্তি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। খাবার খাওয়ার পর তা হজম হয় তারপর দেহে তা শোষিত হয়। কিন্তু এই শোষণ প্রক্রিয়া বাঁধাগ্রস্থ হলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। সেই সাথে লিপিড প্রোফাইল, ইউরিক এসিড, রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। মুখ থেকে অন্ত্র পর্যন্ত নানান ধরনের এনজাইম আর হরমোন রয়েছে। হজম ঠিকমত না হলে ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বমিবমি ভাব, বমি এসব সমস্যা দেখা দিতে পারে। #হজমশক্তি ব্যক্তি বিশেষে ভিন্ন হয়ে থাকে। তাই যার যে খাবারগুলোতে সমস্যা, সেগুলো এড়িয়ে যেতে হবে। #অতিরিক্ত তেল, ঝাল, মসলা যুক্ত খাবার এড়িয়ে যেতে হবে। #খাবার ভালো করে চিবিয়ে ধীরে ধীরে খেতে হবে। #পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান করতে হবে। তবে খাবারের মাঝে পানি খাওয়া বন্ধ করতে হবে। #প্রতিদিন নিয়মিত ৭-৮ ঘন্টা ঘুম নিশ্চিত করতে হবে। #চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে। #নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। হাঁটা, ইয়োগা কিংবা শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম হজমশক্তিকে ভালো রাখতে সাহায্য করে থাকে। #খাবার তালিকায় উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। #এছাড়া রসুন, স্যুপ হজমের জন্য ভালো। #প্রিবায়োটিক ও প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবা...

অন্যের প্রশংসা

  একদিন শিক্ষক ক্লাসে আসলেন এবং বোর্ডে লিখলেন - ৯ x ১ = ৭ ৯ x ২ = ১৮ ৯ x ৩ = ২৭ ৯ x ৪ = ৩৬ ৯ x ৫ = ৪৫ ৯ x ৬ = ৫৪ ৯ x ৭ = ৬৩ ৯ x ৮ = ৭২ ৯ x ৯ = ৮১ ৯ x ১০ = ৯০ লেখা শেষ করে তিনি ছাত্রছাত্রীদের দিকে তাকালেন, দেখলেন সবাই মিটিমিটি হাসছে। শিক্ষক বললেন, আমি জানি তোমরা কেন হাসছো। আমি নামতার প্রথম লাইন ভুল লিখেছি। আমি প্রথম লাইন ভুল লিখেছি তোমাদেরকে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেখানোর জন্য। ছাত্রছাত্রীরা আগ্রহের সাথে কথা শুনছিলো। শিক্ষক আবার বলা শুরু করলেন, দেখো, আমি নয়টা লাইন সঠিক লিখেছি। এজন্য তোমরা আমার প্রশংসা করনি বা ধন্যবাদও দাওনি। অথচ একটা লাইন ভুল লিখেছি বলে হাসাহাসি করছো, সমালোচনা করছো। এটাই পৃথিবীর নিয়ম, এটাই বাস্তবতা। তুমি হাজারটা ভাল কাজ করো কেউ তোমার প্রশংসা করবে না। একটা সামান্য ভুল করে দেখো, পুরো পৃথিবী মাইক নিয়ে নেমে পড়বে তোমার সমালোচনা করার জন্য। অতএব, কে কি বললো এটা কানে নিও না। সমাজে কিছু কিছু মানুষ আছে, কিভাবে অন্যের প্রশংসা করতে হয় তারা তা জানেই না। এদের প্রতি রাগ করো না; বরং সহানুভূতি দেখাও, কারণ অন্যের প্রশংসা করার এই বিশেষ গুণটি তারা পায়নি। মনে রেখো ! তুমি ন...

ঘুম

পর্যাপ্ত না ঘুমালে আমাদের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়: একজন সুস্থ মানুষের সুস্থ থাকার জন্য দৈনিক ৭ থেকে ৯ ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন। বর্তমান বিশ্বের প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ পর্যাপ্ত ঘুমায় না। প্রতিদিন ৬ ঘন্টার নিচে ঘুমালে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হবে, ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। Immune system যেমন দুর্বল হবে পাশাপাশি Inflammation(প্রদাহ) বাড়তে থাকবে, শরীরে যত ব্যাথা বেদনা বা বাতের ব্যাথা এগুলো বাড়তে থাকবে এবং অনেক ধরনের Inflammatory রোগে আপনি আক্রান্ত হবেন যেমন: Asthma, Arthritis etc. পর্যাপ্ত ঘুম ব্যাতীত শরীর তার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার (Detoxification) কাজ করতে পারে না। অর্থাৎ শরীরে Toxin জমতে থাকে বিশেষ করে Brain detoxify হতে পারে না। স্বাভাবিক অবস্থার চাইতে ঘুমের ভেতর ১০ ভাগ বেশী Detoxification হয় Brain এ জমে থাকা Metabolic end product পরিস্কার হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতি শক্তি হারাতে থাকবে এবং Brain এর কার্যকারীতা কমতে থাকবে; Alzheimer’s রোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বাড়বে। এক সপ্তাহের ঘুমের ব্যাঘাতে হতে পারেন আপনি Pre-Diabetic patient. আপনার Testosterone level significantly কমে...

স্বর্ণকারের মৃত্যু

"এক স্বর্ণকারের মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেল। খাদ্য-বস্ত্রে দেখা দিল চরম অভাব। স্বর্ণকারের বিধবা স্ত্রী তার বড় ছেলেকে একটা হীরের হার দিয়ে বললো--এটা তোর কাকুর দোকানে নিয়ে যা, বলবি যে এটা বেচে কিছু টাকা দিতে। ছেলেটা হারটি নিয়ে কাকুর কাছে গেল। কাকু হারটা ভালো করে পরীক্ষা করে বললো- বেটা, তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজার খুবই মন্দা, কয়েকদিন পর বিক্রি করলে ভাল দাম পাওয়া যাবে। কাকু কিছু টাকা ছেলেটিকে দিয়ে বললেন--আপাতত এটা নিয়ে যাও আর কাল থেকে তুমি প্রতিদিন দোকানে আসবে আমি কোন ১দিন ভাল খদ্দোর পেলেই যেন তুমি দৌড়ে হার নিয়ে আসতে পার তাই সারাদিন থাকবে। পরের দিন থেকে ছেলেটা রোজ দোকানে যেতে লাগলো।সময়ের সাথে সাথে সেখানে সোনা-রুপা-হীরে কাজ শিখতে আরম্ভ করলো। ভাল শিক্ষার ফলে অল্প দিনেই খুব নামি জহুরত বনে গেল। দূর দূরান্ত থেকে লোক তার কাছে সোনাদানা বানাতে ও পরীক্ষা করাতে আসত। খুবই প্রসংশীত হচ্ছিল তার কাজ। একদিন ছেলেটির কাকু বললো-- তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজারের অবস্থা বেশ ভালো, তাই সেই হারটা যেন তোমার হাতে দিয়ে দেন। এখন এটা বিক্রি করলে ভালো দাম পাওয়া যাবে। ছেলেটি ঘরে গিয়ে মায়ের ...

নেদারল্যান্ডসের এমপি

  তিনি কুরআনকে ‘বিষাক্ত’ বলেছিলেন! টুইন টাওয়ার ধ্বংসের পর পশ্চিমা মিডিয়াগুলো ব্যাপকহারে ইসলামবিদ্বেষ প্রচার শুরু করে। এটা কারোরই অজানা না। কিন্তু অনেকেই জানে না, সেই সময়টাতে অমুসলিমদের ইসলাম গ্রহণের হার হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছিলো। এমনকি, সেই হামলায় পরিবারের সব সদস্য কে হারানো এক মহিলা পরে নিজেই মুসলিম হয়েছেন। কারণ ছিলো, ইসলাম সম্পর্কে মানুষদের বৃদ্ধি পাওয়া কৌতুহল। ইয়োরাম ভান (Joram Van) ছিলেন নেদারল্যান্ডসের এক প্রচন্ড ইসলামবিদ্বেষী দলের সক্রিয় নেতা। তিনি তার দেশ থেকে কুরআন আর ইসলামকে অবৈধ ঘোষণার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু আল্লাহর পরিকল্পনা এতোটাই অবাক করার মতো ছিলো যে, তিনি ইসলামবিরোধি একটা বই লেখার মাঝপথেই ইসলাম গ্রহণ করেন। “সেই বইটা লেখার সময় আমি (ইসলাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে গিয়ে) এমনসব বিষয়ের মুখোমুখি হই যেগুলো ইসলাম সম্পর্কে আমার পূর্ব ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে দেয়”। ইসলাম সন্ত্রাসকে উস্কে দেয়, ইসলামে নারীরা নিগৃহীত, ইসলাম সব অমুসলিমদের প্রতি অসহিষ্ণু; এগুলো ছিলো তাঁর বিশ্বাস। এসব বিশ্বাসের দেয়াল চূর্ণ হয়ে যায় যখন তিনি ইসলাম সম্পর্কে জানতে শুরু করেন। তিনি একজন খ্রি...

কৃতজ্ঞতা

কারুন যদি আমাদের পকেটে থাকা এটিএম কার্ডের কথা জানতেন, তবে তার ধনভাণ্ডারের চাবি বহনকারী চাকরের বহর নিয়ে দম্ভ করতেন না! পারস্য সম্রাট কিসরা যদি আমাদের বাসার ড্রয়িং রুমের বিলাসী সোফায় বসার সুযোগ পেতেন, তবে আর নিজের সিংহাসনের চেয়ার নিয়ে গর্ব করতেন না! রোম সম্রাট কায়সার যদি আমাদের এয়ারকন্ডিশন দেখতেন, তবে মাথার উপর উটপাখির পালক দিয়ে কৃতদাসদের করা বাতাসকে আয়েশ ভাবতেও লজ্জা পেতেন! পাইক-পেয়াদাদের লোভাতুর দৃষ্টি উপক্ষা করে হেরাক্লিয়াস গ্রীষ্মকালে মাটির হাড়ি কাত করে আয়েশী ভঙ্গিতে ঠান্ডা পানি পান করতেন। আজ আমাদের সহজলভ্য ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পানের স্বাভাবিক দৃশ্য দেখলে হয়তো নিজেকে সম্রাটই ভাবতেন না! শাহী ভঙ্গিমায় ঘোড়ায় চড়া হালাকু খানের সামনে দিয়ে যদি আপনি চকচকা করোলা গাড়ি কিংবা ইসুজু বাইক হাঁকিয়ে যেতেন, তবে তিনি নিজের বাহন নিয়ে গর্ব করতে লজ্জাবোধ করতেন হয়তো! রাজা-মহারাজারাও মাসের পর মাস পায়ে হেঁটে কিংবা ক্লান্ত উট বা ঘোড়ায় চড়ে যে পথ পাড়ি দিতেন, আমরা দু’চার ঘন্টায় বিলাসবহুল বাহনে তার চেয়ে কয়েক গুন বেশি পথ অতিক্রম করি! রাজা-বাদশারাও যে সুখভোগের সুযোগ পায়নি, বরং স্বপ্নেও কল্পনা করে নি, তা আমরা ...

ডেঙ্গু জ্বর

বর্ষা মৌসুমের আতঙ্কের নাম ডেঙ্গু জ্বর। বাচ্চার জ্বর এলেই বাবা-মা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন। যে, বাচ্চার মনে হয় ডেঙ্গু হয়েছে। এখনই হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। কিন্তু ডেঙ্গু জ্বর হলেই যে সব সময় হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন পড়ে না, তা কিন্তু সবাই জানি না। জ্বর- পরবর্তী সময়টি যে বেশি বিপজ্জনক এ বিষটি অনেক বাবা-মায়েরই জানা নেই। এজন্য দেখা যায় জ্বর থাকা অবস্থায় বাবা-মা বাচ্চার যতটা যত্ন নিয়ে থাকেন, জ্বর- পরবর্তী সময়ে তা অনেকটাই কমিয়ে দেন এই ভেব্ব যে, বাচ্চা মনে হয় সুস্থ হয়ে গেছে। আর তখন-ই ঘটে বিপত্তি। বাচ্চার অবস্থা খুব দ্রুত খারাপ হয়ে যায়। এমনকি মারাও যেতে পারে। ◼️ লক্ষণ উচ্চমাত্রার জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা, শরীরে র‍্যাশ ওঠা, রক্তপাত হওয়া, বিশেষ করে ব্রাশ করার সময় দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া এবং শরীর ফুলে যাওয়া। ◼️ করণীয় - ডেঙ্গু একটি ভাইরাল জ্বর। সুতরাং অন্যান্য ভাইরাল জ্বরের মতো সিম্পটোমেটিক চিকিৎসা দেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। - জ্বরের জন্য বাচ্চাকে প্যারাসিটামল ওষুধ দিতে হবে। বারবার গা স্পঞ্জ করে দিতে হবে। প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো অ্যাসপিরিন- জাতীয় ওষুধ দেওয়া যাবে না। - বমি হলে অন্টিইমেটিক ...

জন্মদিন

* জন্মদিন পালন করা হারাম। প্রথম কারনঃ বিজাতির অনুকরণ: এই ধরণের যত প্রকার দিবস রয়েছে সেগুলোর কোনটাই মুসলিমদের সংস্কৃতি নয়। যদি এগুলো মুসলিমদের সংস্কৃতি হত তবে এগুলো সাহাবাদের যুগ থেকেই পালিত হয়ে আসতো। তাই যেহেতু এগুলো মুসলিমদের সংস্কৃতি নয় তাহলে বুঝাই যাচ্ছে যে এগুলো কাফের-মুশরিক বিজাতীয়দের সংস্কৃতি থেকে এসেছে। আর এ প্রসঙ্গে রাসূল ﷺ বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরণ করবে, সে ব্যক্তি সেই জাতিরই একজন বলে গণ্য হবে’ ( আবূ দাঊদ হা/৪০৩১) । নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) বলেন, “যে ব্যক্তি বিজাতির তরীকা অনুযায়ী আমল করে, সে আমাদের কেউ নয়।”(ত্বাবারানী, সিলসিলাহ সহীহাহ ২১৯৪নং) “আমাদের তরীকা ওদের (মুশরিকদের) তরীকা থেকে ভিন্ন।”(বাইহাকী ৫/১২৫, সিলসিলাহ সহীহাহ ২১৯৪) সাওবান (রা:) বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আমি সবচেয়ে যাদের বেশী ভয় করি তারা হচ্ছে নেতা ও এক শ্রেনীর আলেম সমাজ। অচিরেই আমার উম্মতের কিছু লোক মূর্তিপূজা করবে। আর অতি শীঘ্রই আমার উম্মতের কিছু লোক বিজাতিদের সাথে মিশে যাবে।" [ইবনে মাজাহঃ ৩৯৫২। হাদ সহি] আবূ সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত। নাবী (স.) বলেছেন, “অ...

ইমাম সাহেব

  চাচা কি বাড়িতে আছেন ? কে তুমি, এত সকালে ? আমি মিলন।একটু বের হয়ে আসেন, মসজিদে ইমাম সাহেবের কাছে যেতে হবে। এত সকালে হুজুরের কি দরকার ? হুজুর শুক্রবারে বয়ানে বলেছে যে,, দুনিয়াকে মহব্বত করা যাবে না। অথচ তিনিই বেশি মহব্বত করে। আরে বল কি ? তাহা কিভাবে ? আচ্ছা, আমরা কি হুজুরের কাঁধে উঠে নামাজ পড়ি? আমরা হুজুরের পিছনে নামাজ না পড়লে কি হুজুর নামাজ পড়বে না? তাহলে কেন বেতন নিবে? তাও আবার প্রতি বছরে বছরে বাড়াতে হয়। আগে আমি মাসে চল্লিশ টাকা দিতাম, এই মাস থেকে নাকি পঞ্চাশ টাকা দিতে হবে। গাধা কোথাকার,,, বাড়িতে চলে যা। তোর বেতন দেওয়া লাগবে না।তোর বেতনের টাকা আমিই দিয়ে দিব। তবুও হুজুরদের সঙ্গে বেয়াদবী করে নিজের অনিষ্ট ডেকে আনিও না যত হিসাব সব মসজিদের বেতনে। অন্য যায়গায়তো হিসাব দেখি না। তুমার বাসায় কি টিভি আছে ? হ্যাঁ,, আছে। ডিস লাইন আছে ? হ্যাঁ, আছে। ডিসের জন্য মাসে কত দাও ? তিন শত টাকা। গুনার কাজে মাসে তিন শত টাকা খরচ করতে কোন সমস্যা নাই আর মসজিদের পঞ্চাশ টাকার জন্য সমস্যা। হায়রে ইমান !!! তোমার ছোট বাচ্চারা কি মসজিদের মক্তবে কোরআন পড়তে যায় ? হ্যাঁ, যায়। এদেরকে কি স্কুলের পড়...

পুরাতন বাংলা কবিতা-2

 

পুরাতন বাংলা কবিতা

 

মাদক পাচারকারী এখন ইসলাম প্রচারক

  মাদক পাচারকারী এখন ইসলাম প্রচারক সিগারেট খেতে খেতে গাড়ি চালাতে থাকা দুই বন্ধুকে হুট করে পুলিশের গাড়ি আটকে দেয়। রেজিস্ট্রেশন এবং ইনস্যুরেন্সবিহীন সেই গাড়িটা ব্যবহৃত হচ্ছিলো মাদক পাচারে! এমন চূড়ান্ত অসহায় এবং ভীত অবস্থায় দুই বন্ধুর একজন উপরে তাকিয়ে অচেনা কোনো সত্তার কাছে একাগ্রতার সাথে একটা আর্জি করে- “তুমি যদি আমাকে এইবারের মতো বাঁচিয়ে দাও, আমি আমার জীবন সম্পূর্ণ বদলে দিবো"। আর্জি জানানো ছেলেটার বর্তমান নাম মুজাহিদ ফ্লেচার। আর সেদিন সর্বশক্তিমান তার আবেদনে সাড়া দিয়েছিলেন। পুলিশ জেরা করে একদম স্বাভাবিক ভাবে তাদের ছেড়ে দেয়। কিন্ত মুজাহিদ তার দেয়া ওয়াদা রাখেননি। কিছুদিন পরেই মুজাহিদ ফ্লেচার সম্মুখীন হলেন এক ভয়াবহ সড়ক দূর্ঘটনার। দূর্ঘটনা এতোটাই গুরুতর ছিলো যে তার গাড়ি একেবারে রাস্তার মধ্যে উলটে যায় এবং ধোয়া বের হতে থাকে। কিন্তু সে যাত্রায় সে বেঁচে যায়। মুজাহিদের জীবনে কোনো কিছুর অভাব না থাকলেও তিনি সুখী ছিলো না। সত্যিকার প্রশান্তির খোঁজ করতে করতে মুজাহিদ পরিচিত হন কুরআনের সাথে। এমনকি মুসলিম হওয়ার আগেই তিনি নামাজ পড়াও শিখে যান। কিন্তু একদিন এক মুসলিম এসে তাকে অনেকটা হুমকির মতো ব...

মানুষ

  মানুষ নিজেকে এত ক্ষমতাবান মনে করে অথচ সামান্য কয়েকবার পাতলা পায়খানা বা জ্বর কাশি হলেই বলে আজ আমি মিটিং এ অফিসে বা কাজে আসতে পারবোনা। এতো ক্ষমাতা আপনার তাহলে নিজের শরীরের উপর নিয়ন্ত্রন নাই কেন ? যে চোখ দিয়ে আপনি দ্যাখেন তাকে বলেনতো আজ ১০ মিনিট চোখের পলক ফেলবো না হার্টকে বলেনতো আজ ৫ মিনিট কোন বিট ছাড়াই চলবো।অসম্ভব তাইনা? যে শরীরটাই আপনার নিয়ন্ত্রনের বাইরে সেখানে তাহলে ক্ষমতাও নিশ্চয় আপনার নিয়ন্ত্রনে নয়। অতএব যার নেয়ামত ভোগ করছেন তার দিকেই ফিরে আসুন তার কাছেই আত্মসমর্পণ করুন। COLLECTED

‘জাদু’

  জাদুকে আরবী ভাষায় ‘ছিহির’ বলে। ছিহির ওই বস্তু যার কার্যকারণের প্রভাব আছে; কিন্তু তা প্রকাশ্য নয় বরং গোপন। শরিয়তের পরিভাষায় এমন অভিনবকর্মকে ছিহির বলা হয়, যার জন্য জ্বিন ও শয়তানদের খুশি করে তাদের নিকট থেকে সহযোগিতা ও সাহায্য গ্রহণ করা হয়। (নাউজুবিল্লাহ)! আরবী ভাষার ব্যঞ্ছনা অনুসারে ছাহারা ইয়াছহারু বাবে ফাতাহা ইয়াফতাহু হতে নিষ্পন্ন ‘ছিহরুন’ মাছদার বা শব্দমূল। এর অর্থ সূক্ষè ও গুপ্তবিষয় প্রকাশ পাওয়া। যে কাজের কার্যকারণ অত্যন্ত সূক্ষè ও গুপ্ত তাই জাদু বা ছিহির। পরিভাষায় জাদু বলতে এমন আশ্চর্য কাজ বুঝায় যা খারিক লিল আদত অর্থাৎ সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম কাজের সাথে বাহ্যিক সাদৃশ্য রাখে। প্রকৃতপক্ষে তা শরিয়তগ্রাহ্য কারামত ও মুজ্বিযাহ নয়। কারণ কারামত ও মুজ্বিযাহ আল্লাহপাকের দিক হতে প্রকাশিত হয়। পক্ষান্তরে জাদু শিক্ষাযোগ্য বিষয় যা অন্যের নিকট থেকে শিখতে হয় এবং যা অর্জন করতে জ্বিন ও শয়তানের নৈকট্য সুলভ কাজের মাধ্যমে তার সহযোগিতা কামনা করা হয়, যা ইসলামে কুফরী কর্ম। (তাফসিরে রুহুল মায়ানী : ১/৩৩৮)। গভীর দৃষ্টিতে আল কোরআন তেলাওয়াত করলে দেখা যায় যে, ‘ছিহির’ শব্দটি বিভিন্ন আঙিকে এতে ৬৪ বার উল্লেখ করা...

পরকীয়া

  পরকীয়া একটি মারাত্মক ব্যাধি। একটি পরিবারের জন্য মহা হুককি স্বরূপ হচ্ছে এ-পরকীয়া। পরকীয়ার এ-জের ধরে কত সংসার ভেঙে খান খান হয়ে গেছে।জীবন হয়ে যাচ্ছে একেবারে হাহাকার।এভাবে চললে যে, জীবনের প্রতিটি পাঠ একেবারে ধ্বংস স্তুপে পরিণত হবে।তা আমাদের বিবেচনা করার ব্যাপার নয় কী? প্রতুত্তরে আমরা বলবো অবশ্যই বিবেচনা করার ব্যাপার। স্ত্রীর প্রতি স্বামী অসন্তুষ্টি। স্বামীর প্রতি স্ত্রীও বেমান ভাবেই রাগান্বিত। পাশের বাড়ির সুন্দরী মেয়ের সাথে সুযোগ পেলেই জড়িয়ে যাচ্ছে পরকীয়ার মত অবাধ মেলে মেশায়। স্বামীকে একান্ত কাছে না পেয়ে স্ত্রী পরকীয়ার বিষবাষ্পে নিজের গা ডুবিয়ে দিচ্ছে।যেনো নিজের গাকে নিজেই উনুনের অগ্নিকান্ডে জ্বালিয়ে ছাই করে দেওয়ার মত অবস্থা।এব্যাপারে দিশেহারা হয়ে গেছে প্রায় কিছু মানুষ।ব্যক্তি জীবন একেবারেই অতিষ্ঠ হয়ে গেছে তাদের। জীবন হয়ে গেছে কলুষে বিবর্ণ,ধূসরতায় গিয়ে পৌঁছলো জীবনের রূপ এবং রঙ। অবচেতনার দিকে ধাবিত হচ্ছে সময়ের কিছু মুহূর্ত। আবার পারিবারিক জীবনেও কিছু মানুষ শান্তির হিমেল বাতাস লাগাতে চাই তাদের গায়ে। কিন্তু আমাদের রগ রেশায় এ-ব্যাধিটা যে একেবারে মিশে গেছে। স্ত্রীর হাতে স্বামী নিহত আবার ...

হাদিসের_শিক্ষা (পর্ব: ১৫)

হাদিসের_শিক্ষা (পর্ব: ১৫) আপনার হৃদয়কে পরীক্ষা করুন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একবার প্রশ্ন করা হয়, ‘‘শ্রেষ্ঠ মানুষ কে?’’ তিনি বলেন, ‘‘প্রত্যেক শুদ্ধহৃদয় ও সত্যভাষী ব্যক্তি।’’ লোকেরা বুঝতে পারেনি। তখন নবিজি আরো স্পষ্টভাবে বলেন, ‘‘সে হবে আল্লাহভীরু ও পরিচ্ছন্নহৃদয়—যাতে কোনো পাপ নেই; সত্যদ্রোহিতা নেই; বিদ্বেষ নেই; হিংসা নেই।’’ [ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ৪২১৬; আলবানি, সিলসিলা সহিহাহ: ৯৪৮; হাদিসটি সহিহ] . একজন সাহাবিকে নবিজি তাঁর জীবদ্দশায় জান্নাতি বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। তাও সেটি একবার নয়, তিন-তিন বার! সেই সাহাবি সবাইকে ক্ষমা করে দিতেন, কারো প্রতি বিদ্বেষ ধরে রাখতেন না এবং কারও নিয়ামত দেখলে হিংসা করতেন না। শুধু এই কারণে তিনি ঘোষণাপ্রাপ্ত জান্নাতি! এই বিশেষ গুণ বাদে তাঁর বিশেষ কোনো নফল আমল ছিলো না। [আহমাদ, আল-মুসনাদ: ১২৭২০; হাদিসটি সহিহ] . আমাদের মাঝে কারো কারো অন্তর এতটাই সংকীর্ণ যে, সেখানে তার নিজেরও জায়গা থাকে না! অথচ নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘মুমিন ব্যক্তি নিজেও অন্যকে ভালোবাসে, অন্যরাও তাকে ভালোবাসে। যে কাউকে ভালবাসে না এবং তাকেও কেউ ভাল...

সম্পূর্ণ গ্রামের ইসলাম গ্রহণ

     সম্পূর্ণ গ্রামের ইসলাম গ্রহণ পাপুয়া নিউ গিনির একটা প্রত্যন্ত গ্রাম। দাওয়াহ সংগঠন ‘IERA’ এর পক্ষ থেকে ২০২০ সালে সেই গ্রামে ইসলামের বাণী পৌঁছে দেয়ার একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। কিন্তু এই উদ্যোগে এসেছিলো কিছু অপ্রত্যাশিত বাধা! ‘IERA’ এর তরফ থেকে পাপুয়া নিউ গিনির সেই গ্রামে আব্দুর রহীম গ্রিনের নেতৃত্বে একটা দল গিয়ে পৌঁছে। গ্রামের প্রধানের অনুমতিক্রমে তাদের সেই দল গ্রামবাসীকে ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি সম্পর্কে জানাতে শুরু করে। আদনান রশীদের একটা ছোট বয়ানের পর তারা জিজ্ঞেস করে তাদের সেই আকাঙ্ক্ষিত প্রশ্ন, “তোমাদের মধ্যে কে কে এই সুন্দর ধর্ম ইসলাম গ্রহণ করতে চাও?” সবাইকে হতাশ করে দিয়ে একটা মানুষও তখন হাত তুলে নি। এমনকি সেই গ্রামবাসী তাদের সেই দলের উপর বিভিন্ন বিষয়ে রাগ ঝাড়তে থাকে। কিন্তু ইসলামের দাওয়াত দিতে আসলে যে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্য কে পুজি করে আসতে হবে। তাই গ্রামবাসীকে তারা আবার বুঝানোর চেষ্টা করে। যেহেতু তারা আগে থেকেই খ্রিস্টান ছিলো তাই তাদের কে ইসলাম এবং খ্রিস্টান ধর্মের মিলগুলো সম্পর্কে বলা হয়। আরো বলা হয়, যে মুসলিমরাও ঈসা (আ) কে বিশ্বাস করে। তারা আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাক...

এই চোখ একদিন কথা বলবে

এই চোখ একদিন কথা বলবে ◉ সিনেমা দেখে চোখে পানি আসে! ◉ নাটক দেখে চোখে পানি আসে! ◉ বিরহের গান শুনলে চোখে পানি আসে! ◉ অবৈধ প্রেমের কারণে চোখে পানি আসে! ◉ পছন্দের দল খেলায় হারলে চোখে পানি আসে! ❐ তুমি প্রতিদিন আল্লাহর কতই না নেয়ামত পেলে একবারও শুকরিয়া আদায় করলে না। প্রতিদিন না চাইতেই সামনে রিজিক এনে দেয়, তার পরেও মহান আল্লাহর কথা ভাবলে না। কে তোমাকে সুস্থ রাখলো? কে তোমার গুনাহ গুলো গুপন করে সম্মান বাড়িয়ে দিল? এত নাফরমানি করছো, কত পাপ করছো। নিজের পাপের কারণে চোখে একটুও পানি আসে না! একটু মন খারাপও হয় না এটাই জাহেলিয়াত। তুমি আবার নিজেকে মুসলিম দাবী করছো? ভাবছো, মুসলিম পরিবারে জন্ম নিয়েছি, নামটা মুসলিমের আমি একজন মুসলিম। মুসলিম কাকে বলে - এটাই তো তুমি জানো না। তুমি যা করতেছো তা সবই হারাম, গুনাহর কাজ। ◉ খেলার জন্য কাঁদার নাম মুসলিম নয়। ◉ সিনেমা দেখে চোখে পানি আসার নাম মুসলিম নয়। ◉ নাটক দেখে চোখে পানি আসার নাম মুসলিম নয়। ◉ প্রেমিক/প্রেমিকার জন্য চোখে পানি আসার নাম মুসলিম নয়। ◉ মুসলিম মানে, আল্লাহকে স্মরণ করা। ◉ মুসলিম মানে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে অনুসরণ করা। ◉ মুসলিম মানে,...

বুড়ি মরে গেল

  বুড়ি মরে গেল।😭 বুড়োটা ভাঁজ হয়ে থাকা চামড়ার মাঝে ছোট্ট বসে যাওয়া চোখখানা দিয়ে দেখলো... কিছু জল চোখের কোণ থেকে ঝরে পড়লো... 'লোক দেখানো শোক' চললো কিছুদিন, তারপর যেন এক নাটকের সমাপ্তি ঘটলো... তার ব্যবহৃত শাড়ি নিয়ে মেয়েদের ভাগাভাগি চললো। কেউ বালিশের কভার বানাবে, কেউ বিছানার চাদর হিসেবে ব্যবহার করবে, কেউ কানের দুল নেবে, কেউ বালাজোড়া...... যার যার নিজের সংসারে যেন একটা বোঝা নেমে গেল... বুড়ো একা বসে বসে দেখে তাদের কান্ডকারখানা... মনের বাজারে স্মৃতির দর'কষাকষি করতে করতে সেটাও একসময় বিক্রি হয়ে যায় মস্তিকের কোন এক ফাঁক ফোকরে... যে যার কাজে ব্যস্ত হয়ে যায়, বুড়ো একা হয়ে পড়ে, হাতের লাঠিখানায় ভর করে এদিক সেদিক পায়চারী করে... সেদিন ছোট নাতনী এসে বলে গেল "দাদু দাদু, তুমি মরে গেলে কিন্ত এই লাঠিখানা আমার, আমি খেলবো.!" এদিক থেকে বৌমা দৌড়ে আসে "দাঁড়া, তোকে আজ মেরে ফেলবো। এসব কথা বলতে নেই, বলেছি না.? বুড়ো হাসে... যে বৌমার এমন শাসন সেও গোপনে প্রতিবেশির কাছে গল্প করে বুড়োটার খালি কষ্ট, মরে গেলেই বাঁচে... সেদিন নাতি তার বন্ধুদের নিয়ে তার ছোট ঘরে আড্ডা দিচ্ছে আর বল...

ঘুম

  ঘুম একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।আমাদের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মস্তিষ্কের তৃতীয় প্রকোষ্ঠে অবস্থিত অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি পিনিয়াল থেকে মেলাটোনিন হরমোনের ক্ষরন বৃদ্ধির ফলে ঘুম বা নিদ্রা হয়।বর্তমানে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারনে ঘুমের ব্যঘাত ঘটে থাকে অনেকেরই। কিছু খাবার রয়েছে যা আমাদের ঘুমচক্রকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে থাকে। ◼️ শস্য জাতীয় খাবার যেমন গম,লাল চাল এসবে ট্রিপটোফ্যান নামক এক ধরনের এমিনো এসিড রয়েছে।যার কারনে আমাদের ঘুম ভালো হয়। ◼️ ওটস এবং মিষ্টি আলুতে রয়েছে জটিল কার্বোহাইড্রেট।যা হজম হতে সময় বেশি নেয়।ফলে পেট ভরা থেকে ঘুমচক্রকে ঠিক রাখে। ◼️ পাকা কলাতে ট্রিপ্টোফ্যান এর পাশাপাশি পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে।যা মাংসপেশিকে শীতল করে ঘুমে সাহায্য করে। ◼️ মধু মেলাটোনিন নিঃসরণ বাড়ায় ও মস্তিষ্ককে জাগিয়ে রাখে যে ওরেক্সিন তার নিঃসরন কমায়।ফলে ঘুম ভালো হয়। ◼️ কাঠবাদামে ম্যাগনেসিয়ার ও ট্রিপটোফ্যান থাকে যা ঘুমের জন্য ভালো। ◼️ ডার্ক চকলেটে সেরোটোনিন থাকে যা মন ও দেহকে প্রশান্ত করতে সাহায্য করে। ◼️ ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খ...

পিঁপড়া সম্পর্কে

  মুসলিম হিসাবে আল কোরআন এবং হাদিস অনুসারে কিছু তথ্য দিচ্ছি। আরো বিস্তারিত জানতে গুগল সার্চ করে দেখতে পারেন। পবিত্র কুরআনের একটা সুরার নামকরণ করা হয়েছে পিঁপড়ার নামে, ২৭ নং সুরা— সুরা নামল। বিজ্ঞানীদের মতে পিঁপড়া একটা অসাধারণ বুদ্ধিমান প্রাণী, এরা দলবদ্ধ ও সামাজিক প্রাণী।এরা নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন উপায়ে যোগাযোগ করে। পিঁপড়ার ব্যাপারে কুরআন-হাদিস কী বলে? চলুন দেখি। . ◑ আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ(ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যেকোন একজন নবীকে পিঁপড়া কামড় দেয়। তিনি পিঁপড়ার বাসাটি জ্বালিয়ে দেয়ার আদেশ করেন এবং তা জ্বালিয়ে দেয়া হয়। আল্লাহ তাঁর প্রতি ওহী অবতীর্ণ করেন-- তোমাকে একটি পিঁপড়া কামড় দিয়েছে আর তুমি আল্লাহর তাসবীহ পাঠকারী জাতিকে জ্বালিয়ে দিয়েছ। [সহীহ বুখারী, হাদিস : ৩০১৯; অধ্যায়: জিহাদ | অনুচ্ছেদ: আল্লাহর তাসবীহ পাঠকারী জাতি এক পিঁপড়ার কারনে অন্য সব পিপঁড়াকে মারা যাবে না] . ◑ ইবন মাসঊদ(রা) বর্ণনা করেন, এক সফরে আমরা রাসুলুল্লাহ(ﷺ) এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণের জন্যে বাইরে গেলেন। এসময় আমরা লাল রঙের একটি ছোট পাখি দেখলাম। তার সঙ্গে দু'টি বাচ্চা ছিলো। আম...

বাস্তুচ্যুত

  বিশ্বব্যাপী তথাকথিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে কমপক্ষে ৩ কোটি ৭০ লাখ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে #আমেরিকা ২০ বছর আগে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার উপর কথিত সন্ত্রাসী হামলার অজুহাতে বিশ্বব্যাপী তথাকথিত "সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের" ঘোষণা দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিরপরাধ মানুষদের উপর সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে ৩ কোটি ৭০ লাখ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করে। ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে আমেরিকার ব্রাউন ইউনিভার্সিটি থেকে প্রকাশিত 'Cost of War project' শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০১ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত আমেরিকা অন্তত আটটি যুদ্ধ প্রত্যক্ষ পরিচালনা করেছে অথবা পরোক্ষভাবে অংশ নিয়েছে। তাতে অন্তত ৩ কোটি ৭০ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আমেরিকার এই আটটি যুদ্ধই ছিল আটটি মুসলিম প্রধান দেশের বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে বাদ রেখে বলতে গেলে ১৯০০ সালের পর থেকে যেকোনও যুদ্ধ বা বিপর্যয়ের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষদের সংখ্যা এটিই সর্বোচ্চ। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ব...