Skip to main content

Posts

Showing posts from March, 2021

অধিকাংশ আত্মহত্যাকারী মানুষই পূর্ণবয়স্ক না!

আমরা অনেকেই মনে করি, আত্মহত্যা শুধু পূর্ণবয়স্ক মানুষই করতে পারে! কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হল, অধিকাংশ আত্মহত্যাকারী মানুষই পূর্ণবয়স্ক না! আপনি কি জানেন? ** মোট আত্মহত্যাকারীদের মাঝে ৬৪% এর বয়স ১৩-১৫! ** ১২-১৮ বছরের শিশুদের মাঝে মৃত্যুর ২য় প্রধান কারণ হলো আত্মহত্যা! ** ১৫-২৪ বছর বয়সীদের মাঝে মৃত্যুর ৩য় প্রধান কারণ হলো আত্মহত্যা! ইন্টারেস্টিং বিষয় হল, প্রতি ৫ আত্মহত্যাকারীর ৪ জনেরই সরাসরি সতর্কবার্তা পাওয়া যায়! এবং টিনএজারের ক্ষেত্রে, প্রতিটি আত্মহত্যার জন্য ২৫টি চেষ্টা হয়ে থাকে! অর্থাৎ এদের আত্মহত্যা প্রতিরোধ সম্ভব যদি আমি আপনি সচেতন হই। শিশুদের মাঝে আত্মহত্যা মূল কারণ হলো - আচমকা নেয়া সিদ্ধান্ত। এরা অধিকাংশ পরিকল্পনা ছাড়াই রাগ বা অভিমানে এমন কাজ করে থাকে। শিশুদের বা টিনএজারদের বিষন্নতায়ও পূর্ণবয়স্কদের মতো উপসর্গ দেখা যায় না। তাদের ক্ষেত্রে অনেকাংশেই শুধু বিরক্তিভাব, কিছু ভালো না লাগা, ঘুমের সমস্যা প্রকট হয়ে ওঠে। তারা মনের ভাবও ঠিক বড়দের মত প্রকাশ করতে পারে না, আবার আমরা বড়রাও তাদের মনের ভাবটা অনেকসময়ই বোঝার চেষ্টা করিনা! আপনার সন্তানের মুখে এই কথাগুলো শুনলে অবশ্যই আপনার ...

আমাদের প্রিয় সম্পর্ক ভাঙ্গার কারণ

আমরা মানুষ হিসেবে একা চলতে পারি না। কিছু মূল্যবান সম্পর্ক আমরা জন্ম থেকে নিয়ে বেড়ে উঠি, আর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয় চলার পথে। আমরা সবাই চাই, আমাদের জীবনের এই সম্পর্কগুলো চিরস্থায়ী হোক, অটুট থাকুক। যে কোনো সম্পর্ক সুন্দর থাকার জন্য, নিঃসন্দেহে সম্পর্কে উপস্থিত উভয়ের অবদান প্রয়োজন। কিন্তু, আমাদের প্রিয় সম্পর্ক ভাঙ্গার কারণও কি আমাদের নিজেদের আচরণ হতে পারে? দেখা যায়, সবসময় ভালবাসা থাকলেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না। সম্পর্কের মানুষগুলোর কিছু অভ্যাস, তাদের মানসিক অবক্ষয় ঘটায় - ১. অতিরিক্ত দখলদারি দেখানোঃ সবকিছুতে অতিরিক্ত দখলদারি দেখালে, সন্দেহপ্রবণতা থাকলে, সম্পর্ক গোড়া থেকে নষ্ট হয়ে যায়। একজন মানুষকে শক্ত করে বেঁধে রাখতে চাইলে, স্বাভাবিকভাবেই ধীরে ধীরে সম্পর্ক থেকে তার মন উঠে যেতে থাকে, এবং সে মিথ্যা বলতে শুরু করে। প্রকৃতপক্ষে সম্পর্কে যেরকম একটি আর্থিক বন্ধন থাকা জরুরি, তেমনি প্রতিটি মানুষের নিজস্বতাও জরুরি। ২. ব্যক্তিগত সময় না দেয়াঃ প্রত্যেকটি মানুষের কিছু পার্সোনাল স্পেস বা ব্যক্তিগত স্থান ও সময় প্রয়োজন হয়; তা সে আপনার যত আপন মানুষ হোক না কেন! সম্পর্কের অর্ধ...

লাল রঙ ভালো নাকি নীল?

আমাদের সমাজে নারী হয়ে জন্মানোই একটি যুদ্ধের নাম! কেন যুদ্ধ বলছি? এই যুদ্ধ আসলে অন্য কারো সাথে নয়, বরং প্রতিটি নারীর নিজের মনের সাথে, নিজের শক্তির সাথে, সমাজের মানসিকতার সাথে, এবং সবশেষে সেই সবগুলো বিপরীতমুখী টানের সাথে, যা প্রতিনিয়ত নারীদের পিছনে টানছে! যদিও আমাদের মূল ফোকাস থাকে পুরুষের দিকে, তবু বলতে হয় পিছন থেকে টেনে ধরা মানুষগুলো কিন্তু সবসময় শুধুমাত্র পুরুষ সমাজ নয়, বরং অন্যান্য নারী ও কিছু আপনজনও এই দলভুক্ত। আমরা একপাশ দিয়ে বলি সমাজ অনেকখানিই এগিয়ে গেছে, আবার অন্য পাশে আমরা নিজেরা মুখে না বললেও অন্তরে ধারণ করি কিছু বিষাক্ত অনুভূতি! দুঃখ হলেও সত্যি যে অনুভূতিগুলো অধিকাংশই অন্য নারীদের প্রতি! ওই যে আলোচনার শুরুতেই যে বললাম, আমাদের অধিকাংশ যুদ্ধই কিন্তু নারী হিসাবে নিজের সাথে! আচ্ছা একবার নিজেকে প্রশ্ন করে দেখুন তো, অন্যের সাথে প্রতিযোগিতায় ভিড়ে আপনি নিজের প্রতিভাগুলোকে অবমূল্যায়ন করছেন না তো? নিজের মাতৃত্বকে আপনি যথেষ্ট সম্মান দিয়েছেন কি? নিজের ভেতরের নারীসত্তাকে বিকশিত করার জন্য যথেষ্ট সময় দিয়েছেন? আরেকজন নারী সম্পর্কে আপনি কটূক্তি করেন নাই? একজন মেয়ে হিসেবে, আবারো ...

অন্যের জীবনের ব্যক্তিগত জায়গাগুলো নিয়ে প্রশ্ন

  "এই, তুমি বাচ্চা নাও না কেন?" "আচ্ছা আপনি কত টাকা বেতন পান?" "ইশ! আর কতদিন পড়াশোনা করবা!? এখনো তো কিছুই করতে পারলা না!" "শুনলাম তোমার ডিভোর্স হয়ে গেছে, কেন?" চারপাশে এমন মন্তব্য আমরা এত বেশিই শুনে থাকি যে, ইদানীং হয়তো আমরা অনেকেই এগুলোর সাথে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। অনেকে আবার এতটাই অভ্যস্ত হয়ে গেছে যে, নিজেরাও অন্যের জীবনের ব্যক্তিগত জায়গাগুলো নিয়ে প্রশ্ন বা মন্তব্য করে ফেলেন নিঃসংকোচে! ব্যাপারটি একটু কেমন হয়ে যাচ্ছে না? হয়তো ভাবছেন, বললেই বা কি! আপনি কি জানেন, আপনার সামান্য কথার জন্য সামনের মানুষটি কতখানি কষ্ট পাচ্ছেন? তার শুধু একটি মূহুর্ত নয়, পুরো দিনটাই মাটির কারণ আপনি হচ্ছেন? আপনার একটা প্রশ্নের জন্য, একজন মানুষ নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন, ভাবতে কেমন লাগছে? হয়তো যেই কষ্টটা ভুলে মানুষটা এগিয়ে যেতে চাচ্ছে, সেই দগদগে ঘা আপনি বের করছেন, কেন বলুন তো? তাই, ১. যেকোনো মন্তব্য বা প্রশ্ন করার আগে চিন্তা করুন, আপনি প্রশ্নটি করার সম্পর্ক ও পরিধির আওতাভুক্ত কিনা! ২. যদি আপনি মন্তব্যটি করার অধিকার রাখেন, তবুও বিবেচনা করে নিন, এটা সঠিক পরিস্থিতি, সময় কিনা। ...