Skip to main content

Posts

Showing posts from May, 2025

হৃদরোগ ,বিড়ালের এক নীরব শত্রু

  আপনার প্রিয় বিড়ালটি প্রতিদিন খেলাধুলা করছে, স্বাভাবিকভাবে খাচ্ছে এবং ঘুমাচ্ছে দেখে নিশ্চিন্ত হয়ে বসে থাকা একেবারেই যথেষ্ট নয়। কারণ অনেক সময়ই বিড়ালদের ভিতরে এমন কিছু শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে থাকে যা বাইরে থেকে বোঝা সম্ভব নয়। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর ও নীরব ঘাতক হলো হৃদরোগ (Heart Disease)। বিশেষ করে Hypertrophic Cardiomyopathy (HCM) নামক একটি রোগ যা বিড়ালের হৃদপেশিকে পুরু করে তোলে এবং রক্ত সঞ্চালনের ব্যাঘাত ঘটায়। Cornell University College of Veterinary Medicine-এর এক গবেষণায় জানা যায়, অনেক সুস্থ বিড়াল হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়, যার আগে কোনো লক্ষণও স্পষ্টভাবে বোঝা যায় না। এই রোগটির সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হলো, এটি সাধারণত ধীরে ধীরে তৈরি হয় এবং উপসর্গ না থাকার কারণে অনেক মালিকই শেষ মুহূর্তে বুঝতে পারেন যখন আর কিছু করার থাকে না। তবে হৃদরোগ প্রতিরোধ একেবারে অসম্ভব নয়। সঠিক যত্ন ও জীবনধারা অনুসরণ করলে বিড়ালের হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। এর জন্য প্রথমে গুরুত্ব দিতে হবে উচ্চ মানের লো-কার্ব ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাসে। বিড়াল মূলত obligate carnivore অর্থাৎ তাদের শরীরের জন্য প্রোটি...

অনেক আমল করার চেষ্টা

  জিলহজ্ব মাসের এই ১০ দিন আমরা অনেক আমল করার চেষ্টা করি। জীবন জুড়েই আমাদের চেষ্টা থাকে প্রচুর আমল করার। কিন্তু আমরা অনেকেই খুব বেশি আমল করতে পারিনা। তখন আমরা হীনমন্যতায় ভুগি। যারা অনেক ধার্মিক মানুষ তাদের আমলের পরিমাণ দেখে আমরা হতাশ হই। যারা অনেক বেশি নামাজ রোজা করতে পারেন না,‌তারা কিন্তু অন্যভাবেও আমল করতে পারেন। প্রথম যে কাজটা করতে পারেন সেটা হল গুনা থেকে বেঁচে থাকা। ‌ আপনি মিথ্যা কম বলুন, গীবত কম করুন - এটাও ‌একটা বিশাল ইবাদত।‌ প্রতিদিন আপনি কিছু দান করতে পারেন। অসুস্থ মানুষকে দেখতে যেতে পারেন। আপনি কন্টিনিউয়াস জিকির করতে পারেন। আপনার যদি অনেক রাগ থাকে তাহলে সে রাগ সংবরণ করতে পারেন। আপনি যদি শিক্ষক হন তাহলে ছাত্রদের আরো ভালো করে পড়াতে পারেন। আপনি যদি ডাক্তার হন, রোগীদের প্রতি আন্তরিকতার বৃদ্ধি করে আপনি কাজটি করতে পারেন। এই প্রতিটা জিনিসই ইবাদত। কিয়ামতের দিনে একেক জন মানুষ একেক ধরনের আমল নিয়ে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে। আমরা মানুষ হিসেবে সবাই এক ধরনের আমল করতে পারি না। কেউ নামাজ বেশি পড়ে, কেউ দান বেশি করে, কেউ গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে, ...

যুগান্তকারী দুটি সিদ্ধান্ত

  প্রফেসর ইউনুস সরকার যুগান্তকারী দুটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যে সিদ্ধান্তে দেশের দূর্নীতিবাজদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে গেছে। 🔴 প্রথম সিদ্ধান্ত: এনবিআরকে দুই ভাগে ভেঙে ফেলা! 1️⃣ রাজস্ব নীতি 2️⃣ রাজস্ব ব্যবস্থাপনা আগে কী হতো জানেন? যে কর্মকর্তা আপনার ট্যাক্স কত হবে ঠিক করত, সে-ই আবার সেটা আদায়ও করত। মানে? এক হাতে ধার, আরেক হাতে ঘুষ। ১০০ টাকা ট্যাক্স দিলে, ২০ টাকা ঘুষ দিলেই ৩০ টাকায় দায়মুক্তি! বাকি ৭০ টাকা গেলো? গেল রাষ্ট্রের গলা কেটে! কিন্তু এখন? নীতিনির্ধারক আর আদায়কারী — এক না। এরা কেউই একে অপরের নাগালে নেই। ফাঁকি দেওয়া যাবে না। দালালি চলবে না। ঘুষেও হবে না কাজ। রাজস্ব আসবে, সোজা কোষাগারে। আর এতেই গায়ে আগুন ধরেছে... এনবিআরের কিছু ঘাপটি মারা দূর্নীতিবাজদের!! শুরু করেছে কর্মবিরতি। 🔴 দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত: সরকারি কাজের নামে কেউ যদি বিদ্রোহ করে, ৮ দিনের মধ্যে বহিষ্কার! নতুন অধ্যাদেশে এটাই স্পষ্ট। চাকরি মানে দায়িত্ব। দলবাজি, দম্ভ নয়। এনবিআর ও ডিপি ওয়ার্ল্ডে যদি এই সরকার সফল হয়, আশা করা যায় বাংলাদেশে সামনে বাজেট ঘাটতি থাকবে না। বরং প্রতিবছর থাকবে বিলিয়ন ডলারের উদ্বৃত্ত। তবে দুঃখজনক হলো—...

দুর্নীতি করার সুযোগ বহাল না করে...

  ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারী এক হইছে। বইলা দিছে দুর্নীতি করার সুযোগ বহাল না করে ওরা ঘরে ফিরবে না। কোন সংস্কার মানা হবে না। ওদিকে ব্যবসায়ীরা শুরু করছে আরেক মিথ্যাচার। প্রথমে দাবি করেছে, ইউনূস সরকার নাকি গ্যাস দিতেছে না। তো আজ সকালে ইউনূস একেবারে ডাটা দিয়ে দেখাইছে যে গত বছরের তুলনায় এই বছর ২২% গ্যাস বেশি সাপ্লাই দেওয়া হয়েছে। এইবার শুরু করেছে নতুন নাটক। ভোলা থেকে দেশের বিরাট অংশের গ্যাস আসে। ঐখানে গতকাল থেকে অবরোধ শুরু করেছে যাতে গ্যাস ঢাকায় আসতে না পারে। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতেছে এক রাজনৈতিক দলের এক নেতা। তো ঘটনা যা দাড়াইলো, দুর্নীতিবাজ আমলারা এক হয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান অচল করে দিছে। বাটপার ব্যবসায়ীরা এক হয়ে মিথ্যা কথা বলতেছে যাতে সংস্কার না করা যায়। সিন্ডিকেটবাজি করে আমার আপনার রক্ত চুষবে। ওদিকে রাজনৈতিক ধান্দাবাজের দল টাকার বিনিময়ে গুন্ডামি করে গ্যাস অফ করে দিছে। সবকিছু অফ করে টরে এখন রাজনৈতিক দলের নেতারা বলবে, ইউনূস ব্যর্থ। ইউনূস কিছু পারে না। দেশ আমাদের হাতেই নিরাপদ। অথচ ইউনূস যাতে না পারে, তার সমস্ত বন্দোবস্ত উনাদেরই করা। কারণ ইউনূস সফল হলে প্রমাণ হব...

আপনার বাবা-মার কিছু ভিডিও

  আপনার বাবা-মার কিছু ভিডিও করে রাখবেন নিজের কাছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে ছাড়বেন না । যেকোনো টাইপ ভিডিও। হয়তো উনি কোন উপদেশ দিচ্ছেন‌‌ আপনাকে। অথবা সচরাচর যেভাবে বকা দিত সেভাবে বকা দিচ্ছে। কোন মজার কথা বলছে। গান গাচ্ছে। অথবা তার নাতি-নাতনির সাথে বাসায় নাচছে। আপনার বাবা মা যখন মারা যাবেন তখন এই ভিডিওগুলোর স্মৃতি ছাড়া আপনার আর কিছুই থাকবে না। এগুলো যখন দেখবেন তখন একটু হলেও মনে হবে মা-বাবা যেন আপনার পাশেই আছেন। Mute and block your parents if they exert toxic pressure on you, but never let the rage and bitterness consume you. Forgive them even if they don’t deserve it. Forgive them for your heart, for Allah and for your own children. Broken people break others, but decide to end the cycle of entitled and toxic parenting in your time. ------------------------------------------------------------------------------ Education is the most guaranteed way your children will do better than you. Even if you must drive the cheapest car and wear and re-wear your old clothes, ens...

নয়েস ক্যান্সেলেশন

  যেই সময় ঢাল তলোয়ার আবিষ্কার হয়ে গেছে সেই সময় কেউ খালি হাতে যুদ্ধে যায় নাই। অছচ এই ঢাল তলোয়ার অকার্যকর হয়ে গেছে যখন আগ্নেয়াস্ত্র আসে। বর্তমানে কি কোন দেশের আর্মিকে দেখেন ঢাল তলোয়ার বানাচ্ছে? প্রশ্নই উঠে না। কামান, মিসাইল, বিমান যখন আসলো তখন হাতে বহনযোগ্য অস্ত্রের গুরুত্ব কমে আসে। অবশ্যই এগুলো এখন অচল হয়ে যায় নাই তীর ধনুকের মতন তবে আগের মতন গেম চেঞ্জার না। এটাই হচ্ছে প্রযুক্তির সাথে সময়ের পরিবর্তন। আপনি আপনার জজবা থেকে ভাবতেই পারেন চেতনা দিয়ে বন্ধু রাষ্ট্রকে পরাজিত করে দিবেন। কিন্তু বাস্তবে সাহাবীরা তাদের যুগের শ্রেষ্ঠ অস্ত্র বহন করেছিলেন। তারা কোনদিন বলেন নাই যে আমাদের যেহেতু সঠিক চেতনা আছে আমরা খালি হাতে নেমে পড়ি। বাকিটা আল্লাহ দেখবে। কিন্তু স্বাধীনতার পরে গত পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশ ডিজেল ইঞ্জিন পর্যন্ত বানাতে পারে নাই। যুদ্ধ ক্ষেত্রে আপনার বাহন কি ঘোড়ায় টানবে? কিংবা ধরুন আপনার উপর কেউ তেল নিষেধাজ্ঞা দিলো। আপনার এনার্জি সিকিউরিটি কই? ঝগড়া, রাজনীতি আর চেতনাবাজি করে কি প্রগতি অর্জিত হয়? পঞ্চাশ বছরে আমাদের ন্যাশনাল সিকিউরিটি আর প্রযুক্তিতে অর্জন কোথায়? কি করেছি এতো বছর? পৃথিবীতে কোন র...

ড্রাইভার বিহীন গাড়িতে

  একটি নতুন জিনিস জানতে পারলাম ড্রাইভার বিহীন গাড়িতে মাত্র দুইটি দেশ চতুর্থ স্তরে পৌঁছাতে পেরেছে। চতুর্থ স্তর কি তা ব্যাখ্যা করা যাক। স্তর ০ কোনো স্বয়ংক্রিয়তা নয়। সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চালকের হাতে। স্তর ১ গাড়ির একটি ফাংশন যেমন: ক্রুজ কন্ট্রোল বা ব্রেকিং স্বয়ংক্রিয়ভাবে হতে পারে। স্তর ২ স্টিয়ারিং ও গতি নিয়ন্ত্রণ একসাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হতে পারে। স্তর ৩ গাড়ি নিজেই চালাতে পারে, তবে চালককে প্রস্তুত থাকতে হবে হস্তক্ষেপের জন্য। স্তর ৪ গাড়ি পুরোপুরি নিজে চালাতে পারে, চালক প্রয়োজন নেই। দেশ দুটির নাম হচ্ছে আমেরিকা এবং চীন। এদের মধ্যে উভয়ে চতুর্থ স্তরে বানিজ্যিক ভাবে ব্যবহার শুরু করেছে। অর্থাৎ আপনি ট্যাক্সি নিয়ে নিজের পছন্দের জায়গায় পৌঁছে যাবেন কোন ড্রাইভার ছাড়া। শেষ প্রশ্ন। কোন দেশ এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছে? উত্তর শুনে অবাক হবেন যে চীন খানিকটা এগিয়ে আছে এখন পর্যন্ত চালক বিহীন প্রযুক্তিতে। আজ থেকে প্রায় চল্লিশ বছর আগে আমরা নসিমন বানানো শুরু করি। কিন্তু আজ পর্যন্ত নসিমন যেমন ছিল তেমন আছে। অথচ চল্লিশ বছর আগের ভারতীয় মোটর সাইকেলের সাথে বর্তমানের তুলনা করুন। বিশ বছর আগ...

সচিবালয়ের দুর্নীতিবাজ শয়তানদের উচ্ছেদ

  সরকার যদি সচিবালয়ের কাছে হাইরা যায়, তাহলে বিপ্লবী ছাত্র জনতার ওয়েট করা উচিত হবে না। মাথায় রাখতে হবে, সচিবালয়ই হাসিনাকে হাসিনা বানানোর মূল কারিগর। সচিবালয়কে অক্ষত রেখে কোন সংস্কার কাজ করবে না। ইভেন ইউনূসও যদি ৫ বছরের জন্য থাকতো, এরা ইউনূসকেও হাসিনা বানাইতো। নেক্সটে যে আসবে, তাকেও হাসিনাই বানাবে। সচিবালয়ের এই সিন্ডিকেট ভাঙাই জুলাই এর সবচে বড় দাবি। ইউনূস সরকার পারলে ভালো, সাহস করে করুক। সরকারের প্রোটেকশন ছাত্র জনতা দেবে। আর যদি সরকার শেষপর্যন্ত সচিবালয়ের কাছে নতি স্বীকার করে,ছাত্র জনতার উচিত সচিবালয় দখলে নিয়ে অসম্পূর্ণ বিপ্লব সম্পূর্ণ করা। অনেক ছাত্র নেতারাই এটা নিয়ে কথা বলছেন। তবে শুধু কথায় সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। আপনারা ডাক দেন, সাধারণ মানুষ সচিবালয়ের দুর্নীতিবাজ শয়তানদের উচ্ছেদ করতে আপনাদের ডাকের অপেক্ষাতেই আছে। ২০০০ মানুষকে চোখের সামনে খুন করা হয়েছে। সচিবালয়ে কোন বিক্ষোভ হইছে? হয় নাই। আর এখন হাসিনার করা আইন বাতিল করতে চাইছে, শুরু হয়ে গেছে আন্দোলন, মিছিল। অথচ ইউনূস কোন নতুন আইন করতেছেন না। জিয়াউর রহমানের করা আইনে ফেরত যাচ্ছেন মাত্র। কত...

বিএনপি কেন মেধাবী দক্ষ ও চৌকস নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে বাদ দিতে চায় ?

  বিএনপি কেন ড. খলিলুর রহমানের মতো একজন মেধাবী দক্ষ ও চৌকস নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে বাদ দিতে চায়। যোগ্যতার বিচারে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের একমাত্র উপদেষ্টা যার যোগ্যতা সকল উপদেষ্টার চেয়েও বেশি। ড.খলিলুর রহমানের উপর বিএনপি ও ওয়াকার কেন এতো ক্ষিপ্ত,? কারণ : ১. ভারত শত চেষ্টা করেও আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু নির্যাতনের কার্ড খেলে মানবাধিকার লংঘনের প্রশ্ন তুলে বাংলাদেশের উপর পশ্চিমা বিশ্বের নিষেধাজ্ঞা ও সরাসরি আক্রমণের যে চেষ্টা করেছিল তাতে সফল হতে পারেনি শুধু মাত্র ড.খলিলুর রহমানের চৌকস পদক্ষেপ ও ড. ইউনূসের ইমেজের কারণে। ফলে পশ্চিমা দুনিয়ায় ভারত অসহায় হয়ে পরে,এতে করে ভারত ও ভারতের নিয়োগকৃত লবিস্টদের অন্যতম প্রধান শত্রুতে পরিনত হয় ড.খলিলুর রহমান। ২। বাংলাদেশের তিন দিকে ভারত, ভারত ছাড়া উল্লেখ করার মতো কোন শত্রু বাংলাদেশের নাই। অথচ বাংলাদেশ আর্মির অধিকাংশ ট্রাক ভারত থেকে কিনতো । শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ ভারত থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য যুদ্ধ জাহাজও কিনতো। আরও আছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসাররা যুদ্ধ প্রশিক্ষণও নেয় ভারত থেকে। অবাক হবেন অনেক রকম যুদ্ধাস্...

সোশ্যাল মিডিয়া

  সোশ্যাল মিডিয়া খুব অদ্ভুত একটা জায়গা। একজন ভদ্র মহিলা আছেন যিনি পারিবারিক সম্পর্ক, বউ-শাশুড়ির সম্পর্ক নিয়ে খুব সুন্দর সুন্দর ভিডিও করেন। বহু মানুষ তার কথা শুনেন। একটা বিশেষ সূত্রে তার পরিবারকে আমি চিনি। তার অত্যাচারে তার ছেলের বউ সু*ইসাইড করতে নিয়েছে। অবশেষে তাদের ডিভোর্স হয়েছে। সে ভদ্রমহিলা বিভিন্ন নেশায় আসক্ত। অথচ তিনি মানুষকে ভালো পথে থাকার ভিডিও বানিয়ে যাচ্ছেন বছর পর বছর। ‌ সুস্থ সম্পর্কের কথা বলছেন। ‌ শাশুড়ি হিসেবে ভালো হতে বলছেন। ........................... আরেকজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ আছেন যিনি অসম্ভব বদমেজাজি। নিজ ছাত্রদের,কলিগদের, রোগীদের সাথে খুবই বাজে আচরণ করেন। বেশ জনপ্রিয়। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও করেছেন 'রাগ নিয়ন্ত্রণের সহজ কৌশল' নিয়ে । ........................... সোশ্যাল মিডিয়াতে তাই যা দেখবেন সব বিশ্বাস করবেন না। কারো কাছ থেকে শিখতে সমস্যা নেই। কিন্তু কারো সুন্দর সুন্দর ভিডিও দেখে তার প্রতি obsessed হয়ে যাবেন না। একটা মানুষ কেমন সেটা আপনি তখনই বুঝবেন যখন তার সাথে আপনি বাস্তব জীবনে মিশবেন। সুন্দর সুন্দর কথা সবাই বলতে ...

পোষা বিড়ালটি গর্ভবতী হলে

  বিড়ালপ্রেমীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের প্রিয় পোষা বিড়ালটি গর্ভবতী হলে কীভাবে তার যথাযথ যত্ন নিতে হবে। একটি স্বাস্থ্যবান মা বিড়াল সুস্থ ও নিরাপদভাবে সন্তান জন্ম দিতে পারলে, শুধু বাচ্চাগুলোর ভবিষ্যৎই নয় পুরো পরিবারেই এক আনন্দময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তাই গর্ভাবস্থার সময়কাল, লক্ষণ এবং যত্নের বিষয়গুলো জানা অত্যন্ত জরুরি। একটি স্ত্রী বিড়াল সাধারণত প্রতি বছর একাধিকবার গর্ভবতী হতে পারে এবং প্রতিবার গড়ে ৩-৫টি বাচ্চা জন্ম দিতে পারে। একটি সুস্থ ও পূর্ণবয়স্ক স্ত্রী বিড়ালের গর্ভধারণকাল গড়ে ৬৩-৬৫ দিন, অর্থাৎ প্রায় দুই মাস। যদিও কিছু ক্ষেত্রে এটি ৫৮ থেকে ৭০ দিনের মধ্যেও সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। গর্ভকালীন সময় ও সঠিক পরিচর্যা জানার মাধ্যমে একজন পোষ্যপ্রেমী মালিক গর্ভবতী বিড়ালের জন্য যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারেন এবং তার নিরাপদ ও সুস্থ প্রসব নিশ্চিত করতে পারেন। গর্ভধারণের শুরুতে বিড়ালের আচরণে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা না গেলেও দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে। সবচেয়ে সহজ ও আগে দেখা যাওয়া লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে নিপলের রঙ পরিবর্তন, যা সাধারণত গোলাপি হয়ে যায় এবং সামান্য ফোলাভাবও দেখা...

সাহসী নারীর প্রতীক

  "যিনি নিজের সম্মানের জন্য রাষ্ট্রপ্রধানের স্ত্রী হওয়াকেও ত্যাগ করেছিলেন..." লতিফা হানিম — তুরস্কের ইতিহাসে এক অসাধারণ নারী। তিনি ছিলেন শিক্ষিত, সচেতন, ও সংস্কৃতিমনা মুসলিম নারী। অত্যন্ত পর্দানশীন ও নীতিবান এই নারীর বিয়ে হয়েছিল সেই কামাল আতাতুর্কের সঙ্গে — যিনি ছিলেন তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা, কিন্তু মুসলিম ঐতিহ্য ও ইসলামী চর্চার ঘোর বিরোধী। কামাল পাশা চেয়েছিলেন তার স্ত্রী পাশ্চাত্য ধাঁচের জীবনযাপন করুন, বেপর্দা পোশাক পরুন, ইসলামী অনুশাসন পরিহার করুন। কিন্তু লতিফা হানিম দৃঢ়চেতা। তিনি বলেন— ইজ্জতের চেয়ে বড় কিছু নয়। তিনি এই দাম্পত্য সম্পর্ক ছিন্ন করেন, তালাক নেন, এবং প্রমাণ করেন— একজন নারী চাইলে নিজে থেকেই নিজের মর্যাদা রক্ষা করতে পারেন, যদিও তার স্বামী হন দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাধর মানুষ। তুরস্কের ইতিহাসে লতিফা হানিম আজও পরিচিত “সাহসী নারীর প্রতীক” হিসেবে। ========================================================================== প্রতিদিন চেষ্টা করবেন কিছু টাকা মানুষকে দান করতে। যতদিন বেঁচে আছেন একদম প্রতিদিন। হতে পারে ২০ টাকা, ৫০ টাকা বা ১০০ টাকা। ‌ সামর্থ্য একটু বেশি থাকলে আমি ব...

পোষা প্রাণীরা

  পোষা প্রাণীরা আমাদের শুধু আনন্দই দেয় না, তারা আমাদের সত্যিকারের মানুষ হতে শেখায়। তারা আমাদের মনে করিয়ে দেয় পৃথিবীর সকল প্রাণের প্রতি দায়িত্ব ও সহানুভূতির গুরুত্ব। একজন প্রাণী প্রেমিক যেমন জেমস ক্রমওয়েল তার বক্তব্যে বলেছেন, “পোষা প্রাণীরা আমাদের মানুষ হতে শেখায়। তারা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, পৃথিবীর সকল প্রাণকে রক্ষা করা ও তাদের যত্ন নেওয়া আমাদের দায়িত্ব।” এই কথার মধ্যে লুকিয়ে আছে এক গভীর সত্য—আমরা যদি নিজেদের সভ্য বলে দাবি করি তবে আমাদের আচরণে সেই মানবিকতার প্রকাশ থাকতে হবে বিশেষ করে অসহায় ও নিরীহ প্রাণীদের প্রতি। পোষা প্রাণীদের সঙ্গে বসবাস আমাদের জীবনকে যেমন পরিপূর্ণ করে তোলে, তেমনি তারা আমাদের মধ্যে ভালোবাসা, ধৈর্য, সহনশীলতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলে। তারা পরিবারের সদস্যের মতো হয়ে ওঠে, অনেক সময় আমাদের মানসিক ভরসার আশ্রয়ও হয়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, পোষা প্রাণীরা মানুষের চিন্তা কমাতে সাহায্য করে, একাকীত্ব দূর করে, এমনকি হৃদরোগের ঝুঁকিও কমিয়ে দেয় (সূত্র: Harvard Health Publishing, 2021)। তাদের যত্ন নেওয়া শিখিয়ে দেয় কেমন করে অন্য কারো কষ্ট বুঝে পাশে দাঁড়াতে হয়। ...

পাখিরা প্রকৃতির সৌন্দর্য

  বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য এক সময় ছিল অগাধ ও অপার। নদী-নালা, খাল-বিল, বন-জঙ্গল মিলিয়ে এই দেশ ছিল হাজারো পাখির নিরাপদ আবাসভূমি। আমাদের দেশের অধিকাংশ পাখি গাছেই বসবাস করে। তারা গাছেই বাসা বাঁধে, ছায়ায় আশ্রয় নেয়, গাছের ফল-মূল খেয়ে বেঁচে থাকে এবং ঝড়-বৃষ্টির সময় আশ্রয় নেয় গাছের ঘন ডালপালায়। গাছ মানেই পাখিদের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী। কিন্তু আজকের বাস্তবতা ভয়াবহ। নির্বিচারে গাছ কাটা, নগরায়ন এবং অব্যবস্থাপনার কারণে সেই নিরাপদ আশ্রয় এখন চরম হুমকির মুখে। বর্তমানে বাংলাদেশে যেভাবে উন্নয়নের নামে গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে তা আমাদের পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। শুধুমাত্র একটি পূর্ণবয়স্ক গাছই ৫০ থেকে ১০০টির বেশি পাখির আবাসস্থল হতে পারে। আপনি যখন একটি গাছ কাটছেন, তখন হয়তো বুঝতেই পারছেন না আপনি কতগুলো ছোট জীবনের ঘর এক সঙ্গে ধ্বংস করে দিচ্ছেন। আজ ঢাকার মেট্রোরেল বা ফ্লাইওভার প্রকল্পের নির্মাণের জন্য হাজার হাজার গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। প্রতিস্থাপন কার্যক্রম খুবই দুর্বল। ফলে শহরজুড়ে আগে যেসব এলাকায় সকালবেলা পাখির কিচিরমিচির শোনা যেত, আজ সেখানে কেবল যানবাহনের কোলাহল। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটির মতো ...

চোখে দেখা যায় না

  চোখে দেখা যায় না, কানেও শোনা যায় না—তবু সে প্রতিদিন কথা বলে। ভেতরের সেই কণ্ঠস্বর, যার নাম অন্তর্দৃষ্টি। আমাদের অনুভব, অভিজ্ঞতা, ভয়, না বলা কথাগুলো জমতে জমতে একসময় একটা মনের ভাষা তৈরি করে। আমরা হয়তো তাকে অগ্রাহ্য করি, ব্যস্ততায় চাপা দেই, কিন্তু সে চুপ থাকে না। দিনশেষে, যখন চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে আসে, অন্তর্দৃষ্টি তখন ধীরে ধীরে বলে ওঠে—"আমি ক্লান্ত", "আমি ভালো নেই", "আমার একটু শুনলে হয় না?" আমরা অন্যদের কথা শুনতে শিখেছি, সামাজিক নিয়মে নিজেকে মানিয়ে নিতে শিখেছি, কিন্তু নিজের কথা শুনতে শিখিনি। অথচ মানসিক সুস্থতার প্রথম ধাপই হলো নিজের ভিতরের কণ্ঠকে গুরুত্ব দেওয়া। মানসিক চাপ, হতাশা, উদ্বেগ—এসব হঠাৎ করে আসে না। দিনের পর দিন উপেক্ষিত অনুভূতি, অপূর্ণ চাওয়া, চাপা কষ্ট, অব্যক্ত ভয়—সবকিছু মিলে ধীরে ধীরে তৈরি হয় এক অদৃশ্য ভার। এই ভার কমাতে হলে প্রথমেই দরকার নিজের মনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা। যে অন্তর্দৃষ্টি বলছে, “আর সহ্য হচ্ছে না”—তার কথা শুনুন। তাকে অবহেলা করবেন না। সে আপনিই, আর তার কষ্ট মানেই আপনার কষ্ট। আপনার অনুভূতির মূল্য আছে। কষ্ট অনুভব করা দুর্বলতা নয়, বরং ...

কারো মৃত্যুর পর

  কারো মৃত্যুর পর তার নামে দোষারোপ করে‌‌ পাবলিকলি লেখালেখি করাটা আমার কাছে শোভনীয় মনে হয় না। আরো অশোভনীয় আমরা যারা এসব লেখা পড়ি, তা হুবহু বিশ্বাস করা। সংসার একটা জটিল জায়গা। এখানে কে যে সত্য বলে আর কে যে মিথ্যা বলে তা বুঝা খুব কঠিন। আবার একই ঘটনার একজনের কাছে ব্যাখা এক রকম, আরেকজনের কাছে ব্যাখ্যা আরেকরকম। কাউকে অপবাদ দেওয়ার আগে আমাদের হাজারবার চিন্তা করা উচিত। ‌ কেউ তার ব্যক্তিগত দুঃখের কথা সোশ্যাল মিডিয়াতে লিখতেই পারে, এটা তার স্বাধীনতা। ‌ যদিও ‌ব্যক্তিগত কষ্ট কাছের বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-স্বজন অথবা কোন কাউন্সিলরের এর সাথে শেয়ার করাটাই উত্তম‌ বলে আমার মনে হয়। ........................ আর আমরা যারা সাধারন পাঠক এবং সাধারন মানুষ, তাদের কাজ হল নিজের জীবন নিয়ে ভাবা। অন্যের জীবনে কি ঘটেছে সেটা ঘাটিয়ে আপনার লাভ কি বলুন ? অন্য মানুষের দুঃখ কষ্ট দেখলে আসলে কি আপনার দুঃখ লাগে ? নাকি আপনি মনে মনে আনন্দ পান যে অন্যরাও কষ্টে আছে? যে ব্যক্তিটি মারা গেছে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আগ্রহ দেখানো‌ শোভনীয় নয়। কারণ যিনি মারা গেছেন, তার বিষয়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে সে বিষ...

প্রো-আমেরিকান

  অনেকে ভাবছেন হঠাৎ করেই আমি প্রো-আমেরিকান হয়ে গেছি। নাহ রে ভাই, বিষয়টা এমন না। ৫ অগাস্টের পর আমি চূড়ান্ত আশাবাদী ছিলাম যে আমাদের দেশের রাজনীতি থেকে দিল্লির আধিপত্যবাদী দালালী কার্যকরভাবে নির্মুল হয়ে যাবে! লীগ না থাকা মানে রাম্বাম ভেড়ার পালের শাহবাগী বাম দল গুলো বিলীন হয়ে যাবে। রাজনীতিতে দিল্লির দালালী করার জন্য শক্তিশালী কেউ থাকবে না। কিন্তু সময় যায় আর দেখি বিএনপি দিল্লির স্বার্থের সাথে নিজেদের উৎপ্রোতভাবে জড়িয়ে ফেলেছে। কসম বলছি এটা উপলব্ধি করে আমি সত্যিই ভীত! জিয়া পরিবারকে চূড়ান্ত নির /যাতন করা হয়েছে যে ডান্ডিয়ার নির্দেশে, যে বিএনপির লাখো নেতাকর্মীদের মামলা হা মলার মাধ্যমে চতুস্পদ প্রাণীর মতো ১৭ টা বছর দমন করা হয়েছে সেই বিএনপিই দিল্লির বীণে নাগিন ড্যান্স দিচ্ছে৷ ডান্ডিয়ার রাষ্ট্রীয় অপমান অপদস্ত করার বিরুদ্ধে জনমানুষের আত্মসম্মানবোধের বিপরীতে গিয়ে দাড়িয়েছে তারা! প্রতিনিয়ত কাংলু, ভিখারি, মোল্লা বলে গা/ লি দেয়া দেশটির স্বার্থের সাথে নিজেদের ইন্টিগ্রেট করে ফেলেছে! অথচ হাজার হাজার প্রমাণ আছে যে ডান্ডিয়া কোনদিন মুসলিমদের প্রতি ন্যুনতম সহনশীল নয়, অসংখ্য প্রমাণ আছে যে দিল্লির প্রধান নীতি...

কলহের সাক্ষী

  বাসায় বাবা-মায়ের ঝগড়া প্রতিনিয়তই লেগে থাকে। চিৎকার-চেঁচামেচি থেকে শুরু করে জিনিসপত্র ভাঙচুর, এমনকি মারামারিও যেন নিত্যদিনের ঘটনা। আমাকে বাবা-মা দুজনেই ভালোবাসে, যত্নে রাখে। কিন্তু তাদের এই কলহের সাক্ষী হওয়াটা বাসায় একটা দমবন্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। মাঝে মাঝে সব ছেড়ে দূরে কোথাও চলে যেতে ইচ্ছা করে। মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটাই শেষ করে ফেলি। পারি না, শুধু মায়ের কথা ভেবে। তাকে যে আমি এই ঝগড়া আর মারধর থেকে বাঁচিয়ে সুন্দর একটা জীবন দিতে চাই। কিন্তু আর সহ্য হয় না। এখন তো বাসার বাইরেও ভালো থাকি না। কোথাও জোরে কোনো শব্দ, কারও জোরে ডাক দেওয়া, বা সামান্য কোলাহলেও মনটা আতঙ্কিত হয়ে ওঠে। ছটফট করতে থাকি। সারাক্ষণ এই অশান্তি আর বয়ে বেড়াতে পারি না। এই যন্ত্রণা থেকে একটু যদি রেহাই পেতাম!! এই চিত্র অনেক পরিবারেই দেখা যায়। বাবা-মায়ের কলহের সাক্ষী হওয়া যেকোনো সন্তানের জন্যই মারাত্মক ট্রমাটিক। এই ট্রমা তাদের ব্যক্তিগত কাজ থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত সকল কাজেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে থাকে। সন্তানের সুস্থ বিকাশের জন্য বাবা-মায়েরও যেমন পারিবারিক কাউন্সেলিং বা দাম্পত্য কাউন্সেলিং নেওয়া উচিত, ত...

জীবনের হিসাব

  আমার প্রথম সন্তান মাশিয়ার যখন জন্ম, তখন আমি এবং আমার স্ত্রী দুইজনই ফিফথ ইয়ারে। মাশিয়ার জন্ম ছিল একটি মেডিকেল মির‍্যাকল। আমার স্ত্রীর কিছু সমস্যা ছিল যার কারণে ওর মা হতে পারার কথা ছিল না। ব্যাপারটা আমি বিয়ের আগে থেকেই জানতাম। নিজেকে বুঝালাম - পুরো পৃথিবীকে না, আমার আসলে শুধুমাত্র একজন মানুষের কাছে নিজের মনুষ্যত্বের পরীক্ষাটা দিতে হবে। আমি চাইলেই তাকে হতাশার সাগরে একা ছেড়ে দিতে পারি, আবার সারাজীবনের জন্যে তার পাশেও দাঁড়াতে পারি। তাই পছন্দের মানুষটা কখনো মা হতে পারবেনা এটা জানার পরেও থার্ড ইয়ারে থাকা অবস্থাতেই, মানসিক সুস্থতার জন্যে হলেও, ওর সব দায়িত্ব নেয়া আমার কাছে জরুরী বলে মনে হয়। সব জেনে-বুঝে ঠান্ডা মাথায় পরিবারকে বুঝাই। ২০০৭ সালের মে মাসে আমাদের বিয়ে হয়ে যায়। ইনফার্টিলিটির চিকিৎসা ছিল আমাদের কাছে এক ভয়াবহ মানসিক যুদ্ধের নাম। অনেক চেষ্টার পরে, বিয়ের প্রায় তিন বছর পর,পৃথিবী আলো করে আমাদের প্রথম সন্তানের জন্ম হয়। ডাক্তার মেয়েটাকে কোলে দিয়ে বলেছিলেন - "ও তোমাদের বিস্ময় শিশু! আগলে রেখ।” আমাদের ফাইনাল প্রফের আর ৫ মাস বাকি তখন। আমার স্ত্রী ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্রী। ...

হিজাব শুধু চোখ নিচে নামানো অথবা নিজের সৌন্দর্যকে ঢাকা না

  আমি সেদিন ইন্সটায় একজন শায়েখের ভিডিও দেখসি। উনি বলতেসিলেন, "হিজাব শুধু চোখ নিচে নামানো অথবা নিজের সৌন্দর্যকে ঢাকা না।ইয়াতীমের সামনে নিজের বাবার আদর নিয়ে কথা না বলা হিজাব।বিধবার সামনে নিজের স্বামীর প্রশংসায় ভেসে না যাওয়া হিজাব।যার সন্তান হয়নাই তার কাছে গিয়ে সন্তান থাকার উপকারিতা বর্ণনা না করা, যার টাকা নাই তার কাছে বিলাসীতার গল্প না করাও হিজাব।" এরপর তিনি একটা হাদীস বললেন যেখানে রাসূল (সা:) বসে কিছু বাচ্চাদের খেলা দেখতেসিলেন। এমন সময় বাচ্চাদের মধ্য থেকে একজনের বাবা এসে বললেন, "আমার ছেলেকে নিয়ে যেতে এসেছি।" তখন রাসূল (সা:) বললেন, তোমার ছেলের নাম কি? তখন ওই লোক তার সন্তানের নাম বলার পর রাসূল (সা:) বললেন, "তুমি তোমার ছেলেকে আমার ছেলে বলে না ডেকে নাম ধরে ডেকো।" তখন সেই লোক খানিকটা অবাক হয়েই জানতে চাইলেন কেন? তখন তিনি বললেন, এখানে খেলারত বাচ্চাদের মধ্যে অনেক ইয়াতীম আছে। তুমি তোমার ছেলেকে "আমার ছেলে" বলে যখন ডাকো, তখন ওদের মন খারাপ হয়। - শামসুন নাহার প্রিয়া ------------------------------------------------------------------------------------...