Skip to main content

হিজাব শুধু চোখ নিচে নামানো অথবা নিজের সৌন্দর্যকে ঢাকা না

 


আমি সেদিন ইন্সটায় একজন শায়েখের ভিডিও দেখসি।

উনি বলতেসিলেন, "হিজাব শুধু চোখ নিচে নামানো অথবা নিজের সৌন্দর্যকে ঢাকা না।ইয়াতীমের সামনে নিজের বাবার আদর নিয়ে কথা না বলা হিজাব।বিধবার সামনে নিজের স্বামীর প্রশংসায় ভেসে না যাওয়া হিজাব।যার সন্তান হয়নাই তার কাছে গিয়ে সন্তান থাকার উপকারিতা বর্ণনা না করা, যার টাকা নাই তার কাছে বিলাসীতার গল্প না করাও হিজাব।" এরপর তিনি একটা হাদীস বললেন যেখানে রাসূল (সা:) বসে কিছু বাচ্চাদের খেলা দেখতেসিলেন। এমন সময় বাচ্চাদের মধ্য থেকে একজনের বাবা এসে বললেন, "আমার ছেলেকে নিয়ে যেতে এসেছি।" তখন রাসূল (সা:) বললেন, তোমার ছেলের নাম কি? তখন ওই লোক তার সন্তানের নাম বলার পর রাসূল (সা:) বললেন, "তুমি তোমার ছেলেকে আমার ছেলে বলে না ডেকে নাম ধরে ডেকো।" তখন সেই লোক খানিকটা অবাক হয়েই জানতে চাইলেন কেন? তখন তিনি বললেন, এখানে খেলারত বাচ্চাদের মধ্যে অনেক ইয়াতীম আছে। তুমি তোমার ছেলেকে "আমার ছেলে" বলে যখন ডাকো, তখন ওদের মন খারাপ হয়।


- শামসুন নাহার প্রিয়া
-------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি যেহেতু পশুপ্রেমিক তাই আপনারা যারা আমার মত প্ পশু প্রেমিক তাদেরকে কিছু কথা বলতে চাই - অনেক মানুষই কুকুর বিড়ালকে ভয় পায়। ‌ রাস্তার অনেক কুকুরই খুবই উগ্র আচরণ করে। ‌ কামড়াতে আসে, ভয় দেখায়। যাদের phobia আছে তাদের খুব ভয় হয় এদের দেখলে।‌ অনেকে রাস্তায় বের হতে ভয় পায় এদের জন্য। বিড়ালও অনেক মানুষ সহ্য করতে পারে না। ভয় পায়, এলার্জির সমস্যা হয়। বিড়াল থেকে থেকে নানা রোগও হয়। বিড়াল অনেক সময় অন্যের বাসায় ঢুকে ঝামেলা তৈরি করে। ‌ আপনারা যারা পশু-প্রেমিক তারা এই বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন। আপনি বিড়াল ভালোবাসেন দেখে পৃথিবীর সবাই বিড়াল ভালোবাসতে হবে এমন কোন কথা নেই। পশুপ্রেমে obsessed হয়ে যাবেন না। আপনি পশুপ্রেমিক হলেও রাতে ডিনার করার সময় মুরগির মাংস বা গরুর মাংস খান। ‌ মুরগি বা গরুর জবাই দৃশ্য কখনো দেখেছেন ? এটা কি মর্মান্তিক‌ লাগেনা আপনার কাছে ? তাহলে আপনি কিভাবে সেটা আবার ডিনারে খান ? কারণ, আমাদের সৃষ্টি জগত এভাবেই চলে। আমরা পশু পাখিকে যেমন ভালোবাসি, তেমনি জৈবিক প্রয়োজনে সেই পশুপাখিকে জবাই করে আবার খেয়ে থাকি। এটাই প্রকৃতির বাস্তবতা। ‌ আপনি হয়তো বিড়াল পছন্দ করেন, কিন্তু আপনার বউ বা স্বামী বিড়াল পছন্দ করে না। এই ব্যাপারটাকে সম্মানের সাথে দেখুন।‌ আপনার বিরলের চাইতে আপনার স্ত্রী বা স্বামীর সম্মান অনেক বেশি। বিড়াল কুকুর যারা পালেন তাদের একটা বড় অংশ 'ইমোশনালি সেনসিটিভ' হয়ে থাকেন। ‌ তারা অনেকে খুব রাগী বা জেদী হন।‌ অনেকের 'বর্ডার লাইন পার্সোনালিটি' বা 'নার্সিসিজম' থাকে। তাদের দিন দুনিয়া তার বিড়াল বা কুকুরকে ঘিরে আবর্তিত হতে থাকে। ‌ তারা এমনও বলে থাকে যে, বিড়াল বা কুকুর নাকি মানুষের চাইতেও ভালো। এটা মনে করার কারণ‌ সে হয়তো দুই তিন জন মানুষের সাথে প্রতারণা শিকার হয়েছে। অথবা তার কয়েকটা ব্রেকআপ হয়েছে। ‌ মানুষকে এখন সে আর বিশ্বাস করতে পারেনা।‌ অথবা সোশ্যাল স্কিল কম থাকার কারণে ‌আশেপাশের মানুষের সাথে‌‌ সে খাপ খাওয়ায় চলতে পারে ‌না।‌ অবলা প্রাণী যেহেতু কিছু বলতে পারেনা তাই সেটাকে তার প্রিয় মনে হয়। তবে সবাই এরকম নয়। পশুপ্রেমিক মানুষ‌ সাধারণত অমায়িক হয়। মায়াবতী হয়। কিন্তু যারা obsessed টাইপের পশু প্রেমিক তাদের‌ এই আচরণ সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়
dr kushal

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...