Skip to main content

Posts

Showing posts from February, 2025

এটাকি সাপোর্ট? নাকি গোলামির চুক্তি?

  এটাকি সাপোর্ট? নাকি গোলামির চুক্তি? যুদ্ধ বিরতির পর ইউক্রেনকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য জেলেনস্কির সামনে একটা খসড়া চুক্তিপত্র তুলে ধরেছে আমেরিকা। তাকে চাপ দিয়েছিল সেই চুক্তিপত্রে সই করতে কিন্তু জেলেনস্কি সেটা করে নি। সে বলেছে ইউরোপ এবং ব্রিটেনের অনুমতি না নিয়ে সে ওখানে স্বাক্ষর করবে না। ফলে ইউক্রেন, ইউরোপ এবং ব্রিটেনের উপর চরম খেপেছে আমেরিকা। গত সপ্তাহে ইউরোপীয় নেতাদের শাসাতে ট্রাম্প তার এ টীমকে পাঠিয়েছিলেন ইউরোপে। তারাও মনের মাধুরী মিশিয়ে শাসিয়েছে ইউরোপীয় নেতাদের। প্রশ্ন হচ্ছে, কি ছিল সেই চুক্তিতে। সেই খসড়া চুক্তিটি ফাঁস করে ইন্টারনেট জগতে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। খুব সম্ভবত ইউক্রেনের পক্ষ থেকে করা হয়েছে এটি। (আমার টেলিগ্রাম চ্যানেলে সেই খসড়া চুক্তিটি শেয়ার করেছি) (টেলিগ্রাম চ্যানেলের লিঙ্ক প্রথম কমেন্টে) পুরোটা পড়লে আপনার অবচেতন মনেই বলে উঠবেন, টাম্প কামডা করলো কি?এটা তো ইউক্রেনকে ৫২ তম অঙ্গরাজ্য বানানোর নকশা! - আমেরিকা ইউক্রেনকে নিরাপত্তার বিপরীতে ইউক্রেনের যত খনিজ সম্পদ, তেল-গ্যাস এবং বাণিজ্যিক বন্দর আছে সেগুলোর ইনকামের ৫০% আমেরিকাকে দিতে হবে। - ইউক্রেনের এই সব ক্ষেত্রে নতুন যত ...

সেদিন থেকে আর কখনো খাবার নষ্ট করিনি

  ছোটবেলা থেকেই আমি খুব পেটুক স্বভাবের। যতটা না খেতে পারতাম, তার চেয়ে বেশি নিতাম। তারপর একটু খেলেই আর পারতাম না, প্লেটে ভাত পড়ে থাকত। এটা নিয়ে তখন চিন্তাও করতাম না। বিষয়টা খুবই স্বাভাবিক মনে হতো। কিন্তু একদিন প্রাইমারি স্কুলে থাকাকালীন, বোধহয় তখন আমি ক্লাস ফাইভে পড়ি। সেই সময়ে, 'ভাত দে' নামের একটা ছবি দেখি বিটিভিতে। আমজাদ হোসেনের এই কালজয়ী সিনেমা আমার ভেতরে এমন একটা ঝাঁকুনি দিল, যেটা আমাকে বদলে দিয়েছিলো সম্পূর্ণ রূপে। সিনেমার গল্পটা এক মা-বাবা আর তার সন্তানের জীবনসংগ্রামের। ক্ষুধার কষ্ট কী, সেটা যে মানুষ কখনো অনুভব করেনি, সে-ও এই সিনেমা দেখে একবার হলেও মনে মনে কেঁদে উঠবে। এক মায়ের অসহায়ত্ব, একটা সমাজের নিষ্ঠুরতা, একটা মেয়ে মানুষ ছোট থেকে বড় হয়ে উঠার সংগ্রাম, সমাজের উচ্চবিত্ত মানুষদের দ্বারা বার বার পিষ্ট হওয়া গরীব মানুষদের অবহেলিত হওয়া—সব মিলিয়ে এটা শুধু একটা গল্প না, একটা বাস্তবতা। যা আমাদের চারপাশে প্রতিদিন ঘটে যাচ্ছে এখনো। এখন অভাব অনেকটা কম, তবে যে সময়কার গল্প এখানে বলা হয়েছে তখন ভাতের কতটা অভাব ছিলো সেটা আপনার বাবা-মা বা দাদা-দাদিকে জিজ্ঞেস করলেই পাবেন। এই ছবিতে সবচেয়ে ...

পোষা প্রাণীর জন্য এক ভয়ংকর ফাঁদ!

  চকলেট পেলেই অনেকের মনটা নাচতে থাকে। আহা! চকলেটের এক কামড়েই যেন সব দুঃখ গলে যায়। কিন্তু সাবধান! চকলেট খাওয়ার সময় যদি আপনার পোষা কুকুর বা বিড়াল বড় বড় মায়াভরা চোখে আপনাকে তাকিয়ে দেখে, "একটু দাও না!" বলে মনে মনে মিনতি করে—তাহলে আবেগের বশে ভুল করলেই সর্বনাশ! কারণ আপনার জন্য যা অমূল্য স্বাদ, তাদের জন্য তা বিষ! চকলেটে থাকে 'থিওব্রোমাইন' আর ক্যাফেইন, যা আমাদের শরীরে বেশ ভালোই কাজ করে। কিন্তু কুকুর-বিড়ালের জন্য এই দুই উপাদান যেন বিষাক্ত রাক্ষস! তাদের শরীর থিওব্রোমাইন হজম করতে পারে না, তাই এটি জমতে জমতে শরীরে বিষক্রিয়া তৈরি করে। প্রথমে হালকা বমি বা পেট খারাপ মনে হলেও, ধীরে ধীরে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে যেতে পারে—হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, অতিরিক্ত উত্তেজনা, খিঁচুনি, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে! আর মজার বিষয় জানেন? ডার্ক চকলেট ও বেকিং চকলেট সবচেয়ে ভয়ংকর! এতে থিওব্রোমাইনের মাত্রা এত বেশি যে, ছোট্ট এক টুকরোও আপনার পোষা প্রাণীটির জন্য বিপজ্জনক হতে পারে! মিল্ক চকলেট একটু কম বিপজ্জনক হলেও নিরাপদ নয়, আর হোয়াইট চকলেট তুলনামূলক নিরাপদ হলেও খাওয়ানোর কোনো দরকার নেই। এখন ভাবছেন, "আচ্ছা,...

ফ্যাসিবাদ নিয়ে গবেষণা

  আওয়ামী লীগকে যদি কেউ এখন প্রস্তাব দেয় যে, "ড. ইউনুসকে হটিয়ে জামায়াতকে ক্ষমতায় বসানো হবে, তোমরা রাজী"? আওয়ামী লীগ আলহামদুলিল্লাহ পড়ে তৎক্ষনাৎ রাজী হয়ে যাবে। আর বিএনপি হলে তো কথাই নেই। নাচতে নাচতে রাজী হয়ে প্রস্তাবকারীর হাতে চুমু খাবে। আওয়ামী লীগের আসল যম হলেন ড. ইউনূস। শুনুন, কেন সেটা বলছি। জামায়াত বা বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীকে হয়তো পুলিশ দিয়ে বা দলের কর্মীদের দিয়ে ঠেঙ্গাতে পারবে, ভয়ভীতি দেখাতে পারবে। বিচারও কিছু হবে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সেগুলোকে পলিটিক্যালি ক্যাশ করবে। সবকিছুকে তারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে চালাবে, বিশ্বের মানুষকে খাওয়ানোর চেষ্টা করবে। কিন্তু ড. ইউনূস আওয়ামী লীগকে শুধু পলিটিক্যালি না, একাডেমিক্যালি খেয়ে ফেলবেন। ড. ইউনূস যতদিন আছেন, সারাবিশ্বের সরকারগুলো জানবে আওয়ামী লীগ কোনো পলিটিক্যাল পার্টি না, এইটা একটা ফ্যাসিজম। সবাই এটাকে তুলনা করবে হিটলার মুসোলিনির সাথে। ইউনিভার্সিটিগুলোতে বাংলাদেশের এই ফ্যাসিবাদ নিয়ে গবেষণা হবে। এই গণহত্যা নিয়ে গবেষণা হবে। ড. ইউনূস অলরেডি বিশ্বের বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিগুলোকে ...

গুম করার জায়গা

  আমাকে ২০১৮ তে গুম করা হলে এমন একটি ঘরেই রাখা হয়। তবে এভাবে দুটো ফুটো ছিল না। একটা লাল রং এর এডজাস্ট ফ্যান ছিল। প্রচণ্ড শব্দ হত সেটার। এখানে কোন টয়লেট ছিল না। টয়লেট পেলে দরজা ঝাঁকাইলে মাস্ক পড়া লোক এগিয়ে আসত। দুটো দরজা ছিল। একটা কাঠের আর একটা লোহার শিকের। ২০২২ সালে আমাকে ডিবির কোথাও নেয়া হয়, সাথে সজল ছিল। দুজনেরই চোখ বাঁধা ছিল। এটা ছিল প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিলের মামলার ফাইলিং করার সময়। আমি এডভোকেট একলাস উদ্দিন ভুইয়া স্যারের চেম্বার হতে নেমে ফটোকপি করছিলাম তখন সাদা পোশাকে কিছু লোক তুলে নেয়। লাগাতার একদিন নির্যাতনেত পর ছেড়ে দেয়। সেখানে কোথায় বসে রাখছিল, চোখ বাঁধা রাখায় বলতে পারি না। ২০২৪ সালের ২২ জুলাই, আমাকে ডিজিএফ আই নেয় তা গণ অভ্যুত্থান এর পর জানতে পারি। সেখানে দেয়ালে ৩ ফুট পর পর হাত বাঁধাত ও পা বাঁধার লোহার রিং ছিল দেয়ালে লাগানো। এটা সম্ভবত র‍্যাব - ১ বা ডিজিএফআইয়ের হেড কোয়ার্টার এ হবে। তবে ৩য় দিনে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে নেয়ার সময় চোখ খোলে তখন র‍্যাব-১ এ ছিলাম এটা সেখানেই হতে পারে, এখানে টয়লেট ছিল, সিসি ক্যামেরাও ছিল দেখেছি। জীবনে তিনবার জোরপূর্বক অন্তর্ধান এর অ...

মিরাসে বৈষম্যের অভিযোগ অজ্ঞতামূলক

  উত্তরাধিকার আইনে নারীর বৈষম্য নিয়ে উত্থাপিত বিষয়টি ইসলাম ও মুসলিমবিরোধীদের একটি অমূলক ও ভ্রান্ত অভিযোগ। যুগে যুগে এ প্রশ্নটি যেমন তর্ক-বিতর্কে রূপ নিয়েছে, তেমনি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকে নস্যাৎ করতে তৎপর তথাকথিত সুশীলরা কৌশল বুঝে বিষয়টি সময়ে সময়ে সামনে এনেছে; বিশেষ শ্রেণিকে উসকে দিয়েছে। আমি দেখেছি উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিটিও বিষয়টি না বোঝার ভান করে; বিতর্ক করতে পছন্দ করে। কোরআন ও সুন্নাহর প্রমাণ তুচ্ছ করে, যুক্তিকে অগ্রাহ্য করে বাহ্যিক শুধু একটি বিষয়কে প্রাধান্য দেয়। তা হলো ‘পুত্র-কন্যার দ্বিগুণ পায়’। দুঃখজনক হলেও সত্য, তারা আল-কোরআনের আয়াতগুলো যেমন পাঠ করেনি, তেমনি ফিকহি বিশ্লেষণও অধ্যয়ন করেননি। শুরুতেই দেখে নেওয়া যাক, আল-কোরআন এ বিষয়টিকে কীভাবে উল্লেখ করেছে? মোটাদাগে, আল-কোরআনের চতুর্থ সুরা আন-নিসায় পাঁচটি আয়াতে তথা ৭, ১১, ১২, ৩৩ এবং ১৭৬ নম্বর আয়াতগুলোয় ইসলামি উত্তরাধিকার আইন সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত কিন্তু পরিপূর্ণ মূলনীতির আলোচনা করা হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে এ বিষয়গুলোর দিকে তাকালে মনে হবে ক্ষেত্রে ক্ষেত্রে নারীদের পুরুষের তুলনায় কম অংশ দেওয়ার মাধ্যমে বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে। কিন্তু সূক্ষ্ম দৃ...

সুশীলতার রাজনীতি

  ধানমন্ডি ৩২ নাম্বার না ভাঙতে পারলে আজ গাজীপুরে এই শক্তিটা ছাত্ররা দেখাইতে পারতো না। সুশীলতার রাজনীতি ৬ মাস চলেছে। কী হয়েছে, আমরা দেখেছি। এইবার রাজপথের রাজনীতিই চলুক। সুশীলতার রাজনীতি তো আওয়ামীলীগ ছাত্রলীগকে জেলে ঢুকাইতে পারলো না। ঐটা রাজপথ থেকেই করতে হলো। ভবিষ্যতেও ছাত্র জনতার মাঠ ছাড়া চলবে না। জামায়াতের আমির বলেছেন, যত গালিই খান না কেন, উনি নাকি কেয়ার করেন না। এই সাদা দাড়ি বেশের অকর্মাদের পাল্লাতে পড়া যাবে না। এই লোকটাই কিন্তু সবার আগে আওয়ামীলীগকে ক্ষমা করে দিয়েছিলো। আওয়ামীলীগকে বারবার ফ্যাসিস্ট বলতে নিষেধ করেছিলো। এখন আবার বলতেছে, গালি খাইলেও কেয়ার করেন না। আরে ভাই, আপনারা এতোই কেয়ার যদি করতেন, তাহলে ৪৭ এ মানুষের বিরুদ্ধে যাইতেন না। জনগণের কেয়ারই যদি করতেন, ৭১ এ পাকিস্তানের পক্ষ নিতেন না। জনগণকে ড্যাম কেয়ার করে, মানুষকে ছোট করে নিজেকে সুপিরিয়র ভাবার কারণেই তো ইতিহাসের প্রায় সব পয়েন্টে আপনাদের অবস্থান মানুষের বিরূদ্ধে। এখন আবার সুশীলতা করে মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতেছেন। নাহিদ ইসলাম আজকে যা বলেছেন, এইটা ছাত্র জনতাকে মাথায় রাখতে হবে। আন্দো...

ফরাসি বিপ্লবের (১৭৮৯) পরে

  ফরাসি বিপ্লবের (১৭৮৯) পরে ফ্রান্সে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অরাজকতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, এবং সহিংসতা চলেছিল। এই সময়কে চারটি প্রধান ধাপে ভাগ করা যায়: ১. গণপরিষদ ও রাজতন্ত্রের অবসান (১৭৮৯-১৭৯২) ১৭৮৯ সালে বিপ্লব শুরু হলেও প্রথমে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা হয়। ১৭৯২ সালে রাজা ষোড়শ লুইকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় এবং ফ্রান্সকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়। ২. সন্ত্রাসের রাজত্ব (Reign of Terror, ১৭৯৩-১৭৯৪) ১৭৯৩ সালে রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে শিরশ্ছেদ করা হয়। রবেসপিয়েরের নেতৃত্বে জ্যাকোবিনরা চরমপন্থী শাসন কায়েম করে, যেখানে হাজার হাজার মানুষকে শত্রু মনে করে হত্যা করা হয়। ১৭৯৪ সালে রবেসপিয়ের নিজেই উৎখাত ও শিরশ্ছেদ হলে সন্ত্রাসের রাজত্বের সমাপ্তি ঘটে। ৩. পরিচালক পর্ষদ (Directory, ১৭৯৫-১৭৯৯) ১৭৯৫ সালে নতুন সংবিধান চালু হয় এবং পাঁচ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ (Directory) ক্ষমতা গ্রহণ করে। এটি দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণে জনপ্রিয়তা হারায় এবং সামরিক অভ্যুত্থানের পথ তৈরি করে। ৪. নেপোলিয়নের ক্ষমতা গ্রহণ (১৭৯৯) ১৭৯৯ সালে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট কূ দে তা (Coup d'état) করে পরিচালনা পর্ষদকে...

সৌদি এক যুবকের সদকার দ্বারা সচ্ছলতা

  সৌদি এক যুবকের সদকার দ্বারা সচ্ছলতা আসার আশ্চর্য ঘটনা[বেতন (টাকা) কে মাসের শেষ পর্যন্ত অবশিষ্ট রাখার পরামর্শপত্রঃ- -------------------------------------------- ঘটনাটি এক সৌদি-যুবকের। সে তার জীবনের প্রতি মোটেও সন্তুষ্ট ছিল না। তার বেতন ছিল মাত্র চার হাজার রিয়াল। বিবাহিত হওয়ায় তার সাংসারিক খরচ বেতনের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। মাস শেষ হওয়ার আগেই তার বেতনের টাকা শেষ হয়ে যেত, তাই প্রয়োজনের তাগিদে তাকে ঋণ নিতে হত। এভাবে সে আস্তে আস্তে ঋণের কাদায় ডুবে যাচ্ছিল। আর তার বেতনে এমন বিশ্বাস জন্ম নিচ্ছিল যে, তার জীবন এই অভাবেই কাটবে। অবশ্য তার স্ত্রী তার এ-অবস্থার প্রতি খেয়াল রাখত। কিন্তু ঋণের বোঝা এত ভারী হযেছিল, যেন নিশ্বাস নেওয়াও দুষ্কর। একদিন সে তার বন্ধুদের এক মজলিসে গেল। সেদিন এমন একজন বন্ধু সেখানে উপস্থিত ছিল, যে অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং বিচক্ষণ ব্যক্তি। যুবকের বক্তব্য এমন ছিল যে, আমার ওই বন্ধুর সকল পরামর্শকে আমি খুব গুরুত্ব দিতাম। কথায় কথায় যুবক তার সকল অবস্থা বন্ধুকে বলল। বিশেষত আর্থিক সমস্যাটা তার সামনে তুলে ধরল। তার বন্ধু মনোযোগ সহকারে কথাগুলো শুনল এবং বলল, আমার পরামর্শ হল- তুমি তোমার বেতন...

আওয়ামীলীগ -১৫ দিনে ২০০০ মানুষ হত্যা

  গাজীপুর নিয়ে প্যানিকড হবার কিছু নাই। জুলাই-অগাস্টে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রের শক্তি নিয়ে ছাত্রজনতার সামনে দাড়াতে পারে নাই। এখন প্রশ্নই আসে না, বিইযনিল্লাহ৷ . সরকার, উপদেষ্টা আর বিরোধী দলগুলোকে ধরেন, কেন তারা লীগ নিষিদ্ধ করছে না। কেন জুলাই গণহত্যার বিচারের অগ্রগতি নাই, কেন তারা লীগের নেতাদের পালিয়ে যেতে দিল। কেন লীগের অলিগার্করা এখনো দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে, অনেকে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতও হচ্ছে। . ৬ মাস আগে যা করার দরকার ছিল এখন সেটা হোক। সরকার লীগ নিষিদ্ধ করুক, তাদের থামাক। না পারলে বলুক, ছাত্রজনতাই থামাবে৷ হিযবুত তাহরীর কোনো মানুষই হত্যা করে নাই আবার জে এম বি সব মিলিয়ে ১০০ মানুষও হত্যা করে নাই এরপরেও তারা নিষিদ্ধ। আর আওয়ামীলীগ ১৫ দিনে ২০০০ মানুষ হত্যা করেও নিষিদ্ধ হয়না!! এটাই গনতন্ত্রের মহত্ম। এটাই গনতন্ত্রের উদার নীতি। বিপ্লব, বিপ্লবের ঘোষনা পত্রের চল্লিশার দাওয়াত রইল,, আওয়ামী লীগের নামের সাথে ইসলামি শব্দ যুক্ত থাকলে দলটি নিষিদ্ধ হতো, কুশীলবদের ফাঁসি কার্যকর হতো, বিশ্বব্যাপী তার উপর ক্রেকডাউন চলতো, গণমাধ্যমের অব্যাহত ধিক্কার চলতো,সামাজিকভাবে ঘৃণার শিকার হয়ে একঘরে হতো। গণহ...

বিএনপির সবচেয়ে বড় বয়ানের সংকট

  বিএনপির সবচেয়ে বড় বয়ানের সংকট হবে জামায়াতকে নিয়ে। বিএনপিকে জাস্টিফাই করতে হবে কেন তারা জামায়াতের সাথে রাজনৈতিক ও নির্বাচনি ঐক্য করেছিলো। জামায়াত সম্পর্কে যেই বয়ান তারা হাজির করতেছে তা আদর্শিক ও ঐতিহাসিক। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা, আল বদর গঠন, শিবিরের রগ কাটার গল্প ইত্যাদি। সেই বিষয়গুলো তো সেই রাজনৈতিক ও নির্বাচনি ঐক্যের সময়ে বর্তমান ছিলো। সেই ঐক্যের ঘটনার আগেই সেই ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো ঘটেছিলো। বিএনপির সেই রাজনৈতিক অবস্থানকে বাতিল করতে হলে বিএনপিকেই খালেদা জিয়ার প্রজ্ঞা আর কৌশলকে অস্বীকার করতে হবে। তার ডিপার্চার করতে হবে খালেদা জিয়ার উত্তরাধিকার থেকে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত খালেদা জিয়া বিএনপির সেকেন্ড বিগেস্ট পলিটিকাল এসেট আফটার জিয়া। বয়ান তৈরির সময় ভবিষ্যৎ দেখে নিতে হয়। এইটার পটেনশিয়াল আফটার এফেক্ট বা পালটা বয়ান ভেবে রাখতে হয়। বিএনপির জামায়াত বিরোধিতা বয়ানের মুল ক্ষতি হবে বিএনপির। তার ভোটারেরা মনে করবে বিএনপি শুধু নির্বাচনে জেতার জন্য জামায়াতের সাথে ঐক্য করেছিলো, কোন রাজনৈতিক নৈকট্য থেকে সেই ঐক্য করেনি। দ্বিতীয়ত বিএনপি কোন এলাই পাবেনা। কারণ কোন পটেনশিয়াল এলাইয়ের মাথার পিছনে এই বিষয় ...

২০১৩ সালে শাহবাগের ঘটনার পরে

  ২০১৩ সালে শাহবাগের ঘটনার পরে পরে দেশজুড়ে প্রায় ৫০০ এর অধিক মানুষকে বিচারবহির্ভুতভাবে ফ্যাসিস্ট লীগ, সিপিবি আর তার আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো নির্মমভাবে হ/ত্যা করে। বগুড়ায় গরীব শ্রমজীবী নারীদের স্রেফ ঝাড়ু মিছিলে নির্বিচারে গুলি করে নারীদের হ…/ত্যা করতেও দ্বিধা হয় নি এদের। এসব কিছু এমন সময়ে ঘটেছে যখন দেশের প্রথিতযশা লেখক এক্টিভিস্টরা শাহবাগে "কল ফর ব্লাড" এর নামে মানুষজনকে “ধরে ধরে জ- বাই/ য়ের” আহবান জানিয়েছিলেন । পুলিশকে মিলিটারাইজ করার প্রেশার দিয়েছে। যার ভুক্তভোগী হয় দেশের সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ। সেই মানুষদের রক্তের দাগ কি আনু মুহাম্মদদের গায়ে লাগে নাই ? তারা কি কল ফর ব্লাড এর স্লোগান দেন নাই ? আরও আয়রনি হচ্ছে, সেসময় আনু মোহম্মদ, সামিনা লুতফা আর কল্লোল মোস্তফরা তাদের রামপাল অভিমুখে শিডিউল্ড লং মার্চ বন্ধ করে নিজেদের কর্মীদের সুন্দরবন যেতে না দিয়ে শাহবাগের জয়েন করতে বলে । রামপাল সুন্দরবনে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে মিছিল ছেড়ে শাহবাগে যায় তারা। জি শাহবাগে কল ফর ব্লাডের আহবান জানিয়েছিল তারা। সেই রক্তখেকো মানুষগুলা আজ মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে যিনি স...

ট্রাম্প চাচ্ছেন রেগুলেশন আর ট্যাক্স কাট

  ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামে ট্রাম্প কাক্কু কিন্তু জব্বর একটা ভাষণ দিসেন। চলেন উনার ভাষণের সেই অংশ গুলান ডিকোড করি যে গুলান আমাদের কামে লাগতে পারে। ১। ট্রাম্প চাচ্ছেন রেগুলেশন আর ট্যাক্স কাট করে ইউএস ইকোনমিকে সুপারচার্জ করতে। সো, আমেরিকা যখন নিজেদের সিটবেল্ট একটু লুজ করতে চাচ্ছে, তখন আমাদের স্পেশাল ইকোনোমিক জোন (SEZs) গুলান খুব কামে আসবে; অবশ্য যদি আমরা কায়দামত ট্যাক্স ব্রেক আর ফার্স্ট ক্লাস ইনফ্রাস্ট্রাকচার এন্সিউর করতে পারি।🏭 তাছাড়া, আমেরিকায় যখন বায়িং রেট বাড়বে, তখন তাদের সাপ্লাই দিবে কে? আলবাত, বাংলাদেশ! টিশার্ট থেকে হোম ডেকর —আমাজনের শেল্ফে হয়ত আমাদের প্রোডাক্টই ফ্ল্যাশ করবে এবার।💰 আমাদের এক্সপোর্টকে নেটফ্লিক্সের মত ব্র্যান্ডিং করার এইতো সময়। ২। ট্রাম্পের এনার্জি পলিসি হল, ঘরোয়া রিসোর্স ব্যবহার করে খরচ কমাও। কিন্তু এতে বাংলাদেশ কী লাভ? ইউএস এনার্জি টেকনলজি আর ইনফ্রাস্ট্রাকচার দিয়ে আমরা আমাদের এনার্জি সেক্টর আপগ্রেড করতে পারি। এতে 'আদানীয়' সিস্টেমের তুলনায় এফিশিয়েন্সি অনেক বাড়বে আর বিলও বেশ কমবে। উইন উইন কিনা? 🔋 তাছাড়া, আমেরিকা তেল আর গ্যাসে সাঁতার কাটা দেশ। আমরা সেখা...

আধুনিক দৃষ্টিকোণে সান জু'র দ্য আর্ট অব ওয়ার'

  আধুনিক দৃষ্টিকোণে সান জু'র দ্য আর্ট অব ওয়ার' click above to read the book by Del h khan

আইইএলটিএস পরীক্ষা

  বিদেশে পড়াশোনা করতে অথবা চাকরি করতে কিংবা মাইগ্রেট করতে গেলে আইইএলটিএস দেয়া ছাড়া গতি নাই। ২০২১ সালে আইইএলটিএস পরীক্ষা দিয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার, ২০২২ সালে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ এ। ২০২৩-২৪ সালের কোনো ডাটা আমি খুঁজে পাই নাই এখনও। তবে সংখ্যাটা যে অনেক বেড়েছে তা নিশ্চিত। যাহোক, জনপ্রতি ২০ হাজার টাকা টেস্ট ফি হলে ২০২২ সালে বৃটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশে স্রেফ আইইএলটিএস টেস্ট নিয়ে আয় করেছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা! শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার হলেও আমাদের মত দেশে কুশিক্ষা সস্তা হলেও সুশিক্ষা অত্যন্ত এক্সপেন্সিভ। ধরা যাক, আইইএলটিএস এক কিসিমের সুশিক্ষাই। তাহলে বাস্তবতা হল দেশের ছাত্র সমাজের একটি বড় অংশই এই সুশিক্ষা বঞ্চিত! বিশেষত গ্রামীণ ও নিম্নবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা এই আইইএলটিএস বৈষম্যের শিকার! অবশ্য সর্কার আর শিক্ষা মন্ত্রণালয় চাইলেই কিন্তু খুব সহজে এই সমস্যার একটি বৈষম্য বিরোধী সমাধান করে ফেলতে পারে; যাস্ট একটু প্রো একটিভ আর ইনোভেটিভ হইতে হবে আরকি। 🎯বৃটিশ কাউন্সিল কে বলতে হবে যে, এখন থেকে এসএসসি পরীক্ষার সময় ফোর্থ সাব্জেক্ট হিসেবে বাংলাদেশের সব কলেজ ছাত্রছাত্রী যার যার কলেজে আ...

ইবলিসের দ্বিতীয় কাজ

  ইবলিসের প্রথম কাজটি কী ছিলো? ডিজওবিডিয়েন্স। আমরা সবাই জানি। কিন্তু দ্বিতীয় কাজটা কী ছিলো? ভিকটিম কার্ড! হে আল্লাহ! আমি কি জ্বীনের সর্দার ছিলাম না? আমি কি যথেষ্ট বন্দেগি করি নাই? তাই যদি হয় - হে আল্লাহ তুমি আমাকে কেয়ামত পর্যন্ত ছুটকারা দাও। যা আমি ডিজার্ভ করি না - তা আমাকে দাও কারণ আমি ভিকটিম। খেয়াল করেন যে ইবলিস আল্লাহর কাছে দয়া ভিক্ষা করে না, ক্ষমা ভিক্ষা করে না। সে সুযোগ পেয়েও আল্লাহর কাছে বিনিময় চায় - ট্রেড করতে চায় কারণ সে ভিকটিম। কারণ ইবলিসের পেট ভর্তি হোলো ইগো। সে ভুল করতে চায় - ভুল জাস্টিফাই করতে চায় - এবং সে তার কীর্তির বিনিময় চায়। ইবলিস আসলে তার ইগোর ভিকটিম। আর তা অস্বীকারের মাধ্যমেই সে ইবলিস হয়ে ওঠে। শেখ হাসিনার সারা জীবনের রাজনীতির নির্যাস ইবলিস থেকে অনুপ্রাণিত - খেয়াল করবেন। আমি কি দেশের উন্নতি করি নাই? স্বজন হারানোর ব্যাথা আমি জানি। আমার কি দোষ - আমি তো শুধু আপনাদের ভালো চেয়েছিলাম। কথাগুলো সে কেন বলে? কারণ তার মনে সে ইটার্নাল ভিকটিম। সে পৃথিবীটাকে ৭৫ সালে আটকে রাখতে চায় যখন সে নিজের অপরাধের মুখোমুখি। আর অনন্তকালের আকাঙ্ক্ষা করে যখন সে চুরি করতে চায়, লুট...

সিপি গ্যাং

  আওয়ামী লীগের একটা অনলাইন গালিবাজ গ্রুপ ছিলো। নাম সিপি গ্যাং। হাসিনার উপ প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকনের নেতৃত্বে এই গালিবাজ বাহিনী তৈরি হইছিলো। এরা আওয়ামী বলয়ে থাকা বামদের ব্যাপারে ছিলো খড়্গহস্ত। আমি তখনো সিপিবি করি। কিছু লিখলেই পোষ্টে কুৎসিত গালির বহর নিয়া ঝাপায়ে পড়তো। রেহনুমা আহমেদ এইটা নিয়া একটা বই লিখছিলেন সিপি গ্যাং-এর বেশ্যা ব্যানার নামে। আওয়ামী স্যেকুলার ন্যারেটিভের আশেপাশে যারা ছিলো তাদের আওয়ামী লীগ সম্পর্কে তীব্র বিরাগ আর বিতৃষ্ণা তৈরি করার পিছনে এই সিপি গ্যাং এর একটা ভুমিকা আছে। এই সিপি গ্যাং সলিড এবং কৌর আওয়ামী লীগারদেরকেও ছাড়তো না। অমি পিয়ালকে পর্যন্ত মাফ চাওয়াইতে বাধ্য করছিলো। রাজনীতিতে হুদাই শত্রুতা বাড়াইতে নাই। তাও ব্যক্তির সাথে। এই সিপি গ্যাং রাজনৈতিক দলের সাথে ব্যক্তির শত্রুতা তৈরি করেছিলো। এটাই ছিলো ফ্যাসিবাদের ভ্রুণ। ফ্যাসিবাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমন, বিরুদ্ধ মতের প্রতি সহিংস ও অপপ্রচারমূলক আচরণ, এবং বিরোধীদের হুমকি দিয়ে চুপ করানোর কৌশল। সিপি গ্যাং-এর কার্যক্রমকে এই প্রেক্ষাপটে ফ্যাসিবাদী কৌশলের সাথে তুলনা করা যায়। ফ্যাসিবাদ ও সিপি ...

বিড়াল প্রেমীদের জন্য

  বিড়াল প্রেমীদের জন্য বিড়ালের স্বাস্থ্যরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না যে বিড়ালের মধ্যে একটি ভয়ঙ্কর শ্বাসতন্ত্রের রোগ রয়েছে যাকে আমরা "ফ্লু ভাইরাস" বলে থাকি। এই রোগ সঠিক সময়ে শনাক্ত না করলে বিড়ালের জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে এই রোগ হয়, এর লক্ষণ কী এবং কীভাবে আমরা আমাদের প্রিয় বিড়ালকে এই রোগ থেকে রক্ষা করতে পারি। এই রোগ সাধারণত মৌসুম পরিবর্তনের সময় বিশেষত বর্ষাকাল বা শীতের সময় বেশি দেখা যায়। বিড়ালের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হলে এই ভাইরাস দ্রুত আক্রমণ করতে পারে। প্রধানত দুই প্রজাতির ভাইরাস—ফেলাইন হারপিস ভাইরাস (Feline Herpesvirus-1) এবং ফেলাইন ক্যালিসিভাইরাস (Feline Calicivirus)—এই রোগের জন্য দায়ী। হারপিস ভাইরাস শ্বাসতন্ত্রে সমস্যা তৈরি করে, আর ক্যালিসিভাইরাস মুখের ভিতরে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া অসুস্থ বিড়ালের সংস্পর্শে আসা, দূষিত পরিবেশে থাকা কিংবা অপরিচ্ছন্ন খাবার খাওয়ার ফলে এই ভাইরাস সহজেই ছড়াতে পারে। বিড়ালের ফ্লু বোঝার কিছু স্পষ্ট লক্ষণ রয়েছে। নাক থেকে ঘন স্রাব বের হওয়া, অতিরিক্ত হাঁচি, চোখ লাল হওয়া ও পানি পড়া, মু...