Skip to main content

ট্রাম্প চাচ্ছেন রেগুলেশন আর ট্যাক্স কাট

 


ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামে ট্রাম্প কাক্কু কিন্তু জব্বর একটা ভাষণ দিসেন। চলেন উনার ভাষণের সেই অংশ গুলান ডিকোড করি যে গুলান আমাদের কামে লাগতে পারে।

১। ট্রাম্প চাচ্ছেন রেগুলেশন আর ট্যাক্স কাট করে ইউএস ইকোনমিকে সুপারচার্জ করতে। সো, আমেরিকা যখন নিজেদের সিটবেল্ট একটু লুজ করতে চাচ্ছে, তখন আমাদের স্পেশাল ইকোনোমিক জোন (SEZs) গুলান খুব কামে আসবে; অবশ্য যদি আমরা কায়দামত ট্যাক্স ব্রেক আর ফার্স্ট ক্লাস ইনফ্রাস্ট্রাকচার এন্সিউর করতে পারি।🏭 তাছাড়া, আমেরিকায় যখন বায়িং রেট বাড়বে, তখন তাদের সাপ্লাই দিবে কে? আলবাত, বাংলাদেশ! টিশার্ট থেকে হোম ডেকর —আমাজনের শেল্ফে হয়ত আমাদের প্রোডাক্টই ফ্ল্যাশ করবে এবার।💰 আমাদের এক্সপোর্টকে নেটফ্লিক্সের মত ব্র্যান্ডিং করার এইতো সময়। ২। ট্রাম্পের এনার্জি পলিসি হল, ঘরোয়া রিসোর্স ব্যবহার করে খরচ কমাও। কিন্তু এতে বাংলাদেশ কী লাভ? ইউএস এনার্জি টেকনলজি আর ইনফ্রাস্ট্রাকচার দিয়ে আমরা আমাদের এনার্জি সেক্টর আপগ্রেড করতে পারি। এতে 'আদানীয়' সিস্টেমের তুলনায় এফিশিয়েন্সি অনেক বাড়বে আর বিলও বেশ কমবে। উইন উইন কিনা? 🔋 তাছাড়া, আমেরিকা তেল আর গ্যাসে সাঁতার কাটা দেশ। আমরা সেখান থেকে সস্তা দামে এনার্জি ইম্পোর্ট করে এনার্জি সাপ্লাই স্ট্যাবিলাইজ করতে পারি। অলরেডি এলএনজির একটা চুক্তি কিন্তু ডান! ⛽ ৩। ট্রাম্পের স্বপ্ন- আমেরিকা হবে ম্যানুফেকচারিং সুপারপাওয়ার আর এয়াই এর গ্লোবাল লিডার। বাংলাদেশের স্টার্টআপ আর ডিজিটাল ইকোনমি এখন ফুল স্পিডে। আমেরিকান টেক কোম্পানিগুলোর সাথে পার্টনারশিপ করলে আমাদের ইনোভেশন আর গ্রোথ স্পিড ডাবল হবে। সময় এখন টিকটকের পাশাপাশি টেক স্যাভভি হওয়ার। 🤖 ট্রাম্প চাচ্ছেন “Made in USA”, কিন্তু তাদের লেবার কস্ট অনেক হাই। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ হতে পারে তাদের সাপ্লাই চেইনের ডার্ক হর্স! ৪। ট্যারিফ নিয়ে ট্রাম্প সিরিয়াস। তাই আমাদের ডিপ্লোম্যাসি গেম শক্ত করতে হবে। আমেরিকার সাথে স্ট্রং ট্রেড রিলেশন মেইনটেইন করতে পারলে আমরা ট্যারিফের ঝামেলা এড়াতে পারব। 🤝 তবে, আমেরিকান পলিসি বুঝে আমাদের এক্সপোর্ট মার্কেট এখনই ডাইভারসিফাই করতে হবে। য়ামেরিকার পাশাপাশি ই ইউ, অস্ট্রেলিয়া, বা আফ্রিকার উঠতি মার্কেটেও নজর দেওয়া জরুরি। ট্রাম্পের স্পিচ বাংলাদেশের জন্য একটা রোডম্যাপই বলা চলে, যেখানে ট্রেড এলায়েন্স থেকে টেক কোলাবোরেশন—সব অপরটুনিটিই রেডি। বল এখন আমাদের কোর্টে। যদি উল্ফ ল্যান্ডরে ঠেকায়া রেখে আমগো পলিসি মেকাররা স্মার্ট খেলতে পারে, তাহলে ট্রাম্পের এই স্ট্র্যাটেজি থেকে আমরা বেনিফিটেড হবই; মার্ক মাই ওয়ার্ডস!by del h khan

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...