Skip to main content

Posts

Showing posts from February, 2024

গুয়াতানামোর কারাগারে

  গুয়াতানামোর কারাগারে আমার আন্ডারে ছিল ৭৮০ জন বন্দি, পৃথিবীর ৬ টা দেশ থেকে... তাদের মধ্যে সবচেয়ে ছোটর বয়স ১২ আর সবচেয়ে বড়োর বয়স ৭৭... তাদের মধ্যে যেটা কমন ছিল তা হল তারা শুধু বলেছিল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ.... দেখা হয়নি তাদের মধ্যে কে সালাফি কে হানাফি... শুধু দেখা হয়েছিল মুসলমান কিনা.... তারা ছিল সিম্পলি মুসলিম। আমাদের ট্রেনিং ছিল অসম্পূর্ণ। এই কারাগারে আসার আগে আমাদেরকে এই কারাগার সম্বন্ধে সম্পূর্ণ ধারণা দেওয়া হয়নি। কিন্তু আমাদের সেই অসম্পূর্ণ ট্রেনিং সম্পূর্ণ করে দিয়েছিল কারাগারের মুসলিম বন্দীরা, নিজেরাই.... আর এর কারণ হলো আমরা যদি কোন কিছু ভুল করতাম তাহলে তার দোষটা পড়তো বন্দীর উপর। কোন রক্ষী যদি হ্যান্ডকাপস পড়াতে কোন প্রকার ভুল করত... তাহলে দোষী হলো সেই বন্দি... আমাদের যে কোন ভুলের জন্য দায়ী শুধুমাত্র বন্দীরা....এর অর্থ হল সেই বন্দি জেল থেকে পালাবার প্রচেষ্টা করছিল.... ধরে নেয়া হতো যে সেই বন্দি জেল থেকে পালিয়ে সমুদ্র দিয়ে সাঁতারে আফগানিস্তান পৌঁছে যাবে... আর এর যে ফলাফল কি ভয়ানক! সাথে সাথেই কয়েকজন মানুষ তার ওপর ঝাপিয়ে পড়তো, তাকে মাটির সাথে ভয়ানক ভাবে চেপে ধরা ...

J K LIFESTYLE DIET CHART

 

শত্রুর প্রতি বিনয় ও উদারতা

  ইসলামের বিজয় ইতিহাসের অন্যতম বীরযোদ্ধা ছিলেন সালাউদ্দিন আইয়ুবি। তিনি হাত্তিনের যুদ্ধে খ্রিষ্টানদের সমন্বিত ক্রুসেড বাহিনীকে পরাজিত করেছিলেন। তার এই বিজয় জেরুজালেমকে দ্বিতীয়বারের মতো মুসলিমদের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছিল। দিনটি ছিল ১১৯৩ সালের ৪ মার্চ। জেরুজালেমের শাসক গিদুসিলিয়ন অনুধাবন করেছিলেন খ্রিষ্টানরা যেভাবে দিনের পর দিন মুসলিমদের ওপর অত্যাচার ও বর্বরতা চালিয়েছে, আজ তার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। সালাহউদ্দিন গিদুসিলিয়নের কাছে চিঠি পাঠালেন। চিঠিতে লেখা, ‘একজন রাজা হওয়ার কারণে আপনাকে হত্যা করার কোনো ইচ্ছা আমার নেই। তবে রেনল্ডের ক্ষেত্রে ভিন্ন। তাঁকে তার কর্মফল ভোগ করতে হবে।’ গিদুসিলিয়ন জানতেন, এর আগে খ্রিষ্টানরা সিরিয়া দখল করে একই ধরনের বার্তা মুসলিমদেরও দিয়েছিল। খ্রিষ্টানরা তাদের কথা রাখেনি। তারা নির্বিচার মুসলিমদের হত্যা করেছে। তবে সালাহউদ্দিন তাঁকে আশ্বস্ত করে বললেন, ‘ভয় নেই। আমরা আপনার পূর্বপুরুষদের মতো আচরণ করব না।’ সে সময় ক্রুসেডদের অধীনে অনেক নারী ছিলেন, যাঁরা মুসলিমদের বিজয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। এত দিন খ্রিষ্টানরা যা করেছে, আজ মুসলিমরাও তা–ই করবে তাঁদের সঙ্গে। অনেকেই আত্মহত্যার পথ বে...

এই ভোগান্তির কি কোন শেষ নেই !!

  এই ভোগান্তির কি কোন শেষ নেই !! আজ ০২/০২/২৪ মদিনা থেকে ঢাকা সৌদি Airlines Flight no. SV 798, ভোর পাঁচটায় ঢাকা অবতরন করার কথা, আলহামদুলিল্লাহ্ ১৫ মিনিট আগেই বিমান ল্যান্ড করলো, এবং ১৫ মিনিটের ভেতরেই Immigration পার হয়ে চলে গেলাম পাঁচ নম্বর বেল্টে যেখানে লাগেজের জন্য অনন্ত অপেক্ষা, সৌভাগ্যক্রমে একজন Immigration Officer নাম বদুরুজ্জামান আমার সাথে নিজ উদ্যোগে সাহায্য করতে এলেন, লাগেজ আসতে অনেক দেরী হচ্ছিলো তাই আবার Immigration এর ভেতরে অজু করে ফজরের সালাত আদায় করতে সাহায্য করলেন বদুরুজ্জামান ভাই। এরপর প্রায় দুই ঘন্টা অপেক্ষা করার পর বেল্ট বন্ধ হলো, অনেকেই লাগেজ পান নাই, আমিও না পাওয়াদের দলে, আমরা জানতেই পারলাম না যে লাগেজ আসে নাই, আমরা অপেক্ষা করেই যাচ্ছি সবাই ওমরাহ্ করে এসেছেন সাথে বাচ্চারা আছে অনেক বয়স্করাও আছেন, আমরা অপেক্ষা করেই যাচ্ছি। এরপর যখন দেরী হওয়ার কারন জানতে চাওয়া হল তখন জানা গেলো লাগেজ আর আসবে না, অনেকে জমজমের পানির জন্য অপেক্ষা করেছিলেন পানিও আসে নাই সবচেয়ে বড় কথা হলো এগুলো যে আসবে না সে বিষয়ে কেউ কিছু আমাদের বলে নাই, অসংগতি গুলো নীচে দেয়া হলোঃ 1. অনেকে লাগেজ পেয়...

সম্পর্কের ভাঙন!

  সম্পর্কের ভাঙন! আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে, যারা হয়ত কোন একটা সম্পর্কের ভাঙ্গন সহজে মেনে নিতে পারি না। যতই চেষ্টা করছি মানুষটাকে ভুলে থাকার, ততই তার স্মৃতি গুলো আমাদের তাড়া করে বেড়ায়। কিছু সময় পর দেখা যায় আমরা কীভাবে এই Phase থেকে বের হবো, তা বুঝতে না পেরে Depression বা Anxiety-এর সম্মুখীন হই। তাই, Breakup বা সম্পর্কের ভাঙন থেকে বের হয়ে আসার জন্য কিছু ধাপ Follow করা যেতে পারে। ✅প্রথমত, সম্পর্কটা যে আর নেই, এই সত্যটা আমাদের মেনে নিতে হবে। কোনো সম্পর্ক স্বাভাবিক ভাবে, ঠিকভাবে চলছে না, এটি বুঝতে পারলে আমাদের অবশ্যই সম্পর্কটিকে জোর করে টিকিয়ে রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে। ✅তারপর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে, সকল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া। এটি যতই কষ্টকর হোক না কেন, নিজেকে ভালো রাখার জন্য এটি অতি প্রয়োজনীয় Step। কিছু সময়ের জন্য আমরা ওইসব জায়গাকে Avoid করতে পারি, যে জায়গাগুলো আমাদের তাদের কথা মনে করিয়ে দেয়। ✅আরেকটি উপায় হতে পারে, নিজেকে ক্ষমা করে দেয়া। আমাদের অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, যে Breakup এর পর সিদ্ধান্তটি ঠিক হল কি না! তা নিয়ে অপরাধবোধে ভুগতে থাকি। তাই, এই ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদ...

যে প্রশ্নগুলো করা উচিত নয়!

  যে প্রশ্নগুলো করা উচিত নয়! আমাদের জীবন নিয়ে সমাজের আফসোসের শেষ নেই। বিশেষ করে, বিয়ের পর পরই একটি নব দম্পতির নানা ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে তারা সন্তান কেন নিচ্ছেনা। সংসারে একজন মানুষ ঠিক কি কারণে সন্তান নিচ্ছেনা এটা আমরা জানি না। হতেই পারে সে ব্যক্তিগত জীবনে অনেক ধরনের সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অন্য একজন মানুষের পরিবারে সন্তানের প্রয়োজন আছে কিনা, সেখানে আমার বা আপনার মতামতের কোন অবকাশ নেই। কিন্তু আমাদের সমাজে কিছু না জেনেই অন্যের ব্যক্তিগত ব্যাপার নিয়ে অযাচিত প্রশ্ন করার, কথা বলার রীতি রয়েছে। কেউ গর্ভধারণ করলেও আমরা তাদের উপর নিজেদের মতামত চাপিয়ে দেই। তার ছেলে হবে নাকি মেয়ে হবে এসব নিয়ে কথা বলতে থাকি। আমরা জানি গর্ভধারণ একজন মায়ের জন্য কতটা Struggle এর সময়। জানার পরেও ঐ সময়টাতেও আমরা তাদেরকে আমাদের মতামত শুনিয়ে যাচ্ছি। এখন আপনি হয়ত আফসোস থেকে কথাগুলো বলছেন, কিন্তু আপনার এই আফসোসের কথাই হয়ত সামানের মানুষটার মনোবল ভেঙে দিচ্ছে! আপনি যদি কারো ভালো চান, তাকে বলুন সে জীবনে যা করছে, ভালো করছে। কোনো পরামর্শ লাগলে তা দিয়ে উনাকে সহায়তা করুন। আমাদের মধ্...

গায়ের রং কারো পরিচয় না!

  গায়ের রং কারো পরিচয় না! পরিবারের মাঝে গায়ের রং বা skin tone নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগার গল্প নতুন নয়। গায়ের রং এমন একটি বিষয়, যা নিয়ে আমরা ছোটবেলা থেকেই Struggle করি। বাবা-মায়ের জন্য ও এটা একটা ক্ষতের জায়গা হয়ে দাঁড়ায়, যখন তথা কথিত সমাজ তাদের চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দেয় তাদের সন্তানদের গায়ের রং চাপা বা শ্যামলা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গায়ের রং নিয়ে Insecurity গুলো ছোট মানুষদের মধ্যে দেখা যায়। আমাদের যখন কোন ছেলে বা মেয়ে বলে, তাদের গায়ের রং সুন্দর না, তখন আমরা ৩ টা জিনিস করতে পারি। প্রথমত, আমরা তাদেরকে তাদের মনের কষ্ট গুলো validate করতে দিতে হবে, তারা যেন বুঝে, আমরা তাদের মনের কষ্ট টাকে বুঝতে পারছি, এর মূল্য দিচ্ছি। দ্বিতীয়ত, এই কথাগুলো শোনার মাধ্যমে আপনি তার নেগেটিভ চিন্তা গুলো সরিয়ে দেন নি। সবশেষে আপনি তাকে বলতে পারেন কীভাবে তার গায়ের রং তার সুন্দর মানুষ হওয়ার ক্ষেত্রে কোন প্রভাব ফেলছে না। সে হয়ত অনেক গুণাবলীর অধিকারী, যা তাকে অন্য মানুষ থেকে আলাদা করে। আমাদের জানতে হবে, গায়ের রং যেমনি হোক, নিজেকে ভালোবাসতে হবে। এই গায়ের রং নিয়ে কথা বলে যেন আমরা আজকে থেকে কাউকে কষ্টটা না দেই সেটাও খেয়াল ...

বর্তমান সম্পর্কে অতীত চলে আসছে কি?

  বর্তমান সম্পর্কে অতীত চলে আসছে কি? আমাদের জীবন কিন্তু চলছে বর্তমানেই, যেখানে অতীত আমাদের জীবনের একটি অংশ। অতীতে আমাদের করা ভুলগুলো থেকে বর্তমান জীবনে শিক্ষা নিতে হয়। কিন্তু আমাদের মাঝে এমন অনেকেই আছেন যারা Present Time থেকে বার বার অতীতে ফিরে যান এবং অতীতের বিষয়গুলো বার বার তুলে এনে ঝগড়া করতে থাকেন, Blame করেন, যা অনেক সময় Domestic Violence এর দিকেও চলে যায়, এবং পরবর্তীতে সম্পর্ককে স্থায়ীভাবে নষ্ট করে দেয়। সম্পর্ক ভালো রাখাটা কোন নির্দিষ্ট একটি Gender-এর মানুষের দায়িত্ব নয়, বরং এই দায়িত্ব আমাদের সবারই, সকলেরই উচিত সম্পর্কের প্রতি যত্নশীল হওয়া। তাই আমাদের অতীত থেকে শিক্ষা নিতে হবে অবশ্যই, যাতে আগের ভুলগুলো Repeat না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে, নিজেদের মাঝে Understanding বাড়াতে হবে। মনে রাখতে হবে, আমরা কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নই। এছাড়াও, আমরা এটি নিয়ে আমাদের পার্টনারের সাথে বসে খোলাখুলি ভাবে আলোচনা করতে পারি, কীভাবে একটি সমাধানের দিকে যাওয়া যায় তা নিয়ে ঠান্ডা মাথায় কথা বলতে পারি। যদি কখনো মনে হয় এতেও কোন Solution হচ্ছে না, তখন আমরা অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নিতে পারি। মানসিক চাপ কমাতে Re...

মন খারাপের চক্র!

  মন খারাপের চক্র! অনেকে অনেক সময় বলে থাকে, আমার ইদানীং কিছু ভালো লাগে না, সবসময় মন খারাপ লাগে, কিছুই করতে ইচ্ছা করে না। এবং এর ফলে দেখা যায় যে, তারা আস্তে আস্তে নিজেদেরকে সবকিছু থেকে গুটিয়ে ফেলে। তারা বাইরে যাওয়া বন্ধ করে দেয়, কোন কাজে নিজেকে Involve করে না, যার কারণে হয়ত তার অনেক কাজ ও জমে যাচ্ছে, কিন্তু এই Constant মন খারাপের ফলে তাদের কোন কাজও ঠিক মত করা হয়ে উঠে না। যদি আমরা একটু চিন্তা করে দেখি, আমরা আসলে এই মন খারাপ ঠিক করার জন্য কি করছি? এক্ষেত্রে যেটা হয়, এই মন খারাপের জন্য যেই ভালো লাগার কাজ আমরা আগে করতাম, তা থেকে নিজেদেরকে সরিয়ে ফেলি, আবার এই ভালো লাগার কাজগুলো থেকে নিজেদেরকে সরিয়ে ফেলার ফলে দেখা যায় মন খারাপ কমার বদলে বেড়ে যায়। অর্থাৎ এটি একটি চক্রের মতো। আপনার মন খারাপ দেখেই আপনি ভালো লাগার কোন কাজ করছেন না, আবার আপনি কোন ভালো লাগার কাজ করছেন না দেখেই কিন্তু আপনার মন খারাপ। এই চক্রটা ধীরে ধীরে আমাদের মানসিক শান্তি ও শক্তিকে গ্রাস করতে থাকে। তাই মন খারাপ থেকে বের হয়ে আসতে আমাদেরকে এই চক্রটা আগে ভাঙতে হবে। এছাড়াও, মন খারাপের চক্র ভাঙ্গতে হলে আমাদের ধীরে ধীরে আমাদের শখ...

কর্মক্ষেত্র এবং মানসিক স্বাস্থ্য!

  কর্মক্ষেত্র এবং মানসিক স্বাস্থ্য! সামগ্রিক উন্নয়ন, জীবিকা নির্বাহের জন্যই আমরা প্রায় সবাই কোন না কোন পেশায় কোথাও না কোথাও Professional Work-এর সাথে যুক্ত আছি। আমাদের Profession আমাদের Passion হোক বা না হোক, আমরা কিন্তু সবসময়েই আমাদের কাজে Full Potential দিতে চাই, আমাদের Full Productivity-টা দেখাতে চাই। আমরা সবাই কম বেশি সপ্তাহে ৫-৬ দিন এবং প্রতিদিনে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় আমাদের Workplace-এ দিচ্ছি। Workpalce-এর একটি অনেক বড় প্রভাব কিন্তু আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর আছে। যখন আমরা Mentally Healthy, তখন আমাদের কাজের উপর যেমন একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়ে, তেমনি আমরা যখন Mentally Disturbed বা Stressed তখন এর একটি বড় প্রভাব আমাদের Working Ability-র উপর পড়ে এবং আমাদের Workplace-এর উপরেও পড়ে। অনেক সময় দেখা যায়, আমাদের এই Unhealthy Mental State দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে তা আমাদের কোন বড় ধরনের মানসিক অসুস্থতার দিকে ঠেলে দিতে পারে। তাই, কোন ধরনের Mental Distress থেকে থাকলে অবশ্যই তা Ignore না করে অবস্থা বুঝে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে বা অভিজ্ঞ কারো শরণাপন্ন হতে হবে। মানসিক রোগের লক্ষণ! আমাদের...

ডিপ্রেশনের লক্ষণগুলো কী?

  ডিপ্রেশনের লক্ষণগুলো কী? ডিপ্রেশন এমন একটি শব্দ, যা আমরা প্রতিনিয়তই এখন শুনে থাকি এবং ব্যবহার করে থাকি। কারো ঘন ঘন মন খারাপ হচ্ছে বা কিছু ভালো লাগছে না বলেই কিন্তু সে Depression-এ আছে, এই কথা আমরা বলতে পারি না। ডিপ্রেশন Term-টি কিন্তু Sad এর প্রতিশব্দ নয়। কিছু উল্লেখযোগ্য লক্ষণ রয়েছে যা দেখে আমরা Detect করতে পারি কেউ Depression-এ আছে কি না! ✅ প্রথমত, ডিপ্রেশনে ভুগতে থাকা একজন মানুষ প্রায় প্রতিদিনই Helpless বা Hopeless Feelings নিয়ে থাকবে। তার কোন কাজের প্রতি আগ্রহ আসবে না, সবসময়েই কাজের প্রতি অনিচ্ছা থাকবে। নিজের যত রকমের পছন্দের কাজ রয়েছে, তা ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয়া। একটা সময় পরে কাজগুলো একদমই না করা হল ডিপ্রেশনের মারাত্মক লক্ষণ। ✅ দ্বিতীয়ত, কোন কারণ ছাড়াই দেহের ওজন বেড়ে যায় বা কমে যায়। কারো কারো ক্ষেত্রে খাবার খাওয়ার পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে যায়, ঘুম অনেক কমে যায় অথবা বেড়ে যায়। ✅ তৃতীয়ত, Depression এর একটি প্রধান লক্ষণ হচ্ছে অস্থিরতা। সে সারাক্ষণ অস্থির থাকে, যা দেখেও বোঝা যায় সে অবসাদ্গ্রস্থ কি না! এরা খুব সহজেই মেজাজ হারিয়ে ফেলে। এছাড়াও, তাদের কাজের গতি কমে আসে, মনোযোগ হারাত...

Eating Disorder আছে কি না বুঝবো কীভাবে?

  Eating Disorder আছে কি না বুঝবো কীভাবে? আমাদের বর্তমান সমাজে Eating Disorder-এ ভুগছে এমন মানুষের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এর মাঝে অনেকেই আছেন যারা হয়ত জানেই না যে তারা Eating Disorder-এ ভুগছেন। কিছু জিনিস খেয়াল করলেই আমরা বুঝতে পারবো যে কেউ Eating Disorder এর দিকে ধাবিত হচ্ছে কি না! ✅ প্রথমত, যে এই ডিসঅর্ডারে ভুগে, তার ওজন তার বয়স অনুযায়ী ঠিক থাকলেও, তার সর্বদাই মনে হতে থাকে ‘আমার ওজন বেশি, আমাকে ওজন কমাতে হবে’। এই ধারণা থেকে সে ক্যালোরি Intake কম করে এবং খাওয়ার পর Induce Vomiting করার চেষ্টা করে, অর্থাৎ জোর করে বমি করে। অনেক সময় সে অতিরিক্ত ব্যায়াম করাও শুরু করে। ✅ দ্বিতীয়ত, পরিপূর্ণ পুষ্টির অভাবে সে যে একটা Serious Condition-এ চলে যাচ্ছে, এটি সে একেবারেই বুঝতে পারে না। এছাড়াও, ওজন অনেক কমানোর পরেও তার সবসময় মনে হতে থাকবে সে মোটা হয়ে যাচ্ছে, তার ওজন বেড়ে যাচ্ছে। তার মধ্যে প্রচণ্ড ভয় কাজ করতে থাকবে এবং তার ওজন খুব দ্রুত কমতে থাকে। এই পর্যায়ে ভুক্তভোগী মানুষের পরিবারের বা আশেপাশের মানুষদের অবশ্যই প্রয়োজনীয় Step নিতে হবে এবং অবস্থা বুঝে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করত...

মানুষের ভিড়ে অস্বস্তি লাগা!

  মানুষের ভিড়ে অস্বস্তি লাগা! ধরা যাক, এমন একটি Scenario যেখানে আপনাকে একটি Public Speech দিতে হবে বা ক্লাসে সবার সামনে কোন Presentation দিতে হবে। আপনি যথেষ্ট প্রস্তুতি নেয়ার পরেও, স্পিচটা দেয়ার আগে আপনার হাত-পা কাঁপতে শুরু করলো, অসম্ভব বুক ধড়ফড় করতে লাগলো, শরীর ঘামাতে লাগলো। যখন আপনি স্পিচ দিতে সামনে এগিয়ে গেলেন, তখন আপনার মনে হতে লাগলো, এই বুঝি মানুষ আপনাকে নিয়ে কোন বাজে কথা বলছে বা আপনার কোন খুঁত দেখে ফেলছে। আপনি কিছু বললেই তা নিয়ে সবাই হাসাহাসি করবে। উপরের এই দৃশ্যটি একটি Social Anxiety-তে ভুগতে থাকা মানুষের জন্য অত্যন্ত কমন একটি ঘটনা। তাদের জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই তারা এর কারণে বাধাগ্রস্ত হন। সারাক্ষণ তাদের মনে মানুষের Negative Evaluation-এর ভয় কাজ করে, যার ফলে তারা জানা কাজেও অনেক সময় পিছিয়ে পড়ে। ট্রমা থেকে মানসিক বিপর্যস্ততা! Trauma এমন একটি জিনিস, যা আমাদের পরবর্তী জীবনকে ভীষণ ভাবে প্রভাবিত করে থাকে। আমরা হয়ত কখনও ভেবে দেখি না, যে আমাদের প্রতিদিনকার Trauma গুলো আমাদের একটু একটু করে কীভাবে পরিবর্তন করে দিচ্ছে। দৈনন্দিন জীবনে আমাদের বিভিন্ন রকমের Trauma-র সম্মুখীন হতে হয়...

‘অখণ্ড ভারত’ বয়ান

  ১ নতুন স্কুল কারিকুলামে,৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তকে, ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান গ্রন্থে যে ইতিহাস লেখা হয়েছে তা ‘অখণ্ড ভারত’ বয়ানকে ভিত্তি ধরে লেখা হয়েছে।খুবই কৌশলে লেখা হলেও বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাসের নূন্যতম ধারণা যাদের রয়েছে তারা বিষয়টি ধরে ফেলতে পারবেন। এ বয়ানের জনক হলেন বিনায়ক দামোদর সাভারকার (১৮৮৩-১৯৬৬)। যাকে ‘হিন্দু ইতিহাস তত্ত্বের' জনক হিসেবে অভিহিত করা হয়। এটা জ্ঞানচর্চার মহলে ‘হিন্দুত্ব’ (Hinduttva) কিংবা ‘হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলন’ হিসেবেও পরিচিত। ‘অখণ্ড ভারত’ বা ‘হিন্দুত্ব’ (Hinduttva) হলো হিন্দু ধর্মাবলম্বী ও ভূগোল ভিত্তিক একটি রাজনৈতিক মতবাদ যার মূল কথা, দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহ (ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও আফগানিস্থান) একটি অখণ্ড প্রাচীন ভূখণ্ড বা ভারতবর্ষ যা হিন্দুদের পবিত্র ভূমি ও হিন্দু সভ্যতার সূতিকাগার। এই বয়ান প্রতিষ্ঠিত করতে চায়, মুসলমানদের (মুসলিম লীগ) সঙ্গে খ্রিষ্টানদের (ব্রিটিশ) আঁতাত ও ভারতীয় কংগ্রেসের আপোষকামীতার ফলে ১৯৪৭ সালে এই ভূখণ্ড খণ্ডিত হয়ে গেছে। বর্তমান যে ভারত তা ‘খণ্ডিত’। ধাপে ধাপে এ...