গায়ের রং কারো পরিচয় না! পরিবারের মাঝে গায়ের রং বা skin tone নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগার গল্প নতুন নয়। গায়ের রং এমন একটি বিষয়, যা নিয়ে আমরা ছোটবেলা থেকেই Struggle করি। বাবা-মায়ের জন্য ও এটা একটা ক্ষতের জায়গা হয়ে দাঁড়ায়, যখন তথা কথিত সমাজ তাদের চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দেয় তাদের সন্তানদের গায়ের রং চাপা বা শ্যামলা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গায়ের রং নিয়ে Insecurity গুলো ছোট মানুষদের মধ্যে দেখা যায়। আমাদের যখন কোন ছেলে বা মেয়ে বলে, তাদের গায়ের রং সুন্দর না, তখন আমরা ৩ টা জিনিস করতে পারি। প্রথমত, আমরা তাদেরকে তাদের মনের কষ্ট গুলো validate করতে দিতে হবে, তারা যেন বুঝে, আমরা তাদের মনের কষ্ট টাকে বুঝতে পারছি, এর মূল্য দিচ্ছি। দ্বিতীয়ত, এই কথাগুলো শোনার মাধ্যমে আপনি তার নেগেটিভ চিন্তা গুলো সরিয়ে দেন নি। সবশেষে আপনি তাকে বলতে পারেন কীভাবে তার গায়ের রং তার সুন্দর মানুষ হওয়ার ক্ষেত্রে কোন প্রভাব ফেলছে না। সে হয়ত অনেক গুণাবলীর অধিকারী, যা তাকে অন্য মানুষ থেকে আলাদা করে। আমাদের জানতে হবে, গায়ের রং যেমনি হোক, নিজেকে ভালোবাসতে হবে। এই গায়ের রং নিয়ে কথা বলে যেন আমরা আজকে থেকে কাউকে কষ্টটা না দেই সেটাও খেয়াল রাখতে হবে।
শিশুদের দায়িত্বশীলতা?
সন্তানদের বাবা-মা হিসেবে আমাদের সবারই একটা চাওয়া থাকে, আমরা বাচ্চাদের জন্য সবকিছু নিজে করে দিতে চাই। অনেক ক্ষেত্রে হয়ত আমরা অনেক কাজ করেও দেই। এখানে আমাদের একটা সীমারেখা টেনে দেয়া খুবই জরুরি, যেখানে শিশুর জন্য কতটুকু আমরা করবো, আর কোন কাজটি শিশুকে নিজে করার জন্য ছেড়ে দিবো তা Decide করতে হবে।
বেশ কিছু Parental Theory অনুযায়ী, আমাদের একটা নির্দিষ্ট সময় পর বাচ্চাদের কিছু ছোট ছোট কাজ করতে দিতে হয়, যেমনঃ জুতার ফিতা বাঁধা, জামার বোতাম লাগানো, নিজের হাতে ধরে কোন খাবার খাওয়া বা কাজ করা ইত্যাদি। এগুলো কিন্তু খুব ছোট ছোট কাজ, কিন্তু অনেক সময়েই দেখা যায়, আমরা এই ছোট কাজগুলোই শিশুদের করতে দিতে চাই না, বড় বড় কাজ তো দূরের কথা। আবার কোনো কোন দৃশ্যপটে আমরা দেখি, বাচ্চা যদি ভালো ছাত্র বা ছাত্রী হয়, তখন আমরা তাদের কোন Social Skills-এর ধারে ও ঘেঁষতে দেই না, তার একমাত্র কাজ তখন হয়ে যায় পড়াশুনা। আমাদের এই Parenting Strategy-টাই অত্যন্ত ভুল একটি Strategy।
সমস্ত Parental Theories-এর কথা ঘুরে ফিরে এটাই বলে, যে আমরা যদি আমাদের সন্তানদের কাজ অতিরিক্ত মাত্রায় করে দিতে থাকি, তাহলে এটাই তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের আত্মবিশ্বাস, আত্মনির্ভরতা নষ্ট হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, এবং তারা ধীরে ধীরে পরনির্ভরশীল হতে শিখে।
ভয় দূর করবো কীভাবে?
সাধারণত Specific Phobia ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের ক্ষেত্রে বেশি পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। দেখা যায় মেয়েদের মধ্যে শতকরা ১৭% এই Specific Phobia তে কখনো না কখনো আক্রান্ত হয়ে থাকেন। অন্যদিকে ৭% ছেলে তাদের জীবদ্দশায় কখনো না কখনো এই Phobia-তে ভুগে থাকেন। তবে সাধারণত, বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই রোগটি বেশি হতে দেখা যায়।
Specific Phobia একটি মানসিক রোগ, যার মধ্যে ধরণ রয়েছে। কিছু নির্দিষ্ট ধরনের বস্তুর বিপরীতে এই Phobia হয়ে থাকে। প্রথমত, যেকোনো পোকা মাকড়, জীব-জন্তু বা কীট পতঙ্গের প্রতি এই ভয় কাজ করতে পারে। যেমন: কারো কারো ক্ষেত্রে মাকড়সা, তেলাপোকা, সাপ ইত্যাদির প্রতি ভয় কাজ করে থাকে। এছাড়াও, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বজ্রপাত, ঝড়বৃষ্টি এই সকল ব্যাপারেও কেউ কেউ ভয় পেয়ে থাকেন, অস্থিরতার মধ্য দিয়েও যান।
এরপর আসে রক্ত বা ইঞ্জেকশনের ভয়, যা অনেকেরই হয়ে থাকে। রক্ত দেখলেই তারা অস্থির হয়ে পড়েন বা কিছু কিছুক্ষেত্রে ব্যক্তি প্যানিক অ্যাটাকের সম্মুখীনও হন। এছাড়াও, Specific Phobia আরও অনেক বিষয়ে কাজ করে থাকে। যেমন, উঁচু স্থান থেকে নিচের দিকে তাকালে অনেকে ভয় পান, যাকে আমরা উচ্চতা ভীতি বা Height Phobia বলে থাকি। আবার কিছু মানুষ দাঁতের চিকিৎসার ক্ষেত্রে বা পরীক্ষার ক্ষেত্রেও ভীতি কাজ করে, যা Specific Phobia-র অন্তর্ভুক্ত।
বারবার হেরে যাচ্ছি কেন?
The only way we can function as a family, as a society, as a community is by embracing our vulnerability. আমাদের সুখে থাকার জন্য, প্রশান্তির জন্য অসম্ভব জরুরি একটা ব্যাপার হচ্ছে এই Embracing Vulnerability, আমরা যখন আমাদের Vulnerability বা দুর্বলতাকে মেনে নিই, নিজের মধ্যে আত্মসন্তুষ্টি আনতে পারি, তখনই আমরা আমাদের জীবন-যাপন সহজ করে তুলতে পারি।
সমাজ আমাদের এমনভাবে তৈরি করে যেখানে আমরা কোন কিছুতেই সন্তুষ্ট হতে পারি না। আমাদের সর্বদাই মনে হতে থাকে আমরা কোন কিছুর অভাবে আছি। এই ধারণাটাই আমাদের জন্য ক্ষতিকর।
ব্যাপারটা এমন নয় যে আমরা কখনোই অবস্থান উন্নতির চেষ্টা করবো না, তবে আমাদের বর্তমান অবস্থা নিয়েও আমাদের মধ্যে Satisfaction আনতে হবে, বেশী বেশি কৃতজ্ঞতার চর্চা করতে হবে, যাতে পরবর্তী সময়ে আমরা আমাদের অর্জনগুলোকে যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারি। নিজের অর্জনকে গুরুত্ব দিতে হবে, নিজের অবস্থানকে সম্মান করতে হবে। এভাবেই আমরা আত্ম উন্নয়নে সক্ষম হবো।

Comments
Post a Comment