Skip to main content

Posts

Showing posts from July, 2022

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ...

  🟥 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রাতের আঁধারে ক্যাম্পাসেই একটা মেয়ে শিক্ষার্থীকে বিবস্ত্র কইরা তার ভিডিও ধারণ করা হলো। তার মুঠোফোন নিয়া নিলো, টাকা নিলো এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হলো। কাজটা কে করলো? রিকশাওয়ালা? কোনো টোকাই? বস্তির পোলাপান? নাহ। কাজটা বিশ্ববিদ্যালয়েরই পাঁচজন শিক্ষার্থীর। ক্যান ইউ ইমাজিন দ্যাট? মজার ব্যাপার হইলো, মেয়েটা যখন কর্তৃপক্ষের কাছে বিচার দিতে গেলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল মেয়েটারে বাঁধা দেয়। A powerfull Ass! 'পড়ালেখা কইরা মানুষ হ বাপ' বাপ-দাদাদের এই আশীর্বাদ একটা ভুয়া নীতিকথা। পড়ালেখা করি আমরা মানুষ হওয়ার জন্য না,জাস্ট লাইফরে একটা ইজি ওয়েতে নিয়ে এসে টাকা কামানোর ধান্ধার জন্য । মানুষ হওয়ার বৈধতা কোথায় আসলে ? হাভার্ডে? মসজিদে? মন্দিরে না চার্চে? নাহ! কোথাও না। 🟩 দু'চারদিন আগে একজন রিকশাওয়ালা তার যাত্রীরে ধর্ষণ হতে দেখে ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশের সহায়তা চান। পুলিশ আইসা শেষমেষ ধর্ষণকারীদের গ্রেফতার করে। এখন আপনি মানুষ বলবেন কারে, রিকশাওয়ালারে না ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের? মানুষের জন্ম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হয়...

বন্ধু নির্বাচনে সতর্ক হোন

  ১৯৩৭ সালে চেলসি বনাম চার্লটনের ম্যাচের।ঘন কুয়াশার কারণে রেফারি মাঝপথে খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন।সবাই ড্রেসিং রুমে ফিরে যায়।গোলরক্ষক স্যাম বাট্রাম রয়ে যান গোল পাহারায়।কুয়াশা যত বাড়ছে-তার সতর্কতাও তত বেশি বাড়ছে।পেছনে মানুষের কোলাহলে তিনি শুনতে পাননি রেফারির খেলা সমাপ্তির বাঁশী।অনেকক্ষণ পর- মাঠের একজন নিরাপত্তা কর্মী এসে তাঁকে জানায় ম্যাচটি প্রায় পনের মিনিট আগেই শেষ হয়ে গেছে। স্যাম বাট্রাম বলেন- না এটা হতে পারেনা।আমি বিশ্বাস করিনা।খেলা শেষ হয়ে গেলে বন্ধুরা অবশ্যই আমাকে বলতো।আমাকে মাঠে একা রেখে ওরা চলে যেতোনা।একজন মানুষও কি ছিলোনা-যে আমার খোঁজ করবে। এরপর,সত্যি যখন বুঝলেন-আসলেই খেলা শেষ হয়ে গেছে। তখন,স্যাম গভীর এক দুঃখ পেলেন।খেলা শেষ হওয়ার জন্য না। বরং বন্ধুরা যে সত্যিই তাকে না জানিয়ে চলে গেছে সে জন্য। যাদের জন্য তিনিগোল পাহারায় দাঁড়িয়ে ছিলেন- তারা সবাই চলে গেলো। কেউ তার কথা একটিবার মনেও রাখলোনা। জীবনটাও বুঝি এমনি একখেলার মাঠ। যেখানে সময় দিয়ে, সামর্থ্য দিয়ে যাদের জন্য ডিফেন্ড করে প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়ে সাপোর্ট করে- সামান্য কুয়াশার পরিস্থিতিতে তারাই এভাবে সব কিছু ভুলে চলে যায়। বন...

ইন্টারভিউ বোর্ডে একটা ছেলে

  একটা ছেলেকে ইন্টারভিউ বোর্ডে জিজ্ঞেস করা হলো , আচ্ছা বলো দেখি তোমার একটা পজিটিভ দিকের কথা যেটা দিয়ে তুমি আমাদের ইম্প্রেস করতে পারো । ছেলেটা একটু ভেবে নিয়ে উত্তর দিলো , স্যার আমার সিভির দিকে তাকালে দেখবেন আমার রেজাল্ট খুব একটা ভালো না । এরপরেও ৯৫ জন কে টপকে রিটেন এক্সামে ১ম হয়ে আপনাদের সামনে বসে ভাইভা দিচ্ছি স্যার । এইটাই আমার সব থেকে পজিটিভ দিক । বোর্ড থেকে উত্তর এলো ,এটা কি করে পজিটিভ দিক হয় ? ব্যাখ্যা করো তো !! ছেলেটার উত্তর , স্যার আমার সাথে বুয়েটের একটা ছেলে এক্সাম দিতে এসেছে । কথা বলে জেনেছি সে বুয়েটের থার্ড বয় । আমার সাথে ঢাবির একটা ছেলেও এক্সাম দিতে এসেছে । আমি স্যার ঢাবিতে পড়ে পারি নাই । বুয়েটে যাওয়ার তো কপালই হয় নাই । মানুষের অনেক কথাই শুনেছি আমি । এতোকিছু শোনার পরেও নিজেকে তৈরি করে আজকে এই জায়গায় আসছি স্যার । রিটেনে টিকে যাওয়ায় আপনারা আমাকে ডেকেছেন । নইলে ডাকতেন না । স্যার ,আমি মনে করি এইটাই আমার সব থেকে পজিটিভ দিক । আমি ফাইট করতে জানি । হারতে জানি না । আমি জানি এইখানে আমার চাকুরী না হলেও আরেকটা জায়গায় আমি ঠিক চাকুরী জুটিয়ে নিতে পারবো । বোর্ড তার এটিচিউডে ইম্প্রেস হয়েছি...

প্রাণীটির নাম ঘোড়া

  পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর সাপের কামড়ে হাতি মারা যায়, কিন্তু একটা প্রাণী মরে না। প্রাণীটির নাম ঘোড়া। সাপের কামড়ে কোনদিন ঘোড়া মরে না। তিনদিন অসুস্থ থাকে। তারপর সুস্থ হয়ে যায়। আর এই ঘোড়া থেকে আসে দুনিয়ার সব সাপের বিষের প্রতিষেধক anti venom কোনএকটি সাপ, ধরেন কিং কোবরা’র anti venom তৈরি করতে হলে যা করা লাগে তা হল, ওই সাপের বিষ ঘোড়ার শরীরে ঢুকিয়ে দিতে হয়। একগাঁদি পরিমাণ ঢুকালেও সমস্যা নেই। ঘোড়ার কিছু হবে না। কিছু হবে না বলতে, ঘোড়া মরবে না। ঘোড়া তিনদিন অসুস্থ থাকবে। এরপর সুস্থ হয়ে যাবে। এই তিনদিনে ঘোড়ার রক্তে ওই সাপের বিষের anti venom তৈরি হয়ে গেছে। এবার ঘোড়ার শরীর থেকে কিছু পরিমাণ রক্ত নিয়ে তার লাল অংশ আলাদা করা হয়। সাদা অংশ অর্থাৎ ম্যাট্রিক্স থেকে অ্যান্টি ভেনাম আলাদা করা হয়। এরপর তা প্রক্রিয়াজাত করে বাজারে পাঠানো হয়। মানুষ’কে সাপে কামড়া’লে ডাইরেক্ট ইনজেকশন দিয়ে পুশ করা হয়। খোদ ইন্ডিয়াতে গাদা গাদা অ্যান্টি ভেনাম প্রস্তুতকারক কোম্পানি আছে। পালের পর পাল ঘোড়া তাদের মূল সম্বল। ঘোড়া না থাকলে সাপের কামড় খেয়ে মানুষের আর বাঁচা লাগত না। এক ছোবলে ডাইরেক্ট উপরে। ...

অভাবের রহস্য

  আমার এক বন্ধু বিশাল শিল্পপতি। ১০ টার উপর ফ্যাক্টরি, শত কোটি টাকার উপর ব্যাংক লোন। এক মুহূর্তের জন্য শান্তি নেই। সারাদিন ব্যাস্ত দুনিয়ার পেছনে। একদিন তাঁর অফিসে বসে গল্প করছিলাম, এমন সময় তাঁর এক কর্মচারী আসল। তার কোন কারণে কিছু টাকার দরকার। সে ইনিয়ে বিনিয়ে বলল, সে অত্যন্ত অভাবি ব্যক্তি, তাঁকে সাহায্য করার জন্য। আমার বন্ধু হেসে বলল ''যদি অভাবের কথাই বলতে হয়, এই পুরো অফিসে আমার চেয়ে অভাবি আর কেউ নেই। আমরা একটু থতমত হয়ে গেলাম। আমি বললাম 'আমাদের সবার মিলিয়ে যত সম্পদ আছে তোর একারই তার বেশি আছে।' সে বলল তোদের একটা গল্প শুনাই। তাহলেই আমার অভাবের রহস্য বুঝবি। এক বিশাল ব্যবসায়ি, তাঁর সবই আছে খালি শান্তি নেই। খালি হাহাকার আর টেনশান। চিন্তায় মাথার চুল একটাও বাকি নেই। সে একদিন দেখল তাঁর অফিসের পিয়ন টেবিল মুছছে আর গুনগুন করে গান গাচ্ছে। সে পিয়নকে দেকে বলল এই যে তুমি মনে মনে গান গাও, তোমার কি অনেক সুখ, তোমার মনে কি কোন দুঃখ নেই, কোন হতাশা নেই?। পিয়ন বলে না, হতাশা কেন থাকবে স্যার, আপনি যা বেতন দেন তাদিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমার ভালই চলে যায়। আল্লাহর রহমতে কোন অভাব নেই। ব্যবসাইতো আরো ...

রাসুলুল্লাহ (সা.)-ও তাঁর উটনি কাসওয়া

  রাসুল (সা.)-এর জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে কাসওয়া নামে একটি উটের নাম। যে উটনি রাসুল (সা.)-কে বহন করার সম্মান অর্জন করেছে। নিম্নে সেই কাসওয়ার কাহিনি তুলে ধরা হলো— নামকরণ : রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর উটনিকে ‘কাসওয়া’ বলে সম্বোধন করতেন। কাসওয়া আরবি শব্দ অর্থ—এমন উটনি, যার নাকের বা কানের কিছু অংশ কাটা। আরবি পরিভাষায় কাসওয়া বলা হয় এমন উট বা উটনিকে, যাকে তার মালিক কষ্ট বা কাজ থেকে দূরে রেখেছে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-ও তাঁর উটনিকে যাবতীয় কাজকর্ম থেকে দূরে রেখেছিলেন। এই উটনি রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে হিজরত, হুদায়বিয়ার সন্ধি, মক্কা বিজয় ও বিদায় হজের ভাষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী ছিল। হিজরতের বাহন কাসওয়া : এই কাসওয়ার ওপর আরোহণ করে নবী (সা.) মদিনায় হিজরত করেন। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আবু বকর (রা.) হিজরতের জন্য দুটি উটনি কিনেছিলেন। রাসুল (সা.) হিজরতের সময় আবু বকর (রা.) থেকে একটি বাহন (উটনি) কিনে নিয়েছিলেন। ’ এই উটনি কাসওয়া নামে পরিচিত। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৬৯৪) আল্লাহর নির্দেশপ্রাপ্ত উটনি : হিজরতের পর রাসুল (সা.) মদিনায় পৌঁছলে রাসুল (সা.)-কে অতিথি হিসেবে পেতে সবাই আগ্রহ পেশ করল। প্রত্যেকে চাইল রাসুল (সা.) য...

ভালো লাগা

  আমাদের কত সময়ে, কত কিছু ভালো লাগে, কত মানুষকে ভালো লাগে, তাই না? ভালো লাগা একটি তাৎক্ষণিক অনুভূতি, অনেক সময়ে আমাদের অনেকেই জিজ্ঞেস করে বসে - এত মানুষ থাকতে তোমাকে কেনো একেই ভালো লাগে!? কখনো আমাদের এর উত্তর জানা থাকে, কখনো হয়তোবা জানাও থাকে না! ভালোলাগা যখন দীর্ঘমেয়াদি একটি অনুভূতিতে রূপ নেয়, তখনই আমরা একে বলি ভালোবাসা। অনেকে বলে থাকেন, ভালোলাগায় শর্ত থাকে, কিন্তু ভালোবাসায় থাকে না। আসলেই কি তাই? নিঃস্বার্থ ভালোবাসা বলে আসলেই কি কিছু আছে? বাস্তবিক ভাবে আমাদের জীবনে কোনো সম্পর্কই নিঃস্বার্থ নয় ! যেকোনো সম্পর্ক থেকে আমাদের চাওয়া পাওয়া থাকে, ফলে যুক্ত হয় অভিযোগ-আফসোস এবং অপূর্ণতার হতাশা! আর যদি জিজ্ঞেস করা হয়, আমাদের সবার জীবনের মূল উদ্দেশ্যটি কি? - সম্ভবত উত্তরটি হবে - 'ভালো থাকা।' আমরা সবাই ভালো থাকতে চাই; কখনো ভালোবাসার মানুষের সাথে, অথবা তাকে ছাড়া। কখনো কখনো মনে হতে থাকে আসলে এই মানুষটিকে ছাড়া আমি কীভাবে বেঁচে থাকব!? কিন্তু বিশ্বাস করুন, মানুষ বেঁচে থাকতে পারে! সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা আর অক্সিজেন ব্যতীত কোন কিছুই এমন নেই, যা ছাড়া মানুষ বেঁচে থাকতে পারে না! কখনো কখ...

এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা

  এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। ফ্লেমিং স্যার বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি লোক বেঁচে যাবে। অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবেনা। তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।'' : এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় "এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স''। : ধরি, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে। এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক। খেলাম আমি ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আমি সুস্থ হয়ে গেলাম। ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেলো। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করলো নিজেরা নিজেরা। : তারা ভাবলো, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। অতএব আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকেনা এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট তৈরি করে ফেলে এই ব্যাকটেরিয়া গুলো। এরা বাচ্চা-কাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদের...

সংসার মানে হলো...

  শুধুমাত্র শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করা ও বাচ্চার জন্ম দেওয়ার জন্য মানুষ সংসার করে না। সংসার একটা অভ্যেস, যা একসাথে থাকতে থাকতে গড়ে ওঠে, একে অপরের সাথে কথা বলতে বলতে, একে অপরকে সহ্য করতে করতে এই অভ্যেস গড়ে ওঠে। সংসার মানে হলো একসাথে থাকতে থাকতে একে অপরের গায়ের গন্ধটা আত্মস্থ করে নেওয়া। সংসার মানে হলো মানুষটা মুখের সামনে এসে দাঁড়ালেই মানুষটার মনের ভেতর কি চলছে, সেটা বুঝে ফেলা। সংসার মানে হলো বর অফিস থেকে ফিরলে এক গ্লাস জল রোজই মুখের সামনে তুলে ধরা। সংসার মানে হলো ছেঁড়া বোতাম সেলাই করতে করতে নিজেদের ভেতর ভুল বোঝাবুঝি গুলো মাঝেমধ্যে সেলাই করে নেওয়া। সংসার মানে হলো এডজাস্টমেন্ট, "তোমার আমার" থেকে আমাদের হয়ে ওঠা। সংসার মানে মাছের ঝোলে নুন বেশি হলেও চুপচাপ হাসিমুখে খেয়ে ফেলা, সংসার মানে হলো রোজই বিছানার উপর রাখা নিজের পার্টনারের ভেজা টাওয়ালটা মেলে দেওয়া। সংসার মানে হলো বিয়ের ডেট, একে অপরের জন্মদিনের তারিখ ভুলে গেলেও মানিয়ে নেওয়া। সংসার মানে গাঢ় নীল রং নিজের পছন্দ না হওয়া সত্ত্বেও পার্টনারের পছন্দ বলে একদিন নীল রঙের পাঞ্জাবিটা পরে ফেলা, আবার তেমনি শাড়ি পরতে একটুও ভালো না লাগলেও ...

একটাই ডিম রয়ে গেছে

  ধরুন, দুপুরে খাওয়া শেষে একটাই ডিম রয়ে গেছে। রাতে খাওয়ার সময় ডিমটা কাকে দেবেন? পরিবারে শুধু আপনারা দুজন আর ফুটফুটে এক সন্তান। কমন যে চিত্রটি আমরা দেখতে পাই- রাতে খাওয়ার সময় বাচ্চাকে পুরো ডিমটাই দিয়ে দেয়। আর বাবা মা দুজন ড্যাব ড্যাব চোখে শুধু তাকিয়ে থাকবে আর তার খাওয়া দেখে মনটা ভরে যাবে। আহ কি শান্তি! আসলে যা করা দরকার ছিলো- রাতে ৩ জনই একসাথে খেতে বসব। তার সামনেই ডিমটা সমান ৩ ভাগে ভাগ করব। আর ৩ জনেই ৩ টুকরা খেয়ে নিব। বিশ্বাস করুন, এই ক্ষেত্রে বাচ্চার আস্ত ডিমটা খাওয়ার কোনো ফায়দা নাই। বরং তার ব্রেইনে একটা ভুল মেসেজ আজীবনের জন্য সেট হয়ে যাবে যে তার জন্য সবসময় পুরোটা বরাদ্দ থাকবে আর এটাই নিয়ম! অথচ, ৩ টুকরা ডিম তাকে শেখাবে কীভাবে অল্প জিনিসও সবার সাথে ভাগ করে খেতে হয়। তার বিপরীতে থাকা মানুষগুলো খেয়েছে কিনা সেই ব্যাপারে খেয়াল রাখার মানসিকতা জাগ্রত হবে। আর এই মেসেজটি আজীবন তার ব্রেইনে খোদাই থাকবে। এটা একেবারে ছোট্টবেলা থেকেই করা উচিত। বাচ্চা তার বয়স অনুযায়ী যতটুকু বোঝার ঠিকই বুঝবে। বাচ্চারা তাদের মতো করে সবই বুঝে। সেটাই তার অভ্যাসে পরিনত হবে। এভাবে ভাগ করা শিখিয়ে দেখবেন, তাকে কিছু খেতে দ...

বৃষ্টি থেমে গেলে

  বৃষ্টি থেমে গেলে ছাতাটাকেও বোঝা মনে হয় ৷ কালি ফুরিয়ে গেলে কলমটাও আবর্জনার ঝুড়িতে জমা হয়। বাসি হয়ে গেলে প্রিয়জনের দেয়া ফুলটাও পরদিন ডাস্টবিনে পাওয়া যায়। পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম সত্য হলো আপনার উপকারের কথা মানুষ বেশিদিন মনে রাখবে না। জীবনের সবচেয়ে নিদারুণ বাস্তবতা হলো, কার কাছে আপনি কতদিন প্রায়োরিটি পাবেন, সেটা নির্ভর করবে কার জন্য কতদিন কিছু একটা করার সামর্থ্য আছে তার উপর। এই বাস্তবতা আপনি মানলেও সত্যি, না মানলেও সত্যি। আজ সকালে যে পত্রিকার দাম ১০ টাকা, একদিন পর সে একই পত্রিকার ১ কেজির দাম ১০ টাকা। হাজার টাকা খরচ করে একাডেমিক লাইফে বছরের শুরুতে যে বইগুলো গুরুত্ব দিয়ে কিনেন, বছর শেষে সেই বইগুলোই কেজি মাপে বিক্রি করে দেন। সময় ফুরিয়ে গেলে এভাবেই মূল্য কমতে থাকে সবার, সবকিছুর। আমরা আপাদমস্তক স্বার্থপর প্রাণী। ভিখারিকে ২ টাকা দেয়ার আগেও মানুষ চিন্তা করে কতটুকু পূণ্য অর্জন হবে। বিনা স্বার্থে কেউ ভিক্ষুককেও ভিক্ষা দেয় না৷ এতকিছুর পরও চলুন একটু হেসে কথা বলি। রাগটাকে কমাই। অহংকারকে কবর দেই। যদি সুখী হতে চান তবে প্রত্যাশা কমান। আপনি কারো জন্য কিছু করে থাকলে সেটা চিরতরে ভুলে যান। কারণ সেটা...

নামাজের সময় ছাড়া মসজিদে এসি বন্ধ রাখার অনুরোধ

  “নামাজের সময় ছাড়া মসজিদে এসি বন্ধ রাখার অনুরোধ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর” যদিও বর্তামানে এই কথা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ...আমার জানা মতে কোন মসজিদ, নামাজের ওয়াক্ত ছাড়া এসি চালিয়ে রাখে না যেখানে ইসলামই শিক্ষা দেয় ‘অপচয়কারী শয়তানের ভাই’, সেখানে মসজিদকে এই পরামর্শ দেয়াটা নিতান্তই বোকামি পরামর্শ দিতে চাইলে অনেক যায়গা আছে সেখানে দেন; অফিসগুলোকে বলেন, তাদের প্রয়োজন ছাড়া এসি ছেড়ে না রাখতে... আমি নিজেও ভেবেছি কাল থেকে ২ ঘণ্টা এসি ছেড়ে রাখলে পরবর্তী ২ ঘণ্টা এসি বন্ধ রাখব এটা একটি ন্যাশনাল ক্রাইসিস... এখানে সবার সহযোগিতা লাগবেই সরকারি মন্ত্রী থেকে শুরু করে তার পিএস, এপিএস, পিআরও হয়ে একদম চাপরাশি পর্যন্ত রুমে রুমে এসি পরামর্শ দেন, ১০ জনকে আলাদা রুমে না বসে আপাতত কয়েকদিন কনফারেন্স টেবিলে একসাথে বসে অফিস করতে... তাহলেই তো ধাম করে প্রতি ফ্লোরে ৯ টা এসি অন্তত কমে গেলো পরামর্শ দেন, অফিস ছুটির পরে দোকানপাট/ শপিংমলগুলো খুলতে... তখন অফিসের এসিগুলো বন্ধ থাকায় শপিংমলে চাপ কম পরবে পরামর্শ দেন, দিনের বেলায় যেন স্ট্রিট ল্যাম্পগুলো না জ্বলে ... শুধু এটা করতে পারলেই তো আপনি বিদ্যুৎ ঘাটতির ৩০% তুলে ন...

অন্তরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসা

  কিভাবে একজন মুসলিম তার অন্তরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসা দুনিয়ার অন্য সবকিছু থেকে বেশি বাড়াতে পারে? আলহামদুলিল্লাহ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভালোবাসার তীব্রতা ব্যক্তির ঈমানের ওপর নির্ভর করে। ব্যক্তির ঈমান বৃদ্ধি পেলে তাঁর প্রতি ভালোবাসাও বেড়ে যায়। কারণ তাঁর প্রতি ভালোবাসা হচ্ছে- নেককাজ ও আল্লাহ্‌র নৈকট্য। ইসলামী শরিয়তে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভালোবাসা ফরয। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান ও সমস্ত মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় হই।”[সহিহ বুখারী (১৫) ও সহিহ মুসলিম (৪৪)] রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসা নিম্নোক্ত বিষয়গুলো জানার মাধ্যমে অর্জিত হতে পারে: এক: তিনি আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে প্রেরিত। সমস্ত মানুষের কাছে আল্লাহ্‌র দ্বীন বা ধর্ম পৌঁছে দেয়ার জন্য বিশ্ববাসীর মধ্য থেকে আল্লাহ্‌ তাঁকে মনোনীত করেছেন। আল্লাহ্‌ তাআলা তাঁকে ভালোবাসেন বিধায় ও তাঁর প্রতি রাজি থাকায় তাঁকে নির্বাচিত ক...

জীবনের সমস্যা

  জীবনের সমস্যার মুখোমুখি হয়নি, এমন মানুষ কি পৃথিবীতে আছে? মনে হয় না! সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে, ঘুমোতে যাওয়া পর্যন্ত, এমনকি কখনোবা ঘুমের মাঝেও আমরা সম্মুখীন হই বিভিন্ন অপ্রত্যাশিত ও আকস্মিক ঘটনার। কিছু ঘটনায় আমরা মানিয়ে নেই, আর কিছু ঘটনা আমাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়! বিখ্যাত লেখক Charles R. Swindoll বলেছেন "তোমার জীবনের গতিপথ ১০% নির্ভর করে তোমার সাথে কি ঘটেছে তার উপর এবং বাকি ৯০% নির্ভর করে সে ঘটনায় তোমার প্রতিক্রিয়ার উপর।" ভাগ্যের ভূমিকা অনস্বীকার্য নয়, কিন্তু ভাগ্য একাই কিন্তু জীবন নির্ধারক নয়! আমাদের মূল সমস্যা হলো; হয় আমরা সবকিছু আমাদের নিয়ন্ত্রনে রাখতে চাই, অথবা সবকিছুই ভাগ্যের উপর ছেড়ে দেই। কিন্তু, দুইটি ধারনাই আমাদের জন্য ক্ষতিকর। এই ধারনার কারনেই আমাদের পক্ষের বিপরীতের ঘটনাবলী মানসিক চাপ সৃষ্টি করে এবং জীবন নিম্নমুখী যাত্রাপথে যেতে থাকে। চলার পথে ৩টি বিশ্বাস আপনাকে সাহায্য করবে - ১. যা আপনার নিয়ন্ত্রণাধীন নয়, তা নিয়ে আফসোস করতে থাকলে, যা আপনার আয়ত্তাধীন তাও হারাবেন। ২. কোন ব্যর্থতাই স্থায়ী নয়, তেমনি কোন নির্দিষ্ট সাফল্য দীর্ঘস্থায়ী হবে না। উভয...

বয়স বাড়ার সাথে সাথে...

  বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করুন। ১) ব্লাড প্রেসার। ২) ব্লাড সুগার। তিনটি জিনিস একেবারেই ভুলে যান। ১) বয়স বাড়ছে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা, ২) অতীত নিয়ে অনুশোচনা, ৩) সবসময় দুঃখে কাতর হওয়া। চারটি জিনিস খাবার থেকে যত পারুন কমিয়ে নিন। ১) লবন, ২) চিনি, ৩) দুগ্ধ /ডিম জাতীয় খাবার, ৪) স্ট্রাচি/কার্ব জাতীয় খাবার। চারটি জিনিস খাবারে যত পারুন বাড়িয়ে নিন। ১) সব রকমের সবুজ শাক ২)সব রকম সবুজ সব্জি , সীম বা মটরশুটি ইত্যাদি ৩) ফলমূল, ৪) বাদাম। সুখে কিংবা দুখে চারটি জিনিস সবসময় সাথে রাখুন। ১) একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু, ২) নিজের পরিবার, ৩) সবসময় সুচিন্তা, ৪) একটি নিরাপদ ঘর কিংবা আশ্রয়। পাঁচটি জিনিসের চর্চা রাখুন। ১) রোজা রাখা, ২) সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা, ৩) মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা, ৪)নিয়মিত শরীর চর্চা করা, ৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। ছয়টি জিনিস এড়িয়ে চলুন। ১) কর্য, ২) লোভ, ৩) আলস্য, ৪) ঘৃণা, ৫) সময়ের অপচয়, ৬) পরচর্চা। ছয়টি জিনিস কখনোই করবেন না। ১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া, ২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে পানি পান করা, ৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া, ৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম ন...

কোনটা অধিকার আর কোনটা অতিরিক্ত

  বহুদিন আগে আমার বাবা তার খালি জমিতে একটা গরিব পরিবারকে থাকতে দিয়েছিলেন। বেশ কয়েক বছর পর বাবা বাড়ি করার জন্য জমিটা ছাড়তে বললে তারা ছাড়তে রাজি হলো না। পরে অনেক কসরত করে, টাকা পয়সা দিয়ে তাদেরকে সরানো হয়েছিল। শুনে যা বুঝলাম, তাহলো একটা জমিতে অনেকদিন থাকলে নাকি তাতে তার অধিকার জন্মে যায়। আমিতো অবাক। দয়া করে থাকতে দিয়েছে। কোথায় কৃতজ্ঞ হবে, তানা উল্টো দখল করে বসে আছে। ভাবলাম জমির ব্যাপারতো তাই লোভ সামলাতে পারেনি। আমি যেখানে থাকি সেখানে এক রিক্সাওয়ালা আছে আমার দেশি। বাজারে সে থাকলে আমি তার রিক্সাতেই আসি। বাজার থেকে আমার বাসা পর্যন্ত ভাড়া ৪০ টাকা ফিক্সড। তবে আমি নিয়মিত ৫০ টাকা দিতাম। একদিন আমার কাছে খুচরা ৪৫ টাকা ছিলো। ঐ টাকাই দিলাম। টাকাটা দেয়ার সাথে সাথে একরকম চিৎকার করে উঠলো, “ আর ৫ টাকা ? " আমি কিছুক্ষন চুপ থেকে বললাম, " ভাড়াতো ৪০ টাকা, বাকি ৫ টাকা ফেরত দেন। "লোকটা হেসে বলল না সবসময়তো ৫০ টাকা দেন তাই কইলাম। ভাবলাম থাক গরিব মানুষতো, তাই এমন করলো। আমার এক প্রতিবেশী। রোজ বাচ্চাকে স্কুলে দিতে যায়। তা...

ডিম বিক্রেতা

  এক ভদ্রলোক ডিম বিক্রেতাকে জিজ্ঞেস করলো' ডিম কত করে বিক্রি করছেন? বৃদ্ধ বিক্রেতা বললো' স্যার পাঁচ টাকা করে প্রতিটি। স্যার বললো, আমি ৬টি ২৫ টাকা দেব, না হয় চলে যাবো! বৃদ্ধ বিক্রেতা উত্তর দিলো, আসেন স্যার নিয়ে যান আপনার দামে। কারণ সারাদিন একটিও বিক্রি করতে পারিনি। আপনার মাধ্যমেই আজকের বিক্রি শুরু।।😔 স্যারটি ডিম কিনে জিতে গেল। তারপর স্যারটি তার দামী গাড়ীতে চড়ে তার বন্ধুর সাথে অভিজাত রেস্তোরাতে গেলো। সেখানে, সে আর তার বন্ধুরা তাদের পছন্দসই অনেককিছু অর্ডার করলো। কিন্তু তারা যা অর্ডার দিলো তার স্বল্প খেলো আর বেশিরভাগ রেখে দিলো। তারপর সে বিল দিতে গেল।বিল আসলো ১৪০০টাকা। সে দিলো ১৫০০টাকা এবং রেস্তোরা মালিককে বললো বাকিটা রেখে দিতে।😔 এ ব্যাপারটা রেস্তোরা মালিকের কাছে খুবই স্বাভাবিক হতে পারে কিন্তু দরিদ্র ডিম বিক্রেতার কাছে খুবই বেদনাময়। ভদ্রতার চাদরে আসলে আমরা আমাদের মূল্যবোধকে হারিয়ে ফেলেছি ... যখনি কোন অসহায়, বৃদ্ধ, গরীব লোকের কাছ থেকে কিছু ক্রয় করবেন তখন তাকে মূল্যের চেয়ে একটু বেশী দিবেন ...☺️ সৃষ্টির সকল প্রাণীকে ভালবাসতে শিখি,,,, অসহায় মানুষকে আপন ভাবতে শিখি।❣️

সচেতনতামূলক পোস্ট

‼️♻️সচেতনতামূলক পোস্টঃ রাতের ট্রেনে যারা জার্নি করেন তারা সাবধান! ভয়ঙ্কর তথ্য জানালেন পুলিশের এসআই 🙏 গত কয়েক বছরে রেললাইনের বিভিন্ন স্পট থেকে প্রায় দেড়শ মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মৃতদেহ পাওয়া যায় আখাউড়া- ভৈরব- কিশোরগঞ্জ- কসবা এবং বি-বাড়িয়া হয়ে নরসিংদী পর্যন্ত। পুলিশ এই লাশগুলোর বেশিরভাগ অজ্ঞাত পরিচয় দিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে রেকর্ড করে। তারপর মর্গ হয়ে মাটিচাপা। লাশের পরিচয় হিন্দু কিংবা মুসলিম এখানে দেখা হয় না। ডোম মৃত ব্যক্তির জামাকাপড় রেলওয়ে ডোমঘরের সামনে ঝুলিয়ে রাখে। যদি বছর দুয়েকের ভেতর মা-বাবা এসে জামা কাপড় দেখে তাদের সন্তাকে যদি সনাক্ত করতে পারে তাহলে কবর দেখিয়ে দেয়া হয়। তবে জামাকাপড় রোদে শুকিয়ে এবং বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হয়ে যায় বেশিরভাগ সময়। জামাকাপড় দেখে কারও পরিচয় জানা অসম্ভব হয়ে পড়ে তখন। রেললাইনে পাওয়া এ লাশগুলোর বেশিরভাগই কিন্তু মার্ডার কেস। দশ-বিশ-পাঁচশ টাকা কিংবা পকেটে থাকা মোবাইল ফোন ছিনতাই করার জন্য মার্ডারগুলো করা হয়। বিশ টাকার জন্যও ট্রেনে থাকা ছিনতাইকারীরা মানুষ খুন করছে। ছিনতাইয়ের নিয়মটা হচ্ছে ট্রেনের দুই বগির মাঝখানে করিডোরের মতো থাকে। দুই পাশে দরজা এবং ...

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে....

  ১. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত রক্তচাপ মাপতে হবে৷ উচ্চ রক্তচাপ থাকলে, যতো আগে সেটি নির্ণয় করা যাবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া যাবে ততোই মঙ্গলজনক। যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তাদের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে এবং ওষুধ খেয়ে রক্তচাপ ১৩০/৮০ মিমি মার্কারির নিচে রাখতে হবে। ২. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: কারও যদি ডায়াবেটিস ৩ বছরের বেশি সময় ধরে থাকে তাহলে তা স্ট্রোকের ঝুঁকি ৭৪% বাড়িয়ে দেয়। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে৷ রক্তের HbA1c ৭%-এর নিচে রাখাই লক্ষ্য। ৩. রক্তের চর্বির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ: উচ্চ কোলেস্টেরল এবং এলডিএল স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। খাবার নিয়ন্ত্রণ এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এর চিকিৎসার প্রথম ধাপ। এছাড়া ওষুধেরও প্রয়োজন হতে পারে। ৪. ধূমপান পরিহার করা: ধূমপান স্ট্রোকের ঝুঁকি ২-৪ গুণ বাড়িয়ে দেয়। ধূমপান বন্ধ করলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়। ৫. নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করা: দিনে ৩০ মিনিট এক্সারসাইজ করা, সপ্তাহে অন্তত ৩-৪ দিন। ৬. মদ্যপান পরিহার করা। ৭. ফলমূল ও শাকসবজি বেশি খাওয়া। ৮. খাবারে লবণ কম খাওয়া। ***************************************************** যখন বাসায় ফ্রিজ ছিলোনা। মানুষ...

স্রেফ মজা করার জন্য একজন মানুষের প্রাণ...

  বিয়ের পর প্রথমবার মালিহা মাহবুব'কে নিয়ে গ্রামে যাই কুরবানির ঈদের জন্য। সুন্দরমতো ঈদ করে গত ১১ জুলাই ঢাকায় ফিরছিলাম। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ হওয়ায় স্বভাবতই আমাদের প্রধান যানবাহন একমাত্র ট্রেন। মহানগর গোধুলির 'ট' বগিতে ছিলাম আমি আর মালিহা, ১৫ এবং ১৬ নাম্বার সিটে। মেঘনা ব্রিজ পার হবার পর ভৈরব স্টেশনের একটু আগে আমার ছোটভাই আমাকে ফোন দেয় খোজ নেবার জন্য। ওর সাথে কথা বলতে বলতে, হুট করে মালিহা জোরে, 'রাব্বী' বলে ডাক দিয়ে উঠে। মোবাইল কানে নিয়েই মালিহার দিকে তাকিয়ে দিকে, চোখের এক ইঞ্চি উপরের দিকে প্রচন্ড ব্লিডিং হচ্ছে। কপাল, চোখ, গাল রক্তে ভিজে গেছে৷ এবং প্রায় এক আঙ্গুল সমান মাংসপিণ্ড নেই। জায়গাটায় গর্ত হয়ে আছে। কোনো এক আশরাফুল মাখলুকাত বাইরে থেকে পাথর ছুড়ে মারছে, এবং পাথরটা এসে লাগে মালিহার চোখের উপরের জায়গাটায়। মূহুর্তের মধ্যে আমার পুরো দুনিয়াটাই অন্ধকার হয়ে যায়, ট্রেনের এক ভদ্রলোক একটা পরিষ্কার স্যান্ডো গেঞ্জি দেয় এবং মালিহার ওড়না পেচিয়ে ভৈরব স্টেশনে নেমে যাই। স্টেশনের আশেপাশেই ভৈরব মেডিকেল এবং পদ্মা মেডিকেল বলে দুইটা নামেমাত্র ডায়াগনস্টিক সেন্টার থাকলেও ঈদের কারণে ...

প্রবাসীর ত্যাগের ঈদ

  প্রবাসীর ত্যাগের ঈদ ডিউটি থেকে ফিরে বাসায় ফিরে দেখলাম আমার রুমমেট পারভেজ উবু হয়ে শুয়ে আছে। হালকা নড়াচড়া করতে দেখে বুঝলাম সে জেগেই আছে। গতকাল ঈদের নামাজের পর থেকে সে এভাবেই শুয়ে ছিল। আজোও এভাবে শুয়ে থাকতে দেখে ভাবলাম, হয়ত সে অসুস্থ। তার বেডের পাশে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলাম, পারভেজ শরীর স্বাস্থ্য ভাল তো?? সে একটু নড়াচড়া করে জবাব দিল হা ভাই ভাল। আমি আর কথা বাড়ালাম না। হায়রে! জীবন আমার বাড়িতে পোলাও, মাংস খাবার মত মানুষ নেই আর আমি এখানে আলুর ভর্তা আর ডিম ভাজি দিয়ে ভাত খাই। এই কথাটা শুনে, পাশে তাকিয়ে দেখি পারভেজ ভাত খাচ্ছে আর স্বগতোক্তি করছে। আমি পাশেই বসে একটি মজার বই পড়ছিলাম। আমার অবসর সময় বেশীরভাগ কাটে বই আর পত্রিকা পড়ে। পড়ায় মনোনিবেশ করতে পারছি না তার আলুর ভর্তা, পোলাও, মাংসের কথাগুলো বারবার মস্তিষ্কে তরঙ্গ সৃষ্টি করছে। বই পড়া বন্ধ করে তার পাশ ঘেষে বসলাম। তাকে উদ্দেশ্য করে বললাম ভাইয়া কি দিয়ে ভাত খাচ্ছো? সে দুই ঠোঁটে ম্লান হাসি ফুটিয়ে বলল, এই যে আলুর ভর্তা আর ডিম ভাজি। জানেন আমার বাড়িতে পাতিল ভর্তি নানা পদের খাবার রান্না করে রেখেছে, কিন্তু খাবারের মানুষ নেই। আমি পারভেজের সম্পর্কে তে...

প্রবাসীর লাশ

  প্রবাসীর লাশ দেশে আনতেও মালয়েশিয়ায় সিন্ডিকেট এই সিন্ডিকেটের কারণেই বছরের পর বছর ঝুলে আছে বাংলাদেশের অন্যতম শ্রম বাজার মালয়েশিয়া। শত চেষ্টা করেও শক্তিধর সিন্ডিকেটের বলয় থেকে বের হওয়া আজও সম্ভব হয়নি। এমন কি মৃত্যুর পরও প্রবাসীদের সিন্ডিকেটের বলয় থেকে মিলছে না মুক্তি। প্রবাসে মৃত্যুর পরে লাশ দেশে আনতে ঘাটে ঘাটে হয়রানির পাশাপাশি স্বজনদের গুনতে হয় মোটা অংকের টাকা। অনেক সহ লাশ মর্গে ২ মাসের বেশি থাকলে লাশের পচন শুরু হতে থাকে। একমাত্র বাংলাদেশ দূতাবাস ছাড়া সব জায়গায় যেমন, থানা পুলিশ, লাশ প্রেরণকারী এজেন্ট, হসপিটাল সহ নানা খাতে ঢালতে হয় টাকা। চাহিদামতো টাকা না দিতে পারলে মরদেহ মর্গে পড়ে থাকে মাসের পর মাস মৃতের আত্মা মুক্তির আশায়। পুলিশ, লাশ প্রেরণকারী ফিউনারেল এজেন্ট, হসপিটাল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে একটি অলিখিত সিন্ডিকেট তৈরি হয়ে যায়। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ঘটনায় সরজমিনে এমনই তথ্য পাওয়া গেছে। সমস্যা দীর্ঘদিনের কিন্তু এই ভোগান্তি নিরসনে কেউ কার্যকর কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। বিষয়টি একাধিকবার কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নজরে আনলেও তারা এসব ভোগান্তি, অনিয়মের ব...

লাইলাতুল ক্বদর রাত

  ২০ তম রোজার রাত থেকে লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করুন। যদি লাইলাতুল কদর পেয়ে যান তবে সে রাত্রের আমল হবে টানা ৮৩ বছর ৪ মাসের সমান। কারন এই রাত হাজার মাস ইবাদত করার চেয়েও উত্তম। ছোট ছোট কিছু আমল প্রতি রাতে করতে পারেন। . ১) সূরা ইখলাস বেশি বেশি পড়বেন। তিনবার পড়লে একবার কুরআন পড়ার সওয়াব পাবেন। (সহীহ বুখারি ৫০১৫) . ২) মসজিদে/ অন্য কোথাও নিজের সাধ্যের আলোকে প্রতিরাতে ২ টাকা হলেও দান করুন। যদি রাতটি লাইলাতুল ক্বদর হয় তবে আপনি লিটেরালি ৮৩ বছর টানা ২ টাকা দানের সওয়াব পাবেন। বোনেরা আপনার ভাই/হাজবেন্ডের মাধ্যমে টাকা পৌঁছাতে পারেন। . ৩) কয়েক পৃষ্টা কোরআন তেলোয়াত করুন। রাতের বেলায় যে ১০০ আয়াত কোরআন পাঠ করবে তাঁকে সারারাত তাহায্যুদ পড়ার সাওয়াব দিবেন। (সহিহুল জামে ৬৪৬৮) সূরা কদর থেকে সর্বশেষ সূরা নাস পর্যন্ত পড়তে পারেন। কম সময়ে অতি সহজে ১০০ আয়াত পূর্ন করতে পারবেন। . ৪) সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি . ৫) বেশি বেশি দুরুদ, ইস্তেগফার ও অন্যান্য যিকির করবেন। . ৬) মসজিদে ফরয নামায পড়তে গেলে বাসা থেকে ওযু করে যাবেন। . ৭) আর বিশেষ করে লাইলাতুল কদরের ছোট্ট এই দোয়াটি পড়বেন। "আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল...

গরুর গোস্ত বলা যাবে না ?

গরুর গোস্ত বলা যাবে না। গোস্ত বলা শিরক। কারণ গোস্ত ফারসি শব্দ। ফারসি মাজূসীদের ভাষা। পারস্যের আগুনপূজারীরা এ ভাষায় কথা বলতো। তারা আগুন পানি পাথর বৃক্ষ নক্ষত্র গরু ইত্যাদির পূজা করতো। গোস্ত ফারসি মুরাক্কাব শব্দ। গো+আস্ত=গোস্ত। ‘গো’ মানে গরু-দেবতা। ‘আস্ত’ মানে আছে, বিদ্যমান, অস্তিত্ব। ‘গোস্ত’ মানে গোরু-দেবতা আছে বা গো-দেবতার অস্তিত্ব। অর্থাৎ পরোক্ষভাবে একটা শিররি আকিদা স্বীকার করা হচ্ছে। কুফুরি হয়ে যাচ্ছে। (গোস্ত, গোসত, গোশত বিভিন্ন মতের বানানবিভেদ) তাহলে কী বলবো?! মাংস বলবো?! নাহ, মাংসও বলা যাবে না। কারণ ‘মাংস’ বাংলা শব্দ। বাংলা হিন্দুদের ভাষা। ভারতের মূর্তিপূজারী হিন্দুরা বাংলাভাষা জন্ম দিয়েছে। ‘মাংস’ বাংলা মুরাক্কাব বা সন্ধিবদ্ধ শব্দ। স্বরসন্ধি। মা+অংশ=মাংস। ‘মা’ মানে গো-মাতা। ‘অংস’ মানে ‘অংশ’। ‘মাংস’ মানে গো-মাতার অংশ। অর্থাৎ মাংস বললে গরুকে মা হিসাবে স্বীকার করা হচ্ছে। এজন্য মুরুব্বিরা মাংস বলতে নিষেধ করেছেন। তাহলে কী বলবো?! মিট বলবো?! নাহ, মিট তো ইংরেজি শব্দ। ইংরেজি বলা হারাম। বৃটিশরা মুসলমানদের উপরে অকথ্য নির্যাতন করেছে। তাহলে?! আরবি শব্দ ‘লাহম’। লাহম বলতে হবে?! নাহ, আরবি ত...