Skip to main content

সচেতনতামূলক পোস্ট


‼️♻️সচেতনতামূলক পোস্টঃ রাতের ট্রেনে যারা জার্নি করেন তারা সাবধান! ভয়ঙ্কর তথ্য জানালেন পুলিশের এসআই 🙏 গত কয়েক বছরে রেললাইনের বিভিন্ন স্পট থেকে প্রায় দেড়শ মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মৃতদেহ পাওয়া যায় আখাউড়া- ভৈরব- কিশোরগঞ্জ- কসবা এবং বি-বাড়িয়া হয়ে নরসিংদী পর্যন্ত। পুলিশ এই লাশগুলোর বেশিরভাগ অজ্ঞাত পরিচয় দিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে রেকর্ড করে। তারপর মর্গ হয়ে মাটিচাপা। লাশের পরিচয় হিন্দু কিংবা মুসলিম এখানে দেখা হয় না। ডোম মৃত ব্যক্তির জামাকাপড় রেলওয়ে ডোমঘরের সামনে ঝুলিয়ে রাখে। যদি বছর দুয়েকের ভেতর মা-বাবা এসে জামা কাপড় দেখে তাদের সন্তাকে যদি সনাক্ত করতে পারে তাহলে কবর দেখিয়ে দেয়া হয়। তবে জামাকাপড় রোদে শুকিয়ে এবং বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হয়ে যায় বেশিরভাগ সময়। জামাকাপড় দেখে কারও পরিচয় জানা অসম্ভব হয়ে পড়ে তখন। রেললাইনে পাওয়া এ লাশগুলোর বেশিরভাগই কিন্তু মার্ডার কেস। দশ-বিশ-পাঁচশ টাকা কিংবা পকেটে থাকা মোবাইল ফোন ছিনতাই করার জন্য মার্ডারগুলো করা হয়। বিশ টাকার জন্যও ট্রেনে থাকা ছিনতাইকারীরা মানুষ খুন করছে। ছিনতাইয়ের নিয়মটা হচ্ছে ট্রেনের দুই বগির মাঝখানে করিডোরের মতো থাকে। দুই পাশে দরজা এবং বাথরুম। রাতের ট্রেনে এসব জায়গায় সুবিধামত সময়ে লোক পেলে ছিনতাইকারী চক্রের দুইজন পেছন থেকে আক্রমণ করে। আক্রমণের নিয়ম হচ্ছে গামছাকে পেঁচিয়ে চিকন করা হয় প্রথমে। তারপর দুই মাথা দুইজন ধরে যাকে আক্রমণ করা হবে, তার গলায় পেছন থেকে এক প্যাঁচ দিয়ে দু’পাশ থেকে হেঁছকা টান। ১৫ সেকেন্ডের ভেতরই ওই লোক মারা যাবে। না মরলেও তার জীবন ওইখানেই শেষ। এরপর ভিকটিমের পকেট থেকে যা নেওয়ার নিয়ে পাশের দরজা দিয়ে ফেলে দেবে। রাতের ট্রেনে সবাই ঘুমায়। তাছাড়া ট্রেনের আওয়াজ থাকে। কেউ কিচ্ছু টের পাবে না। পুরো কাজটা করতে সময় লাগে সর্বোচ্চ দেড় মিনিট। এই ছিনতাইকারী চক্রের লোক ধরা পড়ে কিন্তু আবার জামিনে বের হয়। আদালতের কাছে এভিডেন্স থাকে না পর্যাপ্ত। এভিডেন্স না থাকলে বিচারও করা সম্ভব হয় না। এরকম তথ্য জানিয়ে রাতের ট্রেনে যারা ভ্রমণ করেন তাদের সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেছেন পুলিশের এই সাব-ইন্সপেক্টর।  

উৎস: অনলাইন।

***************************

 হজ্জে যে‌য়ে ৭ লক্ষ ফ্রাংক কু‌ড়ি‌য়ে পে‌য়ে মা‌লিক‌কে ফি‌রি‌য়ে দি‌লেন বাংলা‌দে‌শের আব্দুর রহমান।🥰

হজ্জ কর‌তে যে‌য়ে ঢাকার ডেমরার আব্দুর রহমান প্রধান গত সোমবার মদীনা শরী‌ফে এক‌টি বৈ‌দে‌শিক মুদ্রার বা‌ন্ডিল কু‌ঁড়ি‌য়ে পান। যেগু‌লো ছি‌লো আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফা‌সোর মুদ্রা ফ্রাংক। তি‌নি হি‌সেব ক‌রে দে‌খেন সেখা‌নে ৭ লক্ষ ফ্রাংক র‌য়ে‌ছে। তারপ‌রে আব্দুর রহমান "সাম আফ্রিকান ফ্রাংক ফাউন্ড" অর্থাৎ কিছু আফ্রিকান ফ্রাংক পাওয়া গি‌য়ে‌ছে লেখা কাগজ হা‌তে মস‌জি‌দে নববীর আশেপা‌শে কু‌ড়ি‌য়ে পাওয়া ফ্রাংকগুলোর প্রকৃত মা‌লিক‌কে খোঁজ কর‌তে থা‌কেন। এ‌দি‌কে ফ্রাংকগু‌লো হা‌রি‌য়ে হজ্জ কর‌তে আসা আফ্রিকান ব‌্যক্তি‌টিও তার হারা‌নো অ‌র্থের খোঁজ কর‌তে থা‌কেন। গতকাল তি‌নি আব্দুর রহমান‌কে "সাম আফ্রিকান ফ্রাংক ফাউন্ড" লেখা কাগজ হা‌তে দাঁ‌ড়ি‌য়ে থাক‌তে দে‌খে প্রমাণ ক‌রেন যে, তি‌নিই সেই ফ্রাংকগুলোর প্রকৃত মা‌লিক‌। আব্দুর রহমান‌ প্রমাণ পে‌য়ে সেই ফ্রাং‌কের বা‌ন্ডিল তার প্রকৃত মা‌লি‌কের হা‌তে তু‌লে দেন। নি‌জের হা‌রি‌য়ে যাওয়া অ‌র্থ ঠিকভা‌বে ফি‌রে পে‌য়ে সেই আফ্রিকান ব‌্যক্তি আন‌ন্দের আতিশয্যে আব্দুর রহমান‌কে জড়ি‌য়ে ধ‌রেন।🥰❣️ ভালোবাসা অবিরাম প্রিয় ভাইটির জন্য🥰😍❣️

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...