Skip to main content

Posts

Showing posts from April, 2025

মানুষ দুটো কারনে কাজ শুরু করেনা

  আমি প্রথম যখন ব্যায়াম শুরু করেছিলাম তখন আমার ফর্ম, টেকনিক ভুল ছিল, খারাপ ছিল। প্রথম মাসে ডায়েটের নলেজ ছিলনা বল্লেই চলে। ইউনিভার্সিটিতে প্রথম প্রেজেন্টেশন খুব একটা ভালো যায় নি। ব্যবসায় শুরুর প্রথম মাসে লস করেছি। প্রথম ভিডিওর ইডিটিং যাচ্ছেতাই হয়েছে। প্রথম যে পডকাস্টে / ভিডিওতে কথা বলেছি সেটায় আত্মবিশ্বাস কম ছিল। আসলে আপনার প্রথম যেকোনো কিছুই খারাপ হবে। কিন্তু ১ম কাজ শুরু না করলে ১০০তম কাজে যেতে পারবেন না। মানুষ দুটো কারনে কাজ শুরু করেনা। সেটা হচ্ছে অহংকার আর ভয়। এগুলোকে একপাশে রেখে কাজ শুরু করুন। =================================== ➤ নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করা আমাদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয় এবং মানসিক চাপ বাড়ায়। ➤ প্রতিটি মানুষের জীবনযাত্রা, সুযোগ ও সক্ষমতা আলাদা – তাই অহেতুক তুলনা, বাস্তবতাকে বিকৃত করে। ➤ অন্যদের সাফল্য দেখলে অনুপ্রাণিত হওয়া ভালো, কিন্তু নিজেকে কম মনে করা নয়। ➤ অতিরিক্ত তুলনা থেকে হতাশা ও হিংসা কিংবা প্রতিশোধের জন্ম দেয়, যা আমাদের মানসিক বিকাশ ও নিজস্বতাকে বাধা সৃষ্টি করে। ➤ নিজের অগ্রগতি ও উন্নতির দিকে মনোযোগ দিন – প্রতিদিন একটু ভালো হওয়াই আসল ...

নতুন বন্দোবস্ত

  নতুন বন্দোবস্ত জিনিসটা কী - যাদের বোঝা দরকার - তারাই বুঝতে পারছে না। জায়গাটা ক্লিয়ার করা দরকার। আপনারা যারা আওয়ামীপান্তি করতেন বা এখনো যাদের মধ্যে এখনো আওয়ামীপনা আছে - তারা এই কাজটা আর করতে পারবেন না। সহজ কথায় আপনারা এই সরকার, বিএনপি, জামাত, এনসিপিকে সমালোচনা করতে পারবেন ও অবশ্যই করবেন। বাংলাবাজিও করবেন। কিন্তু আপনারা আওয়ামী লীগকে ডিফেন্ড করতে পারবেন না। একটা খুনী ফ্যাশিস্ট শক্তিকে আপনারা কোনো ধরনের সাপোর্ট দেখাতে পারবেন না। কোনো জায়গায় না। এই যে আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে ডেমোক্রেসি - এটাই নতুন বন্দোবস্ত। আমরা আমাদের ন্যাশনাল সাইকি থেকে আওয়ামীপনা বাদ দিতে চাইছি। আপনারা এতে শরীক হন। এই নতুন বন্দোবস্ত কিছুটা নির্ভর করছে - আপনাদের ভালো হয়ে যাওয়ার ওপর। ১০ থেকে ২০ বছর লাগবে। খেয়াল করুন যারা প্রথম বৌ বা স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে - তারা কিন্তু ভালো হয়ে যায়। ফেইসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে মোট ৮৬৯৬টা ফটো ও পোস্ট ডিলেট করে। মেটিকুলাসলি করে। প্রতিটি দ্বিতীয় বিয়ে হোলো বাধ্যানুগতার বিয়ে যেখানে একে অন্যকে পরিমিত অবিশ্বাস করে ও নিরুপায় আশা করে (উভয়ের দ্বিতীয় বিয়ে)। প্রথম বিয়ের আগে ...

একই মাছি, ভিন্ন প্রভাব!

  একই মাছি, ভিন্ন প্রভাব! একটি সাধারণ মাছির ওজন খুবই সামান্য—মাত্র কয়েক মিলিগ্রাম। সবজি ওজন করার সময় যদি সেই মাছিটি স্কেলের উপর বসে, তাহলে তেমন কোনো পার্থক্য দেখা যায় না। কারণ সবজির মূল্য ওজনের তুলনায় অনেক কম। কিন্তু সেই একই মাছি যদি স্বর্ণ ওজনের স্কেলে বসে, তখন তার প্রভাব হয় বিস্ময়কর—মাত্র এক-দুই মিলিগ্রাম পার্থক্যের কারণেই ১৫-২৫ হাজার টাকার দাম উঠানামা করতে পারে! এই উদাহরণটি আমাদের জীবনের জন্য গভীর একটি বার্তা বহন করে— ওজন নয়, আপনি কোথায় অবস্থান করছেন এবং কার সংস্পর্শে আছেন, সেটিই নির্ধারণ করে আপনার মূল্য কতটুকু। একটি সাধারণ আচরণ, চিন্তা, বা অবদানও অনেক বড় হয়ে ধরা দিতে পারে যদি আপনি সঠিক জায়গায় থাকেন, সঠিক মানুষদের মাঝে অবস্থান করেন। তাই— নিজের পরিবেশ বেছে নিন যত্নের সাথে। চেষ্টা করুন জ্ঞানী, সদাচারী ও ইতিবাচক মানুষদের সান্নিধ্যে থাকতে। নিজেকে এমন জায়গায় রাখুন যেখানে আপনার গুণাগুণকে সম্মান করা হবে। আর সবখানে নিজেকে উপস্থাপন করার দরকার নেই—সবাই সবকিছুর মূল্য দিতে জানে না। মূল্য আপনি নির্ধারণ করেন না, নির্ধারণ করে আপনার অবস্থান। তাই নিজেকে মূল্যবান করতে চাইলে, আগে নি...

ব্যায়ামের ধরন অনুযায়ী আলাদা আলাদা উপকার

  ওজন কমানোর জন্য ব্যায়াম করতেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ব্যায়াম চর্বি কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে মাত্র। ব্যায়াম না করে শুধুমাত্র ডায়েট করেই চর্বি কমানো সম্ভব। তবে এতে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে। যার মধ্যে অন্যতম হলো : পেশি ক্ষয়, চামড়া ঝুলে যাওয়া, শরীরে শক্তি কমে যাওয়া, স্ট্রেস হরমোন বৃদ্ধি পাওয়া ও মেটাবলিজম বা পুষ্টি শোষনের ক্ষমতা কমে যাওয়া। এই মেটাবলিজম দূর্বল হবার কারনে আপনি যদি মাত্র কয়েকদিন ডায়েট না করেন তাহলে খুব দ্রুত শরীরে পুনরায় চর্বি জমে আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। ডায়েট ও ব্যায়াম একসাথে করলে এই সমস্যা গুলো হবে না। সাথে কিছু সুবিধা পাবেন যেমন- দম বৃদ্ধি পাবে, পেশি ও হাড়ের জয়েন্ট মজবুত হবে, চামড়া টানটান থাকবে, শরীরে শক্তি বৃদ্ধি পাবে ও স্ট্রেস হরমোন কমবে যার কারনে মন ভালো থাকবে। মেটাবলিজম উন্নত হবে যার ফলে পুনরায় শরীরে চর্বি বাড়ার সম্ভাবনা কমবে। ব্যায়ামের ধরন অনুযায়ী আলাদা আলাদা উপকার পাবেন। একধরনের ব্যায়ামে সকল প্রকার উপকার একসাথে পাওয়া সম্ভব নয়। মূলত তিন ধরনের ব্যায়াম বহুল পরিচিত। ১. কার্ডিও / এরোবিকস : হাঁটা, দৌড়ানো, সাতার, দড়ি লাফ, নাচ, সাইক্লিং ইত্যা...

‘ ল অব এ্যাট্রাকশান’

  ‘ ল অব এ্যাট্রাকশান’ অনুযায়ী মানুষ আপনাকে ৩টি অবস্থায় গুরুত্ব দেওয়া শুরু করে। • যখন আপনার ক্যারিয়ারে বা স্কিলে উন্নতি দেখবে.. • যখন দেখবে আপনি আরও সুন্দর, সুদর্শন ও সুঠাম হয়ে উঠছেন.. • যখন দেখবে আপনি একা একাই সুখী থাকেন.. তাই কোনোকিছু তাড়া করার পরিবর্তে, আকর্ষণ করুন। এই সহজ সত্য বিশ্বাস করুন, যে "যা আপনার জন্য তৈরি হয়েছে তা সত্যিই আপনার কাছে আসবে।" আপনাকে কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে। স্কিলের পাশাপাশি শরীর ও মনের যত্ন নিন। কারন এখন চাকুরির ইন্টারভিউতে আপনার শারীরিক ও মানসিক ফিটনেস জাজ করা হয়। আনফিট শরীরকে অনুমান করা হয় জীবনে ডিসিপ্লিন এর অভাব হিসেবে। তাই প্রকৃতির নিয়মের উপর মনোযোগ দিন, এবং ল অব এ্যাট্রাকশন কে কাজে লাগান। খাদ্য শরীরকে শুধুমাত্র শক্তি প্রদান করে না। এটা ব্রেইনকে একপ্রকার তথ্য বা ডেটা সরবরাহ করে। আমাদের কোষসমূহ শুধু ক্যালোরি খায় না, তারা খাবার হতে প্রাপ্ত তথ্য বা ডেটা ডিকোড করে। প্রত্যেকবার যখন আমরা খাবারে কামড় দেই তখন সেটি আমাদের ব্রেইনেকে বলে দেয় কী করতে হবে! -কোষের ক্ষয় হবে নাকি মেরামত হবে। -মানসিক চাপ বাড়বে নাকি মনে স্থিতিশীলতা আসবে। -রোগপ্রতি...

কেবল আগাছা পরিস্কার করে দিন

  একটা মজার তথ্য দেই। Oppo এবং Vivo একই কোম্পানির পণ্য। আরো মজার ব্যাপার কি জানেন one plus ও সেই কোম্পানির । এবারে আরো অবাক করি? Realme এবং Iqoo তাদেরই ব্র্যান্ড। কিন্তু কীভাবে? এই সব কোম্পানির মাতৃ কোম্পানি হচ্ছে BBK ইলেকট্রনিক্স। আর সেই কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ডুয়ান ইয়ং পিং। কেউ তার নাম জানেন না। কিন্তু আজ যদি তিনি কোন আমেরিকান ব্যাক্তিত্ব হতেন হয়তো সারা বিশ্ব তাকে সেরা উদ্যোক্তা হিসেবে সম্মান করতো। তবে ওনাকে সবাই সম্মান করে একজন সফল ব্যাক্তি হিসেবে না বরং এজন্য যে বিলিয়নিয়ার হওয়া সত্বেও খুব সাধারন জীবন যাপন করেন, মিডিয়ার সামনে আসেন না। Oppo র মালিক তারই কোম্পানির কর্মকর্তা ছিল। তিনি ব্যবসা শিখিয়ে oppo কে তার হাতে দায়িত্ব দেয়। তারপরে সেখান আরেকজন কর্মকর্তাকে ব্যবসা শিখিয়ে vivo তৈরি করে। তারপরে তৈরি হয় realme ও oneplus সব মিলিয়ে এখন এক একটা কোম্পানি যেন এক একটা রাজ্য। এত বড়। সম্প্রতি তারা আলদা আলাদা কোম্পানি হয়ে গেছে। তিনি এগুলোর একজন অংশীদার মাত্র। এক একটি কোম্পানি স্বাধীন ভাবে যাদেরকে একদা কাজ শিখিয়েছেন তারাই চালাচ্ছে। বলা যায় চীনের মোবাইল প্রযুক্তির বাজার...

"কালকে করবো"

  "কালকে করবো"—এই কথাটা কতবার বলেছি? হয়তো অসংখ্যবার! কিন্তু এই কালকের আশায় পড়ে থেকে কাজ জমতে থাকে, চাপ বাড়তে থাকে, আর আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যে পড়ে তার মারাত্মক প্রভাব। প্রোক্রাস্টিনেশন শুধু সময় নষ্ট করে না, বরং এটা ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়, উদ্বেগ বাড়িয়ে তোলে, এবং এক ধরনের অপরাধবোধ তৈরি করে। সময়মতো কাজ শেষ না করতে পারার কারণে মানসিক চাপ বেড়ে যায়, যা অবসাদ কিংবা উদ্বেগজনিত সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু কীভাবে বের হওয়া যায় এই চক্র থেকে? ছোট ছোট লক্ষ্য ঠিক করুন, 'পারফেক্ট' হওয়ার চাপ না নিয়ে 'শুরু' করার অভ্যাস গড়ে তুলুন, এবং নিজেকে একটু একটু করে এগিয়ে নিতে থাকুন। মনে রাখবেন, একবার শুরু করলেই পথটা অনেক সহজ হয়ে যায়! আজই সেই 'কাল'—এগিয়ে যান! 💪✨ ====================================== বর্তমান সময়ে মানুষের মধ্যে অস্থিরতা, হিংসা এবং অপরাধের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। গবেষণা বলছে, এর মূলে রয়েছে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার অবহেলা এবং আধুনিক জীবনের চাপ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে প্রায় ১ বিলিয়ন মানুষ কোনো ...

টাকা-পয়সার চেয়ে বড় ফিতনা

  ঘটনা ১ : স্বামী গুলশানের বিশাল ধনাঢ্য পরিবারের মানুষ। তাদের প্রায় এক হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি আছে। স্বামী স্ত্রী এসেছেন। স্বামীর বহু নারীর সাথে পরকী আছে। কোনটাই সিরিয়াস না। গত মাসে তিনি থাইল্যান্ড যান । থাইল্যান্ডের এক সপ্তাহি তিনি ১৮ জন নারীর সাথে রাত কাটান। স্ত্রী এসে কান্নাকাটি করছেন। স্বামী আমাকে বলছেন যে আমাদের সোসাইটিতে এটাই স্বাভাবিক, উনাকে মেনে নিতে বলেন। প্রিয় কিছুটা কান্নাকাটি করে একপর্যায়ে ব্যাপারটা মেনে নিলেন। ঘটনা ২ : স্বামী বনানীর এক ধনাঢ্য পরিবারের মানুষ। তাদের প্রায় ২০০- ৩০০ কোটি টাকা সম্পত্তি আছে। যেহেতু সম্পদ কম তার গার্লফ্রেন্ডের সংখ্যাও কম। মাত্র ৫ জন। একইভাবে বললেন এটাই স্বাভাবিক, স্ত্রী যেন মেনে নেয়। স্ত্রী কিছুটা অভিমান করলেও, ওভারঅল তিনি স্বামীর প্রতি খুশি। কারণ স্ত্রীকে তিনি প্রচুর টাকা পয়সা দেন। ফি টাকা নিয়ে স্ত্রী খুবই বিলাস বহুল জীবনযাপন করেন। আপনারা অনেকেই বড়লোক হতে চান। আল্লাহ আপনাদের মিডিল ক্লাস রেখেছেন বলে অনেকেরই মনে অনেক কষ্ট। কিন্তু বিশ্বাস করেন, বড়লোক হওয়া অনেক বড় স্ট্রেস। আপনারা অনেকেই এই স্ট্রেস নিতে পারবেন না। টাকা-পয়সা...

ডিভোর্স খুব 'ছোয়াচে'

  ডিভোর্স খুব 'ছোয়াচে'। গবেষণায় দেখা যায়, আপনি যদি ডিভোর্স প্রাপ্ত মানুষদের কথা বেশি শুনেন বা এমন গ্রুপে থাকেন যেখানে শুধু ডিভোর্স নিয়ে আলোচনা হয় তাহলে আপনার নিজের ডিভোর্সের সম্ভাবনা অনেক বেশি। কারণ হিসেবে দেখা যায় যে, বিবাহিত জীবনের প্রতি আপনার মাইন্ডসেট, এটিচুড এবং ভ্যালুজ পরিবর্তন হয়ে যায় যদি আপনি বেশিরভাগ সময় ডিভোর্সের পক্ষে কথা শুনেন। আমাদের সমাজেও আমরা দেখি যে যারা পারিবারিক জীবনে কষ্ট পেয়েছেন তারা এই ঘটনাটাকে প্রায়ই জেনারেলাইজ করে ফেলেন। তারা আশেপাশের মানুষকে নিজের জীবনের ঘটনা বলে নেতিবাচক ভাবে প্রভাবিত করতে থাকেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক গ্রুপ আছে যেখানে দল বেঁধে মানুষ পারিবারিক জীবনের অশান্তি নিয়ে কথা বলেন। এই কথাগুলো কতটুকু সত্য,‌ কতটুক মিথ্যা, তা যাচাই করার চেষ্টা করেনা। আমরা আমাদের চেম্বারে প্রচুর কাপল দেখি, ‌ যেখানে একজন মনে করছে সমস্যা তার পার্টনারের। কিন্তু ঘটনাটা পুরো শুনলে বুঝা যায় যে মূল সমস্যা আসলে তার নিজেরই। তাই যে কোন গল্প শোনার আগে আমাদের পার্সোনাল বায়াস ঠিক করতে হবে।‌ মানুষের বুদ্ধিমত্তা এবং নৈতিক সীমাবদ্ধতা বুঝতে হবে। dr khusha...

কুকুরের জ্বর

  কুকুরের জ্বর একটি সাধারণ অথচ গুরুত্ব সহকারে নেওয়ার মতো শারীরিক সমস্যা, যা অনেক সময় মালিকের অজান্তেই ঘটতে পারে। সাধারণত সুস্থ কুকুরের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা থাকে ১০০.৫°F থেকে ১০২.৫°F (৩৮°C থেকে ৩৯.২°C)। যদি এই তাপমাত্রা ১০৩°F বা তার বেশি হয়, তাহলে বুঝতে হবে কুকুরটি জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। কুকুরের জ্বরের বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে, যার মাধ্যমে একজন সচেতন মালিক সহজেই বুঝতে পারেন তার পোষা প্রাণীটি অসুস্থ। যেমন—নাক ও কান ছুঁলে অতিরিক্ত গরম অনুভব হওয়া, সারাদিন নিস্তেজ ও অলস হয়ে থাকা, সাধারণত যে খাবারটি আগ্রহ নিয়ে খায় সেটি না খাওয়া, চোখে পানি আসা, নাক দিয়ে পানি পড়া, আচরণে পরিবর্তন বা ঘন ঘন ঘুমানো ইত্যাদি। কখনো কখনো কুকুরের শরীরে কাঁপুনি বা দম নেওয়ায় সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব লক্ষণ দেখা দিলে আগে তাপমাত্রা মেপে নিশ্চিত হওয়া জরুরি, যা পেট থার্মোমিটার ব্যবহার করে করা যায়। জ্বরের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাসজনিত সংক্রমণ। যেমন ঠান্ডা লেগে যাওয়া, কুকুর ইনফ্লুয়েঞ্জা বা প্যারোভাইরাস ইত্যাদি। অনেক সময় টিকা নেওয়ার পরেও সাময়িক জ্বর দেখা যায়, যেটা...

সিজোফ্রেনিয়া

  তাসনিয়া যখন কলেজ থেকে শীতের ছুটিতে বাড়ি ফেরে, সে এক অচেনা মানুষকে দেখে। তিনি ছিলেন তার বাবা—নাজমুল সাহেব (ছদ্মনাম)—যিনি একসময় গ্রামের প্রিয় শিক্ষক, ধর্মপ্রাণ মানুষ, আর মেয়েদের জন্য ছিলেন এক গর্বিত অভিভাবক। কিন্তু সেই ছুটিতে, বাবার চোখে ছিলো অস্থিরতা। তিনি হঠাৎ রেগে যাচ্ছেন, মানুষকে সন্দেহ করছেন, এমনকি নামাজের মাঝখানে চিৎকার করে উঠছেন—"সবাই আমার বিরুদ্ধে!" রাতে একা একা কথা বলছেন, আবার মাকে সন্দেহ করছেন। একদিন তাসনিয়াকে পর্যন্ত বলেন— “তুই আমার মেয়ে না। তুই ওদের এজেন্ট।” এই কথাগুলো যেন একটা তীব্র ছুরি হয়ে বিঁধে গিয়েছিলো তাসনিয়ার মনে। সে বুঝে গিয়েছিল, এই মানুষটা তার চেনা বাবা নন। কিন্তু সে এটাও জানত না, এটা কী হচ্ছে। মায়ের মুখে ভয়, ছোট বোনেরা কিচ্ছু বুঝে না, আর পুরো বাড়ি জুড়ে তৈরি হয় এক নিঃশব্দ আতঙ্ক। বাবার স্কুল থেকেও অভিযোগ আসে—আচরণগত সমস্যার জন্য ছুটি দেওয়া হয় তাকে। তাসনিয়ার মনে হতে থাকে, তারা হয়তো সমাজের চোখে ‘সমস্যার পরিবার’ হয়ে উঠবে। সব শোনার পর মিস রুকাইয়া (ছদ্মনাম) বললেন, “তাসনিয়া, এটা হয়তো তোমার বাবার দোষ না। এটা হতে পারে স্কিজোফ্রেনিয়া নামের একটি মানসিক অসুস্থতা...

শিশু সামলাতে গিয়ে

  নিশু (ছদ্মনাম) মা হয়েছেন তিন মাস হলো। ঘরে নতুন অতিথি এসেছে, সবাই ব্যস্ত তাকে ঘিরে। অতিথিরা আসছে, সেলফি তুলছে, আদর করছে শিশুটিকে। কিন্তু নিশুর মুখে সেই আগের হাসি নেই। চুপচাপ, মনমরা, মাঝে মাঝে কান্নায় ভেঙে পড়েন হঠাৎ করেই। ঘুম ঠিকমতো হচ্ছে না, খাবারে রুচি নেই, নিজের দিকে একটুও খেয়াল নেই। সবাই ভাবে, "শিশু সামলাতে গিয়ে হয়তো একটু বেশি ক্লান্ত। সময় গেলে ঠিক হয়ে যাবে।" কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিশুর ভিতরের অন্ধকার যেন আরও ঘন হয়ে উঠছে। একদিন হঠাৎ একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যায় — যা কেউ আশা করেনি, যা পরিবারের সবাইকে স্তব্ধ করে দেয়। আমরা অনেক সময় খবরের কাগজে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখি— মা সন্তানকে ফেলে দিয়েছে❗নিজেকে আঘাত করেছে, অথবা করিয়েছে। কখনও কখনও আত্মহত্যা কিংবা সন্তানের প্রতি সহিংসতা — এমন অপ্রত্যাশিত অপরাধের আড়ালে লুকিয়ে থাকে এক ভয়ংকর, অথচ নিরব ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন, যার নাম Postpartum Depression। এই গল্পটা শুধুই নিশুর নয়। আজকের সময়ে সন্তান লালন-পালন যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। শিশুকাল থেকে শুরু করে কৈশোর পর্যন্ত— প্রতিটি ধাপে মায়েদের নানা মানসিক ও শারীরিক চাপ...

আপনার কথা, আপনার কান্না, আপনার জীবন

  সব ঠিক আছে" বললেই কি সত্যিই সব ঠিক থাকে? আমরা অনেক সময় বাইরের জগতে স্বাভাবিক থাকলেও, ভেতরে ভাঙা একটা কিছু অনুভব করি। চারপাশে হাসিখুশি পরিবেশ, কাজ চলছে ঠিকঠাক, প্রিয়জনরা পাশে আছেন—তবু কেন যেন মনে হয়, কিছু একটা ঠিক নেই। এই ‘অদৃশ্য ভার’টাই বলে দেয়—মনও কখনও অসুস্থ হয়। আমরা যখন শরীরের সামান্য ব্যথাও অনুভব করি, তখনই ডাক্তারের কাছে যাই, বিশ্রাম নেই, ওষুধ খাই। কিন্তু যখন মন হালকা না থাকে, যখন দুঃখ, হতাশা, আতঙ্ক বা অপরাধবোধে গুমরে উঠি, তখন সেটা অনেকেই উপেক্ষা করি। অথচ মনই তো আমাদের চিন্তা, সম্পর্ক, কাজ, ভালোবাসা—সবকিছুর চালিকা শক্তি। সে ক্লান্ত হয়ে পড়লে, জীবনের রঙও একে একে ফিকে হয়ে যায়। মন খারাপের একটা বড় সমস্যা হলো—এর ব্যথা চোখে দেখা যায় না। তাই এটাকে অবহেলা করা সহজ। কিন্তু ঠিক এইখানেই দরকার সবচেয়ে বেশি সচেতনতার। মনের ক্লান্তি মানেই আপনি দুর্বল নন। বরং আপনি সংবেদনশীল, আপনি মানুষ। নিজের ভেতরের অনুভূতিকে অস্বীকার না করে, তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়াটাই হল নিজের প্রতি ভালোবাসার প্রথম ধাপ। আপনার যদি মনে হয়—কিছু একটা বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছেন, ঘুম ঠিক হচ্ছে না, অকারণেই মন খার...

শ্রম বিক্রি

  আপনি আমি সারাদিন কষ্ট করি টাকা কেনার জন্য। আপনি আপনার শ্রম বিক্রি করে যা কিনেন তাই হচ্ছে টাকা। কিন্তু এই টাকা হচ্ছে সবচেয়ে অস্বচ্ছ। ক্রিপ্টো দুনিয়াতে নতুন টাকা ছাপানোর আগে জানানো হয় কত টাকা তৈরি হবে কিভাবে কার হাতে যাবে ইত্যাদি। সবাই সেই ব্যাপারে মতামত দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কত স্বচ্ছ হিসেব। কিন্তু আপনি যেই টাকা বহু কষ্ট করে অর্জন করেছেন। আপনি জানেনও না যে হয়তো কালকে এই টাকা অনেক বাড়তি ছাপানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আপনাকে কেউ জিজ্ঞেসও করে না। কোন ব্যাক্তি আপনার টাকা মান কেড়ে নিচ্ছে সেইটার ব্যাপারে কোন স্বচ্ছতা নেই। অথচ এর জন্যই আমরা খাটি। এইটা কি জুলুম না? সমাধান একটাই। এই ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে আসা। অন্যথায় আপনি যতই পরিশ্রম করেন আপনার শ্রম একটা শ্রেণীকে অদৃশ্য ভাবে ধনী করে যাবে। তাদের চেয়ে আপনি উপরে উঠতে পারবেন না। সব টাকার মালিক কে? এখন আপনি টাকা কেনার জন্য যত মাল ও পরিশ্রম বিক্রি করেন তা সেই মালিককেই লাভবান করে। সে চাইলে নিজের যত ইচ্ছা তত চাঁদা তুলে নিতে পারে। কিছু করতে পারবেন? m.patwary ========================================================= কোন ভুল করে ফেললে ...

‘নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন’

  নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনটি জনপরিসরে প্রকাশিত না হলেও, গণমাধ্যমে বেশ কিছু সুপারিশ উঠে এসেছে। দুঃখজনক ব‍্যাপার হলো— জনতার ধর্মীয় মূল্যবোধের মোটেও তোয়াক্কা করা হয়নি এ সংস্কার প্রস্তাবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরোধিতার নাম সংস্কার নয়। রাষ্ট্রীয় এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে, অবশ্যই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মূল্যবোধকে আমলে নিতে হবে। সুপারিশসমূহে অন্যান্য বিষয়ের সাথে বিয়ে, তালাক, উত্তরাধিকার ও ভরণপোষণের মতো ধর্মীয়-নীতি-অনুসরণকারী আইনগুলোর ওপর আনা হয়েছে সংস্কার প্রস্তাবনা। মুসলিম, হিন্দু ও খ্রিষ্টান ধর্মে স্বতন্ত্র পারিবারিক আইন বিদ্যমান থাকলেও, প্রস্তাব এসেছে— একটি অভিন্ন পারিবারিক আইন তৈরি করা। যুক্তি হিসেবে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ‘ধর্মভিত্তিক পারিবারিক আইনে নারীর প্রতি বৈষম্য বিদ্যমান।’ প্রতিটি ধর্মেই বিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। বিয়ের মাধ্যমে দুজন নারী-পুরুষের মাঝে গড়ে ওঠে পবিত্র বন্ধন, তৈরি হয় যৌন-সম্পর্কের বৈধতা। তবে, সমাজ ও বাস্তবতা বিবর্জিত একটি বিশেষ শ্রেণি বৈবাহিক সম্পর্কের মাঝেও ধর্ষণের গন্ধ খুঁজে পান। তথাকথিত ব্য...

হিজাব নিকাব দেখে ডিলিউশনাল

  আমাদের দেশে অনেক ভালো ভালো ছেলেরা বিয়ে করার জন্য ধার্মিক মেয়ে খুঁজেন। এ ব্যাপারে আমি কিছু পরামর্শ দিতে চাই। একটা মেয়ে ধার্মিক কিনা সেটা শুধু হিজাব-নিকাব দেখে নির্ধারণ করতে হয় না। এই যুগে মেয়েদের ধার্মিকতা বুঝার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সে পারিবারিক জীবনকে কতটা গুরুত্ব দেয় ? সে কি পরিবারের চেয়ে ক্যারিয়ারকে বেশি প্রাধান্য দেয় কিনা ? ছেলে মেয়ের সমতায় বিশ্বাস করতে করতে তার কি কমনসেন্স চলে গেছে কিনা‌ ? এগুলো খুব ভালো করে জেনে নিবেন। এখন সমাজে প্রচুর তথাকথিত ধার্মিক মেয়ে আপনি পাবেন যারা পারিবারিক জীবনকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন‌না। তারা সন্তানের জন্য পড়াশোনায় বা ক্যারিয়ারে দু-তিন বছর গ্যাপ দেওয়াকে বিশাল ক্ষতির কারণ মনে করে। অনেক ধার্মিক মেয়ে পাবেন যারা সন্তান নেওয়ার চাইতে বিড়াল পালাকে বেটার অপশন মনে করে। ঘরে তাদের পাঁচটা বিড়াল কিন্তু কোন সন্তান নেই। ...................... হিজাব নিকাব দেখে ডিলিউশনাল হয়ে যাবেন না। যেহেতু আপনি ধার্মিক তাই পর্দানশীল মেয়ে বিয়ে করাটাই উচিত। কিন্তু অনেক পর্দা না করা মেয়ে, পর্দা করা মেয়েদের চাইতে পারিবারিক জীবনকে বেশি গ...

নারী অধিকার সংশোধনীতে যেসব প্রস্তাব

  নারী অধিকার সংশোধনীতে যেসব প্রস্তাব করা হয়েছে সেগুলো করা যেতে পারে সমস্যা নেই। সম্পত্তি অর্ধেক অর্ধেক করেন, বৈবাহিক ধর্ষণ ,সবই করা যাবে। তবে অর্ধেক ওয়েস্টার্ন আর অর্ধেক সৌদি আরব কইরেন না। যেহেতু নারী পুরুষ সমতা তাই নিচের দাবিগুলোও পূরণ করা উচিত : 1. বিয়েতে মেয়েরা আর দেনমোহন নিবে না। আর যদি মেয়েরা দেনমোহর নেয় তাহলে পুরুষরাও দেন মোহর নিবে। 2. পুরুষরা সংসারের অর্থনৈতিক দায়িত্ব পুরোপুরি নেবে না। স্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা যাই হোক না কেন তাকে অর্থ উপার্জন করে 50 50 উপার্জন করতে হবে। মেয়েটা ‌চাকরি না পেলে প্রয়োজনে রিক্সা চালিয়ে উপার্জন করতে হবে। 3. যৌন চাহিদা কম এমন ছেলেদের আজেবাজে কথা বলা যাবে না। তারা অক্ষম, নপ‌ংসুক, মেনলি না - এসব কথা বলা যাবে না। কোন নারী কোন পুরুষের সাথে জোর করে যৌন সম্পর্ক করতে চাইলে সেটাকেও বৈবাহিক ধর্ষণ বলতে হবে। ছেলেদেরকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চাপ দেওয়া যাবে না। 4. ছেলেদের ঘর জামাই থাকাটাকে নরমালাইজ করতে হবে। যে সকল ছেলেদর সামর্থ্য কম তারা বিয়ের পর শ্বশুর বাড়িতে থাকবে। dr kushal

আপনি কোন থ্রেট না

  ধরুন ইউক্রেনের উপর রাশিয়া আক্রমণ করেছে। প্রতিবাদ হিসেবে কিয়েভে বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলো। ব্যাস শেষ। ফলাফল কী হবে? রাশিয়া কি ভয় পেয়ে লেজ গুটিয়ে পালাবে? তারপরে ইউক্রেন রাশিয়াকে বয়কট করলো। রাশিয়া পালাবে? নাকি ইউক্রেনের টাকায় রাশিয়া চলে যে এর দ্বারা তার কোন ক্ষতি হবে। একেবারে সহজ একটা উদাহরণ সেই। সিংহ যখন হরিণকে আক্রমণ করে খায়, বাকি হরিণগুলো কিন্তু একত্রে দাঁড়িয়ে দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে দেখে। এতে কি সিংহ ভয়ে পালিয়ে যায়? কিন্তু সব হরিণ একসাথে দৌড়ানি দিলেই সিংহ ভয় পেয়ে যেতো। পালিয়ে যেতো। তাহলে সবাই দাঁড়িয়ে থাকে কেনো? আল্লাহ সেই বুদ্ধি হরিণকে দেয় নাই। সাহসও দেয় নাই। সেজন্য। জগতের নিয়মটাই এমন। একতাই সব কিছু না। লড়াইয়ের ময়দানে একতার মূল্য শূন্য যদি না তা বলে পরিণত হয়। আপনার ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান যদি কোন সংঘর্ষে না জড়ায় বুঝতে হবে অন্যায় শক্তির জন্য আপনি কোন থ্রেট না। সে আপনাকে পাত্তা দিচ্ছে না। বিভিন্ন আবাসিক প্রকল্পের ভূমি দস্যুতার গল্প এই দেশের ভিতরের হিজ ইলের গল্পের মতোই। আপনি প্রথমে প্রতিবাদ করতে গেলেন। সাথে সাথে বলল, অভিযোগ থাকলে কোর্টে যাও। আপনি গেলেন সেখ...

প্রযুক্তি, রাজনীতি ও অর্থনীতি

  প্রযুক্তি, রাজনীতি ও অর্থনীতি এক সাথে জড়িত। কিন্তু অনেক সময় আমরা তা দেখতে পাই না। লক্ষ্য করেন, রাশিয়ার উপর সর্বপ্রথম অবরোধ আসে ডলারে, তারপরে আসে প্রযুক্তিতে। কারণ এই দুইটার কোনটার বিকল্প রাশিয়ার ছিলো না। তখন চীন শূন্যস্থান পূরণে এগিয়ে আসে এবং মোটা অংকের টাকা কামিয়ে নেয়। আরেকটা বিষয় লক্ষ্য করুন, আমেরিকা ২০১১ র দিকেই ঠিক করেছিলো চীন থেকে সরে আসবে তার জন্য প্রথমে সে ল্যান্ডিং স্টেশন নির্মাণ কাজ শুরু করে। অর্থাৎ, কোন দেশের উপর নির্ভরশীলতা বাড়াবে, নতুন বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ভূমি কোথায় হবে তার প্রস্তুতি কাজ শুরু করে। তারা বেছে নেয় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ গুলো এবং ইন্ডিয়াকে। সাথে সাথে ওবামা শুরু করে সাউথ চায়না সি বয়ান। যাদের মনে আছে তারা বলতে পারবেন। তখন প্রায় প্রতি দিন দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে কোন না কোন বক্তব্য থাকতো। সেই অঞ্চলের দেশ গুলোর নেতাদের সাথে মিটিং হতো। হটাত করে এই অঞ্চল এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলো কেনো? উঠলো কারণ সেখানে তারা চীনের বিরোধী একটা ভাব তৈরি করে আমেরিকার ব্যবসা আনার নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে চেয়েছিলো। আমেরিকার একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বিভিন্ন দেশে নিজেদের ব্যবসা আনার আগে ক্ষমত...

আইটি খাতে মূল সমস্যা

  আমি আইটি এক্সপোর্ট সেক্টরের সাথে বছর খানেক ধরে জড়িত আছি। আমাদের ইন্ডাস্ট্রির বেশীর ভাগ কোম্পানির অবস্থা বিদেশে কর্মী পাঠানোর আদম ব্যাপারীর মতন। মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমিক পাঠানোর জন্য যেমন কিছু প্রতিষ্ঠান আছে, ঠিক তেমনি, বিদেশের একটি কোম্পানির কোন কাজের জন্য লোক দরকার পড়লে সে আমাদের আইটি সেক্টরের কোম্পানিগুলোকে বলে আমার ডট নেটে দুইজন লোক লাগবে, জাভাতে একজন লোক লাগবে ইত্যাদি। সেই অনুযায়ী কোম্পানিগুলো হন্যে হয়ে লোক জোগাড় করে সাপ্লাই দেয়। আমাদের নিজস্ব কোন ব্যবসাই নাই। ধরুন কনকর্ড একটি বাড়ি নির্মাণ করবে, সে কিছু কর্মী নিবে। আপনি তার কর্মী সাপ্লাই দিলেন আর বললেন আপনি রিয়েল এস্টেট ব্যবসা করেন। এই হচ্ছে আমাদের আইটি খাতের ব্যবসা। যারা নিজেরা সফটওয়ার বানিয়ে বিক্রি করছে তাদের সবাই যা করে তা হচ্ছে বিদেশী একটি ওপেন সোর্স কোডকে মডিফাই। এভাবে আমরা কোনদিন পশ্চিমা রাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীলতা থেকে বের হতে পারবো না। আর যারা ফ্রি ল্যান্সার তাদের অবস্থা আরও নাজুক। অনেকটা ধরুন রাস্তার পাশে কোদাল আর টুকরি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে দিন মজুরের কাজে বিক্রি হবার জন্য, অনেকটা তেমনি নাজুক অবস্থা। আপনারা রাগ করতে পারেন এই...

এই ঘৃণা নিয়ে আপনি বাঁচতে পারবেন ?

  39 বছর বয়সের একজন পুরুষ। স্ত্রী তার ব্যাচমেট। সংসারে তেমন কোন ঝামেলা নেই। দুটো বাচ্চা আছে একজনের বয়স ৮ বছর, আরেকজনের ৬ বছর। স্ত্রী কোন চাকরি করেন না। স্ত্রীর বাবার বাড়ির অর্থনৈতিক অবস্থাও ভালো না। এ পুরুষ মানুষটা হঠাৎ করে ২০ বছর বয়সী এক মেয়ের প্রেমে পড়েছে। প্রেম এতটাই তীব্র যে ছেলে মেয়ের কথা ও সে ভুলে গিয়েছে। যার সাথে পরকীয়া সেই মেয়ে নিয়মিত টিকটক করে, এভাবেই পরিচয়। যার জন্য সে পুরুষটি এখন তার ১২ বছরের সংসার জীবনকে ভুলতে বসেছে। স্ত্রী অসহায় হয়ে বলেছে যে তুমি প্রয়োজন হলে দ্বিতীয় বিয়ে করো, তাও আমাদেরকে কাছে রাখো। সেটাও সে করছে না। বাসায় খরচটা কমিয়ে দিয়েছে। বাচ্চারা যে ভালো স্কুলে পড়তো সে স্কুলে এখন আর পড়তে পারছে না। ........................................... ৪০ বছর বয়সী ছেলেদের ২০ বছর বয়সী মেয়েদের প্রতি যে ফ্যাসিনেশন সেটা আসলে এই ক্যাপিটেলস্টিক সোসাইটিতে কোনদিনও যাবে না। কিন্তু আমার একটা অনুরোধ যে আপনারা ব্যক্তিগত জীবনে যাই করেন না কেন আপনার স্ত্রী এবং সন্তানদের ফেলে দিবেন না। যেই মেয়ের বাবার অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না, যে আপনা...

ধর্মীয় আইন অনুসরণ

  ধর্মীয় আইন অনুসরণ করা যেকোন ধর্মের অনুসারীদের জন্যই বাধ্যতামূলক। ধর্মের অনুসারীরা তা আনন্দচিত্তেই অনুসরণ করেন এবং মেনে চলেন। কিন্তু কেউ যদি দাবী করে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার জন্য বৈষম্য হচ্ছে। এটা খুবই ভ্রান্ত অনুসিদ্ধান্ত। এর অর্থ হচ্ছে, ধর্মীয় আইন মানা যাবেনা, তার চুড়ান্ত মানে হচ্ছে ধর্ম থেকে দূরে থাকতে হবে। এইটাই স্যার বাঙ্গু স্যেকুলারদের চুলকানি। এই কমিটি প্রতিনিধিত্বমুলক না। এই কমিটি বাংলাদেশের আপামর নারীদের অংশগ্রহণ নাই এই কমিটিতে। যারা সংষ্কারের নামে ধর্মীয় আইনের বিরুদ্ধে কৃপাণ তোলে বাংলাদেশের মানুষ তাদের সংষ্কার প্রস্তাব ছুড়ে ফেলে দেবে।by pinaki B =============================================== হাসিনার ল্যাপেন্সার বিএনপি নেতার ভাই পররাষ্ট্র সচিব জসিম। আওয়ামী বয়ানকে আবার মাঠে আনছে। এইটাও গ্রান্ড ইন্ডিয়ান প্লান। সে পাকিস্তানকে ১৯৭১ এর গনহত্যার জন্য ক্ষমা চাইতে বলছে। পাকিস্তান একবার না দুইবার রাষ্ট্রিয়ভাবে বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাইছে। বাংলাদেশের নাকি পাকিস্তানের কাছে ৪.২ বিলিয়ন ডলার পাওনা আছে। ১৯৭১ এর ডিসেম্বরে বাংলাদেশ থেকে লুট করে নেয়া ২.২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ইন্ডিয়ার কা...

লজ্জা মুসলিম জাতি, লজ্জা

  আমেরিকার উপর চীন ১২৫% শুল্ক আরোপ করেছে। তার কারণ কী? কারণ আমেরিকা চেয়েছিল চীনের হাঁটু ভাঁজ করাতে। সেজন্য আমেরিকা প্রথমে চীনকে ৫৪% ট্যারিফ দেয়, এর বিপরীতে চীন দেয় ৩৪% ট্যারিফ। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে সবাই যখন তার পাছায় চুমু খেতে খেতে স্যার বলছিল তখন চীনের এই আত্মসম্মানবোধ তার পছন্দ হয় নাই তাই তাকে মচকাতে ১০৪% ট্যারিফ ঘোষণা করে। আর বলে বাকি সব দেশের উপর ১০% (এবং আরো বাড়াতে পারে যদি না আমেরিকা থেকে প্রচুর আমদানি করতে রাজি হয়) স্বভাবতই প্রায় সকল দেশ আমেরিকার গোলামি করতে লেগে পড়ে। কিন্তু চীন বলে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে। সেজন্য সে ৮৪% ট্যারিফ ঘোষণা করে। এবার আমেরিকা ১৪৫% ঘোষণা করে এই আশায় যে এবার চীন মচকাবে। কিন্তু সে ১২৫% শুল্ক দিলো এবার। তার পাশাপশি বাকি দেশগুলোকে বলল আমরা শক্ত থাকতে ট্রাম্প তোমাদের সাথে চুক্তি করতে রাজি হচ্ছে। একটাবার চিন্তা করেন চীনের যেই বিc আছে কোন মুসলিম দেশের সেই বি@ নাই। তারা কি পারতো না সাদাদের গোলামি ছাড়তে? চীনের কি ক্ষতি হচ্ছে না? আমেরিকার নিজেরও কি ক্ষতি হচ্ছে না? কিন্তু তারা তাদের আত্মসম্মান টাকার কাছে বিক্রি করে নাই। রাশিয়া যখন হামলা করে EU...