Skip to main content

Posts

Showing posts from May, 2022

জীবনে পাওয়া দশটি সেরা লজ্জা

  * জীবনে পাওয়া দশটি সেরা লজ্জাঃ ১) ক্লাস ফাইভে পড়ি, পাশের বাড়ির আমার বয়েসি এক ছেলের সাথে ওর বিদেশী লেগো সেট নিয়ে খেলা করি। একদিন ওর সেটের একটা পার্টস খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি ও খুজলাম। আমি ওর বাসা থেকে বের হবার সময় ওর মা আমার শার্ট প্যান্টের পকেট চেক করলো। 2) আমার এক কাজিন একটা দূর্দান্ত আই,বি,এম পিসি কিনলো। মানে ওর বাবা কিনে দিয়েছিলো। উনি তখন ইন্টার পড়তেন। সবাই কে দাওয়াত করে এনে কম্পিউটার দেখাচ্ছে। আমি ওই পিসি র মাউস টা একটু নাড়ানোর অপরাধে কষে থাপ্পড় খেলাম। ৩) কুরবানি ঈদের পরের দিন আমি বাড়িওয়ালার বাসায় দেখা করতে যাই। উনারা কথা বার্তা বললেন। আমি টেবিলে বসে আছি। পরিচারিকা পোলাও মাংস, কাবাব নিয়ে এলো। আমি হাত ধুতে বাথরুমে গেলাম। এসে দেখি কিছুই নেই। সে তাদের আত্মীয়কে খাবার দেবার পরিবর্তে ভুল করে আমাকে দিয়েছে। পরে সেমাই খেয়ে চলে এলাম। ৪) পাড়ার সবাই একটা রেস্টুরেন্ট এ খেতে গিয়েছি। এক ভাইয়ার বাবা গাড়ি কিনেছেন সেই সেলিব্রেশনে। আসার সময় দামী মাইক্রোবাস এ সবার যায়গা হলো। আমার হলো না। এক বড় ভাই বল্লো, তুমি একটা রিকশা করে চলে আসো। আমি গাড়ি থেকে নেমে গেলাম। একটা মেয়ে ফিক করে হেসে ফেল্লো।...

একাকীত্ব

  পৃথিবীর সকল মানুষ জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে একা বোধ করেন। এটি এক ধরনের অনুভূতি। সেটি দীর্ঘমেয়াদি হলে তখনই তা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নানা ধরনের পারিপার্শ্বিক কারণে একজন মানুষের জীবনে একাকীত্ব, নিঃসঙ্গতা জেঁকে বসে। একাকীত্ব ডেকে আনতে পারে হার্টের অসুখসহ স্বাস্থ্যের জন্য নানা ক্ষতি। অনেক ছোটবেলায় মা-বাবা দু’জনকেই হারিয়েছেন সুলতানা শিকদার অহনা। সে সময় তার ভাই বোনেরাও ছোট ছিল। বলতে গেলে একাই বড় হয়েছেন তিনি। কিশোরী বয়সেই ঢাকায় এসে আত্মীয়দের বাড়ি অথবা হোস্টেলে থেকে পড়াশুনা করেছেন। সেই বয়স থেকেই ছাত্র পড়িয়ে, পার্ট টাইম কাজ করে নিজের পড়াশুনার খরচ চালিয়েছেন। নিঃসঙ্গ জীবন এবং একাকী পথ চলায় তার দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা। সুলতানা শিকদার বলছেন, ‘ওই সময় সাপোর্ট দেয়ার মতো কেউ ছিল না আমার। আমার ভাই-বোনদের সাথে সেভাবে বন্ডিংটা গড়ে ওঠেনি। আমি চেয়েছিলাম পড়াশুনা করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে, ওরা চেয়েছিল আমি যেন তাড়াতাড়ি বিয়ে করে ফেলি। ১৭ বছর বয়সেই তাই আমি বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছি। এরপর থেকে ওদের সাথে আমার সম্পর্কটা আর কখনো ঠিক হয়নি।" বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করেছেন তারপর আরো...

স্থপতি পরিচিতি

  স্থপতি পরিচিতিঃ জিওফ্রে বাওয়া (Geoffrey Manning Bawa) দেশমান্য জিওফ্রে ম্যানিং বাওয়া, FRIBA (23 জুলাই 1919 - 27 মে 2003) একজন শ্রীলঙ্কার স্থপতি ছিলেন। তিনি তার প্রজন্মের সবচেয়ে প্রভাবশালী এশিয়ান স্থপতিদের মধ্যে ছিলেন। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী (tropical modernism)"ক্রান্তীয় আধুনিকতাবাদ" নামে পরিচিত তার পেছনে তিনিই প্রধান শক্তি শ্রীলঙ্কার স্থপতি জিওফ্রে বাওয়াকে এখন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রভাবশালী এশিয়ান স্থপতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাওয়া আর্কিটেকচারে দেরিতে এসেছিলেন, 1957 সালে মাত্র আটত্রিশ বছর বয়সে যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন, কিন্তু তিনি শীঘ্রই নিজেকে শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে প্রসিদ্ধ এবং উদ্ভাবক স্থপতি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন, স্বাধীনতা-উত্তর প্রেক্ষাপটে ভবনগুলির জন্য একটি সম্পূর্ণ ক্যানন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার কাজের মধ্যে রয়েছে হোটেল, বাড়ি, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়, কারখানা, অফিস, অসংখ্য পাবলিক ভবনের পাশাপাশি শ্রীলঙ্কার নতুন পার্লামেন্ট। বাওয়ার কাজ সাইট এবং প্রেক্ষাপটের প্রতি সংবেদনশীলতা দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। তার কাজ সহজাতভাবে, বরং স্ব-সচেতনভাবে, ...

মায়া সান্দু

  ছবির এই মহিলাটির নাম, মায়া সান্দু, বয়স ৫০, পড়াশুনা করেছেন হারভার্ড থেকে। মহিলাটি ইর্স্টান ইউরোপের দেশ মলদোভার প্রেসিডেন্ট। মহিলাটি মাত্র ৫ জন সফর সঙ্গী নিয়ে যাচ্ছেন ব্রাসেলসে- ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিটিং এ যোগ দিতে!!!! মাত্র ৫ জন সফর সঙ্গী!!! মহিলাটি প্রতি মাসে বেতন পান ১২,৯৬০ এমডিএল যা বাংলা টাকায় মাত্র ৫৯,৬৭৭.৭৭ টাকা। উনার বেতন আমাদের সরকারী সচিবের বেতনের থেকেও কম। নিজের পার্সপোট-বোডিং পার্স, নিজের ব্যাগ নিজেই বহন করছেন দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর মানুষ!!! টিকেট কেটেছেন সবচাইতে কমে পাওয়া যায় এমন বিমানে Wizz Air এর ইকনোমি ক্লাসের। বিজনেস ক্লাসের টিকিট কিন্তু না। এই বিমানে ইকনোমি ক্লাসে কম্পলিমন্টারী হিসাবে শুধু এক বোতল পানি দেওয়া হয় আর খাবার খেতে চাইলে তা কিনে খেতে হবে, একটা স্যান্ডইউজের দাম ৩ ইউরো। মলদোভার জিডিপি পার পার্সন ৩৮০০ ইউএসডি, বাংলা টাকায় যা ৩,৩৪,২৫২.৩৩ টাকা।

স্থপতি পরিচিতি

  স্থপতি পরিচিতিঃ Santiago Calatrava (সান্তিয়াগো ক্যালাট্রাভা) সান্তিয়াগো ক্যালাট্রাভা, সম্পূর্ণ সান্তিয়াগো ক্যালাট্রাভা ভালসে, (জন্ম 28 জুলাই, 1951, বেনিমামেট, ভ্যালেন্সিয়া, স্পেনের কাছে), স্প্যানিশ স্থপতি যিনি তার ভাস্কর্য সেতু এবং ভবনগুলির জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত। ক্যালাত্রাভা স্পেনের ভ্যালেন্সিয়ার পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটিতে স্থাপত্য নিয়ে পড়াশোনা করেন, যেখান থেকে তিনি 1974 সালে স্নাতক হন। পরের বছর তিনি জুরিখে সুইস ফেডারেল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (ETH) এ স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ একটি কোর্স শুরু করেন, পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। প্রযুক্তিগত বিজ্ঞানে (1979) "অন দ্য ফোল্ডেবিলিটি অফ ফ্রেম" শিরোনামের একটি থিসিসের জন্য। 1981 সালে তিনি জুরিখে তার নিজস্ব স্থাপত্য এবং প্রকৌশল ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেন। ক্যালাট্রাভা ব্রিজ এবং বিল্ডিং উভয় ক্ষেত্রেই নাটকীয় ভিজ্যুয়াল স্টেটমেন্টের সাথে উন্নত প্রকৌশল সমাধান মিশ্রিত করার ক্ষমতার জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন। যখন এক্সপো '92 স্পেনের সেভিলায় যাচ্ছিল, তখন শহরের একটি দ্বীপে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য সেতু নির্মাণের প্রয়োজন ছিল যা ...

হেরে যাওয়া

  আপনি কি জানেন টাইটানিক মুভির সবথেকে ভাগ্যবান লোকটা কে? সে কি জ্যাক? যে কিনা সবথেকে সুন্দরী মেয়ে রোজের প্রেমে পড়েছিল? একদম না! তবে কি রোজ? যে কিনা মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার জন্য জ্যাককে পেয়েছিলো? এবারও না! জ্যাক বা রোজ কেউই না। ভাগ্যবান লোকটি সেই অপরিচিতজন যে জুয়ায় জ্যাকের কাছে তার টিকিটটি হেরে গিয়েছিলো। যদি সে ওই জাহাজের টিকেট জিতে যেতো তাহলে হয়তো তাকে ঐ হিমশীতল পানিতে ডুবে মরতে হতো। মাঝেমধ্যে হেরে যাওয়া ভালো। - আপনি যদি আপনার পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়ে থাকেন। - আপনি যদি আপনার লাইফে হেরে গিয়ে থাকেন। - আপনি যদি আপনার লক্ষ্যে না পৌঁছাতে পেরে থাকেন। - আপনি যদি আপনার ভালোবাসা হারিয়ে থাকেন। সবকিছুই কোন না কোন কারণে ঘটে থাকে। মাঝেমধ্যে হেরে যাওয়াটাও ভালো। হতে পারে স্রষ্টা আপনাকে আরও বড় কোন বিপদের হাত থেকে রক্ষা করলেন। ***************** 40কোটির মধ্যে আমি প্রথম, তাহলে আমি আর কত সেরা হতে চাই???? 🛑 বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। তো, লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি ...

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান

  রহিম ভাই ঢাবির ইংরেজি বিভাগ থেকে অনার্স মাস্টার্স শেষ করে পিএইচডি করছেন। তিনি পড়াশোনায় বেশ ভাল। বিভাগে ৫ম হয়েছেন। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষকতা করবেন। যোগ দিলেন কাদমজি প্রাইমারী স্কুলে। একদম গ্রামে। তবে বেতন বেশ ভালো। ৪০ হাজার টাকা। পিএইচডি শেষ হলে ৭০ হাজার টাকা পাবেন মাসে। সারাদিন ক্লাশ নেন, বিকেলে আড্ডা, রাতে নিজের পড়াশুনা। তার কলিগ ১৭ জন যাদের ৪ জনের পিএইচডি আছে। সবাই জম্পেশ আড্ডা দেয়। তারা সবাই জয়েন করেছেন ৩ বছর আগে। স্কুলে হঠাত পরিবর্তন। ছেলে মেয়েরা পড়াশুনো করছে। তাদের বেসিক খুব ভাল ভাবে গড়ে উঠছে। স্কুলে স্যাররা সবাই মিলে থাকে পাশের কমপ্লেক্স এ। স্কুল মাঠে বাচ্চারা খেলে। স্কুলে ইংরেজি পড়ান রহিম স্যার। তিনি ক্লাসের বাইরের পড়াই পড়ান বেশি। বাচ্চাদের ইংরেজি সিনেমা, কার্টুন দেখান। এই পলিসি বেশ কাজে দিচ্ছে। ছেলেরা ইংরেজিতে কথা বলছে। অন্যান্য বিষয়ে ভাল করছে। ১০ বছর পর। কাদমজি স্কুলের ২ জন ছাত্র এম আই টি তে চান্স পায়। ১ জন অক্সফোর্ড এ। ২০ জন ঢাবি তে। চারজন বুয়েটে। ১২ জন মেডিকেলে। ৪০ জনের ব্যাচের বাকি ৫জন অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে। আবার ১০ ...

গাড়ির ব্রেক কাজ করছেনা। কি করবেন?

  গাড়ির ব্রেক কাজ করছেনা। কি করবেন? ১। প্রথমেই মানসিকভাবে শক্ত থাকুন। নিজে এবং সকল যাত্রীকে সিটবেল্ট এনশিউর করুন। ২। হ্যাজার্ড লাইট (যেটাকে আমরা ভুলবশতঃ ইমার্জেন্সি লাইট বলি) জ্বালাবেন। উইন্ডো নামিয়ে দিন, কার ডোর সেন্ট্রাল লক খুলে দিন। ৩। গাড়ীর এক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিন। গিয়ার নিউট্রাল করুন। ৪। ঘনঘন ব্রেক প্যাডাল পাম্প করতে থাকবেন। ৫। রাস্তা যদি লম্বা এবং ফাকা হয় তবে গাড়ী সোজা স্টিয়ারিং রাখবেন। রাস্তা যদি ফাকা কিন্তু লম্বা না হয়ে চওড়া হয় সেক্ষেত্রে পেছনে গাড়ী দেখে আকাবাকা (S এর মত) চালাবেন। ৬। পার্কিং ব্রেক (যেটাকে সহজাতভাবে আমরা হ্যান্ড ব্রেক বলি) আস্তে আস্তে টানবেন। ৭। আশে পাশে ফাকা জায়গা, বড় গাছ, দেয়াল, রক্ষিত আইল্যান্ড এর খেয়াল রাখবেন। গতি কমে আসলে এসবে হিট করে গাড়ী থামান। এতে গাড়ীর ক্ষতি হলেও নিজের এবং যাত্রীর প্রাণ বাচবে। ৮। পুরো ব্যাপারটা খুব দ্রুত এবং সুচারু রূপে করতে হবে। এজন্য প্যানিকড হওয়া যাবেনা। ব্যাখ্যাঃ ১। সিটবেল্ট পরা থাকলেই কেবল এয়ারব্যাগ ডিপ্লয় হয়। এছাড়া কলিশনের ইম্প্যাক্ট শক থেকে স্পাইনাল কর্ড বেঁচে যায়। হেড এবং চেস্ট ইঞ্জুরির মাত্রা কম হবে। ২। হ্যাজ...

প্রতিভার মূল্য

  জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো - "কোনো বাচ্চাকে নিরক্ষর রাখা চলবে না। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে।।" সব ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে হবে।। পড়াশুনা শেষ হলে,, সবাইকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।। সব বাচ্চারা স্কুলে এ্যডমিশন হয়ে গেলো।। রাজামশাইয়ের পার্সোনাল স্কুল ,, সবাইকে যথাযথ শিক্ষা দেওয়া হবে।। শুরু হলো সর্ব শিক্ষা অভিযান!! হাতির বাচ্চা স্কুলে এলো।‌। বাঁদর,, মাছ,, কচ্ছপ,, বিড়াল,,উট ,, জিরাফ,, সবার বাচ্চা স্কুলে পৌঁছে গেলো।। শুরু হলো ধুমধাম করে পড়াশোনা।‌। "ফাষ্ট ইউনিট টেষ্ট" হলো।। হাতির বাচ্ছা ফেল।। - "কোন সাবজেক্টে ফেল ??" হাতি এসে প্রশ্ন করে।‌। -- "গাছে ওঠা" সাবজেক্টে ফেল করেছে।।" হাতি পড়লো মহা চিন্তায়।। তার ছেলে ফেল ?? এটা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।। শুরু হলো খোঁজাখুঁজি,, ভালো টিউটর পেতেই হবে।। সন্তানের শিক্ষার ব্যাপারে কোনো রকম কম্প্রোমাইজ করা যাবে না।। হাতির এখন একটাই টেনশন,, যেভাবেই হোক,, ছেলেকে গাছে চড়া শেখাতে হবে !! "গাছে ওঠা' সাবজেক্টে টপার করে তুলতে হবে।। ফাষ্ট সেশন অতিক্রান্...

মেয়েদের কিছু অসাধারণ সাইকোলজি

  মেয়েদের কিছু অসাধারণ সাইকোলজিঃ ১)একটি জরিপ প্রতিবেদনে আসে ৭০% নারীরা তাদের পেইন প্রকাশ করার মাধ্যম হিসাবে নিরবতাকে বেছে নেয়। ২)মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় কারো ইমোশন বেশি বুঝতে ও পড়তে পাড়ে। ৩)যখন কোনো নারী আপনাকে তার লাইফের সমস্যার কথা শেয়ার করবে তার মানে এই না যে সে আপনাকে অভিযোগ করছে।একটা মেয়ে তখনি তার সমস্যা শেয়ার করবে যখন সে আপনাকে বিশ্বাস করে। ৪) পুরুষের তুলনায় নারীরা কারো ফেইস মনে রাখতে অনেক বেশী দক্ষ্য। ৫)নারীরা কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় পুরুষের চেয়ে বেশি সময় নিয়ে গ্রহণ করে।কিন্তু যখন তারা একটা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ফেলে তারা সহজে এই সিদ্ধান্ত হতে পিছু হটে না। ৬) নারী যখন কোনো একটা বিষয় সম্পর্কে কোনো পুরুষের কাছে সত্যতা যাচাই করে তখন এটা ভালো যে তাকে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে অবগত করা।কারন ঘটনাটির সত্যতা সম্পর্কে আগে হতে জেনেই সে আপনাকে কুয়েশ্চন করছে। ৭)একটি প্রতিবেদনে এসেছে নারীরা পুরুষের তুলনায় মাল্টিটাস্কিনে এক্সপার্ট।অথ্যৎ তারা একি সাথে অনেক গুলো কাজ করতে পারদর্শী। ৮) মেয়েরা খুব সহজেই একজন পুরুষের শরীরের অঙ্গ-ভঙ্গি দেখে সে (পুরুষটি) কি বলতে চাইছে বুঝে যেতে প...

তেলের ব্যবহার

  অনেকে হয়তো শুনেছেন টুথপেষ্ট এর কাহিনী যে কিভাবে এর সেল বেড়ে ছিল। আমি মনে করিয়ে দিচ্ছি। ১৯৫০-৬০ এর দিকে টুথপেষ্ট কোম্পানি তাদের সেল কোনভাবেই রাতারাতি বাড়াতে পারছিল না তখন এক লোক তাদের অফার করলো তার কাছে একটি Idea আছে তাতে ৪০% সেল বাড়বে এবং এই Idea এর জন্য তাকে ১০০,০০০. ডলার দিতে হবে। সেই সময়ে এইটা অনেক বড় অংক তাই কোম্পানি এমন একজন বহিরাগত হতে এতো বড় অংক দিয়ে idea নিবে কিনা না তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে ছিল এবং তাকে জানায় এক সপ্তাহের মধ্যে তাকে জানাবে। সপ্তাহ কেটে যায় কিন্তু কোম্পানির কেউ কোন উপায় না পেয়ে ওইলোক কে ডেকে পাঠায় এবং তার সাথে চুক্তিতে আসে যদি তার idea কাজ করে তাহলে তাকে ১০০,০০০ ডলার দেওয়া হবে। লোকটি তার পকেট হতে একটি খাকি খাম বের করে এগিয়ে দেয়, যার ভিতর হতে ছোট্ট একটি টুকরো কাগজ বের হয় তাতে লিখা ছিল "Make the hole bigger" আগে টুথপেষ্ট টিউবের এর মুখ ছিল 5mm তাতে করে কম মাত্রায় পেষ্ট বের হতো কিন্তু Idea মোতাবেক টিউবের মুখের পরিধি 6mm করে দেওয়া হয় যার করনে টিঊবে চাপ দিলে বেশী মাত্রায় পেষ্ট বের হয় এরফলে শেষ হয়েও যায় তাড়াতাড়ি। এরপর সব কোম্পনি তাদের টুথপেষ্ট , শ্যাম্পু ...

কিডনি রোগীর খাবার

বাংলাদেশে ইসলামের নীরব বি*প্লব

  ইসলাম হচ্ছে চলমান সমস্যা ও সংকটে বাস্তবসম্মত সমাধানের নাম। এ সমাধান আমরা জাতির সামনে যতো বেশি হাজির করতে পারবো, ততোই মানুষ ইসলামের প্রতি ঝুঁকবে এবং সেটা হচ্ছেও আলহামদুলিল্লাহ। আমার দৃষ্টিতে ইতিমধ্যে প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশে ইসলামের নীরব বি*প্লব ঘটে গিয়েছে। সাধারণ লোকদের ইসলামকে জেনে-বুঝে মানার চেষ্টা, আরবি ভাষা শিক্ষার প্রতি আগ্রহ, ইসলামিক কন্টেন্টের সহজলভ্যতা, বাংলা ভাষায় আরব বিশ্বের স্কলারদের গুরুত্বপূর্ণ বইগুলোর সরল অনুবাদ, মৌলিক ইসলামি সাহিত্য রচনা, ইসলামি বইমেলাগুলোতে উপচেপড়া ভিড়, তাফসির মাহফিলগুলোতে বিপুল জনস্রোত, সুস্থধারার ইসলামি সংস্কৃতি চর্চার টিভি শো ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো এবং হাল আমলের তরুণ-তরুণীদের ইসলামের প্রতি বিশেষ আকর্ষণবোধ ইত্যাদি সব একাকার হয়ে বাংলাদেশে একটি সফট ইস*লামিক রেভোলুশন হয়ে গিয়েছে। আর এটাই সেকু সমাজের গাত্রদাহের প্রধান কারণ। জ*ঙ্গী, জি*হাদী, দেশ বি*রোধী, স্বাধীনতা বি*রোধী ইত্যাদি বলে যে ট্যাগিং কালচার চালু করা হয়েছে, এগুলো মানুষ আর আগের মতো গিলছে না। ফলে সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে দ্বীন ও ধর্মকে আলাদা করার প্রজেক্ট ইতিমধ্যেই লস প্রজেক্ট বলে বিবেচিত হচ্ছ...

অবিবাহিত মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ

  অনেক সময় দেখা যায় অবিবাহিত মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হয়ে গেছে। ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার বললো প্রেগনেন্সি টেস্ট করে নিয়ে আসুন । এমতাবস্থায় প্রথমে হয়তো রোগীর লোক বলবে রোগী অবিবাহিত। এখনও বিয়ে হয়নি, বাচ্চা কিভাবে হবে ডাক্তার তখন জোর দিয়ে বলবে আগে টেস্ট করে নিয়ে আসুন তারপর রোগী দেখবো, না হলে দেখবোনা। রোগী যাবে টেস্ট করাতে। এবার দেখা গেলো রোগী প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ। বাড়ির লোক অবাক, রোগী অজ্ঞান। তখন স্বাভাবিক ভাবেই রোগীর বক্তব্য থাকবে, আমি কিছু করিনি। রোগীর লোকের বক্তব্য, কিছু করিসনি তো বাচ্চা কোথা থেকে এলো। ডাক্তারের কাছে রোগী কাঁদতে কাঁদতে বলবে, বিশ্বাস করেন ডাক্তার সাহেব আমি কিছুই করিনি। বাচ্চা কোথা থেকে এলো আমি জানিনা। রোগীর লোক যদি জীন বিশ্বাসী হয় তবে বলে দেবে জীনের বাচ্চা ওটা কিন্তু ডাক্তারের কেরামতি এখনও বাকি আছে।ডাক্তার তখন আলট্রাসনোগ্রাফির সাহায্য নেবে। আলট্রাসনোগ্রাফিতে দেখা যাবে রোগী প্রেগনেন্ট না। রোগীর তল পেটে কোন ফেটাস নেই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে রোগীর পেটে বাচ্চা নেই কিন্তু প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ আসলো কেন। এটা যে স্ট্রিপ দিয়ে টেস্ট করা হয় সেই স্ট্রিপ আসলে বাচ্চা ডিটেকটর ...