Skip to main content

Posts

Showing posts from July, 2021

এক বোনের এত সুন্দর অনুভূতি!

  এক বোনের এত সুন্দর অনুভূতি! ঠিক যেনো মনের কথাগুলো।🖤 আগে ভাবতাম বিয়ের পর উনার সাথে কাপল পিক তুলবো, শাড়ি পাঞ্জাবি ম্যাচ করে। মানুষ দেখবে আমাদের, জানবে আমরা কত হ্যাপি কাপল। এখন ভাবি বিয়ের পর উনার সব হক আদায় করতে পারবো তো ঠিকঠাক? আমার আল্লাহ যেন অসন্তুষ্ট না হয়ে যান। আমাদের মধ্যকার ভালোবাসা তো কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হবে, আমরা কত সুখী সেই নিয়ামাহ এর জন্য তো রবের কাছেই শুকরিয়া করবো, সেই নিয়ামাহ তো কেবল নিজেদের মাঝে। আগে ভাবতাম বিয়ের ক্ষেত্রে পাত্র মোটামুটি হ্যান্ডসাম হলেও চলবে, তবে “দাঁড়িওয়ালা”? না না, আমার ওরকম হুজুর টাইপ পছন্দ না। এখন ভাবি, দাঁড়ি তো সবার আগে থাকতে হবে, যার দাঁড়ি নেই, সে তো হ্যান্ডসামই না! আমার নবীর সুন্নাহ ছাড়া কেউ কীভাবে প্রকৃত দ্বীনদার হয়! সে কীভাবে আমার ইহকাল ও পরকালের সঙ্গী হয়! সম্ভব নয়। আগে ভাবতাম, বিয়ের পর সারারাত গল্প আড্ডায় গানে কাটিয়ে দেব। ভোর হবে চায়ের কাপে। এখন ভাবি সারারাত মিউজিক? আসতাগফিরুল্লাহ! রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে যাবো যেন দু’জন একসাথে তাহাজ্জুদটা পড়তে পারি। ফজরের সময় যখন পৃথিবীতে বারাকাহ নেমে আসবে, নামাজ শেষ করে তখন চট করে তাকে কড়া লিকারে চা ...

ওষুধ থেকে বাঁচতে হলে চাই সুস্থ লাইফস্টাইল:

  ওষুধ থেকে বাঁচতে হলে চাই সুস্থ লাইফস্টাইল: এই পোস্ট দেবার উদ্দেশ্য কিন্তু কাউকে হেয় করার জন্য নয়; তাই কেউ কাউকে হেয় করে কোন কথা না বলে যদি মূল যে বিষয় বোঝাতে চাই সেটা নিয়ে গঠনমূলক কথা বলি তাহলে খুশি হব। এই রোগীটি নিয়মিত ডাক্তার দেখায় নিয়মিত ওষুধ খায় ডাক্তারের পরামর্শ যথেষ্ট মেনে চলে । আজ তার প্রাপ্তি ২৩ ধরনের ওষুধ এবং কিডনী নষ্ট ওনার বর্তমান Serum creatinine ৮.০৮। আপনার যদি যেকোন বড় হাসপাতাল বিশেষ করে BIRDEM এর কিডনী বিভাগে যান সব রোগীকে প্রশ্ন করেন আপনাদের কিডনী কিভাবে নষ্ট হল ওনারা কি উত্তর দিবেন ? ওনারা কি ডাক্তার দেখান নাই ? দেখিয়েছেন ওনারা কি উপদেশ মানেন নাই? মেনেছেন বা মানার চেস্টা করেছেন। যে খাবার ডাক্তারগন খেতে বলেছেন সেভাবেই খেয়েছেন তবুও আজ তাদের ওষুধ বেড়ে ২৩ টি হয়েছে কারো ক্ষেত্রে ৩২ টি পর্যন্ত । দেখবেন প্রেশার নিয়ে গেলে প্রথম একটি ওষুধ পরে দুইটি তিনটি এভাবে বেড়েই চলেছে । ডায়াবেটিস হলেও একই কথা একটি দুইটি তিনটি ওষুধ এরপর ইনসুলিন। চর্বি বাড়লেও বা লিভারে চর্বি জমলেও একই অবস্থা । হার্টের সমস্যা হলেও একই কথা এমনকি পেটের সমস্যা বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হলেও একই। ভুলটা...

ফিলিস্তিনি তরুণীর বর্ণনায় ইসরাইলি কারাগার।

  ফিলিস্তিনি তরুণীর বর্ণনায় ইসরাইলি কারাগার। , মাইস আবু গুশকে হাতকড়া পরিয়ে এক লম্বা করিডর দিয়ে যখন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারারক্ষীরা নিয়ে যাচ্ছিল, তখন ইসরাইলি গোয়েন্দা দফতরের অধীনে থাকা ওই ভবনে দায়িত্ব পালন করা গোয়েন্দা কর্মকর্তারা তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে ব্যঙ্গাত্মকভাবে তালি বাজাতে থাকেন। তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে মাইস বলেন, 'তারা আমার সাথে উপহাস করছিল, বলছিল জিজ্ঞাসাবাদে আমি মারা যাবো।' মাইসকে জিজ্ঞাসাবাদে তার মাসিক চলা অবস্থাতেই চেয়ারের মধ্যে তাকে হাত ও গোড়ালি একত্রে বেঁধে কয়েক ঘণ্টা ফেলে রাখা হয়। এর ফলে তার জন্য ঘুমানো অসম্ভব ছিল। তিনি বলেন, 'আমি হাঁটতে পারছিলাম না, কারারক্ষীরা আমাকে তুলে নিয়ে যেতো।' তিনি জানান, বিশ্বের যে কোনো নারীর জন্যই গুরুতর এই অবস্থার মধ্যে প্রয়োজনীয় কোনো স্বাস্থ্য সহায়ক উপাদান তাকে দেয়া হয়নি। মাইসের হাত শিকল দিয়ে আটকে রাখার কারণে রক্তাক্ত হয়ে গিয়েছিল। পরের দফা সামরিক জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নিতে তিনি অস্বীকার করলে দায়িত্বশীল এক ইসরাইলি গোয়েন্দা কর্মকর্তা তাকে ধরে দেয়ালের সাথে ঠুকতে থাকেন। ২৪ বছর বয়সী মাইস আবু গুশ...

২০০ মুসলিম খুন করার ইচ্ছা ছিলো যার!

  ২০০ মুসলিম খুন করার ইচ্ছা ছিলো যার! [দ্বীনে ফেরার গল্প] “একদিন আমি আমার দোকানে দেখলাম দুইজন মহিলা সারা শরীর কালো বোরখায় ঢেকে আমার দোকানে এসেছে। মুসলিম! তাও আবার আমার দোকানে! আমি চিৎকার করে উঠলাম। আমি নিজের ভেতর শক্তি চাচ্ছিলাম, যাতে তাদের ঘাড় দুটো গিয়ে ভেঙে দিতে পারি”। রিচার্ড ম্যাকেনি। এই মানুষটা তার যৌবনে মুসলিমদের সবচেয়ে ঘৃণা করতো। এমনকি উনি এটাও বলেছেন যে, জীবনের একটা পর্যায়ে ইসলামের প্রতি ঘৃণাই তাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলো! অর্থাৎ, তার সকল চিন্তা-চেতনা জুড়ে ছিলো ইসলাম বিদ্বেষ আর মুসলিমদের প্রতি আক্রোশ। ছোটবেলায় অ্যাকশন, মারামারির মুভি দেখে তিনি উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন আর্মিতে যোগ দিতে। আর্মি থেকে রিটায়ার করার পর নিজের এলাকার ইসলামিক সেন্টার বোমা দিয়ে ধ্বংস করে দেয়ার পরিকল্পনা করেন। এজন্য তিনি নিজের হাতে একটা বোমা বানান। তার পরিকল্পনা ছিলো ২০০ জন মানুষ নিহত অথবা আহত হবে। এটাই ছিলো তার কাছে দেশের সেবা। এই পরিকল্পনা যখন তার মাথায়, তখন একটা ঘটনা ঘটে। তার ক্লাস টু তে পড়া মেয়ে যখন তার এক মুসলিম বন্ধুর মায়ের বোরখা পরা পোশাকের বর্ণনা দিচ্ছিলো তখন তিনি খুব উত্তেজিত হয়ে যান। তিনি এমন সব কথা বলা...

আজানের ধ্বনিতে ঈমানের স্বাদ

  আজানের ধ্বনিতে ঈমানের স্বাদ আমিনা ব্লেকের জন্মদাত্রী মা তাকে গ্রহণ করেনি। জন্মের পর তাকে দত্তক দিয়ে দেয়া হয় এক ল্যাঙ্গুয়েজের প্রফেসরের কাছে। আপাতভাবে নিষ্ঠুর হলেও, আমিনা মনে করেন, তার জন্মের পূর্বে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাই ছিলো তার ইসলামের সাথে পরিচয়ের সূতিকাগার। ভাষার অধ্যাপক হওয়ার দরুণ তার বাবার (দত্তক নেয়া) ছিলো পাঁচমিশালী ধরণের ছাত্রছাত্রী। যাদের মধ্যে কেউ কেউ ছিলো মুসলিম। এভাবে তিনি ছোটবেলায় মুসলিমদের সাথে কিছুটা পরিচিত হয়েছিলেন। তবে আমিনা ব্লেক বেড়ে উঠেছিলেন একজন খ্রিষ্টান হিসেবে। তিনি সবসময়ই স্রষ্টায় বিশ্বাসী ছিলেন। এমনকি স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করা ছিলো তার একটা অভ্যাস। কিন্তু তবুও খ্রিষ্টবাদের ঈশ্বরের পুত্র বা বাইবেলের নির্ভুলতা নিয়ে সন্দেহে ছিলেন। এমন অবস্থায় একটা বিপদ তার জন্য নিয়ামত হয়ে আসে। তার লফজে শুনুন- “আল্লাহ তায়ালা আমাকে এমন একটা অবস্থায় ফেলেছিলেন, যখন আমার নিজ গৃহত্যাগ করা ছাড়া কোনো উপায় ছিলো না। আর আরো আশ্চর্যজনক ভাবে, আমার এক মুসলিম বান্ধবী ছাড়া আমার যাওয়ার কোনো জায়গা ছিলো না। একজন অধ্যাপকের মেয়ে হিসেবে আমি অনেক বই পড়তাম, আর তাদের পুরো বাসায় শুধু একটাই বই ছিলো, ...

মোহ আর ভালোবাসা

  দীর্ঘ ১০ বছর সম্পর্কের পর, মিলি আর জাহেদের বিয়ে হয়েছে মাত্র দু'বছর হলো। এতদিনের জানাশোনা, ভালোবাসার পরে দাম্পত্যটা খুব সুখের হওয়ার কথা থাকলেও কেন জানি তা মনে হচ্ছে না! একে অপরকে অহেতুক গালাগালি আর সন্দেহপ্রবণতা তাদের নিত্যনৈমিত্তিক সাথী হয়ে দাড়িয়েছে। দিনশেষে, তারা দুজনেই আবিষ্কার করল, তারা আসলে কেউই একে অপরের সাথে ভালো নেই! ভালোবাসার জিনিসটাকে এই যুগে এসে আমরা অনেক বেশি রোমান্টিসাইজ করি, ফ্যান্টাসাইজ করি। কিন্তু এর অন্তরালে থাকা আত্মসম্মান, পারস্পরিক বোঝাপড়া, বিশ্বাস এগুলোকে তেমনভাবে গুরুত্ব দেয়া হয় না। কিন্তু এক ছাদের নিচে ঘর করতে গেলে, কয়েক বছর পরেই হঠাৎ করেই মনে হয় বোধহয় ভালোবাসার চেয়ে অন্যগুলোই বড় ছিল! এ কারণেই হয়তো বা তীব্র ভালোবাসার বড় বড় বুলি বা বহিঃপ্রকাশ না থাকলেও, আমাদের বাপ-দাদারা বহু বছর একসাথে শান্তিতে ঘর করে গেছেন, এবং আমাদের যুগে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ তীব্র হলেও, ভালোলাগার অনেকটুকুই এর মাঝে নেই! তাই অবশ্যই মাথায় রাখবেন - ১. মোহ আর ভালোবাসা এক জিনিস নয়, মোহ দীর্ঘস্থায়ী হয়না। ২. কখনো কখনো ভালোবাসার চেয়েও, সম্মান বিশ্বাস ও পারস্পরিক বোঝাপড়া অনেক...

ভ্যাক্সিন

  ১) #এন্টিজেন_কাকে_বলে ? এন্টিজেন হচ্ছে ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণুর দেহ কোষের কিছু প্রোটিন উপাদান, কিংবা এমন কোনো বস্তু যা শরীরের নিজস্ব গঠন থেকে আলাদা প্রকৃতির, কিংবা কোনো ফরেইন উপাদান, কিংবা শরীরের জন্য কোনো অপরিচিত বস্তু, যেমন কোনো টক্সিন, ক্যামিকেল, ড্রাগস ইত্যাদি, যা দেহে প্রবেশ করলে ইমিউন সিস্টেম প্ররোচিত হয়ে এন্টিবডি তৈরী হয় এবং ওই এন্টিবডি, অণুজীবের কিংবা এন্টিজেনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীর কে মুক্ত রাখে। ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া কিংবা ক্ষুদ্র অণুজীব গুলির দেহকোষের প্রোটিন উপাদান এন্টিজেন হিসাবে বিবেচিত হয় এবং এগুলো শরীরে রোগ তৈরীতে ভূমিকা রাখে। ২) #এন্টিবডি : এন্টিবডি হচ্ছে এক প্রকার প্রোটিন, যা শ্বেতরক্ত কণিকার বি-লিম্পোসাইট থেকে তথা রক্তের প্লাজমা সেল থেকে উৎপন্ন হয়। যখন শরীরের অভ্যন্তরে কোনো এন্টিজেন প্রবেশ করে, উদাহরণস্বরূপঃ ভাইরাস, কিংবা ব্যাক্টেরিয়া কিংবা ফানজাই, তখন তাকে নিউট্রালাইজড করার জন্য শ্বেত রক্তকণিকার বি-লিম্পোসাইট থেকে এক প্রকার প্রোটিন উপাদান তৈরি হয়, যা ওই ভাইরাস কিংবা ব্যাক্টেরিয়াকে ধ্বংস করে দেয়, এবং ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে...

লকডাউন

  সারাদেশে চলছে লকডাউন। আর এই লকডাউনে ঘরে থাকতে থাকতে আমাদের অনেকেরই ওজন বেড়ে যাচ্ছে। সময়মত ও সঠিক মাত্রায় খাবার না খাওয়া,এক্সারসাইজ করতে না পারা এমনকি মানসিক চাপও এই ওজন বাড়ার কারন হতে পারে। #এই লকডাউনে ওজন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন লাইফ স্টাইল মডিফিকেশন। নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পরিমানে খাবার গ্রহন করতে হবে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য। #সকালে লেবু পানি, জিরা পানি, আদা পানি, এ্যালোভেরা অথবা তোকমা দানা,চিয়া সিডস কিংবা শুধু কুসুম গরম পানি এসবের যেকোন একটি খেয়ে দিন শুরু করতে পারেন।এতে আপনার ওজন যেমন নিয়ন্ত্রণে থাকবে অন্যদিকে শরীরের বিষাক্ত উপাদান বের করে শরীরকে ডিটোক্সিফাই করে দিবে। #স্ন্যাকস হিসেবে বিষ্কিট,চিপস,চানাচুর বা কেক না খেয়ে প্রচুর পরিমানে ফল খান। এতে একদিকে যেমন ক্ষুধা মিটবে অন্যদিকে করোনাকালীন সময়ে এন্টিঅক্সিডেন্টের চাহিদাও পূরণ হবে। #খাবার তালিকায় প্রচুর পরিমানে সবুজ শাক সবজি রাখুন। সবুজ শাক সবজিতে ফাইবার,মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট এবং ভিটামিন মিনারেলস থাকে যা আপনার রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকবে। মাটির নিচের সবজি যেমন আলু,ওলকপি,গাজর,মূলা এসব এড়িয়ে যাবেন।এসব সব...

গরুর মাংস

গরুর মাংস রপ্তানী করে এরকম দশটি দেশের তালিকায় ৪র্থ অবস্থানে আছে ভারতের নাম । এমনকি তালিকায় প্রথম যে তিনটি দেশ আছে , ব্রাজিল , অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকা এরা কেউ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ নয় । তালিকার প্রথম ৭ টি দেশ মিলিয়ে শুধু ২০২০ সালেই ১ বিলিয়ন পাউন্ডের মতো মাংস রপ্তানী করেছে পুরো বিশ্বে । ভারত এখানে কন্ট্রিবিউট করেছে শতকরা ১২ ভাগের কাছাকাছি । তালিকার প্রথম ১০ টি দেশের মধ্যে কোনটি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ নেই । একদম ১৪ নম্বর অবস্থানে আছে পাকিস্তানের নাম । ২৪ নম্বরে আছে সৌদি আরবের নাম । ২৬ নম্বরে আছে মালয়শিয়া । United States Department Of Agriculture এর দেয়া তথ্য মতে জাপানে শুধুমাত্র ২০২১ সালের জানুয়ারী মাসেই ১০৫০ টি গরু জবাই করা হয়েছে । তালিকাটি যদি একটু বড় করি তাহলে দেখাতে পারবো ,শুধু শুকরের মাংসের জন্যই একই বছরের জানুয়ারী মাসে প্রায় ১৬ ,৫৭০ টি শূকর জবাই করা হয়েছে । বাদ রইলো ঘোড়া । জাপানের মানুষ সেটাও বাদ দেয় না । কানাডা থেকে ঘোড়া আমদানী করা হয় জাপানীদের জন্য । ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের তথ্য মতে , প্রতি বছর প্রায় ১৯ বিলিয়ন মুরগী , দেড় বিলিয়ন গরু , এক বিলিয়ন ভেড়া এবং সমপরিমান শূকর জবাই...

আইয়ুব বিন সোলাইমান

অষ্টাদশ শতকে অসংখ্য আফ্রিকানকে অপহরণ করে আমেরিকায় দাস বাজারে বিক্রি করা হয়। এসব হতভাগার মধ্যে কমপক্ষে শতকরা দশ ভাগ ছিলো মুসলিম। এমনই এক মুসলিম ছিলেন আইয়ুব বিন সোলাইমান (১৭০১-১৭৭৩) আমেরিকার ইতিহাসে তিনি উচ্চারিত Job Ben Solomon নামে। ১৭৩১ সালে তাকে অপহরণ করা হয় গাম্বিয়া থেকে। তিনি ছিলেন উচ্চশিক্ষিত, ধীমান ও দৃঢ়চেতা। মুসলিমদের মধ্যে দাওয়াত ও শিক্ষা প্রচারে সক্রিয় হন। দাসত্ব ও নিগ্রহ তাকে এই দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখতে পারেনি। যে-কোনো পরিস্থিতিতে তিনি দাওয়াতের অনুকূলে কাজে লাগাতে পারতেন। যখন তিনি শত্রু বেষ্টিত, তখনও ঘাবড়ে না যাওয়া ছিলো তার বিশেষ গুণ। সকল শ্রেণির মানুষের সাথে মিশতে পারার বৈশিষ্ট্য তার মধ্যে ছিল। কিছু আমেরিকান তার কাছে নগ্ন হওয়ার প্রস্তাব দিলো। তারা তার নাপোশাক ছবি আঁকবে। সোলাইমান হেসে বললেন, এ হবে না। পোশাক খোলা হবে না। এভাবেই নগ্ন ছবি উঠাও। তারা বলল, শরীর না দেখে তোমার নগ্নতাকে চিত্রায়িত করা যাবে না। তিনি এ জবাবের অপেক্ষা করছিলেন৷ তিনি বললেন, সামান্য পোশাকের আড়ালে থাকা শরীরের ছবি তুলতে পারছ না। তাহলে নিখিলের নির্মাতা যে সত্তা,তাকে না দেখেই তোমাদের লোকগুলো তার মূর্...

হজ পালন

  হজের তিনটি ফরজের মধ্যে আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত না হলে হজ হবে না। এ ময়দানে মসজিদে নামিরাহ থেকে এবার হজের খুতবা দেন মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শায়খ ড. বান্দার বিন আবদুল আজিজ বালিলা। খুতবার শুরুতে মহান আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–এর ওপর দরুদ শরিফ পাঠ করেন তিনি। উপস্থিত হাজিদের সুস্থতা কামনা ও তাঁদের জন্য দোয়া করেন। খুতবায় তিনি বলেন, কোনো মুসলমানের যদি সক্ষমতা থাকে, তবে জীবনে একবার হলেও তাঁকে হজ করতে হবে। ড. বান্দার বিন আবদুল আজিজ বালিলা বলেন, তাকওয়া (আল্লাহকে ভয়) মানুষকে পাপ থেকে দূরে রাখে ও সৎকাজে অনুপ্রাণিত করে। বান্দার প্রতি ইহসান (সুন্দর ব্যবহার, উপকার করা ও উদার আচরণ) করতে হবে। ইহসানের মতো মহৎ গুণ ছাড়া প্রকৃত ইমানদার হওয়া যায় না। এ ছাড়া পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ আদায়, রোজা রাখা, হজ পালন, জাকাত দেওয়া ইসলামের মৌলিক বিধান। আরাফাতের দিনটি আল্লাহর দরবারে তাঁর বান্দাদের দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ একটি দিন। হজের খুতবায় মহানবী (সা.) যেভাবে হজ পালন করেছিলেন অর্থাৎ আরাফাতে, মুজদালিফায়, মিনায় হজের দিনগুলোতে যা যা করেছ...

হযরত ইব্রাহীম (আঃ)

  হযরত ইব্রাহীম (আঃ)কে আল্লাহ বহুবার কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছেন। আর প্রতিবারই তিনি আল্লাহর হুকুম ও সিদ্ধান্তের উপর অটল থেকেছেন। একারনেই ইব্রাহীম (আঃ)এর হজ্ব ও কুরবানীর সুন্নাহকে আল্লাহ আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন। অন্যদিকে ইবলিস শয়তান শত চেষ্টা করেও ইব্রাহীম (আঃ)কে ধোঁকা দিয়ে সফল হতে পারেনি। আল্লাহর হুকুম পালনে ব্যর্থ করতে পারেনি। ইবলিস শয়তান ইব্রাহীম (আঃ), উনার স্ত্রী হযরত হাজেরা (আঃ) এবং উনার পুত্র হযরত ইসমাঈল (আঃ) উনাদের প্রত্যেকের কাছেই বিভিন্ন বেশ ধারন করে উপস্থিত হলো। আল্লাহর আদেশ পালনে বাধা দিতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করলো। বিভিন্নভাবে ধোঁকা দিতে লাগলো। কিন্তু ইবলিস প্রত্যেকের কাছ থেকে বিতাড়িত ও ব্যর্থ হয়েই ফিরে গেল। ইবরাহীম (আঃ) প্রত্যেক বারই তাকে কংকর নিক্ষেপের মাধ্যমে তাড়িয়ে দেন। অদ্যবধি পবিত্র হজ্বে মীনায় কংকর নিক্ষেপের মাধ্যমে এই স্মৃতি উদযাপন করা হয়। কিন্তু সেই ইবলিস শয়তান এখনও মরেনি। আর ইবলিসের বংশধররা আজও বিভিন্ন কৌশলে কুরবানীতে বাধা দিয়ে আসছে। অন্যদিকে সত্যিকারের ঈমানদাররা ইবলিসের নানাবিধ ধোঁকায় বিভ্রান্ত না হয়ে আল্লাহর হুকুম ও সিদ্ধান্তের উপর অটল আছেন। লক্ষ্য কর...

মাংস না গোস্ত?

  মাংস না গোস্ত? গরুর গোস্ত বলা যাবে না। গোস্ত বলা শিরক। কারণ গোস্ত ফারসি শব্দ। ফারসি মাজূসীদের ভাষা। পারস্যের আগুনপূজারীরা এ ভাষায় কথা বলতো। তারা আগুন পানি পাথর বৃক্ষ নক্ষত্র গরু ইত্যাদির পূজা করতো। গোস্ত ফারসি মুরাক্কাব শব্দ। গো+আস্ত=গোস্ত। ‘গো’ মানে গরু-দেবতা। ‘আস্ত’ মানে আছে, বিদ্যমান, অস্তিত্ব। ‘গোস্ত’ মানে গোরু-দেবতা আছে বা গো-দেবতার অস্তিত্ব। অর্থাৎ পরোক্ষভাবে একটা শিররি আকিদা স্বীকার করা হচ্ছে। কুফুরি হয়ে যাচ্ছে। (গোস্ত, গোসত, গোশত বিভিন্ন মতের বানানবিভেদ) তাহলে কী বলবো?! মাংস বলবো?! নাহ, মাংসও বলা যাবে না। কারণ ‘মাংস’ বাংলা শব্দ। বাংলা হিন্দুদের ভাষা। ভারতের মূর্তিপূজারী হিন্দুরা বাংলাভাষা জন্ম দিয়েছে। ‘মাংস’ বাংলা মুরাক্কাব বা সন্ধিবদ্ধ শব্দ। স্বরসন্ধি। মা+অংশ=মাংস। ‘মা’ মানে গো-মাতা। ‘অংস’ মানে ‘অংশ’। ‘মাংস’ মানে গো-মাতার অংশ। অর্থাৎ মাংস বললে গরুকে মা হিসাবে স্বীকার করা হচ্ছে। এজন্য মুরুব্বিরা মাংস বলতে নিষেধ করেছেন। তাহলে কী বলবো?! মিট বলবো?! নাহ, মিট তো ইংরেজি শব্দ। ইংরেজি বলা হারাম। বৃটিশরা মুসলমানদের উপরে অকথ্য নির্যাতন করেছে। তাহলে?! আরবি শব্দ ‘লাহম’। লাহম বল...

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়... মুসলমানদের এবং নবাব সলিমুল্লাহর মনে সৃষ্ট ব্রিটিশদের প্রতি প্রকাশ্য ক্ষোভ প্রশমিত করতে ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ ১৯১২ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকায় আসেন নবাব সলিমুল্লাহর সাথে সাক্ষাত করতে। ঐ দিনই একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল নিয়ে নবাব সলিমুল্লাহ ভাইসরয়ের সাথে সাক্ষাত করে মুসলমানদের বিভিন্ন দাবীর সাথে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবীটি পুনরায় উল্লেখ করেন। ক্ষুব্ধ নবাবকে শান্ত করতেই দুদিন পর ১৯১২ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করেন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ। এই ঘোষণার পরপরই বঙ্গভঙ্গ রহিত করার সদ্য সাফল্যে উজ্জীবিত হিন্দু নেতারা অনুরূপ আন্দোলন ও প্রতিবাদ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সরকারী ঘোষণাকে বাতিল করতে তৎপর হয়ে ওঠেন। এই তৎপরতায় নেতৃত্ব দেন কবি রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর, কংগ্রেস নেতা সুরেন্দ্র নাথ ব্যানার্জী ও কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর স্যার আশুতোষ মুখার্জী। কলিকাতা, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশালের হিন্দু নেতারা একাধিক প্রতিবাদ সভা করেন। কলিকাতার গড়ের মাঠে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন...

ক্রোয়েশিয়া

  বেটি, তুমি ক্রোয়েশিয়া যাও। গিয়ে সেখানকার প্রতিটি পুরুষকে জিজ্ঞেস করো—তুমি কি আমার জন্মদাতা পিতা? এই কথাটি কার—জানেন? কথাটি বসনিয়ার মায়েদের। নব্বুইয়ের দশকে বসনিয়ার মুসলিম মায়েরা তাদের মেয়েদেরকে সম্বোধন করে এই কথাটি বলত। কারণ, ক্রোয়েশীয় সৈন্যরা তাদেরকে এত পরিমাণ ধর্ষণ করেছে যে, তাদের সকলেরই গর্ভে চলে এসেছিল ক্রোয়েশীয় সেনাদের বাচ্চা! আপনি জানলে অবাক হবেন যে, ১৯৯২ সাল থেকে নিয়ে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত—এই চারটি বছরের বসনিয়া যুদ্ধে সার্বিয়ান ও ক্রোয়েশীয় সেনারা প্রায় ৫০ হাজার মুসলিম কিশোরী, যুবতী ও নারীকে ধর্ষণ করেছে! তাদের একে একে বাসে তুলে পাঠানো হতো সার্ব-অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে, যেখানে তাদের ওপর চালানো হতো যৌন নিপীড়ন। শুধু কারাগার বা বন্দিশিবিরগুলোতে ধর্ষণ করা হতো না; বরং ঘরে-বাইরে, রাস্তাঘাটে সর্বত্র। কারণ, এটা ছিল জাতিগত মুসলিম নিধনের সুদূরপ্রসারী টার্গেটের একটি অন্যতম এজেন্ডা। তাই সুনির্দিষ্টভাবে মুসলিম নারীদের নির্বিচারে গণধর্ষণ করা হয়েছিল। সার্বিয়ানদের বন্দিশিবিরে উপর্যুপরি ধর্ষণের শিকার একজন নারী নুসরেতা সিভাচ। বসনিয়ার প্রিয়েডোর শহরে ১৯৯২ সালে একজন সম্মানিত বিচারক হিসাবে কাজ ...