দীর্ঘ ১০ বছর সম্পর্কের পর, মিলি আর জাহেদের বিয়ে হয়েছে মাত্র দু'বছর হলো। এতদিনের জানাশোনা, ভালোবাসার পরে দাম্পত্যটা খুব সুখের হওয়ার কথা থাকলেও কেন জানি তা মনে হচ্ছে না! একে অপরকে অহেতুক গালাগালি আর সন্দেহপ্রবণতা তাদের নিত্যনৈমিত্তিক সাথী হয়ে দাড়িয়েছে। দিনশেষে, তারা দুজনেই আবিষ্কার করল, তারা আসলে কেউই একে অপরের সাথে ভালো নেই!
ভালোবাসার জিনিসটাকে এই যুগে এসে আমরা অনেক বেশি রোমান্টিসাইজ করি, ফ্যান্টাসাইজ করি। কিন্তু এর অন্তরালে থাকা আত্মসম্মান, পারস্পরিক বোঝাপড়া, বিশ্বাস এগুলোকে তেমনভাবে গুরুত্ব দেয়া হয় না। কিন্তু এক ছাদের নিচে ঘর করতে গেলে, কয়েক বছর পরেই হঠাৎ করেই মনে হয় বোধহয় ভালোবাসার চেয়ে অন্যগুলোই বড় ছিল! এ কারণেই হয়তো বা তীব্র ভালোবাসার বড় বড় বুলি বা বহিঃপ্রকাশ না থাকলেও, আমাদের বাপ-দাদারা বহু বছর একসাথে শান্তিতে ঘর করে গেছেন, এবং আমাদের যুগে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ তীব্র হলেও, ভালোলাগার অনেকটুকুই এর মাঝে নেই! তাই অবশ্যই মাথায় রাখবেন - ১. মোহ আর ভালোবাসা এক জিনিস নয়, মোহ দীর্ঘস্থায়ী হয়না। ২. কখনো কখনো ভালোবাসার চেয়েও, সম্মান বিশ্বাস ও পারস্পরিক বোঝাপড়া অনেক বেশি জরুরী। ৩. ভালোবাসা জীবনে একবারই হয় এবং আর হওয়া সম্ভব নয়- এ কথাটি বাস্তব নয়, মিথ্যা! ৪.ভালোবাসা মানে স্বার্থপর হওয়া,এবং ভালবাসায় সব জায়েজ - এই কথাটিও সত্যি নয়। ৫. ভালো থাকার জন্য অনেক সময় ভালোবাসাকে ত্যাগ করতে হয়। আসুন, ভাল থাকি, ভালবাসাকে ভালথাকার অংশ করে নেই!
---------------------------------------
বাচ্চার গলাব্যথা: ভাইরাল ফ্যারিঞ্জাইটিস অন্যতম কারণ
বাচ্চারা যে সমস্ত কারণে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয় তার মাঝে অন্যতম প্রধান কারণ গলায় ইনফেকশান। আর গলায় ইনফেকশানের একটি প্রধান উপসর্গ হচ্ছে গলায় ব্যথা।
◼️ কী কী কারণে শিশুর গলায় ব্যথা হয়?
শিশুর গলাব্যথার সবচেয়ে প্রধান ৪টি কারণ উল্লেখ করা হলো।
১. ভাইরাল ফ্যারিঞ্জাইটিস
২. একিউট ব্যাক্টেরিয়াল ফ্যারিঞ্জোটনসিলাইটিস
৩. ডিফথেরিয়া
৪. ইনফেকশাস মনোনিউক্লিউসিস।
এখানে আমরা ভাইরাল ফ্যারিঞ্জাইটিস নিয়ে আলোচনা করছি।
◼️ কী কী ভাইরাস দিয়ে এ রোগ হয়ে থাকে?
১. এডেনোভাইরাস
২. কক্সস্যাকি ভাইরাস
৩. এপ্সটেইন-বার ভাইরাস
৪. হার্পিস সিম্প্লেক্স ভাইরাস ইত্যাদি।
◼️ কী কী উপসর্গ থাকে?
১. গলা ব্যথা
২. নাক নিয়ে পানি ঝরা
৩. চোখ লাল হয়ে যাওয়া
৪. গলা ফেঁসফেঁসে হয়ে যাওয়া
৫. কাশি
৬. সামান্য জ্বর ইত্যাদি।
◼️ কী কী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়?
এ রোগের জন্যে সাধারণত কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয় না।
◼️ কীভাবে চিকিৎসা করা হয়?
- প্রথমেই রোগীর মা-বাবাকে রোগটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়, এর চিকিৎসা সম্পর্কে বলা হয়, এ রোগের আরোগ্যসম্ভাবনার কথাও বলা হয়।
- জ্বরের ওষুধ প্যারাসিটামল দেওয়া হয়।
- কখনও কখনও ব্যথার ওষুধ লাগতে পারে।
- কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে অথাব স্যালাইন দিয়ে গড়গড়া করতে বলা হয়।
source-lifespring limited

Comments
Post a Comment