Skip to main content

Posts

Showing posts from October, 2024

কোনো এক সকালে

  কোনো এক সকালে ঘুম থেকে জেগে উঠে অনুভব করলেন— আমার অন্তরে নিজের কুঅভ্যাসগুলোর প্রতি আর কোনো আগ্রহ নেই। নিজেকে কেমন জানি হাসান আল বসরী মনে হচ্ছে। এভাবে সারাদিন পার হয়ে গেলো অথচ মন্দ কাজগুলোর প্রতি কোন আগ্রহ অনুভব করলাম না। অন্তরে নামাজের প্রতি কত যে আগ্রহ। সারাদিন শুধু কুরআন পড়তে ইচ্ছে করে। এভাবে দিন গড়িয়ে মাস, মাস গড়িয়ে বছর পার হয়ে গেলো। আমার বাজে অভ্যাসগুলো কোথায় যেন হারিয়ে গেলো। অবিশ্বাস্য ব্যাপার! এমনটা কোনোদিন ঘটবে না। নিজের পরিবর্তনটা আসলে হঠাৎ করে হয় না। বাজে অভ্যাস ত্যাগ করার, একজন ভালো ইমানদার হওয়ার এই সংগ্রামটা আসলে পূর্ব পরিকল্পিত সচেতন এক সংগ্রাম। জেনে শুনে সিদ্ধান্ত নিয়ে এই সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হয়। বাজে অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ার ইচ্ছেটা বার বার মনের মাঝে উঁকি দিবে। আর যতবার ইচ্ছে করবে ততবার নিজেকে থামিয়ে দিতে হবে। এই সংগ্রামটা প্রতি মুহূর্তের, প্রতি মিনিটের, প্রতি ঘন্টার, প্রতি দিনের। এভাবে বেশ কয়েক মাস সংগ্রাম করে যাওয়ার পর মন্দ কাজের ইচ্ছেটা ধীরে ধীরে দুর্বল হতে শুরু করবে। এভাবেই আপনি কোনো বাজে অভ্যাস বর্জন করতে পারবেন। এটা হঠাৎ করে অটোম্যাটিক্যাল্লি হয়ে যাবে না। এ...

পুত্র ও কন্যা

আল্লাহর বাণীতে বলা হয়েছে لِّلَّهِ مُلْكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِۚ يَخْلُقُ مَا يَشَآءُۚ يَهَبُ لِمَن يَشَآءُ إِنَٰثًا وَيَهَبُ لِمَن يَشَآءُ ٱلذُّكُورَ আসমান ও জমিনের রাজত্ব একমাত্র আল্লাহর। তিনি যা চান তাই সৃষ্টি করেন। যাকে ইচ্ছা কন্যাসন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন। أَوْ يُزَوِّجُهُمْ ذُكْرَانًا وَإِنَٰثًاۖ وَيَجْعَلُ مَن يَشَآءُ عَقِيمًاۚ إِنَّهُۥ عَلِيمٌ قَدِيرٌ অথবা তাদেরকে পুত্র ও কন্যা উভয়ই দান করেন। আবার যাকে ইচ্ছা নিঃসন্তান রাখেন। নিশ্চয়ই তিনি মহাজ্ঞানী, সর্বশক্তিমান। (আশ-শূরা :৪৯-৫০) فَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نَعَمْ فَمِنْ أَيْنَ يَكُونُ الشَّبَهُ إِنَّ مَاءَ الرَّجُلِ غَلِيظٌ أَبْيَضُ وَمَاءَ الْمَرْأَةِ رَقِيقٌ أَصْفَرُ فَمِنْ أَيِّهِمَا عَلاَ أَوْ سَبَقَ يَكُونُ مِنْهُ الشَّبَهُ ‏"‏ ‏.‏

বাংলাদেশের হাসপাতালগুলো

  বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোকে দ্রুত বদলাতে হবে। হাস্পাতালগুলোর মান্ধাত্মা আমলের অরগানোগ্রাম দিয়ে আধুনিক সময়ের হাসপাতাল চালানো যায়না। এটা অবাক করার মতো বিষয় যত বড় সরকারী হাসপাতালই হোক না কেন কোন হাসপাতালে লণ্ড্রী বিভাগ নাই। হাসপাতালের লিনেন মানে অপারেশন থিয়েটারের ড্রেস, বিছানার চাদর, রোগীর পোশাক, জানালার পর্দা, বালিশের কভার এসব ধোয়া হয় বাইরে ধোপার কাছে থেকে। মাঝে মাঝে অপারেশন থিয়েটারের পোশাকের পিছনে পাখির গু দিয়ে ভর্তি থাকে, কাদা থাকে। এমনকি দুর্গন্ধ থাকে। সরকারি হাসপাতালে যারা কাজ করেছেন তারা জানেন। তো এই হাসপাতালে ইনফেকশন হবেনা তো কী হবে? হাসপাতালগুলোকে ঠিকাদারের মাধ্যমে লিনেন ধুতে দিতে হয় বাইরে। সকল হাসপাতালেরই একই দশা। ঠিকাদারেরা এটা ধুতে দেয় দরিদ্র ধোপাদের কাছে, তাঁরা খালে বিলে ধুয়ে খোলা আকাশের নিচে শুকাতে দেয়। পাখি তো ওই কাপড়ে হাগবেই। কোন সরকারী হাসপাতালে সিকিউরিটি বলে কোন ডিপার্টমেন্ট নাই। এতো মানুষ আসছে যাচ্ছে, এতো সম্পদ থাকে সেই হাসপাতালগুলোতে, এতো মারপিট হয়, ভাংচুর হয়; এমন কোন সরকারী হাসপাতাল আছে কিনা জানা নেই যেখানে ভাংচুর হয়নি। তাও সেখানে সিকিউরিটি বলে কোন ডিপার্টমেন্...

মুসা (আ.) ও খিজির (আ.) এর কাহিনি

  হজরত উবাই ইবনে কাব (রা.)-র বরাতে এই হাদিসটির বর্ণনা আছে। তিনি নবী (সা.)-এর কাছে নিচের ঘটনাটি শুনেছেন। একবার মুসা (আ.) বনি ইসরাইলের এক সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন ব্যক্তি সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী? তিনি বললেন, আমি। মুসা (আ.)-এর এ উত্তরে আল্লাহ তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হলেন। কেননা তিনি জ্ঞানের উৎস হিসেবে আল্লাহ্‌র কথা বলেননি। আল্লাহ্ মুসা (আ.)–কে বললেন, দুই নদীর সংযোগস্থলে আমার এক বান্দা আছে। সে তোমার চেয়ে বেশি জ্ঞানী। মুসা (আ.) আরজ করলেন, হে আমার রব! তাঁর কাছে পৌঁছাতে কে আমাকে সাহায্য করবে? আল্লাহ্ বললেন, তুমি একটি মাছ ধরে একো থলির মধ্যে রাখো। যেখানে গিয়ে তুমি মাছটা হারিয়ে ফেলবে, সেখানেই তিনি আছেন। মুসা (আ.) একটি মাছ ধরে থলির মধ্যে ভরে রাখলেন। এর পর তিনি ও তাঁর সঙ্গী ইউশা ইবনে নুন যেতে যেতে একটি পাথরের কাছে পৌঁছে সেখানে মাথা রেখে বিশ্রাম বসলেন। মুসা (আ.) ঘুমিয়ে পড়লেন। মাছটি নড়াচড়া করতে করতে থলি হতে বেরিয়ে নদীতে নেমে গেল। আল্লাহ্ মাছটির চলার পথে পানির গতি স্তব্ধ করে দিলেন। মাছটির চলার পথ সুড়ঙ্গের মতো হয়ে গেল। নবী‎ (সা.) হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বললেন, এভাবে সুড়ঙ...

নিজের অজান্তেই বড় গোনাহ করছেন

  যে ধরনের কথা বলার কারনে আপনি নিজের অজান্তেই বড় গোনাহ করছেন, . ● কি ব্যাপার,দাড়ি রেখেছিস যে.? দেখতে তো ছাগলের মত দেখায়! জঙ্গি বাহিনীর মত দেখায়! ফালা এগুলো। . ● মাদ্রাসায় পড়ে কী করবি? মাদ্রাসায় পড়লে কি তোর ভাত মিলবে? . ● কিরে, আবার দেখি টুপি পরেছিস? টুপির নিচে শয়তান থাকে জানিস না...? . ● মুসলমান জাতটাই খারাপ। এদের চেয়ে বিধর্মী ইহুদী-খৃষ্টান ও হিন্দুরা অনেক ভালো। . ● কিরে তুই আবার কবে থেকে বোরকাওয়ালী হইলী? বোরকা-টোরকা পরে একেবারে ভূত হয়ে গেছিস। ঘোমটা তলে পোংটা নাচে। বোরকাওয়ালীরাই আরো বেশি খারাপ। . ● রাখ তোর পর্দা ! এত পর্দা পর্দা করিস না। পর্দা পর্দা করার কারনের তো আজ মুসলমান জাতি এত পিছিয়ে, আর ইউরোপ-আমেরিকার মেয়ে কত এগিয়ে গেছে। আমরা পর্দা না করলে কী হবে, আমরা কি মুসলমান না? মনের পর্দা-ই বড় পর্দা। . ● আরে বাদ-দে মোল্লাদের কথা। মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত। ওরা কি বুঝে? ওরা তো মূর্খ আর গোঁড়া। . ● কে বলেছে সুদ হারাম? হারাম হলে সারা দুনিয়ার মানুষ এটা খাইতো? সুদ কোন খারাপ জিনিস না। এটা ব্যবসার মত লাভ। সুদ খারাপ জিনিস হইলে কি ইউরোপ-আমেরিকা এত উন্নত হইতে পা...

এত শো-অফ কেন?

  একজন ফ্রিল্যান্সারকে দেখতাম হাজার হাজার ডলারের স্ক্রিনশট "মাই ডে" তে শেয়ার করে আলহামদুলিল্লাহ লিখতে। একদিন নিষেধ করেছিলাম, কিন্তু কে শোনে কার কথা। সে গত ছয় সাত মাস ধরে কাজই নাকি পাচ্ছে না। প্রফেশন পরিবর্তন নিয়ে কয়দিন পর পর হাউকাউ করে পোস্ট করে। আরেক ভাই মাই ডে, বাজারের ছবি শেয়ার করতো, বছর দুয়েক হয়েছে হয়ত। বড় বড় সাইজের মাছ হাতে নিয়ে, "রিজিকের মালিক আল্লাহ", এটা সেটা লিখে শুকরিয়া প্রকাশ করতো । একসাথে কাজ করার সুবাদে আমরা একে অপরের ইন্টারনাল কিছু ব্যাপার জানতাম। একদিন অন্য আইডি থেকে ফ্রিল্যান্সার গ্রুপে স্ক্রল করার সময় উনার পোস্ট চোখে পড়ে। একটু নেগেটিভ আর কি! বুঝলাম উনি ভালো নাই। আবার আইডিতে ঢুকে ডে গুলি চেক করলাম। কেবল হা-হুতাশ করা পোস্ট। আমার স্কুলের এক সিনিয়র আপু । আমার জন্মের আগে উনি পাস করে বের হয়েছেন। উনি অনেক শো-অফ পছন্দ করতেন আমার ধারণা। প্রতিদিন কখন কি রান্না করছেন ফেসবুকে পোস্ট করতেন। যেহেতু বেশ কিছু প্রোগ্রামে জয়েন করেছিলাম স্কুলের তখন খাতির বেশ ভালো হয়। একদিন বলেছিলাম "আপু এসব করবেন না" - উনার জবাব ছিল, "তুমি এসব বিশ্বাস করো"? হাহাহ...

মিনিকেট চালের ভাত

  🔴 বিশেষ সতর্কতামূলক পোস্ট: বাঁচতে হলে জানতে হবে। মিনিকেট চালের ভাত গরমকালেও অনেকক্ষণ ভালো থাকে! আহারে! কত ভালো চাল! তাইনা⁉ আসুন জেনে নিই আসলেই কি আমরা ভালো চাল খাচ্ছি? নাকি আবর্জনা? ❌ মিনিকেট নামে কোন ধান চাষ হয় না। তাহলে, এই চাল বাজারে আসে কোথা থেকে? এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ, মিনিকেট চাল তৈরী হয় কারখানায়। 🌾দেশী জাতের ধান (মোটা চালের) চালকলে আসার পর শুরু হয় তেলেসমাতি। প্রথমে ধানের খোসা ছাড়ান হয়। খোসা ছাড়ানোর পর চালের অকৃত্রিম/ন্যাচারাল রঙে কিছুটা খয়েরি/বাদামি আভা থাকে। এরপর কেমিক্যাল ও হোয়াইটনার মেশিনের মাধ্যমে চালের খয়েরি/বাদামি আভার আবরণটিকে আলাদা করা হয়। এই আবরণটি বাদ দেওয়ার পর চাল কিছুটা সরু ও সাদা হয়। এখানেই শেষ নয়, পলিশার মেশিনের মাধ্যমে পলিশ করলেই হয়ে গেলো মিনিকেট চাল। 🗣️এবার প্রশ্নের তীর তাক করে কেউ বলতেই পারেন- মোটা চালকে এতোভাবে প্রসেস করে মিনিকেট বানালে তো চাল ব্যবসায়ীর ক্ষতি। 💥এবার ক্ষতির হিসেবটা করা যাক:- ১০০০কেজি মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানালে সাধারণত চাল পাওয়া যায় ৯৩৩কেজি, সাদা খুদ ২৬.৫ কেজি, কালো খুদ ১৪কেজি, মরা চাল ৪.৫ কেজি, ময়লা ০.৭৫ কেজি এবং পলিশ ...

ইসলামি ফাইন্যান্সের পিএইচডি

  আজকে আমাদের সিইওর সাথে আলোচনা করতে করতে বললাম, "দেখেন আমি বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামি ফাইন্যান্সের পিএইচডির অফার পেয়েছি আরও চার বছর আগে। তিনি প্রশ্ন করলেন, গেলেন না কেন? এইটা দিয়ে কোন কাজ হবে না তাই? আমি বললাম, দুনিয়া আসলে ট্র্যাডিশনাল ফাইন্যান্স ও ইকোনমিক্সের মানুষই চালাবে। কীভাবে রাষ্ট্র ব্যবস্থা চলে, কীভাবে বাজেট করতে হয়, এক্সপোর্ট ইম্পোর্ট পলিসি লেভেল ডিসকাশন প্রচলিত নিয়মেই চলে। কোন ইসলামি স্কুল এগুলো শেখায় না। সবাই তৈরি করে ইসলামি ব্যাংকের ইমপ্লয়ী এবং ইসলামী বীমা কোম্পানির ম্যানেজার। এখন কোন প্রতিষ্ঠান নেই যেখান থেকে পিলিসি লেভেলের ডিসকাশন তৈরি করতে পারে। কারণ প্রচলিত আইন কানুন, আই এম এফ নীতি, ম্যাথেমেটিকাল এনালাইসিস, একনোমেট্রিক্স ইত্যাদি নিয়ে কীভাবে বিশ্ব অর্থনীতি চালাতে হবে এই ভিসন কারো নেই। সবাই চিন্তা করে হালাল মাংসের দোকানের মত। সেজন্য আপনাকে যখন প্রশ্ন করবে বর্তমানে দেশের অর্থনীতি ভালো যাচ্ছে না, এই এই খাত পিছিয়ে আছে। এখন কী কী করা যেতে পারে, তার জন্য ডাকবে প্রচলিত অর্থনীতির লোককে। এমন একটি ইসলামি অর্থনীতি প্রতিষ্ঠান নেই যে সরকারকে পরামর্শ দিয়ে...

প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের বিকল্প নাই

  প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের বিকল্প নাই। নির্যাতিত ভূখণ্ডের মানুষগুলোর ধৈর্য, ত্যাগ কিংবা ঈমান কোনটার কমতি ছিল না৷ কম ছিল কেবল প্রযুক্তির। তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। কিন্তু সেইটা যথেষ্ট না। তাদের ছিলো না মিসাইল, এন্টি এয়ারক্রাফট ডিফেন্স সিস্টেম। ছিলো না জাহাজ, পরমাণু অস্ত্র, রাডার কিংবা বিমান। নিজ দেশের মানুষের আবেগকে খালি হাতে অস্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে তাড়িত করতে পারবেন যেমনটা আমরা দেখেছি ২৪ এর আন্দোলনে। কিন্তু শত্রু রাষ্ট্রের সেনাবাহিনী আবেগ তাড়িত হয়ে সারেন্ডার করবে না। এটাই বাস্তব। তাই আমাদের এই মুহূর্তে করণীয় হচ্ছে প্রযুক্তিগত ভাবে রাষ্ট্রকে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। তার জন্য সরকারি এবং বেসরকারি সকল দিক থেকে উদ্যোগ নেওয়া কর্তব্য। আপনি কি জানেন? বাংলাদেশ কোন ইঞ্জিন বানাতে পারে না। পেট্রোল, ডিজেল কিংবা জেট কোনটাই না। আমাদের সাধারণ ইঞ্জিন আসে প্রতিবেশী থেকে, ভারী উন্নত ইঞ্জিন আসে পশ্চিম থেকে। জেট ইঞ্জিন ব্যবহারের ইন্ডাস্ট্রি নেই। কিভাবে স্বপ্ন দেখবেন স্বাধীন পলিসি নির্মাণের? দেশ যদি ইঞ্জিন ছাড়া না চলতে পারে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে চলার সাধ্য আছে? মূল ক্ষমতা আসলে টাকা না। রাষ...

আবু ত্বহা আদনান এর সাজেস্ট করা ৬ টি বই

  তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি ফয়জুল কালাম (বিষয়ভিত্তিক হাদিস) আর রাহীকুল মাখতুম কিতাবুত তাওহীদ প্রোডাক্টিভ মুসলিম প্যারেন্টিং

পাকিস্তান ট্যুরের নিয়মাবলী

  পাকিস্তান ট্যুরের নিয়মাবলী: 🇧🇩✈️🇵🇰 ভিসা আবেদন: প্রথম ধাপেই অনলাইনে পাকিস্তানের ভিসা আবেদন করতে হবে। সহজেই ঘরে বসে বা কাছের কোনো কম্পিউটার দোকান থেকে আবেদন করা যাবে। বর্তমানে ভিসা ফ্রি হওয়ায় কোন টাকা পয়সার প্রয়োজন নেই। আবেদন সম্পন্ন করার পর আপনি ই-ভিসা পেয়ে যাবেন। ★টিকেট বুকিং: ভিসা পাওয়ার পরেই টিকেট কনফার্ম করতে হবে। উত্তরাঞ্চল ঘুরতে চাইলে লাহোরকে বেছে নিন, কারণ ইসলামাবাদ বা করাচীর তুলনায় লাহোরের টিকেটের দাম তুলনামূলক কম। ঢাকা থেকে লাহোর রাউন্ড ট্রিপের টিকেটের দাম ৫৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করতে পারে। তাই নিজের সুবিধা অনুযায়ী কম খরচের একটি এয়ারলাইন্সের টিকেট বুক করুন। ★লাহোর থেকে ইসলামাবাদ: লাহোর এয়ারপোর্টে পৌঁছে সিটি বাস স্টেশনে যেতে হবে। এখান থেকে কোনো একটি বাসে উঠে ৫ ঘণ্টার জার্নি শেষে পৌঁছাবেন ইসলামাবাদে। বাস ভাড়া প্রায় ১ হাজার টাকা। ★ইসলামাবাদে থাকা: ইসলামাবাদে বিভিন্ন ক্যাটাগরির হোটেল রয়েছে, আপনার বাজেট অনুযায়ী একটি হোটেল বেছে নিন। ইসলামাবাদকে বিশ্বের অন্যতম সুন্দরতম রাজধানী হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাই এখানে কিছুদিন অবস্থান করে শহরটি ঘুরে দেখা দারুণ...

ভাল সিনেমা

  আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হলো- মানুষের জীবনে মুভি দারুণ প্রভাব ফেলে। মুভি আপনাকে হাসাবে, কাদাবে, আ ত্ম হ ত্যা থেকে ফিরিয়ে আনবে, নতুন করে স্বপ্ন দেখাবে.. ✅ আত্মহত্যা করতে ইচ্ছে করছে? আপনার জন্য.. Its a wonderful life Shawshank Redemption Life is Beautiful ✅ জীবনসঙ্গী খুজতে চান? আপনি দেখুন.. Midnight in Paris Mucise Vivah ✅ মনকে আবিস্কার করতে চান? দেখুন তিতলী বাড়িওয়ালী অপরিচিত Raincoat ✅ জীবনে হারতে হারতে ক্লান্ত? দেখুন... Revenant Fall Survival Family ✅ ভাংচুর প্রেমে পড়তে ইচ্ছে করছে? দেখুন- Dilwale Dulhaniya Le jayenge Mohabbatein Before Sunrise The Notebook ✅ স্কুল/কলেজ/ভার্সিটি লাইফ মিস করছেন? দেখুন... 96 Three Idiots Chichoree ✅ তুমুল প্রতিশোধপরায়ন মুভি দেখতে চান? দেখুন... No Mercy City of God Orphan (সাইকো থ্রিলার) ✅ ব্যক্তিত্ব কাকে বলে জানতে চান? দেখুন... অগ্নীশ্বর ✅ আপনি মেডিকেল প্রফেশনাল হলে দেখুন- সাগরিকা সপ্তপদী অগ্নীশ্বর ✅ শিক্ষকতা ভাল লাগলে দেখুন... Dead Poet Society Madam Gita Rani Tare Zamin par ✅ মুভির কল্পনায় হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে? দেখুন.. Apocalypto Per...

মিনিকেট চালের ভাত

  মিনিকেট চালের ভাত গরমকালেও অনেকক্ষণ ভালো থাকে! আহারে! কত ভালো চাল! তাইনা⁉ আসুন জেনে নিই আসলেই কি আমরা ভালো চাল খাচ্ছি? নাকি আবর্জনা? ❌ মিনিকেট নামে কোন ধান চাষ হয় না। তাহলে, এই চাল বাজারে আসে কোথা থেকে? এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ, মিনিকেট চাল তৈরী হয় কারখানায়। 🌾দেশী জাতের ধান (মোটা চালের) চালকলে আসার পর শুরু হয় তেলেসমাতি। প্রথমে ধানের খোসা ছাড়ান হয়। খোসা ছাড়ানোর পর চালের অকৃত্রিম/ন্যাচারাল রঙে কিছুটা খয়েরি/বাদামি আভা থাকে। এরপর কেমিক্যাল ও হোয়াইটনার মেশিনের মাধ্যমে চালের খয়েরি/বাদামি আভার আবরণটিকে আলাদা করা হয়। এই আবরণটি বাদ দেওয়ার পর চাল কিছুটা সরু ও সাদা হয়। এখানেই শেষ নয়, পলিশার মেশিনের মাধ্যমে পলিশ করলেই হয়ে গেলো মিনিকেট চাল। 🗣️এবার প্রশ্নের তীর তাক করে কেউ বলতেই পারেন- মোটা চালকে এতোভাবে প্রসেস করে মিনিকেট বানালে তো চাল ব্যবসায়ীর ক্ষতি। 💥এবার ক্ষতির হিসেবটা করা যাক:- ১০০০কেজি মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানালে সাধারণত চাল পাওয়া যায় ৯৩৩কেজি, সাদা খুদ ২৬.৫ কেজি, কালো খুদ ১৪কেজি, মরা চাল ৪.৫ কেজি, ময়লা ০.৭৫ কেজি এবং পলিশ ২৭ কেজি। যোগ করলে দেখা যায় এক হাজার কেজি চাল প্রসে...

নবী সোলায়মান (আ.) আল্লাহর কাছে যে দোয়া করেছিলেন

  একবার হজরত সোলায়মান (আ.) আল্লাহর কাছে একটি দোয়া করেছিলেন। দোয়াটি আল্লাহর কাছে এত ভালো লেগেছিল যে তিনি দোয়াটি কবুল করে নিয়ে তার মনের আশা পূরণ করে দেন। দোয়াটি কোরআনেও আছে, ‘ রাব্বিগ ফিরলি ওয়াহাবলি মুলকাল্ লায়ামবাগি লিআহাদিম মিন বাদি, ইন্নাকা আনতাল ওয়াহহাব।’ মানে, ‘হে আমার প্রতিপালক, আমাকে ক্ষমা করো, আর এমন এক রাজ্য আমাকে দান করো, আমি ছাড়া কেউ যার অধিকারী হতে পারবে না; তুমি তো মহাদাতা। (সুরা সাদ, আয়াত: ৩৫) হজরত সোলায়মান (আ.)–কে নিয়ে আরেকটি দোয়া কোরআনে আছে, ‘রাব্বি আওজিনি আনআশকুরা নিমাতাকাল্লাতি আনআমতা আলাইয়া ওয়া আলা ওয়ালিদাইয়্যা, ওয়া আন আমালা সালিহান তারদ্বাহু, ওয়া আদখিলনি বিরাহমাতিকা ফি ইবাদিকাস সালিহিন।’ মানে, ‘সোলায়মান ওর কথায় মুচকি হাসল আর বলল, হে আমার প্রতিপালক তুমি আমাকে সামর্থ্য দাও, যাতে আমি তোমার কাছ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি আমার ওপর ও আমার পিতা মাতার ওপর তুমি যে অনুগ্রহ করেছ তার জন্য আর যাতে আমি সৎ কাজ করতে পারি যা তুমি পছন্দ করো, আর তোমার অনুগ্রহে আমাকে তোমার সৎকর্মপরায়ণ দাসদের শামিল করো।’ (সুরা নামল, আয়াত: ১৯) সোলায়মান (আ.)–এর দোয়া কবুলের ব্যাপারে আল্লাহ বলেছেন, ‘তখন আম...

স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার আগে সংযম

  হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-এর নাম হয়তো আপনারা অনেকেই শুনে থাকবেন। তিনি ছিলেন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রা.)-এর ছেলে। পিতার মতো তিনিও ছিলেন ইসলামের একজন প্রসিদ্ধ সাহাবি। একবার আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-এর সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর ঝগড়া বেধে যায়। তাঁরা একজন আরেকজনকে দোষারোপ করতে থাকেন এবং একে অপরের দোষগুলো প্রকাশ করে দিতে থাকেন। একপর্যায়ে রাগের মাথায় আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) ঘর ছেড়ে বের হয়ে যান। তিনি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেবেন। এভাবে ঝগড়া করে একসঙ্গে থাকার চেয়ে আলাদা হয়ে যাওয়াই শ্রেয়। এসব ভাবতে ভাবতে হঠাৎ তাঁর কোরআনের একটি আয়াত মনে পড়ে গেল। আয়াতটি সুরা নিসার ১৯ নম্বর আয়াত, ‘আর তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সঙ্গে সদ্ভাবে বসবাস করো। আর যদি তাদের অপছন্দ করো, হতে পারে তোমরা এমন কিছুকে অপছন্দ করছ, যাতে আল্লাহ তাআলা তোমাদের জন্য অনেক কল্যাণ রেখেছেন।’ আয়াতটিতে আল্লাহ-তাআলা তাঁর বান্দাদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপদেশ দিয়েছেন। মানুষের স্বভাব হলো শুধু নেতিবাচক জিনিসগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া। অথচ আল্লাহ তাআলা সবার ভেতরই কিছু না কিছু ইতিবাচক দিক রেখেছেন। কেউ যখন নেতিবাচক দিকগুলোকে...

মক্কায় ইসলাম গ্রহণকারীদের অন্যতম হাফসা (রা.)

  একবার খলিফা উমর (রা.) এক নারীর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার কী হয়েছে?’ নারীটি বললেন, ‘কয়েক মাস ধরে আমার স্বামী আমার কাছ থেকে দূরে আছে। তাঁকে আমার কাছে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তীব্র হয়ে উঠেছে।’ উমর (রা.) তখন তাঁর মেয়ে হাফসা (রা.)–র কাছে গিয়ে বললেন, ‘আমি তোমার কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানতে চাই। আমাকে সাহায্য করো। স্বামী কত দিন দূরে থাকলে স্বামীকে কাছে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা মেয়েদের মধ্যে তীব্র হয়ে ওঠে?’ হাফসা (রা.) লজ্জায় মাথা নত করে ফেলেন। উমর (রা.) তখন বললেন, ‘আল্লাহ সত্য প্রকাশের ব্যাপারে লজ্জা করেন না।’ হাফসা (রা.) তখন হাতে ইশারা করে বুঝিয়ে দিলেন তিন বা চার মাস। উমর (রা.) নির্দেশ দিলেন, কোনো সৈনিককে যেন চার মাসের বেশি সময় আটকে রাখা না হয়। হাফসা (রা.) ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)–র কন্যা। তাঁর ভাই সাহাবি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা.)। হাফসা (রা.) আবদুল্লাহর চেয়ে ছয় বছরের বড় ছিলেন। বিয়ের বয়স হলে উমর (রা.) বনু সাহম গোত্রের খুনাইস ইবনে হুজাফার সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেন। খুনাইস (রা.) মক্কায় প্রথম পর্বে ইসলাম গ্রহণকারীদের অন্যতম। স্বামীর সঙ্গে হাফসা (রা.) মদিনায়...

ইমান নষ্ট হওয়ার কারণ

  শরিয়তের কোনো সওয়াব বা শাস্তির বিধান নিয়ে ঠাট্টা করা যদি কোনো মুমিন-মুসলমান ইসলামি শরিয়তের কোনো সওয়াবের বা শাস্তির বিধান নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করেন, তাহলে তাঁর ইমান নষ্ট হয়ে যাবে। আল্লাহ–তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন, ‘আপনি বলুন! তোমরা কি আল্লাহর সঙ্গে তাঁর হুকুম-আহকামের সঙ্গে এবং তাঁর রাসুলের সঙ্গে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করছিলে? ছলনা কোরো না। ইমান আনার পর তোমরা কাফির হয়ে গেছ।’ (সুরা তাওবা, আয়াত: ৬৫-৬৬) এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে সুরা জাসিয়ার ৯, সুরা ফুরকানের ৪১-৪২, মুতাফফিফীনের ২৯-৩৩ এবং আলে ইমরানের ১০৬ নম্বর আয়াতেও আলোচনা করা হয়েছে। এক ব্যক্তির ঠাট্টা-মশকরার জবাবে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তাদের বলো! তোমাদের হাসি-তামাশা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াত এবং তাঁর রাসুলের সঙ্গে ছিল? এখন আর ওজর পেশ কোরো না। তোমরা ইমান আনার পর কুফুরি করেছ।’ ( তাফসিরে তারাবি , খণ্ড ১০, পৃষ্ঠা ১৭২) জাদু বা তন্ত্র-মন্ত্রের প্রয়োগে কিছু করার চেষ্টা যদি কোনো মুমিন-মুসলমান জাদুর মাধ্যমে ভালো কিছু অর্জন ও মন্দ কিছু বর্জন করেন এবং প্রকাশ্য ও গোপন তন্ত্র-মন্ত্র বা জাদুর মাধ্যমে মানুষের ক্ষতি সাধন করেন, তাহলে তাঁর ইমান নষ্ট হয়ে যাবে...

৯ মার্চ ১৯৭১ ,মওলানা ভাসানী কর্তৃক প্রচারিত প্রচারপত্রঃ

  ৯ মার্চ ১৯৭১ । একাত্তর সালের আজকের উত্তাল এই দিনে ঢাকার ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত এক বিশাল জনসভায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হমিদ খান ভাসানী ভাষণ দেন। সালের ৯ মার্চের জনসভায় বিলিকৃত ‘পূর্ব পাকিস্তানের আজাদী রক্ষা ও মুক্তিসংগ্রামে ঝাঁপাইয়া পড়ুন’ শীর্ষক মওলানা ভাসানী কর্তৃক প্রচারিত প্রচারপত্রঃ প্রিয় দেশবাসী, আজ আমি সাত কোটি পূর্ব বাংলার সাধারণ মানুষের কাছে এই জরুরী আহ্বান জানাইতে বাধ্য হচ্ছি যে, আপনারা দল, ধর্ম ও শ্রেণী নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ একত্রে এবং একযোগে একটি সাধারণ কর্মসূচী গ্রহণ করুন, যার মূল লক্ষ্য হবে, ২৩ বৎসরের আমানুষিক ও শোষণকারী শাসকগোষ্ঠীর করাল কবল থেকে পূর্ব বাংলাকে সম্পূর্ণ ও চূড়ান্তভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম করা। ১৯৪৭ সালের তথাকথিত স্বাধীনতা হস্তান্তরের ইতিবৃত্ত ও নির্গলিতার্থ এবং তার পরবর্তী অধ্যায়ে নবরূপে শোষণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে শতকরা ৯৮ জন দেশবাসী অবহিত আছেন। এবং সেই জন্যই আজ আমি আহ্বান জানাচ্ছি যে, ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট স্বাধীন-সুখী দেশ প্রতিষ্ঠা করার নামে সমঝোতার মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণীর দেশী শোষকদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে স্বাধীনতার যে প্রহসন সৃষ্টি...

ফাউন্ডিং ফাদার্স

  মুনতাসীর মামুন লিখেছিলেন "বঙ্গবন্ধু একটা অনিচ্ছুক জাতিকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন"। বাস্তব সত্য হলো, গণতন্ত্রকামী আর গণহত্যায় আক্রান্ত একটা জাতি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চাওয়া একজন ব্যক্তিকে জাতির পিতা বানিয়েছে। খুব ডিটেইলড ইতিহাস আছে, শেখ মুজিবকে জোর করে নিউক্লিয়াস স্বাধীন দেশের পতাকা উত্তোলন করিয়েছে, ৭ই মার্চে স্বাধীনতার কথা বলিয়েছে। এমনকি ২৫ মার্চের রাতে তাজউদ্দিন আহমেদ টেপরেকর্ডার নিয়ে শেখ মুজিবের কাছে গিয়েছে স্বাধীনতার ঘোষনা দেবার কথা বলে, শেখ মুজিব বলেন ২৭ই মার্চ হরতাল ডেকেছি, নাকে তেল দিয়ে ঘুমাও। এমনকি ১০ই জানুয়ারী দেশের ফেরার পর শেখ মুজিব একদিনও স্বাধীনতার কান্ডারী তাজউদ্দিনের কাছে জিজ্ঞেস করেন নাই কিভাবে দেশ স্বাধীন হলো। শেখ মুজিবের স্বাধীনতা ব্যাপারে যা অবদান সেটা ৭ই মার্চের ভাষন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। উনি বল্লে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো, যার যা আছে তা নিয়ে ঝাপায় পড়ো। গোটা দেশ সে সময় তার কথায় উঠতো বসতো, অথচ পাকিস্তানীরা যে সৈন্য আর গোলাবারুদ এনে ম্যাসাকার করার আয়োজন করছে এই তথ্য কি তার কাছে ছিলো না? গোটা দেশের সব সরকারী কর্মকর্তা সব অফিস তখন তার কথায় উঠতো বসতো। ...

মেরিলিন মনরো ,কিছু বিস্ময়কর উক্তি

  মেরিলিন মনরো একদিন মোহনীয় অকপটতার সাথে আইন্সটাইনকে বলেছিলেন, “আপনার এবং আমার একসাথে একটি সন্তান হতে পারে: যে আমার সৌন্দর্য এবং আপনার বুদ্ধিমত্তার সাথে বেড়ে উঠবে।” আইন্সটাইন, আপেক্ষিকতা তত্ত্ব ও পারমাণবিক বোমার জনক, উত্তর দিয়েছিলেন, “হয়তো সে আমার সৌন্দর্য এবং আপনার বুদ্ধিমত্তা নিয়ে জন্মাবে।” 🙂 পরে জানা যায়, মেরিলিন মনরোর আইকিউ ছিল ১৬৫, যা “সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা” থেকে পাঁচ পয়েন্ট বেশি! মেরিলিন মনরো (নর্মা জিন বেকার, ১৯২৬-১৯৬২) ছিলেন একজন দুর্দান্ত পাঠক। তার বাড়িতে প্রায় এক হাজার বইয়ের একটি বিশাল লাইব্রেরি ছিল। তিনি সাহিত্য, কবিতা, থিয়েটার, দর্শনসহ বিভিন্ন বিষয়ে পড়তে অনেক সময় ব্যয় করতেন, কারণ তার আত্মায় বেঁচে থাকার ইচ্ছার পাশাপাশি জ্ঞানের প্রতি ছিল অতৃপ্ত কৌতূহল ও ক্ষুধা। এই মহান নারীর কিছু বিস্ময়কর উক্তি হলো: ১. আমার জীবনে ঘটে যাওয়া সেরা জিনিসগুলোর একটি হলো আমি একজন নারী। সব নারীরই এমন অনুভূতি হওয়া উচিত। ২. কুকুর কামড়ায় না। শুধু মানুষই কামড়ায়। ৩. আমি বসন্তের মতো অনুভব করি না। আমি মনে করি , আমি একটি উত্তপ্ত শরৎ। ৪. যখন আপনার মন খারাপ তখন হাসুন। কান্না খুব সহজ...

বাবলা গাছ

  জানার শেষ নাই.. বাবলা গাছেদের আমরা শেষ করে দিচ্ছি অনেকটাই, আফ্রিকার দেশ মালি হাজার একর জমিতে নতুন করে এই বাবলা গাছ রোপণ করেছে, বাবলা কষের যে কোটি টাকার বাণিজ্য হয় আন্তর্জাতিক বাজারে! হাজার হাজার বছর আগে মিসরীয়রা বাবলা গাছের কষ ব্যবহার করতেন নানা ধরনের খাবার তৈরির উপকরণ হিসেবে। খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি সেই সময় থেকেই রং ও ওষুধ তৈরিতেও ব্যবহার হতো গাম অ্যারাবিক নামে পরিচিত এই কষ। গেল শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্তও সারাহা মরুভূমি এলাকায় গাম অ্যারাবিকের ছিল রমরমা বাণিজ্য। কিন্তু জলবায়ু, জ্বালানি হিসেবে বাবলা গাছের অতিমাত্রার ব্যবহার ও রাজনৈতিক কারণে ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে সহস্রাব্দ-প্রাচীন সেই বাণিজ্যের পসার। মিসর, সুদান, মালি, কেনিয়াসহ অনেক দেশে গুরুত্বপণ্য রপ্তানিযোগ্য পণ্যটির উৎপাদন নেমে আসে মাত্র ৫ থেকে ১০ শতাংশে। আফ্রিকার দেশ মালিতে ১৯৬০ সালের দিকেও ১০ হাজার টনের বেশি অপরিশোধিত গাম অ্যারাবিক উৎপাদিত হতো। বর্তমান বাজার দরে তার দাম ছিল অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু জ্বালানি হিসেবে বাবলা গাছের অতিমাত্রার ব্যবহার ও রাজনৈতিক কারণে এই কষের উৎপাদন ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে...

ঢাকার ১০০টি সুস্বাদু খাবারের তালিকাঃ

  ঢাকার ১০০টি সুস্বাদু খাবারের তালিকাঃ 🔴 ১. বেচারাম দেউরীতে অবস্হিত নান্না বিরিয়ানি এর মোরগ-পোলাও। ২. কামালের বিরিয়ানী৷ ৩. খিঁলগাও এর ভোলা ভাই বিরিয়ানী এর গরুর চাপ এবং মুক্তা বিরিয়ানী এর গরুর চাপ, খাসীর চাপ এবং ফুল কবুতর। ৪. মতিঝিলের ঘরোয়া হোটেল এবং হীরাঝীলের ভূনা খিচুড়ী। ৫. হোটেল আল-রাজ্জাকের কাচ্চি+গ্লাসি। ৬. লালমাটিয়ার স্বাদ এর তেহারী। ৭. নবাবপুর রোডে হোটেল স্টার এর খাসীর লেকুশ, চিংড়ি, ফালুদা। ৮. নয়াপল্টনে হোটেল ভিক্টোরীতে ৭০টি আইটেমের বুফে। ৯. হাতিরপুল মোড়ে হেরিটেজ এর শর্মা। ১০. ধানমন্ডির কড়াই গোশত এর ইলিশ সস। ১১. মোহাম্মদপুর জেনেভা/বিহারী ক্যাম্পের গরু ও খাশির চাপ। ১২. মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের সামনের বিহারী ক্যাম্পের "মান্জারের পুরি" ১৩. চকবাজারের শাহ সাহেবের বিরিয়ানী। ১৪. মিরপুর-১০-এর শওকতের কাবাব। ১৫. নারিন্দার শাহ সাহেবের ঝুনার বিরিয়ানী। ১৬. ইংলিশ রোডের মানিকের নাস্তা। ১৭. গুলশানের কস্তুরির সরমা। ১৮. রয়্যালের বাদামের শরবত লালবাগ। ১৯. পুরান ঢাকার মদিনা হোটেলের লুচি-ডাল৷ ২০. নাজিরা বাজারের হাজীর বিরিয়ানী। ২১. জেলখানা গেটের পাশে হোটেল নিরবের ব্রেন ফ্র...

কেউ বেশি দিন কারো ‘প্রিয়’ থাকে না

  কেউ বেশি দিন কারো ‘প্রিয়’ থাকে না। . এই দুনিয়াতে বেশি দিন কেউ কারো ‘প্রিয়’ থাকেনা। কেউ না। শতভাগ উজাড় করে ভালবেসেও কারও হৃদয়ের সবটুকু জায়গা দখল করা সম্ভব হয় না। উল্টো অশান্তি আর ডিপ্রেশন আপনাকে আঘাত করবে। আপনার জীবনের প্রশান্তি নষ্ট করবে আপনারই প্রিয় মুখগুলো, যাদেরকে খুশি করতে আপনি আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। . শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহিমাহুল্লাহর ভাষায়, ‘‘দুনিয়াতে কেউ কারও ষোলো আনা আপন হয় না। যে স্ত্রীকে আপনি আপন ভাবছেন, সে দুই ঘণ্টা কথা শুনে, তো চার ঘণ্টা ঝগড়া করবে। যে সন্তানকে আপন ভাবছেন, সে এখন আপনার অনুগত হলেও একটু পরই অবাধ্য হয়ে যাবে। যে মাকে আপনি সবচেয়ে বেশি আপন ভাবছেন, তিনিও আপনার আরেক ভাইয়ের কানকথা শুনে (প্রভাবিত হয়ে) আপনার পর হয়ে যাবে। সুতরাং দুনিয়াতে কেউ কারও ষোলো আনা আপন হয় না। কেউ না। আমাদের এই জীবনটা স্রেফ মানুষকে খুশি রাখার একটা সংগ্রাম মাত্র। আমরা ছোটোবেলায় মা-বাবাকে খুশি করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু ষোলো আনা পারিনি। বন্ধু-বান্ধবকে খুশি করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু ষোলো আনা পারিনি। বিয়ের পর স্ত্রীকে খুশি করার চেষ্টা করেছি, তাও ষোলো আনা পারিনি! কর্মক্ষেত্রে, ব্যক্তিজীবন...