Skip to main content

Posts

Showing posts from April, 2026

কমার্শিয়াল ফার্মিং

  ক্লায়েন্ট MNC এর উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা। বেতন ৬ লক্ষ টাকা। বয়স যেহেতু বেশি, রিটায়ারমেন্ট এর আগে একটি ব্যবসা করে সেটেল হতে চান। কিন্তু কি করা যায়? বন্ধুরা পরামর্শ দিল তারা গ্রামে মাছের প্রজেক্ট করবে, তিনি কেবল ইনভেস্টর হিসেবে থাকবেন। ৭০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে বছরে নাকি ৩০ লক্ষ টাকা লাভ হবে। আমি বিস্ফোরিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললাম, "কী??" ছোট বেলা থেকে ঢাকা থাকলেও নিয়মিত গ্রামে যাতায়াত। দেশী মাছ চাষ করে যে জীবন বর্ডার লাইনে থাকে সেই হিসাব আসলে জীবন দিয়ে দেখা। মাছ এলাকায় পৈতৃক নিবাস। এত লাভ যদি এই ব্যবসায় হতো গ্রামে গরীব থাকা তো দূরে থাক বাংলাদেশে অন্য কোনো ব্যবসা থাকতো না। সত্যি কথা বলতে আমি নিজেও ছোট খাট একজন কৃষক। আপনি যদি কেমিক্যাল ইউজ না করেন কৃষিতে পোষাতে পারবেন না। গরুর দুধ বলেন কি তরকারি, মুরগি বলেন কি ফল হেভি কেমিক্যাল ইউজ করেই লাভ করতে হবে। অন্যথায় খাবারের যেই দাম তাতে পোষাতে পারবেন না। কৃষি একটা ফ্যান্টাসি। ব্যবসা হিসেবে করা খুব কঠিন। সেজন্য বাংলাদেশে অল্প কিছু ক্ষেত্র বাদে কমার্শিয়াল ফার্মিং হয় নাই। সমস্ত সেক্টর প্রান্তিক কৃষকদের হাতে যারা জীবনে দরিদ্র থেকে...

সন্তান প্রতিপালনে ধর্মের দাবি

  সত্যিকারের সফলতা বলতে কী বোঝায়? বৈষয়িক সম্পদ, প্রাচুর্য, নাকি দৃঢ় ইমান ও আল্লাহর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক? আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে আছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা, যাঁরা তোমাদের চেয়ে ওপরে আছেন, তাঁদের দিকে তাকিয়ো না; বরং যাঁরা তোমাদের চেয়ে নিচে আছেন, তাঁদের দিকে তাকাও। কারণ, এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি প্রদত্ত নেয়ামতকে তুচ্ছ মনে করা থেকে তোমাদের বিরত রাখবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬,৪৯০; মুসলিম, হাদিস: ২,৯৬৯) এই হাদিস আমাদের শেখায় কৃতজ্ঞতা ও সন্তুষ্টির মাধ্যমে জীবন যাপন করতে। কিন্তু আমরা কি আমাদের সন্তানদের এই দৃষ্টিভঙ্গি শেখাচ্ছি? নাকি আমরা তাদের শিখিয়ে দিচ্ছি যে দুনিয়ার সাফল্য উচ্চ গ্রেড, সম্পদ, ক্যারিয়ার—ধর্মের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ? এক রিকশাচালকের গল্প ফেসবুকে একটি গল্প ভাইরাল হয়েছিল, যেখানে এক রিকশাচালক তাঁর জীবনের কথা বর্ণনা করেছেন। বৈষয়িক দৃষ্টিকোণে তাঁর জীবন সাধারণ মনে হতে পারে, কিন্তু আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণে এটি একজন মায়ের অসাধারণ সাফল্যের গল্প, যিনি তাঁর সন্তানের মধ্যে দৃঢ় ইমান গড়ে তুলেছেন। গল্পটি এমন— ‘ছোটবেলায় আমার মা প্রায়ই আমাকে...

ভবিষ্যত জীবনকে কিছুটা নিরাপত্তা

  নিজের মেয়েকে সম্ভব হলে একটা জমি কিনে দিবেন বা ফ্ল্যাট কিনে দিবেন। এটা তার ভবিষ্যত জীবনকে কিছুটা নিরাপত্তা দিবে। ধরুন, হটাৎ করে ৪৫ বছর বয়সে আপনার মেয়ে একা হয়ে গেল। তার হাসবান্ড তাঁকে ছেড়ে দিল বা মারা গেল। এই জমি বা ফ্ল্যাট তখন একটা আশ্রয় দিবে। মানুষের কাছে তাঁকে ছোট হতে হবে না। মেয়েদের ভয় দেয়া উচিত না যেটা আজকের সমাজ নানাভাবে দেয়। কিন্তু তাকে প্রস্তুত করা উচিত যে কোনও বিপদ তারা যেন মোকাবিলা করতে পারে। ================================== 3 reasons women are scared of marriage nowadays : 1. She grew up watching her mother sacrifice a lot of things and get taken for granted. She doesn’t fear marriage, she fears becoming her mothers story. 2. She watched women ask for permission to meet friends, meet her own parents, spend money. She refuses to stay in a home where she needs permission to simply exist. 3. She has a career, her own dreams she built with hardwork. She fears that she may have to sacrifice all of it and not get supported. ================================...

কখনো না বলি— ‘দোয়া কবুল হয়নি’

  আমাদের জীবনের দুঃখ, দুর্দশা লাঘবের অন্যতম হাতিয়ার হলো দোয়া। দোয়ার মাধ্যমেই মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়। কখনো কখনো আল্লাহর কাছে সবিনয় নিবেদনের মধ্য দিয়ে আমাদের অনেক দুর্লভ বস্তুও সহজলভ্য হয়ে যায়; আবার কখনো কখনো শত দোয়ার ফলেও আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নপূরণ হয় না। ফলে আমরা হতাশ হয়ে পড়ি; একরাশ অভিযোগ অনুযোগ নিয়ে আল্লাহর সঙ্গে অভিমান করে দোয়া করা ছেড়ে দিই। দোয়া কবুল হওয়া সম্পর্কে আমাদের এই ভুল ধারণার প্রধান কারণ হলো আমাদের অধৈর্য। আল্লাহ আমাদের শুধু দোয়া করার নির্দেশই দেননি; বরং দোয়া করার পাশাপাশি ধৈর্য ধারণ করার নির্দেশও দিয়েছেন, এ কথা আমরা রীতিমতো ভুলে যাই। পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হে মুমিনরা, তোমরা সাহায্য প্রার্থনা করো ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে, নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা বাকারা : ১৫৩) অর্থাৎ, আল্লাহর সাহায্য পেতে হলে সর্বাবস্থায় আল্লাহর কাছে দোয়া করাটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ধৈর্য ধারণ করাটাও তেমনি গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় আমাদের দোয়া কবুল না হলে আমরা ভাবি, আল্লাহ হয়তো আমার ডাকে সারা দেন না। ফলে নিজেকে সর্বদা হীন ভাবতে শুরু করি। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়াল...

ব্যবসা থেকে মাসে বেতন নিন

  একজন নারী উদ্যোক্তা বললেন প্রোডাক্ট সেল হচ্ছে ভালো কিন্তু ব্যবসা বড় হচ্ছে না। হাতে কিছু টাকা আসলেই খেয়ে ফেলেন। ঘুরে, কিনে, খাওয়া দাওয়া করে বা বিভিন্ন ভাবে শেষ করে ফেলেন। অতি কমন সমস্যা। এখন কি করা উচিৎ? বললাম, " আপনি ব্যবসা থেকে মাসে বেতন নিন। সেল দুই লক্ষ টাকা হলে দশ হাজার টাকা বেতন নিবেন মাসে। যদি সেল বৃদ্ধি করতে না পারেন বেতন বাড়বে না। সেল কমে গেলে বেতন কমে যাবে।" শুনে মনে হয় খুশি হলেন। আশা করি পারবেন। না পারলে বলতাম জয়েন্ট সিগনেচার একাউন্ট করতে যেখানে টাকা তোলার আগে দুইজনের সাইন লাগবে। মাসে দশ হাজার এর পরে আর টাকা তুলতে পারবে না এমন কাউকে সাইন করতে দিয়ে দিতাম। ব্যাবসা বাড়লে হাতে বেতন বেশি আসতো। অন্যথায় শূন্য। তাহলে খরচ করার ইচ্ছা ব্যবসাকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতো। এভাবে দুর্বলতা শক্তিতে পরিণত হতে পারতো। মোহাইমিন পাটোয়ারী অনেকেই আমার সাথে দেখা করে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও পরামর্শ করতে চান। ব্যস্ততার কারণে সময় দিতে পারি না। তাই কনসালট্যান্সি সার্ভিস আকারে সেবা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যাতে সীমিত পরিসরে সেবা প্রদান করতে পারি সেবা মূল্যের বিনিময়ে। এই ফর্মটি পূর...

তাযকিয়ার কতগুলো পথ

  প্রিয় ভাই বোনেরা, বাহিরের পৃথিবীটা আপনার জন্য যতই বেদনাদায়ক বা হতাশাজনক হউক না কেন, আপনি ধনী হোন বা দরিদ্র হোন তাতে কিছু যায় আসে না, আপনি পুরুষ হোন বা নারী হোন তাতে কিছু যায় আসে না, আপনার পরিবার থাকুক বা আপনি একা থাকেন তাতেও কিছু যায় আসে না, আপনি বিশাল ক্ষমতার অধিকারী সম্রাট হোন বা জেলে থাকুন তাতেও কিছু যায় আসে না—এভাবে মানব জাতির প্রতিটি সদস্যের জন্য অপার সম্ভাবনার এক পথ নিজের ভেতরেই লুকায়িত আছে। জাস্ট নিজের আত্মশুদ্ধির উপর ফোকাস করুন, অন্তরটাকে পবিত্র করে তুলুন আর এভাবে সেরাদের মাঝে সেরাতে পরিণত হোন। আল্লাহ তাআলা বলেন—"কাদ আফলাহা মান যাক্কাহা। সেই সফলকাম হয়েছে যে নিজ আত্মাকে পবিত্র করেছে।" তাই, আল্লাহ তায়ালা আমাদের জানাচ্ছেন তোমার নিজের ভেতরেই আছে তোমার সফলতার সিক্রেট আবার তোমার নিজের ভেতরেই নিজের ব্যর্থতার কারণগুলো লুকায়িত আছে। তাযকিয়ার কতগুলো পথ আপনাদের সংক্ষেপে বাতলে দিচ্ছি। ১। আল্লাহর কাছে দুয়া করুন তিনি যেন আমাদের অন্তরগুলো পবিত্র করে দেন। ২। গোপনেও কিছু ইবাদাত করুন। কিছু দান গোপনে করুন। ৩। আত্মসমালোচনা করুন। ৪। তাওবা করুন। ৫। তাওবা করাটাকে অভ্যাসে পরিণত ...

দুনিয়ার পরিস্থিতি যত খারাপই হোক না কেন.....

  দুনিয়ার পরিস্থিতি যত খারাপই হোক না কেন, আপনার অন্তর যদি আখিরাত নিয়ে মগ্ন থাকে, আপনার অন্তর যদি আল্লাহর ভালোবাসায় সিক্ত থাকে—তখন লক্ষ্য করবেন আপনার হৃদয় কখনো হতাশার অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়ে না, পরকালে ভালো কিছু পাওয়ার আশায় অন্তরটি সবসময় আলোকিত থাকে। আশার প্রদীপটি কখনো নিভে যায় না। পক্ষান্তরে দেখুন, আপনি যদি স্রষ্টায় অবিশ্বাসী হয়ে থাকেন, জীবনে যদি ধর্মকর্ম অনুপস্থিত থাকে, যদি আপনার সমগ্র অস্তিত্ত্ব শুধুই দুনিয়ার এ জীবন নিয়ে কিন্তু তবু দুনিয়া আপনার ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে গেলো, দুনিয়াতে ব্যর্থ হলেন—তখন আপনি ভয়াবহ এক সমস্যায় নিপতিত হবেন। হতাশার অমানিশা চার দিক থেকে আপনাকে ঘিরে ধরবে। ডিপ্রেশনে পড়ে যাবেন। এমনকি আত্মহত্যার মতো জঘন্য সম্ভাবনাও দেখা দিবে। সব ধরণের নেতিবাচক অনুভূতিগুলো আপনার অন্তরে জেঁকে বসবে। কিন্তু যদি দুনিয়ার জীবনটাকে পরকালের সাথে যুক্ত করেন... যখন উপলব্ধি করবেন যে, হ্যাঁ, আমি দুনিয়াতে সফল হতে চাই, কিন্তু যদি কোনো কারণে ব্যর্থ হই, আমার জন্য তো পরকাল আছেই। যদি এই মানসিকতা অন্তরে লালন করতে পারেন, হঠাৎ করেই তখন নিজের ভেতর উত্তেজনা অনুভব করবেন। হঠাৎ করেই তখন নিজের ভেতর এ...

জীবন সুদে জর্জরিত

  একজন গ্রাহকের জীবন সুদে জর্জরিত। বেতন অনেক বেশি। অনেক মানে অনেক। কিন্তু এত রকম ঋণে পিষ্ট যে সুদ ছাড়া কোন টাকা থাকে না। প্রায় পাঁচ জায়গায় নিয়মিত সুদ দিয়ে যান লাখ লাখ টাকা। সংসার চলে আয় ব্যয়ের সমান সমানে। আমার কাছে জিজ্ঞেস করলেন "কোথায় বিনিয়োগ করতে পারি?" আমি একটা কথাই বলতে থাকলাম - যত টাকা আয় করেন সবটা দিয়ে আগে সুদ মুক্ত হন। তারপরে আসেন। তিনি তারপরও বিভিন্ন ভাবে জানতে চাইলেন। আমি বললাম ভাই মনে করেন আপনি নেতানিয়াহু কে টাকা দিচ্ছেন কেবল ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য। দিবেন? তিনি বললেন না। কুরআন মোতাবেক আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ হচ্ছে সুদ। আপনি তো সেই নিকৃষ্ট কাজই করছেন। আমি তো বলছি না সব পাপ ছেড়ে দেন। আপনি সুফি হন। কিন্তু তাই বলে কি ইজরাইলের সেনাবাহিনীর হাতে অস্ত্র তুলে দিবেন? ভদ্র লোক চিন্তায় পড়ে গেলেন। আমি বললাম আপনার যদি মনে হয় আপনি অসন্তুষ্ট আমাকে পে করার প্রয়োজন নেই। মানি ব্যাক গ্যারান্টি আছে সকল কাউন্সেলিং এ। তিনি কিছুক্ষন চিন্তা করলেন। আসলে সুদের থেকে মুক্তি পেতেই আমার কাছে এসেছেন। আমি যথা রীতি পথ দেখালাম। কঠিন পথ। উনি চিন্তায় পড়ে গেলেন। তারপরে বল...

যেই শক্তি আজ পাকিস্তানকে পঙ্গু করে ফেলেছে

  পাকিস্তানে পেট্রোলের দাম ৪৩% বেড়ে ৪৫৮ রুপি এবং ডিজেলের দাম ৫৫% বেড়ে ৫২০ রুপিতে দাঁড়িয়েছে—যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর জন্য দায়ী কে? সরকার? ইরান? সেনাবাহিনী? অথচ যেই শক্তি আজ পাকিস্তানকে পঙ্গু করে ফেলেছে তাদের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুলবে না। ভারত আজ সামরিক প্রযুক্তি ও জ্বালানি খাতে আরো সয়ংসম্পূর্ন তার কারণ রাশিয়া। এদিকে সাদা প্রভুর মন রক্ষা করতে পাকিস্তান রাশিয়ার সাথে কোন জ্বালানি চুক্তি করে নাই। ইরানের সাথে গ্যাস পাইপলাইন চুক্তি শেষ পর্যায়ে বাতিল করেছিল ২০১৪ তে। সেই জায়গায় অত্যন্ত ব্যয়বহুল বিকল্প ( জাহাজে গ্যাস পরিবহন) বেছে নিয়েছে। তাও কেবল আমেরিকার মিত্র দেশ গুলোর থেকে। এভাবে ডলার খুইয়ে আবার সাদা প্রভু থেকে ঋণ নিয়ে বিপদে আছে। ঠিক সেই মুহূর্তে ( খুব সম্ভবত উপরের নির্দেশে) আফগানিস্তান আক্রমণ করছে। ঠিক এমন সময় মরার উপর খাড়ার ঘা। আমেরিকা হুদাই যুদ্ধ বাঁধিয়ে দিল। আর পাকিস্তান পঙ্গু হয়ে গেল। প্রায় প্রতি রাতে আমি জ্বালানি সংকটের আপডেট নেই। সারা বিশ্ব জুড়ে যত দেশ আছে তার মধ্যে সর্বোচ্চ খারাপ অবস্থানে পাকিস্তান। কিন্তু তার পাশেই জ্বালানির ডিপো। এর জন্য দায়ী কে সেইটা সবাই...

কোরআনের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে ‘কোরআন জার্নালিং’

  নিয়মিত কোরআন পাঠ করেন, এমন কাউকে আমরা যখন জার্নালিং করেন কি না জিজ্ঞাসা করি, প্রথমেই তাঁরা অবাক হন। অনেকে বিষয়টি বুঝতেই পারেন না ‘কোরআন জার্নালিং’ কী? কোরআন জার্নালিং হলো আপনার একটি ব্যক্তিগত নোটবুক, যেখানে আপনি কোরআনের আয়াত থেকে শিক্ষা, অনুভূতি ও বাস্তব জীবনে তা প্রয়োগ করার উপায় লিখবেন। এটি কোরআনের সঙ্গে গভীর সংযোগ তৈরির এক অসাধারণ মাধ্যম। যাঁরা কোরআনকে আরও ভালোভাবে বুঝতে চান, অথচ নিয়মতান্ত্রিক মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়ার সময় বের করতে পারেন না, তাঁদের জন্য এটি একটি অনন্য উপায় হতে পারে। একটা ছোট কোরআন নোটবুক রাখুন। এটা আপনার জীবন বদলে দেবে। নোটবুকের সঙ্গে সঙ্গে সমৃদ্ধ হবে আপনার জীবন। কোরআন জার্নালিং হলো আপনার একটি ব্যক্তিগত নোটবুক, যেখানে আপনি কোরআনের আয়াত থেকে শিক্ষা, অনুভূতি ও বাস্তব জীবনে তা প্রয়োগ করার উপায় লিখবেন। কীভাবে? যখনই কোরআন পড়বেন, তখন অর্থগুলোও ৫ থেকে ১০ মিনিট মন দিয়ে পড়ুন। যেখানে চোখ আটকে যাবে বা হৃদয় বিগলিত হয়ে অশ্রু ঝরবে, সে শব্দগুলো লিখে রাখুন। একই সঙ্গে এ সময় নিজের জীবনের যে ঘটনাগুলো মনে পড়বে, তা–ও লিখুন। আল্লাহর কোন প্রতিশ্রুতি শুনে শান্তি লাগছে, লিখে রাখুন। কোর...

কোরআনের প্রধান ৭টি বিরতি চিহ্ন চিনে নিন

  পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের নির্দিষ্ট নিয়ম ও পদ্ধতি রয়েছে, যাকে পরিভাষায় ‘তাজবিদ’ বলা হয়। তেলাওয়াতের সময় সঠিক জায়গায় থামা এবং সঠিক জায়গা থেকে পুনরায় শুরু করা অর্থ বোঝার জন্য অত্যন্ত জরুরি। কোরআনের এই বিরতি চিহ্নগুলোকে বলা হয় ‘ওয়াকফ’। কোরআন পাঠের সময় কোথায় থামবেন, কতটুকু থামবেন, কোথায় না–থেমে মিলিয়ে পড়বেন, তা বুঝতে ওয়াকফ বা বিরতি চিহ্নগুলো চেনা জরুরি। সঠিক নিয়মে না থামলে অর্থ বদলে যেতে পারে; কোরআন পাঠের আদবের খেলাফ এবং পাপের কারণ। অনেক সময় না বুঝে ভুল জায়গায় থামলে আয়াতের অর্থ বিকৃত হয়ে যেতে পারে। তাই শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াতকারীকে অবশ্যই এই চিহ্নগুলোর গুরুত্ব বুঝতে হবে। কোরআন তেলাওয়াতের প্রধান ৭টি বিরতি চিহ্ন ও সেগুলোর নিয়ম আলোচনা করা হলো: ১. আবশ্যিক বিরতি আয়াতের মধ্যে যখন ছোট ‘মিম’ (مـ) চিহ্নটি দেখা যায়, তখন সেখানে থামা বাধ্যতামূলক। একে বলা হয় ‘ওয়াকফে লাজিম’। এখানে না থেমে তেলাওয়াত চালিয়ে গেলে আয়াতের অর্থ পুরোপুরি বদলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এই চিহ্নটি দেখামাত্রই পাঠককে তেলাওয়াত থামাতে হবে। ২. অনুমোদিত বিরতি আরবি ‘জীম’ (ج) চিহ্নটি দিয়ে বোঝানো হয়, এখানে থামা জায়েজ বা অনুমোদিত। একে বল...