Skip to main content

Posts

Showing posts from January, 2025

সানডে মানডে ক্লোজ কইর‍্যা দেয়া

  আমাদের এই মুহুর্তে করণীয়। ১/ প্রফেসর ইউনুসের সরকারকে সর্বাত্মকভাবে সহায়তা করা। ২/ প্রফেসর ইউনুসকে উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠনের জন্য চাপ দেয়া। দক্ষ, তরুণদেরকে উপদেষ্টা পরিষদে অন্তর্ভুক্ত করা। ৩/ দেশের মধ্যে আওয়ামী লীগারদের দাবড়ানির উপ্রে রাখার জন্য সব রকমের কৌশল নেয়া। আওয়ামী লীগের পক্ষে কেউ কথা কইলেই দাবড়ানি দেয়া। তারপরে ওর ইনকাম ট্যাক্স ফাইল নিয়া টান দেয়া। ৪/ দেশের বাইরে যারা আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করতেছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের ফরেইন মিশনগুলোকে সক্রিয় করা। এদের সবার সানডে মানডে ক্লোজ কইর‍্যা দেয়া সম্ভব। ৫/ পুলিশে যারা অসহযোগিতা করতেছে তাদের নির্দয়ভাবে অব্যাহতি দেয়া। তারপরে ধইর‍্যা ধইর‍্যা ইনকাম ট্যাক্স ফাইল নিয়া টান দেয়া। সবার সম্পদের খোজ নেয়া। ৬/ ভারতীয় সকল ইন্টারেস্টকে সকল পণ্যকে বর্জন করা। ইন্ডিয়ার সাথে লটরপটর যারা করতে যাবে তাদের সামাজিক লজ্জা দেয়া। ৭/ মিডিল ক্লাস আপার মিডিল ক্লাসের মধ্যে যারা আওয়ামী লীগের পক্ষে আওয়াজ তুলতেছে কাজ করতেছে তাদের দৌড়ানির উপরে রাখা। তাদের সোশ্যাল মিডিয়া ফলো করা। এদের সবার হয় ইনকাম ট্যাক্স ফাইলে গেঞ্জাম বা অপ্রদর্শিত আয় আছে। ফাইল ওপেন করেন প্য...

ইন্ডিয়ার মুল প্লান

  মুক্তিযুদ্ধ মানে বাংলাদেশ ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান মানে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের পর কি হয়েছে, তা নিয়ে সমালোচনা করুন। ইতিহাস পর্যালোচনা করুন। কোন সমস্যা নেই। এমনকি মুক্তিযুদ্ধের সময়ে কি কি ঘটেছে, তা নিয়েও তর্ক উঠতে পারে। কিন্তু, সেসবই হবে মুক্তিযুদ্ধকে মেনে নিয়ে। যেমন, শেখ মুজিবের ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠা নিয়ে আমরা বলব। উনি ফ্যাসিস্ট ছিলেন। কিন্তু, বাংলাদেশের জন্মে অনেক জাতীয় নেতৃত্বের মতন উনার অবদান অনস্বীকার্য। তাই, আমরা '৭২ পূর্ব শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রাপ্য গুরুত্ব দিব। মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ ফ্যাসিস্ট হতে পারেন, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ ছিল আপামর জনগণের লড়াই। মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশের ফ্যাসিস্ট, ইসলামফোবিক ও খুনী হয়ে ওঠার কারণে আপনি খোদ মুক্তিযুদ্ধ বা সকল মুক্তিযোদ্ধাদের অস্বীকার কিংবা প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারেন না। এটা রাষ্ট্রের ভিত্তির সাথে গাদ্দারি! আমরা ভুলে যাই, মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী ১০ বছরের ইতিহাস ছিল, ফ্যাসিস্ট মুজিববাদী মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতবিরোধী, দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যকার লড়াইয়ের ইতিহাস। কিন্তু, সেজন্য আধিপত্যবাদবিরোধী কোন মুক্তিযোদ্ধা খোদ মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করার দু:সা...

রাগ সংবরণ করার উপায় নিয়ে মহানবী (সা.)এর পরামর্শ

  রাগ চরম বিধ্বংসী। শুধু অন্যের জন্য নয়, নিজের জন্যও। এ কারণে নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘আদম সন্তানের অন্তর একটি উত্তপ্ত কয়লা।’ (তিরমিজি)। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল অবস্থায় ব্যয় করে ও যারা ক্রোধ সংবরণ করে আর মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল, আল্লাহ্ (সেই) সৎকর্মপরায়ণদেরকে ভালোবাসেন।।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৩৪)। আল্লাহ বলেন, ‘আসলে তোমাদেরকে যা-কিছু দেওয়া হয়েছে তা পার্থিব জীবনের ভোগ, কিন্তু আল্লাহ্র কাছে যা আছে তা আরও ভালো ও আরও স্থায়ী-তাদের জন্য যারা বিশ্বাস করে ও তাদের প্রতিপালকের ওপর নির্ভর করে, যারা গুরুতর পাপ ও অশ্লীল কাজ থেকে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রাখে, আর রাগ করেও ক্ষমা করে দেয়, (সুরা আশ-শুরা, আয়াত: ৩৬- হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আত্মসংযম ও ধৈর্যশীলতা ছিল অপরিসীম। তাঁকে অপমান, অপদস্থ ও শারীরিক নির্যাতন করার পরও তিনি অসংখ্যবার অসামান্য ধৈর্য দেখিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘যে নিজের ক্রোধ চরিতার্থ করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তা সংবরণ করে, আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন সমগ্র সৃষ্টির সামনে ডেকে আনবেন এবং জান্নাতের যেকোনো হুর নিজের ইচ্ছামতো বেছে নেওয়ার অধিকার দান করবেন।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৪,১৮৬)। রাসুল...

মিডিয়াতে অপপ্রচার ও আমাদের দায়িত্ব

  মিডিয়াতে অপপ্রচার ও আমাদের দায়িত্ব - ইউনুছ আব্দুদ্দাইয়ান আগেকার দিনে চিঠি বা দূত পাঠিয়ে সংবাদের আদান প্রদান হতো। আল্লাহর রাসূল (সা) মাঝে মধ্যে পাহাড়ের উপরে উঠে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদান করতেন যাতে করে দুরবর্তী লোকেরাও তাঁর কথা শুনতে পায় এবং তাঁকে দেখতে পান। রাসূলে কারীম (সা) মাঝে মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাটিতে লাঠি দ্বারা চিত্র অংকন করে সাহাবায়ে কেরামকে বুঝাতেন। কালপরিক্রমায় প্রিন্টেড ও ইলেক্ট্রনিক এই দুই ধরনের মিডিয়ার সাথে আমরা পরিচতি হই। বর্তমানে এর সাথে যোগ হয়েছে অনলাইন ও সোশাল মিডিয়া। মূলত সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন, লিফলেট, পোস্টার, ওয়েবসাইট প্রভৃতির মাধ্যমে ঘরে বসেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের খবর জানা যায়। বিশেষভাবে অনলাইন ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে যেকোন সংবাদ বিশ্বের আনাচে কানাচে অতিদ্রুত ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব। এরফলে জনমত গড়ে উঠে। আরব বসন্তের কথা আমরা জানি। আরব বসসন্ত ও পরবর্তীতে পৃথিবীর কয়েকটি দেশে সরকার পরিবর্তনে কিংবা সরকার বিরোধী বিক্ষোভে জনমত গঠনে সোশাল মিডিয়া তথা টুইটার, ফেইসবুক ও ব্লগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আজকের তরুণ সমাজ অনলাইন মিডিয়ার প্রতি বেশি আকৃষ্ট। অড...

সৌদি আসতে চাইলে, টিকার সার্টিফিকেট

  ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে কেউ সৌদি আসতে চাইলে, তাঁর এই টিকার সার্টিফিকেট আবশ্যক। যারা ওমরাহ করার পরিকল্পনা করছেন, উনারা সার্টিফিকেটসহ এয়ারপোর্টে আসিয়েন। অন্যথায়, পরবর্তীতে শুধু শুধু বাড়তি ঝামেলায় পড়ার সম্ভবনার পাশাপাশি টিকেটও বাতিল হতে পারে। বাংলাদেশে কোয়াড্রিভ্যালেন্ট নিসেরিয়া মেনিনজাইটিস ভ্যাকসিন (যা পলিস্যাকারাইড বা কনজুগেট ধরনের হতে পারে) পাওয়ার প্রক্রিয়া নিম্নরূপ: কোথায় ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে? ১. সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র: জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বিভাগীয় শহরের সিভিল সার্জন অফিসে যোগাযোগ করুন। কিছু বড় সরকারি হাসপাতালেও এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। ২. বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক: কিছু বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকেও এই টিকা সরবরাহ করা হয়। এদের সাথে যোগাযোগ করার আগে টিকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করুন। ৩. আইইডিসিআর (IEDCR): সংক্রামক রোগের চিকিৎসা ও টিকার জন্য আইইডিসিআরে যোগাযোগ করতে পারেন। ৪. হজ সম্পর্কিত সেবাকেন্দ্র: যারা হজ করতে যাবেন, তাদের জন্য ঢাকায় সৌদি দূতাবাস এবং সরকারি হজ অফিস থেকে টিকার সেবা দেওয়া হয়। --- কিভাবে ভ্যাকসিন নিতে হবে? ১. নিবন...

দ্রব‍্যমুল‍্যের লাগাম

  গত ৫ মাসে ড: মুহাম্মদ ইউনূস দ্রব‍্যমুল‍্যের লাগাম টেনে ধরেছেন ।লু"ট হওয়া ব‍্যাংকগুলোকে বন্ধ না করে ধিরে ধিরে বাচিঁয়ে তুলছেন ! ২০০ টাকার পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি, ৪০০ টাকার কাঁচা মরিচ ৫০ টাকা কেজি, ১০০ টাকার তরকারি এখন ৪০/৫০ টাকা। দাম বাড়লে আমরা পোস্ট দেই বলি আগেই ভাল ছিলাম কমলে পোস্ট দেই না ! এটা মো"না"ফে"ক"দে"র কাজ ! থ্রী জিরো থিউরীর জন্য উনি আবার নোবেল মঞ্চে দাড়াবেন হয়ত ! উনি চা বিক্রেতা নন । তিনি একজন উচ্চশিক্ষিত ভদ্রলোক । ভালো কাজের প্রশংসা করতে এতো কস্ট কেনো ।তথা কথিত টক শো এর বক্তারা এখন কোথায় ? ধন্যবাদ গুণীজন❤️ ============================================ আমাদের সমাজব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে.. # বিয়ে করা মানুষের সংখ্যা কমে যাচ্ছে.. # ডিভোর্স রেইট বেড়ে যাচ্ছে.. # তরুণ প্রজন্ম অধিকাংশই বিয়ে করতে চাচ্ছে না.. # ১০-১২ বছরের ছেলে মেয়েরা পর্ন দেখছে.. # মানুষের বদলে Sex toys জনপ্রিয় হয়ে উঠছে.. # relationship এর বদলে situantionship এ মানুষ আগ্রহী হচ্ছে.. # সারা জীবন একা থাকাকে গ্লোরিফাই করা হচ্ছে.. # সুইসাইড করার প্রবণতা অনেক বেড়ে যাচ্ছে.. ...

ক্যালিফর্নিয়াতে ভয়াবহ দাবানল

  ক্যালিফর্নিয়াতে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষ দাবানলের কারণে বাসাবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এরই মধ্যে একদল লুটেরা দাবানলের হুমকিতে থাকা সেই ফাঁকা বাসাগুলি লুট করছে। বিশেষভাবে লুট করছে দুস্থদের বাসা। অন্তত ২০ জনকে লুটপাটের সাথে জড়িত থাকা সন্দেহে আটক করা হয়েছে। লুটপাট ঠেকাতে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত আমেরিকার কেউ "স্বাধীন হয়েছি কিন্তু সভ্য হই নাই" এরকম কথা বলেছেন বলে জানা নাই। ৬৬ শতাংশ খ্রিষ্টানের দেশে এধরণের অপরাধের কথা সামনে এনে কেউ খ্রিষ্টানদের কটাক্ষ করছে এমনটাও জানা নাই। কোন আমেরিকান কবিগুরু লেখে নাই "রেখেছ আমেরিকান করে, মানুষ কর নি।" -মোহাম্মাদ ইশরাক। ===================================================== মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়, কারণে-অকারণে বদলায়—মুনীর চৌধুরীর এই বিখ্যাত উক্তিটি স্টুডেন্টস অ্যাগেইনস্ট ডিসক্রিমিনেশন (স্যাড) প্ল্যাটফর্মের দ্বিতীয় সারির সমন্বয়ক Abdul Hannan Masud এর ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য। তবে মাসুদ এই প্রবাদকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। সে তো বদলাচ্ছেই, পাশাপাশি পঁচে গন্ধ ছড়াচ্ছে। ...

২৫% কোটা-সিস্টেম

  "জাতীয় সংসদ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করার সুপারিশ করতে যাচ্ছে সংবিধান সংস্কার কমিশন। খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, সংসদের নিম্নকক্ষে আসন থাকবে ৪০০, নির্বাচন হবে বর্তমান পদ্ধতিতে। এর মধ্যে ১০০ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তাঁরা নির্বাচিত হবেন সরাসরি ভোটে। আর উচ্চকক্ষে আসন থাকবে ১০৫টি। নির্বাচন হবে আনুপাতিক পদ্ধতিতে। সংসদের দুই কক্ষ মিলিয়ে মোট আসন হবে ৫০৫টি।" > উচ্চকক্ষে আসন থাকবে ১০৫টি। নির্বাচন হবে আনুপাতিক পদ্ধতিতে এর মানে কী? অনুপাতটা কি সারা দেশের দেয়া ম্যাংগো পিপলের ভোটের ভিত্তিতে না - নিম্ন কক্ষের সীটের ভিত্তিতে? আপনি যদি সরাসরি নির্বাচনের ব্যবস্থা করেন - তাহলে সমস্যা হোলো নিম্নকক্ষের যেই সমস্যা - ঠিক সেই সমস্যা আপনি উচ্চকক্ষে নিয়ে যাবেন। সরাসরি নির্বাচনে গেলে বাংলাদেশের প্রায় যেকোনো এলাকায় "রাইট মার্কা-পাওয়ারফুল" কম্বো ক্যান্ডিডেট জিতবে। আইডিয়াল ক্যান্ডিডেট হোলো যার দ্বারা দ্রুত জাগতিক সমস্যার সমাধান হয়। rapid boy টাইপ। চাল্লুবান্টি। অনন্ত জলিল ও ওয়াজ মাস্টার মনোয়ারের মাঝখানে কিন্তু করিৎকর্মা - এমন একটা লোক যে শার্ট-প্যান্ট অথবা পায়জামা-পাঞ্জাবি পরে। কিন্তু এই ল...

পাখিদের জন্য খাবার ও পানি

  পাখিরা আমাদের পরিবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে তাদের অবদান অসীম। তবে শহরকেন্দ্রিক জীবনে তাদের খাবার ও পানির প্রাপ্যতা অনেক সময় সংকুচিত হয়ে যায়। এ কারণে আমাদের উচিত পাখিদের জন্য খাবার ও পানি সরবরাহের সময় সঠিক নিয়ম মেনে চলা যা তাদের সুস্থ জীবনধারায় সাহায্য করতে পারে। আসুন, পাখিদের খাবার দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি এবং করণীয় বিষয়গুলো আরও বিস্তারিতভাবে জানি। প্রথমত, বারান্দার গ্রিলে বা অন্য কোথাও খাবার রেখে দিলে তা দীর্ঘ সময় ধরে না রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ, বেশিদিন ধরে রাখা খাবারে ব্যাকটেরিয়া এবং ফাঙ্গাস জন্মাতে পারে যা পাখিদের স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। তাই পাখিদের জন্য প্রতিদিন তাজা এবং স্বাস্থ্যকর খাবার দেওয়াটাই সঠিক। খাবার রাখার পাত্র বা স্থান নিয়মিত পরিস্কার করা অত্যন্ত জরুরি। একটি জীবাণুমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ পাখিদের রোগ থেকে দূরে রাখে এবং তাদের খাবার গ্রহণ আরও নিরাপদ করে তোলে। পাখিদের জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় পাখিরা খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পায় না যা তাদের শারীরিক অবস্থা খারাপ করতে পারে।...

ভাড়ার চুক্তিনামা

  মেজর জেনারেল মাহবুবুস সামাদ চৌধুরী। চিফ এডভাইজার্স প্রেস উইং। এসএসএফ (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) এর ডিজি (ডাইরেক্টর জেনারেল), যে কি না আর্মির একজন মেজর জেনারেল পদের অফিসারও, সে নিজের বাসায় লুকিয়ে আশ্রয় দিয়ে রেখেছিলো আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য উপ কমিটির সদস্য ও নরসিংদীর কুকুর মোঃ আলী হোসেন শিশিরকে। পাবলিক এবং ছাত্ররা খবর পেয়ে রাত তিনটার সময় গিয়ে হৈ হুল্লোড় শুরু করলে এবং পুলিশকে ডেকে আনলে জেনারেল স্যারের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু এই গ্রেফতার সহজ কাজ ছিলো না। স্যারের অনুগত সেনাবাহিনীর সেপাইরা ও অফিসাররা এই গ্রেফতার আটকানোর জন্য অনেক চেষ্টা করেছে। এমন কি এরা এখনো ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট ছাত্র এবং অন্য মানুষদেরকে নানা রকম হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ পনেরো বছরের গুম খুন হুমকি নির্যাতনের পাক্কা ট্রেইনিং কি আর পাঁচ মাসেই ভুলে যাওয়া যায়? ইলিয়াস হোসেন এই নিউজ ব্রেক করে। ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্টস নামের সরকারী পেইজ থেকে বলা এক ঘন্টা আগে বলা হয়েছে, আলী হোসেন নিজেকে একজন গার্মেন্টস মালিক হিসেবে পরিচয় দেয়...

ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না

  নারীদের লাইফে ambitious হওয়া দোষের কিছু নয়.. কিন্তু একজন ambitious নারী সাধারণত তার চাইতে অধিকতর সফল একজন পুরুষকে তার জীবনসঙ্গী হিসেবে চায়.. তাই আপনি যদি কোন ambitious নারীর প্রেমে পড়েন তাহলে আপনাকে ক্যারিয়ারের সফল হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে হবে.. এবং আপনি তেমন সময় পাবেন না.. দুজনের বয়স যদি সমান হয় তাহলে আপনি আরো কম সময় পাবেন.. তাই যদি সমবয়সী সম্পর্ক করতে হয় তাহলে আপনাকে less ambitious কোন মেয়েকে বেছে নিতে হবে.. Less ambitious বলতে আমরা বুঝি যে ক্যারিয়ারের চাইতে পরিবারকে অধিক প্রাধান্য দেয় এবং যে আপনার জন্য ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে পারবে.. আমি আবারো বলছি ambitious হওয়া কোন দোষের কিছু না.. কিন্তু ambitious মেয়েদের উচিত তার চাইতে যথেষ্ট সিনিয়র অথবা estabished ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়ানো.. কিন্তু ambitious মেয়েরা অনেক সময় সেটা করে না.. কারণ ছাত্র জীবনে তার একটা সমবয়সী ছেলে প্রয়োজন হয় যে তাকে সব সময় সাপোর্ট দিবে, তার বহু কাজ করে দিবে.. সে ambitious দেখেই ছাত্র জীবনে এমন ছেলে বেছে নেয় যে বেসিকালি গর্ধভ প্রকৃতির, তার কথায় উঠে বসে.. তারপর সে গর্ধভ ...

আসলেই কি আল্লাহ দূরের সত্তা?

  আল্লাহ খুব দূরের সত্তা, তাকে সহজে কাছে পাওয়া যায় না, এ রকম একটি ধারণা আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে। আসলেই কি আল্লাহ দূরের সত্তা? মহান আল্লাহ কুরআনে বলেছেন, আর আমি তার গলার ধমনী হতেও অধিক নিকটে (সূরা ক্বাফ ১৬)। হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ বলেছেন, কেউ যদি আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে একহাত এগিয়ে যাই। কেউ আমার দিকে একহাত এগিয়ে এলে আমি তার দিকে দুইহাত এগিয়ে যাই। আর কেউ আমার দিকে হেঁটে হেঁটে এলে আমি তার দিকে দৌড়ে যাই। আপনি হাঁটা শুরু করলে যে সত্তা আপনার দিকে দৌড়ে আসেন, তিনি কি পর হতে পারেন? আল্লাহ রহমত বা দয়া সৃষ্টি করে সেটাকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন। একদিকে রেখেছেন ৯৯ ভাগ আর অন্যদিকে রেখেছেন ১ ভাগ। এই একভাগ ভালোবাসা তিনি পৃথিবীর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমগ্র সৃষ্টিকুলের মধ্যে বণ্টন করে দিয়েছেন। একভাগ দয়ার ক্ষুদ্র একটি অংশ পেয়ে আমরা আমাদের সন্তানদের কত ভালোবাসি! এই একভাগ ভালোবাসার একটি ক্ষুদ্রাংশ পেয়ে হিংস্র বাঘিনী তার শাবককে দুধপান করায়। এই একভাগ ভালোবাসার একটি ক্ষুদ্রাংশ পেয়ে সন্তানদের পৃথিবীতে আনতে গিয়ে মাকড়সা নিজের জীবনকে বিসর্জন দেয়। এই একভাগ ভালোবাসার একটি ক্ষুদ্রাংশ প...

রগ কা /টা প্রজেক্ট ফেইল

  তাসনীম খলিলের রগ কা /টা প্রজেক্ট ফেইল করবে। তিনটা কারণে। প্রথম মরাল কারণে। তার শিবির ঘৃণা থেকে এই রিপোর্ট তৈরি করার পণ করছে। তাই মরালি এইটা Wrong. বাংলাদেশের সব ছাত্র সংগঠন মা /ইর পিট করে। এমনকি আমাদের টাইমে ছাত্র ইউনিয়নের মতো নিরীহ হারমোনিয়াম পার্টিও মাই /র পিট করতো। এই মাই র পিটে ক্যাজুয়ালিটি আছে। তাসনীম খলিল বলতে চাইতেছে না শিবির বেশী করে। আর শিবিরের সিগনেচার "রগ কাটা" এইটা তাই বেশী নৃশংস। তাসনীম যেইটা ভুলায়ে দিতে চায় সেইটা হইতেছে শিবির সবচেয়ে বেশী হামলা মাইরের শিকার হইছে। এইটা আজকে না ৭১ এর আগেও ঘটছে। শিবিরের যতো ছেলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মারা গেছে আহত হইছে তার ৫০% অন্য কোন ছাত্র সংগঠনের কর্মী হয় নাই। এইটা তাসনীমের ডেমোনাইজেশন প্রজেক্ট। তাই এইটা প্রতিরোধ আর প্রতিবাদযোগ্য। সে কনফার্ম চাইপ্যা যাবে শিবিরের কতো সদস্য মারা গেছে বা আহত হইছে আর সেইটা অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের তুলনায় কতো বেশী। দ্বিতীয় সাইন্টিফিক। "রগ কা /টা" বিষয়টা মিসনোমার। রগ মানে টেন্ডন। টেন্ডন বা রগ একটা অতি শক্তিশালী পিচ্ছিল অঙ্গ। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই কো /প খাইলে পিছালায়ে যায়। আর পায়ের যেই রগ কা / টার ...

এক ছোট ভাইয়ের গল্প..

  আমার এক ছোট ভাইয়ের গল্প.. গল্প নয় সত্যি কাহিনী.. একটা মেয়ের সাথে তার সম্পর্ক পাঁচ বছরের.. মেডিকেল প্রথম বর্ষ থেকে.. ছেলেটা মেয়ের জন্য এমন কিছু নাই যে করতো না.. পাঁচ বছর পর যখন বিয়ের সময় এলো তখন মেয়েটি একটি সিনিয়র প্রতিষ্ঠিত ভাইকে বিয়ে করে ফেলল.. এই কষ্টে সে ছোট ভাই প্রায় ছয় মাস পড়াশোনা করতে পারেনি.. তার শুধু একটাই কথা ছিল এই মেয়েটা কেন চলে গেল সে বুঝলো না.. এরকম ঘটনা সমাজে অনেক.. তাই ছেলেদের উচিত সবসময় মেয়েদের এদিকটা খেয়াল রাখা.. একটা মেয়ে যত ভালোই হোক না কেন সে কি greedy কিনা.. সে কি তার ক্যারিয়ার ছাড়া আর কিছুই বুঝে না- এরকম কিনা.. সে কি আপনাকে টিস্যু পেপারের মত ব্যবহার করে কিনা.. একটা সম্পর্কে থাকার সময় সামান্য মাথা খাটালে এটা খুব সহজেই বুঝা যাওয়ার কথা.. কিন্তু অনেক ছেলেরা এটা বুঝলেও তাকে অবজ্ঞা করে.. অনেক ক্ষেত্রে মেয়েটা দেখতে অনেক সুন্দর থাকে তাই ছেলেরা আর কিছুই দেখে না.. এ যুগে ছেলেদের প্রেম করার আগে অনেক সাবধান হওয়া উচিত.. একটা লোভী এবং প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত ambitious মেয়ে যেকোনো সময় আপনাকে ছেড়ে চলে যেতে পারে.. আপনি তার পিছে ...

ছবি বা স্ক্রিনশট দিয়ে ব্ল্যাকমেইল

  ★ প্রশ্ন: স্যার, একজন নারী কী করবেন যদি তার প্রাক্তন তাকে আগের ছবি বা স্ক্রিনশট দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে, যখন তিনি ইতোমধ্যে বিবাহিত? ব্ল্যাকমেইলার একজন ডাক্তার, যিনি একটি স্বনামধন্য মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেছেন। তিনি এখন আমার বন্ধুর কাছ থেকে প্রতি মাসে টাকার দাবি করছেন। আমার বন্ধু ইতোমধ্যে প্রায় ২৫,০০০ টাকা দিয়ে ফেলেছে এবং এখন আত্মহত্যা করতে চাচ্ছে। ★ উত্তর: 1. আর কোনো টাকা পাঠাবেন না। যত বেশি টাকা পাঠাবেন, তত বেশি সে আপনাকে manipulate করবে এবং আরও টাকা চাইবে। 2. দ্রুত নিকটস্থ থানায় একটি GD করুন এবং একজন বিশ্বস্ত বন্ধু বা পরিবারের সদস্যকে আপনার সঙ্গে নিয়ে যান। তাকে পুরো প্রক্রিয়ায় আপনাকে সহায়তা করতে বলুন। সম্ভব হলে একজন পুরুষ বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে পুলিশি কাজ পরিচালনার জন্য সঙ্গে নিয়ে যান। 3. সেই GD-এর কপিটি ব্ল্যাকমেইলকারী ডাক্তারের কাছে পাঠান এবং তাকে সর্বত্র থেকে ব্লক করে দিন। 4. যদি পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে ঘটনাটি আপনার স্বামীকে বলুন। আমি জানি এটি বিব্রতকর, কিন্তু এটি আপনার বর্তমান উদ্বেগের (Anxiety) চেয়ে অনেক ভালো।একজন মানুষ, যিনি আপনাকে ...

জিরো অলিম্পিয়াড

 জিরো অলিম্পিয়াড  পৃথিবীতে এই প্রথম আয়োজিত হচ্ছে ‘জিরো অলিম্পিয়াড’। জিরো অলিম্পিয়াডের উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলাদেশের অন্যতম গ্লোবাল লিডার ফাতিহা আয়াত। তিনি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে জলবায়ু এবং শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করার জন্য পরিচিত। ফাতিহা আয়াত শিশু বয়স থেকেই বিভিন্ন মানবাধিকার বিষয় এবং পরিবেশ সচেতনতা নিয়ে কাজ করছেন। তিনি জাতিসংঘে কথা বলেন শিশু অধিকার, জলবায়ু পরিবর্তন এবং মানবাধিকার নিয়ে। তিনি প্রতিভাবান বক্তা এবং লেখক। তার উদ্যোগে আয়োজিত হতে যাচ্ছে ‘জিরো অলিম্পিয়াড’। আমরা ম্যাথ অলিম্পিয়াড, আইসিটি অলিম্পিয়াডসহ ইত্যাদি অলিম্পিয়াডের নাম শুনেছি, কিন্তু ‘জিরো অলিম্পিয়াড’  সবার জন্য ভালো এবং টেকসই ভবিষ্যৎ অর্জনের জন্য ২০১৫ সালে জাতিসংঘ ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। মূলত ঝউএং এর লক্ষ্য হলো এই ১৭টি পরিকল্পনার বাস্তবায়ন। ২০১৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়। তবে জাতিসংঘ মনে করছে, তা সম্ভব হওয়া নিরাশাজনক। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের উজ্জ্বল নক্ষত্র ফাতিহা আয়াত তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অলিম্পিয়াডের আয়োজন করেছেন। ১৭টি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রয়েছে দারিদ্র বিলোপ, ক্ষুধা ...

মসজিদের টাইলস

  গ্রামের মসজিদের উন্নয়নের জন্য একজন টাকা চাইতে আসলো। সব আছে, কেবল টাইলস করা লাগবে। সেজন্য টাকা দরকার। প্রচন্ড বিরক্তিকর ব্যাপার। আচ্ছা মসজিদে নববীতে কি ফ্লোর পাকা ছিলো? না, তখন খালি মাটিতে মানুষ মাথা দিয়ে সেজদা করতো। কিন্তু সেই সময় নির্মিত হয় আরেকটি উপাসনালয় যা ছিলো গুণে মানে বিশ্বসেরা। ফ্লোর পাকা। মার্বেলের পিলার। এতো বড় ও এতো উঁচু ছাদ যে মানুষ ঢুকলে বিস্মিত হয়ে পড়ে। আজ পর্যন্ত যেই উপাসনালয় টিকে আছে। এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ সেখানে প্রতি সপ্তাহে ঘুরতে যায়। সারা বিশ্ব থেকে। ভবনটির নাম আয়া সোফিয়া। কিন্তু একই সময় মুসলিমরা মসজিদের উন্নয়ন না করে টাকা পয়সা পেলে দান খয়রাত করতো এবং যুদ্ধ করতো। কিন্তু দেখেন - এতো খরচ করে গড়া আয়া সোফিয়া মুসলিমদের দখলে চলে গেছে। এখন সেইটা একটা মসজিদ। এবার একটু চিন্তা করে বলেন তো আমরা আসলে কাদেরকে অনুসরণ করছি এবং হতেই পারে যে ভবিষ্যতে আমাদের উন্নত মসজিদ খালি পড়ে থাকবে অথবা অন্য কোন ধর্মের মানুষ সেগুলো দখল করে ব্যবহার করবে। by m.patwary

ইসলামি ব্যাংক কি করে?

  ইসলামি ব্যাংক কি করে? ধরেন আপনি ঋণ নিবেন। ব্যাংক জিজ্ঞেস করবে এই ঋণ দিয়ে আপনি কি করবেন? আপনি বলেন বাড়ি নির্মাণ করবো। তখন ব্যাংক বলে, “এই নিন টাকা। এখন বাড়ি নির্মাণ করেন। অন্য কোন কাজে টাকা ব্যয় করবেন না। আপনি বাড়ি নির্মাণ করে দশ বছরের কিস্তিতে ১০% সুদের হারে ঋণ পরিশোধ করে দিবেন।" এবার আপনি একটি ইসলামি ব্যাংকে গেলেন। প্রথমে আপনি কি করেন? ঋণের জন্য আবেদন করবেন। ব্যাংক তখন জিজ্ঞেস করবে এই ঋণ দিয়ে আপনি কি করবেন? আপনি বলবেন বাড়ি করবো। তখন ব্যাংক বলে, “এই নিন টাকা। মনে মনে ধরে নিবেন আপনি আমাদের প্রতিনিধি। তারপরে আপনি বাড়ি নির্মাণ করবেন। অন্য কোন কাজে টাকা ব্যয় করবেন না। আপনি বাড়ি নির্মাণ করে দশ বছরের কিস্তিতে ১০% লাভে ঋণ পরিশোধ করে দিবেন।” আপনি চমকে উঠে বলবেন, “ আমি যখন কনভেনশনাল ব্যাংকে গিয়েছিলাম তখন তারা আমাকে টাকা ধরিয়ে একই কথা বলেছিল কেবল আপনি লাভ বলেছেন, তারা সুদ বলেছিল। তফাতটা কোথায়?” আপনার মুখ দিয়ে লাভ শব্দ উচ্চারিত হলেই কি হারাম হালাল হয়ে যায়? তাহলে তো আপনি মদকে গরম শরবত বলে হালাল করে ফেলতে পারেন। এই ধরণের মন্তব্যে ইসলামি ব্যাংকার বিরক্ত হয়ে বলবে, “মাঝখ...