Skip to main content

ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না

 




নারীদের লাইফে ambitious হওয়া দোষের কিছু নয়..

কিন্তু একজন ambitious নারী সাধারণত তার চাইতে অধিকতর সফল একজন পুরুষকে তার জীবনসঙ্গী হিসেবে চায়.. তাই আপনি যদি কোন ambitious নারীর প্রেমে পড়েন তাহলে আপনাকে ক্যারিয়ারের সফল হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে হবে.. এবং আপনি তেমন সময় পাবেন না.. দুজনের বয়স যদি সমান হয় তাহলে আপনি আরো কম সময় পাবেন.. তাই যদি সমবয়সী সম্পর্ক করতে হয় তাহলে আপনাকে less ambitious কোন মেয়েকে বেছে নিতে হবে.. Less ambitious বলতে আমরা বুঝি যে ক্যারিয়ারের চাইতে পরিবারকে অধিক প্রাধান্য দেয় এবং যে আপনার জন্য ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে পারবে.. আমি আবারো বলছি ambitious হওয়া কোন দোষের কিছু না.. কিন্তু ambitious মেয়েদের উচিত তার চাইতে যথেষ্ট সিনিয়র অথবা estabished ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়ানো.. কিন্তু ambitious মেয়েরা অনেক সময় সেটা করে না.. কারণ ছাত্র জীবনে তার একটা সমবয়সী ছেলে প্রয়োজন হয় যে তাকে সব সময় সাপোর্ট দিবে, তার বহু কাজ করে দিবে.. সে ambitious দেখেই ছাত্র জীবনে এমন ছেলে বেছে নেয় যে বেসিকালি গর্ধভ প্রকৃতির, তার কথায় উঠে বসে.. তারপর সে গর্ধভ টাকে সে পাঁচ বছর পর ছেড়ে চলে যায়.. তার কোন মায়া দয়া কাজ করে না কারণ তার কাছে ক্যারিয়ার বেশি গুরুত্বপূর্ণ.. এভাবে বহু ভালো ছেলের জীবন নষ্ট হয়.. কিন্তু সমস্যাটা কিন্তু ছেলেটারই.. সে ভুল মানুষের পিছে দৌড়াচ্ছিল.. মেয়েদের পিছনে সময় দিয়ে যে পরিমাণ ছেলেদের জীবন নষ্ট হতে আমি দেখেছি তা ভাবলে আমার খুব কষ্ট লাগে.. এদের যদি বিয়েও হয় অনেক ক্ষেত্রেই মেয়েটা সারা জীবন একটা অশান্তিতে থাকে.. সেখান থেকে পরকীয়ার ঘটনা অহরহ ঘটে.. বর্তমান যুগে সমবয়সী প্রেম খুব রিস্কি জিনিস.. কিছু ব্যতিক্রম ঘটনা আছে‌.. কিন্তু সেগুলোকে উদাহরণ হিসেবে নেওয়াটা ঠিক হবে না.. আপনার জীবন নিয়ে আপনি রিক্স নিবেন কেন ? ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না..

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...