Skip to main content

Posts

Showing posts from June, 2022

৫ টাকা পিস দরে কলা

  একটি শিক্ষনীয় গল্প : সবাইকে পড়ার জন্য অনুরোধ রইলো | এক কলা বিক্রেতা ৫ টাকা পিস দরে কলা বিক্রি করছিল। প্রচুর বিক্রি হচ্ছিল। মানুষ নিচ্ছে আর ছাল ছাড়িয়ে খাচ্ছে। দেখে বিক্রেতা ভাবল যদি ছাল ছাড়িয়ে রাখি তাহলে ক্রেতাদের ছাড়াতে কষ্ট হবেনা এবং ছাড়িয়ে দেওয়ার কারনে দাম ও বেশি পাব। তখন সে কিছু কলা ছাড়িয়ে তার দাম ধার্য করল ৬ টাকা পিস। এখন ক্রেতারা এসে দাম জিজ্ঞাসা করলে, সে বলছে ছাল জড়ানো ৫, ছাড়ানো ৬টাকা। ক্রেতারা ৫টাকা দরের কলা নিয়ে যাচ্ছে। সে ভাবল যখন কম দামি থাকবে না, তখন দাম বেশি দিয়ে নিয়ে যাবে। এক সময় ৫ টাকার কলা সব শেষ৷ এখন আর কোন ক্রেতা তার কাছে আসে না। তবে প্রচুর মাছি এসে বিনামূল্যে কলা খাচ্ছে আর ভৌঁ ভৌঁ করে উড়ে বেড়াচ্ছে। এখন সে ভাবল দাম কমালে বিক্রি হবে। সে দাম কমাতে কমাতে ০ টাকাতে চলে এলো,তবুও কেউ নিল না। দিনের শেষে সেগুলো ড্রেনে ফেলে দিল৷ যে ড্রেন পরিষ্কার করে সে ওই সময় টাকা তুলতে এসেছিল। তার নজরে পড়ে গেল। সে বলল, ভাই এত আবর্জনা করলে? এত তুলতে পারব না। অনেক কথার পর সে কিছু টাকা দিয়ে বলল কিছু মনে করো না পরিষ্কার করে দিও। বর্তমান যুগের মেয়েদের অবস্থা ঠিক এই রকম। আগের মেয়েরা পর্দা...

বৃদ্ধাশ্রমে

  আব্বা কলেজের বেতন দিতে ওইবো। স্যার কইছে কাইলকাই দিতে ওইবো। ছেলে আশিষের কথা শুনে লুৎফর মিয়া একটু হেসে ঘারে রাখা গামছাটা হাতে নিয়ে ঘাম মুছে বললো, আইচ্ছা আব্বা তুমি কোনো চিন্তা কইরোনা কাইলকাই টেহা দিয়া দিমু। তুমি মন দিয়া পড়ালেহা করো৷ মানুষের জমিতে কাজ করে সংসার চালায় লুৎফর মিয়া। মা মরা ছেলেকে কোনো কিছুর অভাব বুঝতে দেননি তিনি। গ্রামের আটখোরা একটা কুঁড়েঘরে কোনো রকম বাপ ছেলে দিন কাটায়। মানুষের জমিতে দিনরাত পরিশ্রম করে ছেলেকে পড়াশোনা করাচ্ছে। "ছেলে একদিন অনেক নাম করবে আর একজন মানুষের মতো মানুষ হবে " এই আশায়। লুৎফর মিয়া গোসল করে উঠানের এক কোনে উনুনে ভাত বসাচ্ছিলো এমন সময় আশিষ এসে বললো, আব্বা প্রতিদিন আলো সিদ্ধ দিয়া ভাত খাইবার মন চাইনা। মেলা দিন গোস্তো খাইতে মন চাইতাছি কইবার পারিনা। ছেলে আশিষের মুখের কথা শুনে মুহুর্তেই লুৎফর মিয়ার মুখ মেঘে ঢেকে যায়। লুৎফর মিয়া মুখে জোরপূর্বক হাসি নিয়ে বললো,আব্বা আইজকা কোনো রকম খাইয়া লাও কাইলকা আমি দেহি গোস্তো আনতে পারি কিনা। আশিষ বিরক্ত নিয়ে বললো, আব্বা কাইলকা গোস্তো দিয়া ওইলে ভাত খামু নইলে আমি ভাত খামু না মানে না.. লুৎফর মিয়া আশিষ এর মাথায় হাত...

রিজিক

  রিজিক নিয়ে এতো সুন্দর কথা এর আগে হয়তো কখনো পড়েন নি— #রিজিক : রিজিকের সর্বনিম্ন স্তর : ‘টাকা, সম্পদ।’ সর্বোচ্চ স্তর : ‘শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা।’ সর্বোত্তম স্তর : “পুণ্যবান স্ত্রী ও পরিশুদ্ধ নেক সন্তান।” পরিপূর্ণ স্তর : ‘মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।’ রিজিক খুব গভীর একটি বিষয় যদি আমরা বুঝতে পারি। আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত। আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না, একটিও বেশি না। ধরেন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে ১ কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তায়ালা নিয়েছেন। আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত আমার। যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তায়ালার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই ১ কোটি আয় করেই আমি মারা যাবো, হারাম উপায়ে হলেও ওই ১ কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস! আমি যেই ফলটি আজকে দেশে বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত বিদেশ থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল হয়েছে তখনই এটা নির্ধারিত যে...

প্রকৃতি সব হিসাব করে

  সিনেমাহল থেকে বের হয়ে দেখি আমার ছাত্রী একটা ছেলের সাথে হাত ধরাধরি করে বের হচ্ছে। আমাকে দেখে আমার ছাত্রী চমকে গেলো। আমি কিছু না বলে চুপচাপ ওদের সামনে থেকে চলে গেলাম। পরেরদিন যখন আমি আমার ছাত্রীকে পড়াতে যায় তখন ছাত্রীর বাবা আমার শার্টের কলার ধরে বলেছিলো, আমার এত সাহস কি করে হলো তার মেয়ের শরীরে হাত দেওয়ার আর বাজে ইঙ্গিত দেওয়ার.. আমি অবাক হয়ে ছাত্রীর বাবার কাছে জানতে চেয়েছিলাম আমার নামে এই নোংরা কথাটা কে বললো. ছাত্রীর বাবা আমার ডানগালে থাপ্পড় মেরে বলেছিলো, এই কথাটা না কি আমার ছাত্রী নিজেই বলেছে। ছাত্রীর বাসা থেকে বের হয়ে চিন্তা করতে লাগলাম, শহরের মেয়েরা স্মার্ট হয় কিন্তু এতটা স্মার্ট হয় জানতাম না। আমার অপরাধ ছিলো আমি আমার ছাত্রীকে বয়ফ্রেন্ড সহ সামনাসামনি দেখে ফেলেছিলাম। তাই আমার ছাত্রী আমার নামে তার বাবা মার কাছে নোংরা একটা জিনিস বানিয়ে বললো যাতে ওর বাবা মা আমাকে ভুল বুঝে। আর আমি কিছু বললেও যেন বিশ্বাস না করে... তার কয়েকমাস পর ইন্টারনেটে ৮ মিনিটের একটা ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওটা আমার ছাত্রী ও তার বয়ফ্রেন্ডের। আমি তখন আকাশের দিকে তাকিয়ে শুধু মুচকি একটা হাসি দিলাম... আমি যে মেসে থাকি সে...

অভিজ্ঞতা

  একবার এক জাহাজের ইঞ্জিন অন হচ্ছিল না, জাহাজের মালিক অনেক ইন্জিনিয়ার কে দেখিয়েছেন কিন্তু কেউ তা ঠিক করতে পারে নাই। তাই তিনি ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এনেছেন। তিনি খুব সাবধানে ইন্জিন পরিদর্শন করেন, উপর থেকে নিচে। কিছু দেখার পর লোকটি তার ব্যাগ থেকে একটি ছোট হাতুড়ি বের করলো। তিনি হাতুড়ি দিয়ে আলতো করে একটা আঘাত করলেন সাথে সাথে ইন্জিন চালু হয়ে গেল। ৭ দিন পর ইন্জিনিয়ার তার বিল হিসেবে চাইলেন ১০,০০০ ডলার ! জাহাজের মালিক বললো আপনি তো এখানে তেমন কিছুই করেননাই এতো বিল অসলো কেমনে...? তারপর ইন্জিনিয়ার বললেন হাতুড়ি দিয়ে বাড়ি মারার বিল ২ ডলার কিন্তু কোন জায়গায় মারতে হবে ওইটা জন্য ৯৯৯৮ ডলার। সারমর্ম: আমরা অনেক সময় অনেক বড় ধরনের যান্ত্রিক প্রবলেমের জন্য সামান্য কাজকে মূল্যায়ন দেইনা। এই সামান্য কাজটার অভিজ্ঞতা অনেক সেটা কেউ বোঝেনা। #collected ****************************************************************** আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ওবামার উপদেষ্টা ড. ডালিয়া মুজাহিদ । ইসলামী হিজাব ও শালীন পোশাক পরিধান করার কারণে সাংবাদিকগণ তাকে গভীর বিস্ময়ে জিজ্ঞাসা করেছিলো, আপনার ব...

অবিশ্বাসী মদন

  🛑অবিশ্বাসী মদনদের জন্য এই পোস্ট - আপনি শুধু নিজেরে নিয়া চিন্তা করেন তাইলেই সৃষ্টি কর্তা কি বুজবেন, জানবেন, মানবেন। এহন কই কেমনে খুব সংক্ষিপ্ত করে। এই যে আপনার দাড়ি, গোফ, চুল বাড়ে যে হারে সে হারে ভ্রু বাড়ে? না। এহন আসি অন্য প্রসঙ্গে। আপনার মল মুত্র নিয়া। হাইসেন না, পড়েন বুজেন। যেহেতু মল মুত্র বা বর্জ্য পদার্থ ক্ষতিকর তাই দেহ এদেরকে অপসারিত করে জীবদেহের স্বাভাবিক সুস্থতা বজায় রাখে। কেমনে? প্রতিটি কোষের প্রোটোপ্লাজমে অবিরাম বিপাকীয় ক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে । অপচিতি বিপাকের ফলে যেসব দূষিত পদার্থের বা বর্জ্যের সৃষ্টি হয় সেগুলি কোষ থেকে দূরীভূত না হলে প্রোটোপ্লাজমের বিপাকীয় ক্রিয়া বন্ধ হয়ে কোষের মৃত্যু ঘটত, সুতরাং রেচন ক্রিয়ার মাধ্যমে বা হাগু মুতুর মাধ্যমে প্রোটোপ্লাজম থেকে দুষিত পদার্থের অপসারণ ঘটে -এর ফলে প্রোটোপ্লাজমীয় বিভিন্ন বস্তুর পরিমাণের সমতা বজায় থাকে এবং বিপাকীয় ক্রিয়া গুলি স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হয়ে থাকে। আপনি, আমি সুস্থ থাকি। দুই চারদিন হাগু মুতু না কইরা দেহেন কি হয় ? এইটা ও একটা নেয়ামত। উদ্ভিদের ও আছে তারা সেগুলা আঠা বা গঁদ হিসেবে বের করে। যাক সেসব কথা। আপনি জানেন ই না আ...

স্বার্থপর

  বৃষ্টি থেমে গেলে ছাতাটাকেও বোঝা মনে হয় ৷ কালি ফুরিয়ে গেলে কলমটাও আবর্জনার ঝুড়িতে জমা হয়। বাসি হয়ে গেলে প্রিয়জনের দেয়া ফুলটাও পরদিন ডাস্টবিনে পাওয়া যায়। পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম সত্য হলো আপনার উপকারের কথা মানুষ বেশিদিন মনে রাখবে না। জীবনের সবচেয়ে নিদারুণ বাস্তবতা হলো, কার কাছে আপনি কতদিন প্রায়োরিটি পাবেন, সেটা নির্ভর করবে কার জন্য কতদিন কিছু একটা করার সামর্থ্য আছে তার উপর। এই বাস্তবতা আপনি মানলেও সত্যি, না মানলেও সত্যি। আজ সকালে যে পত্রিকার দাম ১০ টাকা, একদিন পর সে একই পত্রিকার ১ কেজির দাম ১০ টাকা। হাজার টাকা খরচ করে একাডেমিক লাইফে বছরের শুরুতে যে বইগুলো গুরুত্ব দিয়ে কিনেন, বছর শেষে সেই বইগুলোই কেজি মাপে বিক্রি করে দেন। সময় ফুরিয়ে গেলে এভাবেই মূল্য কমতে থাকে সবার, সবকিছুর। আমরা আপাদমস্তক স্বার্থপর প্রাণী। ভিখারিকে ২ টাকা দেয়ার আগেও মানুষ চিন্তা করে কতটুকু পূণ্য অর্জন হবে। বিনা স্বার্থে কেউ ভিক্ষুককেও ভিক্ষা দেয় না৷ এতকিছুর পরও চলুন একটু হেসে কথা বলি। রাগটাকে কমাই। অহংকারকে কবর দেই। যদি সুখী হতে চান তবে প্রত্যাশা কমান। আপনি কারো জন্য কিছু করে থাকলে সেটা চিরতরে ভুলে যান। কারণ সেটা যতদি...

'বাহলুল' পাগল

  ★খলীফা হারুনুর রশীদ এর শাসন আমলে 'বাহলুল' নামে এক পাগল ছিল। যে অধিকাংশ সময় কবরস্থানে কাটাতো। কবরস্থানে থাকা অবস্থায় একদিন বাদশাহ হারুনুর রশীদ তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। ★বাদশাহ তাকে ডেকে বললেন, “বাহলুল, ওহে পাগল..!! তোমার কি আর জ্ঞান ফিরবে না..? বাহলুল বাদশাহর এ কথা শুনে নাচতে নাচতে গাছের উপরের ডালে চড়লেন এবং সেখান থেকে চিৎকার দিয়ে বললেন- “ওহে হারুন, ওই পাগল.! তোর কি কোনদিন জ্ঞান ফিরবে না..? বাদশাহ গাছের নিচে এসে বাহলুলকে বললেন, “আমি পাগল নাকি তুমি, যে সারা দিন কবরস্থানে বসে থাকে?” -বাহলুল বললেন, “আমিই বুদ্ধিমান।” ★বাদশাহ বললেন, “কীভাবে..?” -বাহলুল রাজপ্রাসাদের দিকে ইঙ্গিত দিয়ে বললেন, “আমি জানি এই রঙ্গীলা দালান ক্ষণিকের আবাসস্থল, এবং এটি (কবরস্থান) স্থায়ী নিবাস। এজন্য আমি মরার পূর্বেই এখানে বসবাস শুরু করেছি। অথচ তুই গ্রহণ করেছিস ঐ রঙ্গীনশালাকে আর এই স্থায়ীনিবাসকে (কবর) এড়িয়ে চলছিস। রাজপ্রসাদ থেকে এখানে আসাকে অপছন্দ করছিস যদিও তুই জানিস এটাই তোর শেষ গন্তব্য। এবার বল, আমাদের মধ্যে কে পাগল..? বাহলুলের মুখে এ কথা শোনার পর বাদশাহর অন্তর কেঁপে উঠল, তিনি কেঁদে ফেললেন। তাঁর দ...

সিটিগোল্ডের চুড়ি

  মা দের হাতে এক জোড়া সিটিগোল্ডের চুড়ি থাকে সবসময়। বছরের পর বছর তারা সেই চুড়ি পরে থাকে হাতে। সবচেয়ে বিশ্বস্ত দোকান থেকে তারা রঙ না উঠার গ্যারান্টি নিয়ে সেই চুড়ি কিনে আনে। একসময় ঢাকা সহ সারাদেশে আড়াইশো টাকা দামে ইন্ডিয়ান সূতি শাড়ি বাড়ি বাড়ি এনে বিক্রি করতো ফেরিওয়ালারা। মায়েরা, মায়ের বয়সী সবাই সেখানে ভীড় করে শাড়ি কিনতো। দামী কোন কাপড়ের দিকে তারা ফিরেও তাকাতো না। ইভেন এখনো, জোর করে কিনে না দিলে কোনো মা ই কখনো দামী কিচ্ছু কেনে না। মা দের কখনো কোন পছন্দের খাবার খেতে ইচ্ছা করে না। মা দের কখনো কোন প্রিয় রঙ থাকে না। মা দের কোন শখ থাকে না । এই পৃথিবীতে তারা যেন শুধুই দিতে এসেছে। মা কে কখনো যদি জিজ্ঞাসা করি,মা তোমার কি খেতে ভাল্লাগে সবথেকে? মা হাসে! শুধুই হাসে! কোন স্পেসিফিক খাবারের নাম বলে না। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি মা কাজ করছে, বাইরে থেকে যখনি বাসায় আসি দেখি মা কাজ করছে। দুপুরে কোনোদিন ঘুমালেও ঘুম থেকে উঠে দেখি মা কাজ করছে। রাতের ঘুমানোর সময়টা বাদ দিয়ে মায়েরা ননস্টপ মেশিনের মত কাজ করতে পারে। একটানা ফ্যামলির কাজ করার যে শক্তিটা মায়ের হাতে আছে সেটা এই পৃথিবীতে আর কারও নেই। এত বড় ছেলে হয়...

জেনারেশন গ্যাপ

  কেন আমাদের এত জেনারেশন গ্যাপ? "কই! আমাদের সময় তো আমরা এরকম করতাম না!" "ইশ! আমার বাবা-মা এত old- fashioned!" "এই বয়সে আমি বাসার সব রান্না করতাম!" "আব্বু-আম্মু এ যুগের মানুষ না। উনাদের সাথে কথা বলে কোন লাভ নেই!" খুবই প্রচলিত কথাগুলো, তাই না? আমরা বেশিরভাগই জীবনে কখনো কখনো কথাগুলো নিজেরাই বলেছি, অথবা শুনেছি তো অবশ্যই! মাঝে মাঝে কিন্তু সত্যিই মনে হয় দুই প্রজন্মের ফারাকটা এখন অনেক বড়! বিষয়টা নিয়ে আপনার চিন্তা আসলে কেমন? আপনি হয়তোবা শুধুই ব্যাপারটা বোঝাচ্ছেন, কিন্তু বাবা বলছে আপনি বেয়াদব বা তর্ক করছেন! কখনোবা মা শুধুই আপনার ভালোর জন্য বাধা দিচ্ছেন, কিন্তু আপনি ভাবছেন উনি আপনার জীবনটাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন! এত ভুল বোঝাবুঝির পরেও, একটি গবেষণায় দেখা গেছে এখনো প্রায় ৬৮-৭২% কিশোর-কিশোরী অভিভাবকদের প্রতি ইতিবাচক ধারণা পোষণ করে। পারিবারিক বন্ধন দৃঢ়করণে অভিভাবকের যেরকম ভূমিকা আছে, সন্তানের তেমনি ভূমিকা আছে। পরিবারের সকল সদস্যদের সমন্বয়েই গড়ে তোলা সম্ভব একটি সুস্থ মানসিক পরিবেশ। এক্ষেত্রে মনে রাখা জরুরী - ১/ ক্রমবর্তী দুই প্রজন্মের...

শাশুড়ীর সাথে সম্পর্ক ভালো রাখা

  শাশুড়ীর সাথে সম্পর্ক ভালো রাখার কিছু টেকনিক। ১.বিয়ের পর পরই সংসারের গিন্নী হতে যাবেন না কারন এই সংসার টাকে তৈরি করেছে আপনার শাশুড়ি তাই তাকে নিজের আপন করে নেন তাহলে সবি আপনার। ২.রান্না করতে গেলে শাশুড়িকে জিজ্ঞাসা করে রান্না করুন,প্রয়োজনে তার পছন্দের খাবার রান্না করুন। ৩.অবসর সময়ে একা সময় না কাটিয়ে শাশুড়ির সাথে তার বিয়ের পরের কথাগুলো জানতে চান,এতে আপনার শাশুড়ি পুরোনো সব স্মৃতিতে ঘুরে আসতে পারবে আপনাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হবে। ৪.ভালো শাশুড়িদের কিছু ইসলামিক বই শাশুড়িকে উপহার দেন তাহলে অনেকটা উপকার হতে পারে। ৫.নিজের জন্য কিছু শপিং করতে গেলে শাশুড়ির জন্যও কিনে আনুন দেখবেন খুব খুশি হবে। ৬.শাশুড়ির সাথে একসাথে বসে খাওয়া দাওয়া করুন। ৭. শাশুড়ির চুলে তেল দিয়ে দেন,চুল আচড়িয়ে দেন। ৮. শাশুড়িকে শুনিয়ে শুনিয়ে আপনার মায়ের কাছে শাশুড়ির নামে ইনিয়ে বিনিয়ে প্রশংসা করুন দেখবেন মন গলে যাবে। ৯.শাশুড়ী রেগে বকা দিলে চুপ করে থাকুন,দেখবেন রাগ কমে গেলে নিজ থেকেই কথা বলবে।তর্কে জড়ালে ঝগড়া বাড়বে। ১০.শাশুড়ী অসুস্থ হলে সেবা করুন,বাড়ি থেকে বাইরে গেলে শাশুড়ির অনুমতি নেন।বাসায় ফিরলে বাহির থেক...

নফসকে নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কিছু পরামর্শ

  নফসকে নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কিছু পরামর্শঃ- ১. ফজরের পরে না ঘুমানোর অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে কাইলুলা (দুপুরের হালকা ঘুম) করা যাবে। ২. দিনে ম্যক্সিমাম তিনবার খাবার অভ্যাস করুন। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝখানে হাবিজাবি খাবার যেমন ফাস্টফুড, স্ট্রিটফুড খাওয়া যাবেনা ক্ষুধা লাগলে খেজুর, আপেল এগুলো খাওয়া যায়। ৩. প্রতিবেলা খাবার সময় যেটুকু খাবার যথেষ্ট বলে মনে হবে তার থেকে একটু কম খাবেন। ৪. অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন মন্তব্য করার আগে একবার চিন্তা করুন এই কথাটা আপনি না বললে কি কোন লস আছে? বলা কি আবশ্যিক? উত্তর না হলে ওই কথা বলার দরকার নাই। ৫. সকাল সন্ধ্যার জিকির-আযকার করুন। ৬. ইশরাকের সালাত আদায়ের অভ্যাস করতে হবে। ৭. প্রতিদিন নিয়মত কুরআন পড়ার অভ্যাস করতে হবে। হতে পারে ১ রুকু থেকে ১ পারা - যেকোন পরিমাণ। ৮. ঘুমের পরিমাণ কমাতে হবে। ৯. ফজরের পরে কিছুক্ষণ ব্যায়ামের অভ্যাস করা। আর কিছু না পারলে ১৫-২০ মিনিট জগিং করে এসে গোসল করে ইশরাকের সালাত পড়ার অভ্যাস করা। ১০. দৃষ্টি অবনত রাখা। না পারলে ওইসব জায়গা এড়িয়ে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে। ১১. ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার (সোশ...

অতীতের ভুল নিয়ে আফসোস

  কখনো লক্ষ করেছেন, অধিকাংশ সময় আমরা হয় অতীতের ভুল নিয়ে আফসোস করি, নাহয় হা- হুতাশ করি ভবিষ্যতের টানাপোড়েন নিয়ে, তাই না? এতে লাভ কি? কিন্তু, এতে কি বর্তমানও অতীত হয়ে যাচ্ছে না? নিজেকে বর্তমানে মনোযোগী রাখার কৌশল কী হতে পারে? ১. সবসময় একসাথে একটি কাজ করার চেষ্টা করুন। যত বেশি কাজে আমরা মস্তিষ্ককে ব্যস্ত রাখি, তত বেশি মনোযোগ হারাই! ২. নিজের চারপাশের প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয়ে মনযোগী হন। খেয়াল করলে দেখবেন, আপনি অকার্যকর চিন্তায় এতই মশগুল যে, ঘরের দেয়ালও কখনো মন দিয়ে দেখা হয় নি! ৩. নিজের যা আছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করুন। যখনি বর্তমান থেকে ফোকাস সরে যাবে, নিজের বর্তমানে শুকরিয়া করার বস্তুগুলো খুঁজে বের করুন। ৪. সবকিছুকে নন-জাজমেন্টালভাবে দেখার অভ্যাস করুন। অপরকে খারাপ-ভালো লেবেল করে অথবা কোন ঘটনার পিছনে কারো দোষ খুঁজে শান্তির চাইতে অশান্তি বেশি পাওয়া যায়। ৫. যখন যা করবেন, সেখানে আপনার সেরা দেয়ার চেষ্টা করুন, তা কাজ যত ছোটই হোক না কেন। কাজে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিলেই কেবলমাত্র আপনার সেরা হওয়া সম্ভব। ৬. নিয়মিত মাইন্ডফুলনেস অনুশীলন করুন। কাজের ফাঁকে শ্বাসের ব্যয়াম করুন। ৭. নিজেকে 'এক্সেপ্...

সাঁওতাল মেয়ে নীলমণি কিসকু

  সাঁওতাল মেয়ে নীলমণি কিসকু। পড়েন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে, অর্থনীতি বিভাগে। ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছেন। এসেই ছোটবেলার মতো মা-বাবার সঙ্গে মাঠে নেমে পড়েছেন। শুধু নিজের জমিতেই নয়, এভাবে অন্যের জমিতেও কাজ করেন নীলমণি। যা আয় হয় তা নিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ান। নীলমণির সঙ্গে দেখা করে এসেছেন আনোয়ার হোসেন সাঁওতাল মেয়েদের রক্তে মিশে আছে ধান বোনা, ধান কাটা, নিড়ানোসহ নানা কৃষিকাজ। পরিবারের অভাব-অনটন মেটাতে শিশুকালেই এসব কাজ শিখে নেন তাঁরা। নীলমণি কিসকুও রপ্ত করেছেন ছোটবেলায়। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লেও ছোটবেলার সেসব কাজ আজও ছাড়েননি। ধান বোনা ও কাটার মৌসুমের সময় বাড়িতে থাকলে পরের জমিতে এসব কাজ করে আয় করেন তিনি। পরিবারের অভাব–অনটনে, নিজের লেখাপড়া ও হাতখরচে লাগে তাঁর আয় করা টাকা। সাঁওতাল মেয়ে নীলমণি কিসকু। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ সেমিস্টারের ছাত্রী। ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছেন। ৭ মে মা-বাবার সঙ্গে বোরো ধান কাটার সময় তাঁর সঙ্গে কথা হয়। নীলমণিদের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার জুগিডাইং গ্রামে। নীলমণি কিসকুর পরিবারের ১৩ কাঠা জমি। সে জমিতে এবার ধান চাষ করেছিলেন নীলমণির বাবা তালা ...

৫ মিনিটের আদালত !

  মাত্র ৫ মিনিটের আদালত ! আজ যাকাতের ৫ লক্ষ টাকা আত্নসাতের হাস্যকর ও মিথ্যা মামলায় আমার আব্বা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আদালতে হাজির করেছিল। সকাল ৬:৩০ মিনিটে গাজিপুর থেকে আব্বাকে নিয়ে রওনা করেছিল কারা কর্তৃপক্ষ। আড়াই ঘন্টা যাত্রা শেষে সকাল ৯টার দিকে আব্বাকে বহনকারী গাড়ি পৌঁছায় বখশিবাজারস্থ আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে। বিচারক আদালত এসে বসেছেন ১০:৩৫ মিনিটে। সরকার পক্ষ উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, 'মাননীয় আদালত! আজ স্বাক্ষীর জন্য মামলার দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু আমাদের স্বাক্ষী আসে নাই। তাই আমাদেরকে আবার নতুন করে সময় দেয়া হোক।' আদালত শুনলেন, মানলেন এবং পরবর্তী তারিখ নির্ধারন করে দিলেন আগামী ২৫ মে ২০২২। সব মিলিয়ে আদালত চলেছে মাত্র ৫ মিনিট!! এই ৫ মিনিট শেষে প্রায় আড়াই/তিন ঘন্টা পথ পেরিয়ে কারাগারে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য আব্বাকে নিয়ে আবারো রওনা করলো গাড়ি। মাত্র এই ৫ মিনিটের আদালতের জন্য আব্বাকে প্রায় ৭ ঘন্টার জার্নি করিয়ে আনা হয়েছিল! আহা! ৮৩ বছর বয়স্ক এই মানুষটাকে এই কষ্টটা না দিলে কি হয় না???? আর কত! আর কত জুলুম সইতে হবে? পূর্ব থেকেই আদালতের অনুমতি থাকায় আব্বাকে আদালতে আনার...

ফুফু!খুব অবহেলিত একটি শব্দ

  ফুফু!খুব অবহেলিত একটি শব্দ।ক'জন ভাইপো আছেন ফুফুর খবর রাখেন?খালার খবর যতোটা রাখা হয় ফুফুর খবর ততোটা রাখা হয়না। বাবা-মা'র ইন্তেকালের পর নারীরা বাপের বাড়ীর কথা অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভুলে যেতে থাকেন।শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত উঠোন,গাছের লিচু,পাকা আম আর পুকুর পাড়ের নারিকেল গাছ সব গুলো কেমন যেনো পর হতে শুরু করে।ভাইদের ইন্তেকালের পর সবকিছুই একেবারে স্মৃতি হয়ে যায়। ফুফুরা আমাদের রক্ত সম্পর্কের স্বজন।তাদের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা কোন মু'মিনের জন্য মোটেও কাম্যনয়।শরীয়তে যেসকল স্বজনের সাথে সম্পর্ক রাখতে বলা হয়েছে তাদের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন কারিদের কথা কুরআন মাজীদে উঠে এসেছে এভাবে- أُوْلَٰٓئِكَ لَهُمُ ٱللَّعۡنَةُ وَلَهُمۡ سُوٓءُ ٱلدَّارِ [الرعد: ٢٥] তাদের জন্য রয়েছে লা’নত ও অভিসম্পাত এবং তাদের জন্যই রয়েছে মন্দ আবাস”। [সূরা আর-রা‘দ, আয়াত: ২৫] জুবায়ের ইবন মুত্বইম থেকে বর্ণিত তিনি বলেন,নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- «لا يَدْخُلُ الْـجَنَّةَ قَاطِعٌ» “আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না"।[বুখারী-মুসলিম] ফুফুদের ভুলে যাওয়া কোন মু'মিনের জন্য মোটেও উচিৎ নয়। ছোট ছোট ...

গাজওয়াতুল হিন্দ

  অচিরেই গোটা ভারতকে তারা হিন্দু রাষ্ট্র প্রতিষ্টার জন্য বিভিন্ন ইস‍্যু তৈরি করে মুসলমানদেরকে উত্তপ্ত করবে। পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় যুদ্ধ হবে এটি এই রকম ভয়াবহ যুদ্ধ পৃথিবীতে ইতিপূর্বে ঘটে নাই "গাজওয়ায়ে হিন্দ" তথা হিন্দুস্থান ভারতের বিরুদ্ধে মুসলমান উম্মাহর যুদ্ধ। এই সম্মানিত যুদ্ধে নিশ্চিত মুসলমান উম্মাহরা বিজয় লাভ করবেন। সুবহানআল্লাহ.! কিন্তু এই সম্মানিত যুদ্ধে এক তৃতীয়াংশ মুসলমান শাহাদাত বরন করবেন এবং শেষাংশ যুদ্ধ শেষ করে বিজয় লাভ করবেন। সুবহানাল্লআহ.! যারা এই সম্মানিত যুদ্ধে শাহাদাত বরন করবেন উনারা নিশ্চিত জান্নাতবাসী হবেন। সুবহানআল্লাহ.! এবং যেসব মুসলমানগন এই সম্মানিত যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে গাজী হয়ে ফিরবেন উনারা ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরন করে জান্নাতবাসী হবেন। সুবহানআল্লাহ.! আবার এই সম্মানিত যুদ্ধ থেকে যেসব নামধারী মুসলমানরা পালিয়ে যাবে তারা বেইমান হয়ে মৃত্যুবরন করবে। নাউজুবিল্লাহ! পবিত্র হাদিস শরীফে গাজওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটা হবে কাফির মুশরিকদের সাথে মুসলমানদের পৃথিবীর ভিতর বৃহত্তম জি"হ|দ/যুদ্ধ। এই যুদ্ধে হিন্দুস্তানের মোট মুসলিমদের এক তৃতীয়াংশই শহীদ হবে, আরেক অ...

বাসায় যখন গোস্ত রান্না হয়

  বাসায় যখন গোস্ত রান্না হয় সাথে আলু দেওয়া হয়। আচ্ছা_আলু গুলো কেন দেওয়া হয়?🤔 আগে ভাবতাম তরকারির স্বাদ বৃদ্ধির জন্য । কিন্তু পরবর্তীতে মায়ের কাছ থেকে এবং স্ত্রীর কাছ থেকে জানতে পারলাম- শুধু তরকারি স্বাদের জন্য নয়_ বরং গোস্তের তরকারি বৃদ্ধির জন্যেও আলু দেওয়া হয়। যাতে সকলে যেন একটু একটু করে খেতে পারে। বাবা হওয়ার আগে যখন আলু দিয়ে গোস্ত রান্না হতো তখন আমি বেছে বেছে গোস্ত গুলো নিতাম। আর আলু গুলো অন্যদের জন্য রেখে দিতাম। কিন্তু বাবা হওয়ার পর যখন বুঝতে পারলাম, আমার সন্তানরা গোস্ত বেশি পছন্দ করে এবং আলুগুলো রেখে গোস্তগুলো বেশি বেশি নেয়। তখন থেকেই আমি গোস্ত নেওয়া কমিয়ে দিয়ে আলু গুলো নেওয়া শুরু করলাম। এখন সন্তানরা জিজ্ঞেস করে_ বাবা গোস্ত নেওনা কেন? তখন বলি_ আমার গোস্তের চেয়ে আলু গুলোই বেশি পছন্দ। তোমরা গোস্ত নাও! পিতা সন্তানের এই লুকোচুরি খেলা সেই আদিকাল থেকেই হয়ে আসছে। আমার পিতাও আমার সাথে একই আচরণ করেছিলেন। সেদিন ভেবেছিলাম- বাবার নিকট হয়তো আলু গুলোই বেশি পছন্দ। কিন্তু আজ বুঝতে পারছি- আমার নিকট যে কারণে আলুগুলো পছন্দ। বাবার নিকটও সেই একই কারণে...

মৃত্যুর পূর্বে

  বেনামাজি ছেলেটি বলেছিলো,"‼️ "আমি যে ভবিষ্যতে মসজিদে যাবো না সেটার গ্যারান্টি কতটুকু?? পরদিন ই ছেলেটি প্রথমবার মসজিদে গিয়েছিলো, কিন্তু লাশ হয়ে!!! বেপর্দা মেয়েটি বলেছিলো, "ভবিষ্যতে আমি যে কখনো পর্দা করবো না, সেটার গ্যারান্টি কতটুকু সত্য? প্রমাণ আছে কি? "মেয়েটি পরদিনই পর্দা করেছিলো, কাফনের সাদা কাপড় শরীরে মুড়িয়ে!!! ভবিষ্যতে কে হিদায়ত লাভ করবে সেটা একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামীন জানেন, আর কেও না।তাই, বর্তমান দেখে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কারণ ভবিষ্যতে কি হবে আমরা জানি না।কাল সকালে আমার ঘুম ভাঙ্গবে সেটার গ্যারান্টি কতটুকু? আজ রাত্রই যে আমার শেষ রাত্রি নয় সেটার গ্যারান্টি কতটুকু? তাই আসুন আমরা (তাওবা করে) ফিরে আসি আমাদের রবের দিকে। তওবা করে ফিরে আসলেই আমাদের লাভ! পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন...যে ব্যাক্তি তাওবা করলো, ঈমান আনলো, নেক কাজ করলো এবং হেদায়াতের পথে (অবিচল) থাকলো আমি অবশ্যই তার প্রতি ক্ষমাশীল। [সূরা-ত্বহা, আয়াতঃ৮২] আল্লাহ আমাদের সকলকে সহী বুঝার তৌফিক দান করুন। মৃত্যুর পূর্বেই যেনো সকলে ভুল বুঝে তওবা করতে পারে। **************************** নারী বোনদের দৃষ্টি আকর...

ক্ষমতা ও অর্থের দম্ভ

  ✍️বুয়েট পাস এমন একজনকে চিনি, যার বিবাহিত জীবনের ১৩টা বছর শুধু একটা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টায় কাটিয়ে দিচ্ছে। তার জীবনে সফলতা আছে কিন্তু পূর্ণতা নাই। ✍️ব্যাংকের এ,জি,এম এমন একজনকে চিনি, যার বউ দুইটা বাচ্চা রেখে আরেকজনের সাথে পালিয়ে গেছে। তার জীবনে সফলতা-পূর্ণতা সবই ছিলো, কিন্তু ভালোবাসাটা কপালে জুটেনি। ✍️এম,বি,এ পাশ করা একজনকে চিনি, পড়ালেখা শেষ করে ভালো কিছু করার জন্যে চলে যান দেশের বাহিরে , তারপর বিবাহের প্রস্তাব দেন ১৪ বছরের ভালোবাসার মানুষটির পরিবারে। শুধুমাত্র ছেলে প্রবাসী বলে বিবাহ দেননি। ভালো চাকুরী মানেই কি সব কিছু?? ✍️প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা এক মেয়ের গল্পটা জানি, কি নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করে একদিন গলায় বিষ ঢেলে দিলো। ভালোবাসার জন্যে ঘর ছেড়েছিলো, সফলতা আসেনি কখনও। ✍️দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েটার গল্পটা জানি। শুধু গায়ের রঙটা কালো বলে প্রেমিকের বাবা মায়ের হাজারো অবহেলার কথা মাথায় তুলে নিয়ে রিলেশনটা ব্রেকাপ করতে হয়েছিলো। সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়েও সে সুখী হতে পারছে না। ✍️ক্যারিয়ার গঠনের জন্য যে মেয়ে, তার বাবা মাকে ...

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১৪টি উপায়

  মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১৪টি উপায় ১) মানুষের ব্যাপারে খরবদারী করবেন না। কে কী করছে সে বিষয়ে মাথা ঘামানো নিজের মানসিক চাপ বৃদ্ধির একটি কারণ। আরেকটি সমস্যা হবে, অন্যের বিষয় নিয়ে মাথা ঘামালে নিজেকে অন্যদের সাথে তুলনা করার মনোভাব সৃষ্টি হবে। টাকা-পয়সা, সামাজিক অবস্থান, পদমর্যাদা, গাড়ি, বাড়ি, অলংকার, পোশাক, সৌন্দর্য ইত্যাদি দিক থেকে তখন মানসিক চাপ অনুভব করবেন। তাই আল্লাহ আপনাকে যা দিয়েছেন তা নিয়ে খুশি থাকুন আর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন। তাহলে হৃদয়ে পরম প্রশান্তি অনুভব করবেন ইনশাআল্লাহ। ২) আপনার যতটুকু দায়িত্ব ও কর্তব্য ততটুকু পরম আন্তরিকতার সাথে পালন করুন। আপনার সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব কাঁধে তুলতে যাবেন না। অনুরোধে ঢেঁকি গিলবেন না। অন্যথায় আপনাকে অতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকতে হবে। ৩) মানুষের সাথে অতিরিক্ত সম্পর্ক মানসিক চাপের অন্যতম কারণ। তাই আত্মীয়, বন্ধু, প্রতিবেশী, কলিগ, ক্লাসমেট ইত্যাদির সাথে সীমিত সম্পর্ক রাখুন। সম্পর্ক যত ব্যাপক হবে ততই আপনি নানা বাধ্যবাধকতার জালে আটকে যাবেন। ৪) অতিলোভ করবেন না। অতিলোভী ব্যক্তি অর্থ-কড়ি, ধন-দৌলত, পদমর্যাদা ইত্যাদি বৃদ্ধির চিন্তায় বিভোর থাকে। যদ...

টিউশনি করবে?

   টিউশনি করবে? : কোথায়? : ষোলশহর। : ছাত্র না ছাত্রী? : ছাত্র।অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। : ছাত্র পড়াব না। : বিরাট পুলিশ অফিসারের ছেলে। বাবা ডিআইজি। ভালো বেতন দেবে। ভালো নাস্তা পাবে। আরে এতো বড়ো পুলিশের ঝাড়ুদার হতে পারাও ভাগ্যের। সুপারিশে চাকরিও হয়ে যেতে পারে। দুদিন পর আইজিপি হবেন। টিউশনি শুধু টাকা নয়, টাকার চেয়ে বড়ো কিছু। এটি বিসিএস-প্রস্তুতির একটি মোক্ষম কৌশল, টাকা তো আছেই। রাজি হয়ে যাই রাজীবের প্রস্তাবে। রাজীব বলল : বেতন মাসে আটশ টাকা। সে সময় আটশ অনেক মোটা অঙ্কের টাকা। এত আকর্ষণীয় বেতনের টিউশনিটা রাজীব নিজে না-করে কেন যে আমাকে দিচ্ছে বুঝতে পারছিলাম না। কিছু সমস্যা তো আছেই! : তুমি করছ না কেন? : আমার সময় নেই। ডিআইজি সাহেবের ছেলের নাম ওমর। ফর্সা, তবে ধবধবে নয় কিন্তু বেশ মায়াময়। বিশাল বাসা, বারান্দায় দামি ফুলের টব। চারিদিকে সমৃদ্ধির ছড়াছড়ি। রাজীব আমাকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে চলে গেল। ওমর সালাম দিয়ে বলল : স্যার, বিড়াল প্রথম রাতেই মেরে ফেলা উচিত। আমার কথা নয়, আমার ডিআইজি বাবার কথা, ঠিক না? : ঠিক। কিন্তু বিড়াল কোথায়? : আছে স্যার, আছে। অনেক বড়ো বিড়াল। : আমি বিড়াল মারব কেন? ...