Skip to main content

Posts

Showing posts from May, 2023

দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ...

  𝐋𝐨𝐯𝐞 𝐚𝐧𝐝 𝐑𝐞𝐬𝐩𝐞𝐜𝐭❤ দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিজেদের কে বুঝা। আমরা কেউ ই ১০০% 𝐩𝐞𝐫𝐟𝐞𝐜𝐭 হতে পারবোনা। কিন্তু একটা সুন্দর সংসার গড়ে তুলতে নিজেদের মধ্যে সঠিক বোঝাপড়া টা কিন্তু অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বা আপনার স্বামী বা স্ত্রী আপনার কাছে কি চাচ্ছে সেটি বুঝা অনেক বেশি গুরুত্বপুর্ণ।🚨 ⛔ আমাদের সমাজে একটা কথার প্রচলন আছে যে ছেলেদের মন বোঝা তো সহজ কিন্তু মেয়েদের মন সহজে বোঝা যায় না, আমরা বুঝিনা কেনো মেয়েটি রেগে গেলো ইত্যাদি। কিন্তু এটি কিন্তু আমাদের ভুল ধারণা। বিষয়টি কিন্তু এরকম নয়। 👉 একজন স্বামী যে কিনা তার অফিস শেষ করে সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে নরমাল টিভি দেখছে বা ফোন ঘাটছে। তখন আপনার স্ত্রী যদি আপনার কাছে এসে কয়েকবার ঘুরে যায় এবং আপনি যদি ঐ একই কাজ করতে থাকেন দেখবেন আপনার স্ত্রী কিন্তু পরক্ষণে রেগে যাবে। আপনার হয়তো মনে হতে পারে যে আপনার স্ত্রী কেনো রেগে গেলো। কিন্তু এখানে একটা বুঝার বিষয় আছে আপনার। সারাদিন পর আপনি বাসায় এসেছেন আপানার স্ত্রী চাইবে আপনার সাথে সময় কাটাতে, গল্প করতে। সেটি না করে যদি আপনি অন্য কাজ করতে থাকেন যেটি অতটা গুরুত্বপূর্ণ না, সেক্ষেত্...

ভাবনায় পরিবর্তন আনুন

  ভাবনায় পরিবর্তন আনুন😃 🚨 আপনি এমন কোনো Philosophy বিশ্বাস করবেন না যা থেকে আপনি কোনো সাহায্য পাবেন না। যেমন অনেকের ক্ষেত্রে এরকম দেখা যায় যে, কাছের কেউ অনেক অসুস্থ বা তার হাতে আর বেশি সময় নেই। আপানার উচিত তার কাছে যাওয়া এবং তার সাহায্য করা। আপনি করতেও চাচ্ছেন কিন্তু যখন আপনি সেটা করতে যাচ্ছেন বা কাছে যাচ্ছেন তখন আপনার হয়তো আগের কোনো খারাপ স্মৃতি মনে আসছে যখন সেই ব্যাক্তিটি আপনার সাথে খারাপ আচরন করেছিলো। এক কথায় বলতে গেলে তার সাথে সম্পর্কিত আপনার কোনো childhood trauma এর কথা আপনার মনে চলে আসে এবং আপনি তার সাহায্য করা থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। এতে করে আপনার নিজের ও শান্তি আসছে না, আপনি মানসিক শান্তি পাচ্ছেন না বরং আপনি চিন্তা করছেন সেই Childhood Trauma-র বিষয়টি। দেখুন এটি কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে না। আপনি এমন একটি জিনিস ভাবছেন যা আপনার বর্তমান পরিস্থিতিতে ভাবার কোনো প্রয়োজন নেই। দিনশেষে আপনি নিজেকেই খারাপ ভাবতে থাকবেন।😔 এক্ষেত্রে আপনি আপনার চিন্তা, আপনার philosophy কে বদলে ফেলুন। আপনি এরকম ভাবুন আপনার কাছের মানুষটি আপনার সাথে যা করেছে তা ছিলো আপনার Past। কিন্তু আপনি যদি এখন তা...

Depression কাটিয়ে উঠবেন কিভাবে?

  Depression কাটিয়ে উঠবেন কিভাবে?😞 🚨 বিষণ্ণতার মধ্যে থাকলে সেটি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য কিছু পদক্ষেপ অবশ্যই নিতে হবে। সেগুলো হলো- ✅ লাইফস্টাইল ঠিক করাঃ বিষণ্ণতার সাথে লাইফস্টাইল অতঃপ্রতভাবে জড়িত। ৩ বেলা খাবার আমরা সঠিক ভাবে খাবো। বাইরের খাবার আমরা কম খাবো। বিশেষ করে Added Sugar যেগুলোতে থাকে। রেস্টুরেন্ট এর খাবার কম খাবো। আমাদের দেহের ৯০% সেরেটোনিন তৈরি হয় গাডে। গাডকে এজন্য আমাদের দেহের সেকেন্ড ব্রেইন বলা হয়। সেরেটোনিন কিন্তু একটি Mood Stabilizer. আমাদের যত সেরেটোনিন তৈরি হবে, আমাদের মন কিন্তু ভালো থাকবে। কিন্তু আমরা যখন এসব বাইরের খাবার খায় যেগুলোতে অনেক Spice, Added sugar থাকে, তখন আমাদের দেহে এই সেরেটোনিন এর উৎপাদন ব্যহত হয়। তখন আমাদের বিষণ্ণতা বাড়ে। প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট আমাদের Exercise করতে হবে। আমাদের শরীরটাকে একটিভ রাখতে হবে। Neuroscientist দের মতে অন্তত ৫ মিনিট Exercise করলেও Anxiety কমে। সেরেটোনিন, ডোপামিন সহ ইত্যাদি Release হয় যা আমাদের Brain Develop করে। ব্যায়ামের মাধ্যমে Brain function উন্নত করে। ঘুমের অনিয়ম কিন্তু আমাদেরকে শারীরিক এবং মানসিক ভাবে অসুস্থ...

মন খারাপ এবং বিষণ্ণতা!

  মন খারাপ এবং বিষণ্ণতা!😔 🔐 আমাদের সবারই মন খারাপ হয়ে থাকে। সেটা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। মন খারাপ হলে আমরা যদি মনে করি আমরা বিষণ্ণতায় ভুগছি, সেটা ভুল ধারণা। মন খারাপ এবং বিষণ্ণতা এক জিনিস নয়। মন খারাপ এবং বিষণ্ণতার মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। ◼ প্রথম বিষয়টি হচ্ছে- মন খারাপ হতে কিন্তু কারণ লাগে। কিন্তু বিষণ্ণতা কোনো কারণ ছাড়াই হতে পারে। এই জিনিসটা আমরা অনেক সময় বুঝি না। আমাদের সাথে এরকম হয় যে জীবন অনেক ভালো যাচ্ছে, কোনো 𝐒𝐭𝐫𝐞𝐬𝐬 নাই, সব ভালো যাচ্ছে কিন্তু প্রচন্ড রকম খারাপ লাগতে পারে। ◼ দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে- মন খারাপ আমাদের কখনো একটানা ১৪ দিনের বেশি থাকবে না। দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১২ ঘন্টার বেশি থাকবেনা। এবং ঘরে- বাইরে সব জায়গায় মন খারাপ থাকবেনা। এখানে 𝟑-𝐏 এর কথা আসবে। 👉 𝐏- 𝐏𝐫𝐞𝐝𝐨𝐦𝐢𝐧𝐚𝐧𝐭- দিনে ১২ ঘন্টার বেশি মন খারাপ থাকা । 👉 𝐏- 𝐏𝐞𝐫𝐬𝐢𝐬𝐭𝐞𝐧𝐭 - ১৪ দিনের বেশি মন খারাপ থাকা । 👉 𝐏- 𝐏𝐞𝐫𝐯𝐚𝐬𝐢𝐯𝐞 - ঘরে বাইরে সবকিছুতে মন খারাপ থাকা । যখন এই 𝟑-𝐏 কারও মধ্যে থাকে তখন সেটি বিষণ্ণতা। সাধারণ মন খারাপ নয়, কারন আমাদের সাধারণ মন খারাপে এসব হয় না। ◼ ত...

মাতৃত্বকালীন ৫ সচেতনতা

  মাতৃত্বকালীন ৫ সচেতনতা💙 👉 মাতৃত্ব একটি Physiological Term যা নিয়ে নন-মেডিক্যাল ব্যক্তিদের সঠিক ধারণা প্রায় সময়েই থাকে না। মাতৃত্ব বিষয়ে আমরা পূর্বে আমাদের মা, চাচী, খালা বা দাদী-নানীদের থেকে যে তথ্য জানতে পেরেছি এবং ডিজিটালাইজেশনের যুগে ইন্টারনেট ব্যবহার করে যতটুকু জ্ঞান অর্জন করেছি ততটুকুতেই আমাদের জ্ঞান সীমাবদ্ধ কিন্তু বিস্তারিত অনেক কিছুতে আমাদের ঘাটতি থেকে যায়। ডাক্তাররাও সময়ের অভাবে সেভাবে রোগীর সমস্যা বুঝিয়ে দিতে পারেন না। উন্নত বিশ্বে Pregnancy’র শুরু থেকে Pregnancy সম্পর্কিত অনেক ক্লাস বা Birth-Planning ক্লাসের বেশ প্রচলন খেয়াল করা যায় যেখানে অনাগত সন্তানের বাবা ও মা সানন্দে অংশগ্রহণ করে থাকে। এই ধরণের ক্লাসে মাতৃত্বকালীন নানান বিষয়ে মা ও বাবাকে অবগত করা হয়। শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন পরিবর্তন নিয়ে সতর্ক করা হয়। এ ধরণের ক্লাসগুলোর প্রচলন এখনও বাংলাদেশে সেভাবে করে শুরু হয়নি। তাই আজকে Pregnancy সম্পর্কিত কিছু বিষয়ে আলোচনা করব। 🤰 Pregnancy’র সময়ঃ মাসিকের প্রথম দিন থেকে 9th Calendar Month অর্থ্যাৎ সম্পূর্ণ এই Journey টুকুর সময়সীমা নয় মাসের হয়ে থাকে। এই পুরো সময়টুকুকে ৩ ...

জীবনসঙ্গী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখবো?

  জীবনসঙ্গী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখবো?🤔 🛑 আমরা যখন বৈবাহিক সম্পর্কে থাকি তখন 𝐑𝐞𝐥𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐬𝐡𝐢𝐩 𝐆𝐨𝐚𝐥𝐬 বলতে কি বুঝি? 𝐑𝐞𝐥𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐬𝐡𝐢𝐩 𝐆𝐨𝐚𝐥𝐬 বলতে কিন্তু শুধু বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই বোঝায় না এর বাইরেও আমাদের অনেক সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়াও আমাদের জীবনে অনেক টক্সিক মানুষ চলে আসে তাদের সাথে আমাদের সম্পর্কটা ঠিক কেমন হওয়া উচিত? ◼ প্রচুর পরিমাণে ক্লাইন্ট/ পেশেন্ট দেখার সুবাদে আমরা যেটা দেখি যে বিয়ে ভীষণ বড় একটা 𝐈𝐧𝐯𝐞𝐬𝐭𝐦𝐞𝐧𝐭। আমাদের জীবনে বা শুধু বিয়ের কথা যদি না বলি তাহলে আপনি আপনার জীবনে পার্টনার হিসেবে কাকে বেঁছে নিচ্ছেন এবং কার সাথে আপনি দীর্ঘকালীন কমিটেড সম্পর্কে যাচ্ছেন সেই সিদ্ধান্তটা অনেক যত্ন সহকারে, ভেবে চিন্তে নেওয়ার দরকার রয়েছে কারণ এই সিদ্ধান্তে যদি ভুল হয় তাহলে সারা জীবন এক ধরণের ভোগান্তির ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। আমরা সবাই চাই আমাদের ঘর দিন শেষে আমাদের শান্তির জায়গা হোক কিন্তু সেই ঘর থেকে যদি শান্তি হাওয়া হয়ে কর্পূরের মত উবে যায় তখন অন্য যেকোনো জায়গায় আমরা যতই সাফল্যের মুখ দেখি না কেন আমরা সেই সাফল্যটা কখনো ...

জীবনের পরীক্ষাগুলোতে পাশ করবেন কিভাবে?

  জীবনের পরীক্ষাগুলোতে পাশ করবেন কিভাবে? 🛑 জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই আমরা বিভিন্ন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের সবারই 𝐄𝐦𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧𝐚𝐥 𝐁𝐚𝐠𝐠𝐚𝐠𝐞 রয়েছে যেগুলো না চাইতেও আমরা প্রতিনিয়ত বয়ে বেড়াচ্ছি । দুটো আঙ্গিকে আমরা আমাদের জীবনের সমস্যাগুলোকে দেখতে পারি- ◼ প্রথম আঙ্গিক নিয়ে বলতে গেলে আমাদেরই একজন পার্টিসিপেন্টের কথা মনে পরে, উনি মারাত্নক একটি সড়ক দূর্ঘটনায় নিজের পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যকে একসাথে হারিয়ে ফেলেছেন। আরও একজন পার্টিসিপেন্টের হাজবেন্ড অন্য নারীতে আসক্ত। এই ঘটনাগুলোতে যে দুটো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমরা দেখতে পাই তা হলো প্রথমত এমন কিছু ঘটনা আমাদের জীবনে ঘটে যেখানে আমাদের কারোরই কোন হাত নেই এবং একইসাথে এই বিষয়গুলো আমাদেরকে কষ্ট দেয় যেগুলো আমরা পরিবর্তন করতে পারব না। দ্বিতীয়ত, যেখানে মানুষের সাথে আমাদের সম্পর্ক নিয়ে আমরা ক্ষতবিক্ষত হই সেখানে আমরা স্বাভাবিকভাবেই নিজেদেরকে 𝐕𝐢𝐜𝐭𝐢𝐦 হিসেবে দেখি এবং এই অনুভূতিটি একদমই স্বাভাবিক যেটাকে আমরা বলছি 𝐆𝐫𝐢𝐞𝐟 𝐑𝐞𝐬𝐩𝐨𝐧𝐬𝐞 হিসেবে। ◼ কাউন্সেলিং সেশনে যেটা আমরা দেখতে পাই যে প্রচুর পেশেন্ট এ ধরণের অবস্থা থেকে পরিত্রানের জ...

রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন কিভাবে?

  রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন কিভাবে?🤔 🔵 আমরা মানুষ আমাদের রাগ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কারো কম কারো আবার বেশি। আমাদের মধ্যে কেউ হয়তো বলতে পারে যে না আমার রাগ নাই। কিন্তু এটা ভুল, আমাদের সকলেরই রাগ আছে যার প্রকাশের ধরণ একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম। 👉 এখানে প্রশ্ন হতে পারে যে “রাগ কি 𝐄𝐦𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧 নাকি একট 𝐁𝐞𝐡𝐚𝐯𝐢𝐨𝐫?” স্বাভাবিকভাবে রাগ একটি 𝐁𝐞𝐡𝐚𝐯𝐢𝐨𝐫 মনে হলেও আসলে এটি একটি 𝐄𝐦𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧। আমাদের মনের ভাবনার বিরুদ্ধে কোনো কিছু ঘটলে তখন আমরা আবেগি হয়ে যাই এবং সেটার বহিঃপ্রকাশ হয় রাগের মাধ্যমে। কিন্তু আমাদের রাগ আসলে প্রকাশ পায় আমাদের আচরণের মাধ্যমে। যে যত বেশি 𝐑𝐞𝐚𝐜𝐭 করে কোনো কিছুতে তাকে তত বেশি রাগি বলে মনে হয়। এজন্য আমাদের নিজেদের রাগ কিভাবে 𝐂𝐨𝐧𝐭𝐫𝐨𝐥 করতে হয় তা জানা থাকাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রাগ 𝐂𝐨𝐧𝐭𝐫𝐨𝐥 করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমাদের চিন্তা বা 𝐓𝐡𝐨𝐮𝐠𝐡𝐭। আমরা কি ভাবছি, কোনো কিছুকে কীভাবে গ্রহণ করছি সেটির উপর আসলে নির্ভর করবে আমাদের রাগের পরিমাণ বা নিয়ন্ত্রণ। ◼ স্বাভাবিক ভাবে কোনো বিষয়ে যদি আমাদের রাগ উঠে নিশ্চয় তার পিছে একটি চ...

রাগ নিয়ন্ত্রণের উপায় কি?

  রাগ নিয়ন্ত্রণের উপায় কি?🤔 আমরা সবসময়ই শুনি রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, কিন্তু আমরা কি জানি কিভাবে রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়? ⚖ এক্ষেত্রে, আমরা xyz ফর্মুলা আমরা ব্যাবহার করতে পারি। এখানে, ◼ x হচ্ছে পুরো ঘটনাটা ◼ y হচ্ছে আপনার Emotion ◼ z হচ্ছে আপনার রাগের সমাধান কি একটা ঘটনা দেখুন আপনার সাথে মিলে কিনা? আমাদের অনেকেরই ঘুম বেশি, তাই ঘুম থেকে উঠার জন্য অ্যালার্ম দিয়ে থাকে, কিন্তু যে অ্যালার্ম দিচ্ছে সে অ্যালার্ম বাজার পরও ঘুম থেকে উঠছে না। তখন আমরা বলি, “আরেক দিন যদি অ্যালার্ম বাজার পর না উঠেছো তাহলে তোমার খবর আছে। আরেকবার অ্যালার্ম বাজছে তুমি বন্ধ না করসো😡” 👉 এইযে কথাগুলো বলেছেন প্রতিটা কিন্তু xyz ফর্মূলার সাথে অন্তর্ভুক্ত। কিভাবে আমরা এই ঘটনাকে xyz ফর্মুলা বলতে পারি, “আরেক দিন যদি অ্যালার্ম বাজার পর না উঠেছো”, এটা একটা ঘটনা এটাকে “x” ফর্মুলা বলতে পারি, তোমার খবর আছে” এটাকে আমরা emotion প্রকাশ বা y ফর্মুলা বলা যায়, “আরেকবার অ্যালার্ম বাজছে তুমি বন্ধ না করসো” এটাকে রাগের সমাধান বা z ফর্মুলা বলতে পারি । তবে আমরা এভাবে না বলে, একটু smart ভাবে বললে জিনিস গুলো খুব সহজ হয়ে যায়। আম...

আল্লাহর কাছে দুআ

  মূসা (আ) যখন ভুলক্রমে একজনকে হত্যা করে ফেলেন, তিনি সাথে সাথে আল্লাহর কাছে দুআ করেন- رَبِّ اِنِّیۡ ظَلَمۡتُ نَفۡسِیۡ فَاغۡفِرۡ لِیۡ - ‘হে আমার রব, নিশ্চয় আমি আমার নফসের প্রতি যুলম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন’। (২৮:১৬) মিশর থেকে পালিয়ে গিয়ে তিনি যখন পথ খুঁজে ফিরছিলেন, তিনি জানতেন না কোথায় যাবেন, তাই তিনি আল্লাহর কাছে দুআ করেন- ও আল্লাহ! আমাকে সর্বোত্তম পথ দেখিয়ে দিন এবং এ যাত্রায় আমাকে সাহায্য করুন। মাদইয়ানে পৌঁছার পর তিনি জানতেন না কোথায় গিয়ে উঠবেন, তাই তিনি আল্লাহর কাছে দুআ করেন- رَبِّ اِنِّیۡ لِمَاۤ اَنۡزَلۡتَ اِلَیَّ مِنۡ خَیۡرٍ فَقِیۡرٌ - ‘হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাযিল করবেন, আমি তো তারই ভিখারী।’। (২৮:২৪) তো, আমরা মূসা (আ) এর ঘটনায় প্রতিনিয়ত আল্লাহর কাছে দুআ করার ব্যাপারটি দেখতে পাই। এখান থেকে আমরা শিখি যে, আমাদেরও সবসময় আল্লাহর কাছে দুআ করা উচিত। আমাদের কেউ কেউ শুধু নামাজ শেষে দুআ করে। না। আমরা যখন গাড়িতে থাকি তখনো দুআ করি, যখন কোনো লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করি, তখনো আমরা দুআ করি। যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কিছুতে যুক্ত হওয়ার সময় আমরা আল্ল...

হযরত মুসা (আঃ) এর আমলে

  "স্রষ্টা বলেছেন, 'তুমি যাকে'ই আমার চেয়ে বেশি ভালোবাসবে', আমি তাকে'ই তোমার কাছ থেকে দূরে নিয়ে যাবো। এবং তোমাকে একা করে রাখব।"🖤 তিনি আরও বলেছেন, 'কখনো বলবেনা আমি তাকে ছাড়া বাঁচবোনা।' তবে আমি তাকে ছাড়াই তোমাকে বাঁচাবো। এবং পেছনের অনুগত সব আবেগ কেড়ে নিয়ে, তোমাকে দিব্যি সামনে নিয়ে যাব! তুমি কী দ্যাখো না? ঋতুরাও বদলাতে থাকে। ছায়া দেয়া গাছের পাতাও যায় শুকিয়ে। ধৈর্য্যে হারিয়ে যায়। কিন্তু তোমার স্রষ্টা ধৈর্যশীল ও পরম দয়ালু, সেই ঝরে যাওয়া পাতার ডাল থেকেই আবার সবুজ পাতা গজায়, তুমি কী দ্যাখো না তোমার স্রষ্টার এই নিদর্শন? যে মানুষটাকে তুমি নিজের অংশ ভাবতে, সেই মানুষটাই একদিন অচেনা হয়ে যায়। তোমার মন ভেঙে যায়! এমনকি তোমার বন্ধুও শত্রুতে পরিণত হয় আর শত্রুও খানিক সময় পরে পরিণত হয় বন্ধুতে। যে মানুষটাকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসতে সেও প্রতারণা করে। তবে তুমি কেন স্রষ্টা বিমুখ হয়ে মানুষকে ভরসা করো? অদ্ভুত এই পৃথিবী! যখন তুমি ভাবো এটা হবেনা কখনো, কিন্তু পরোক্ষণে সেটাই হয়। সেটাই হবার নয় কী? তুমি বলো, 'আমি পড়...

দুঃখকষ্টে সবর

  ফিতনার সাথে লড়াই করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছেন? চারপাশে সব অন্ধকার দেখছেন? ভাবছেন আমৃত্যু কি এভাবেই থেকে যাবে সব? ‌ থাকুক না! দুনিয়া তো ধ্বং[স] হবারই ছিলো। ঈমানটা নিয়ে জীবনটা কাটিয়ে দিন। বিনিময়ে যদি আল্লাহ্ জান্নাতে বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন তাহলে কি মন্দ হবে? জান্নাতের একটা মুহূর্তই তো দুনিয়ার সব ক্লান্তি মুছে দিতে যথেষ্ট। চলুন, আল্লাহর কাছে বরং জান্নাতে গিয়ে বিশ্রাম করার তৌফিক চাইতে থাকি।🤲 আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তা'য়ালা সবকিছুরই ফায়সালা অনেক আগেই করে রেখেছেন । এর কিছু অংশ আমরা দুনিয়ায় ভোগ করবো এবং কিছু অংশ পরকালে। যারা দুঃখকষ্টে সবর করে, তাদের জন্য আল্লাহ তা'য়ালা একটি সুন্দর জায়গা নির্ধারণ করে রেখেছেন। তা হচ্ছে জান্নাত। যেখানে কোনো প্রকার কষ্ট নেই, মন খারাপ নেই। আপনার হাসির পেছনের কারণ যেমন আল্লাহ তা'য়ালা জানেন, বুঝেন। তেমনই, আপনার কান্নার উদ্দেশ্যও জানেন, বুঝেন। আইউব আঃ যখন তীব্র কষ্ট নিয়ে আল্লাহর কাছে দুয়া করলেন, হে আমার রব, আমি দুঃখ-কষ্টে পতিত হয়েছি। আর আপনি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। (সূরা আম্বিয়া:৮৩) আল্লাহ তা'য়ালা দুয়া কবুল করলেন এবং সমস্ত কষ্ট দূর করে দিল...

বিবেক কে সুস্থ রাখুন

  বিবেক কে সুস্থ রাখুন: ★৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ক্রিকেট খেলতে পারি, কিন্তু এসি ছাড়া তারাবীহ নামাজ পড়তে পারি না! ★রেস্টুরেন্টে খেয়ে ওয়েটারকে ১০০ টাকা বকশিস দিতে পারি, কিন্তু রেস্টুরেন্টের সামনে রৌদ্রে দাড়িয়ে থাকা ভিক্ষুকটিকে ১০ টাকা দিতে পারি না! ★ বাড়ির দারোয়ান কে ৭ হাজার টাকা বেতন দিতে পারি, কিন্তু মসজিদের ইমাম সাহেবের বেতন দিতে পারিনা! ★ঈদের শপিং এ নিজের বাচ্চার জন্য ১০ হাজার টাকা বাজেট রাখতে পারি, কিন্তু বাড়িতে কাজের লোকটির জন্য ১ হাজার টাকা বাজেট রাখতে পারি না! ★শপিং মলে মানসম্মানের ভয়ে দরাদরি না করে ১ হাজার টাকার জিনিস দেড় হাজার টাকায় কিনতে পারি, কিন্তু তরকারি বাজারে ৩০ টাকার টমেটো ৩২ টাকা চাইলেই বিক্রেতাকে মেরে বসি! ★২০০ টাকার বাস ভাড়া ২০০০ টাকা দিয়ে কার নিয়ে যেতে পারি, কিন্তু রিক্সাওয়ালা ১০ টাকার ভাড়া ১৫ টাকা চাইলেই থাপ্পর দিতে দেরি করি না! ★শরীর পরিস্কার রাখার জন্য হাজার টাকার সাবান/ ফেইসওয়াস ব্যবহার করতে পারি, কিন্তু সম্পদ পরিস্কার/পবিত্র করার জন্য দরিদ্রকে যাকাত দিতে পারি না! কোথায় মানবতা, কোথায় মনুষত্ব?

ট্রানজিট নিয়ে

  ট্রানজিট নিয়ে এই পোস্টার অনেকে শেয়ার করায়, পক্ষে বিপক্ষে বিভিন্ন মেসেজ ও প্রশ্ন এসেছে এবং কেউ কেউ ব্যাখ্যাও চেয়েছেন। মেসেজে আলাদা আলাদা উত্তর না দিয়ে এখানে ব্যখ্যা দিচ্ছি। কে এই পোস্টার করেছেন জানি না, তারা ইন্টারভিউতে দেয়া বক্তব্যের মোটামুটি সারাংশ করেছেন এবং এখানে আমার নামের বানান ভুল আছে একটু। by fayez ahmed tayab ***** ভারতকে ট্রানজিট প্রশ্নে দেশে তিন ধরনের মতামত আছে। ১- ভারতকে ট্রানজিট দেয়া যাবে না। ২- যৌক্তিক ফিতে ট্রানজিট দেয়া উচিৎ এবং সেটা উইন উইন থাকতে হবে। ৩- বন্ধু রাষ্ট্রকে ফ্রি ট্রানজিট দেয়া। প্রথম ও দ্বিতীয় মত দুটা বিএনপিতে আছে। বিনিয়োগ বোর্ডে থাকাকালে মহামুদুর রহমান ট্রানজিটের বিরোধীতা করছেন। আমি বিএনপির একাধিক দায়ত্বশীল নেতাকে ট্রানজিট বিরোধী অবস্থানের সাথে দ্বিমত পোষণ করতে শুনেছি। বিপরীতে বিএনপির ভিতরে সংখ্যাগরিষ্ঠ মত হচ্ছে যৌক্তিক ফির বিনিময়ে ট্রানজিট এবং বিপরীতে শিলিগুড়ি করিডোর এবং ভারতের ভূখন্ড ব্যবহার করে দক্ষিণ এশিয়ার ল্যান্ডলক দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য। কেউ কেউ ট্রানজিটের সাথে পানির হিস্যাকে জুড়ে দিতে চান। যদিও একটা বাণিজ্য এবং অন্যটা ভাটির দেশের, প্...

"স্ট্রেচ মার্ক"

  "স্ট্রেচ মার্ক" "ফাটাদাগ" 🔴 হতে পারে তা পেটে/ পিঠে/ বাহুতে/ ঘাড়ে/ উরুতে/ স্তনে।।। জানেন কি আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে এখনো কতো ভ্রান্ত ধারণা আছে?? গতকাল আমার চেম্বারে একজন রোগী এসেছিলেন তার সাথে একজন মহিলা ছিলেন (উনি হলেন রোগীর জা)। রোগীর সমস্যা= তলপেটে ব্যথা। 👉চেকআপ করতে যেয়ে বললাম জা কে বাহিরে যেতে। 👉রোগীঃ না, উনি থাকুক, সমস্যা নাই। (রোগীর বয়স কম, কথা ছোটদের মতো) যাইহোক এবডোমিনাল এক্সামিনেশন করলাম। এপেন্ডিসাইটিস এর সাইন-সিম্পটম সব। আগেও একবার এমন হয়েছিল। 👉এরপর তার জা হঠাৎ করে বলে উঠলেনঃঃ এই তোমার পেটে ফাটা দাগ কেন এগুলো?? রোগী চুপ। আবারও তার জা(ভাসুরের স্ত্রী) রাগান্বিত হয়ে বললেন "বলো তোমার পেটে এগুলো কিসের দাগ, কবে থেকে এমন হয়েছে?" (উল্লেখ্য রোগীর বিয়ে হয়েছে ২মাস) পরিস্থিতি কোনদিকে মোড় নিচ্ছে তা আমি বুঝতে পেরেছি ১০বছরের প্রাকটিসে দেখেছি অনেকের মধ্যে এই ধারণা বিরাজ করে যে "বাচ্চা পেটে থাকার সময় অথবা বাচ্চা হওয়ার পর এমন পেটে ফাটা দাগ হয়"। 👉তাই সাথে সাথে আমি রোগীকে বললামঃ আচ্ছা আপনি কি আগের থেকে মোটা হয়েছেন মানে ওজন কি বেড়েছে? 👉রোগ...