Skip to main content

Posts

Showing posts from November, 2021

অতীত এবং ভবিষ্যত

আল্লাহ দুইটি জিনিস আমার নিয়ন্ত্রণে রাখেন নি। অতীত এবং ভবিষ্যত। অতীতের ক্ষতগুলো, ভুলগুলো, অনুশোচনাগুলো, পছন্দগুলো এবং ব্যর্থতাগুলো আর পরিবর্তন করা যাবে না। ভবিষ্যত—আমি যতই মনে করি না কেন এর জন্য আমার পরিকল্পনা আছে—আসলে সম্পূর্ণরূপে আমার নিয়ন্ত্রণের বাহিরে। কিন্তু আল্লাহ আমাকে বর্তমান উপহার দিয়েছেন এবং এর দায়-দায়িত্ব আমার উপর অর্পণ করেছেন। তাহলে, কিভাবে আমি একে সর্বোচ্চ কাজে লাগাবো? বেদনাহত অতীত আর উদ্বেগজনক ভবিষ্যত নিয়ে গভীর ভাবনায় ডুবে থেকে আমি আমার বর্তমান নষ্ট করতে পারি না। আপনি এবং আমি এমন করে আমাদের মহামূল্যবান সময়ের অনেকটুকু নষ্ট করে ফেলেছি। এর ফলে একই রকম কষ্ট ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি পায় নি। আমাকে অবশ্যই আমার অতীত এবং ভবিষ্যত নিজের উপকারের কাজে লাগাতে হবে। অতীত তো শুধু শিক্ষণীয় কিছু ঘটনা ছাড়া আর কিছুই নয়। কুরআনের ভাষায় এর নাম হলো عبرة (ইবরা)। ভবিষ্যত আল্লাহর হাতে। তাই, আমি ভবিষ্যতের জন্য কিছু দুআ করে একে ঊনার হাতেই ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু, তাঁর দানকৃত বর্তমানের জন্য নিজের প্রচেষ্টার সবটুকু ঢেলে দিবো। কবরে গেলে অতীত এবং ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করার অফুরন্ত সময় পাওয়া যাবে। [ সামনে এ নিয়ে ...

স্বল্প থেকে মাঝারী ধরণের বিষণ্ণতা ,এই কাজগুলো করুন

  ১. কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপিঃ এটা আমাদের মস্তিষ্কের জন্য একধরণের থেরাপি। এটা আমাদের চিন্তাভাবনার প্রক্রিয়াকে পরিবর্তন করে এবং আমাদের আচরণ নিয়ে কাজ করে। ২. ব্যায়াম করাঃ প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে ৫ দিন ব্যায়াম করুন। যেমনঃ সাইক্লিং, জগিং, সাঁতার, দ্রুত হাঁটা ইত্যাদি। ৩. সঠিক খাদ্যাবাসঃ #খাবেন নাঃ প্রক্রিয়াজাতকরা খাবার, পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট #খাওয়া কমাবেনঃ চিনি এবং ক্যাফেইন #খাবেনঃ প্রচুর পরিমাণে ফল, শাকসবজি এবং আমিষ। রুটিনঃ ১৬:৮ ফর্মুলা (১৬ ঘন্টার শুধু পানি খেয়ে থাকা এবং বাকী ৮ ঘন্টা খাবার খাওয়া) ৪. ঘুমঃ যদি আপনার বিষণ্ণতা থাকে তাহলে ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। চেষ্টা করুন রাত ১০টার আগেই বিছানায় যেতে। ৫. নিজের চাপ নিয়ন্ত্রণ করুনঃ - কিছু কাজের দায়িত্ব অন্যদের উপর দিন। - নিজের উপর থেকে কাজের চাপ কমান। - নিজের সম্পর্কগুলো নিয়ে কাজ করুন। - প্রত্যাশা এবং বাস্তবতার মধ্যে সমন্বয় সাধন করুন। - ক্ষমা করতে শিখুন। ৬. নেতিবাচক মানুষের সঙ্গ পরিহার করুনঃ এমন একজন বন্ধু বা ভাই-বোন বা প্রতিবেশী খুঁজে বের করুন যিনি জাজমেন্টাল না বা যিনি আপনার কথা শুনে সহজেই আপনাকে ভুল বিচার করবেন না বা ...

ছয় প্রকার নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়

  ছয় প্রকার নারীকে বিয়ে করা উচিত নয় : ১. আন্নানা ২. মান্নানা ৩. হান্নানা ৪. হাদ্দাকা ৫. বাররাকা ৬. শাদ্দাকা ১. “আন্নানা” হলো সেই নারী যে সবসময় ‘হায় আফসোস’ ‘হায় আফসোস’ করতে থাকে। এবং অলস, ‘রোগিণী’র ভান করে বসে থাকে। এমন নারীকে বিয়ে করলে সংসারে বরকত হয় না। ২. “মান্নানা” হলো সেই নারী যে স্বামীকে প্রায়ই বলে, আমি তোমার জন্যে এই করেছি, সেই করেছি।’ হেন করেছি, তেন করেছি, ইত্যাদি ইত্যাদি। ৩. “হান্নানা” হলো সেই নারী যে তার পূর্বের স্বামী বা প্রেমিকের প্রতি আসক্ত থাকে। ৪. “হাদ্দাকা” হলো সেই নারী, যে কোনো কিছুর উপর থেকেই লোভ সামলাতে পারে না। সব কিছুই পেতে চায়, এবং স্বামীকে তা ক্রয়ের জন্যে নিয়মিত চাপে রাখে। ৫. “বাররাকা” হলো সেই নারী যে সারাদিন কেবল সাজসজ্জা ও প্রসাধনী নিয়ে মেতে থাকে। এই শব্দের অন্য একটি অর্থ হলো, যে নারী খেতে বসে রাগ করে চলে যায়। এবং পরে একা একা খায়। ৬. “শাদ্দাকা” হলো সেই নারী যে সবসময় বকবক করে। হে আল্লাহ্ আপনি আমাদের সকল নর নারী কে দ্বীনদার ও নেককার হওয়ার তৌফিক দান করুণ আমিন 🌸🍁 collected from red tv bangla/youtube

পর্দা

  একজন মেয়েকে ৫০/৬০টি সাপের উপর কবর দেওয়া হয়েছিলো, ১৯৮৬ সালে করাচির এক পত্রিকায় সেই মায়ের লিখা চিঠি প্রকাশ পায়। . তিনি লিখেছিলেনঃ- আমার বড় মেয়ে কিছুদিন আগে মারা গেছে তাকে দাফন করার জন্য কবর খনন করা হরে সেখানে ৫০/৬০ টা সাপ কিলবিল করছে। . এই অবস্থা দেখে ২য় ৩য় বারও কবর খনন করা হয় কিন্তু প্রতিবারই সাপ দেখা যাচ্ছিল। অতপর, সকলের সাথে পরামর্শ করে ওই সাপের ওপরই কবর দেওয়া হয়েছিল। . মেয়েকে কবর দেওয়ার পর তার বাবা অর্থাৎ আমার স্বামী নিজের মাথার চুল ছিড়া শুরু করছিলো আর বলছিল, আমার মেয়ে নামাজ রোজা সব কিছু করতো, কিন্তু পর্দা করতো না। তাকে পর্দা করতে বলা হলে সে যা ইচ্ছা তা শুনিয়ে দিত, এক কথায় আমি ছিলাম ব্যর্থ বাবা। . অথচ, আজ সে কবরে ধনুকের ন্যায় বেঁকে আছে। . ১৪শ ১৪ হিজরি শাবান মাসে আমার এক বন্ধু সে আমাকে জানালো করোংগি এলাকার একটি ঘটনা, আমার আত্নীয়র এক যুবতি মেয়ে মারা গেছে, মেয়েকে কবর দেওয়ার জন্য মেয়ের বাবাও কবরে নেমেছিল। বাড়ি ফিরে এসে তার মনে পড়ে সে তার ম্যানিব্যাগ কবরে ফেলে এসেছিল যার মধ্যে ছিল অতি প্রয়োজনীয় কাগজ তাই তাকে বাধ্য হয়ে ফিরে আসতে হয়। আবার, কবর খুড়ে কাগজ আনতে গিয়ে মাটি সরি...

পুরুষ মানুষ

  পুরুষ মানুষ অনেকটা খেজুর গাছের মতো। আদর পায় না, যত্ন পায় না, কেউ পানি দেয় না, সার দেয় না, গোঁড়ায় কেউ মাটি দেয় না, আরো বলে নিজের পায়ের তলার মাটি নিজে শক্ত করো! অযত্নে অবহেলায় বেড়ে উঠে! বেড়ে উঠার পর কিন্তু তার কাছে প্রত্যাশা অনেক! তার ফল খুব মিষ্টি, তার রসের জন্য হাহাকার, তার রসের গুড় চিনির চেয়ে কয়েকগুন বেশি উপকারী। তাকে বছরের পর বছর ক্ষতবিক্ষত করা হয়! যতদিন বেঁচে থাকে তাকে কাটা হয়, তার রস এক ফোঁটা এক ফোঁটা করে নিগড়ে নেওয়া হয়! রস নেওয়া শেষ হয়ে গেলে আর তার কোন কদর থাকে না, পথে ধারে একাকী অযত্নে অবহেলায় পড়ে থাকে! আবার জীবন শেষ করে জ্বালানির কাঠ হিসেবে অধিক বিশ্বস্ত। মাছ ধরার ফাদ পাতার জন্য তার জুড়ি নেই। তারপরও খেজুর গাছ কোন অভিযোগ করে না, কিছু প্রত্যাশা করে না, ভালোবাসা চায় না। শুধু ফল দিয়ে যায়, রস দিয়ে যায় আর মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকে নিঃস্বার্থভাবে আপনার পরিবারের পুরুষ মানুষটির মতো❣️ collected

একজন স্ত্রী তার স্বামীর কাছে কি কি জিনিস চায়

  একজন স্ত্রী তার স্বামীর কাছে কি কি জিনিস চায় ----------- * --------------- একজন স্ত্রী তার স্বামীর কাছ থেকে কোন বিষয়টি সবচেয়ে বেশি কামনা করে? আবেগের দিক থেকে কোন বিষয়টি? তা হলো, অবিরাম ভালোবাসা। ক্রমাগত স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি মনোযোগ দিবে, সবসময় তাকে অগ্রাধিকার দিবে। স্বামী সবসময় দেখাবে যে আমি তোমার কথা সবসময় মনে রাখি। আমি তোমার ব্যাপারে যত্নশীল। মোটকথা, আমি সবসময় তোমাকে ভালোবেসে যাবো। স্ত্রী চায় সে ভালোবাসা অনুভব করতে, সেই স্নেহ অনুভব করতে। একজন স্ত্রী সবসময় নিশ্চিত থাকতে চায় যে তার স্বামী তাকে ভালোবাসে। তার স্বামী তাকে সবসময় এক নাম্বার হিসেবে অগ্রাধিকার দেয়। যদি সুযোগ থাকতো মহিলারা চাইতো যে, তাদেরকে কোনো একটি বেদির উপর বসিয়ে রাখা হউক, আর তাদের স্বামীরা তাদের দিকে দিন-রাত চব্বিশ ঘন্টা তাকিয়ে থাকুক। তারা তাদের স্বামীর জীবনে এক নাম্বার থাকতে চায়। তাই তারা ক্রমাগত নিশ্চিত থাকতে চায় যে, তাদের স্বামীরা তাদের ভালোবাসে। ভাইয়েরা যারা এখানে আছেন, মনোযোগ দিয়ে শুনুন। স্ত্রীরা কখনো আপনার ভালোবাসা এমনিতেই আছে বলে মনে করে না। আপনি সেটা মনে করতে পারেন। ছেলেদের জন্য এটা দরকার পড়ে না যে...

স্বাস্থ্যবিষয়ক কিছু কথা

  সকলের জানা উচিৎ স্বাস্থ্যবিষয়ক কিছু কথা : ১. আপনার পাকস্থলী কখন ভীত যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না। ২. আপনার কিডনি কখন আতঙ্কিত যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। ৩. আপনার গলব্লাডার ভীত যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন। ৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন। ৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত যখন আপনি ভাজাপোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন। ৬. ফুসফুস তখন ভীত যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন। ৭. লিভার ভীত যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন। ৮. হৃদপিন্ড ভীত যখন আপনি বেশি লবন এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন। ৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন। ১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন। এবং ১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন। আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন।collected

শিক্ষক কে অসম্মান

অনার্স থার্ড ইয়ারে থাকতে এক স্বনামধন্য প্রফেসর স্যারের ছেলেকে পড়াতাম। নিজের শিক্ষকের ছেলেকে তার বাসায় পড়াতে গিয়ে দেখলাম, আমি পড়ার টেবিলে বসলে আমার স্টুডেন্ট যতটা তাড়াহুড়া করে তার বই খাতা আনতো, তার চেয়ে প্রফেসর স্যার আরো দ্রুত তার ছেলের বই খাতা নিয়ে আসতো আইমিন ছেলেকে হেল্প করতো। ওনার ছেলে পড়া না শিখলে স্যার এসে ক্ষমা চেয়ে নিতো! মারার জন্যে বেত দিয়ে যেতো! যতটা না ভক্তি আমার ছাত্রের ছিলো আমার প্রতি, তার চেয়েও বেশী ভক্তি এবং শ্রদ্ধা ঐ প্রফেসর স্যার আমাকে করতো। আমি নিজেই লজ্জা পেয়ে যেতাম। চুপ করে থাকতাম স্যারে কান্ড দেখে, তার প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা আরোও বেড়ে যেতো। স্যারকে একদিন জিজ্ঞেস করলাম স্যার আপনিতো আমাকে নাম ধরেই ডাকতে পারেন, তখন স্যার উত্তর দিলো "বাবা আমি যেভাবে তোমাকে ট্রিট করবো আমার ছেলে তোমাকে ঐভাবেই ট্রিট করবে, আমি তোমাকে সম্মান প্রদর্শন না করলে, সে শিখবে কই থেকে? আমার ছেলে, শিক্ষকের সম্মান বুঝবে কি করে আমি যদি তার শিক্ষককে ঐ সম্মানটা দিতে না পারি! আমি জাস্ট অবাক হয়ে তাকিয়েছিলাম!! এখনকার বাবা-মা'রা তার ছেলে-মেয়েদের সামনেই শিক্ষককে প্রশ্ন করে -- কি ব্যাপার কা...

এক ব্যক্তির স্ত্রী...

এক ব্যক্তির স্ত্রীর পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সে মৃত্যু হলো, সবাই যখন দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দিলো, উনি তখন বললেনঃ- স্ত্রীর সবচেয়ে বড় উপহার ছেলে আছে ওকে নিয়েই কেটে যাবে। ছেলে যখন বয়স্ক হলো ছেলেকে সব ব্যাবসা বুঝিয়ে দিয়ে কখনও নিজের আর কখনও বন্ধুর অফিসে সময় কাটাতে লাগলেন। ছেলের বিয়ের পর উনি আরও বেশি একাকী হয়ে পড়লেন। তখন পুরো বাসাতে বৌমার অধিকারে দিয়ে দিলেন। ছেলের বিয়ের এক বছর পরে উনি দুপুরে খাবার খাচ্ছিলেন ছেলেও অফিস থেকে এসে হাত মুখ ধুয়ে খাবার খাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছিলো। ছেলে শুনতে পেলো বাবা খাবার পর দই চাইলো আর বৌ জবাব দিলোঃ- আজকে ঘরে দই নেই! খাবার খেয়ে বাবা বাহিরে হাঁটতে চলে গেল। কিছু পরে ছেলে তার বৌয়ের সাথে খাবার খেতে বসলো। খাবারে পাত্র ভরে দই ছিলো। ছেলে কোন প্রতিক্রিয়া না জানিয়ে খাবার খেয়ে অফিস চলে গেলো। কিছু দিন পর ছেলে নিজের বাবাকে বললেন ---"আজ আপনাকে কোর্টে যেতে হবে আর আজ আপনার বিবাহ হচ্ছে "। পিতা আশ্চর্য হয়ে ছেলের দিকে দেখল আর বললেন "বাবা! আমার আর বিয়ের দরকার নেই, আর আমি তোমাকে এত স্নেহ দিই যে তোমারও মায়ের দরকার নেই, তো আবার বিয়ে কেন?? ছেলে বলল "বাবা, না আমি...

নিজের অভ্যন্তরের শান্তি খুঁজে পাওয়া

  ১. নিজের অভ্যন্তরের শান্তি খুঁজে পাওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম আমরা নিজে। তাই সব সময় নিজের কাজের দায়িত্বভার নিজেকে গ্রহণ করতে হবে। ২. প্রকৃতির কাছাকাছি ফিরে যান, প্রকৃতি কখনো খালি হাতে ফেরায় না। ৩. আপনি যদি বিশ্বাসী হন, তবে পরকালের জন্য পুঁজি জমা করুন। ৪. নিঃস্বার্থভাবে প্রশংসা করুন, এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। ৫. নিজেকে ভালবাসুন, তবে অবশ্যই অন্যের সাহায্যে এগিয়ে আসুন। ৬. ঘৃণা, হিংসা, প্রতিশোধ - এই ৩ থেকে বেরিয়ে আসুন।এরা আত্মাকে কলুষিত করে। ৭. যা আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, তার প্রতি মনোযোগী হন। হাতের নাগালের বাইরের বিষয়ে আফসোস অশান্তি বাদে কিছুই দেয় না। ৮. নিজেকে যথেষ্ট সময় দিন এবং নিজের চাহিদা বুঝতে শিখুন। আপনার চাহিদা অনুযায়ী আপনাকে কাজ করতে হবে, ৯. নেতিবাচক চিন্তা এবং মানুষ উভয়ই এড়িয়ে চলুন। ১০. পৃথিবীতে নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেখুন, ক্ষমা করুন। . . . . . . source-lifespring

ইসলামের সৌন্দর্য (পঞ্চম পর্ব)

এক লোক একটি কোম্পানিতে চাকরি করে। ইদানীং সে নিজের উপর, তার কাজের উপর খুব বিরক্ত। কিছুতেই মন বসে না। একদিন তার বিরক্তি সহ্যসীমা ছাড়িয়ে গেলো। সে রাগে অফিসের ল্যাপটপ ভেঙ্গে ফেললো, অফিসের ফাইলপত্র পুড়িয়ে ফেললো, কাচের গ্লাস, জানালা ভেঙ্গে ফেললো। একেবারে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেললো। কিছুক্ষণ পর যখন স্বাভাবিক হলো, তখন বললো- ‘এ কী করলাম!’ অথচ ততোক্ষণে যা হবার তা হয়ে গেছে। সে চুপিসারে বাসায় চলে আসলো। মনে মনে চিন্তা করছে তার কী শাস্তি হতে পারে। শাস্তির একটা লিস্ট করে ফেললো। চাকরি চলে যাবে। জরিমানা দিতে হবে। কতো টাকা? পাঁচ লক্ষ? দশ লক্ষ? জেলে যেতে হবে। কিছুদিন পর পরিবার নিয়ে পথে বসবে। সে অপেক্ষা করছে পুলিশ এসে তাঁকে হাতকড়া পরাবে। সে অফিসে বসের অবাধ্যতাই শুধু করেনি, ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। তার তো এখন উচিত শিক্ষা হবে। দরজায় একজন নক করলো। সে নিশ্চিত দরজা খুলে দেখবে পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে। ধীর পায়ে দরজা খুলতে গেলো। ঘামে তার পুরো শরীর ভিজে গেছে। দরজা খুলে দেখলো অফিসের পিয়ন এসেছে। পিয়ন একটা মিষ্টি হাসি দিয়ে বললো, “বস আগামীকাল আপনাকে অফিসে যেতে বলেছেন। আপনি যা করেছেন তা তিনি মাফ করে দিবেন। শুধু একবার ‘সরি’ বললেই হব...

স্যার একটা কথা বলবো?

স্যার একটা কথা বলবো? -কি বল? -আজ আমার সারে ১২টায় ছুটি দেবেন? -কেন? কি করবি? -বাড়ি গিয়ে ভাত খাবো, পেটে খুব ক্ষিধা লাগছে। -কেন সকালে খেয়ে আসোনি? -না। -কেন? -তরকারি নেই। আর লবণ দিয়ে ভাত খেতে পারি না। তাই খেতে পারিনি। কথাটা শুনতেই বুকের মধ্যে কেমন যেন লাগলো স্যারের? -রাতে কি খেয়েছো? -গরম ভাতে পানি দিয়ে ডাল মনে করে ভাত। -এখন কি দিয়ে খাবে? -মা বললো ইস্কুল ছুটির পর গেলে কচু রান্না করে রাখব। সেটি দিয়ে মজা করে ভাত খাবো। মায় খুব মজা করে কচু রান্না করতে পারে। কখন যে চোখটা ঝাপসা হয়ে আসল বুঝতে পারিনি। একদিন তোমার মায়ের হাতের রান্না করা কচু খেয়ে আসব। নিয়ে যাবে তোমার বাসায়? যাবেন স্যার সত্য? হ্যাঁ যাব। যাও বাড়ি গিয়ে পেট ভরে ভাত খাও। মুখে পৃথিবী জয় করা হাসি নিয়ে বই হাতে নিয়ে তার চলে যাওয়ার দিকে মন্ত্র মুগ্ধের মত তাকিয়ে রইলাম। তরকারির জন্য ভাত খেতে পারছে না। অথচ আমাদের এই সমাজে কত মানুষ আছে যাদের খাবারের মেনুতে কত আইটেম থাকে। যা তারা খেয়ে শেষ করতে পারে না। অবশিষ্ট অংশ চলে যায় ডাস্টবিনে। এমন অনেক বাবা মা আছেন যারা ছেলেকে বিভিন্ন নামি দামি স্কুলে পড়ান। গাড়ি করে নিয়ে যান। ছেলের ...

মৃতদেহকে কবর দেওয়ার পরে

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক 24 ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের ভিতরে এমন পোকার উৎপত্তি হয় যা মৃতদেহের পায়ুপথ দিয়ে বেরোতে থাকে। তৎসহ এমন দুর্গন্ধ ছড়ায় যা সহ্য করা অসম্ভব। আর ঐ দুর্গন্ধ পোকার সমগোত্রীয় পোকাদের নিমন্ত্রণ দেয়। দুর্গন্ধ পেয়ে সমস্ত পোকা, মাকড়, বিছে মানুষের মৃতদেহের দিকে যাত্রা শুরু করে আর সবাই মিলে মানুষের মাংস খাওয়া শুরু করে দেয়। কবরস্থ করার তিনদিন পরে সবচেয়ে প্রথমে নাকের অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে এবং পচন ধরে যায়। ছয় দিন পরে নখ খসে পড়তে থাকে। নয় দিন পরে চুল খসে পড়া শুরু হয়। মানুষের শরীরের সমস্ত লোম ঝরে পরে আর পেট ফোলা শুরু হয়ে যায়, 17 দিন পরে পেট ফেটে যায় আর শরীরের ভিতরের সমস্ত অংশ বাহিরে বেরিয়ে আসে। 60 দিন পরে মৃতদেহের শরীরের সমস্ত মাংস শেষ হয়ে যায়। মানুষের শরীরে একটু টুকরো মাংস অবশিষ্ট থাকে না। 90 দিন পরে সমস্ত হাড় একে অপরের থেকে পৃথক হয়ে যায়। এক বছর পরে মানুষের শরীরের সমস্ত হাড় মাটির সঙ্গে মিশে যায়। আর যে মানুষের মৃতদেহ কবরস্থ করা হয়েছিল তার সমস্ত অস্তিত্ব মুছে যায়। অতএব আমার ভাই ও বোনেরা বলুন - মানুষের এতো অহংকার, এতো আত্মগর...

পিঁপড়া

  সুবহানাল্লাহ , ওয়ালহামদুলিল্লাহ....... এটা পিঁপড়া ছবি, মাইক্রোস্কোপে জুম করে হাই রেজুলেশন ক্যামেরায় তোলা হয়েছে সম্ভবত। বিজ্ঞানীরা গবেষণার মাধ্যমে এ তথ্য আবিষ্কার করেছেন যে, পিঁপড়া খাওয়ার প্রয়োজনে মাটির নীচে যে শস্যদানা জমা করে সেগুলোকে জমা করার পর দু টুকরো করে ফেলে, যাতে দানাগুলো থেকে চারা উদ্গত না হয়ে যায়। কিন্তু ধনিয়ার দানাকে পিঁপড়া অভ্যাসের বিপরীত দুটুকরোর পরিবর্তে চার টুকুরো করে। এর করণ খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীগণ জানতে পারলেন, ধনিয়ার দানা দুটুকরো করে ফেললেও তা থেকে চারা উদ্গত হয়। চার টুকরো করলে আর উদ্গত হতে পারে না। তাই পিঁপড়া তাকে চার টুকরো করে। সুবহানআল্লাহ! কে পিঁপড়াকে এই তথ্য দিলো? কে পিঁপড়ার মাথায় এই বুদ্ধি দিলো? আল্লাহ,, একমাত্র আল্লাহ! رَبُّنَا الَّذِي أَعْطَىٰ كُلَّ شَيْءٍ خَلْقَهُ ثُمَّ هَدَىٰ আমার প্রতিপালক তিনি যিনি প্রতিটি জিনিসকে তার উপযু্ক্ত আকৃতি দান করেছেন অতপর তাকে প্রয়োজনীয় পথনির্দেশ দিয়ে দিয়েছেন।- (সূরাঃ আল-আ'লা-৩) আল্লাহ সর্বজ্ঞানী-💖 *************************************** কুকুর প্রতি বছর 6/7 বাচ্চা জন্মায় কিন্তু মারা যায়। তারপরেও কিন্তু এই পৃথিবীতে কুকুর এ...

ব্লাড ক্যান্সার

  শিশুদের যতো ধরনের ক্যান্সার হয়, ব্লাড ক্যান্সার তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। শিশুদের যতো ক্যান্সার হয়, ব্লাড ক্যান্সারই তন্মধ্যে ৪০ ভাগ। ◼️ কী কী কারণে হয়ে থাকে এ ক্যান্সার? ১. অনেকক্ষেত্রেই প্রকৃত কারণ জানা যায় না। ২. কিছু জেনেটিক এবং ক্রোমোজোমের সমস্যার কারণে। ৩. র‍্যাডিয়েশানের সংস্পর্শ। ৪. কিছু ভাইরাসের ইনফেকশান। ৫. কিছু রাসায়নিক পদার্থ। ৬. কিছু ক্ষতিকর ওষুধ ইত্যাদি। ◼️ লিউকেমিয়া কতো ধরনের : এটি প্রধানত ২ ধরনের। ক. একিউট বা তীব্র লিউকেমিয়া খ. ক্রনিক বা দীর্ঘস্থায়ী লিউকেমিয়া এগুলোর মাঝে আরও ভাগ রয়েছে। ◼️ কী কী উপসর্গ থাকে? কিছু অনির্দিষ্ট উপসর্গ থাকে, যেমন : ১. খাবারে প্রচণ্ড অরুচি ২. সারাক্ষণ ক্লান্তিবোধ ৩. অল্পতেই বিরক্ত হয়ে যাওয়া ৪. শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যথা ◼️ কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গ থাকে, যেমন : ১. জ্বর : অনেকদিন ধরে টানা জ্বর থাকতে পারে আবার মাঝে মাঝে আসে আবার ছাড়ে এমনও হতে পারে। ২. দিনকে দিন শিশু ফ্যাকাশে হয়ে যেতে থাকে। ৩. শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে রক্তক্ষরণ, যেমন : নাক, মাড়ি, ত্বক ইত্যাদি ◼️ এছাড়া সাথে আরও থাকতে পারে : - খিঁচুনি - মাথাব্যথা ...

মৃত্যুর পর আপনার টাকা

  মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আপনার টাকা রয়ে যায়। অথচ আমরা আমাদের জীবদ্দশায় খরচ করার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা পাই না। একজন চীনা বিত্তবান মারা গেলেন। ভদ্রলোকের বিধবা স্ত্রী ২০০ কোটি টাকার মালিক হয়ে তার মৃত স্বামীর ড্রাইভারকে বিয়ে করে ফেললেন। সদ্য বিবাহিত ড্রাইভার মনে মনে বললেন, এতদিন জানতাম আমি আমার মালিকের জন্য কাজ করেছি। এখন দেখি আমার হৃদয়বান মালিকই আমার জন্য শ্রম দিয়ে গেছেন! নিরেট সত্যটি হচ্ছে-অধিক ধনবান হওয়ার চেয়ে দীর্ঘ্য জীবন লাভ করা বেশি জরুরি। তাই অধিক ধনবান হওয়ার জন্য অবিরাম শ্রম না দিয়ে দীর্ঘ এবং সুস্থ্য জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত এবং নিজেকে সেভাবে গড়া উচিত। আমাদের জীবনের নানা ঘটনাতেই এই সত্যটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করা যায়ঃ * দামি এবং অনেক সুবিধা সম্পন্ন একটি মোবাইল ফোনের ৭০% অব্যবহৃতই থেকে যায়। * একটি মূল্যবান এবং দ্রুতগতি গাড়ির ৭০% গতির কোনো দরকারই হয় না। * প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না। * কারো কারো এক আলমারি কাপড়-চোপড়ের বেশির ভাগ কোনদিনই পরা হয়ে উঠে না। * সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থের ৭০% আসলে অপরের জন্যই। আপনার জমানো অর্থ যাদের জন্য ...

শিশু-কিশোরদের সাথে কথা

  ১. শিশু-কিশোরদের সাথে কথার ক্ষেত্রে, সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সন্তানের সাথে এমন একটি সময় বেছে জরুরী কথাগুলো বলুন, যখন সে শুনতে তৈরি। ২. সন্তানের সাথে আপনার সম্পর্কের প্রতি মনোযোগী হন। আপনি কথা বললেই সে শুনতে আগ্রহী হবে বা বিশ্বাস করবে তখনই, যখন তার সাথে আপনার আত্মিক বন্ধন দৃঢ় হবে। ৩. আপনার কথা সন্তানকে শোনানোর আগে, অবশ্যই তার কথা আপনি নিজে মনোযোগ দিয়ে শোনার অভ্যাস তৈরি করুন। ৪. সন্তান কথা পালন করলে, অবশ্যই তাকে পুরস্কৃত করুন। তবে পুরস্কার এমন হতে হবে, যেটা সন্তান পছন্দ করে। ৫. শিশুরা সেই কথাই দীর্ঘ সময় মনে রাখে, যেটা তাকে যুক্তির সাথে বারবার বলা হয়। অতএব অবশ্যই সন্তানের ব্যবহারের সাথে নিজের আচরণ পাল্টাবেন না, আপনি আপনার আচরণে কন্সিস্ট্যান্ট থাকার চেষ্টা করুন। ৬. প্রতিবার আপনার কথা তাকে শোনানোর চেষ্টা না করে, মাঝে মাঝে তাকে বাছাই করে নিতে দিন, এবং তার পছন্দকে আপনিও গুরুত্ব দিন। ৭. সামান্যতেই, প্রচুর প্রশংসা করুন। ৮. খেয়াল রাখুন, যাতে সন্তানেরা ঘরের নিয়ম-নীতিকে শাস্তি হিসেবে না গ্রহণ করে, বরং খেলা হিসাবে গ্রহণ করে। ৯. 'না' বাচক শব্দ পরিহার করুন, 'হ্যাঁ...

পারিবারিক শিক্ষা

  একেই বলে পারিবারিক শিক্ষা বিয়ে করতে যাওয়া এক পুত্রকে তার পিতার উপদেশ মালা। বাবা বললেন, তোমার দাদা বলেছিলেন, ১. নতুন বউকে পালকি করে কেন আনা হয় জানিস? তাকে তো গরুর গাড়িতেও আনা যেত। তা না করে পালকিতে আনা হয়, কারণ সে কত সম্মানিত তা বোঝানোর জন্য। পালকিতে নামানোর পর এ সম্মান কমানো যাবে না। সারাজীবন পালকির সম্মানেই তাকে রাখতে হবে। ২. নতুন বউ পালকিতে উঠে কী করে জানিস? কাঁদে। কেন কাঁদে? শুধু ফেলে আসা স্বজনদের জন্য না। নতুন জীবন কেমন হবে সে ভয়েও কাঁদে। তোর চেষ্টা হবে পালকির কান্নাই যাতে তার শেষ কান্না হয়। এরপর আর মাত্র দুটো উপলক্ষ্যে সে কাঁদবে। একটি হলো মা হওয়ার আনন্দে, আরেকবার কাঁদবে তুই চলে যাওয়ার পর। মাঝখানে যত শোক আসবে তুই তার চোখের পানি মুছে দিবি। ৩. স্ত্রী সবচেয়ে কষ্ট পায় স্বামীর বদব্যবহারে, দ্যাখ, আমি খুবই বদমেজাজি, কিন্তু কেউ বলতে পারবে না আমি তোর মায়ের সামনে কোনোদিন উঁচু গলায় কথা বলেছি। ৪. বিয়ে মানে আরেকটি মেয়ের দায়িত্ব নেওয়া। এটা ঠিকভাবে পালন না করলে আল্লাহর কাছে দায়ী থাকতে হয়। ৫. আরেকটি কথা, সব মেয়ের রান্নার হাত ভালো না, কিন্তু সবাই রান্না ভালো করার সর্বো...

ঝুমুর গান

  ১৮৩৫ সালে চার্লস ব্রুস বৃটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দায়িত্ব পান। প্রথমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি চীনের চা উৎপাদন শুরু করে কিন্তু সেই চা নিম্নমানের হওয়ায় পরবর্তীতে দেশীয় চা উৎপাদন শুরু হয়,যা ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়।ফলে আসামে বাণিজ্যিকভাবে চা উৎপাদন শুরু হয়ে যায় ব্যাপকভাবে। কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় শ্রমিক সংকট।একে তো চা বাগানের কাজ শ্রমসাধ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ, তার উপর বন্য হিংস্র জীব-জন্তুর উৎপাত।তাই স্হানীয় শ্রমিকরা চা বাগানে কাজ করতে চাইলো না। সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো শ্রমিক আনা হবে আসামের বাহিরে থেকে। সাহেবরা দালালদের মাধ্যমে ভুলিয়ে ভালিয়ে মূলত বিহারের ছোট্ট নাগপুর থেকে নিয়ে এলো কুলিদের,এর বাহিরে উড়িষ্যা, মধ্যপ্রদেশ, অন্ধপ্রদেশ থেকেও আনা হলো তাদের। এখানে আসার পরে তারা টের পেলো যে ভুলিয়ে ভালিয়ে মরণফাঁদে এনে ফেলা হয়েছে তাদের। চাবুকের নীচে দাসশ্রম দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই তাদের। এই দাসশ্রম দিতে গিয়ে প্রথম তিন বছরের মধ্যে আসামে যে ৮৪৯১৫ জন মজুর আমদানি করা হয়েছিল তার ভিতর ৩১৮৭৬ জনই অত্যাচার, নির্যাতন, অনাহার,অর্ধহারে আর মরণ ব্যাধির কবলে পড়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছিল...

ইসলামের সৌন্দর্য (চতুর্থ পর্ব)

শীতকাল আসার সাথে সাথে সাধারণত জ্বর, শর্দি, কাশি বেড়ে যায়। মুখ তেঁতো হয়ে যায়, খাদ্যে রুচি থাকে না। অসুস্থ কেউ আশেপাশের সবাইকে দেখলে মনে করে- সবাই কী সুখে আছে, আমিই কেবল অসুখে! মনে করুন, একজন আপনার কাছে এক লক্ষ টাকা পান। আপনি সময়মতো টাকা দিতে পারছেন না, টাকা না দেবার কারণে ঐদিক থেকে তাগদা আসছে, এদিকে আপনি চিন্তায় মরে যাচ্ছেন। আপনার সময় কাটছে, কিন্তু দুশ্চিন্তায়। কোনোভাবে টাকা ফেরত দেবার কোনো উপায় বের করতে পারছেন না। রাতে ঠিকমতো ঘুমও হয় না। হঠাৎ একদিন ঐ পাওনাদার এসে আপনাকে বললো- ‘শীতের সকালে তুমি যদি খালি পায়ে ৫ কিলোমিটার হাঁটো, তাহলে তোমার ঋণের টাকা আমি মাফ করে দেবো। তোমাকে আর টাকা দিতে হবে না’। এরকম একটা অফার পেলে আপনার কেমন লাগবে? হ্যাঁ, শীতের সকালে খালি পায়ে পাঁচ কিলোমিটার হাঁটতে আপনার কষ্ট হবে, কিন্তু এই কষ্টের বিনিময়ে আপনার এক লক্ষ টাকার ঋণ পরিশোধ হবে। এক লক্ষ টাকার কাছে আপনার এই কষ্ট তখন তুচ্ছ মনে হবে। স্বাভাবিকভাবেই আপনি সেই প্রস্তাব মেনে নিবেন সন্তুষ্টচিত্তে। কারণ, কষ্টের মাধ্যমে যে স্বস্তি পাবেন, সেই স্বস্তি আপনাকে কষ্ট ভুলিয়ে দেবে। আমাদের যখন রোগ হয়, আমরা যখন অসুস্থ হই, তখন যদি...

'শয়তানের শ্বাস'

  🔴সত্য মিথ্যা জানি না, তবে বিপদে পড়বার আগেই সতর্ক হতে সমস্যা নেই... ঢাকার রাস্তায় ভয়ংকর মাইন্ড কন্ট্রোল ড্রাগ 'ডেভিলস ব্রেথ' বা 'শয়তানের শ্বাস' বা স্কোপোলামিন (Scopolamine) ছিনতাইকারী, পকেটমার ও মলম পার্টির পর বাজারে নতুন এসেছে 'ডেভিলস ব্রেথ' (Devil’s Breath) বা 'শয়তানের শ্বাস' নামে পরিচিত স্কোপোলামিন নামক ড্রাগ। যা ব্যবহার করে যাত্রী ও পথচারীদের সর্বস্ব লুটে নেয় এক চতুর পার্টি। ঘটনা-১ রাস্তায় হাটছিলেন রহমান সাহেব, হঠাৎ খুব পরিচিত ভঙ্গিতে একজন ডাক দিল। যেন রহমান সাহেব কে চিনে ভাল করে! রহমান সাহেব কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত! পরে লোকটা জাস্ট হ্যান্ডশেক করল, এরপর বেশ কিছু সময় গল্প করল। এরপর উনাকে বলল "ভাই, মানিব্যাগ আর মোবাইলটা দিয়ে দিন'। রহমান সাহেব বিনাবাক্যে এবং বিনাদ্বিধায় পকেট থেকে বের করে পুরো মাসের বেতন সহ মোবাইল দিয়ে দিলেন। কেন দিলেন উনি নিজেই জানেন না! উনি এখনো মোহগ্রস্ত! ঘটনা-২ রাস্তায় একটা লোক এক্সকিউজ মি বলে নীলা কে ডাক দিল, নীলা ঘুরে তাকাল। এরপর লোকটা জাস্ট মুখের উপর ফু দিল, বলল গাড়ীতে উঠ। নীলা গাড়ীতে উঠল, লোকটা তাকে একটা বাসায় নিয়ে ...

গল্প

  🔴আমার স্ত্রীকে সেদিন খুব মারার পর আর তেমন একটা কথা বলে না। বেশিরভাগ সময় চুপচাপ থাকে । সংসারের কাজকর্ম চুকিয়ে চুপচাপ বসে কাঁথা সেলাই করে। আগের মত আর ফোন চাপে না, গুন গুন সুরে গান করে না। পাড়ার কোনো মহিলার সাথেও সেভাবে কথা বলে না।যখন হাতে একেবারেই কোনো কাজ থাকে না তখন পুকুর পাড়ে গিয়ে বসে। আমার বেশ ভালই লাগে। সারাক্ষণ হাসি আর বক বক করে মাথা খেত। এতটা বাচাল হওয়া কোনো বিবাহিত মেয়েরই ঠিক নয়। তাই ভাবলাম শুরুতেই ডগা ছেঁটে দেই। তাই সেদিন দিলাম কয়েক ঘা বসিয়ে। সেদিন অর্পি শুধু নির্বাক হয়ে তাকিয়ে ছিল। তার চোখের জল টলমল করে উপছে পড়তে চায়। আমি হাত উঁচু করে বলেছিলাম যদি সে কাঁদে তবে তাকে খুন করে ফেলব। সেইযে চুপ ভয়ে এখন সে কাঁদতেও ভুলে গিয়েছে। বেশ খেয়াল করে দেখছি যে তার ফোনে কোনো কলও আসে না৷ একটা আশংকা নিয়ে অর্পির ফোন নিয়ে দেখি ফোনটা খোলাই আছে। আমি অবাক হলাম এই ভেবে ফোন খোলা অথচ কেউ ফোন করে না। অবশ্য ফোন করবে কে, বাবার বাড়ি থেকেই কোনো খোঁজ নেয় না তার আবার অন্য লোক! বিয়ের সময় বাবার বাড়ি থেকে যা যা দেবার কথা ছিলো করনার জন্য তাদের আর্থিক অবস্থা ভালো না বলে দিতে পারেনি বলেই যোগাযোগ করে ন...

কৃতজ্ঞতার অভাব।

যেকোন আলোচনায় খেয়াল করলে দেখা যায়, কেন্দ্রবিন্দুতে আছে আমাদের সমাজের সমস্যা কোথায়? মজার বিষয় হলো, এই সমাজের অংশ হলেও, আমরা কখনই আমাদের সমস্যাগুলোতে নজর দেয়ার চেষ্টা করিনা। সমাজের একটি বড় অংশকে মানসিক সেবা দেওয়ার অভিজ্ঞতা হিসেবে আমার কাছে মনে হয়, আমাদের সমাজের অন্যতম মূল সমস্যা হলো ২টি- - প্রথমত, অন্যের প্রশংসা করতে কৃপণতা। - দ্বিতীয়ত, হামবড়া ভাব ও কৃতজ্ঞতার অভাব। নিজের সময় খেয়াল করে দেখবেন, যদি আমাদের ছোট্ট কাজেও কেউ প্রশংসা করে, তাহলে আমাদের কত ভালো লাগে, তাই না? তাহলে অন্যের বেলায়ও একই কথা প্রযোজ্য! আপনি যদি কাউকে প্রশংসা করে, তাতে যেমন তার মনোবল বৃদ্ধি পায়, তেমনি হাজার গুণে বেড়ে যায় কাজের স্পৃহাও। প্রশংসা এমন একটি জিনিস যেখানে নিজের কোন কিছু বিসর্জন না দিয়েই, আপনি সামনে ব্যক্তিকে দিতে পারবেন অপরিসীম আনন্দ! তাহলে, আজ থেকে আমরা যদি প্রতিদিন ১০ জন মানুষের প্রশংসা করি, কেমন হবে? আবার ধরুন, অনেকেই আমাদের প্রশংসা করে। আমরা জানি আমাদের নানা গুণ আছে, বিভিন্ন কাজে আমরা পারদর্শী । কিন্তু তাই বলে কি আমাদের অহংকার করা সাজে? এমন অনেক কাজ কি নেই, যা আমরা পারি না? আবার আমাদের প্...

উইঘুরদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রি

  উইঘুরদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রি করে বিলিয়ন ডলার কামাচ্ছে চীন চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জিনজিয়াংয়ে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের প্রতি দেশটির সরকারের দমন-পীড়ন ও জাতিগত নিধন অভিযান নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে উদ্বেগ ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় ১৫ লাখ উইঘুর মুসলিমকে বন্দি শিবিরে আটকে রেখে বর্বর নির্যাতন, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংগ্রহ করে বিক্রি এবং নারী-পুরুষদের সন্তান জন্মদানের সক্ষমতা নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে চীনের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গোষ্ঠী ও মানবাধিকার সংস্থা চীনের নিন্দা জানিয়েছে। দেশটির ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে উইঘুর জনগোষ্ঠীকে তাদের ঐতিহাসিক পৈতৃক জন্মভূমি জিনজিয়াং থেকে নির্মূলের অভিযোগও রয়েছে। উইঘুরদের বিরুদ্ধে চীন যে দমন-পীড়ন চালাচ্ছে সেটিকে বিভিন্ন মানবাধিকার গোষ্ঠী ও দেশ পরিষ্কার গণহত্যা বলে অভিহিত করেছে; আর চীন গণহত্যার এই প্রকল্প থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। আর্থিক এই লাভের পরিমাণ বিশাল বলে সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। গত কয়েক বছর ধরে জিনজিয়াংয়ে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কার্যক্রম বিভিন্ন মানবাধিকার গোষ্ঠী ও বেসরকারি সংস...

ইসলামের সৌন্দর্য (দ্বিতীয় পর্ব)

  একটা কমিউনিটি সেন্টারে আপনি বিয়ের দাওয়াত খেতে গেলেন। বর আসতে দেরী হচ্ছে। বর না আসা পর্যন্ত খাবার দেওয়া হবে না। প্রায় আধঘন্টা ধরে চেয়ারে বসে আছেন, উঠে গেলে আর জায়গা পাওয়া যাবে না। অবশেষে বর আসলো, আস্তে আস্তে খাবার দেওয়া শুরু হলো। প্লেট আর গ্লাস ধোয়া হয়েছে, কিন্তু আপনার মনের মধ্যে একটা খুঁত থেকে গেছে। ঠিকমতো ধোয়া হয়েছে তো? প্লেট-গ্লাস হাতে নিয়ে পাশের চেয়ারের একজনকে বললেন, “ভাই, জায়গাটি একটু দেখো, আমি আসছি।” বেসিনে গেলেন প্লেট-গ্লাস আবার ধুতে। ফিরে এসে দেখলেন আপনার জায়গায় আরেকজন বসে পড়ছেন! এটা দেখেই তো আপনার শরীর জ্বলবে। এতো কষ্ট করে জায়গা রাখলেন, এখন সেখানে আরেকজন এসে বসে পড়বে? ভদ্রভাবে বললেন, “ভাই, এটা আমার চেয়ার, আমি প্লেট-গ্লাস ধুতে বেসিনে গিয়েছিলাম। পাশেরজনকে জিজ্ঞেস করে দেখুন...।” পাশেরজন মাথা নেড়ে সায় দিলেন। কিন্তু, যে আপনার চেয়ারে এসে বসলেন, তিনি বেঁকে বসলেন। “কই, চেয়ারের কোথাও তো আপনার নাম লিখা নেই? এটা আপনার জায়গা হবে কিভাবে?” বিয়ে খেতে এসে কী ঝামেলায় পড়লেন! ভদ্রভাবে বলার পরও লোকটা কথা শুনছে না, উড়ে এসে সে জুড়ে বসলো! ঐ লোকটিও ছাড় দিচ্ছে না, আপনিও ছাড় দিচ্ছেন না। আপনি আপনার...

মহিষ চুরি

মহিষ চুরি করতে নাকি ৩ জন লাগে । ১ম চোর মহিষের গলার ঘন্টা খুলে বাজাতে বাজাতে গ্রামের উত্তর দিকে রওনা হয় । ২য় চোর মহিষ নিয়ে গ্রামের দক্ষিন দিকে হাটতে থাকে , আর তৃতীয় চোর ভাল মানুষ সেজে গ্রামের মানুষের সাথে মিশে যায়। ভাল মানুষ সাজা ৩য় চোর গ্রামের মানুষ কে পরামর্শ দেয় , ঘন্টার শব্দ যেদিক থেকে আসছে মহিষ সেই দিকেই গেছে। বাজনা প্রিয় গ্রামবাসী ঘন্টার শব্দের দিকেই হাটতে থাকে। ঘন্টা নিয়ে যাওয়া ১ম চোর নিরাপদ দুরত্বে গিয়ে ঘন্টা ফেলে দিয়ে অন্ধকারে মিশে যায়। গ্রামবাসী ঘন্টা খুঁজে পেয়ে ,ঘন্টা নিয়েই মশগুল থাকে। ২য় চোর মহিষ নিয়ে নিরাপদে চলে যায় , আর ভদ্র মানুষরুপী ৩য় চোর কে কিছুক্ষন পর খোজে পাওয়া যায় না। দেশের যে কোন ইস্যুতে কিছু মিডিয়া প্রথমে ঘন্টা বাজিয়ে বাজিয়ে একদিকে যেতে যেতে হঠাৎ মিলিয়ে যায়। আর সুশীল সমাজের পরামর্শে দেশবাসী ঘন্টার শব্দের দিকেই হাটতে থাকে। আর এদিকে ঘটনার মূল নায়ক ঘটনা ঘটিয়ে নিরাপদে প্রস্থান করে। মিডিয়া এক সময় থেমে যায় , তখন দেশবাসী কুড়িয়ে পাওয়া ঘন্টা বাজাতে থাকে। ************************************************** ঘুঘু দিয়ে ঘুঘু ধরা: •••••••••••••••• “শিকারী উপকৃত হয় কিন...