Skip to main content

Posts

Showing posts from April, 2022

"রাগের" দোহাই

  " #রাগী_মানুষের_মন_ভালো_হয় " কথাটা খুবই বাজে একটা কথা। এবং এই জঘন্য কথা দিয়ে রাগকে গ্লোরিফাই করা বন্ধ হওয়া উচিত। রাগ ভালো কোন জিনিস না। রাগের সাথে মনের কোনো সম্পর্কও নাই। বরং রাগে হিতাহিত জ্ঞান শূন্য মানুষ জানোয়ারের চেয়েও খারাপ। এক ব্যক্তি নবীজি (সা.)-কে বললেন, আপনি আমাকে অসিয়ত করুন। তিনি বললেন, “তুমি রাগ করো না। ওই ব্যক্তি কয়েকবার তা বললেন। নবীজি (সা.) প্রতিবারই বললেন, “রাগ করো না(বুখারি, খণ্ড: ৮, অধ্যায়: ৭৩, হাদিস: ১৩৭) এ ছাড়া নবীজি (সা.)-এর জীবন থেকে এমন অসংখ্য ঘটনা আমরা দেখতে পাই, যেগুলো থেকে আমরা বুঝতে পারি, যখন রাগ আমাদের গ্রাস করতে চায় কিংবা আমরা রাগান্বিত অবস্থায় থাকি, তখন আমাদের কী করা উচিত। রাসুল (সা.) বলেন, যদি তোমাদের কেউ দাঁড়ানো অবস্থায় রাগান্বিত হয়ে পড়ে, তবে তার উচিত বসে পড়া। যদি তার রাগ কমে যায়, তবে ভালো; নয়তো তার উচিত শুয়ে পড়া। (তিরমিজি) ধারণা করি, "রাগী মানুষের মন ভালো হয়" কথাটার প্রচলন করা হয়েছিলো ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সকে জাস্টিফাই করার জন্য। মানুষ কোন কাজ করার পর নিজের কুকর্মের দায় তারা চাপায় রাগের উপর।আবার সাধারণত নির্যাতিত হওয়ার পরে...

১ টাকার একটা কয়েন

  ৮ বছরের একটা বাচ্চা ছেলে ১ টাকার একটা কয়েন হাতে নিয়ে দোকানে গিয়ে বললো- -আপনার দোকানে কি আল্লাহকে পাওয়া যাবে? দোকানদার একথা শুনে কয়েনটি ছুড়ে ফেলে দিয়ে তাড়িয়ে দিলো ছেলেটিকে। ছেলেটি পাশের দোকানে গিয়ে ১ টাকা দিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলো! -এই ছেলে.. ১ টাকা দিয়ে কি চাও তুমি? -আমি আল্লাহকে চাই। আপনার দোকানে আছে? দ্বিতীয় দোকানদারও তাড়িয়ে দিলো। কিন্তু, অবুঝ ছেলেটি হাল ছাড়লো না। একটার পর একটা দোকানে ঘুরতে লাগলো। ঘুরতে ঘুরতে চল্লিশটা দোকান ঘোরার পর এক বয়স্ক দোকানদার জিজ্ঞাসা করলো, -তুমি আল্লাহকে কিনতে চাও কেন? কি করবে আল্লাহকে দিয়ে? এই প্রথম কোন দোকানদারের মুখে এরকম প্রশ্ন শুনে ছেলেটির চোখেমুখে আশার আলো ফুটে উঠলো৷ নিশ্চয়ই এই দোকানে আল্লাহকে পাওয়া যাবে! হতচকিত কণ্ঠে উত্তর দিলো, -আমার তো বাবা নাই, এই দুনিয়াতে আমার মা ছাড়া আর কেউ নাই। আমার মা সারাদিন কাজ করে আমার জন্য খাবার নিয়ে আসে। আমার মা এখন হাসপাতালে। মা মরে গেলে আমি খাবো কি? ডাক্তার বলেছে, একমাত্র আল্লাহই পারে আমার মাকে বাঁচাতে। আপনার দোকানে কি আল্লাহকে পাওয়া যাবে? --হ্যাঁ পাওয়া যাবে...! কত টাকা আছে তোমার কাছে? --মাত্র এক টাকা। --...

কেউ যদি #কদরের_রাতে আমল করতে চান

  কেউ যদি #কদরের_রাতে আমল করতে চান, এই নিয়মে করতে পারেন... ১। রাত দশটার পর থেকে টিভি বা মোবাইল দেখা থেকে বিরত থাকুন। ২। বেশি গরম লাগলে গোসল করুন ও পরিষ্কার পোষাক পরিধান করুণ। ৩। কোরআন পড়তে পারলে ১২ টার আগ পর্যন্ত কোরআন পরুন। ৪। ৩০মিনিট ধ্যান খেয়াল এনে সালাতু তাজবিহের নামাজ পরুন। ৫। রাত ১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত জিকির করুন। যেমনঃ- (১) সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার। (১০০ বার করে) (২) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (২০০ বার) (৩) আস্তাগফিরুল্লাহ (কমপক্ষে ৫০০ বার, যত বেশি সম্ভব হয়) (৪)বেশী বেশী দুরুদ পড়া। (৫) সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি (কমপক্ষে ১০০ বার) (৬)"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির" (কমপক্ষে ১০০ বার) (৭) দুয়া ইউনুস - "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" ।(যত পারেন) (৮)"সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি ওয়া সুবহানাল্লাহিল 'আযীম।" (কমপক্ষে ১০০ বার) । (৯) "লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ" বেশি বেশি পড়তে পারেন। (১...

মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রাপ্ত একজন কয়েদি

  মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রাপ্ত একজন কয়েদি আর তাঁর প্রার্থণার শক্তিঃ খাবার দিতে গিয়ে দেখি উনি সেলের এক কোনে জায়নামাজে বসে আছেন।পায়ের শব্দে চোখ উপরে তোলেন। অশ্রুসজল চোখ। শান্ত স্বভাব। ধীর স্থির। মৃত্যদণ্ড প্রাপ্ত আসামীদের এই সেলে নিয়ে আসা হয়। আর আমার মতো যাদের হৃদয় পাথরের মতো শক্ত- তাদেরকেই এই সেলে পাহারায় নিযুক্ত করা হয়। উনার বিরুদ্ধে মামলা খুবই শক্ত। খুনের আসামী। নিম্ন আদালতে মৃত্যদণ্ডের আদেশ হয়েছে। এখন উচ্চ আদালতে রায় বহাল থাকলেই উনার ফাঁসি কার্যকর হবে। আসামীর প্রতি আমার আচরণ যত কঠোর। উনার আচরণ ঠিক ততোই কোমল। আমার সুদীর্ঘ ত্রিশ বছরের কারারক্ষী জীবনে অনেক খুনিকে দেখেছি। খুনির চোখ দেখে চেনা যায়। কিন্তু উনার চোখ দুটো বড়ই নিষ্পাপ। উনি আমাকে সালাম দেন। অশ্রুসজল চোখেও একটু স্মিথ হাসেন। আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়- এমন নরম স্বভাবের একজন মানুষ এরকম ভয়ঙ্কর খুনি হতে পারে। আমি সরাসরি জিজ্ঞাসা করি -খুনটা আপনি কেন করলেন? তিনি কোরআন শরীফ থেকে সুরা মায়েদার একটা আয়াত আরবিতে পাঠ করে বলেন- নিরাপরাধ কোনো ব্যক্তিকে কেউ হত্যা করলো- মানে সে যেন দুনিয়ার সমগ্র মানব গোষ্ঠীকে হত্যা করল; আর কেউ কারও...

মৃত্যুর স্মরণ

  কোনো কিছু ভুলে গেলে তা স্মরণে আনার জন্য আল্লাহকে স্মরণ করতে হবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন— وَ اذۡکُرۡ رَّبَّکَ اِذَا نَسِیۡت ‘‘আর যখন তুমি ভুলে যাও, তখন তোমার রবকে স্মরণ করো।’’ [সুরা কাহাফ, আয়াত: ২৪] আমরা কিছু ভুলে গেলে চিন্তামগ্ন হয়ে পড়ি, ভুলে যাওয়া বিষয়টি মাথায় আনতে চেষ্টা করি। এটি ঠিক আছে। তবে, এর পাশাপাশি আল্লাহকে স্মরণ করতে হবে। আল্লাহই মানুষের স্মৃতিশক্তি নিয়ন্ত্রণ করেন। মানুষ ভুলে যায়, কিন্তু আল্লাহ কোনোকিছু ভুলেন না। তাই, তাঁর স্মরণাপন্ন হওয়া জরুরি। আল্লাহ তা‘আলা বলেন— وَمَا كَانَ رَبُّكَ نَسِيًّا ‘‘আর তোমার রব কিছু ভুলেন না।’’ [সুরা মারইয়াম, আয়াত: ৬৪] বিশেষত কোনো কিছু ভুলে গেলে, তা স্মরণে আনার জন্য ইস্তিগফার, ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম এবং ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন পড়া যেতে পারে। বেশি কিছুর দরকার নেই। জীবনে ‘প্রত্যাশা’র পরিমাণটা কমিয়ে দিন। অল্পে তুষ্ট থাকুন। মনটা ফুরফুরে থাকবে। ডিপ্রেশন থেকে অনেকাংশে বেঁচে যাবেন, ইন শা' আল্লাহ্। একবার শুধু মন দিয়ে ভাবুন—আমাদের বেঁচে থাকার কী গ্যারান্টি আছে? হঠাৎ করেই তো জীবনের রঙ বদলে যায়; গন্তব্য ভিন্ন হয়ে যায়। ক...

পেলভিক ইনফ্লেমেটরি ডিজিজ (PID)

  ২০-৪০ বছর বয়সী নারীরদের মধ্যে জরায়ু ইনফেকশন যেন এক আতংকের নাম। সাধারণত বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই যৌনবাহিত হয়েই এই জরায়ুর ইনফেকশন তৈরি হয়, এছাড়াও শতকরা ১৫ ভাগ ক্ষেত্রে বিভিন্ন কারণে যেমন - এন্ডোমেট্রিয়াল বায়োপসি, ডিঅ্যান্ডসি, কপারটি, হিস্টারোসালফিঙ্গোগ্রাফি নামক পরীক্ষার পর জীবাণু বাহিত হয়ে এই ইনফেকশন হতে পারে। তবে দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে সাধারনত ২৫ বছরের কম বয়সীদের এবং এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে ৩০ বছর বা তার বেশি বয়সে হয়ে থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে পেলভিক ইনফ্লেমেটরি ডিজিজ (PID) বলা হয়। জরায়ুর ইনফেকশনের কিছু উল্লেখযোগ্য কারণ সমূহ হচ্ছেঃ #জরায়ুতে নানা প্রকার জীবানুর আক্রমণ যেমন– মনিলিয়াল ইনফেকশন, ট্রাইকোমনা জাতীয় ইনফেকশন থেকে প্রদাহ, জরায়ুতে ক্ষত, টিউমার, ইত্যাদি #অনিয়ন্ত্রিত এবং অরক্ষিত যৌন সঙ্গম #মাসিকের সময় অপরিস্কার কাপড়ের ব্যবহার, ভিজা সেঁত সেঁতে অন্তর্বাস ব্যবহার করা #B . coli, গনোরিয়া, সিফিলিস প্রভৃতি রোগ থেকে সৃষ্ট প্রদাহ #জোরপূর্বক বা ঘনঘন গর্ভপাত এবং Curate অপারেশন পরবর্তী জটিলতা #সহবাস পরবর্তী যথাযত পরিচ্ছনতার অভাব, ইত্যাদি এই সমস্যার অন্যতম কারণ। প্রধান লক্ষণসমূহঃ মাসি...

এক রাজা এবং তিন মন্ত্রীর গল্প

এক রাজা এবং তিন মন্ত্রীর গল্প ------ একবার এক রাজা তার তিন মন্ত্রীকে ডেকে বললেন, এই নাও তোমাদের একটা করে খালি বস্তা দিলাম। তোমাদের কাজ হবে বনে গিয়ে বিভিন্ন ফল কুড়িয়ে এই বস্তা ভরে নিয়ে আসবে, দেখি কে কত তাড়াতাড়ি বস্তা পূর্ণ করে নিয়ে আসতে পার। তিন জন চলে গেল জংগলে। 🧒👦১ম মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজা বলেছেন তাই ভালো ভালো ফল কুড়িয়ে বস্তা পূর্ণ করি এবং সেই মত জঙ্গলের ভালো ফল দিয়ে বস্তা ভরে ফিরে আসল। 🧒🧑২য় মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজা তো সব ফল দেখবেন না তাই হাবিজাবি পচা ফল দিয়ে সে নীচের দিকে পূর্ণ করে, উপরের দিকে শুধু কিছু ভালো ফল দিয়ে বস্তা পূর্ণ করলো এবং ফিরে আসল। 🧑👦৩য় মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজার এত সময় কোথায় বস্তা খুলে খুলে দেখবে, সে শুধু দেখবে বস্তা পূর্ণ হয়েছে কিনা। জঙ্গলে মরা পাতা, ঘাস, কাঠ দিয়ে বস্তা পূর্ণ করে নিয়ে এলো । তিন মন্ত্রী রাজার দরবারে হাজির, রাজা সবার বস্তা পূর্ণ দেখে খুশী হলেন। তিনি বস্তাগুলো খুলেও দেখলেন না। ৩য় মন্ত্রী নিজের বুদ্ধির কথা চিন্তা করে নিজেকে বেশ বুদ্ধিমান মনে করতে লাগলো। রাজা একটু সময় নিয়ে তার মসনদে বসলেন এবং ঘোষণা করলেন, এই তিন মন্ত্রীদের তাদের বস্তা সহ ৭ ...

আজ থেকে ২০০ বছর পর

  আজ থেকে ২০০ বছর পর আমাদের বাড়িতে, আমাদের ঘরে যারা বসবাস করবে, যারা আমার জায়গা জমি ভোগ করবে আমি তাদের চিনিনা। তারাও আমাকে চিনবেনা। কারন তাদের জন্মের অনেক আগেই আমি কবরবাসি হয়ে যাব। আর ততদিন মুছে যাবে আমার নাম নিশানা। কবরটাও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। আমার সন্তানরা যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন তারা হয়ত মনে পড়লে দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলবে! কিন্তু তাদের মৃত্যুর পর তাদের সন্তানরা তাদের যতটুকু মিস করবে আমাকে ততটুকু মিস করবে না। হয়ত বাবার কবর জিয়ারত করে দোয়া করার সময় দাদার জন্যও একটু করবে। কিন্তু তার পরের প্রজন্ম আর মনে রাখবেনা। প্রায় ২০০ বছর আগে মারা গেছে আমার দাদার দাদা। যিনি আমার পূর্ব পুরুষদের জন্য ঘর বাড়ি, জায়গা জমি রেখে গেছেন। একই বাড়ি, একই জায়গা জমি আমরা এখন ভোগ করছি। কিন্তু উনার কবরটা কোথায় সেটা আমরা জানিনা। হয়ত আমার দাদার পিতা জানতেন। কিন্তু দাদার পিতা তো বেঁচে নেই, দাদাও বেঁচে নেই। তবে সাত পাঁচ করে যে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সেটা কবরে নিয়ে যেতে পারবেননা। আর যাদের জন্য রেখে যাচ্ছেন তারা ও আপনাকে মনে রাখবেনা এটা নিশ্চিত! অন্যের সম্পত্তি জবর দখল করে ভাবছেন আপনি জিতে গেছেন❔ সুদ, ঘুষ, কমিশন বাণ...

নিজের জন্য কিছু করুন

  ছবির মানুষটির নাম রাশেদ। জন্ম ১৯৮৪ সালে । ওমানের মাস্কাটে তিন বছর আগে বিল্ডিং রং করতে গিয়ে উঁচু বিল্ডিং থেকে পড়ে পুরো শরীর এমনই ফ্র্যাকচারড হয়ে গিয়েছে। কিন্তু প্যারালাইজড। শুধুমাত্র মাঝে মাঝে চোখটা খুলে নির্বিকার তাকিয়ে থাকে।আবার চোখ বন্ধ করে।কথা বন্ধ।ছেলেটি এভাবেই তিন বছর ধরে মাস্কাটে হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্হায় পড়ে ছিলো। সে যে কোম্পানিতে কাজ করতো, তারা পুরো খরচ বহন করেছে। উনাকে ফেলে দেয়নি। কিন্তু দুঃখজনক ব্যপার হলো উনার পরিবারের সাথে তার কোম্পানি থেকে কয়েকবার যোগাযোগ করেও তারা তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়েছে।পঙ্গু ছেলে তারা ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।তার ভার তারা নেবেনা।তাকে যেন দেশে পাঠানো না হয়। ধরে নিলাম তারা দরিদ্র। দায়িত্ব নিতে পারবেনা।তারপরেও তাদের এই সন্তান যদি সুস্হ থাকতো, কাঁড়ি কাঁড়ি রিয়াল পাঠাতো, তাহলে কিন্তু এরাই তাকে আদর করতো, মাথায় তুলে রাখতো।বিষয়টা আমার কাছে অত্যন্ত অমানবিক মনে হয়েছে। আহারে জীবন। রাশেদ যে হসপিটালে চিকিৎসাধীন ছিলেন সেই হসপিটালের বাংলাদেশি ডক্টররা, ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাস, যে কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন এবং বাংলাদেশ সরকারের সহায়তায় তা...