২০-৪০ বছর বয়সী নারীরদের মধ্যে জরায়ু ইনফেকশন যেন এক আতংকের নাম। সাধারণত বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই যৌনবাহিত হয়েই এই জরায়ুর ইনফেকশন তৈরি হয়, এছাড়াও শতকরা ১৫ ভাগ ক্ষেত্রে বিভিন্ন কারণে যেমন - এন্ডোমেট্রিয়াল বায়োপসি, ডিঅ্যান্ডসি, কপারটি, হিস্টারোসালফিঙ্গোগ্রাফি নামক পরীক্ষার পর জীবাণু বাহিত হয়ে এই ইনফেকশন হতে পারে। তবে দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে সাধারনত ২৫ বছরের কম বয়সীদের এবং এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে ৩০ বছর বা তার বেশি বয়সে হয়ে থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে পেলভিক ইনফ্লেমেটরি ডিজিজ (PID) বলা হয়। জরায়ুর ইনফেকশনের কিছু উল্লেখযোগ্য কারণ সমূহ হচ্ছেঃ #জরায়ুতে নানা প্রকার জীবানুর আক্রমণ যেমন– মনিলিয়াল ইনফেকশন, ট্রাইকোমনা জাতীয় ইনফেকশন থেকে প্রদাহ, জরায়ুতে ক্ষত, টিউমার, ইত্যাদি #অনিয়ন্ত্রিত এবং অরক্ষিত যৌন সঙ্গম #মাসিকের সময় অপরিস্কার কাপড়ের ব্যবহার, ভিজা সেঁত সেঁতে অন্তর্বাস ব্যবহার করা #B. coli, গনোরিয়া, সিফিলিস প্রভৃতি রোগ থেকে সৃষ্ট প্রদাহ #জোরপূর্বক বা ঘনঘন গর্ভপাত এবং Curate অপারেশন পরবর্তী জটিলতা #সহবাস পরবর্তী যথাযত পরিচ্ছনতার অভাব, ইত্যাদি এই সমস্যার অন্যতম কারণ। প্রধান লক্ষণসমূহঃ মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তস্রাব, তলপেটে ব্যথা ও জ্বর, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব, পুঁজের মতো স্রাব ইত্যাদি। এই কারণগুলি প্রত্যেক নারীকেই জেনে রাখা যেমন জরুরি, তেমনি এই ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হলে অবশ্যই একজন গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মোতাবেক সঠিক চিকিৎসা গ্রহন করা উচিত। বার্থোলিন গ্ল্যান্ড (মাসিকের রাস্তার মুখে এক ধরনের গ্রন্থি)-এর রস নিয়ে জীবাণু নির্ণয় ও কালচার করে, এছাড়া রক্ত পরীক্ষা, ল্যাপারোস্কোপি, সনোগ্রাফি করার মাধ্যমে এই রোগ নির্ণয় করা সম্ভব এবং এতে করে জরায়ু সংক্রান্ত অনেক অনাকাংখিত জটিল সমস্যা থেকে নিরাপদ থাকা সহজ হবে। collected
২০-৪০ বছর বয়সী নারীরদের মধ্যে জরায়ু ইনফেকশন যেন এক আতংকের নাম। সাধারণত বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই যৌনবাহিত হয়েই এই জরায়ুর ইনফেকশন তৈরি হয়, এছাড়াও শতকরা ১৫ ভাগ ক্ষেত্রে বিভিন্ন কারণে যেমন - এন্ডোমেট্রিয়াল বায়োপসি, ডিঅ্যান্ডসি, কপারটি, হিস্টারোসালফিঙ্গোগ্রাফি নামক পরীক্ষার পর জীবাণু বাহিত হয়ে এই ইনফেকশন হতে পারে। তবে দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে সাধারনত ২৫ বছরের কম বয়সীদের এবং এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে ৩০ বছর বা তার বেশি বয়সে হয়ে থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে পেলভিক ইনফ্লেমেটরি ডিজিজ (PID) বলা হয়। জরায়ুর ইনফেকশনের কিছু উল্লেখযোগ্য কারণ সমূহ হচ্ছেঃ #জরায়ুতে নানা প্রকার জীবানুর আক্রমণ যেমন– মনিলিয়াল ইনফেকশন, ট্রাইকোমনা জাতীয় ইনফেকশন থেকে প্রদাহ, জরায়ুতে ক্ষত, টিউমার, ইত্যাদি #অনিয়ন্ত্রিত এবং অরক্ষিত যৌন সঙ্গম #মাসিকের সময় অপরিস্কার কাপড়ের ব্যবহার, ভিজা সেঁত সেঁতে অন্তর্বাস ব্যবহার করা #B. coli, গনোরিয়া, সিফিলিস প্রভৃতি রোগ থেকে সৃষ্ট প্রদাহ #জোরপূর্বক বা ঘনঘন গর্ভপাত এবং Curate অপারেশন পরবর্তী জটিলতা #সহবাস পরবর্তী যথাযত পরিচ্ছনতার অভাব, ইত্যাদি এই সমস্যার অন্যতম কারণ। প্রধান লক্ষণসমূহঃ মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তস্রাব, তলপেটে ব্যথা ও জ্বর, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব, পুঁজের মতো স্রাব ইত্যাদি। এই কারণগুলি প্রত্যেক নারীকেই জেনে রাখা যেমন জরুরি, তেমনি এই ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হলে অবশ্যই একজন গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মোতাবেক সঠিক চিকিৎসা গ্রহন করা উচিত। বার্থোলিন গ্ল্যান্ড (মাসিকের রাস্তার মুখে এক ধরনের গ্রন্থি)-এর রস নিয়ে জীবাণু নির্ণয় ও কালচার করে, এছাড়া রক্ত পরীক্ষা, ল্যাপারোস্কোপি, সনোগ্রাফি করার মাধ্যমে এই রোগ নির্ণয় করা সম্ভব এবং এতে করে জরায়ু সংক্রান্ত অনেক অনাকাংখিত জটিল সমস্যা থেকে নিরাপদ থাকা সহজ হবে। collected

Comments
Post a Comment