Skip to main content

Posts

Showing posts from October, 2020

নেতিবাচক চিন্তা

  ১. ইতিবাচক বন্ধু-বান্ধবের সাথে চলার করার চেষ্টা করুন। গবেষণা বলে, অধিকাংশ মানুষই তার রুমমেট বা অন্তরঙ্গ বন্ধুর নেতিবাচক চিন্তা দ্বারা প্রভাবিত হয়। ২. যদি নিজেকে নিয়ে হীনমন্যতা থাকে, নিজের ব্যাপারে খারাপ চিন্তাগুলো একটি কাগজে লিখে, কাগজটা দুমড়ে ছুড়ে ফেলুন, দেখবেন আত্মবিশ্বাস বাড়বে। ৩. যে পরিস্থিতি পুরোটাই নেতিবাচক মনে করছেন, সেখানকার ইতিবাচক দিকগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। দেখবেন বেশ অনেকগুলো পেয়ে যাবেন! ৪. যা চিন্তা করছেন, সেটাকে পুনরায় প্রশ্ন বা চ্যালেঞ্জ করুন - "আমি কি ঠিক চিন্তা করছি?" ৫. তুলনা করা বন্ধ করুন। ৬. আপনার নেতিবাচক দিকগুলোর সমাধান নিয়ে কারো সাথে আলোচনা করুন এবং নিজের ভুলগুলো মানতে শিখুন। ৭. অন্য যে কোন মানুষের জীবনে ইতিবাচক দিক আনার চেষ্টা করুন, অর্থাৎ নির্লোভ সাহায্য করুন। ৮. নিয়মিত মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন অনুশীলন করুন। ৯. প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে, ইতিবাচক চিন্তা বা কাজ দিয়ে দিন শুরু করুন। ১০. সমাধানে মনোযোগ দিন, সমস্যায় না। ১১. ঘটে যাওয়া অতীত নিয়ে আফসোস করবেন না, কারন অতীত অপরিবর্তিত! source-lifespringlimited/youtube

ঘুম

  ১. প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যান, নির্দিষ্ট সময়ে উঠুন। ২. রাতে দ্রুত শোয়ার অভ্যাস করুন, সকালে দ্রুত উঠুন। ৩. সন্ধ্যার পর চা/কফি পানে বিরত থাকুন। ৪. শোয়ার সময় অবশ্যই ডিভাইস (মোবাইল/ট্যাব/ল্যাপটপ) দূরে রাখুন। ৫. সম্ভব হলে, ঘর অন্ধকার রাখুন, আওয়াজ মুক্ত রাখুন, আরামদায়ক পোশাক পড়ুন। ৬. বিছানাকে ঘুম বাদে অন্যান্য কাজে (খাওয়া/গল্প করা/টিভি দেখা/বসে থাকা) ব্যবহারে বিরত থাকুন। ৭. ঘুম না আসলে ১ ঘন্টা পরপর উঠে ১০-২০ মিনিট হাঁটুন। ৮. দিনে অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট সময় ব্যয়াম করুন। ৯. রাতের খাবার শোয়ার ২-৩ ঘন্টা আগে গ্রহণ করুন। ১০. মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হন। অভ্যাস হোক পরিবর্তন, সুস্থ থাকুক দেহ-মন।।। source-lifespringlimited/youtube

জোরে শ্বাস নিন

  ১. জোরে শ্বাস নিন, ছাড়ুন। ২. "টাইম- আউট" প্র‍্যাক্টিস করুন। অর্থাৎ, যা আপনার দুশ্চিন্তার কারণ, তার থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দূরত্ব রাখুন। ৩. নিজের চিন্তাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করুন। আপনি ঠিক ভাবছেন তো? ৪. অনুভূতির উপর ফোকাস করুন। আপনার হার্টবিট কি বাড়ছে? মাথা দপদপ করছে? অতিরিক্ত নার্ভাস লাগছে? ৫. আপনার অনুভূতিগুলো কে নিয়ন্ত্রণ করছে ভেবে দেখুন। অন্যকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়ে যাচ্ছে না তো? ৬. আশেপাশের ৩টি জিনিস দেখুন, ৩টি স্বাদ গ্রহণ করুন, ৩টি জিনিস হাত দিয়ে ছুঁয়ে অনুভব করুন। ৭. নিজের যত্ন নিন। ৮. জীবনে কৃতজ্ঞ থাকার মত ৫টি বিষয় মনে করুন। ৯. ব্যায়াম করুন। ১০. ওজন, খাবার, ঘুম - নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখুন। source-lifespringlimited/youtube

৩টি কাজ

মানসিক চাপের কারণ খুঁজে বের করুন। এরপর সম্ভব হলে সমাধান করুন, অথবা সামান্য বদলে নিন। কোনটাই সম্ভব না হলে, মেনে নিন। ২. অহেতুক বিপুল কাজের চাপ নিবেন না; নিজের দায়িত্বটুকু পালন করে বাকি কাজ সবার মাঝে ভাগ করে দিন। ৩. ৩টি জায়গায় যথেষ্ট সময় দিন - ক. পরিবারকে খ. নিজেকে গ. সম্পর্কের উন্নতিতে ৪. ৩টি কাজ পরিহার করুন - ক. রাত জাগা খ. মদ/সিগারেট/ক্যাফেইন গ্রহণ গ. সবকিছুতে 'হ্যাঁ' বলা ৫. প্রতিদিন করুন - ক. ৩০ মিনিট শারীরিক ব্যয়াম খ. ২০ মিনিট মেডিটেশন গ. ১০ মিনিট নিজের শখ পালন ৬. তুলনা করবেন না। ৭. স্বপ্ন ও বাস্তবতার মাঝে সমন্বয় করতে শিখুন। ৮. জীবনের প্রাপ্তিগুলোকে স্বীকার করুন এবং কৃতজ্ঞ হন। ৯. চাপগুলো একটি কাগজে লিখে ফেলুন। ১০. নিজের মনের কষ্টগুলো শেয়ার করুন। source-lifespringlimited/youtube

কিভাবে নিজেকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করতে পারি

  কিভাবে নিজেকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করতে পারি? ১. আত্মবিশ্বাস জরুরি, কিন্তু আত্মনিয়ন্ত্রণ এর থেকে বেশি জরুরি! ২. বর্তমানে ফোকাস করুন; কারণ অতীত আপনি বদলাতে পারবেন না, আর ভবিষ্যৎ আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই! ৩. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট নিজের যত্ন নিন এবং একা সময় কাটান। ৪. বাস্তবতা কখনোই সম্পূর্ণ স্বপ্নের মত হবে না - এটাই চরম বাস্তব, মেনে নিন! ৫. নিজের ভয়ের মুখোমুখি হন এবং জয় করার চেষ্টা করুন। ৬.ভুল সবাই করে, কিন্তু ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করা অপরাধ! ৭. সততা, দায়িত্ববোধ, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ, উত্তর চরিত্র - মানুষের ৪টি মূল্যবান মানসিক অস্ত্র! ৮. হতাশ হওয়া দোষের নয়, হতাশায় নিজের লক্ষ্য হারিয়ে ফেলা দোষের! ৯. নিয়মিত শারীরিক ব্যয়াম এবং মাইন্ডফুলনেস অনুশীলন করুন। ১০. সাহায্য করতে কখনো কার্পণ্য এবং চাইতে কখনো লজ্জাবোধ করবেন না! source-lifespringlimited/youtube

যে বিশ্বাসগুলো আমাদের ভাল রাখে

  যে বিশ্বাসগুলো আমাদের ভাল রাখে.. ১. আপনার অনুভূতির নিয়ন্ত্রক সব সময় আপনি নিজে। তাই নিজের রাগ, কষ্ট, আনন্দের দায়ভার এবং অধিকার কখনোই অন্য কাউকে দিবেন না। ২. সবকিছু আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। কিন্তু কিছু জিনিস পারবেন। যদি যা আপনার নিয়ন্ত্রনে নেই, তার পিছে ছুটতে থাকেন, তবে আপনার নিয়ন্ত্রণাধীন জিনিসগুলোও হারাবেন। ৩. অন্যেরা আপনাকে সাহায্য করতে পারবেন, পরামর্শ দিতে পারবে, ধাক্কা দিতে পারবে, কিন্তু জীবনে আল্টিমেটলি আপনার নিজের কাজ আপনাকেই করা লাগবে। ৪. প্রতিটি মানুষের জীবনে চলার রাস্তা ভিন্ন। তাই পাশের রাস্তা মানুষটির সাথে নিজেকে তুলনা করা বোকামি। ৫. আত্মসম্মানবোধ খুব জরুরী। কারণ, আপনি নিজে নিজেকে সম্মান করতেন না জানলে, বাইরের মানুষ কোনদিন আপনাকে সম্মান করবে না। ৬. সব সময় পিছিয়ে পড়া মানেই হেরে যাওয়া নয়; চুপ থাকা মানেই দুর্বলতা নয় ; ছেড়ে দেয়া মানেই ব্যর্থতা নয়। ৭. খেয়াল রাখতে হবে, আমকে দিয়ে কারো উপকার না হলেও, ক্ষতি যাতে না হয়। ৮. প্রকৃতির একটা অদ্ভুত প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে।তাই মন খারাপ হলে প্রকৃতির কাছাকাছি জান। ৯. একাকীত্ববোধ খুবই ভয়ংকর; পৃথিবীতে অধিকাংশ ম...

রাগ

  রাগের সুস্থ প্রকাশ কি সম্ভব? ১. রাগের পিছনের চিন্তাকে খুঁজে বের করুন। সেই চিন্তাধারা ঠিক করতে পারলে রাগের বহিঃপ্রকাশ অনেক সহজ হবে। ২. কাজের আগে চিন্তা করুন - আপনি কি ক্রিয়া করছেন, নাকি প্রতিক্রিয়া? Pro-active থাকুন, Re-active নয়! ৩. নিজের রাগের ভুল প্রকাশের দায়িত্বভার নিজে নিন। ভুল হলে ধরে না রেখে মাফ চান, মাফ করুন। ৪. রাগ স্বাভাবিক অনুভূতি। আপনার রাগের সুস্থ প্রকাশের মাধ্যম খুঁজে বের করুন; ব্যয়াম করা, ছবি আকাঁ, বাগান করা - এগুলো রাগ চ্যানেল করার সুস্থ মাধ্যম। ৫. নিজের অনুভূতিগুলোর সাথে টাইম-আউট প্র‍্যাক্টিস করুন ৬. রাগের স্থান/ কাল/পাত্র রাগের সময় তৎক্ষণাৎ পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন। ৭. সবসময় রাগের কারণে নিজের ক্ষতিগুলোতে ফোকাস করুন। ৮. রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে, নিজেকে পুরস্কৃত করুন। ৯. আশেপাশের মানুষ ও ঘটনাগুলোতে ইতিবাচক দিক খুঁজুন। ১০. একজন প্রফেশনাল ব্যক্তির সাহায্য নিন। source-lifespringlimited/youtube

কিডনি ফেইলিউর

  আমাদের দেশে মেডিসিন ওয়ার্ডগুলোতে সবচেয়ে বেশি যে রোগী পাওয়া যায় তাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের রোগী অন্যতম। মেডিকেল শাস্ত্র অনুযায়ী রোগটির নাম Chronic Kidney Disease (CKD)। এই রোগে কিডনি তার কাজগুলো ঠিকঠাকভাবে করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। রোগটি বোঝাতে কিডনি ফেইলিউরও বলে থাকেন অনেকে। - কারা বেশি আক্রান্ত হয়? এই রোগটি অনেকটাই বয়সের সাথে সম্পর্কিত৷ বয়স যতো বাড়তে থাকে, কিডনি রোগের সম্ভাবনাও বাড়তে থাকে। ৬৫-৭৪ বছর বয়সী পুরুষদের প্রতি ৫ জনের ১ জন কিছু না কিছু মাত্রার ক্রনিক কিডনি ডিজিজে আক্রান্ত। ঠিক একইভাবে এই বয়সী নারীদের প্রতি ৪ জনের ১ জন আক্রান্ত। এই রোগটির প্রবণতা দক্ষিণ এশিয়ায় (ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান) এবং আফ্রিকান-ক্যারিবিয়ানদের মধ্যে বেশি৷ - কেন এই অঞ্চলে বেশি? ক্রনিক কিডনি ডিজিজ হবার যতোগুলো কারণ আছে তার মধ্যে ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ অগ্রগণ্য। এই রোগের কারণ প্রায় ২৫% ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস। আবার ২৫% ক্ষেত্রে কারণ উচ্চ রক্তচাপ। দক্ষিণ এশিয়ার মানুষদের মধ্যে ডায়াবেটিসের হার অনেক বেশি৷ তাই এই রোগটিও বেশি। অন্যদিকে আফ্রিকান-ক্যারিবিয়ানদের ম...

'আশা'

  'আশা' একজন মানুষের বেঁচে থাকার জন্য সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। জীবনের সবচেয়ে বিভীষিকাময় মুহূর্তটিতেও আমাদের প্রত্যাশা থাকে নতুন দিগন্তের। কিন্তু হতাশাবোধের চাদরে যার প্রত্যাশার দৃষ্টি ঢেকে গেছে, তার বেঁচে থাকাটা আসলে কতখানি অতৃপ্তির? কিন্তু এই হতাশাকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দেয়ার জন্য, অবশ্যই আমাদের কিছু করণীয় আছে। যেমন - ১. Stop comparison: আমাদের সমাজে হতাশার একটি বড় কারণ হলো - তুলনা। আপনি পৃথিবীতে যে অবস্থানেই থাকুন না কেন, সর্বদা আপনার ওপরে কিছু মানুষ থাকবে, আপনার নিচে কিছু মানুষ থাকবে। সিদ্ধান্ত সবসময়ই আপনার হাতে; আপনি কার সাথে নিজেকে তুলনা করবেন! আপনি নিজেই নিজের তুলনা, অন্য কেউ নয়! ২. Qualities within you: একটি ক্ষেত্রে ব্যর্থতার চেহারা দেখে আপনি হতাশ হয়ে পড়লেন, অথচ আপনার মাঝে এমন কতগুলো গুণ আছে, যা দেখে লোকে আপনাকে হিংসে করে! নিজের ইতিবাচক দিকগুলোকেও স্বীকার করুন, দেখবেন আত্মবিশ্বাস স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কয়েকগুণ বেড়ে গেছে! ৩. Try again: কথায় আছে - "একবার না পারিলে দেখো শতবার"। সেখানে আপনি ৫ বার চেষ্টা করে হাঁপিয়ে উঠছেন! কিভাবে হবে, বলুন? হয়ত...

ভালো লাগা বনাম ভালো থাকা'

  ভালো লাগা বনাম ভালো থাকা' আচ্ছা, সব সময় কি আমাদের ভালো লাগার কাজগুলোই আমাদের মানসিকভাবে ভালো রাখে? বর্তমানে একটি ট্রেন্ড চালু আছে, যা আমরা অনেকেই বিশ্বাস করি - আমি যদি আমার যাই ভালো লাগে তাই করি, তাহলে আমি মানসিকভাবে সুস্থ থাকব। কিন্তু একথার সত্যতা আদৌ কতটুকু? একটি ছোট উদাহরণ দিয়ে ব্যাপারটি চিন্তা করা যায়। ধরুন, ঘন্টার পর ঘন্টা মোবাইল ব্যবহার করতে আমার ভালো লাগে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি সময়ে এই অভ্যাসের প্রভাব, আমার মানসিক স্বাস্থ্যের উপর কতটুকু ইতিবাচক? সত্যি কথা বলতে, আমরা আমাদের প্রফেশনাল ক্ষেত্রে দেখি, সবসময় ভালো থাকার জন্য, আমার ভালো লাগার কাজগুলোই জরুরী নয়! বরঞ্চ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জীবনে ভালো থাকার জন্য প্রয়োজন - দায়িত্ববোধ জ্ঞান, সঠিক বিবেকবোধ এবং একটি সীমারেখা। আমাদের যেমন প্রতিটি মানুষের মাঝে বাউন্ডারি প্রয়োজন, তেমনি বাউন্ডারি আমার নিজের অনুভূতির সাথে, ভালোলাগার সাথেও প্রয়োজন! 'আত্মনিয়ন্ত্রণ' - হল এমনই একটি ক্ষমতা, যার মাধ্যমে আমরা সামঞ্জস্য রক্ষা করি ভাল লাগা এবং ভাল থাকার! তবে আমাদের ভালোলাগার কাজগুলো করা অবশ্যই জরুরি, কিন্তু তা সব কাজ নয় এবং একটি...

আমার সাথেই কেন এমন হয়?

  আমার সাথেই কেন এমন হয়? মাঝে মাঝে মনে হয় না, সবাই তো ভালো আছে, আমি একাই খারাপ আছি? মনে হয় না যে, সব খারাপ শুধু আমার সাথেই হয় কেন!? অনেক সময় আশেপাশে পরিস্থিতির কারণে আমরা এতোখানি নেতিবাচক হয়ে যাই যে, নিজের সাথে ঘটে যাওয়া ইতিবাচক দিকগুলোকে গ্রাহ্যই করি না! যেমন - কারো চাকরি আছে, কিন্তু আমার নেই, সেটি হয়তোবা বিশাল বড় কোন ঘটনা হয়ে আমাদের চোখের সামনে দাঁড়ায়; কিন্তু তার হয়তো পিতা-মাতা নেই, যা আমার আছে, এটি আমাদের নজর এড়িয়ে যায়! আমাদের মনে কিন্তু ভাল থাকাকালীন প্রশ্ন আসেনা, আমি কেন ভাল আছি! আমার যে হাত-পা আছে, আমার সুস্থতা, আমার পরিবারের সুস্থতা, এমনকি আমার শ্বাস নেয়াও যে নিয়ামত, তা কেন অনেক সময় আমাদের মনেই পড়ে না! তুলনা করার সময় সবসময় আমরা উপরের সাথে তুলনা করি, নিচের সাথে করি না। স্রষ্টা এবং পারিপার্শ্বিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা শুধু যে আমাদের ভালো রাখে তাই না, বরং আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতেও সাহায্য করে। এই ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর একটি উপায় হলো, সব সময় নিজের কাছে একটি কার্ডে ১০ টি এমন কথা লিখে রাখা, যার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। জীবনের সমস্যা আসবেই, আবার চলেও যাবে। এটাকে মেনে...

সোশ্যাল মিডিয়া

সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া এখন জীবন কল্পনা করা যায় কি? ফেইসবুকের নিউজফিডটা, ইনস্টাগ্রামের ছবিটা আর হোয়াটসঅ্যাপের মেসেজগুলো চেক না করে, দিন কিভাবে কাটানো সম্ভব, তা হয়তো অনেকেই আমরা ভুলেই গেছি! কিন্তু বিনোদনের পাশাপাশি, সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের কিভাবে প্রভাবিত করছে এবং পরবর্তী জেনারেশনকে কি শিখিয়ে দিয়ে যাচ্ছে- কখনো ভেবে দেখেছি কি? কিছু গবেষণায় উঠে আসা কিছু তথ্য দেখা যাক - একজন মানুষ গড়ে প্রতিদিন ১.৭২ ঘন্টা সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যয় করেন। একজন টিনএজার, গড়ে সপ্তাহে প্রায় ২৭ ঘন্টা সময় সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যয় করে! ৪৫% কিশোর-কিশোরী বলে, তারা 'প্রায় সবসময় ' অনলাইন থাকে; ৪০% কিশোরী এবং ২০% কিশোরের মতে তারা দৈনিক ৩ ঘন্টা বা তার বেশি সময় অনলাইনে কাটায়। ৩১% কিশোর-কিশোরী মনে করে সোশ্যাল মিডিয়া তাদের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব এনেছে, অপরদিকে ২৫% এর মতে সোশ্যাল মিডিয়ার নেতিবাচক প্রভাব তাদের জীবনে বেশি। সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবে, ১৩-১৭ বছর বয়সীদের মাঝে, ১৩% বলে তারা বিষন্নতায় এবং ৩২% বলে তারা দুশ্চিন্তাজনিত মানসিক রোগে ভোগে। ২৫-৩৪ বছর বয়সীদের, কর্মক্ষেত্রে পারফরমেন্স অতিরিক্ত সোশ্যাল...

বিষণ্নতায় ভোগেন?

  হাতের কাছে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকার পরও আজকাল অনেক মানুষই নাকি বিষণ্নতায় ভোগেন, অনেকে জীবনে কিছু হতে পারেন নাই বলে আফসোস করে আত্মহনন ও করেন। আসলে না চাইতে অনেকে অনেক কিছুই হাতের কাছে পেয়েযান তো তাই তাদের জীবনকে এমন মনে হয়। এ শিশুটিকে দেখুন যার কাছে দৈনিক তিন বেলা পেট ভরে ভাত খাওয়া টাই অনেক কিছু, এত কঠিন সমস্যার মধ্যেও এই শিশুটি কিন্তু হার মানেনি সে তার জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। নিজেকে এই শিশুটির জায়গায় কল্পনা করুন, নিশ্চয়ই আপনি সন্তুষ্ট থাকবেন যে, এর থেকে আপনি অনেক ভালো জীবন পেয়েছেন। জীবনে কখনই হতাশ হবেন না, যা হবার হয়েছে সবকিছু কে অতিক্রম করে নতুনভাবে জীবন সংগ্রাম শুরু করুন,দেখবেন জীবন আপনাকে হতাশ করবে না বরং জীবনের আসল মানে আপনি খুঁজে পাবেন। -'' হাসনাত খান

চানক্য নীতি বাংলায়

  Chanakya Niti 1: "সবসময় অন্যের করা ভুল থেকে শেখা উচিত। কারণ সমস্ত ভুল নিজে করে তারপর শিখতে গেলে এই জীবনকাল অত্যন্ত ছোট পড়ে যাবে" Chanakya Niti 2: "সমস্ত বন্ধুত্বের পিছনেই কোন না কোন স্বার্থ লুকিয়ে থাকে। স্বার্থ ছাড়া বন্ধুত্ব হয় না। এটাই কঠিন বাস্তব সত্য" Chanakya Niti 3: "কোন একটি কাজ একবার করতে শুরু করে দিলে, তারপর আর সেটা তে ব্যর্থ হওয়ার ভয় পেয়ে পিছপা হওয়া কখনও উচিত না। যারা পূর্ণ মনোযোগ ও নিষ্ঠা দিয়ে সমস্ত কাজ করেন, তারাই জীবনে সবসময় খুশি থাকেন" Chanakya Niti 4: "সন্তুষ্টির থেকে বড় কোন আনন্দ নেই, লালসার থেকে বড় কোন রোগ নেই এবং করুণার থেকে বড় কোন পূর্ণ নেই" Chanakya Niti 5: "জ্ঞান ই হল প্রকৃত বন্ধু। একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি সমস্ত জায়গায় সন্মানিত হন। জ্ঞান ই একমাত্র সৌন্দর্য্য ও যৌবনতা কে হার মানতে পারে" Chanakya Niti 6: "যদি কোন সাপ বিষধর না ও হয়, তবু দরকারে তার ফোঁস করা উচিত" Chanakya Niti 7: "নিজের দুর্বলতা ও গোপন কথা গুলি কখনও কাউকে বলা উচিত না। কারণ আপনি নিজেই যদি নিজের দুর্বলতা ও গোপন কথাগুলি কে গোপন...

সম্পূর্ণ বাংলা রিভিও,10 Rules for Social Success book

1. The Self-Development rule (বিভিন্ন জিনিসে কৌতূহল রাখা যেন যে কারো সাথে কথা বলা যায়। এবং বিষয়টা এমন না যে, মানুষের সাথে কথা বলার জন্য জোর করে অনেক জিনিস নিয়ে কৌতূহল রাখতে হবে। হয়তোবা এটা করতে গিয়েই জীবনে আনন্দদায়ক আরও অনেক কিছু চলে আসবে) 2. The Impact rule (নিজের মতামত না থাকলে নিজের গুরুত্ত থাকা কঠিন। আলোচনায় যদি আপনার যোগ করার মত কিছু না থাকে, তাহলে আপনাকে আলোচনায় কি দরকার তাদের?) 3. Popularity Rule (মানুষের সম্পর্কে ঠিকমত না জেনে ধারণা তৈরি না তৈরি করা। আমরা নিজেদেরকেই সম্পূর্ণ চিনি না, অন্য মানুষকে নিয়ে কিভাবে আমরা সেক্ষেত্রে মতামত দেই?) 4. The Trust rule (মানুষে মানুসে কথা না লাগানো। যে অন্যের কথা আপনার কানে দেয়, সে আপনার কথাও অন্যদের কানে দেয়) 5. The Conversation rule (মুখ খুললেই দারুন কিছু বলতে হবে এমন কিছু নয়, বরং মুখ বন্ধ করে মনোযোগ দিয়ে শুনলে আরও ভালো কাজে দিবে) 6. The Networking rule (মানুষে মানুষে যুদ্ধ না লাগিয়ে, ভালো যোগাযোগের ব্যবস্থা করে দিলে সবাই জিতে।) 7. The work rule (ব্যবসা আর বন্ধুত্ব একসাথে মিলালে বিপদ থাকতে পারে।) 8.The consolidation rule (সুযোগ ...