Skip to main content

Posts

Showing posts from March, 2025

আওয়ামী ন্যারেটিভের ফান্দে

  বিএনপি যতোবার আওয়ামী ন্যারেটিভের ফান্দে পড়ছে ততোবার বাংলাদেশের হো মা সা হইছে। বিএনপি প্রেসিডেনশিয়াল পদ্ধতির পার্টি। আমাদের রাষ্ট্রের জন্য যেইটা দরকার সেইটা প্রেসিডেনশিয়াল পদ্ধতি। এইটা জিয়া ভালোভাবেই বুঝছিলো। আওয়ামী লীগের রাষ্ট্র ভাবনা পার্লামেন্টারি শাসিত ব্যবস্থা। পার্লামেন্টারি ব্যবস্থা তৈরিই হইছে একজন রাজা থাকবে তার কিছু সার্বভৌম ক্ষমতা থাকবে এই ধারণার উপরে ভিত্তি করে। রাষ্ট্রের মুরুব্বি হিসেবে থাকবে। প্রাইম মিনিস্টারের পাওয়ার চেক এন্ড ব্যালান্স করবেন। পার্লামেন্টারি ব্যবস্থা সেইখানেই কাজ করে যেইখানে একজন রাজা আছে। চুপ্পুর মতো হাসিনার চাকরবাকর দিয়ে রাজার জায়গা পুরণ করা যায়না। ইন্ডিয়াতে পার্লামেন্টারি ব্যবস্থা মোটামুটি ফাংশন করতে পারছে কারণ তাদের প্রদেশগুলোর সাথে ফেডারেল সিস্টেমের কারণে কেন্দ্রের সাথে একটা পাওয়ার ব্যালান্স হয়। যাই হোক, আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি পদ্ধতি ফিরায়ে আনে খালেদা জিয়া নিজে। বিএনপি ফুটায় আওয়ামী ডিম। কখনো প্রশ্ন করে নাই পার্লামেন্টারি পদ্ধতি যদি ভালো হয় তাইলে জিয়া কেন পার্লামেন্টারি পদ্ধতি নেন নাই। এই হইতেছে বিএনপির ইন্টেলেকচুয়াল চিন্তার দৌড়। এই পার্...

গোড়া আওয়ামী লীগের মানুষ

  আওয়ামীলীগ এবার ইলেকশন করতে দিলে ১৫ বছর পর হলেও তারা আবার ক্ষমতায় ব্যাক করবে। তখন জুলাই অভ্যুত্থানের সাথে জড়িত সকলকে এরা ফাঁসিতে ঝুলাবে। শুধু তাই নয়, তাদের সন্তান‌ এবং পরিবারকে তারা আবারও জঙ্গি শিবির ট্যাগ দিয়ে জেলে ভরে রাখবে।‌ গোড়া আওয়ামী লীগের মানুষ খুবই arrogant আর ‌delusional ‌হয়। নিজেদের কোন দোষ ওরা দেখেনা। ‌ ওদের নেতারা হাজার হাজার মানুষ মেরে ফেললেও এটাকে ওরা সঠিক মনে করে।‌‌ এই গোড়া আওয়ামী লীগারদের কোনভাবেই দেশের রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া যাবে না। তবে দেশে যারা নিরপরাধ‌ আওয়ামী লীগ‌ সাপোর্ট করা মানুষ, তাদের নিরাপত্তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। ‌ আওয়ামী লীগের করার অপরাধে কারো উপর যেন জুলুম করা না হয়। কিন্তু তাদের‌ নির্বাচনে আসতে দেওয়া যাবে না। ================================================================== When you’re choosing a husband, remember that you’re choosing the man who’ll be the father of your kids; the man who’ll love you through the pregnancy fatigue, big nose, mouth odor; the man who’ll stand by you during childbirth; the man who will love ...

প্রত্যেক ওয়াক্তে নামাজ পড়ার অভ্যাস

  রমজান শেষ হয়ে গেলেও প্রত্যেক ওয়াক্তে নামাজ পড়ার অভ্যাস ধরে রাখতে হবে। এখন থেকেই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হতে হবে যে ফজর সহ সকল নামাজ সঠিক সময়ে পড়বো যে করেই হোক। নামাজ না পড়াকে সবচেয়ে গুরুতর খারাপ কাজ হিসেবে মনে করতে হবে, নামাজ না পড়েও নিজেকে স্বাভাবিক এবং সঠিক মনে করার অভ্যাসগত পাপ থেকে মানসিক ভাবে সরে আসতে হবে। মনে রাখতে হবে নামাজ না পড়া ব্যক্তির নিজেকে ভালো মনে করা বা নিজে থেকে ঠিক করা অন্যান্য ভালো কাজের ফিরিস্তি দিয়ে নিজেকে সঠিক ভাবার প্রবণতা মানুষকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। যে কোনো মানুষ - জন্মগত ভাবে সে হোক মুসলিম অথবা অমুসলিম - তাকে ইসলামকে জেনে ইসলামের দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে আল্লাহ্‌র কাছে ভালো মানুষ হয়ে ওঠার একমাত্র দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছে। যাদের আল্লাহ্‌ এটি বোঝার তাওফীক দেয়নি তারা নিজেদের ব্যক্তিগত বোঝাপড়া এবং শয়তানের ওয়াসওয়াসায় আত্মগরিমা দিয়ে নিজেকে ও অন্যকে প্রবোধ দিয়ে চলুক - সেটি তাদের সিদ্ধান্ত ও পরিণতি - কিন্তু যে মুসলিমের মাঝে এখনও ইসলাম রয়েছে এবং যে রমজানের রোজা রেখেছে আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান রেখে - তার নিজেকে ভ্রান্তির মধ্যে রাখার মাধ্যমে পৃথিবী এবং আখিরাতের সকল কল...

"মঙ্গল শোভাযাত্রা"

  এইবারের নববর্ষের র‍্যালির মোটিফ আর শ্লোগান হবে "নববর্ষের ঐক্যতান, ফ্যাসিবাদের অবসান।" এই নববর্ষের "মঙ্গল শোভাযাত্রা" ছিলো ইসলামপন্থীদের দানবায়ন ও বাংলাদেশকে কালচারালি পশ্চিম বাংলার সাথে একাত্ম করে ফেলার কৌশল। আনন্দবাজার রিপোর্ট করেছিলো, "রমনার বটমুল যেন অষ্টমির একডালিয়া" - সেই ন্যারেটিভকে রুখে দিয়ে আমরা পাল্টা ন্যারেটিভ আনবো। দানবায়ন হবে হাসিনা আর আওয়ামী লীগের, দানবায়ন হবে ইন্ডিয়ান আধিপত্যবাদের; বাঙালির না। সেলিব্রেশন হবে বাংলাদেশের সংষ্কৃতির। আমরা ফিরে যাবো মোঘল আমলের আমাদের বাংলা সালতানাতের ঐতিহ্যে। নতুন বাংলাদেশের প্রথম সেলিব্রেশন হবে, আমাদের মতো করে আমাদের তরিকায়। যারাই হাসিনার আমলে বাংলাদেশের সার্বজনীন সংষ্কৃতির বিরুদ্ধে বাঙালি সংষ্কৃতির সেলিব্রেশনের মতলবে নানা বাঁধা সৃষ্টি করছে, আমরা তাদের চিনি। আমরা তাদের বিরত হবার আহ্বান জানাচ্ছি। জুলাই আগষ্ট বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে গিয়ে হাসিনার ঝান্ডা (পতাকা) তোলার কোন অবকাশ আমরা দেবোনা। প্রফেসর ইউনুসের সরকারের পরিকল্পনাতেই পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হবে। কোন ইন বাট নাই। পিরিয়ড।by pinaki B

গোমাংস সঙ্গে রাখার বা খাওয়ার "অপরাধে"

  গত শুক্রবার জুম্মার নামাজের আগে ভারতের দিল্লী ও উত্তর প্রদেশের দুই জেলা সম্ভল ও মেরাঠে পুলিশ জানিয়ে দেয় যে রাস্তাতে আলবিদা জুম্মা ও ঈদের নামাজ পড়া যাবে না। সম্ভলে পুলিশ আরো জানায় যে নিজেদের বাসার ছাদেও কোনো মুসলমান নামাজ পড়তে পারবে না। মেরাঠে পুলিশ জানিয়ে দেয় যে রাস্তায় নামাজ পড়া মুসলমানদের পাসপোর্ট ও ড্রাইভিং লাইসেন্সও বাজেয়াপ্ত করা হবে। ভারতে হিন্দুদের উপর রাস্তাতে ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো বিধিনিষেধ নেই। সারাদেশে রাস্তায় প্যান্ডেল করে লক্ষ লক্ষ পূজা, ভজন, কীর্তন ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হয়। সারা শ্রাবণ ধরে উত্তর ভারতে ভগবান শিবের মাথায় জল ঢালতে ভক্তরা জাতীয় সড়ক সহ অনেক রাস্তা দখল করে রাখে। রাম নবমী ও অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিন্দুরা রাস্তা দখল করেই করতে পারে। কয়দিন আগে হোলিতে দেখলাম কীভাবে রাস্তা দখল করে মুসলমানদের গায়ে ও প্লাস্টিকে ঢাকা মসজিদের উপর হিন্দুরা নর্দমার কাদা ও গোবর ছুঁড়ছিলো। এক বয়স্ক মুসলিম মহিলার মুখেও জোর জবরদস্তি করে কালো রং বা কালি দিলো তার ছেলের বয়সী হিন্দুরা। বিজেপি-শাসিত ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানদের উপর ধর্মীয় আচার-আচরণের উপর এমনই পর্যায়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি বা জ...

মন চায় সবকিছু ভেঙে ফেলি!

  মন চায় সবকিছু ভেঙে ফেলি! 😡🔥 কখনো কি এমন মনে হয়েছে? হুট করে মেজাজ খারাপ, ধৈর্য যেন কোথায় হারিয়ে যায়! ছোট্ট কথাতেও মাথার ভেতর আগুন জ্বলে ওঠে। কিন্তু আসলেই কি রাগটা ওই মানুষটার ওপর? নাকি জমে থাকা চাপ, হতাশা, না বলা কষ্টগুলো বেরিয়ে আসছে? রাগ স্বাভাবিক, কিন্তু যদি তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়, তাহলে ক্ষতি হয় আপনাকেই! একটু ভাবুন—আপনার রাগ কি আসলেই যাকে লক্ষ্য করে আছে, নাকি ভেতরের জমে থাকা কষ্টের প্রতিফলন? অনেক সময় আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বা না বলা কথাগুলোর জটিলতা এই আবেগকে আরও উস্কে দেয়। কিন্তু এই রাগ যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে তা আমাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক, কর্মজীবন এবং সামগ্রিক মানসিক সুস্থতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। 🔹 রাগ নিয়ন্ত্রণের কিছু কার্যকর উপায়: ✅ গভীর শ্বাস নিন এবং ১০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। ✅ রাগের কারণ বিশ্লেষণ করুন – এটি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ নাকি ক্ষণস্থায়ী? ✅ নিজেকে শান্ত করার জন্য হাঁটাহাঁটি বা মেডিটেশন করুন। ✅ অতিরিক্ত মানসিক চাপ থাকলে একজন বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন।

ঐ যে ছোট্ট বিন্দুটি

  ঐ যে ছোট্ট বিন্দুটি দেখা যাচ্ছে, হ্যা ওটাই হলো পৃথিবী । ওটার আবার তিন ভাগ জল আর একভাগ স্থল । ঐ স্থলের বাস করা একটা ছেলে কিছুদিন আগে প্রেমিকার উপর রাগ করে ৪০ টা ঘু'মের ওষুধ খেয়ে আত্মহ'ত্যা করেছে । মাত্র দশ হাজার টাকার জন্য ছোট ভাই গলা কে'টে হ'ত্যা করেছে বড় ভাইকে । ওখানে পানি নিয়ে অনেক দরবার । সেচ মৌসুমে বাধ আটকে মরুভুমি করা হয় একটা এলাকা । ওখানে এক ইঞ্চি জমির বিরোধে ভাই ভাইকে মে'রে পেলে । ওখানে আমেরিকা নামের একটা দেশ আছে, বিরাট তালেবর । প্রযুক্তির আশির্বাদে চীন দেশ চলে গেছে তাদের দোরগোড়ায় । এখানে রাজা আছে, মহারাজা আছে, স্বৈ'রাচার আছে । সূর্য পরিবারের অন্যতম ছোট গ্রহ পৃথিবী । মাত্র ছয় বিলিয়ন কিলোমিটার দুর থেকে যেটা একটা কলমের নিবের থেকেও ছোট। সেখানকার এক কোনে বসে আমাদের কি টাকার গরম, খমতার গরম, আভিজাত্যের অহংকার, সাদা চামড়া স্তুতি, কালো চামড়ার নিন্দা, হিংসা, হানা'হানি, ধর্মের বিভেদের র'ক্তক্ষয় । অথচ কি ক্ষুদ্রই না আমাদের অস্তিত্ব । হয়ত আরেকটু দুরে গেলে নাই হয়ে যাব আমরা ।

স্টেটসম্যান

  ড. ইউনুস ধীরে ধীরে স্টেটসম্যান হওয়ার দিকে এগোচ্ছেন। তার চলার গতি ধীর এবং মাপা - তবে গন্তব্য এক প্রকার নিশ্চিত। এমন না যে তিনি এরই মধ্যে খুব বড় কিছু করে ফেলেছেন - তবে পলিটিক্সে জনগণের পারসেপশন যতটা ম্যাটার করে, রিয়েলিটি ততটা করে না। মার্চ মাসের রেমিট্যান্সের দিকে তাকালে এটার একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ৩ বিলিয়ন ডলার মানে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। ঈদ উপলক্ষে রেমিট্যান্স কিছুটা বাড়তে পারে - তবে এভাবে হাই জাম্প দিয়ে আকাশে উঠে যেতে পারে না। জিনিসপত্রের দামের কথাই চিন্তা করুন। গত বছর ১৫ টাকা পিস দরে ডিম কিনতে হয়েছে। এবার কিনলাম ৮ টাকা পিস। মানে প্রায় অর্ধেক! এত সস্তায় যে ইহজন্মে ডিম খেতে পারবো সেটা কি ৬ মাস আগেও ভেবেছিলাম? অর্থনীতি নিয়ে যাদের কিছুটা পড়াশোনা আছে, তাদের জানার কথা যে একটা দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি হলো সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা। ইউনুস সাহেবের প্রতি আস্থাটা যে দিন দিন বাড়ছে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ড. ইউনুসের আগে এতটা দেশপ্রেম, সততা, নিষ্ঠা এবং দক্ষতা নিয়ে স্রেফ একজন মানুষই সরকার চালিয়েছিলেন - জিয়াউর রহমান। আফসোসের ব্যাপার হচ্ছে তিনি বেশিদিন সময় পাননি, ইউনুসও সম্ভবত...

পোষা প্রাণীর সঙ্গে ভ্রমণের সময়

  ঈদ মানেই আনন্দ, আর এই আনন্দের ভাগ শুধুমাত্র আপনজনদের সাথেই নয়—আপনার প্রিয় পোষা প্রাণীর সাথেও হওয়া উচিত! কিন্তু ঈদযাত্রার তীব্র গরম, কোলাহল এবং দীর্ঘ ভ্রমণ আপনার পোষা প্রাণীর জন্য হয়ে উঠতে পারে কষ্টকর ও ঝুঁকিপূর্ণ। তাই যাত্রা যেন নিরাপদ ও আরামদায়ক হয়, সে জন্য কিছু জরুরি বিষয় অবশ্যই মনে রাখা দরকার। বিশ্বাস ভেটেরিনারি ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. সুশ্যাম বিশ্বাস বলেন, পোষা প্রাণীর সঙ্গে ভ্রমণের সময় অতিরিক্ত গরম ও উচ্চ শব্দ এড়িয়ে চলা জরুরি। ✅ বড় ক্যারিয়ার ব্যবহার করুন: ছোট বা অস্বস্তিকর ক্যারিয়ার এড়িয়ে যান। এটি আপনার পোষা প্রাণীর নিরাপত্তা ও স্বস্তির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ✅ ক্যারিয়ার রাখার উপযুক্ত স্থান: ক্যারিয়ারকে লাগেজের সাথে বা গাড়ির ট্রাঙ্কে রাখবেন না; বরং আপনার সিটের পাশে রাখুন, যাতে তারা আরামদায়কভাবে থাকতে পারে। ✅ বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে: সুযোগ থাকলে, পোষা প্রাণীকে নিজের সঙ্গে কেবিনেই রাখার ব্যবস্থা করুন। গরমের কারণে হিটস্ট্রোক হতে পারে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে। তাই – ✔️ ভোর বা রাতে যাত্রা করুন – দিনের চেয়ে রাতে তাপমাত্রা কম থাকে, যা আপনার পোষা প্রাণীর জন্য বেশি স্বস্তিদায়ক। ✔️ শী...

জঙ্গী দমন নাটক

  বাংলাদেশ আর্মি চিফ সৈনিক অফিসারদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, উনার কাছে ক্রেডিবল ইনফরমেশন আছে যে বাংলাদেশে আগামী এক মাসের মধ্যে চরমপন্থী ইসলামী আক্রমণ হবে। জেনারেল ওয়াকার হাসিনার সেই জঙ্গী প্লে বুক অনুসরণ করে কাজ করছেন। এইটাই ইন্ডিয়ান র এর দেয়া স্ট্রাটেজি। কোনো সন্দেহ নেই যে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা এই জন্যই হিজবুত তাহরীরকে মাঠে নামিয়েছে। হাসিনার আমলে আমরা এই রকম জঙ্গী দমন নাটক অনেক দেখেছি। নির্দোষ তরুণদের অপহরণ করে এনে তাদের জঙ্গী সাজিয়ে তাদের উপর আক্রমণ করা হতো। হাসিনার সাবেক আইজির লেখক হওয়ার শখ হইছিলো। সে একটা বই লিখছে। সেইখানে সে পান্থপথে একটা জঙ্গী দমন অভিযানের বর্ণনা দিতেছে। তারপরে সেই বীরত্বের সংবাদ দিতে গেছে খোদ হাসিনার কাছে। হাসিনা বলছে কি জানেন, 'এতো কাছাকাছি এনে জঙ্গী দমন অপারেশনের নাটক না করলেও পারতে।' হাসিনা বলতেছে এইটা নাটক আর সেইটা হাসিনার আইজিপি তার বইয়ে লিখতেছে। আমরা কি এইভাবে আরো কিছু জঙ্গী নাটক আরো দেখতে যাচ্ছি? সেনাপ্রধানের কাছে যেই ক্রেডিবল ইনফরমেশন আছে সেটা কি সেনাপ্রধান পুলিশ এবং প্রধান উপদেষ্টার সাথে শেয়ার করেছে? আমাদেরকে সোর্স বা তথ্য জানানোর দরকার না...

বিড়ালদের লাফ দেয়ার ক্ষমতা

  বিড়ালদের লাফ দেয়ার ক্ষমতা প্রকৃতপক্ষে অত্যন্ত আশ্চর্যজনক এবং প্রাণী জগতের এক বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য। যারা বিড়াল পালন করেন, তারা জানেন যে, বিড়ালরা খুব সহজে উঁচু জায়গায় পৌঁছাতে পারে এবং তাদের লাফের ক্ষমতা নিঃসন্দেহে অবিশ্বাস্য। তাদের শরীরের গঠন, পেশী শক্তি এবং শারীরিক নমনীয়তা সব মিলিয়ে বিড়ালের লাফ দেয়ার ক্ষমতা অন্যান্য অনেক প্রাণীর চেয়ে অনেক বেশি উন্নত। গড় বিড়াল প্রায় ৫ ফুট (১.৫ মিটার) পর্যন্ত লাফ দিতে সক্ষম তবে বিশেষ জাতের বিড়াল যেমন সেভানা বা বেনগাল, আরো বেশি উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে — প্রায় ৭-৮ ফুট পর্যন্ত। বিড়ালের পা গুলির মধ্যে বিশেষ ধরনের পেশী রয়েছে যা তাদের লাফ দেয়ার ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। এই পেশীগুলি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং দ্রুত সঙ্কুচিত হয় ফলে বিড়ালরা এক নিমিষেই লাফ দিতে সক্ষম হয়। তাদের পায়ের পিছনের অংশে শক্তিশালী এবং উন্নত পেশী গঠন থাকে যা তাদের লাফ দেয়ার সময় শক্তি প্রদান করে। এমনকি, বিড়ালদের শরীরের সজীবতা এবং নমনীয়তা তাদের উঁচু জায়গায় উঠতে এবং দ্রুত সঠিক জায়গায় পৌঁছাতে সাহায্য করে। এছাড়া, বিড়ালের পায়ের পাতা বেশ দীর্ঘ এবং শক্তিশালী থাকে যা তাদের লাফ দেওয়ার পর অবতরণের সময়েও সহায়তা...

ক্যান্টনমেন্টের মিটিংয়ে

  ক্যান্টনমেন্টের মিটিংয়ে সার্জিস আর হাসনাতকে যখন ওয়াকার আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব দিল, তখন ওরা একদম ক্লিয়ার বলে দেয়-"আপনি এটা করলে ৫ তারিখের উল্টো ইমেজ তৈরি হবে আপনার। সারা দেশে ভিলেন হয়ে যাবেন।" ওয়াকার সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দেয়, "আই কেয়ার নাথিং! কে কি বলল আমার যায় আসে না। এদিকে বড় বড় তালেবররা কয়েক মাস ধরে ওয়াকার আর কচুক্ষেতের দালালি করে যাচ্ছে। আমি শুরু থেকেই এটা নিয়ে লড়ে যাচ্ছি! হাসনাত আর সার্জিসের ১১ তারিখের মিটিং-এর কথা আমি আগে জানতাম না। কিন্তু কিছু একটা যে হচ্ছিল, সেটার ইঙ্গিত আপনারা আমার ভিডিও আর পোস্টে আগেই দেখেছেন। ওয়াকার এখন পুরোপুরি আওয়ামী পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় ঢুকে গেছে, নিজেই সব লিড দিচ্ছে। ছাত্রদের বিরুদ্ধে চরিত্র হনন আর দুর্নীতির নিউজগুলো কোত্থেকে আসছে সেটাও একদম পরিষ্কার হয়ে গেছে। ওয়াকারকে শুধু একটাই কথা বলব- নাটক কম করো পিও! মাসুদ যেমন ভালো হয়নি, তুমিও ভালো হবা না। তালবেরগিরি কিভাবে জয় বাংলা করতে হয়, সেটা ৩২ নম্বরে দেখিয়ে দিয়েছি! শিরীন শারমিন আর প্রীতির মারাও তাই না? সাহস ভালো, কিন্তু অতিরিক্ত সাহস ভালো না! খালেদ মোশাররফও সাহস দেখাইছিলো। আওয়ামিল...

খুনিদের বিচার চান একমাত্র ছেলেকে হারানো মা

  জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিতে গত বছরের ২০ জুলাই রাজধানীর দনিয়ার বাসা থেকে যাত্রাবাড়ীতে গিয়ে যুক্ত হয় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইফাত হাসান খন্দকার। সেদিন পুলিশ-বিজিবি-র‌্যাব ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় যাত্রাবাড়ীর সড়ক-মহাসড়কগুলো। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে থাকা এক আন্দোলনকারীর আর্তনাদে সাড়া দিয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় ইফাত। ফলে ঘাতক পুলিশের টার্গেটে পরিণত হয় সে। গুলিবিদ্ধকে রেখে হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার পরই পুলিশ বুকে গুলি করে ইফাতকে হত্যা করে। এসব তথ্য জানিয়েছেন শহীদ ইফাত খন্দকারের মা কামরুন নাহার। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে তিনি এখন গভীর শোকে মুহ্যমান। এখন তিনি চান খুনিদের বিচার। সেদিনের কথা স্মরণ করে তিনি আমার দেশকে বলেন, একমাত্র ছেলে ইফাতকে আন্দোলনে যেতে নিষেধ করেছিলাম। তখন ইফাত বলেছিল, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের কবল থেকে দেশকে রক্ষা করতে অনেক বাবা-মায়ের সন্তানই আন্দোলনে অংশ নিচ্ছে। আমাদেরও যেতে হবে, ঘরে বসে থাকলে আন্দোলন সফল হবে না।’ আগের দুই দিন আন্দোলনে যেতে দিলেও ২০ জুলাই ছেলের মুখে এমন কথা শোনার পর কামরুন নাহার ইফাতকে বাসা থেকে বের হতে দিচ্ছিলেন না। ২০২২ সালে ইফাতের বাবা...

ইসলাম কি সঠিক ধর্ম ?

  আমি কুরআন ছাড়া অন্যান্য ধর্মের গ্রন্থও পড়ার ও বোঝার চেষ্টা করেছি। জীবনের একটা বয়স এমন ছিল যে আমি উৎসাহ নিয়ে বিভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে ঘেঁটে দেখার চেষ্টা করতাম কী আছে সেখানে? ইসলাম কি সঠিক ধর্ম দেখেই একে গ্রহণ করেছি নাকি জন্ম সূত্রে আমি মুসলিম। বছরের পর বছর এভাবে কেটেছে। দিন শেষে আমি ঘোষণা দিলাম কুরআন আল্লাহর বাণী। কিন্তু কেন? এমন কি প্রমাণ আছে যে কুরআন মানুষের দ্বারা লেখা হয় নাই? অনেক গুলো প্রমাণ আছে। আজকে একটা বলবো কেবল। সেটা হচ্ছে রাসূল সা. এর জীবন। ভেবে দেখুন কুরআন যদি মানুষের রচিত গ্রন্থ হতো তাহলে কী এর পিছে এতো ত্যাগ করা হতো? রাসূল সা. যথেষ্ট ভালোভাবেই দিন কাল কাটাচ্ছিলেন। চল্লিশ বছর বয়স হয়ে গিয়েছিল। সমাজে সবার সম্মান ও ভালবাসার পাত্র ছিল। তিনি চাইলেই বাকি জীবন সুখে শান্তিতে কাটিয়ে দিতে পারতেন। নিজের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলার কী দরকার ছিল? তিনি এর আগে কোনদিন মিথ্যা কথা বলেন নাই। হটাত করে এতো বড় মিথ্যা কেন বলবেন যে আল্লাহ তাঁর সাথে যোগাযোগ করছে। যদি এই মিথ্যা তিনি বলতেন আল্লাহ নিজেই তো তাঁকে ধ্বংস করে দিতে পারতেন। তারপরেও ধরলাম আল্লাহ ধ্বংস করেন নাই। ব্যপার হচ্ছে একজন ব্যক্তি মিথ্...

গা/জার মানুষদের রেজিলিয়েন্স

  আমি অবাক হই গা/জার মানুষদের রেজিলিয়েন্স দেখে। এরচেয়ে বহুগুণে ছোট ঘটনায় মানুষ ভেঙে পড়ে। খেয়াল করে দেখুন এরা আক্ষেপ দেখাচ্ছে, প্রতিটি স্ট্রাইকের পর কাছের আত্মীয়দের বিলাপ আছে, কিন্তু সামষ্টিক ভাবে তারা একজন আরেকজনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। যখনই সম্ভব হচ্ছে দল বেঁধে মৃতদেহগুলোকে কালেক্ট করছে, আহতদের চিকিৎসা দিচ্ছে। অথচ জায়গাটিতে সবার খাবার এবং অন্যান্য সকল প্রয়োজনীয় জিনিসের অভাব। এদের সবার ব্যক্তিগত ভাবে হাল ছেড়ে দেবার কথা। এদের কারও এখন ক্যারিয়ার নিয়ে উচ্চাশা নেই, নিজের আখের গোছানোর ইচ্ছে নেই, মিথ্যে ইমেজ তৈরির বাসনা নেই, বাগাড়ম্বর নেই, পুরুষ নারী বিতর্ক নেই, সম্পদের পাহাড় বানানোর প্রতিযোগিতা নেই,হিংসে-বিদ্বেষ-আত্মসাৎ নেই, স্কেপটিসিজম এবং এইথিজম নেই। কেবল আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা এবং একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞা। যখনই আল্লাহ্ পাপীদের মাঝে কিছু মানুষকে বেছে নিয়েছেন প্রকৃত ধর্মের স্বরূপ দেখাতে, তাদের সর্বোচ্চ স্যাক্রিফাইসের মধ্যে দিয়ে নিয়ে গেছেন। নবী রাসূলরা এবং তাদের জাতির ঈমানদারদের স্যাক্রিফাইস ছিলো সর্বোচ্চ। আমাদের ভাগ্য যে আল্লাহ্ আমাদের জন্যও কাউক...

ভারতীয় ন্যারেটিভের কাউন্টার

  ভারতীয় বার্তাসংস্থা ANI এর সাথে সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টিলিজেন্স ডাইরেক্টর তুলসী গ্যাবার্ডকে জার্নালিস্ট স্মিতা প্রশ্ন করেন “How important your spiritual belief?” জবাবে তুলসী গ্যাবার্ড বলেন “My own spiritual practice is the center of my life and Krishna's teaching to Arjun on Bhagabat Gita is the strength of mine. From Krishna to Arjun, they give me peace and great comfort” তুলসী গ্যবার্ড এবং স্মিতার কনভারসেশনের উপরোক্ত অংশটুকু থেকে এটা একদম পরিষ্কার যে তিনি একজন গর্বিত হি ন্দু, উপরন্তু ই স ক ন সদস্য। এছাড়া তাকে বহুদিন যাবৎ ফলো করার সুবাদে আমি খুব স্পষ্টভাবেই উপলব্ধি করেছি, বর্তমান ইউএস ন্যাশনাল ইন্টিলিজেন্স ডাইরেক্টরের হিন্দুইজমের প্রতি বেশ ভাল সফট কর্নার রয়েছে। পাঁচ আগস্টের পরই বাংলাদেশ ইস্যুতে ভারতীয় পলিসি মেকার থেকে শুরু করে আর্মড ফোর্স কিংবা মিডিয়া উইং― প্রত্যেকের ন্যারেটিভ ছিল বাংলাদেশে ইসলামিস্টদের উত্থান ঘটেছে, বাংলাদেশে ইসলামিক টেরো রিজম মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে ইত্যাদি। ভারত খুব করে চেষ্টা চালিয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ‛বাংলাদেশে ইসলামিক টেরোরিজমের উত্থান ঘটে...

কুরআনে নিখুঁত শব্দের ব্যবহার

  কুরআনের অন্যতম একটি মিরাকল হলো এর নিখুঁত শব্দের ব্যবহার। শব্দের ব্যবহারে এর যথার্থতা। আরবরা হাঁটা এবং দৌড়ানোর জন্য প্রায় ডজন খানেকের উপরে ক্রিয়াপদ ব্যবহার করতো। কুরআনে ব্যবহৃত এরকম পাঁচ ছয়টি ক্রিয়াপদ নিয়ে এখন আমরা কথা বলবো। হাঁটার জন্য সবচেয়ে সাধারণ ক্রিয়াপদ হলো 'মাশা ইয়ামশি।' আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা কুরআনে বলেন- هُوَ الَّذِیۡ جَعَلَ لَکُمُ الۡاَرۡضَ ذَلُوۡلًا فَامۡشُوۡا فِیۡ مَنَاکِبِهَا وَ کُلُوۡا مِنۡ رِّزۡقِهٖ - "তিনিই তো তোমাদের জন্য যমীনকে সুগম করে দিয়েছেন, কাজেই তোমরা এর পথে-প্রান্তরে হাঁটা চলা করো এবং তাঁর রিয্ক থেকে তোমরা আহার কর।" (৬৭:১৫) 'মাশা ইয়ামশি' মানে স্বাভাবিক ভঙ্গিতে ব্যস্তহীনভাবে চলা ফেরা করা। আপনি ধীরে সুস্থে হাঁটছেন- এর নাম মাশা। স্বাভাবিক ভঙ্গিতে হাঁটার জন্য যে আরেকটি ক্রিয়াপদ ব্যবহার করা হয়... আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা কুরআনে বলেন- فَاِذَا قُضِیَتِ الصَّلٰوۃُ فَانۡتَشِرُوۡا فِی الۡاَرۡضِ وَ ابۡتَغُوۡا مِنۡ فَضۡلِ اللّٰهِ - "অতঃপর যখন সালাত সমাপ্ত হবে তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় আর আল্লাহর অনুগ্রহ হতে অনুসন্ধান কর।" (৬২:১০)...

“শেখের পট্টি”

  ইন্ডিয়া থিকা বলছে যে প্রায় ৪৫ হাজার আওয়ামী নাকি ইন্ডিয়ায় আশ্রয় নিছে। বিশাল নাম্বার। এতো লুক রাখবেন কৈ? এর আগে ৫০ এর দশকে পোচুর তিব্বতীকে ইন্ডিয়া জায়গা দিছিলো। শহরের নাম দিছিলো “ধর্মশালা” (ঐখানে ইন্ডিয়া ভালো একটা স্টেডিয়াম বানাইছে) - ভালো শহর হৈছে। এতো আওয়ামী যে রাখতেছে - ওগো তো একটা শহর লাগবে দিল্লীর আশেপাশে। তাই না? শহরের নাম কি হবে? “চুতিয়াশালা” রাখলে আওয়ামীদের প্রতি এড্রেসের বিষয়ে একটা সার্থকতা চইলা আসে। অবশ্য এই নামের একটা সমস্যা হোলো যে নামের “শালা” পার্টটাকে মানুষ জায়গা হিসাবে না নিয়ে গালি হিসাবে নিতে পারে। মানুষ আসলে শব্দের নিয়তরে ঠিকভাবে পড়ে না। চারিদিকে দুষ্টু মানুষ। শুধু হাসাহাসি করে। মজা নেয়! চু_য়া, শালা এই মানুষ! কবি বলেছেন। “শেখের পট্টি” রাখলে এই ভুল বোঝাবুঝির নিরসন হতে পারে। by pinaki আগে নোকিয়া ফোন চালাতাম এখন আইফোন চালাই। আগে দেশী স্যান্ডেল পারতাম এখন বিদেশী জুতা পরি। আগে ফেরিতে পার হতাম এখন সেতুতে পার হই। টাকা দিয়ে মোবাইল, জুতা, স্যাটেলাইট ও সেতুও কিনে ফেলছেন ভালো কথা। কিন্তু নিজেরা প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত হব কবে? পদ্মা সেতু দীর্ঘদিন টিকে থাকুক, টেলি যোগাযোগ ...