Skip to main content

Posts

Showing posts from January, 2022

কেমন ছিলেন প্রিয় নবী রাসুল (সঃ)

  কেমন ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী রাসুল (সঃ)? ১/ তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন। ২/ তিনি কম হাসতেন। ৩/ তিনি মুচকি হাসতেন,হাসি ওনার ঠোঁটে লেগে থাকতো। ৪/ তিনি অট্টহাসি হাসতেন না। ৫/ তিনি তাহাজ্জুদ নামাজ ত্যাগ করতেন না। ৬/ তিনি শতবার ক্ষমা প্রার্থণা করতেন। ৭/ তিনি নিজের জন্যে কখনোই প্রতিশোধ গ্রহণ করতেন না। ৮/ তিনি যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া কাউকেও আঘাত করেননি। ৯/ তিনি বিপদে পড়লে তাৎক্ষনিক নামাজে দাড়িয়ে যেতেন। ১০/ তিনি অসুস্থ হলে বসে নামাজ পড়তেন। ১১/ তিনি শিশুদের সালাম দিতেন। ১২/ তিনি সমাবেত মহিলাদের সালাম দিতেন। ১৩/ তিনি শিশুদের পরম স্নেহ করতেন। ১৪/ তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে কোমল আচরণ করতেন। ১৫/ তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন। ১৬/ তিনি ঘুম থেকে জেগে মেসওয়াক করতেন। ১৭/ তিনি মিথ্যাকে সার্বাধিক ঘৃণা করতেন। ১৮ তিনি উপহার গ্রহণ করতেন। ১৯/ তিনি সাদকাহ (দান) করতেন। ২০/ তিনি সব সময় আল্লাহ কে স্মরণ করতেন। ২১/ তিনি আল্লাহ কে সার্বাধিক ভয় করতেন। ২২/ হাতে যা আসত, তা আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন। ১. কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যক্তি উঠা নাপর্যন্ত তিনি উঠতেন না। ২. লৌকিকতার প...

নির্ভরশীলতার সীমাবদ্ধতার গন্ডি

  সমাজে আমরা প্রত্যেকে একে অপরের উপর নির্ভরশীল; কেউই আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ নই। কিন্তু এই নির্ভরশীলতার সীমাবদ্ধতার গন্ডি কতটুকু? আমাদের প্রত্যেকেরই নিজস্ব একটা দুনিয়া আছে, যেই দুনিয়া আমরাই রাজা/রানী! নিজের একান্তই ব্যক্তিগত এই জীবনটার সিদ্ধান্তের মালিক যেমন আমরা নিজে,তেমনি নিজেদের প্রতিটি দায়িত্বের মালিকও আমরাই। কেমন হবে, যদি আমরা এতোখানিই নতমস্তক হয়ে যাই যে, জীবনের সবকিছুর জন্যই অন্যের উপর নির্ভরশীল হতে হয়? নিম্নোক্ত উপসর্গের ৫টি বা তার বেশি থাকলে DSM-5 অনুসারে আপনি Dependent Personality Disorder বা নির্ভরশীল ব্যক্তিত্বের অধিকারী- ১. প্রতিদিনের সাধারণ ঘটনার সিদ্ধান্ততেও আপনার অন্যের পরামর্শ এবং আশ্বাস প্রয়োজন হয় ২. নিজের জীবনের বড় ক্ষেত্রগুলোর দায়িত্ব নেয়ার জন্য অন্যের দরকার পড়ে ৩. অন্যের সমর্থন বা অনুমোদন হারানোর ভয়ে, কোন বিষয়ে দ্বিমত পোষণ না করা ৪. মূলত আত্মবিশ্বাসের অভাবে, নিজে থেকে কোন কাজ শুরু করতে বা শেষ করতে দ্বিধাবোধ ৫. অন্যের সমর্থন বা ভালবাসার জন্য, নিজের অপ্রিয় হওয়া সত্তেও, যেকোন কাজ করার চেষ্টা ৬. একা থাকাকালীন নিজের যত্ন না পারার ভয় এবং অস্বাভাবিক অস্বস্তি বোধ হওয়...

"যা কিছু হয়, ভালোর জন্য হয়"

  "যা কিছু হয়, ভালোর জন্য হয়" 🥰 এই বিশ্বাস অনেক মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। আমি অনেক মানুষ দেখেছি, যাদের জীবন বিভীষিকাময় হয়ে গেছে। কেউ কেউ আছে, হারাতে হারাতে আর কিছু বাকি নেই। এমন লোকজনও আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে বেঁচে থাকে। এদের মধ্যে কিন্তু এমন অনেকে আছে যারা ঠিকঠাক নামাজ-রোজা করে না। কিন্তু এদের অনেক তাওয়াক্কুল। মনে একটা বিশ্বাস, ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে। সুন্দর দিন আসবে। কষ্টের পর স্বস্তি আসবে।🙂 এই বিশ্বাসটুকু, এই আশাটুকু কত মানুষকে যে আত্মহত্যা করা থেকে আটকে রেখেছে। আর আল্লাহর কী চমৎকার নিয়ম দেখেন। ভবিষ্যতকে তিনি রেখেছেন অজ্ঞাত। এই ভবিষ্যৎ নিয়ে যাতে আমাদের জল্পনাকল্পনা অবিরত থাকে। ভালো দিন আসার একটা আশা যাতে বেঁচে থাকে। অবিশ্বাসীদের এই আশাটুকুও থাকে না, এজন্য তারা অধিকাংশই ডিপ্রেশনে ভোগে, নায়ালিস্ট হয়ে যায়। কিন্তু বিশ্বাসীদের জন্য ভবিষ্যৎ শুধুই আশার, ভালো দিনের আশা। নিশ্চয়ই আল্লাহ যা কিছু করেন, ভালোর জন্যই করেন❣️ ******************************************************** কাউকে ব্লাডের জন্য কল দেওয়ার আগে কয়েকটা জিনিস মাথায় রাখবেন। ১- ডোনারের যাতায়াত খরচ ২- যে বেলায় ব্লাড দিব...

জান্নাতে ঘর নির্মাণ

দুনিয়ায় বিভিন্ন ডিজাইনের ঘর তৈরি খুবই আনন্দের ব্যাপার। এজন্য সবাই কষ্ট করে অর্থ উপার্জন করেন এবং স্বপ্ন দেখেন একটি ভালো ঘর বা বাড়ি তৈরি করার। দুনিয়ায় ঘর নির্মাণ করলে সে ঘরে চিরস্থায়ীভাবে বসবাস করা যায় না। তবে পরকালে যদি জান্নাতে ঘর নির্মাণ করা হয় সেই ঘরে চিরস্থায়ীভাবে থাকা যাবে আর সেটাই হবে মুমিনদের জন্য সবচেয়ে বেশি আনন্দের। জান্নাতে ঘর তৈরি করতে হলে প্রয়োজন দুনিয়ায় নেক আমল করা। আল্লাহ তায়ালা সেই নেক আমলের বিনিময়ে বান্দার জন্য জান্নাতে ঘর তৈরি করে দিবেন। এর একটি অন্যতম উপায় আল্লাহর এই জমিনে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আল্লাহর ঘর বা মসজিদ নির্মাণ করা। রাসুল (স) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য মসজিদ নির্মাণ করল তার জন্য আল্লাহ তায়ালা জান্নাতে ঘর নির্মাণ করবেন।’(খুজামুস সগীর-১১৬১, শুয়াবুল ঈমান-২৯৩৯) কিন্তু মসজিদ তৈরি করার সামর্থ্য অনেকেরই নেই। এরপরও যার যতটুকু সম্ভব মসজিদ নির্মাণ বা সংস্কারে সামর্থ্য অনুযায়ী টাকা-পয়সা বা শ্রম দিতে হবে। আর সময় পেলেই মসজিদে গমন করে মুসল্লিদের কষ্ট হয় এমন কোনো বস্তু দেখামাত্রই মসজিদের খাদেমের অপেক্ষায় না থেকে তা দূর করে মসজিদক...

অভিজ্ঞতা অর্জন

  এক জাহাজের ইঞ্জিন চালু হচ্ছিল না। জাহাজের মালিক অনেক ইঞ্জিনিয়ারকে দেখিয়েছেন কিন্তু কেউ তা ঠিক করতে পারেনি। তাই তিনি ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এনেছেন। তিনি খুব সাবধানে ইঞ্জিন পরিদর্শন করলেন। উপর থেকে নিচে কিছুক্ষণ দেখার পর লোকটি তার ব্যাগ থেকে একটি ছোট হাতুড়ি বের করলেন। তিনি হাতুড়ি দিয়ে আলতোভাবে ইঞ্জিনে একটা আঘাত করলেন। সাথে সাথে ইঞ্জিন চালু হয়ে গেল! ৭ দিন পর ইঞ্জিনিয়ার তার বিল হিসেবে চাইলেন ২০০০ ডলার! জাহাজের মালিক তো অবাক! তিনি বললেন, আপনি তো এখানে তেমন কিছুই করেন নাই৷ তবু এতো বিল অসলো কীভাবে? ইঞ্জিনিয়ার সাহেব বললেন, হাতুড়ি দিয়ে বারি মারার বিল ২ ডলার কিন্তু কোন জায়গায় মারতে হবে সেটা জানার জন্য ১৯৯৮ ডলার। শিক্ষাঃ অভিজ্ঞতা অর্জন করতে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে, সেই পরিশ্রমের মূল্য দিতে শিখুন। ❣️ ************************************ ঘটনাটি আসামের। একজন লোক গরুটিকে ক্রয় করে এনে তাঁর উঠুনে বেঁধে রেখেছিলেন। কিন্তু প্রত্যেকদিন গভীর রাতে কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দে ঘুমাতে পারে না বাড়ির লোকজন। তাই তাঁরা মনে করলো এই লকডাউনের সময়ে হয়তো চোরের উৎপাত...

কুফা শহরে একজন যুবক সাধক

  ইরাকের কুফা শহরে একজন যুবক সাধক বাস করতেন। আকার-আকৃতিতে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সুদর্শন একজন যুবক এবং স্বভাব চরিত্রও ছিল তার অত্যন্ত সুন্দর। আর তিনি ছিলেন অত্যন্ত পরহেজগার একজন ব্যক্তি। ঐ শহরেই বাস করতো একজন রূপবতী, সুন্দরী এবং জ্ঞানবতী নারী। সে একদিন ঐ যুবককে দেখেই তার প্রেমে পড়ে যায়। এভাবে মেয়েটি কিছুকাল চুপ থাকে। অবশেষে ধৈর্যধারণ করতে না পেরে একদিন মেয়েটি সেই যুবকের রাস্তায় গিয়ে দাঁড়ায়। তার উদ্দেশ্য ছিল, যুবকটির পেছনে পেছনে গিয়ে তার বাড়িটি চিনে নেওয়া। কিন্তু যুবকটি সেই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে যখন মেয়েটির কাছাকাছি এলো, তখন মেয়েটি ছেলেটির সৌন্দর্য দেখে চুপ থাকার ধৈর্য হারিয়ে ফেললো। মেয়েটি বলে উঠল, ওহে যুবক! আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই, শোনার পর তোমার যা ইচ্ছা হয় করো। কিন্তু যুবকটি মেয়েটির সাথে কোন কথা না বলে চলে গেল। এরপর পুনরায় একদিন মেয়েটি সেই যুবকের পথে গিয়ে তার মুখোমুখি হয়ে দাঁড়িয়ে বলে উঠল, ওহে যুবক! আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই, দয়াকরে শোণ। যুবকটি তখন তার মাথা নিচু করে নিয়ে বললঃ এটা হল অপবাদের জায়গা। আমি অপবাদের পাত্র হতে ভয় পাই। মেয়েটি বলল, আল্লাহ...

জীবনের ছোটখাটো কিছু পরিবর্তন

  জীবনের ছোটখাটো কিছু পজিটিভ পরিবর্তন আমাদের মানসিক সুস্থতার ক্ষেত্রে অনেকাংশে সাহায্য করে। আপনার মনকে আপনি তখনই ভালো রাখতে পারবেন যখন আপনি নিজে সেটা "যত্ন" করার দায়িত্ব নিবেন! আমরা যা দেখি, যা শুনি কিংবা যা বলি সেটা আমাদের মনকে প্রভাবিত করে। অনেক কিছু নিজের অজান্তেই মনে এসে জায়গা করে নেয় তার কারণ হল আমাদের "সাবকনশাস লার্নিং প্রসেস"! তাই এই ব্যবধানটুকু নিজেকে বুঝে নিতে হবে কতটুকু আপনি নিবেন আর কতটুকু ফিল্টারের তলানির মত ছেড়ে দেবেন! সাধারণ একটা হাসি, দুই শব্দের "থ্যাংক ইউ" অথবা এক শব্দের "সরি" অনেক কিছু জয় করতে পারে। অন্যকে প্রশংসা করে দেখুন তার সামনে এবং একই সাথে তার পেছনে দেখবেন আপনি নিজেই কতটা ভালো অনুভব করছেন। সবার সব কাজ আমাদের পছন্দ হয় না এটাই স্বাভাবিক কিন্তু তার পরেও তাদের ভালোকে খুঁজে পাওয়ার ভিতর আপনার সাফল্য লুকিয়ে আছে। কারো ভালো কিছুতে হিংসা না করা, কাউকে ছোট ফিল না করানো, কষ্ট না দেওয়া এগুলো আপনার মধ্যেও পজিটিভিটিকে জাগিয়ে তুলবে। আসুন কাছের মানুষকে সময় দেই আরো বেশি। তাদের কাজে সাহায্য করি কিংবা তাদের নিয়ে ঘুরতে যাই। আমরা অনেকেই একসাথ...

ফ্ল্যাশব্যাক- কারান্টিনা

  ফ্ল্যাশব্যাক- কারান্টিনা . ১৯৭৬ সালের এইদিনে (১৮ জানুয়ারি) কারান্টিনা গণহত্যা সংঘটিত হয়। কারান্টিনা জেলাটি লেবাননের রাজধানী বৈরুতের পূর্বে অবস্থিত। পার্শ্ববর্তী সকল এলাকা খ্রিস্টান-মেজরিটি হলেও এই জেলাটি ফিলিস্তিনি মুসলিম অধ্যুষিত ছিল। সেদিন বশির গেমায়েল এর নেতৃত্বে কাতায়েব (ফালাঞ্জ) পার্টির মিলিশিয়ারা আকস্মিক হামলা চালিয়ে প্রায় ১,৫০০ জন মুসলিমকে হত্যা করে। . খ্রিস্টানরা মুসলিম নারী ও পুরুষদের আলাদা করে ফেলে। পুরুষ ও বালকদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে হত্যা করা হয় এবং নারী ও মেয়ে শিশুদের নির্মম পাশবিক নির্যাতন করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর নিহতদের লাশ কোথায় সরিয়ে ফেলা হয়েছে তা অদ্যাবধি অজানা। এখনও বেঁচে থাকা পরিবারগুলো নিহতদের দেহাবশেষের সন্ধান করে ফিরছে। মাত্র ৪৬ বছর পূর্বের ইতিহাস, অথচ আমাদের কারান্টিনার ভাইবোনদের কথা কেউ বলে না। *************************************************************** সৌদি আরবে চলছে বিরল তুষারপাত। আর এ তুষারপাতে রাস্তাঘাটসহ তুষারে ছেয়ে গেছে দেশটির উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের তাবুক প্রদেশের মরুভূমিও। ভালুক, শেয়াল, হরিণসহ মরুভূমির জাহাজ উটের শরীরও এখন সাদা তুষারের ...

ঋণ

  ❇️২৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করে রিয়াজ নতুন গাড়ি কিনেছে। একদম ঝকঝকে সিলভার কালারের গাড়ি। গাড়ি দেখে স্ত্রী, দুই সন্তান আর বাবা-মা তো ভীষণ খুশি। ঠিক দুই মাস আগে নতুন এপার্টমেন্টে উঠেছে। পরিশ্রমের সঙ্গে সঙ্গে রিয়াজের ভাগ্যটাও বেশ ভাল ফেভার করেছে। বছর বছর চাকুরীতে পদন্নোতি পাচ্ছে। বেতনও বেড়ে চলছে হু হু করে। তাই দ্রুত ব্যাংক লোন নিয়ে সেই টাকায় বাড়ি-গাড়ি সব কিনে ফেলল। সংসারে যেন আনন্দের বন্যা বইছে। সেই সুবাদে রিয়াজ বাসায় একটা পার্টি দিল। অফিস কলিগরা দুপুর থেকে বিকেল আর আত্নীয়-স্বজনেরা সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত আমন্ত্রিত ছিল। বেশ হৈ-হুল্লোর আর খাওয়া দাওয়ায় রিয়াজ পার্টি শেষ করলো। সবাই বেশ খুশি আর রিয়াজের প্রশংশায় পঞ্চমুখ। সকাল হলেই রিয়াজ গাড়ি করে অফিস করবে, ছেলেমেয়েরা গাড়ি করে স্কুলে যাবে, স্ত্রী গাড়ি করে শপিং এ যাবে, গ্রামে বেড়াতে গেলেও গাড়ি করে যাবে ভাবতেই গর্বে রিয়াজের বুক ফুলে উঠতে লাগল। রিয়াজ ড্রাইভিংটাও শিখে নিয়েছে। রিয়াজ পরিবারের ভবিষ্যতের জন্য খুব চিন্তা করত। অর্থ সম্পদ জমানো রিয়াজের যেন নেশা। স্ত্রীর নামে ২৫ লক্ষ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনে দিয়েছে। ছেলেমেয়ের নামে মোটা অংকের ডি...

হুজুররাই দেশটা খাইলো

  😭😭হুজুররাই দেশটা খাইলো😭😭 🌺আমি_হুজুরদের_ঘৃণা_করি🌺 👉রাত চারটায় একটি সন্তান হলো, আমি আযান দিতে জানিনা, তাই চলে গেলাম হুজুরের কাছে, হুজুর এলো কনকনে শীতের মধ্যে! আযান দিলো.... - তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...! 👉চার বছর চার মাস হলো শিশুকে মক্তবে পাঠালাম, হুজুর দোয়া দরুদ দিয়ে জীবনের প্রথম শিক্ষা শুরু করালেন... _ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...! 👉ছয়বছর থেকে কোরান পড়া শিখালেন, নামাজ শিখালেন আদব কায়দা শিখালেন.... _ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...! 👉দিনে পাঁচবার হুজুরের পেঁছনে নামাজ পড়ি, জুমার নামাজ, তারাবির নামাজ, ঈদের নামাজ, হুজুরের পেঁছনেই পড়ি... _ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...! 👉আমিতো অনেক লাট বাহাদুর তাই একটু হজ্জ্ব করবো, নিয়ম কিছু জানিনা হুজুরের কাছে গেলাম... _ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...! 👉বিয়ে করবো, সেখানে তো ডান্স বন্দুরা বিয়ে পড়াতে জানেনা তাই ঐ হুজুরকে দিয়ে বিয়ে পড়ালাম... _ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি 👉বৃদ্ধ হয়ে গেলাম, হাটতে পারিনা চলতে পারিনা, রোগে ধরে গেছে এসব থেকে বাঁচার জন্য হুজুর থেকে দোয়া নিলাম... _ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...! ...

কেমন মেয়ে বিয়ে করা উচিত?

  কেমন মেয়ে বিয়ে করা উচিত? যদি বিয়ে করেন তাহলে খাদিজা (রাঃ) এর মতো কাউকে বিয়ে করবেন। যদি এরকম কোন মেয়ে না পান , বিয়ে করার দরকার নাই। যদি বিয়ে করতে চান , তাহলে খাদিজা (রাঃ) তার মতো মেয়ে খুঁজে বের করবেন। যার মধ্যে - সৌন্দর্য থাক না থাক, যার বয়স কত হয় হোক, যার সম্পত্তি থাক বা না থাক, যার মধ্যে দ্বীনের প্রতি অফুরন্ত মোহাব্বত আছে এইরকম একটা মেয়েকে বিয়ে করবেন। দেখবেন , আপনার জীবনটাই হবে জান্নাত ইন শা আল্লাহ। তখন রাসূল (সাঃ) এর পাশে কেউ ছিল না । ছিলো? তার স্ত্রী (রাঃ) , তার সাথে ছিলেন। তিনি নিজে গারে হেরায় গিয়ে খাবার দিয়ে আসতেন। আর আমরা দেখে এসেছি গারে হেরায় উঠতে আমাদেরই খবর হয়ে যায়। আপনি যে ইয়াং পিপল আছেন, আপনাদেরই খবর হয়ে যাবে গারে হেরায় উঠতে নামতে। খাদিজা (রাঃ) সেখানে গিয়ে খাবার দিয়ে আসতেন। এইখান থেকে কি বুঝলেন? জীবন সঙ্গিনী যদি দ্বীনদার হয় এবং আপনার মতাদর্শের ( একই মানহাযের ) হয় , তাহলে আপনি বিশ্ব জয় করতে পারবেন ইন শা আল্লাহ! আর জীবন সঙ্গিনী যদি আপনার মতাদর্শের না হয় , এই দুনিয়ার জীবনটাই আপনার জাহান্নাম হয়ে যাবে। পরিবারে শান্তি নাই , কোনো জায়গায় শান্তি নাই। আমাদের ব্যাচের বহু ত...

একটি শিক্ষামূলক পোস্ট

  একটি শিক্ষামূলক পোস্ট :: ১. কাউকে একসঙ্গে তিনবারের বেশি ফোন কল করবেন না। যেহেতু আপনার কল রিসিভ হচ্ছে না তার মানে ব্যক্তিটি আপনার ফোন কলের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজে ব্যস্ত আছে। ১০/১৫ মিনিট পর আবার চেষ্টা করতে পারেন। ২. কারো কাছ থেকে টাকা ধার/ঋণ করলে সেটা অবশ্যই ফেরত দিন। যদি ঋণদাতার মনে নাও থাকে তারপরও তাকে সময়মতো ফেরত দিন বা তাকে এমন ভাবে তা পুষিয়ে দিবেন যাতে তার মনে প্রশান্তি আসে। তার সাথে নমনীয় আচরন করুন। ৩. এখনো বিয়ে করোনি কেন কিংবা তুমি নতুন বাড়ি কিনছো না কেন? কাউকে এই ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা থেকে বিরত থাকুন। ৪. যদি কোন বন্ধু বা সহকর্মীর সঙ্গে রাইড শেয়ার করেন সেক্ষেত্রে আপনার বন্ধু বা সহকর্মী আজকে বিল পরিশোধ করলে কালকে আপনি বিল পরিশোধ করুন। ৫. অন্যের মতামতকে সম্মান জানাতে শিখুন। কারো কথার মাঝখানে কথা বলবেন না। তার কথা শেষ হলে তারপর আপনি কথা বলা শুরু করুন। ৬. কারো সঙ্গে আপনি মজা করতেছেন কিন্তু সে যদি সেটা উপভোগ না করে তাহলে আপনার অবশ্যই থামা উচিত এবং কখনো এরকম আর করবেন না। ৭. কেউ যদি কোনো ছবি দেখানোর জন্য তার ফোন আপনার হাতে দেয় তাহলে নির্দিষ...

ইমোশনাল বার্ন-আউট

  আজকালকার প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে burn-out কথাটার সাথে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। শারীরিক burn-out, সোশ্যাল burn-out সবগুলোই দেখা গেলেও, সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ইমোশনাল বার্ন-আউট। সময়ের সাথে সাথে জীবনের রং ক্রমশ পাল্টাতে থাকে। পড়াশোনার পাশাপাশি বাড়তি দায়িত্ববোধ, চাকরির সন্ধান, চাকরির মানসিক চাপ, পারিবারিক চাপের সাথে খাপ খাওয়ানোর পর, জীবনে মানসিকভাবে সুস্থ থাকাটাই একটা বড় বিষয়! যখন এই চ্যালেঞ্জগুলো আমাদের সহ্য ক্ষমতা ছাড়িয়ে যায় তখনই জন্ম নেয় - ইমোশনাল বার্ন-আউট। সময়ের সাথে সাথে যদি এই ইমোশনাল বার্ন-আউটের সমাধান না করলে, মানসিক সমস্যার পাশাপাশি তৈরি হয় উচ্চ রক্তচাপের মতো নানা শারীরিক সমস্যাও। মনের বিরুদ্ধে কাজ করতে করতে একসময় সামাজিক দক্ষতা কমে যায়, মানুষ নিজের অনুভূতির উপর নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকে। এসব সমস্যা মোকাবেলার জন্য আমাদের জানতে হবে আমরা কিভাবে ইমোশনাল বার্ন-আউটের সম্মুখীন হলে সমাধান করতে পারি ~ ১. পৃথিবীর যেকোন সমস্যার সমাধানে প্রথম ধাপ হলো - সমস্যা আছে সেটিকে স্বীকার করা। 'কিছুই হয় নাই, সব ঠিক আছে' - খারাপ লাগলে এই বিশ্বাস থেকে বের হয়ে আসতে হবে। ২. এরপর খুঁজ...

হাজী ও আলহাজ্ব

  যারা হজ্জ্ব করে আসার পরে নামের শুরুতে হাজী ও আলহাজ্ব শব্দটি ব্যবহার করে আত্ম-আহঙ্কার কিংবা দাম্ভিকতা দেখায় তাহারা কি বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে? নামের শুরুতে হাজী ও আলহাজ্ব শব্দটি ব্যবহার হয়ে আসছে দীর্ঘদিন থেকে। এ ক্ষেত্রে এমন কথাও প্রচলিত আছে যে, একবার হজ্ব করলে হাজী আর দুইবার বা সাতবার হজ্ব করলে আলহাজ্ব বলা হয়। প্রকৃত অর্থে এর কোন ভিত্তি নেই। হজ্ব গুরুত্ব পূর্ণ ইবাদত হলেও এখন যেন ফ্যাশনের মতো রুপ নিয়েছে। কতিপয় ব্যবসায়ী রাজনীতিবিদ মাওলানা পরিচয়ধারী ব্যক্তি সহ ইমাম বক্তা ও পীরদের মাঝে হাজী বা আলহাজ্ব শব্দের ব্যপক প্রচলন লক্ষণীয়। কেউ কেউ অতি উৎসাহি হয়ে ডাবল হাজী শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন। ডাবল আর ট্রিপলবাজ না হয়ে ঈমান আক্বীদাকে বিশুদ্ধ করাই মূল উদ্দেশ্য হওয়া দরকার। নামের আগে হাজী ব্যবহার করার প্রচলন চলতে থাকলে,যে নামাজে পড়ে সে নামের আগে নামাজি লাগাবে, সূরা ফাতিহা শরীফ মুখস্ত বলতে পারলেই যদি ফাতিহায়ে হাফেজ বা হাফেজে ফাতিহা বলার প্রচলন শুরু হবে। ইবাদত করেই যদি উপাধি লাগানো হয় তাহলে যারা শুধু শুক্রবার জুমুয়ার নামায আদায় করে তাদের কি শুক্রাজামাত বলা হবে? মোটেই নয়। নামের আগে হাজী ও...

মিথ্যা প্রতিশ্রুতি

  চারটি এমন কারণ রয়েছে যার কারণে আপনি সবসময়ই দুঃখে থাকেন, ডিপ্রেশনে থাকেন এবং হীনমন্যতায় ভোগেন। #প্রথম_কারণঃ আপনি তাদেরকে সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দেন যারা আপনাকে সবসময় ইগনোর করে। #দ্বিতীয়_কারণঃ আপনি তাদেরেক নিজের মনে করেন যাদের জীবনে আপনার থাকা কিংবা না থাকায় তাদের কোন কিছুই যায় আসে না৷ #তৃতীয়_কারণঃ আপনি তাদেরকে বেশী কেয়ার করেন, যারা আপনাকে কেয়ার করাতো দূরের কথা আপনাকে কখনো আপনেই ভাবে না, পাত্তাই দেয় না৷ #চতুর্থ_কারণঃ আপনি তাদের জন্য সবচেয়ে বেশী সময় ব্যয় করেন যে আপনাকে সবসময় ব্যস্ত দেখানোর নাটক করে৷ আপনার মেধা, আপনার যোগ্যতা, আপনার সময় এই সবগুলো জিনিস আল্লাহর দেয়া আমানত। সেটাকে যেখানে সেখানে ব্যয় করে খেয়ানত করবেন না৷ যেখানে এইগুলোর মূল্য আছে সেখানেই তা ব্যবহার করুন৷ অপাত্রে উপদেশ আর কৃতঘ্নকে সময় দেয়া দিন শেষে উভয়টাই আপনার জন্য ক্ষতিকর৷ মানুষকে তার স্তর অনুযায়ী প্রাপ্য সম্মান দিন কিন্তু নিজেকে কখনো কারো কাছে সস্তা বানাবেন না৷ দেখবেন কোন দুশ্চিন্তা, হতাশা কিংবা হীনমন্যতা আপনাকে স্পর্শ করবে না৷❣️ **************************************************************************...

কালাজ্বর

  দীর্ঘদিনের জ্বরের অন্যতম কারণ কালাজ্বর। এটি লিশম্যানিয়া ডোনোভানি নামক এক ধরনের পরজীবীর সংক্রমণে হয়ে থাকে। এটির বাহক স্যাণ্ডফ্লাই, মাটির ঘরের মেঝেতে সাধারণত এরা আবাস গড়ে। ◼️ বাংলাদেশে কালাজ্বর প্রবণ অঞ্চল কোনগুলো? - পাবনা - সিরাজগঞ্জ - রাজশাহী - দিনাজপুর - নাটোর - নওগাঁ - ঠাকুরগাঁও - ময়মনসিংহ - টাঙ্গাইল - জামালপুর - গাজিপুর ◼️ কীভাবে ছড়ায় এ রোগ? - স্যাণ্ডফ্লাইয়ের কামড়ের মাধ্যমে - আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণের মাধ্যমে - মায়ের গর্ভফুল থেকে ইত্যাদি ◼️ বছরের কখন এ রোগটির প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়? আগস্ট থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত। ◼️ কী কী উপসর্গ থাকে? ১. দীর্ঘদিনের জ্বর। সাধারণত জ্বর কিছুদিন থাকে তারপর চলে যায়, আবার আসে ২. খাবারের রুচি সাধারণত ভালো থাকে ৩. নাক ও মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে ৪. শরীরের ত্বক ধীরে ধীরে কালো হয়ে যায় ◼️ চিকিৎসক পরীক্ষা করে দেখতে পানঃ - রোগী একেবারে শুকিয়ে যায় - বেশ রক্তশূন্যতার চিহ্ণ - জণ্ডিস পেতে পারেন - পায়ে পানি আসার চিহ্ন পেতে পারেন - পেটের ভেতরে প্লীহা এবং যকৃত বড় পেতে পারেন ◼️ কী কী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়? ১. কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট ২. রক্তে...