যারা হজ্জ্ব করে আসার পরে নামের শুরুতে হাজী ও আলহাজ্ব শব্দটি ব্যবহার করে আত্ম-আহঙ্কার কিংবা দাম্ভিকতা দেখায় তাহারা কি বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে? নামের শুরুতে হাজী ও আলহাজ্ব শব্দটি ব্যবহার হয়ে আসছে দীর্ঘদিন থেকে। এ ক্ষেত্রে এমন কথাও প্রচলিত আছে যে, একবার হজ্ব করলে হাজী আর দুইবার বা সাতবার হজ্ব করলে আলহাজ্ব বলা হয়। প্রকৃত অর্থে এর কোন ভিত্তি নেই। হজ্ব গুরুত্ব পূর্ণ ইবাদত হলেও এখন যেন ফ্যাশনের মতো রুপ নিয়েছে। কতিপয় ব্যবসায়ী রাজনীতিবিদ মাওলানা পরিচয়ধারী ব্যক্তি সহ ইমাম বক্তা ও পীরদের মাঝে হাজী বা আলহাজ্ব শব্দের ব্যপক প্রচলন লক্ষণীয়। কেউ কেউ অতি উৎসাহি হয়ে ডাবল হাজী শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন। ডাবল আর ট্রিপলবাজ না হয়ে ঈমান আক্বীদাকে বিশুদ্ধ করাই মূল উদ্দেশ্য হওয়া দরকার। নামের আগে হাজী ব্যবহার করার প্রচলন চলতে থাকলে,যে নামাজে পড়ে সে নামের আগে নামাজি লাগাবে, সূরা ফাতিহা শরীফ মুখস্ত বলতে পারলেই যদি ফাতিহায়ে হাফেজ বা হাফেজে ফাতিহা বলার প্রচলন শুরু হবে। ইবাদত করেই যদি উপাধি লাগানো হয় তাহলে যারা শুধু শুক্রবার জুমুয়ার নামায আদায় করে তাদের কি শুক্রাজামাত বলা হবে? মোটেই নয়। নামের আগে হাজী ও আলহাজ্ব শব্দ ব্যবহার করাটা অধিকাংশ সময় অহঙ্কারের ব্যবহারিক রুপ। পবিত্র হজ্ব পালন করে সাওয়াবের পরিবর্তে যদি অহঙ্কারে কোটি কোটি কবীরা গুনাহে পাপ হয় তাহলে সবই নিষ্ফল। গর্ব-অহঙ্কার সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক বলেন,“আল্লাহ কোন আত্ম-আহঙ্কারী দাম্ভিক মানুষকে ভালোবাসেন না।” (পবিত্র সূরা লোকমান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৮), “নিশ্চয় মহান আল্লাহ পাক দাম্ভিক আত্ম-গর্বিত ব্যক্তিকে কখনো পছন্দ করেননি।” (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৬) পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- “যার অন্তরে বিন্দু পরিমান অহঙ্কার থাকবে, সে বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না।” (পবিত্র মুসলিম শরীফ)। কাউকে হাজী সাহেব বললে সমাজে তার প্রভাব বেড়ে যাবে, আস্থা বাড়বে। সেই আস্থাকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসায় প্রতারণার জাল ফেলবে, মানুষের মুখের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে থাকবে। এমনি নিরর্থক চিন্তা করা নিতান্তই বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রত্যেক ইবাদতের উদ্দেশ্য মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি অর্জন ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি অর্জন। এ মহান উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ইবাদত কবুলের শর্তসমূহ পূরণ করলে আশা করা যায় মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে ক্ষমা পাওয়া যাবে। লোক দেখানো ইবাদত না ইখলাস প্রয়োজন। মহান আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুন। (আমীন)collected
যারা হজ্জ্ব করে আসার পরে নামের শুরুতে হাজী ও আলহাজ্ব শব্দটি ব্যবহার করে আত্ম-আহঙ্কার কিংবা দাম্ভিকতা দেখায় তাহারা কি বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে? নামের শুরুতে হাজী ও আলহাজ্ব শব্দটি ব্যবহার হয়ে আসছে দীর্ঘদিন থেকে। এ ক্ষেত্রে এমন কথাও প্রচলিত আছে যে, একবার হজ্ব করলে হাজী আর দুইবার বা সাতবার হজ্ব করলে আলহাজ্ব বলা হয়। প্রকৃত অর্থে এর কোন ভিত্তি নেই। হজ্ব গুরুত্ব পূর্ণ ইবাদত হলেও এখন যেন ফ্যাশনের মতো রুপ নিয়েছে। কতিপয় ব্যবসায়ী রাজনীতিবিদ মাওলানা পরিচয়ধারী ব্যক্তি সহ ইমাম বক্তা ও পীরদের মাঝে হাজী বা আলহাজ্ব শব্দের ব্যপক প্রচলন লক্ষণীয়। কেউ কেউ অতি উৎসাহি হয়ে ডাবল হাজী শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন। ডাবল আর ট্রিপলবাজ না হয়ে ঈমান আক্বীদাকে বিশুদ্ধ করাই মূল উদ্দেশ্য হওয়া দরকার। নামের আগে হাজী ব্যবহার করার প্রচলন চলতে থাকলে,যে নামাজে পড়ে সে নামের আগে নামাজি লাগাবে, সূরা ফাতিহা শরীফ মুখস্ত বলতে পারলেই যদি ফাতিহায়ে হাফেজ বা হাফেজে ফাতিহা বলার প্রচলন শুরু হবে। ইবাদত করেই যদি উপাধি লাগানো হয় তাহলে যারা শুধু শুক্রবার জুমুয়ার নামায আদায় করে তাদের কি শুক্রাজামাত বলা হবে? মোটেই নয়। নামের আগে হাজী ও আলহাজ্ব শব্দ ব্যবহার করাটা অধিকাংশ সময় অহঙ্কারের ব্যবহারিক রুপ। পবিত্র হজ্ব পালন করে সাওয়াবের পরিবর্তে যদি অহঙ্কারে কোটি কোটি কবীরা গুনাহে পাপ হয় তাহলে সবই নিষ্ফল। গর্ব-অহঙ্কার সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক বলেন,“আল্লাহ কোন আত্ম-আহঙ্কারী দাম্ভিক মানুষকে ভালোবাসেন না।” (পবিত্র সূরা লোকমান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৮), “নিশ্চয় মহান আল্লাহ পাক দাম্ভিক আত্ম-গর্বিত ব্যক্তিকে কখনো পছন্দ করেননি।” (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৬) পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- “যার অন্তরে বিন্দু পরিমান অহঙ্কার থাকবে, সে বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না।” (পবিত্র মুসলিম শরীফ)। কাউকে হাজী সাহেব বললে সমাজে তার প্রভাব বেড়ে যাবে, আস্থা বাড়বে। সেই আস্থাকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসায় প্রতারণার জাল ফেলবে, মানুষের মুখের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে থাকবে। এমনি নিরর্থক চিন্তা করা নিতান্তই বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রত্যেক ইবাদতের উদ্দেশ্য মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি অর্জন ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি অর্জন। এ মহান উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ইবাদত কবুলের শর্তসমূহ পূরণ করলে আশা করা যায় মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে ক্ষমা পাওয়া যাবে। লোক দেখানো ইবাদত না ইখলাস প্রয়োজন। মহান আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুন। (আমীন)collected
Comments
Post a Comment