Skip to main content

Posts

Showing posts from November, 2023

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ পাবেন ?

  সম্পূর্ণ নতুন অবস্থায় কোন অভিজ্ঞতা ছাড়া খুব সহজেই কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ পাবেন ? যে যে সকল বায়ার কম টাকায় কাজ করাতে চায় তারাই নতুনদেরকে হায়ার করে। এখন কিভাবে করবে ? চোখ বন্ধ করে বা লটারী করে বাছাই করবে ? একদমই না । হায়ার করার আগে বায়ার যাচাই করবে আপনি আসলে কাজ পারেন কিনা এবং আপনার কাজের মান কত ভাল । তো কিভাবে যাচাই করবে ? যাচাইয়ের মানদন্ডগুলো হল: ১. পোর্টফোলিও বা স্যাম্পল: আপনাকে অবশ্যই সম্যাল তৈরী করতে হবে এবং কোন রকম স্যাম্পল হলে হবে না খুব ভাল মানের হতে হবে । ভাল স্যাম্পল দেখলে বায়ার বুঝবে যে আপনি ভাল মানের কাজ পারেন । আর স্যাম্পলগুলো অন্য কোথাও থেকে কালেকশন করা যাবে না । অবশ্যই অবশ্যই আপনাকেই তৈরী করতে হবে । কারণ এই স্যাম্পলের উপর বায়ার আপনাকে ইন্টারভিউতে বিভিন্ন প্রশ্ন করবে । ভাল স্যাম্পল দেখলে বায়ার নিশ্চিত হবে যে আপনি কাজ করেন নাই কিন্ত আপনি কাজ পারেন এবং কাজের মান ভাল । ২. প্রফেশনাল মানের এবং নির্ভুল গিগ: শুধু কোন রকম একটি গিগ তৈরী করলে কাজ পাবে না । চাকরী দেয়ার আগে বায়ার অনেক সময় নিয়ে আপনার গিগটি পড়বে । সুতরাং গিগটি যদি মানসম্মত না হয় তাহলে শুরুতেই আ...

গল্পটি একজন বাদশাহ ও একজন দাসীর

  গল্পটি একজন বাদশাহ ও একজন দাসীর। গল্পটি এ রকম: এক বাদশাহ শিকারের জন্য একদিন জঙ্গলে গিয়ে অপরূপ সুন্দরী এক দাসীকে দেখতে পেলেন। দেখামাত্র বাদশাহ তার প্রেমে পড়ে গেলেন। জঙ্গল থেকে দাসীকে ধরে রাজপ্রাসাদে নিয়ে আসা হলো। কিন্তু রাজপ্রাসাদে এসে সেই দাসী অসুস্থ হয়ে নাওয়া–খাওয়া সব ছেড়ে দেয়। বাদশাহ দাসীর অসুস্থতায় চিন্তিত হয়ে পড়েন। দাসীকে সুস্থ করার জন্য দেশ-বিদেশের বিভিন্ন হেকিম এনে দেখাতে থাকেন। কিন্তু কেউ দাসীকে সুস্থ করতে পারে না। বাদশাহ নিরাশ হয়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করলেন। রাতে বাদশাহ স্বপ্নে দেখলেন, পরদিন সকালে রাজদরবারের দরজায় একজন বৃদ্ধ বিজ্ঞ হেকিম আসবেন। তিনিই এই দাসীকে সুস্থ করতে পারবেন। পরদিন সকাল হতেই একজন বৃদ্ধ হেকিম রাজদরবারে এলেন। বাদশাহ হেকিমকে দাসীর অবস্থা সব বুঝিয়ে বললেন। হেকিম বললেন, আমিই এই অসুখের চিকিৎসা করতে পারব। হেকিম দাসীর সঙ্গে একান্তে কথা বলার অনুমতি চাইলেন। দাসীর সঙ্গে কথা বলে হেকিম জানতে পারলেন, জঙ্গলে থাকা অবস্থায় একজন স্বর্ণকার ছেলের সঙ্গে দাসীর প্রেম ছিল। সেই স্বর্ণকারের বিরহেই সে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। হেকিম বাদশাহকে দাসীর বৃত্তান্ত সব জানালেন এবং ওই স্...

রুমির মুদিদোকানি ও তোতা পাখির গল্প

  মাওলানা রুমির পীর ছিলেন সুফি শামস তাবরিজ। ১২৪৪ খ্রিষ্টাব্দে রুমির সঙ্গে শামস তাবরিজের সাক্ষাৎ হয়। সাক্ষাতের আগে মাওলানা রুমি সেই সময়ের একজন বিখ্যাত আলেম ও আধ্যাত্মিক তত্ত্বজ্ঞানে পারদর্শী পীর ছিলেন। কিন্তু শামস তাবরিজের সংস্পর্শে আসার পর রুমি পুরো বদলে গেলেন। যে রুমি সারাক্ষণ কোরআন-হাদিসের চর্চা নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন, সেই রুমিই অনর্গল কবিতা বলতে শুরু করলেন। শিষ্যরা রুমিকে ভুল বুঝতে শুরু করল। শামস তাবরিজকে তাঁরা এই বলে অপবাদ দিতে শুরু করল যে তাঁর জন্যই রুমি পথভ্রষ্ট হয়ে যাচ্ছেন। রুমি সবাইকে বোঝানোর চেষ্টা করলেন যে জীবন-জগতের পরম সত্যকে জানার একমাত্র মাধ্যম হলো প্রেম। শামস তাবরিজ তাঁর মধ্যে সেই প্রেমকে জাগিয়ে দিয়েছেন। ওলি-আউলিয়াদের মর্যাদা বোঝানোর জন্য রুমি তার মসনবিতে এক মুদিদোকানি ও তোতা পাখির গল্পের অবতারণা করলেন। গল্পটি ছিল এ রকম: এক মুদিদোকানির দোকানে একটি তোতা পাখি ছিল। পাখিটি সুন্দর করে গান গাইতে পারত। তার মিষ্টি কথায় ক্রেতাদের মন ভুলিয়ে দিত। একদিন ওই দোকানি ব্যক্তিগত কাজে বাড়ি গেল। তোতা পাখি দোকান পাহারা দিতে লাগল। সেই সময়ে একটি বিড়াল ইঁদুর ধরার জন্য দোকানের ভেতর লাফ দিলে তোতা...

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার বিরূপ প্রভাব!

  অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার বিরূপ প্রভাব! Generalized Anxiety আসলে কী? এটা নিয়ে আমাদের অনেকেরই ঝাপসা ধারণা রয়েছে। এটি মূলত একটি Mental Disorder, যা সাধারণ দুশ্চিন্তা থেকে Trigger হতে পারে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন অনেক মুহূর্ত বা সময় আসে যখন আমরা কোন জরুরি কাজ করার আগে তা নিয়ে Nervous হয়ে যাই, দুশ্চিন্তা করতে থাকি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই দুশ্চিন্তা আমাদের কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবার সাথে সাথেই চলে যায়। তবে Overall তিন শতাংশ মানুষ আছেন যাদের এই চিন্তাটা দূর হয়ে যায় না। কাজ শেষ হয়ে যাবার পরও, তাদের ঐ Stress টা থেকেই যায়। এবং ধীরে ধীরে তা ভয়ে রূপান্তরিত হতে থাকে। এবং যতই সময় গড়াবে, ততই এই ভয়টা বাড়বে। এই পর্যায়ে, দুশ্চিন্তা এতই মারাত্মক হয়ে যায়, যে শারীরিক লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে। যেমন, প্রচণ্ড পরিমাণে বুক ধড়ফড় করা, বুকে ব্যথা হওয়া, এবং কারো কারো ক্ষেত্রে নিশ্বাস এ সমস্যা বা ঘুমে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই অবস্থাতে বলা যেতে পারে যে ব্যক্তি Generalized Anxiety-এর দিকে যাচ্ছেন এবং তার মধ্যে বিভিন্ন যুক্তিহীন অসংলগ্ন চিন্তা ভর করতে থাকবে। পাশাপাশি আরও কিছু লক্ষণ দেখা দিত...

মাত্রাতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণতা

  মাত্রাতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণতা | Delusional Disorder আজকাল আমাদের সমাজে সন্দেহের ব্যাপারটি খুবই সাধারণ হয়ে গেছে। স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে সন্দেহ করছে, আবার অনেকে আছেন তাদের বন্ধু-বান্ধব, পাড়া-প্রতিবেশী অথবা কলিগদের সাথেও সন্দেহ করে থাকছেন। প্রায় ৭০% মানুষ বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন সময়ে সন্দেহজনক চিন্তা ভাবনা করে থাকেন। আমরা যেহেতু সমাজে বসবাস করি, তাই আমাদের আশেপাশের অনেক মানুষের কাজকর্ম আমাদের ভাবিয়ে তুলতে পারে, সন্দেহ জাগাতে পারে। তবে কোন Evidence বা প্রমাণ সাপেক্ষে যদি সেই সন্দেহ দূর হয়ে যায়, তবে এটি নরমাল একটি বিষয়। কিন্তু, যথেষ্ট পরিমাণে সত্যতার প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও যদি এমন হয়, যে সে Alternative Explanation গুলো Avoid করছে, নিজে নিজে ওইসব পরিস্থিতিতে বিভিন্ন অনিশ্চিত জিনিস Read করছে, তাহলে এটাকে মনোরোগের ভাষায় বলা হয় Delusional Disorder। এই Delusional Disorder এর ক্ষেত্রে দেখা যায় ব্যক্তি তার বিশ্বাসের বিপরীতে যেই প্রমাণ বা Evidence-ই পায় না কেন, সে এই সবগুলিকে Ignore করে এবং মেনে নিতে পারে না। তার এই সন্দেহ বা বিশ্বাসগুলো অনেক ক্ষেত্রে তার শিক্ষা-সংস্কৃতি বা তার মূল্যবোধের সাথেও...

অকারনেই ভয় হচ্ছে কি ?

  অকারনেই ভয় হচ্ছে কি ? Phobic Disorder, অর্থাৎ, কোন কিছু নিয়ে অকারণে ভয়। আমাদের সবারই কিন্তু কোন না কোন কিছু নিয়ে অকারণে ভয় আছে। কারো ইঞ্জেকশনের ভয়, কারণ কুকুর বিড়াল এর ভয়, কারো উচ্চতার ভয় ইত্যাদি। কিন্তু, এই সব ভয়কে Disorder বলা যায় না। একটা ভয়কে আমরা তখনই Disorder বলবো যখন এর জন্য আমাদের দৈনন্দিন জীবন বাধাগ্রস্ত হবে। Phobic Disorder-এর মধ্যে একটা হচ্ছে Specific Phobia, অর্থাৎ নির্দিষ্ট কোন জিনিসের ভয়। সেটা হতে পারে হাইট, নির্দিষ্ট কোন পোকামাকড়ের ভয়, পশু-পাখির ভয়, রক্ত না দেখতে পারার ভয় ইত্যাদি। এছাড়া, Specific Phobia-র বাইরে হতে পারে Social Phobia, যেখানে সমাজে সবার সামনে যেতে এবং Negative Evalution-এর ভয় কাজ করে। আরেকটা হল Agoraphobia, যেখানে Public Transport-এ চড়তে ভয় লাগতে পারে, খোলা বা বদ্ধ জায়গায় ভয় লাগতে পারে আবার অনেক মানুষের মধ্যে থাকলেও ভয় করতে পারে। আর এই ভয়গুলোর সাথেই আবার অনেক সময় Panic Attack জড়িত থাকে। Phobic Disorder-এর চিকিৎসা হতে পারে ওষুধ, যার মাধ্যমে এই ভয় বা অস্বস্তি কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব। এছাড়াও বেশিরভাগ Phobic Disorder কমানোর মেইন ট্রিটমেন্টই হচ্ছে Exp...

ঘুমের সমস্যা বা অনিদ্রার সহজ সমাধান!

  ঘুমের সমস্যা বা অনিদ্রার সহজ সমাধান! আমরা অনেকেই হয়ত বিভিন্ন সময়ে কাজের প্রেশার, পড়ালেখা বা পারিবারিক সমস্যার কারণে ঘুমের সমস্যায় ভুগে থাকি। আবার, এমনও অনেকে আছেন যারা দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ঘুমের সমস্যায় ভুগে যাচ্ছেন। কেউ হয়ত ঘুমাতে যাচ্ছেন দেরিতে, অথবা ঘুম আসছে দেরিতে, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় ঘুমাতে গেলেও মাঝে বার বার ঘুম ভেঙে যাচ্ছে। আরেকটি সমস্যা যা দেখা যায় তা হচ্ছে, ঘুমাতে হয়ত সময় মতই যাচ্ছেন, কিন্তু একটা Quality Sleep হচ্ছে না। এজন্য আমাদের Sleep Hygiene মেইন্টেইন করা জরুরি। এখন হয়ত প্রশ্ন আসতে পারে, Sleep Hygiene কি? এটি হচ্ছে ঘুমের সাথে Related কিছু ভালো অভ্যাস, যা মেনে চললে আমাদের একটি ভালো ঘুম হতে পারে। এছাড়াও, যারা ঘুমের সমস্যাতে ভুগছেন, তারাও এটি ফলো করে এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন। ✅ প্রথমত, আপনার একটি রেগুলার ঘুমের Schedule মেইনটেইন করতে হবে, অর্থাৎ টাইম মতো একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও উঠতে হবে। ✅এরপর আপনি রেগুলার কিছু রিচুয়াল মেইনটেইন করতে পারেন যেমন মেডিটেশন করতে পারেন, বই পড়তে পারেন, গান শুনতে পারেন, বই অথবা আপনার ধর্ম গ্রন্থ পড়তে পারেন। এগুলোত...

Postpartum Depression কী?

  Postpartum Depression কী? Pregnancy-র পর যখন Delivery হয়, তখন মেয়েদের ক্ষেত্রে এই Postpartum Depression অনেক বেশি মাত্রায় দেখা যায়। এই Depression-টির তিনটি ধরণ আছে। Postpartum Psychosis, Postpartum Blues, বা Baby Blues এবং সবশেষে Postpartum Depression। Postpartum Depression-এ অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, কোন মহিলা প্রেগনেন্সির পর যখন ডেলিভারিতে যাচ্ছে, তখন ডেলিভারির ভয়ে কান্নাকাটি করছে, অথবা হতে পারে তাদের মধ্যে অনেক বেশী Sadness, Anxiety কাজ করছে। এছাড়াও সবচেয়ে খারাপ লাগার যেই বিষয়গুলো থাকে, তার মধ্যে একটি হচ্ছে, নতুন মায়েরা তার New-born Baby-কে নিয়ে অনেক ধরনের টেনশন শুরু করে, তার মনে হয় যে সে তার বাচ্চার ক্ষতি করে ফেলবে, বা সে ঠিক মতো তার বাচ্চার লালনপালন করতে পারবে না, ইত্যাদি চিন্তা তাঁকে গ্রাস করতে থাকে। অপরদিকে, তার যে Social Connections থাকে, তারাও অনেক সময় সেই নতুন মাকে সাহায্য করার বদলে তাকে নানারকম ভাবে কথায় জর্জরিত করতে থাকে, ফলে সেই মেয়েটির মানসিক স্বাস্থ্যের ধীরে ধীরে অবনতি হতে থাকে। এমন মানসিক অবস্থা দূর করতে বা প্রতিকার করতে পারিবারিক সাপোর্ট অনেক বেশি প্রয়োজন...

নিজের অজান্তেই পার্টনারকে অসম্মান!

  নিজের অজান্তেই পার্টনারকে অসম্মান! আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আমাদের পরিবার ও পার্টনারের সাথে। এই সম্পর্কগুলোকে Nurture করার দায়িত্ব আমাদেরই। তেমনি একটা সম্পর্কে একজন পার্টনারের অপর পার্টনারকে সম্মান দেওয়াটা অনেক জরুরি। সম্পর্কে প্রায়ই এমন দেখা যায় যে পার্টনার-রা একজন আরেকজনের কথা শুনতে বা মানতে অস্বীকৃতি জানান। অনেক ক্ষেত্রেই, তাদের কিছু করতে বলা হলে দেখা যায় তারা কথাটা আমলে তো নিয়েই না, বরং অন্যের কাছে নিজেদের ব্যক্তিগত কথাগুলো শেয়ার করে তাদের কাছে নিজের সম্পর্ক আর পার্টনারকে ছোট করলেন। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে এক পর্যায়ে গিয়ে আপনি হয়ত আপনার পার্টনার এর কথাটা মেনে নিলেন, কিন্তু বিভিন্ন জনের কাছে তাকে অসম্মান করলেন। এখানে আপনাদের সম্পর্কটা ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে, তিক্ততা তৈরি করতে পারে যা পরবর্তী জীবনের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনে না। আপনি যেমন আপনার অধিকার, আপনার সম্মান নিয়ে সোচ্চার, আপনার পার্টনার এর ক্ষেত্রেও তাই করতে হবে। সম্পর্কে পার্টনারকে তার প্রাপ্য সম্মানটুকু দিতে হবে। আপনি হয়ত সময়ে সময়ে দোষটা ভেবে নিচ্ছেন আপনার পার্টনার এর, কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটা সম্পূর্ণ আল...

Social Anxiety কেন হয়?

  Social Anxiety কেন হয়? Social Anxiety হল একটি উদ্বেগজনিত মানসিক সমস্যা যা আক্রান্ত ব্যক্তিদের মাঝে সামাজিক ভীতি সৃষ্টির করে। এই ভয় কাজ, স্কুল, এবং অন্যান্য দৈনন্দিন কার্যকলাপ প্রভাবিত করতে পারে। এমনকি এটি বন্ধু তৈরি করা এবং রাখা কঠিন করে তুলতে পারে। Social Anxiety হওয়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যেমন, হতে পারে অন্যান্য anxiety disorder এর সাথে এই social anxiety আছে। আবার অনেক সময় দেখা যায় জিনিসটা জেনেটিক ভাবে হয়, অর্থাৎ, ফ্যামিলিতে মা-বাবা অথবা অন্য কারো আছে, সেখান থেকে রোগীর মধ্যে চলে এসেছে। কারো কারো মধ্যে Avoidant Personality থেকে থাকলে সেখান থেকেও Social Anxiety ট্রিগার করতে পারে। Avoidant Personality Disorder-এ মানুষ সবকিছু থেকে একটু দূরে দূরে থাকে এবং তাঁর মনে হতে থাকে মানুষ যদি আমাকে পছন্দ না করে? তাই আমি কারো সাথে মিশবো না। এবং এতেই পরবর্তীতে এটি Social Anxiety তে রূপ নেয়। আরেকটি কারণ যা এখন আমাদের মাঝে খুবই কমন, তা হল অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার। অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকার ফলে আমাদের মধ্যে Social Isolation তৈরি হয়, যা থেকে পরবর্তীতে social anxiety হতে পারে।...

স্বামী-স্ত্রী একজন আরেকজনকে বোঝে না

  যে কাজ গুলো একটা সম্পর্ককে নষ্ট করে! নিরাপত্তাহীনতা বা Insecurities আমাদের সবার মধ্যেই কম বেশী বিদ্যমান। এটা বড় প্রভাব ফেলতে শুরু করে তখনি, যখন এই Insecurities আমাদের সম্পর্কের মাঝে চলে আসে। আমাদের সবার মধ্যে একটা প্রবণতা আছে, আমরা অনেক সময় আমাদের নতুন Relationship-কে পুরানো Relationship এর সাথে তুলনা করি। সঙ্গীর প্রাক্তনকে অতীত থেকে বর্তমানে নিয়ে এসে তুলনা করতে থাকি, যা সম্পর্কে তিক্ততার জন্ম দেয়। প্রতিটি মানুষেরই একটা অতীত থাকতে পারে, কিন্তু সেই অতীতকে ধরে এনে আমরা আমাদের বর্তমানকে নষ্ট করবো না। অপরদিকে, আমাদের অনেকের মধ্যে Unrealistic চিন্তা করার অভ্যাস থাকে। কোন কারণে পার্টনারকে কল দিয়ে না পেলে, বা সঙ্গীর কোন বিরূপ আচরণ দেখলেই তাতে সন্দেহ পোষণ করা যাবে না। এইসব Behavior আমাদের সম্পর্কতে Insecurity-র জন্ম দেয়। এছাড়াও আমাদের পার্টনারদের অহেতুক অতিরিক্ত প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সাধারণত মানুষ তার Insecurities-কে পার্টনারের উপর Project করেন অতিরিক্ত প্রশ্ন করার মাধ্যমে, যা পরবর্তীতে সম্পর্কে টানাপোড়ন সৃষ্টি করে। এবং সবশেষে, পার্টনারকে যথেষ্ট পরিমাণে Space দিতে হবে। আপনি...