Skip to main content

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার বিরূপ প্রভাব!

 


অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার বিরূপ প্রভাব!

Generalized Anxiety আসলে কী? এটা নিয়ে আমাদের অনেকেরই ঝাপসা ধারণা রয়েছে। এটি মূলত একটি Mental Disorder, যা সাধারণ দুশ্চিন্তা থেকে Trigger হতে পারে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন অনেক মুহূর্ত বা সময় আসে যখন আমরা কোন জরুরি কাজ করার আগে তা নিয়ে Nervous হয়ে যাই, দুশ্চিন্তা করতে থাকি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই দুশ্চিন্তা আমাদের কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবার সাথে সাথেই চলে যায়। তবে Overall তিন শতাংশ মানুষ আছেন যাদের এই চিন্তাটা দূর হয়ে যায় না। কাজ শেষ হয়ে যাবার পরও, তাদের ঐ Stress টা থেকেই যায়। এবং ধীরে ধীরে তা ভয়ে রূপান্তরিত হতে থাকে। এবং যতই সময় গড়াবে, ততই এই ভয়টা বাড়বে। এই পর্যায়ে, দুশ্চিন্তা এতই মারাত্মক হয়ে যায়, যে শারীরিক লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে। যেমন, প্রচণ্ড পরিমাণে বুক ধড়ফড় করা, বুকে ব্যথা হওয়া, এবং কারো কারো ক্ষেত্রে নিশ্বাস এ সমস্যা বা ঘুমে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই অবস্থাতে বলা যেতে পারে যে ব্যক্তি Generalized Anxiety-এর দিকে যাচ্ছেন এবং তার মধ্যে বিভিন্ন যুক্তিহীন অসংলগ্ন চিন্তা ভর করতে থাকবে। পাশাপাশি আরও কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যেমন ঘুমের মধ্যে ঘন ঘন দুঃস্বপ্ন দেখা, মাংসপেশিতে জড়তা ইত্যাদি। সবচেয়ে বড় সমস্যা যা দেখা দেয়, তা হল, যেকোনো ঘটনা ঘটছে, তা Stressful হোক বা না হোক, ব্যক্তি তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে থাকে এবং এর পরের গল্প নিজে নিজেই সাজাতে থাকে। এর কারণে বেশিরভাগ সময়েই দেখা যায় মানুষটি সবসময় তার কল্পনাতেই থাকছেন, বাস্তব জীবনের কোন কাজেই হয়ত মনোযোগ দিতে পারছেন না। Generalized Anxiety Disorder পুরোপুরিভাবে ভালো করা সম্ভব, যদি আমরা সাইকো থেরাপি এবং কোন ওষুধের প্রয়োজন হলে তা সঠিকভাবে Maintain করে চলতে পারি। এক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া উচিত।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...