পবিত্র ঈদুল আজহার সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি বিশাল সামাজিক ও অর্থনৈতিক দায়িত্ব। বিগত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারে এক নজিরবিহীন ধস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চামড়ার সঠিক মূল্য না পেয়ে রাগে, ক্ষোভে ও হতাশায় অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ী বা সাধারণ মানুষ চামড়া মাটির নিচে পুঁতে ফেলছেন। বাহ্যিকভাবে এটিকে একটি অর্থনৈতিক বা বাজার ব্যবস্থাপনার ক্ষতি মনে হলেও, ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে এটি একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ধর্মীয় ও নৈতিক সংকট। আমাদের এই অবহেলার কারণে সমাজের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষগুলো তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কোরবানির পশু জবাই করার পর তার মাংস যেমন তিন ভাগে বণ্টন করা হয়, তেমনি পশুর চামড়া বা তার বিক্রয়লব্ধ মূল্যের ক্ষেত্রেও শরিয়তের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। চামড়ায় কোরবানিদাতার মালিকানা কোরবানির পশু জবাই করার পর তার মাংস যেমন তিন ভাগে বণ্টন করা হয়, তেমনি পশুর চামড়া বা তার বিক্রয়লব্ধ মূল্যের ক্ষেত্রেও শরিয়তের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। কোরবানিদাতা নিজে চাইলে এই চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে ব্যক্তিগত কাজে (যেমন: জায়নামাজ, দস্তরখান বা চামড়ার ব্যাগ তৈরিতে) ব্যবহার করতে পারেন। তবে যদি চামড়াট...
collection of stories, blogs ,lifestyle, philosophy in Bangla