Skip to main content

Posts

Showing posts from September, 2025

বালতি ভর্তি করে ক্যাশ

  নির্যাতিতদের পাশে যদি কেউ প্রথম থেকে আজ পর্যন্ত থেকে থাকে সে হচ্ছে হুতি। তাদের জীবন শান্তি পূর্ণ ছিল। হয়তো থাকতো। কিন্তু তারা নিজে যেচে পড়ে এই সংঘর্ষে পা দিয়েছে। এই পর্যন্ত যা যা করেছে তার মধ্যে আছে নৌ - অবরোধ যা বিশ্ব ব্যাপী সকল শিপিং এর খরচ বৃদ্ধি করে দিয়েছে। বলা চলে কেবল এই একটি মিলিশিয়ার কারণে আজ বাণিজ্য হচ্ছে ব্রিটিশ আমলের প্রথম যুগের মত করে - আফ্রিকা ঘুরে। আর একই কারণে অত্যচারী মিশর সরকার হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত। কিন্তু তাতে অবশ্য শত্রু টোলে নি। শত্রুর দুইটি বিষয়ে প্রশংসা না করে পারা যায় না । এক, প্রযুক্তিগত দক্ষতা । দুই, সারা বিশ্বের প্রতিরোধের মুখে নিজের অর্থনীতি ও জান মালের ক্ষতি স্বীকার করে লক্ষ্যে অবিচল থাকা। অসম্ভব লক্ষ্যে অবিচল সে। যত ক্ষতি হওয়ার হোক। এক পা সরবে না। হুতিরা বুঝে গেল বিষয়টি তাই শুরু করলো মিসাইল মারা। একের পড় এক। তাদের তৈরি মিসাইলের দাম এক একটি প্রায় ১.২ কোটি টাকা। দরিদ্র দেশের জন্য এতটুকু টাকাই অনেক। সমগ্র আরবের সর্ব দরিদ্র তারা। কিন্তু মনটা বিশাল। তাই নিজের যা আছে তা দিয়ে এগুলো তৈরি করে আল্লাহর নামে ছাড়তে থাকলো। দিনে দিনে প্রযুক্তি উন্নত হতে থাকলো এবং এক...

ইরানকে কোণঠাসা করে ফেলার চেষ্টা

  মধ্যপ্রাচ্যের ক্যান্সারের শত্রুরাষ্ট্র কোনটা বাকি ছিল না। সব কাবু - কেবল ইরান ছাড়া। তাকেও বধ করতে হবে। পরিকল্পনা অনেক দিনের। প্রথমে উত্তরে হজব ল্লাহকে দুর্বল ও নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এর জন্য যথেষ্ট রক্ত ও অর্থ দিতে হয়েছে। কিন্তু প্রাপ্তি আরও বিশাল। দক্ষিণে নিষ্ক্রিয় করে ফেলেছে হা মাছকে। বাকি ছিল পূর্বে সিরিয়া। সেখানে অত্যাচারী আসাদকে উৎখাত করে নিজেদের মন মত সমস্ত সামরিক স্থাপনা শেষ করে পঙ্গু বানিয়ে রেখেছে দেশটিকে। আর গোলান মালভূমি দখল নিয়ে নিয়েছে। সব দিক থেকে নিরাপদ। এবার বাকি মূল টার্গেট। কিন্তু এত বড় দেশ কি দখল করা যায়? উপায়? মাথা পরিবর্তন। সেজন্য হুট করে মিডিয়াতে ইরান শব্ধ বলতেই রেজিম উচ্চারণ করা হতো। এমন ভাবসাব যেন সেই দেশের মানুষ রেজিমের কারণে খুব কষ্টে আছে। সেইটা পরিবর্তন করার মহান কর্ম সাধন করলে বিশাল ভালো কাজ হবে। ইরানের শাহ ছিল ইতিহাসে হারিয়ে যাওয়া একটি নাম। কিন্তু হটাত করে তার ছেলে মিডিয়াতে আসা শুরু করে। কিন্তু কেন? তার কারণ এর আগেই যত যত মাথা টার্গেট করা দরকার সবার লোকেশন ও তাদের ঘায়েল করার উপায় ও প্রস্তুতি শেষ। বহু বছর ধরে, উপহার, ধর্মান্তর, সাইবার ফোর্স ও গুপ্...

কেন বাগরাম পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মার্কিন প্রশাসন?

  যুদ্ধ বিমানের রেঞ্জ হয় সীমিত। সেজন্য কারো বিরুদ্ধে একশনে যেতে কাছাকাছি বেইস থাকা লাগে। এইটা একটা সমস্যা। কেন সমস্যা তা ব্যাখ্যা করা যাক। ধরুন ঈর্জা চাইলো পাকিস্তানে আক্রমণ করবে। এত দূরে বিমান নিয়ে সে ফিরে আসতে পারবে না। তাহলে উপায়? উপায় নেই কোন। একইভাবে আমেরিকা যদি চায় চীনে আক্রমণ করবে আমেরিকা থেকে বিমান নেওয়াই অসম্ভব। ফিরে আসার তো প্রশ্নই আসে না। এই সমস্যা সমাধানে আমেরিকা যেইটা করেছে সেইটা হচ্ছে বিমান বাহী রণতরী নির্মাণ। সাগর যেহেতু সবার সেজন্য সে জাহাজে করে পুরা একটা বিমান ঘাঁটি নিয়ে কোন দেশের সামনে কাছাকাছি অবস্থান নেয়। তারপর সেখান থেকে অপারেশন পরিচালনা করে। যেমন ২০০৩ এর ইরাক যুদ্ধ। বর্তমানে ভূমধ্যসাগরে আছে উপসাগরে আছে। ভালো করেই জানেন কেন। এই জাহাজগুলো বানানো এত ব্যয়বহুল যে পৃথিবীর আর কোন দেশের দুইটি বেশি নেই। সেখানে মিয়াজির একারই আছে ডজন খানেক। অর্থাৎ একসাথে সে সারা বিশ্ব শাসিয়ে বেড়াতে পারবে। এখন বাকি বিশ্বের জন্য এর থেকে বাঁচার উপায়? যারা সাগরের তীরে আছে তাদের জন্য উপায় নেই। কিন্তু ধরুন একটি দেশ অনেক বড় এবং তার কিছু অংশ সাগর থেকে দূরে। তখন বিমান রণতরী কাজ...

ক্ষুদ্র ঋণ কি দারিদ্র দূর করতে পারে?

  আপনি যদি ১ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন এবং প্রতি বছর লাভ ২০% থাকে পাঁচ বছর পরে আপনার হাতে মোট কত টাকা থাকবে? অনেকেই ভাবতে পারেন হিসাব খুব সহজ - এক লক্ষ টাকায় প্রতি বছর লাভ আসবে ২০ হাজার টাকা। সেই হিসেবে পাঁচ বছর পরে আমার হাতে থাকবে ২ লক্ষ টাকা মোট। কিন্তু না, হিসাবে ভুল আছে। কারণ আপনি এক বছর পরে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে দ্বিতীয় বছর শেষে পাবেন ১ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা। সেই টাকার উপর ২০% লাভ আসলে আপনার হাতে থাকবে ১,৭২,৮০০ টাকা। এভাবে পঞ্চম বছর শেষে তা বেড়ে হবে ২,৪৮,৮৩২ টাকা। সবচেয়ে আনন্দের বিষয় কি জানেন? এই বৃদ্ধি খুব দ্রুত বাড়তে থাকে। উদাহরণস্বরূপ আপনার কাছে মনে হতে পারে ২০% লাভে এক লক্ষ টাকা রাখলে পঁচিশ বছর শেষে ৬ লক্ষ টাকা হবে (বছরে বিশ হাজার টাকা লাভ)। কিন্তু না, সেইটা হবে ৯৫ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। ক্ষুদ্র ঋণ কি দারিদ্র দূর করতে পারে? একটি হিসাব কষি। আপনি যদি এক লক্ষ টাকায় সুদের ব্যবসা শুরু করেন, তাহলে ৩৫% সুদে ৬০ বছরে এর উপর চক্রবৃদ্ধিতে কেবল সুদই আসবে ৬৬,০৭,৩৩,১৬,০০,০০০ টাকা (ছয় লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকা সুদ) কেবল এক লক্ষ টাকা ঋণের উপর। বিশ্বাস হচ্ছে না? নিজে হিসেব কষে দেখেন। ...

সম্পদ তৈরির ৫টি গোপন সূত্র

  বিনিয়োগের প্রচলিত ধারণা ভাঙুন: সম্পদ তৈরির ৫টি গোপন সূত্র যা আপনাকে জানতে হবে ভূমিকা: সাধারণ বিনিয়োগকারীর উভয়সংকট কঠোর পরিশ্রমী পেশাজীবী মি. তালওয়ারের কথা ভাবুন। ২৫ বছরের সফল ক্যারিয়ারের পরেও তিনি আর্থিকভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন এবং নিজেকে একজন "আন্ডারঅ্যাচিভার" বা অসফল ব্যক্তি বলে মনে করতেন। তার পোর্টফোলিও বছরে মাত্র ৪% রিটার্ন দিচ্ছিল। এই গল্পটি ভারতের বহু সফল মানুষের জীবনের প্রতিচ্ছবি, যারা কঠোর পরিশ্রম করেও আর্থিক স্বাধীনতার নাগাল পান না। এই সমস্যার গভীরে গিয়ে কিছু আশ্চর্যজনক সত্য উন্মোচন করেছে সৌরভ মুখার্জী, রক্ষিত রঞ্জন এবং প্রণব উনিয়ালের লেখা বই "কফি ক্যান ইনভেস্টিং"। এই বইটিতে এমন কিছু যুগান্তকারী ধারণা রয়েছে যা ভারতে বিনিয়োগ সম্পর্কিত আমাদের বহু পুরোনো বিশ্বাসকে চ্যালেঞ্জ করে। এই আর্টিকেলে আমরা বইটির সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং প্রচলিত ধারণার বিপরীতমুখী শিক্ষাগুলোকে একত্রিত করেছি, যা আপনার বিনিয়োগ যাত্রাকে সঠিক পথে চালিত করতে পারে। -------------------------------------------------------------------------------- ১. আপনার নিরাপদতম বিনিয়োগই ...

আপনি সন্তানকে কিভাবে দেখেন?

  আজকের দুনিয়ায় একটা অদ্ভুত ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে। আপনি যদি জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর বা ইউরোপের কিছু দেশের দিকে তাকান, দেখবেন তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মানুষের সন্তান নিতে না চাওয়া। অনেকেই ইচ্ছে করে সন্তান নিচ্ছে না। কেউ নিচ্ছে, কিন্তু অনেক দেরি করে। কারণ তাদের মাথায় একটাই ভয়, সন্তান নিলে খরচ বেড়ে যাবে, ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে, ঘুমের সমস্যা হবে, ভ্রমণ বা স্বাধীনতা থাকবে না। মানুষ ভাবে, সন্তান নিলেই জীবনের আনন্দ শেষ। তাই তারা আগে নিজেদের জীবন উপভোগ করতে চায়, পরে বাচ্চার কথা ভাববে। কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই উল্টা। ওইসব দেশে এখন স্কুল খালি হয়ে যাচ্ছে। ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি কমছে, নতুন তরুণের অভাব দেখা যাচ্ছে। বয়স্ক কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। তার উপর নিঃসঙ্গতা আর ডিপ্রেশন ভয়াবহ হারে ছড়িয়ে পড়ছে। এক কথায়, সমাজ ধীরে ধীরে অচল হয়ে পড়ছে। এখন প্রশ্ন হলো আপনি সন্তানকে কিভাবে দেখেন? কষ্ট হিসেবে, নাকি বরকত হিসেবে? ইসলাম এই ব্যাপারে আমাদেরকে অনেক কিছু জানিয়েছে। কোরআনে আল্লাহ তায়ালা আমাদের সরাসরি সতর্ক করেছেন, “তোমরা দারিদ্র্যের ভয়ে তোমাদের সন্তানদের হত্যা করো না। আমি তাদেরকেও রিজিক ...

প্রাণীর প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ

  অর্থনীতি, রাজনীতি বা প্রযুক্তিগত উন্নতি একটি জাতিকে শক্তিশালী করতে পারে কিন্তু তাদের প্রকৃত মহত্ত্ব নির্ধারণ হয় দুর্বল, অবলা প্রাণীদের প্রতি তাদের আচরণের মাধ্যমে। প্রাণীরা কথা বলতে পারে না, নিজেদের অধিকার দাবি করতে পারে না। তাই মানুষই একমাত্র সত্তা যাদের হাতে রয়েছে তাদের রক্ষা করার দায়িত্ব আর একটি জাতি কতটা দায়িত্বশীল তা সহজেই বোঝা যায় তারা প্রাণীদের প্রতি কেমন আচরণ করে। প্রাণীর প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ কোনো নতুন ধারণা নয়। ইসলামে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা আছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “যে প্রাণীর প্রতি দয়া করে না, আল্লাহও তার প্রতি দয়া করবেন না।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ২৪৪৭)। ইসলাম প্রাণীর প্রতি অমানবিক আচরণকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে এবং দয়া ও সহমর্মিতাকে নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে নির্ধারণ করেছে। এভাবে ধর্মীয় শিক্ষা থেকে শুরু করে মহান দার্শনিকদের চিন্তা সবই প্রাণীদের প্রতি দয়া প্রদর্শনের গুরুত্বকে তুলে ধরে। আধুনিক সমাজেও এই নীতির প্রতিফলন দেখা যায়। উন্নত দেশগুলোতে প্রাণী কল্যাণের জন্য আলাদা আইন রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাজ্যের Animal Welfare Act 2006 প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা রো...

লুলুকে খুঁজে ফিরি

  আকাশের দিকে তাকানো আমার ছোট্ট এক অভ্যাস। মেঘের ভেতর আমি সবসময় কিছু না কিছু খুঁজে পাই। আজও হঠাৎ চোখে পড়ল... একটা মেঘ যেন হুবহু আমার লুলুর মতো। গোলগাল শরীর, কানদুটো খাড়া আর সেই চেনা ভঙ্গি। মুহূর্তের জন্য মনে হলো, আকাশটা আমার সাথে মজা করছে, যেন লুলুকে আবার ফিরিয়ে দিয়েছে আমার কাছে। লুলু ছিলো আমার জীবনের প্রথম বিড়াল। ছোট্ট অবস্থায় ঘরে আনা সেই লুলু ও তার বোন আমার প্রতিদিনের সঙ্গী হয়ে উঠেছিল। আমি যেখানে যেতাম, লুলু সেখানেই পেছনে পেছনে ছুটত। আমার পড়ার টেবিলে, আমার বিছানায় এমনকি মন খারাপ হলে কোলের ওপর উঠে বসে থাকত। ওর সেই সরল দুষ্টুমি আর মায়াভরা চোখগুলো আজও স্পষ্ট মনে আছে। কিন্তু জীবনের গল্প সবসময় মনের মতো হয় না। একদিন হঠাৎ করেই লুলু নেই। সে মারা যায়নি, চুরি হয়ে গিয়েছিলো বাড়ির সামনে থেকে। সেই দিনটার কথা মনে পড়লেই বুকটা এখনও কেঁপে ওঠে। আমি অসংখ্যবার খুঁজেছি, পোস্টার দিয়েছি, রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়েছি। তবুও লুলুকে আর ফিরে পাইনি। আজও আমি লুলুকে খুঁজে ফিরি। হয়তো তাকে আর কোনোদিন দেখতে পাবো না, তবুও বিশ্বাস করি লুলুর সাথে আমার বন্ধনটা এখনও ভাঙেনি। আমি যত বিড়ালই পালি, যত ভালোবাসাই দিই... লুল...

ইলিশ মাছের পানিখোলা

  মাস দুয়েক হল, ইলিশ মাছের পানিখোলা রেসিপিটা শিখেছি। একটা অদ্ভুত বিষয় হল, এই রেসিপিটা খাওয়ার পর আর অন্য কোন রেসিপি গালে ধরছে না। তাই এই মরসুমে যতবারই ইলিশ খেয়েছি, ততবারই প্রায় ইলিশের পানিখোলা খেয়েছি। অথচ রেসিপিটা একেবারেই সহজ, পানির মতই সরল। ইলিশের পানিখোলার এই অনির্বচনীয় স্বাদের রহস্য হল, এই রেসিপিতে কোন কড়া স্বাদযুক্ত মশলা ব্যবহার করা হয় না। জিরে, মরিচ, আদা, রসুন দূরের কথা, এখানে এমনকি হলুদও ব্যবহার হয় না। উপকরণ বলতে কেবল লবণ, কাঁচা লঙ্কা, পেঁয়াজ কুচি, সর্ষের তেল। ব্যাস শেষ। এ কেবল পানির খেলা, তাই পানিখোলা। পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচা লঙ্কা লবণ দিয়ে ভালো করে কচলে নিয়ে তাতে পরিমাণ মতো সর্ষের তেল দিয়ে পুরো তেল-মশলা ইলিশের পিসের গায়ে ভালো করে মাখিয়ে মিনিট দশেক বিশ্রামে রাখুন। তারপর ঐ মেখে রাখা মাছে ঝোলের জন্য পরিমাণমতো পানি ঢেলে আঁচে বসিয়ে দিন। মাছের সাইজ অনুযায়ী তিন থেকে পাঁচ মিনিট পরে মাছ সিদ্ধ হলে নামিয়ে নিন। বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ ইলিশের পানিখোলা মূলত ওপার বাংলার রেসিপি। তাই উৎসের বিচারে এই রেসিপি এপারে 'অনুপ্রবেশকারী'। তাছাড়া রেসিপিতে পানি শব্দটি রয়েছে এবং এটি তৈরিতে পানি লাগবে...

"সালাম" জান্নাতের ভাষা

  ১. জান্নাতের ভাষা ও পরিবেশ: কুরআন আমাদের জানায়, জান্নাত হবে একটি নিখুঁত শান্তিময় স্থান, যেখানে কোনো অনর্থক বা পাপপূর্ণ কথা থাকবে না। সেখানকার অধিবাসীদের এবং ফেরেশতাদের কথোপকথন ও অভিবাদন হবে "সালাম" বা শান্তি। সাধারণ কথোপকথন: জান্নাতবাসীরা কোনো অসার বাক্য শুনবে না, শুনবে কেবল এক বাক্য— "সালামান সালামা" (শান্তি, আর শান্তি)। (সূরা ওয়াক্বি'আহ, ৫৬:২৫-২৬) পারস্পরিক অভিবাদন: সেখানে তাদের অভিবাদন হবে "সালাম"। (সূরা ইউনুস, ১০:১০) ফেরেশতাদের অভ্যর্থনা: জান্নাতের দরজায় রক্ষী ফেরেশতারা বলবেন, "সালামুন ‘আলাইকুম তিবতুম" (আপনাদের প্রতি শান্তি, আপনারা পবিত্র জীবন যাপন করেছেন)। (সূরা আয-যুমার, ৩৯:৭৩) ২. দুনিয়াতেও আল্লাহর নির্দেশ: আল্লাহ তা'আলা কেবল পরকালেই নয়, এই পৃথিবীতেও তাঁর আয়াতে বিশ্বাসী মুমিনদেরকে পরস্পরের সাথে দেখা হলে "সালামুন ‘আলাইকুম" (তোমাদের উপর শান্তি) বলে অভিবাদন জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন। (সূরা আল-আন‘আম, ৬:৫৪) ৩. দুনিয়া ও আখিরাতের সংযোগ স্থাপন: যেহেতু জান্নাত আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য এবং সেখানকার ভাষা হলো 'সালাম'...

'আলহামদুলিল্লাহ' অভ্যাসের ঊর্ধ্বে, আয়াতের আয়নায়

  এক গ্লাস পানি পানে কিংবা ২৫০ মি.লি. ড্রিংস পানেও অহীর সংযোগ স্থাপন হতে পারে যেভাবে: 'আলহামদুলিল্লাহ' – অভ্যাসের ঊর্ধ্বে, আয়াতের আয়নায় এক গভীর সংযোগ: আমরা অনেকেই পানি পানের পর অভ্যাসগতভাবে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলি। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি, এই ছোট্ট আমলটির শেকড় আল কুরআনিল হাকিমের কতটা গভীরে প্রোথিত? এটি কি কেবলই একটি শেখানো বুলি, নাকি এর পেছনে রয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে সরাসরি এক বুদ্ধিবৃত্তিক ও আধ্যাত্মিক আহ্বান? আসুন, আমাদের এই সাধারণ অভ্যাসটিকে কুরআনের আয়াতের আয়নায় ফেলে দেখি। ১. সরাসরি প্রশ্ন: যে পানি তুমি পান করছো... আল্লাহ আমাদেরকে সরাসরি জিজ্ঞেস করছেন, আমাদের হাতে থাকা এক গ্লাস পানি নিয়ে ভাবতে বলছেন। "তোমরা যে পানি পান করো, সে সম্পর্কে কি ভেবে দেখেছো? তোমরাই কি তা মেঘ থেকে নামিয়ে আনো, নাকি আমি নামাই? আমি ইচ্ছা করলে তা লবণাক্ত (অপেয়) করে দিতে পারতাম। তবুও কি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে না?" (সূরা আল-ওয়াক্বি'আহ, আয়াত: ৬৮-৭০) ২. বুদ্ধিবৃত্তিক স্বীকৃতি: সত্য অস্বীকারকারীদের মুখেও আল্লাহর প্রশংসা: "আর যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, ‘কে আকাশ থেকে পা...

সরলতার সুযোগ নিয়ে

  জীবনে চলার পথে হয়তো অনেকেই ঠকাতে পারে একথা সত্য।আবার কারো রিজিক কেউ কেড়ে নিতে পারে না এটাও অতি মাত্রায় সত্য। তাই কেউ যদি আপনার সরলতার সুযোগ নিয়ে ঠকায় তাতে অসন্তুষ্ট হওয়ার কিছু নেই বরং আলহামদুলিল্লাহ বলে স্বস্তির একটা হাসি দিন। কারন এই প্রতারিত হওয়ার কারনেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা অনেক বেশি আপনাকে ফিরিয়ে দিবেন ইনশাআল্লাহ। শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা🤲 সান্ত্বনা নয় জীবন থেকে পাওয়া,আলহামদুলিল্লাহ। ❤️ জীবনের এই ছুটে চলার শেষ কোথায়? এই ভাবি এটা হলেই শেষ এরপর আর একটা তারপর আর একটা প্রয়োজন সামনে এসে দাঁড়ায়। অবশেষে খুজে পেলাম এর শেষ কোথায়! মৃত্যু হ্যাঁ একমাত্র মৃত্যুই থামিয়ে দিবে জীবনের যত রঙিন আয়োজন। আর তখনি থেমে যাবে দুনিয়াবি অবিরাম এই ছুটে চলা।তার আগে নয়। জীবনের ডায়েরিটা খুলে দেখি পূন্যের হিসাব শূন্য। গুনাহ দিয়ে পরিপূর্ণ। হে আল্লাহ স্বীকার করছি আমাদের পাপ হয়তো অনেক বেশি। কিন্তু হে আমাদের রব তোমার ভালোবাসার বিশালতা ওতো সীমাহীন। আমাদের দয়া কর, ক্ষমা করে দাও মালিক। --------------------------------------------------------------------------------- সন্তানকে ছোটবেলায় নৈতিক শিক্ষা না দিয়ে...

স্তন ক্যান্সার রোগীরা

  সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্তন ক্যান্সার রোগীরা মাত্র একবার রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং যেমন: ভার উত্তোলন, রাবার ব্যান্ড ব্যাবহার করে ব্যায়াম, ফ্রি হ্যান্ড বা শরীরের ওজন ব্যবহার করে ব্যায়াম এবং হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভ্যাল ট্রেনিং-HIIT যেমন, খুব জোরে দৌড়ানো, জোরে সাইকেল চালানো বা সাতারের মত ব্যায়াম করলে তাদের রক্তে বিশেষ কিছু উপাদান (মায়োকাইন) বেড়ে যায়। এগুলো পরীক্ষাগারে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকে প্রায় ২০ থেক ৩০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যায়ামের সময় মাংসপেশি থেকে মায়োকাইন নামক উপাদান বের হয়, যা প্রদাহ, রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা, ও পেশি কোষের মেটাবলিজমে প্রভাব ফেলে যা ক্যান্সার বৃদ্ধির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ব্যায়াম রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, প্রদাহ কমায় এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে ফলে ক্যান্সার কোষগুলোর আকার সহজে বড় হতে পারে না। বড় পরিসরের পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা বহু বছর ধরে নিয়মিত শারীরিক ভাবে সক্রিয় থাকেন তাদের স্তন, কোলন, এন্ডোমেট্রিয়াল ইত্যাদি অনেক ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কম। আবার ক্যান্সার থেকে সেরে ওঠা রোগীদের মধ্যেও শারীরিকভাবে সক্র...

অনুগ্রহপ্রাপ্ত (রহমতপ্রাপ্ত)

  আমি আল্লাহর রহমত পেতে চাই! আপনিও? কিন্তু কীভাবে সেই রহমত পাওয়া যায়? এর উত্তর স্বয়ং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলাই দিয়েছেন। আসুন, তাঁর কাছ থেকেই জেনে নেই। 📖 এর উত্তর লুকিয়ে আছে কুরআনের এই আয়াতে: "এবং এই কিতাব (কুরআন) আমি অবতীর্ণ করেছি, যা বরকতময়। সুতরাং তোমরা এর অনুসরণ কর এবং তাকওয়া অবলম্বন কর, যেন তোমরা অনুগ্রহপ্রাপ্ত (রহমতপ্রাপ্ত) হও।" (সূরা আল-আন‘আম, আয়াত: ১৫৫) সুবহানাল্লাহি রব্বিল আলামিন! পথ কতই না সহজ! আল্লাহর রহমত পাওয়ার মূল চাবিকাঠি হলো: ১. কুরআনের অনুসরণ করা। ২. তাকওয়া (আল্লাহসচেতনতা) অবলম্বন করা। এই কিতাবকে আঁকড়ে ধরলেই তিনি আমাদের তাঁর অনুগ্রহের চাদরে ঢেকে নেবেন। কী চমৎকার নির্দেশনা! তাঁর পাঠানো কিতাবই তাঁর রহমত লাভের পথ। আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন! আল্লাহ আমাদেরকে তাঁর রহমতের যোগ্য করে তুলুন। ================================== আমার/ আপনার পাপগুলো কি পুণ্য দিয়ে বদলে যেতে পারে? হ্যাঁ তাই তো! আল্লাহ বলেন- সূরা আল-ফুরকানে (আয়াত ২৫: ৬৮-৬৯) এই পাপগুলোর কথা বলার পরেই আল্লাহ আমাদের ক্ষমা লাভের একটি পথ দেখিয়েছেন। সেই পথের জন্য প্রয়োজন মাত্র তিনটি কাজ: যে তওব...

অশ্লীল ও অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ

  📢 ফেসবুক, ইউটিউব বা গণমাধ্যমে নর-নারীকে অশ্লীল ও অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও অপবাদ করার পরিণাম কী? 📌আমি একজন বিশ্বাসী নারী হিসাবে আমার একমাত্র রব আমাকে যেভাবে সুরক্ষা দিয়েছেন, তা আমি অনুভব করি। [-এভাবে আল্লাহর স্মরণেই আমার চিত্ত প্রশান্তি পায় (দ্র: আয়াত ১৩:২৮)]। So, I have no tension (fear) no sorrow (see verse 2:38 ). আপনিও শুনে নিন, বিশেষ করে আহলে কিতবীরা—অতএব বিবেচনা আপনার (তোমরা অপেক্ষা করো, আমরাও অপেক্ষা করছি" (সূরা হুদ, আয়াত ১২১-১২২) 📖 আল-কোরআনের কঠোর সতর্কতা: (এমন একটি কিতাব, যার আয়াতসমূহ আরবি কুরআনরূপে বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, এমন জনগোষ্ঠীর জন্য যারা জ্ঞান রাখে। সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসাবে-সূরা হা মীম আস সাজদা ৪১:৩-৪) 🔹 ওয়াইল-(ধ্বংস, দুর্গতি, কঠোর শাস্তি, বা জাহান্নামের একটি উপত্যকা) প্রত্যেক পরনিন্দাকারী (সামনে নিন্দাকারীর), পিছনে দোষ প্রচারকারীর (ঠাট্টাকারীর) প্রত্যেকের জন্য-সূরা আল হুমাযাহ আয়ত ১০৪:১ 🔹 “আর যারা সচ্চরিত্রা নারীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে, অতঃপর চারজন সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদেরকে আশি ঘা বেত্রাঘাত কর এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করো না। তার...

বিড়াল পুষে কী পুরুষত্ব প্রমাণ হয়?

  মানুষ অনেক সময় বলে, ছেলেরা যদি বেশি বিড়াল ভালোবাসে, বেশি যত্ন করে তাহলে তারা নাকি দুর্বল হয়। কেউ মজা করে বলে, “বিড়াল পুষে কী পুরুষত্ব প্রমাণ হয়?” আবার কেউ হেসে ফেলে বলে, “ছেলেদের এতো আবেগ মানায় না।” এই কথাগুলো আমি অসংখ্যবার শুনেছি। কিন্তু আজ আমি আমার জীবনের এমন একটি গল্প শেয়ার করতে চাই যা হয়তো এসব ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করবে। আমার চ্যানেলের পুরনো দর্শকরা জানেন, আমি আগেই ছোট করে লুলুর কাহিনী বলেছিলাম। লুলু ছিল আমাদের পরিবারের প্রথম দিককার আদরের বিড়াল। তার মাধ্যমেই আমার ভেতরে প্রাণীদের জন্য আলাদা এক টান তৈরি হয়েছিল। কিন্তু লুলুর পাশাপাশি আরেকটি নাম আমার জীবনে জুড়ে যায় "সোনা"। আজ থেকে প্রায় পাঁচ বছর আগে, আমার আম্মা তার ভাই লুলুর সাথে ঢাকা থেকে সোনাকে নিয়ে আসেন। তখন সে ছিল একেবারেই ছোট্ট, অসহায় আর নির্ভরহীন। প্রথম যেদিন তাকে দেখি, মনে হয়েছিল এই ছোট্ট প্রাণীর সাথে আমার জীবনের কোনো অদৃশ্য যোগসূত্র আছে। সাধারণ এক বিড়াল হয়েও সোনা ছিল ভিন্ন। তার চোখের ভরসা, তার নিরব দৃষ্টি যেন আমাকে বলে দিত, “আমি তোমার উপর নির্ভর করছি।” তখনও বুঝিনি, এই ছোট্ট প্রাণীই একদিন আমার জীবনের গতিপথ বদলে দে...

ইয়াজুজ ও মাজুজ (গগ ও ম্যাগগ) কারা?

  ইয়াজুজ ও মাজুজ (গগ ও ম্যাগগ) কারা? – এ বিষয়ে আহসানুল হাদীসের (আল-কোরআন) বক্তব্য কি? আল-কুরআনে ইয়াজুজ ও মাজুজ (গগ ও ম্যাগগ) সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য দেওয়া হয়েছে। তাদের সম্পর্কে কোরআনের প্রধান বিষয়গুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:  ১. পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী জাতি: সূরা কাহাফের ৯৪ নম্বর আয়াতে উখল্লে আছে যে, ইয়াজুজ ও মাজুজ পৃথিবীতে ফ্যাসাদ বা বিপর্যয় সৃষ্টি করত। ২. জুলকারনাইনের প্রাচীর নির্মাণ: সূরা কাহাফে জুলকারনাইন (যুল-কারনাইন) নামক এক ন্যায়পরায়ণ বাদশাহর কথা বলা হয়েছে। তিনি তার ভ্রমণকালে এমন এক জাতির কাছে পৌঁছেছিলেন, যারা ইয়াজুজ ও মাজুজের অত্যাচার থেকে নিজেদের রক্ষা করতে জুলকারনাইনের সাহায্য চেয়েছিল। তখন জুলকারনাইন লোহা ও গলিত তামা ব্যবহার করে একটি বিশাল প্রাচীর নির্মাণ করে ইয়াজুজ ও মাজুজকে আটকে দিয়েছিলেন। ৩. শেষ বিচারের আগে তাদের উত্থান: কোরআনে বলা হয়েছে যে, কেয়ামতের কাছাকাছি সময়ে এই প্রাচীর ভেঙে যাবে এবং ইয়াজুজ ও মাজুজ আবার পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে। সূরা আম্বিয়ার ৯৬ ও ৯৭ নম্বর আয়াতে উল্লেখ আছে, যখন ইয়াজুজ ও মাজুজের পথ খুলে...

কাইল্যা, ধলা, কানা, ট্যারা

  কাইল্যা, ধলা, কানা, ট্যারা, হেংলা, ল্যাংড়া, খোঁড়া, নুলো, লম্বু, মটু, বাটু, কুৎসিত, বিশ্রী, বোঁচা, খোঁজা... এইসব শব্দ শুধু ব্যঙ্গ নয়—এগুলো মহান আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি অবজ্ঞা। 🛑 কাউকে তার শারীরিক বৈশিষ্ট্য দিয়ে হেয় করা মানে আল্লাহর সৃষ্টিকে অবমাননা করা। 📖 আল-কোরআনের নির্দেশনা: 🔹 "তিনিই, যিনি মাতৃগর্ভে তোমাদের আকৃতি গঠন করেন যেভাবে তিনি চান..." —সূরা আলে ইমরান, আয়াত ৬ 🔹 "আমরা আদম সন্তানদেরকে সম্মানিত করেছি..." —সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত ৭০ 🔹 "তোমরা একে অপরকে ব্যঙ্গাত্মক নামে ডাকবে না... ঈমানের পর মন্দ নাম ফাসিকি।" —সূরা হুজুরাত, আয়াত ১১ 🧠 কমনসেন্স বললেও কোরআন বলছে আরও গভীর কিছু: মানুষের বাহ্যিক রূপ নিয়ে উপহাস করা মানে আল্লাহর কুদরতের প্রতি অবজ্ঞা। এটি শুধু সামাজিক অন্যায় নয়—এটি ঈমানের দুর্বলতা, শিরকের ইঙ্গিত এবং জালিম হওয়ার পথ। 🤲 আসুন, প্রতিটি মানুষকে সম্মান করি। আল্লাহর সৃষ্টিকে সম্মান করা মানেই আল্লাহর আদেশ পালন করা। ✋ “Stop mocking Allah’s creation” 🌿 যা কিছু আমরা হারাই, আমাদের রব তা পূরণ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন (শর্ত প্রযোজ্য): 📞 হেলপল...

দুুআ-তাসবিহ-যিকির

  ✨দুুআ-তাসবিহ-যিকির। বিষয়: রিজিক ও বরকত লাভের জন্য কল করুন নিচের আয়াত নম্বরে✨ টাকা-পয়সা-অর্থ-সম্পদ-ফামিং-ব্যবসায়-বাণিজ্যে উন্নতি-চাকরী বাকরী--মান-সম্মান-প্রোমোশন-বেইজ্জতি থেকে রক্ষা-ক্ষতি থেকে পুনরুদ্ধার ইত্যাদি: (রিজিক শুধু টাকা-পয়সা নয়। বরং স্বাস্থ্য, জ্ঞান, সম্মান, সুযোগ, মানসিক শান্তি, উত্তম জীবনসঙ্গী, নেক সন্তান এবং হেদায়েত—এই সবই আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে আসা উত্তম রিজিক) [সঠিক উচ্চারনের জন্য অবশ্যই আল কোরআন থেকে দেখে নিন] 🤲 কুলিল্লা-হুম্মা মা-লিকাল মুলকি তু’তিল মুলকা মান তাশা-উ ওয়া তানঝিউ’ল মুলকা মিম্মান তাশা-উ, ওয়া তুই’ঝঝু মান তাশা-উ ওয়া তুযি’ল্লু মান তাশা-উ, বিয়াদিকাল খাইরু, ইন্নাকা আ’লা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর। তুলিজুল লাইলা ফিন নাহা-রি ওয়া তুলিজুন নাহা-রা ফিল লাইলি, ওয়া তুখরিজুল হাইয়্যা মিনাল মাইয়্যিতি ওয়া তুখরিজুল মাইয়্যিতা মিনাল হাইয়্যি, ওয়া তারঝুকু মান তাশা-উ বিগাইরি হি’সা-ব। মর্মার্থ: রাজত্বের অধিকারী হে আল্লাহ! আপনি যাকে চান, রাজত্ব দেন এবং যার থেকে চান আপনি রাজত্ব ছিনিয়ে নেন। আর যাকে চান আপনি সম্মানিত করেন এবং যাকে চান আপনি অপমানিত করেন। আপনার হাতেই কল্যাণ। নিশ্চয...