যুদ্ধ বিমানের রেঞ্জ হয় সীমিত।সেজন্য কারো বিরুদ্ধে একশনে যেতে কাছাকাছি বেইস থাকা লাগে। এইটা একটা সমস্যা। কেন সমস্যা তা ব্যাখ্যা করা যাক। ধরুন ঈর্জা চাইলো পাকিস্তানে আক্রমণ করবে। এত দূরে বিমান নিয়ে সে ফিরে আসতে পারবে না। তাহলে উপায়? উপায় নেই কোন। একইভাবে আমেরিকা যদি চায় চীনে আক্রমণ করবে আমেরিকা থেকে বিমান নেওয়াই অসম্ভব। ফিরে আসার তো প্রশ্নই আসে না। এই সমস্যা সমাধানে আমেরিকা যেইটা করেছে সেইটা হচ্ছে বিমান বাহী রণতরী নির্মাণ। সাগর যেহেতু সবার সেজন্য সে জাহাজে করে পুরা একটা বিমান ঘাঁটি নিয়ে কোন দেশের সামনে কাছাকাছি অবস্থান নেয়। তারপর সেখান থেকে অপারেশন পরিচালনা করে। যেমন ২০০৩ এর ইরাক যুদ্ধ। বর্তমানে ভূমধ্যসাগরে আছে উপসাগরে আছে। ভালো করেই জানেন কেন। এই জাহাজগুলো বানানো এত ব্যয়বহুল যে পৃথিবীর আর কোন দেশের দুইটি বেশি নেই। সেখানে মিয়াজির একারই আছে ডজন খানেক। অর্থাৎ একসাথে সে সারা বিশ্ব শাসিয়ে বেড়াতে পারবে। এখন বাকি বিশ্বের জন্য এর থেকে বাঁচার উপায়? যারা সাগরের তীরে আছে তাদের জন্য উপায় নেই। কিন্তু ধরুন একটি দেশ অনেক বড় এবং তার কিছু অংশ সাগর থেকে দূরে। তখন বিমান রণতরী কাজে দিবে না। আপনি নিজের মতো করে বিভিন্ন সামরিক গবেষণাগার কিংবা পরমাণু কর্মসূচি চালাতে পারবেন। তুলনামূলক নিরাপদ থাকবেন। আমেরিকা কি বিষয়টা এমনিতেই ছেড়ে দিবে? মোটেও না। সেজন্য সে নতুন চালাকি করেছে। সেইটা হচ্ছে বিভিন্ন দেশে তার বিমান ঘাঁটি নির্মাণ যেমন জার্মানিতে, কাতারে, গুয়ামে, কোরিয়াতে ইত্যাদি। উদাহরণস্বরূপ সিরিয়াতে বোম্বিং করতে তুরস্কের ঘাঁটি ব্যবহার করা হয় যেহেতু তারা দুইজনই ন্যাটো রাষ্ট্র। আর কাতার তো আছেই। এর থেকে বাঁচার উপায়? আপনার দেশের হাজার কিলোমিটারের মধ্যে কোন ঘাঁটি যেন কেউ না বানাতে পারে সেইটা নিশ্চিত করা। রাশিয়া এই ব্যাপারে খুব সচেতন। আরবরা ঘাঁটি বানাতে দিতে পেরেই খুশি। আর চীন নিজেকে গুছানোর আগেই তার রাজধানীর পাশে কোরিয়াতে ঘাঁটি হয়ে গেছে। তারপরে সেখানে বসানো হয়েছে থাডের রাডার। অনেক অভিযোগ করে কোন কাজ হলো না। তাই সে তার দেশের একেবারে পশ্চিমে সব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নিয়ে নিয়েছে। এতে এক ঢিলে তিন পাখি মারা হলো। ১ কোন রাডারের বাহিরে তারা ২ যুদ্ধ বিমান রেঞ্জের বাহিরে ৩ মিসাইল কেউ নিশানা করলে বিশাল ভূমি পাড়ি দিয়ে আসতে হবে মিসাইলকে। ততক্ষণে ডিফেন্স কাজ শুরু করে দিবে। এর সমাধান কী? সমাধান চীনের পশ্চিমের কোন দেশে বেইস বসানো। তাহলে খুব দ্রুত মিসাইল মারা যাবে। বিমান আক্রমণ করা যাবে আর রাডার বসাতে পারবে। সেজন্যই বাগরাম পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মার্কিন প্রশাসন
m patwary

Comments
Post a Comment