Skip to main content

Posts

Showing posts from February, 2023

'রাহমা' বা দয়া প্রদর্শনের গুণ

  বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে যখন কিবলা ছিল, আল্লাহর রাসুল (ﷺ‎) চাইতেন, কিবলা যেন কাবার দিকে হয়। তার এই ইচ্ছে পুরনের আগে তিনি মাঝে মাঝেই মন খারাপ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতেন। বারবার তাকাতেন। যেন তিনি অপেক্ষা করছেন, আল্লাহ কোন ফরমান নাযিল করেন কিনা, তার ইচ্ছা পুরন হয় কিনা। আল্লাহ তাআলা যখন কিবলা পরিবর্তনের ব্যপারে আয়াত নাযিল করেন, তখন আয়াতের শুরুতে রাসুলের এই পবিত্র আচরনের কথাও উল্লেখ করেন। অদ্ভুত মিষ্টি ভাষায় আল্লাহ বলেন, (হে রাসুল) আকাশের দিকে আপনার বারবার তাকানোকে আমি ঠিকই দেখেছি… আমাদেরও নানা বিষয়ে মন খারাপ হয়। এমন সব ইচ্ছা আকাংখা আছে আমাদের প্রত্যেকেরই, আকাশের দিকে তাকিয়ে সেই রবকে বলা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। তিনি ছাড়া আর কেউ নেই, যে তা পুরন করবে। সেই মহান রব আমাদের এই আকুতি ভরা বারবার তাকানোকে যেন কবুল করে নেন। এমন ভাবে সব কিছুর সমাধান করে দেন যেন আমাদের কানেও প্রতিধ্বনি হয়- “আকাশের দিকে আপনার বারবার তাকানোকে আমি ঠিকই দেখেছি....✨🌹 ******************************************************************************** যদি সংখ্যার দিক বিবেচনা করেন তাহলে দেখবেন, আল্লাহ কুরআনে যতবার...

চেইন রিয়্যাকশন

  ধরুন, আমি একটি পাপ করেছি। আমি কারো মনে কষ্ট দিয়েছি। ফলে এটা ঐ ব্যক্তির উপর প্রভাবে ফেলেছে এবং তার আশে পাশের মানুষজনও এর কারণে প্রভাবিত হয়েছে। অথবা, কোনো একটা ভালো কাজ সে করতে পারত কিন্তু মন খারাপ থাকার কারণে করেনি। তাহলে দেখা যাচ্ছে, আমার অন্যায়ের কারণে একটি চেইন রিয়্যাকশন হয়ে গেলো। আমার কাজটি শুধু একটি জীবনে প্রভাবে ফেলেনি, এটি আরো বহু সংখ্যক জীবনকে প্রভাবিত করেছে নেতিকবাচকভাবে। কিয়ামতের দিন আমি দেখবো আমার একটি পাপ আরো কত ঘটনার সাথে যুক্ত হয়ে আছে। যা আমি ভাবতেও পারিনি। আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর আগে আমি বুঝতেও পারিনি যে কত ক্ষতি আমি করে ফেলেছি। "ওয়াও! এটা তো বিশাল ক্ষতি! কি দিয়ে এর ক্ষতিপূরণ করবো!" তাহলে, আমি আমার পাপকে একটি ছোট্ট ভুল হিসেবে দেখি না। আমি জানি, এর রয়েছে বহুমুখী প্রভাব। আর তাই এখনই, দুনিয়াতে থাকতেই আমি এমনসব ভালো ভালো কাজ করে যেতে চাই যার রয়েছে বহুমুখী ইতিবাচক প্রভাব। যেন কিয়ামতের দিন আমার পাপগুলোর বহুমুখী প্রভাবের ক্ষতিপূরণ করা যায়। এজন্যই আমরা এমনসব পুণ্যের কাজ করার জন্য এতবেশি অনুপ্রাণিত যেগুলো আমাদের মৃত্যুর পরেও টিকে থাকবে। - নোমান আলী খানের আল...

ভূমিকম্পের আগে

  ৪০ সেকেন্ডের ভূমিকম্পের আগে লোকটি ৩ টি বাড়ির মালিক ছিলো।আর সেই লোক ৪০ সেকেন্ড পর তিনটি রুটিরও মালিক না। অন্যের দেওয়া রুটি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সে। তাই কখনো অহংকার করবেন না কারো সাথে। সময়ের সাথে সব ঘুরে যেতে পারে। আল্লাহ চাইলে ১ সেকেন্ডে সব কিছু পরিবর্তন করে দিতে পারেন। ************************************************************************** একজন তুর্কি নাগরিক বলেন। বাড়িওয়ালা ভাড়া বাড়িয়েছে এবং বর্ধিত ভাড়া দেওয়ার সামর্থ্য আমার ছিল না। তাই কয়েকদিন আগে তিনি আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। আজ বাড়িওয়ালা এবং আমি একই তাঁবুতে আছি। শিক্ষা- অর্থ ও যশ মানুষের সব কিছু না। যে কোন সময় এগুলো ধ্বসে পড়তে পারে। অর্থ সম্পদের অহংকার ত্যাগ করে পরকালের চিন্তা করি।

‘দ্বিধা’

  নিজের ভুল স্বীকার করতে আমাদের ‘দ্বিধা’ হয়। কাছের মানুষের অন্যায়কে অন্যায় বলতে ‘দ্বিধা’ হয়। গরিব বয়স্ক লোককে সম্মান জানাতে ‘দ্বিধা’ হয়। বাবা-মাকে সালাম দিতে দ্বিধা হয়। বাসার কাজের লোককে নিজেদের মতো মানুষ ভাবতে 'দ্বিধা' হয়। এমন অনেক মন্দ ‘দ্বিধা’ আমরা পদে পদে লালন করি। এসব নিন্দনীয় ‘দ্বিধা’ দূর করবার জন্যে ওরা ক্যাম্পেইন করে না। ওরা ক্যাম্পেইন করে মানব-চরিত্রের অলংকার —‘সহজাত লাজুকতা’ ও হারামে লিপ্ত হওয়ার ‘দ্বিধা’ দূর করার জন্যে। যারা তরুণদের প্রশংসনীয় 'লাজ' দূর করতে চায়, নির্মূল করতে চায় দেশীয় সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধ, তাদের থেকেই বরং দ্বিধাহীন দূরে সরার গল্প আমাদের রচনা করতে হবে। নির্দিষ্ট বয়সে পৌঁছার পর নারী-পুরুষ একে অন্যের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে। এটা আল্লাহর সৃষ্টিবৈচিত্র্যের অংশ। এ আকর্ষণকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখিয়েছে ইসলাম। কিন্তু পশ্চিমা সভ্যতা তা করতে নারাজ। ডক্টর খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহিমাহুল্লাহ বলতেন, ‘নারী-পুরুষের জৈবিক ভালোবাসাকে প্রমোট করতে হয় না। এটা এমনিতেই (সৃষ্টিগতভাবে) প্রমোটেড। এটাকে বরং কন্ট্রোল করতে হয়।’ একটি গতিশীল গাড়িকে যদি পেছ...

স্বামী স্ত্রীর জন্য কিছু উপদেশ

  ♥ স্বামী স্ত্রীর জন্য কিছু উপদেশ ♥ ১)যে ঘরে স্বামী স্ত্রী একি কম্বলের নিচে ঘুমাবেন, ঐ ঘরে আল্লাহ রহমত নাজিল হতে থাকে-(বুখারী) ২)যে ঘরে স্বামী ও স্ত্রী এক সাথে তাহাজ্জুদ এর নামায পড়বে, সে ঘরে জীবনে কোনো দিন অশান্তি হবেনা"-- বুখারী ও মুসলিম।☆ ৩)যে স্বামী তার স্ত্রীকে এক লোকমা ভাত খাইয়ে দিবে,আল্লাহ ঐ স্বামীর ছগীরা গুনাহগুলো মাফ করে দিবেন।এবং যে স্ত্রী তার স্বামীকে এক লোকমা ভাত খাইয়ে দিবে, আল্লাহ ঐ স্ত্রীর ছগীরা গুনাহগুলো মাফ করে দিবেন। এবং প্রতি লোকমার বিনিময়ে ১০০০ নেকি উভয়ের আমলনামায় দান করবেন।-মুসলিম শরীফ.☆ ৪)যে ঘরে স্বামী ও স্ত্রী একই প্লেটে খাবার খাবে যতক্ষণ খাবার খেতে থাকবে ততক্ষণ তাদের আমলনামায় সওয়াব লিখা হয়।-তিরমিজি.☆ ৫)স্বামী ও স্ত্রী যখন একই বিছানায় শয়ন করে বা বসে অথবা, গল্প করে,হাসি খুশি কথা বলে, তখন প্রতিটা মিনিটে এবং সামী স্ত্রীর প্রতিটা কথাতে প্রতিটা সেকেন্ডে তাদের আমল নামায় ১০ টা করে নেকি লিখা হয়। __আবু দাউদ ( স্বামী স্ত্রী অধ্যায়)☆ ৬)যে স্ত্রী তার স্বামীকে সকালে ঘুম থেকে জাগিয়ে পবিত্র করে ফজরের সালাতে মসজিদে পাঠিয়ে দেয়, ঐ স্ত্রীর প্রতি স্বামীর অন্তরে আল্ল...

জেনারেশন গ্যাপ?

  কেন আমাদের এত জেনারেশন গ্যাপ? "কই! আমাদের সময় তো আমরা এরকম করতাম না!" "ইশ! আমার বাবা-মা এত old- fashioned!" "এই বয়সে আমি বাসার সব রান্না করতাম!" "আব্বু-আম্মু এ যুগের মানুষ না। উনাদের সাথে কথা বলে কোন লাভ নেই!" খুবই প্রচলিত কথাগুলো, তাই না? আমরা বেশিরভাগই জীবনে কখনো কখনো কথাগুলো নিজেরাই বলেছি, অথবা শুনেছি তো অবশ্যই! মাঝে মাঝে কিন্তু সত্যিই মনে হয় দুই প্রজন্মের ফারাকটা এখন অনেক বড়! বিষয়টা নিয়ে আপনার চিন্তা আসলে কেমন? আপনি হয়তোবা শুধুই ব্যাপারটা বোঝাচ্ছেন, কিন্তু বাবা বলছে আপনি বেয়াদব বা তর্ক করছেন! কখনোবা মা শুধুই আপনার ভালোর জন্য বাধা দিচ্ছেন, কিন্তু আপনি ভাবছেন উনি আপনার জীবনটাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন! এত ভুল বোঝাবুঝির পরেও, একটি গবেষণায় দেখা গেছে এখনো প্রায় ৬৮-৭২% কিশোর-কিশোরী অভিভাবকদের প্রতি ইতিবাচক ধারণা পোষণ করে। পারিবারিক বন্ধন দৃঢ়করণে অভিভাবকের যেরকম ভূমিকা আছে, সন্তানের তেমনি ভূমিকা আছে। পরিবারের সকল সদস্যদের সমন্বয়েই গড়ে তোলা সম্ভব একটি সুস্থ মানসিক পরিবেশ। এক্ষেত্রে মনে রাখা জরুরী - ১/ ক্রমবর্তী দুই প্রজন্মের...

'আত্মহত্যা'!

  বর্তমান বিশ্বে আলোচিত বিষয়গুলোর মাঝে অন্যতম 'আত্মহত্যা'! গত ৫ বছরেই স্বেচ্ছামৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ব্যাপক আকারে। একটি জরিপ অনুসারে, শুধুমাত্র পারিবারিক কলহ, পড়াশোনার চাপ ও সম্পর্কজনিত কারনে গত আট মাসে প্রায় ৩৬৪ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। এদের মধ্যে ৮০ শতাংশরই বয়স ১৩ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। আদৌ কি আত্মহত্যা আটকাতে আমাদের কিছু করনীয় আছে? ১০ই সেপ্টেম্বর ২০২২ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে - 'আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস'। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় “Creating Hope Through Action”. আত্মহত্যা প্রতিরোধে WHO এর পরিকল্পনায় ইতিমধ্যে ৩৮টি দেশ যোগদান করেছে, এগিয়ে এসেছে নিজেদের বিভিন্ন রিসোর্স নিয়ে। আত্মহত্যা প্রতিরোধের গুরুত্বের জন্যই এবারের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়ও নির্ধারণ করা হয়েছে স্বেচ্ছামৃত্যুকে। WHO ডিরেক্টর জেনারেল, Dr. Tedros Adhanom Ghebreyesus বলেন - "এত কিছুর পরেও, প্রতি ৪০ সেকেন্ডে বিশ্বে একজন আত্মহত্যা করছে! প্রতিটি মৃত্যুই আপনজনের জন্য হৃদয়বিদারক। এই মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব। আরো অনেক দেশকে নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।" ২০১৬ সালের রিপোর্...

সতর্কীকরণ পোস্ট ,ব্যাংক জালিয়াতির প্রচেষ্টা

  🔴একটি সতর্কীকরণ পোস্ট গতকাল প্রায় দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলো। ফোন তুলতেই একটি আপু জানালো- খুব দুঃখিত ভাইয়া, আমি অনলাইনে ভ্যাকসিনের রেজিস্ট্রেশন করছিলাম, ভুলকরে আমার মোবাইল নাম্বারটার জায়গায় আপনার নাম্বারটা দেওয়া হয়ে গেছে। কারণ, আপনার আর আমার মোবাইল নাম্বারটায় অনেক মিল আছে। তাই ভুল করে ফেলেছি। একটু পরেই আপনার মোবাইলে একটা ওটিপি আসবে, প্লিজ ওটা মেসেজ বা রিং করে দেবেন? নতুন করে রেজিস্ট্রেশন করতে গেলে আবার ২৪ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। আমার মোবাইলে একটু পরেই একটা ওটিপি এলো। সাথে সাথে অন্য আরেকটা নাম্বার থেকে আবার সেই ফোন- ভাইয়া ওটিপি টা এসেছে, প্লিজ আমাকে জানান। আমি একটু বুদ্ধি খাটিয়ে বললাম যে নাম্বারটা আমার মত সেটা থেকে একটা কল করুন! জবাব এলো- ঐ নাম্বারটায় একদম ব্যালেন্স নেই, তাই এই নাম্বার থেকে কল করছি। পরক্ষণেই আমার মোবাইলে ব্যাংকের মেসেজ এলো- "আপনি কি আপনার নেট ব্যাংকিং এর পাসওয়ার্ড চেন্জ এর জন্য রিকোয়েস্ট করেছেন? তাহলে পাঠানো ওটিপি টা ব্যাবহার করুন, রিকোয়েস্ট না করে থাকলে নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন"। মাথা গরম হয়ে গেলো। সঙ্গে সঙ্গে প্রথম ও...

এয়ারপোর্টে শুল্ক না দিয়ে বিদেশ থেকে আনা যাবে যে জিনিসপত্র

 BANGLADESH AIRPORTS

ভালো লাগা ,ভালবাসা

  আমাদের কত সময়ে, কত কিছু ভালো লাগে, কত মানুষকে ভালো লাগে, তাই না? ভালো লাগা একটি তাৎক্ষণিক অনুভূতি, অনেক সময়ে আমাদের অনেকেই জিজ্ঞেস করে বসে - এত মানুষ থাকতে তোমাকে কেনো একেই ভালো লাগে!? কখনো আমাদের এর উত্তর জানা থাকে, কখনো হয়তোবা জানাও থাকে না! ভালোলাগা যখন দীর্ঘমেয়াদি একটি অনুভূতিতে রূপ নেয়, তখনই আমরা একে বলি ভালোবাসা। অনেকে বলে থাকেন, ভালোলাগায় শর্ত থাকে, কিন্তু ভালোবাসায় থাকে না। আসলেই কি তাই? নিঃস্বার্থ ভালোবাসা বলে আসলেই কি কিছু আছে? বাস্তবিক ভাবে আমাদের জীবনে কোনো সম্পর্কই নিঃস্বার্থ নয়, শুধুমাত্র সন্তানের সাথে সম্পর্ক ছাড়া! যেকোনো সম্পর্ক থেকে আমাদের চাওয়া পাওয়া থাকে, ফলে যুক্ত হয় অভিযোগ-আফসোস এবং অপূর্ণতার হতাশা! আর যদি জিজ্ঞেস করা হয়, আমাদের সবার জীবনের মূল উদ্দেশ্যটি কি? - সম্ভবত উত্তরটি হবে - 'ভালো থাকা।' আমরা সবাই ভালো থাকতে চাই; কখনো ভালোবাসার মানুষের সাথে, অথবা তাকে ছাড়া। কখনো কখনো মনে হতে থাকে আসলে এই মানুষটিকে ছাড়া আমি কীভাবে বেঁচে থাকব!? কিন্তু বিশ্বাস করুন, মানুষ বেঁচে থাকতে পারে! সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা আর অক্সিজেন ব্যতীত কোন কিছুই এমন নেই, যা ছাড়...

মনকে কবে স্বাধীন করব?

  মনকে কবে স্বাধীন করব? আমরা প্রত্যেকে স্বাধীন দেশের, স্বাধীন নাগরিক। কত শহীদের ত্যাগের বিনিময়ে আজকে আমাদের এই স্বাধীনতা, তা গুনে শেষ করা যাবে না! কিন্তু যা স্বাধীন করার অধিকার শুধু আমারই আছে - 'মন', তা স্বাধীন কি? Mental Freedom বা মানসিক স্বাধীনতা আসলে কি? সামাজিক সত্ত্বা থেকে ব্যক্তিসত্ত্বাকে আলাদা করা, এবং সেই অনুযায়ী অনুভূতির মূল্যায়ন করে কাজ করাই মূলত Mental Freedom। যেকোন কাজের জন্য মোটিভেশন অত্যন্ত জরুরি। মোটিভেশন দুই রকম হতে পারে - একটা হচ্ছে বাহ্যিক মোটিভেশন, যেমন টাকার জন্য কাজ করা; আরেকটি হলো অভ্যন্তরীণ মোটিভেশন, যেমন আমি কাজ করি কারণ আমার ভালো লাগে। মানসিক মুক্তির জন্য প্রতিটি মানুষের অভ্যন্তরীণ মোটিভেশনকে মূল্যায়ন দরকার। মানসিক পরাধীনতায় আমরা প্রয়োজনীয় সমালোচনা গ্রহণ করতে পারিনা এবং অনেক অপ্রয়োজনীয় সমালোচনাও মনে লাগিয়ে ফেলি! যেমন, ধরুন কেউ ভালোর জন্য বলল - "আর একটু পরিশ্রম কর", ব্যাপারটা আমরা নিতে পারি না! মনে করি সে আমাদের শত্রু! আবার অনেক সময় গায়ের রং বা শরীর নিয়ে বলা অনেক ফালতু আলোচনায় নিজের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলি! মানসিক দাসত্বের আ...

গীবত থেকে বাঁচার কিছু উপায়ঃ

  গীবত থেকে বাঁচার কিছু উপায়ঃ ১. হুটহাট করে কিছু বলে ফেলবেন না। কথা বলার আগে ভেবে চিন্তে কথা বলুন। ২. কথা বলার ক্ষেত্রে সর্বদা নিজের মন ও কথার দিকে খেয়াল করবেন। মন যদি ন্যাগেটিভ কিছু বলতেও বেশী আগ্রহী হয় সাথে সাথে বোবা বোবা বানিয়ে ফেলবেন নিজেকে, পারলে সেই স্থান ত্যাগ করে নিবেন ৩. অতি প্রয়োজন ছাড়া লোকসমাগম জায়গা এড়িয়ে চলুন। কেননা যেখানে মানুষ বেশি থাকে সেখানে গীবত ও বেশি হয়। ৪.আপনার কাছে কেউ গীবত করলে তাকে থামিয়ে দিবেন। কারণ গীবত করা ও গীবত শোনা দুই টাই হারাম। ৫.অমুক কেমন জানি পোশাক পরে, অমুকের রান্না ভালো না,অমুক মোটা,অমুক কালো, দেখতে একদম ভালো না ইত্যাদি এই ধরনের কথা বলাও এক ধরনের গীবত। তাই এই ধরনের কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। ৬. এর পরেও যদি গীবত হয়ে যায়, তাহলে সাথে সাথে ১০০-২০০ বার আস্তাগফিরুল্লহ্ অথবা দুই রাকাত নফল নামাজ পরে ফেলুন। মনে রাখবেন গীবত আমাদের সব নেক আমল গুলো ধ্বংস করে দিবে। হাজার ভালো কাজ করলেও কিয়ামতের দিন আমাদের আমলনামা শূন্য থাকবে। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে গীবতের হাত থেকে রক্ষা করুন। 💐আমিন💐