Skip to main content

স্তন ক্যান্সার রোগীরা


 সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্তন ক্যান্সার রোগীরা মাত্র একবার রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং যেমন: ভার উত্তোলন, রাবার ব্যান্ড ব্যাবহার করে ব্যায়াম, ফ্রি হ্যান্ড বা শরীরের ওজন ব্যবহার করে ব্যায়াম এবং হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভ্যাল ট্রেনিং-HIIT যেমন, খুব জোরে দৌড়ানো, জোরে সাইকেল চালানো বা সাতারের মত ব্যায়াম করলে তাদের রক্তে বিশেষ কিছু উপাদান (মায়োকাইন) বেড়ে যায়। এগুলো পরীক্ষাগারে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকে প্রায় ২০ থেক ৩০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যায়ামের সময় মাংসপেশি থেকে মায়োকাইন নামক উপাদান বের হয়, যা প্রদাহ, রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা, ও পেশি কোষের মেটাবলিজমে প্রভাব ফেলে যা ক্যান্সার বৃদ্ধির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ব্যায়াম রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, প্রদাহ কমায় এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে ফলে ক্যান্সার কোষগুলোর আকার সহজে বড় হতে পারে না। বড় পরিসরের পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা বহু বছর ধরে নিয়মিত শারীরিক ভাবে সক্রিয় থাকেন তাদের স্তন, কোলন, এন্ডোমেট্রিয়াল ইত্যাদি অনেক ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কম। আবার ক্যান্সার থেকে সেরে ওঠা রোগীদের মধ্যেও শারীরিকভাবে সক্রিয়দের মধ্যে পুনরায় ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম। তবে কিছু সীমাবদ্ধতা ও সতর্কতা রয়েছে যেমন ব্যায়াম একা কখনোই সার্জারি, কেমোথেরাপি বা অন্য চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না। বরং ব্যায়াম করা এইসব চিকিৎসার কার্যকারিতা বাড়ায় মাত্র।এছাড়াও নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস জরুরি। একবার ব্যায়ামে পরিবর্তন দেখা গেলেও, দীর্ঘমেয়াদী উপকারের জন্য নিয়মিত ব্যায়াম প্রয়োজন। কারন বিরতি দিলে শরীরে মায়োকাইন নামক উপাদান পুনরায় কমে যায়। যার ফলে ক্যান্সার কোষগুলো আবার বেড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে।
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------

আপনি হয়তো ভাবেন আমার একটা আকর্ষণীয় শরীর নেই, অন্য একজন হয়তো আপনাকে দেখে ভাবে, ইশ আমি যদি এই লোকটার মত একটু হাঁটতে বা দৌড়াতে পারতাম। একজনের কাছে আপনি হতে পারেন ধনী, আবার অন্যজনের কাছে হতে পারেন গরীব। পিঁপড়েরা আপনাকে দেখলে মনে করবে এই কোন দৈত্য! আর বড় একটা হাতি হয়তো আপনাকে খেয়াল না করে পিশে চলে যাবে। আপনি হয়তো মনে করেন আপনার জীবন একঘেয়ে, বোরিং কিন্তু অন্য কেউ হয়তো আপনার মত করে জীবনযাপন করার স্বপ্ন দেখে। কারো সাথে নিজেকে তুলনা করা আসলে জীবন হতে আনন্দ, সুখ শান্তি কেড়ে নেয়। জীবন মূলত দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভরশীল। চেষ্টা করুন বেশি করে প্রাপ্তি নিয়ে কথা বলতে। জীবনের সমস্যার কথা খুব কম বলবেন। আপনি যখনই পজিটিভ চিন্তা করবেন সাথে সাথেই মহাবিশ্ব আপনাকে আরও ব্লেসিংস উপহার দেয়। পজিটিভ অথবা নেগেটিভ আপনি কীসে গুরুত্ব দিচ্ছেন, তা চাইলে আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। যেখানে আমাদের মনোযোগ যায়, এনার্জিও সেখানেই প্রবাহিত হয়। একবার এভাবে চেষ্টা করে দেখার অনুরোধ রইল।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...