Skip to main content

কাইল্যা, ধলা, কানা, ট্যারা

 


কাইল্যা, ধলা, কানা, ট্যারা, হেংলা, ল্যাংড়া, খোঁড়া, নুলো, লম্বু, মটু, বাটু, কুৎসিত, বিশ্রী, বোঁচা, খোঁজা...

এইসব শব্দ শুধু ব্যঙ্গ নয়—এগুলো মহান আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি অবজ্ঞা। 🛑 কাউকে তার শারীরিক বৈশিষ্ট্য দিয়ে হেয় করা মানে আল্লাহর সৃষ্টিকে অবমাননা করা। 📖 আল-কোরআনের নির্দেশনা: 🔹 "তিনিই, যিনি মাতৃগর্ভে তোমাদের আকৃতি গঠন করেন যেভাবে তিনি চান..." —সূরা আলে ইমরান, আয়াত ৬ 🔹 "আমরা আদম সন্তানদেরকে সম্মানিত করেছি..." —সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত ৭০ 🔹 "তোমরা একে অপরকে ব্যঙ্গাত্মক নামে ডাকবে না... ঈমানের পর মন্দ নাম ফাসিকি।" —সূরা হুজুরাত, আয়াত ১১ 🧠 কমনসেন্স বললেও কোরআন বলছে আরও গভীর কিছু: মানুষের বাহ্যিক রূপ নিয়ে উপহাস করা মানে আল্লাহর কুদরতের প্রতি অবজ্ঞা। এটি শুধু সামাজিক অন্যায় নয়—এটি ঈমানের দুর্বলতা, শিরকের ইঙ্গিত এবং জালিম হওয়ার পথ। 🤲 আসুন, প্রতিটি মানুষকে সম্মান করি। আল্লাহর সৃষ্টিকে সম্মান করা মানেই আল্লাহর আদেশ পালন করা। ✋ “Stop mocking Allah’s creation”
🌿 যা কিছু আমরা হারাই, আমাদের রব তা পূরণ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন (শর্ত প্রযোজ্য): 📞 হেলপলাইনে কল করতে হবে- 👉 ধৈর্য ধরি- 👉 সলাত (অহীর সংযোগ স্থাপন অনুশীলন) করি- 👉 আল্লাহর সাহায্য কামনা করি- 🕊️ আল কোরআনের বার্তা: "হে ঈমানদারগণ! ধৈর্য ও সলাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যধারণকারীদের সঙ্গে আছেন।" — সূরা আল বাকারা ২:১৫৩ 💔 পরীক্ষা আসবেই: ভয় 😨 ক্ষুধা 🍽️ সম্পদের ক্ষয় 💸 জীবনের ক্ষতি 🕯️ ফসলের ধ্বংস 🌾 🎁 সুসংবাদ তাদের জন্য যারা বলেন: "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন" (নিশ্চয় আমরা আল্লাহরই জন্য এবং নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী।) 🌸 তাদের জন্যই রয়েছে: 🔹 রবের পক্ষ থেকে সলাত (অহীর কানেকশন) 🔹 রহমত 🔹 হিদায়াত 📖 তথ্যসূত্র: আল-কোরআন, সূরা আল বাকারা ২:১৫৩-১৫৫-১৫৭


Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...