✨দুুআ-তাসবিহ-যিকির। বিষয়: রিজিক ও বরকত লাভের জন্য কল করুন নিচের আয়াত নম্বরে✨ টাকা-পয়সা-অর্থ-সম্পদ-ফামিং-ব্যবসায়-বাণিজ্যে উন্নতি-চাকরী বাকরী--মান-সম্মান-প্রোমোশন-বেইজ্জতি থেকে রক্ষা-ক্ষতি থেকে পুনরুদ্ধার ইত্যাদি: (রিজিক শুধু টাকা-পয়সা নয়। বরং স্বাস্থ্য, জ্ঞান, সম্মান, সুযোগ, মানসিক শান্তি, উত্তম জীবনসঙ্গী, নেক সন্তান এবং হেদায়েত—এই সবই আল্লাহ্র পক্ষ থেকে আসা উত্তম রিজিক) [সঠিক উচ্চারনের জন্য অবশ্যই আল কোরআন থেকে দেখে নিন] 🤲 কুলিল্লা-হুম্মা মা-লিকাল মুলকি তু’তিল মুলকা মান তাশা-উ ওয়া তানঝিউ’ল মুলকা মিম্মান তাশা-উ, ওয়া তুই’ঝঝু মান তাশা-উ ওয়া তুযি’ল্লু মান তাশা-উ, বিয়াদিকাল খাইরু, ইন্নাকা আ’লা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর। তুলিজুল লাইলা ফিন নাহা-রি ওয়া তুলিজুন নাহা-রা ফিল লাইলি, ওয়া তুখরিজুল হাইয়্যা মিনাল মাইয়্যিতি ওয়া তুখরিজুল মাইয়্যিতা মিনাল হাইয়্যি, ওয়া তারঝুকু মান তাশা-উ বিগাইরি হি’সা-ব। মর্মার্থ: রাজত্বের অধিকারী হে আল্লাহ! আপনি যাকে চান, রাজত্ব দেন এবং যার থেকে চান আপনি রাজত্ব ছিনিয়ে নেন। আর যাকে চান আপনি সম্মানিত করেন এবং যাকে চান আপনি অপমানিত করেন। আপনার হাতেই কল্যাণ। নিশ্চয়ই আপনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আপনি রাতকে দিনের মধ্যে প্রবেশ করান এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করান, আর মৃত থেকে জীবিতকে বের করেন এবং জীবিত থেকে মৃতকে বের করেন। আর আপনি যাকে চান হিসেব ছাড়া রিযিক দান করেন-আয়াত ৩:২৬-২৭। 🤲 রব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাক্বীর। মর্মার্থ: হে আমার রব! আপনি আমার জন্য যে কোনো কল্যাণ অবতীর্ণ করবেন (নাযিল করবেন), আমি তার মুখাপেক্ষী (কাঙাল)-আয়াত ২৮:২৪। 🤲 আল্লাহুম্মা রব্বানা!..... ওয়ারযুক্বনা ওয়া আনতা খাইরুর রাযিক্বীন। মর্মার্থ: হে আল্লাহ, আমাদের রব! আর আপনি আমাদেরকে রিযিক দিন। আর আপনিই উত্তম রিযিকদাতা-আয়াত ৫:১১৪। 🤲 ইন্না-ল্লা-হা হুওয়ার রায্ঝা-ক্বু যুল ক্বুওওয়াতিল মাতীন। মর্মার্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহ, তিনিই তো অশেষ রিযিকদাতা, মহাশক্তির অধিকারী, পরাক্রমশালী-৫১:৫৮। 🤲 রব্বুনাল্লাহ! মর্মার্থ: আল্লাহই আমাদের রব! আয়াত ৪৬:১৩, ৪১:৩০। 🤲 রব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আনতা খাইরুর রহিমীন। মর্মার্থ: হে আমার রব! ক্ষমা করুন ও দয়া করুন, আর আপনিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু-আয়াত ২৩:১১৮ 🤲 রব্বানা আ-তিনা ফিদ-দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আ-খিরাতি হাসানাতাও ওয়া ক্বিনা ‘আযা-বান না-র। মর্মার্থ: হে আমাদের রব! আমাদেরকে দুনিয়ার মধ্যে কল্যাণ ও আখিরাতের মধ্যে কল্যাণ দিন। এবং আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন-আয়াত ২:২০১। 🤲 রাব্বিশ রহলি সদরি, ওয়া ইয়াচ্ছিরলি আমরি... হে আমার রব, আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন এবং আমার কাজ সহজ করে দিন... -আয়াত ২০:২৫-২৮। 🤲 আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন’ (সমস্ত কৃতজ্ঞতা সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহ্র জন্য)”-আয়াত ১০:১০ ·͙⁺˚*•̩̩͙✩•̩̩͙*˚⁺‧͙⁺˚*•̩̩͙✩•̩̩͙*˚⁺‧͙⁺˚*•̩̩͙✩•̩̩͙*˚⁺‧͙ 🔑 কীভাবে ফোন করবেন? ➥ বিশ্বাসকে দৃঢ় করুন যে, রব্বুনাল্লাহ! (আল্লাহই আমাদের রব!)। এরপর পূর্ণ আস্থা ও একাগ্রতার সাথে আপনার রবকে ডাকুন-ফোন করুন। ➥ কখন ফোন করবেন?: যখন-তখন: গভীর রাতে, সকাল-সন্ধ্যায়, সালাতে, রুকু-সিজদায়—সর্বদা উঠতে-বসতে-শুয়ে। ➥ কেমন করে: তোমরা তোমাদরে রবকে ডাক বনিীতভাবে ও গোপন।ে এবং তোমরা তাঁকে ডাক, ভীত হয়ে ও আশা নযি়।ে নশ্চিয়ই সৎর্কমপরায়ণদরে পক্ষে আল্লাহর অনুগ্রহ অত্যন্ত নকিট-েআয়াত ৭:৫৫-৫৬ ➥ আর তুমি তোমার রবকে তোমার মনের মধ্যে বিনীতচিত্তে ও ভীতি সহকারে এবং কথার চেয়ে অনুচ্চস্বরে সকালে ও সন্ধ্যায় স্মরণ করো। আর তুমি উদাসীনদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না-আয়াত ৭:২০৫ ➥ রব্বুল আলামিন ফোন রিসিভ করতে কতক্ষন সময় লাগান, এতদূর তিনি?: আর যখন আমার বান্দারা তোমাকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে আমি তো তখন নিকটেই। আমি আহ্বানকারীর ডাকে সাড়া দিই যখন সে আমাকে ডাকে। সুতরাং তারা আমার জন্য সাড়া দিক এবং আমার প্রতি ঈমান আনুক। তাহলেই তারা আলোকিত হবে-আয়াত ২:১৮৭ কতক্ষন অপেক্ষা? ➥ধৈর্য ও তাওয়াক্কুল: ধৈর্য ধারণ করুন এবং বিশ্বাস রাখুন যে, আল্লাহ্ আপনার জন্য যা নির্ধারণ করেছেন, তা-ই সর্বোত্তম। দেখবেন, আল্লাহ্ আপনার জন্য কল্যাণের পথ খুলে দেবেন। বিইজনিল্লাহ! বি:দ্র: দু'আ হলো আল্লাহর সাথে বান্দার কথোপকথন, যা অনেকটা ফোন কলের মতো। আর নির্দিষ্ট আয়াতগুলো হলো সেই কথোপকথন শুরু করার মাধ্যম বা নম্বর, তাই এগুলোকে 'ফোন নম্বর' বলা হয়েছে। এটি একটি রূপক অর্থ যা বিষয়টি সহজে বুঝতে সাহায্য করে। আমলকারীদের পুরস্কার কতই না উত্তম!"-আয়াত ৩৯:৭৪।by m.mimi

Comments
Post a Comment