Skip to main content

ঘুমের সমস্যা বা অনিদ্রার সহজ সমাধান!

 


ঘুমের সমস্যা বা অনিদ্রার সহজ সমাধান!

আমরা অনেকেই হয়ত বিভিন্ন সময়ে কাজের প্রেশার, পড়ালেখা বা পারিবারিক সমস্যার কারণে ঘুমের সমস্যায় ভুগে থাকি। আবার, এমনও অনেকে আছেন যারা দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ঘুমের সমস্যায় ভুগে যাচ্ছেন। কেউ হয়ত ঘুমাতে যাচ্ছেন দেরিতে, অথবা ঘুম আসছে দেরিতে, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় ঘুমাতে গেলেও মাঝে বার বার ঘুম ভেঙে যাচ্ছে। আরেকটি সমস্যা যা দেখা যায় তা হচ্ছে, ঘুমাতে হয়ত সময় মতই যাচ্ছেন, কিন্তু একটা Quality Sleep হচ্ছে না। এজন্য আমাদের Sleep Hygiene মেইন্টেইন করা জরুরি। এখন হয়ত প্রশ্ন আসতে পারে, Sleep Hygiene কি? এটি হচ্ছে ঘুমের সাথে Related কিছু ভালো অভ্যাস, যা মেনে চললে আমাদের একটি ভালো ঘুম হতে পারে। এছাড়াও, যারা ঘুমের সমস্যাতে ভুগছেন, তারাও এটি ফলো করে এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন। ✅ প্রথমত, আপনার একটি রেগুলার ঘুমের Schedule মেইনটেইন করতে হবে, অর্থাৎ টাইম মতো একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও উঠতে হবে। ✅এরপর আপনি রেগুলার কিছু রিচুয়াল মেইনটেইন করতে পারেন যেমন মেডিটেশন করতে পারেন, বই পড়তে পারেন, গান শুনতে পারেন, বই অথবা আপনার ধর্ম গ্রন্থ পড়তে পারেন। এগুলোতে আপনার বডি Relaxed হবে, আর আপনার ব্রেইনে ম্যাসেজ যাবে যে "You are going to sleep"। এছাড়াও আপনার রুমটা হতে হবে নীরব এবং Comfortable, তাপমাত্রা হতে হবে একটু ঠান্ডা, এতে আপনার ঘুম ভালো হবে। সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে Putting Away Your Electronics, ঘুমুতে যাবার আগে কোন ধরনের Electronic Device ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এতে আপনার ব্রেইন উত্তেজিত থাকে এবং ঘুম আসতে ব্যাহত হয়। আমাদের জীবনে সুস্থতা বজায় রাখতে ঘুম অনেক জরুরি একটি অংশ। তাই, আমাদের সবসময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে আমরা একটা Healthy Sleeping রুটিন মেইনটেইন করতে পারি।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

কাজ নিয়ে গড়িমসি করছেন? Procrastination হলো কোন কাজকে অযথা দীর্ঘায়িত করা, আজকে করবো না, কালকে করবো, হাতে আরও সময় আছে, এ জাতীয় কথা আমরা কোন কাজ করার আগে হরহামেশাই বলে থাকি এবং এই বিষয়গুলো তখন আস্তে আস্তে আমাদের অভ্যাসে পরিণত হতে থাকে। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, যখন কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ আমরা Complete করতে Delay করি, তা করতে যে Discomfort Feel হয়, তাকে Procrastination বলে। Procrastination-এ আমাদের মধ্যে Guilt তৈরি হয়, কাজটি করতে না পারার জন্য Anxiety কাজ করতে থাকে। এছাড়াও আমাদের অনেক বেশী Unproductive অনুভূত হয়, অলসতা কাজ করে এবং নিজেদের নিয়ে অনেক বেশী Anxiousness কাজ করে। Procrastination কোন Mental Illness না, তবে এটি অন্যান্য Mental Disorder, যেমন Depression, Anxiety, OCD, ADHD ইত্যাদির লক্ষণ হিসেবে কাজ করে। Procrastination দূর করতে আমরা যা করতে পারি তা হলো - ✔ আমরা একটা To-do list তৈরি করতে পারি, যেখানে আমাদের প্রতিদিন কি কি কাজ বরাদ্দ আছে তা লেখা থাকবে। ✔ এখন এই কাজগুলো করার ক্ষেত্রে আমরা ছোট ছোট Baby Steps নিবো, অর্থাৎ, কাজটিকে কয়েকটা ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে অল্প অল্প করে করতে থাকবো। এতে করে আমাদের মাঝে কাজটি সামনে আরও করার আগ্রহ জন্মাবে। ✔ এরপর, যে সব জিনিস আমাদের Distract করে, যেমন আমাদের ফোন অথবা যেকোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস, এগুলো থেকে আমাদের দূরত্ব মেইনটেইন করতে হবে। এভাবে এই স্টেপগুলো ফলো করে আমরা আমাদের Procrastination কে দূর করতে পারি।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...