Skip to main content

Postpartum Depression কী?

 


Postpartum Depression কী?

Pregnancy-র পর যখন Delivery হয়, তখন মেয়েদের ক্ষেত্রে এই Postpartum Depression অনেক বেশি মাত্রায় দেখা যায়। এই Depression-টির তিনটি ধরণ আছে। Postpartum Psychosis, Postpartum Blues, বা Baby Blues এবং সবশেষে Postpartum Depression। Postpartum Depression-এ অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, কোন মহিলা প্রেগনেন্সির পর যখন ডেলিভারিতে যাচ্ছে, তখন ডেলিভারির ভয়ে কান্নাকাটি করছে, অথবা হতে পারে তাদের মধ্যে অনেক বেশী Sadness, Anxiety কাজ করছে। এছাড়াও সবচেয়ে খারাপ লাগার যেই বিষয়গুলো থাকে, তার মধ্যে একটি হচ্ছে, নতুন মায়েরা তার New-born Baby-কে নিয়ে অনেক ধরনের টেনশন শুরু করে, তার মনে হয় যে সে তার বাচ্চার ক্ষতি করে ফেলবে, বা সে ঠিক মতো তার বাচ্চার লালনপালন করতে পারবে না, ইত্যাদি চিন্তা তাঁকে গ্রাস করতে থাকে। অপরদিকে, তার যে Social Connections থাকে, তারাও অনেক সময় সেই নতুন মাকে সাহায্য করার বদলে তাকে নানারকম ভাবে কথায় জর্জরিত করতে থাকে, ফলে সেই মেয়েটির মানসিক স্বাস্থ্যের ধীরে ধীরে অবনতি হতে থাকে। এমন মানসিক অবস্থা দূর করতে বা প্রতিকার করতে পারিবারিক সাপোর্ট অনেক বেশি প্রয়োজন, বিশেষ করে স্বামীর সাপোর্ট। এতে করে নতুন মায়ের জন্য এই প্রেগনেন্সির Stess-টি Cope করতে পারাটা অনেক সহজ হয়। এছাড়াও, অনেক মায়েদের মধ্যে Unrealistic Expectation থাকে, যা তার পারিবারিক বা সামাজিক মূল্যবোধের সাথে যায় না, তাই মায়েদের প্রয়োজন এই Unrealistic Expectation-এর ব্যাপারটি খেয়াল রাখা।
=======================================================================

নিজেকে ভুলে যাচ্ছেন না তো? জন্ম থেকে শুরু করে সেই ছোট থেকেই আমরা কারো সন্তান, কারো সহোদর, সময়ের পরিবর্তনে আমরা কারো না কারো পার্টনার, আবার কারো না কারো বাবা-মা। এই প্রত্যেকটা সম্পর্কের মাঝেই কিন্তু অজস্র দায়িত্ব লুকায়িত আছে। অনেক সময় এই দায়িত্বের ভারে আমরা এতই কাবু হয়ে যাই যে আমরা ভুলেই যাই যে আমরাও আমাদের একজন আপন মানুষ। এই দায়িত্ব পালন করতে করতে আমরা আমাদের অস্তিত্ব ভুলে যাই, আমরা ভুলের যাই যে আমাদেরও মানসিক স্বস্তি ও শান্তি দরকার। এভাবে আমরা নিজের অজান্তেই একটা প্রচণ্ড হতাশা পূর্ণ জীবনযাপন করা শুরু করে দেই। কিন্তু, আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে Life Struggles আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, এটি যদি না থাকতো, আমাদের জীবন অর্থবহ হতো না। আমরা যদি Selfless হয়ে নিজের মানসিক স্বাস্থ্য ভুলে সবসময় অন্যদের জীবনে Contribution করতেই থাকি, তাহলে আমরা ভুলেই যাবো যে আমাদের নিজেদেরও নিজের খেয়াল রাখার প্রয়োজন আছে। অন্যেকে ভালো রাখতে হলে প্রথমে নিজেকে ভালো রাখতে হবে, আমাদের এটা সর্বদাই মনে রাখতে হবে।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...