Skip to main content

Social Anxiety কেন হয়?

 


Social Anxiety কেন হয়?

Social Anxiety হল একটি উদ্বেগজনিত মানসিক সমস্যা যা আক্রান্ত ব্যক্তিদের মাঝে সামাজিক ভীতি সৃষ্টির করে। এই ভয় কাজ, স্কুল, এবং অন্যান্য দৈনন্দিন কার্যকলাপ প্রভাবিত করতে পারে। এমনকি এটি বন্ধু তৈরি করা এবং রাখা কঠিন করে তুলতে পারে। Social Anxiety হওয়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যেমন, হতে পারে অন্যান্য anxiety disorder এর সাথে এই social anxiety আছে। আবার অনেক সময় দেখা যায় জিনিসটা জেনেটিক ভাবে হয়, অর্থাৎ, ফ্যামিলিতে মা-বাবা অথবা অন্য কারো আছে, সেখান থেকে রোগীর মধ্যে চলে এসেছে। কারো কারো মধ্যে Avoidant Personality থেকে থাকলে সেখান থেকেও Social Anxiety ট্রিগার করতে পারে। Avoidant Personality Disorder-এ মানুষ সবকিছু থেকে একটু দূরে দূরে থাকে এবং তাঁর মনে হতে থাকে মানুষ যদি আমাকে পছন্দ না করে? তাই আমি কারো সাথে মিশবো না। এবং এতেই পরবর্তীতে এটি Social Anxiety তে রূপ নেয়। আরেকটি কারণ যা এখন আমাদের মাঝে খুবই কমন, তা হল অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার। অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকার ফলে আমাদের মধ্যে Social Isolation তৈরি হয়, যা থেকে পরবর্তীতে social anxiety হতে পারে। এই Anxiety যাদের আছে তাদের একটা পর্যায়ে গিয়ে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, দৈনন্দিন জীবনে নানারকমের struggle করতে হয়। তাই কারো Social Anxiety আছে বুঝতে পারলে যথাসম্ভব দ্রুত অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া উচিত।
-----------------------------------------------------------------------------------
আত্মনিয়ন্ত্রণ কীভাবে করবেন? 𝗖𝗿𝗶𝘁𝗶𝗰𝗮𝗹 𝗧𝗵𝗶𝗻𝗸𝗶𝗻𝗴 আমাদের পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে একটি অপরিহার্য অংশ। পরিবারের মানুষগুলো কীভাবে নেগেটিভ চিন্তাগুলোকে মোকাবেলা করে নিজেদের বন্ধন আরও মজবুত করবে সেটা জানা জরুরি। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে 𝗖𝗿𝗶𝘁𝗶𝗰𝗮𝗹 𝗧𝗵𝗶𝗻𝗸𝗶𝗻𝗴 খুবই 𝗜𝗺𝗽𝗼𝗿𝘁𝗮𝗻𝘁 𝗥𝗼𝗹𝗲 𝗣𝗹𝗮𝘆 করে। আত্মনিয়ন্ত্রণের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি কোন পরিস্থিতিতে আপনার প্রতিক্রিয়া জরুরি না হয় বা হেল্পফুল না হয়, তাহলে আপনার নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আমরা অনেক ক্ষেত্রে অনেক দ্রুত React করে ফেলি, উত্তেজিত হয়ে যাই। আমাদের হঠাৎ রেগে যাওয়াতে হয়ত আমাদের Impression-টা সবার কাছে খারাপ হয়ে যাচ্ছে যা হয়ত বা আমরা চিন্তা ও করছি না। রেগে যাওয়ার আগের মুহূর্তে বা 𝗗𝗲𝗰𝗶𝘀𝗶𝗼𝗻 𝗠𝗮𝗸𝗶𝗻𝗴 এর আগে অন্তত একবার আমাদের নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে। যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে দুটো প্রশ্ন করবেন, 𝗳𝗼𝗿 𝗯𝗲𝘁𝘁𝗲𝗿 𝗱𝗲𝗰𝗶𝘀𝗶𝗼𝗻 𝗺𝗮𝗸𝗶𝗻𝗴, 𝗳𝗼𝗿 𝗽𝗿𝗼𝗮𝗰𝘁𝗶𝘃𝗲 𝗿𝗲𝘀𝗽𝗼𝗻𝘀𝗲. প্রথমত, 𝗜𝘀 𝗶𝘁 𝗻𝗲𝗰𝗲𝘀𝘀𝗮𝗿𝘆? দ্বিতীয়ত, 𝗜𝘀 𝗶𝘁 𝗵𝗲𝗹𝗽𝗳𝘂𝗹?
-----------------------------------------------------------------------------------
Discomfort Anxiety! Discomfort Anxiety বা কোন কিছু ভালো না লাগার ব্যাপারটা আজকাল প্রায় সব মানুষের মধ্যে দেখা যায়। কোনো কিছু করতে গেলে মাঝপথে আগ্রহ হারিয়ে ফেলা, বা কাজে মনোযোগ না আসার ব্যাপারগুলো এই Discomfort Anxiety বা ভালো না লাগার জন্য হয়ে থাকে। Discomfort Anxiety শুনতে অনেকটা Depression এর মত লাগলেও দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। “ভাল্লাগেনা” এই অনুভূতি আমাদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। এটি কর্মক্ষমতা কমিয়ে আনতে পারে, দৈনন্দিন অনেক অপরিহার্য কাজের প্রতিও অনীহা আনতে পারে। কোন কিছু করার জন্য যদি সবসময় আমরা আমাদের ভালো লাগাকে প্রাধান্য দেই, তাহলে দেখা যাবে জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই আমরা পিছিয়ে পড়ছি। আমাদের যেটা বুঝতে হবে, সেটা হচ্ছে সব কাজ সবসময় আমাদের ভালো লাগার উপর নির্ভর করে না। বেঁচে থাকার জন্য এমন অনেক কিছুই করতে হবে যেটা আমাদের Comfort Zone-এর বাইরে। সবসময় জীবনকে অর্থবহ করার ব্যাপারটিকে প্রাধান্য দিতে হবে, যেহেতু জীবনটা কোন সহজ পথ নয়, এটা মেনে নিয়েই আমাদের সামনে আগাতে হবে। মনে রাখতে হবে, বড় কোনো সফলতা কখনোই সহজ পথে অর্জন করা যায় না।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...