অকারনেই ভয় হচ্ছে কি ? Phobic Disorder, অর্থাৎ, কোন কিছু নিয়ে অকারণে ভয়। আমাদের সবারই কিন্তু কোন না কোন কিছু নিয়ে অকারণে ভয় আছে। কারো ইঞ্জেকশনের ভয়, কারণ কুকুর বিড়াল এর ভয়, কারো উচ্চতার ভয় ইত্যাদি। কিন্তু, এই সব ভয়কে Disorder বলা যায় না। একটা ভয়কে আমরা তখনই Disorder বলবো যখন এর জন্য আমাদের দৈনন্দিন জীবন বাধাগ্রস্ত হবে। Phobic Disorder-এর মধ্যে একটা হচ্ছে Specific Phobia, অর্থাৎ নির্দিষ্ট কোন জিনিসের ভয়। সেটা হতে পারে হাইট, নির্দিষ্ট কোন পোকামাকড়ের ভয়, পশু-পাখির ভয়, রক্ত না দেখতে পারার ভয় ইত্যাদি। এছাড়া, Specific Phobia-র বাইরে হতে পারে Social Phobia, যেখানে সমাজে সবার সামনে যেতে এবং Negative Evalution-এর ভয় কাজ করে। আরেকটা হল Agoraphobia, যেখানে Public Transport-এ চড়তে ভয় লাগতে পারে, খোলা বা বদ্ধ জায়গায় ভয় লাগতে পারে আবার অনেক মানুষের মধ্যে থাকলেও ভয় করতে পারে। আর এই ভয়গুলোর সাথেই আবার অনেক সময় Panic Attack জড়িত থাকে। Phobic Disorder-এর চিকিৎসা হতে পারে ওষুধ, যার মাধ্যমে এই ভয় বা অস্বস্তি কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব। এছাড়াও বেশিরভাগ Phobic Disorder কমানোর মেইন ট্রিটমেন্টই হচ্ছে Exposure। এখানে রোগীকে তার ভয়ের বিষয়গুলোর মুখোমুখি করে তাদের ভয়কে গ্রেডিং করা হয়। এই পদ্ধতি নিজে নিজে অবলম্বন করে অনেক সময়েই এই ডিসঅর্ডার এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আর তা না হলে, অবশ্যই অভিজ্ঞদের শরণাপন্ন হয়ে পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।
-------------------------------------------------------------------------------------------------------
কথা বলার আগে ভাবছেনতো?
Word Selection বা শব্দচয়ন এমন একটি বিষয় যাকে আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কথা বলার ক্ষেত্রে হয়ত তেমন একটা গুরুত্ব দেই না। যে শব্দটা ব্যবহার করে আমি আমার অপর পক্ষকে একটা কথা বলছি, সেটা নিয়ে হয়ত বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমরা সচেতন না।
আমাদের বলা একটা শব্দের প্রভাব অন্যজনের জীবনে ব্যাপক হতে পারে। হতে পারে আপনার বলা একটি Positive কথা আপনার সন্তানকে ভালো একজন মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠার জন্য Inspire করবে। আবার, অন্যদিকে যদি আপনি তাকে সবসময় Negative কথা দ্বারা প্রভাবিত করতে থাকেন, তাহলে দেখা যাবে সে একসময় ঐ Negative কথাগুলো ধারণ করেই বড় হচ্ছে এবং তার মন মানসিকতাও ধীরে ধীরে পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে।
সুতরাং, আমরা যদি কথা বলার ক্ষেত্রে Word Selection-এর ক্ষেত্রে আরও Careful হই এবং Toxic Word গুলোকে বাদ দেই, তাহলে দেখা যাবে আমরা একটি Fruitful Communication করতে পারছি। আসুন আমরা কথা বলার আগে অন্তত একবার ভাবি যে আমি যা বলছি সেটা অপরজনের কাছে কতটা অর্থবহ? এবং, এমন কিছু বলা থেকে নিজেদের বিরত রাখি যা আমাদেরই কাছের মানুষকে কষ্ট দিবে।

Comments
Post a Comment