Skip to main content

অভিজ্ঞতা অর্জন


 এক জাহাজের ইঞ্জিন চালু হচ্ছিল না। জাহাজের মালিক অনেক ইঞ্জিনিয়ারকে দেখিয়েছেন কিন্তু কেউ তা ঠিক করতে পারেনি। তাই তিনি ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এনেছেন।

তিনি খুব সাবধানে ইঞ্জিন পরিদর্শন করলেন। উপর থেকে নিচে কিছুক্ষণ দেখার পর লোকটি তার ব্যাগ থেকে একটি ছোট হাতুড়ি বের করলেন। তিনি হাতুড়ি দিয়ে আলতোভাবে ইঞ্জিনে একটা আঘাত করলেন। সাথে সাথে ইঞ্জিন চালু হয়ে গেল! ৭ দিন পর ইঞ্জিনিয়ার তার বিল হিসেবে চাইলেন ২০০০ ডলার! জাহাজের মালিক তো অবাক! তিনি বললেন, আপনি তো এখানে তেমন কিছুই করেন নাই৷ তবু এতো বিল অসলো কীভাবে? ইঞ্জিনিয়ার সাহেব বললেন, হাতুড়ি দিয়ে বারি মারার বিল ২ ডলার কিন্তু কোন জায়গায় মারতে হবে সেটা জানার জন্য ১৯৯৮ ডলার। শিক্ষাঃ অভিজ্ঞতা অর্জন করতে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে, সেই পরিশ্রমের মূল্য দিতে শিখুন। ❣️

************************************
ঘটনাটি আসামের। একজন লোক গরুটিকে ক্রয় করে এনে তাঁর উঠুনে বেঁধে রেখেছিলেন। কিন্তু প্রত্যেকদিন গভীর রাতে কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দে ঘুমাতে পারে না বাড়ির লোকজন। তাই তাঁরা মনে করলো এই লকডাউনের সময়ে হয়তো চোরের উৎপাত বেড়েছে। তাই তাঁরা সেখানে একটি সিসিটিভির ব্যবস্থা করলো। পরের দিন সিসিটিভি ফুটেজ দেখেতো সবাই হতবাক! গরুটির পাশে একটা চিতা ঘুর ঘুর করছে। পরে তাঁরা যার কাছ থেকে গরুটি ক্রয় করেছিলেন তাঁর দ্বারস্থ হন ব্যাপারটি জানার জন্য। তখন তাঁরা জানতে পারেন এই চিতাবাঘটির জন্মের ২০ দিন বয়সে তার মা চিতা বাঘিনী মারা যায়। এর পরে এই গরুটির দুগ্ধপান করে সে চিতাবাঘটি বাঁচে। তাই সে তাঁর ত্রাণকর্ত্রী দুধমাকে ভুলে যায়নি। প্রত্যেক রাত্রে দেখা করতে আসে। মাকে জড়িয়ে ধরে বসে থাকে। মাও আদর করে। চিরশত্রু প্রাণীরাও কৃতজ্ঞতার নিমিত্তে হিংস্র সম্পর্ক ভুলে গিয়ে মধুর করে তোলে। কিন্তু উন্নত জীব মানুষ চিরমধুর সম্পর্ক জলাঞ্জলি দিয়ে হিংস্র হয়ে ওঠে। ব্যক্তিগত অসৎ স্বার্থ উদ্ধারে সত্যকে মিথ্যা বা মিথ্যাকে সত্য বলে তৈরি করে। তবে কি আমরা আজও মানুষ হতে পারিনি?😟


Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...