Skip to main content

জীবনের ছোটখাটো কিছু পরিবর্তন

 


জীবনের ছোটখাটো কিছু পজিটিভ পরিবর্তন আমাদের মানসিক সুস্থতার ক্ষেত্রে অনেকাংশে সাহায্য করে। আপনার মনকে আপনি তখনই ভালো রাখতে পারবেন যখন আপনি নিজে সেটা "যত্ন" করার দায়িত্ব নিবেন! আমরা যা দেখি, যা শুনি কিংবা যা বলি সেটা আমাদের মনকে প্রভাবিত করে। অনেক কিছু নিজের অজান্তেই মনে এসে জায়গা করে নেয় তার কারণ হল আমাদের "সাবকনশাস লার্নিং প্রসেস"! তাই এই ব্যবধানটুকু নিজেকে বুঝে নিতে হবে কতটুকু আপনি নিবেন আর কতটুকু ফিল্টারের তলানির মত ছেড়ে দেবেন!

সাধারণ একটা হাসি, দুই শব্দের "থ্যাংক ইউ" অথবা এক শব্দের "সরি" অনেক কিছু জয় করতে পারে। অন্যকে প্রশংসা করে দেখুন তার সামনে এবং একই সাথে তার পেছনে দেখবেন আপনি নিজেই কতটা ভালো অনুভব করছেন। সবার সব কাজ আমাদের পছন্দ হয় না এটাই স্বাভাবিক কিন্তু তার পরেও তাদের ভালোকে খুঁজে পাওয়ার ভিতর আপনার সাফল্য লুকিয়ে আছে। কারো ভালো কিছুতে হিংসা না করা, কাউকে ছোট ফিল না করানো, কষ্ট না দেওয়া এগুলো আপনার মধ্যেও পজিটিভিটিকে জাগিয়ে তুলবে। আসুন কাছের মানুষকে সময় দেই আরো বেশি। তাদের কাজে সাহায্য করি কিংবা তাদের নিয়ে ঘুরতে যাই। আমরা অনেকেই একসাথে বাইরে বের হলেও নিজেদের মোবাইল নামক যন্ত্রটার ভেতরেই ডুবে থাকি, তখন এমন হয় যে "পাশাপাশি সবাই আছি কিন্তু একসাথে কেউ নেই"! এসব জায়গাতেই পরিবর্তন নিয়ে আসা জরুরি। একবার নিজেকে "গ্রাস করা" ওই যন্ত্রটা রেখে পাশে বসে থাকা ছোট ভাই বা ছোট বোনটার হাত ধরে দেখুন দেখবেন কতটা আবেগ নিয়ে সে আপনার দিকে তাকিয়ে থাকবে। কারণ এটেনশন ম্যাটারস এবং স্নেহ ভালোবাসা কখনো হেরে যায় না! অন্যকে সবসময় সাহায্য করতে না পারলেও তাকে যদি বলি "আমি তোমার কষ্টটা বুঝতে পারছি" এই কথার মধ্যেও অনেক কমফোর্ট লুকিয়ে আছে। আপনার সাথে যখন কেউ তার মনের কথা বলবে সেটা শোনার মাঝেও তাকে অনেকটা সাহায্য করা হয়ে যায়। আমরা সবাই আসলে বলতে পছন্দ করি কিন্তু শোনার কেউ নেই! তাই এখানেও পজিটিভ চেইঞ্জটা নিয়ে আসতে হবে। জীবনের মূল্যহীন অনেক বিষয়ের পিছে দৌঁড়াতে গিয়ে মূল্যবান বিষয়ের সাথেই "আপোষ" করে ফেলি! এবং আস্তে আস্তে জীবনের সুখগুলোকে হারিয়ে ফেলি এবং ভেবে পাই না কোথায় সেটা চলে গেছে। ঘরে বসে ইন্টারনেটে বসে কতটা সময় অপচয় করি অথচ বাইরে বের হয়ে নীল-শুভ্র আকাশকে দেখি না, রাতের চাঁদ দেখতে কেমন সেটা জানিনা! ফেইসবুকিং করি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কিন্তু নিজের ওয়াইফ বা হাজবেন্ডের দিকে ভালোবেসে তাকিয়ে দেখি না, হাত ধরে কথা বলি না। ভাল থাকার টুলসগুলো আসলে আমাদের কাছেই থাকে কিন্তু আমরা সেটার ব্যাবহার না করতে করতে সেটাতে মরিচা ধরিয়ে ফেলি! "আপনার মন" খারাপকে তখনই অনুভব করবে না যখন আপনি খারাপকে জায়গা দেবেন না! তাই নেগেটিভ বিষয়কে আস্তে আস্তে ছুটি দিয়ে দিন। ভালোকে ওয়েলকাম করুন কারণ "ভালোর" মাঝেই যে ভালো থাকা লুকিয়ে থাকে. . . ------------
source-lifespring limited

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...