দীর্ঘদিনের জ্বরের অন্যতম কারণ কালাজ্বর। এটি লিশম্যানিয়া ডোনোভানি নামক এক ধরনের পরজীবীর সংক্রমণে হয়ে থাকে। এটির বাহক স্যাণ্ডফ্লাই, মাটির ঘরের মেঝেতে সাধারণত এরা আবাস গড়ে।
◼️ বাংলাদেশে কালাজ্বর প্রবণ অঞ্চল কোনগুলো? - পাবনা - সিরাজগঞ্জ - রাজশাহী - দিনাজপুর - নাটোর - নওগাঁ - ঠাকুরগাঁও - ময়মনসিংহ - টাঙ্গাইল - জামালপুর - গাজিপুর ◼️ কীভাবে ছড়ায় এ রোগ? - স্যাণ্ডফ্লাইয়ের কামড়ের মাধ্যমে - আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণের মাধ্যমে - মায়ের গর্ভফুল থেকে ইত্যাদি ◼️ বছরের কখন এ রোগটির প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়? আগস্ট থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত। ◼️ কী কী উপসর্গ থাকে? ১. দীর্ঘদিনের জ্বর। সাধারণত জ্বর কিছুদিন থাকে তারপর চলে যায়, আবার আসে ২. খাবারের রুচি সাধারণত ভালো থাকে ৩. নাক ও মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে ৪. শরীরের ত্বক ধীরে ধীরে কালো হয়ে যায় ◼️ চিকিৎসক পরীক্ষা করে দেখতে পানঃ - রোগী একেবারে শুকিয়ে যায় - বেশ রক্তশূন্যতার চিহ্ণ - জণ্ডিস পেতে পারেন - পায়ে পানি আসার চিহ্ন পেতে পারেন - পেটের ভেতরে প্লীহা এবং যকৃত বড় পেতে পারেন ◼️ কী কী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়? ১. কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট ২. রক্তে এলবুমিনের মাত্রা ৩. রক্তে গ্লোবিউলিনের মাত্রা ৪. ডিরেক্ট ইমিউনোগ্লোবিউলিন টেস্ট ৫. ইমিউনো কোমাটোগ্রাফিক টেস্ট ৬. এলডিহাইড টেস্ট ৭. কমপ্লিমেন্ট ফিক্সেশান টেস্ট ৮. ইমিউনো-ফ্লুরোসেন্ট এন্টিবডি টেস্ট ৯. ডিটেকশান ওফ এলডি বডিজ ইন টিস্যু স্মিয়ারস ১০. ডিটেকশান অফ প্রোম্যাস্টিগোটস ইন কালচার অফ এসপিরেটস ১১. পি সি আর ইত্যাদি ◼️ কীভাবে চিকিৎসা করা হয়? ১. কালাজ্বরের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধগুলো হলোঃ - মিল্টেফোসিন - প্যারোমোমাইসিন - লাইপোজোমাল এম্ফোটেরিসিন বি - সোডিয়াম স্টিবোগ্লুকোনেট - এম্ফোটেরিসিন বি ডিঅক্সিকোলেট ২. রোগীর পর্যাপ্ত পুষ্টির ব্যবস্থা করতে হবে। ৩. অন্য কোনো ইনফেকশান থাকলে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ৪. রক্ত পরিসঞ্চালনের মাধ্যমে রক্তশূন্যতা সংশোধন করতে হবে।
প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...
Comments
Post a Comment