আমি অবাক হই গা/জার মানুষদের রেজিলিয়েন্স দেখে। এরচেয়ে বহুগুণে ছোট ঘটনায় মানুষ ভেঙে পড়ে। খেয়াল করে দেখুন এরা আক্ষেপ দেখাচ্ছে, প্রতিটি স্ট্রাইকের পর কাছের আত্মীয়দের বিলাপ আছে, কিন্তু সামষ্টিক ভাবে তারা একজন আরেকজনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। যখনই সম্ভব হচ্ছে দল বেঁধে মৃতদেহগুলোকে কালেক্ট করছে, আহতদের চিকিৎসা দিচ্ছে। অথচ জায়গাটিতে সবার খাবার এবং অন্যান্য সকল প্রয়োজনীয় জিনিসের অভাব। এদের সবার ব্যক্তিগত ভাবে হাল ছেড়ে দেবার কথা। এদের কারও এখন ক্যারিয়ার নিয়ে উচ্চাশা নেই, নিজের আখের গোছানোর ইচ্ছে নেই, মিথ্যে ইমেজ তৈরির বাসনা নেই, বাগাড়ম্বর নেই, পুরুষ নারী বিতর্ক নেই, সম্পদের পাহাড় বানানোর প্রতিযোগিতা নেই,হিংসে-বিদ্বেষ-আত্মসাৎ নেই, স্কেপটিসিজম এবং এইথিজম নেই। কেবল আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা এবং একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞা। যখনই আল্লাহ্ পাপীদের মাঝে কিছু মানুষকে বেছে নিয়েছেন প্রকৃত ধর্মের স্বরূপ দেখাতে, তাদের সর্বোচ্চ স্যাক্রিফাইসের মধ্যে দিয়ে নিয়ে গেছেন। নবী রাসূলরা এবং তাদের জাতির ঈমানদারদের স্যাক্রিফাইস ছিলো সর্বোচ্চ। আমাদের ভাগ্য যে আল্লাহ্ আমাদের জন্যও কাউকে পাঠালেন দেখিয়ে দিতে। - Words of brother Asif Shibgat

Comments
Post a Comment