ছবির মানুষটির নাম রাশেদ।জন্ম ১৯৮৪ সালে । ওমানের মাস্কাটে তিন বছর আগে বিল্ডিং রং করতে গিয়ে উঁচু বিল্ডিং থেকে পড়ে পুরো শরীর এমনই ফ্র্যাকচারড হয়ে গিয়েছে। কিন্তু প্যারালাইজড। শুধুমাত্র মাঝে মাঝে চোখটা খুলে নির্বিকার তাকিয়ে থাকে।আবার চোখ বন্ধ করে।কথা বন্ধ।ছেলেটি এভাবেই তিন বছর ধরে মাস্কাটে হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্হায় পড়ে ছিলো। সে যে কোম্পানিতে কাজ করতো, তারা পুরো খরচ বহন করেছে। উনাকে ফেলে দেয়নি। কিন্তু দুঃখজনক ব্যপার হলো উনার পরিবারের সাথে তার কোম্পানি থেকে কয়েকবার যোগাযোগ করেও তারা তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়েছে।পঙ্গু ছেলে তারা ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।তার ভার তারা নেবেনা।তাকে যেন দেশে পাঠানো না হয়। ধরে নিলাম তারা দরিদ্র। দায়িত্ব নিতে পারবেনা।তারপরেও তাদের এই সন্তান যদি সুস্হ থাকতো, কাঁড়ি কাঁড়ি রিয়াল পাঠাতো, তাহলে কিন্তু এরাই তাকে আদর করতো, মাথায় তুলে রাখতো।বিষয়টা আমার কাছে অত্যন্ত অমানবিক মনে হয়েছে। আহারে জীবন। রাশেদ যে হসপিটালে চিকিৎসাধীন ছিলেন সেই হসপিটালের বাংলাদেশি ডক্টররা, ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাস, যে কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন এবং বাংলাদেশ সরকারের সহায়তায় তাকে এবার দেশে আনা হয়েছে। তবে কী অবস্থায় তা তো ছবি দেখেই বুঝতে পারছেন। এটা দেখে শিক্ষা নিন আর নিজের জন্য কিছু করুন।
ছবির মানুষটির নাম রাশেদ।জন্ম ১৯৮৪ সালে । ওমানের মাস্কাটে তিন বছর আগে বিল্ডিং রং করতে গিয়ে উঁচু বিল্ডিং থেকে পড়ে পুরো শরীর এমনই ফ্র্যাকচারড হয়ে গিয়েছে। কিন্তু প্যারালাইজড। শুধুমাত্র মাঝে মাঝে চোখটা খুলে নির্বিকার তাকিয়ে থাকে।আবার চোখ বন্ধ করে।কথা বন্ধ।ছেলেটি এভাবেই তিন বছর ধরে মাস্কাটে হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্হায় পড়ে ছিলো। সে যে কোম্পানিতে কাজ করতো, তারা পুরো খরচ বহন করেছে। উনাকে ফেলে দেয়নি। কিন্তু দুঃখজনক ব্যপার হলো উনার পরিবারের সাথে তার কোম্পানি থেকে কয়েকবার যোগাযোগ করেও তারা তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়েছে।পঙ্গু ছেলে তারা ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।তার ভার তারা নেবেনা।তাকে যেন দেশে পাঠানো না হয়। ধরে নিলাম তারা দরিদ্র। দায়িত্ব নিতে পারবেনা।তারপরেও তাদের এই সন্তান যদি সুস্হ থাকতো, কাঁড়ি কাঁড়ি রিয়াল পাঠাতো, তাহলে কিন্তু এরাই তাকে আদর করতো, মাথায় তুলে রাখতো।বিষয়টা আমার কাছে অত্যন্ত অমানবিক মনে হয়েছে। আহারে জীবন। রাশেদ যে হসপিটালে চিকিৎসাধীন ছিলেন সেই হসপিটালের বাংলাদেশি ডক্টররা, ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাস, যে কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন এবং বাংলাদেশ সরকারের সহায়তায় তাকে এবার দেশে আনা হয়েছে। তবে কী অবস্থায় তা তো ছবি দেখেই বুঝতে পারছেন। এটা দেখে শিক্ষা নিন আর নিজের জন্য কিছু করুন।

Comments
Post a Comment