১. কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপিঃ এটা আমাদের মস্তিষ্কের জন্য একধরণের থেরাপি। এটা আমাদের চিন্তাভাবনার প্রক্রিয়াকে পরিবর্তন করে এবং আমাদের আচরণ নিয়ে কাজ করে। ২. ব্যায়াম করাঃ প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে ৫ দিন ব্যায়াম করুন। যেমনঃ সাইক্লিং, জগিং, সাঁতার, দ্রুত হাঁটা ইত্যাদি। ৩. সঠিক খাদ্যাবাসঃ #খাবেন নাঃ প্রক্রিয়াজাতকরা খাবার, পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট #খাওয়া কমাবেনঃ চিনি এবং ক্যাফেইন #খাবেনঃ প্রচুর পরিমাণে ফল, শাকসবজি এবং আমিষ। রুটিনঃ ১৬:৮ ফর্মুলা (১৬ ঘন্টার শুধু পানি খেয়ে থাকা এবং বাকী ৮ ঘন্টা খাবার খাওয়া) ৪. ঘুমঃ যদি আপনার বিষণ্ণতা থাকে তাহলে ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। চেষ্টা করুন রাত ১০টার আগেই বিছানায় যেতে। ৫. নিজের চাপ নিয়ন্ত্রণ করুনঃ - কিছু কাজের দায়িত্ব অন্যদের উপর দিন। - নিজের উপর থেকে কাজের চাপ কমান। - নিজের সম্পর্কগুলো নিয়ে কাজ করুন। - প্রত্যাশা এবং বাস্তবতার মধ্যে সমন্বয় সাধন করুন। - ক্ষমা করতে শিখুন। ৬. নেতিবাচক মানুষের সঙ্গ পরিহার করুনঃ এমন একজন বন্ধু বা ভাই-বোন বা প্রতিবেশী খুঁজে বের করুন যিনি জাজমেন্টাল না বা যিনি আপনার কথা শুনে সহজেই আপনাকে ভুল বিচার করবেন না বা খারাপ ভাববেন না। যদি এমন কাউকে না পান, তাহলে বিশ্বস্ত কোনো কাউন্সেলর এর কাছে যান। ৭. মানুষের কাছে পৌঁছাতে চেষ্টা করুনঃ খুব সহজ একটা কাজ করুন, প্রতিদিন ২ জন গরীব মানুষকে খাওয়ান এবং ভালোভাবে তাদের লক্ষ্য করুন। এই কাজটি ১ মাস করবেন। ৮. বেঁচে থাকার একটি উদ্দেশ্য খুঁজে বের করুনঃ নিজের আবেগ/ভালোলাগার জায়গা এবং দক্ষতাগুলো খুঁজে বের করুন। যদি নিজে খুঁজে বের করতে না পারেন তাহলে বাবা-মা, বন্ধু, শিক্ষক বা কাছের কারো সাহায্য নিন। যদি কেউ সাহায্য করতে না পারে তাহলে আপনার কাউন্সেলর এর সাহায্য নিয়ে নিজের আবেগের/ভালোলাগার জায়গা এবং দক্ষতাগুলো খুঁজে বের করুন। এই কাজগুলো ১ মাস ধরে করুন তাহলে স্বল্প থেকে মাঝারী ধরণের বিষণ্ণতার বেশীরভাগই কমে আসবে বা চলে যাবে। #তবে, তীব্র বিষণ্ণতার ক্ষেত্রে একজন Psychiatrist এর পরামর্শ নেয়া উত্তম।
source-lifespring limited
Comments
Post a Comment