মহিষ চুরি করতে নাকি ৩ জন লাগে । ১ম চোর মহিষের গলার ঘন্টা খুলে বাজাতে বাজাতে গ্রামের উত্তর দিকে রওনা হয় । ২য় চোর মহিষ নিয়ে গ্রামের দক্ষিন দিকে হাটতে থাকে , আর তৃতীয় চোর ভাল মানুষ সেজে গ্রামের মানুষের সাথে মিশে যায়। ভাল মানুষ সাজা ৩য় চোর গ্রামের মানুষ কে পরামর্শ দেয় , ঘন্টার শব্দ যেদিক থেকে আসছে মহিষ সেই দিকেই গেছে। বাজনা প্রিয় গ্রামবাসী ঘন্টার শব্দের দিকেই হাটতে থাকে। ঘন্টা নিয়ে যাওয়া ১ম চোর নিরাপদ দুরত্বে গিয়ে ঘন্টা ফেলে দিয়ে অন্ধকারে মিশে যায়। গ্রামবাসী ঘন্টা খুঁজে পেয়ে ,ঘন্টা নিয়েই মশগুল থাকে। ২য় চোর মহিষ নিয়ে নিরাপদে চলে যায় , আর ভদ্র মানুষরুপী ৩য় চোর কে কিছুক্ষন পর খোজে পাওয়া যায় না।
দেশের যে কোন ইস্যুতে কিছু মিডিয়া প্রথমে ঘন্টা বাজিয়ে বাজিয়ে একদিকে যেতে যেতে হঠাৎ মিলিয়ে যায়। আর সুশীল সমাজের পরামর্শে দেশবাসী ঘন্টার শব্দের দিকেই হাটতে থাকে। আর এদিকে ঘটনার মূল নায়ক ঘটনা ঘটিয়ে নিরাপদে প্রস্থান করে। মিডিয়া এক সময় থেমে যায় , তখন দেশবাসী কুড়িয়ে পাওয়া ঘন্টা বাজাতে থাকে।**************************************************
ঘুঘু দিয়ে ঘুঘু ধরা:
••••••••••••••••
“শিকারী উপকৃত হয় কিন্তু ঘাতক ঘুঘু তার জাতীর কাছে বেঈমান হিসেবে স্বীকৃতি পায়”
*************************
আমরা সবাই জানি, আমাদের দেশে ঘুঘু পাখি ধরার অভিনব কৌশল।
একটি খাঁচার ভেতর একটি ঘুঘু বেঁধে রেখে শিকারী নীচে বসে থাকে।আর ষড়যন্ত্রকারী ঘুঘু মনের আনন্দে ডাকতে থাকে।যখনই নিরপরাধ ঘুঘু খাঁচায় প্রবেশ করে, ঠিক ঐ মুহূর্তে ষড়যন্ত্রকারী ঘুঘুটি দরজায় দাঁড়িয়ে তাকে আটকিয়ে রাখার চেষ্টা করে, ঐ সময় শিকারী তাকে আটকিয়ে ফেলে।
পৃথিবীর ইতিহাস এটাই সাক্ষ্য দেয়, আপন অথবা আপন সেজেই আপনাকে ক্ষতি করবে।
রাসূল সা: এর লাশ যারা চুরি করতে এসেছিল,
তাদের চলাফেরা, বেশ-বুশাক,আচার-আচরন,দান-খয়রাত ইত্যাদিতে ছিল একজন প্রেকটিসিং মুসলিম কিন্তু আসলেই তারা ছিল অমুসলিম।
পৃথিবীতে মুসলিম নামধারী/মুসলিম লেবাসধারী/মুনাফিকরাই ব্যক্তি ও ইসলামের বেশী ক্ষতি করেছে।
collected
Comments
Post a Comment