Skip to main content

একজন স্ত্রী তার স্বামীর কাছে কি কি জিনিস চায়

 একজন স্ত্রী তার স্বামীর কাছে কি কি জিনিস চায়

----------- * ---------------

একজন স্ত্রী তার স্বামীর কাছ থেকে কোন বিষয়টি সবচেয়ে বেশি কামনা করে? আবেগের দিক থেকে কোন বিষয়টি? তা হলো, অবিরাম ভালোবাসা। ক্রমাগত স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি মনোযোগ দিবে, সবসময় তাকে অগ্রাধিকার দিবে। স্বামী সবসময় দেখাবে যে আমি তোমার কথা সবসময় মনে রাখি। আমি তোমার ব্যাপারে যত্নশীল। মোটকথা, আমি সবসময় তোমাকে ভালোবেসে যাবো। স্ত্রী চায় সে ভালোবাসা অনুভব করতে, সেই স্নেহ অনুভব করতে। একজন স্ত্রী সবসময় নিশ্চিত থাকতে চায় যে তার স্বামী তাকে ভালোবাসে। তার স্বামী তাকে সবসময় এক নাম্বার হিসেবে অগ্রাধিকার দেয়। যদি সুযোগ থাকতো মহিলারা চাইতো যে, তাদেরকে কোনো একটি বেদির উপর বসিয়ে রাখা হউক, আর তাদের স্বামীরা তাদের দিকে দিন-রাত চব্বিশ ঘন্টা তাকিয়ে থাকুক। তারা তাদের স্বামীর জীবনে এক নাম্বার থাকতে চায়। তাই তারা ক্রমাগত নিশ্চিত থাকতে চায় যে, তাদের স্বামীরা তাদের ভালোবাসে। ভাইয়েরা যারা এখানে আছেন, মনোযোগ দিয়ে শুনুন। স্ত্রীরা কখনো আপনার ভালোবাসা এমনিতেই আছে বলে মনে করে না। আপনি সেটা মনে করতে পারেন। ছেলেদের জন্য এটা দরকার পড়ে না যে, তার স্ত্রী সবসময় তাকে নিশ্চিত করবে যে সে তাকে ভালোবাসে। ছেলেরা মনে করে যে ভালোবাসা এমনিতেই আছে। সে যে এখনো আমার সাথে সংসার করছে এটা প্রমান করে যে সে এখনো আমাকে ভালোবাসে। কিন্তু অন্য পক্ষের ক্ষেত্রে এটা এভাবে কাজ করে না। একজন নারী সবসময় সন্দেহ করতে থাকে— 'সে কি এখনো আমাকে ভালোবাসে? সে কি এখনো আমার কথা মনে করে? সে কি এখনো আমার ব্যাপারে যত্নবান? সে কি এখনো আমাকে এক নম্বর গুরুত্ব দেয়?' তাই একজন মহিলার এই ব্যাপারে ক্রমাগত নিশ্চয়তা চাই। আর শুধু এটা নয়, স্বামীদের আরেকটি বিষয়ে স্পর্শকাতর থাকতে হবে এবং বুঝতে হবে— মহিলারা তাদের সৌন্দর্য নিয়ে খুবই সচেতন থাকে। আর তারা নিজেদের সৌন্দর্যকে অন্য মহিলাদের সৌন্দর্যের সাথে তুলনা করে সব সময়। আমরা ছেলেরা এটা করি না। আমরা ছেলেরা অন্য ছেলেদের সৌন্দর্য নিয়ে পরোয়া করি না বা নিজেকে তুলনা করি না। কিন্তু মেয়েরা সবসময় চিন্তা করতে থাকে— "আমার স্বামী কি আমাকে এখনো সুন্দরী মনে করে? সে কি এখনো আমাকে আকর্ষণীয় মনে করে? আমার ওজন মনে হয় বেড়ে গেছে। আমি তৃতীয় সন্তান নেয়ার পর মনে হয় অসুন্দর হয়ে পড়েছি।" সে সর্বদা তার সৌন্দর্য এবং ফিগার নিয়ে সন্দেহ করতে থাকে। আর তাই স্বামীকে সবসময় এমন আচরণ প্রদর্শন করতে হবে যেন তাঁর স্ত্রী বুঝতে পারে সে তার স্বামীর নিকট সবচেয়ে সুন্দরী, সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষিত, সবচেয়ে ভালবাসার যোগ্য এবং সবচেয়ে প্রশংসিত। তার স্ত্রী সবসময় এই বিষয়গুলোর নিশ্চয়তা চায়। এখন স্বামী এমনটি কীভাবে নিশ্চিত করবে? আমি কয়েকটি আচরণ তুলে ধরছি। এক নাম্বারঃ কথা, কথা, কথা। কথার শক্তিকে কখনও ছোট করে দেখবেন না। শুধু এইকথা বলা আমি তোমাকে ভালবাসি। আমি জানি বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর এই কথা বলা পুরুষের জন্য অনেকটা বিব্রতকর। আমি জানি এটা বিব্রতকর। কিন্তু বিশ্বাস করুন, এই কথার জাদু কখনও হারিয়ে যায় না। মহিলাদের কাছে এই কথার মূল্য কখনও হারিয়ে যায় না। তারা সবসময় এই বাক্য শুনতে পছন্দ করে। একটি দুর্বল হাদিসে এসেছে— হাদিসটি দুর্বল হলেও আমাদের বইগুলোতে এর উল্লেখ রয়েছে। আমাদের রাসূল (স) এবং আয়েশা (রা) একবার কৌতুক করছিলেন। হযরত আয়েশা (রা) আমাদের রাসূল (স) কে জিজ্ঞেস করেন— "আপনি আমাকে কেমন ভালবাসেন? আমার জন্য আপনার ভালবাসা কেমন?" আমাদের রাসূল (স) বলেন— তিনি একটি রূপক অলংকারযুক্ত, কাব্যিক বর্ণনা দিলেন। তিনি বলেন, "তোমার জন্য আমার ভালবাসা একটি শক্ত গিঁটের মত যা কোনদিন খুলে যাবে না।" তো, ভবিষ্যতে যদি তাদের মধ্যে কোন ছোটখাটো আর্গুমেন্ট (যুক্তি, পাল্টা যুক্তি) দেখা দিতো, তখন একজন অন্যজনকে বলত, গিঁটের কী অবস্থা এখন? রাসূলুল্লাহ (স) কখনো বিরক্ত হলে আয়েশা (রা) তখন একথা বলতেন, "গিঁটের কী অবস্থা এখন?" তো, রাসূলুল্লাহ (স) মুচকি হেসে বলতেন, আগের মতই শক্তিশালী। এই হাদিসটি 'দার উল কুতনি' গ্রন্থে বর্ণিত আছে। মূল পয়েন্ট হল, "আমি তোমাকে ভালবাসি" এই শব্দগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর শুধু "আমি তোমাকে ভালবাসি" বলা নয়, বরং তার কাজগুলোর প্রশংসা করাটাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সব স্বামীদের উদ্দেশ্য করে বলছি, আপনার স্ত্রীর পরিশ্রমগুলোকে কখনো ছোট করে দেখবেন না। "তার তো এটা এমনিতেই করার কথা" এমনটি মনে করবেন না। ধরুন, সে হয়তো সারাদিন ধরে বাসায় রান্নাবান্না এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত। কখনোই মনে করবেন না— তার তো এটা এমনিতেই করার কথা। মাঝে মধ্যে এসে তার কাজের প্রশংসা করুন। "মাসাআল্লাহ, তোমার এই কাজটি খুবই সুন্দর হয়েছে!!" "দারুণ, কাজ করেছো তুমি!!" "তুমি আমার জন্য যা করছ আমি তার খুবই সমাদর করি।" এই শব্দগুলো সম্পর্কের মাঝে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রেখে যায়। আপনার স্ত্রী তখন বুঝতে পারে, আমার স্বামী আমার আমাকে গুরুত্বহীন মনে করে না (He is not taking me for granted)। খুবই গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি ব্যাপার। তার সৌন্দর্যের প্রশংসা করুন যখন সে সাজসজ্জা করে, আপনাকে আকৃষ্ট করা জন্য যখন বিশেষ কিছু করে। কখনোই এগুলোকে গুরুত্বহীন মনে করবেন না। এখানে উপস্থিত সকল স্বামীরা জানেন বিবাহ বার্ষিকীর কথা ভুলে গেলে কি রকম সমস্যায় পড়তে হয়। ঠিক না? আপনারা সবাই জানেন এটা কতটা ভয়ানক। মহিলারা কেন চায় আপনি যেন বিবাহ বার্ষিকীর কথা ভুলে না যান? কারণ, এরফলে সে মনে করে আপনি এখনো তাকে ভালবাসেন। এরফলে আপনার স্ত্রীর মনে হয় আমার কথা তার এখনো মনে আছে। সে এখনো আমার কদর করে। সত্যি কথা বলতে, বিবাহ বার্ষিকী উদযাপন করা- কোনো কোনো স্কলার এটাকে হারাম বা বিদাআত মনে করে- সুবহানাল্লাহ! আমাকে উদ্ধৃত করে বলতে পারেন, বিবাহ বার্ষিকী উদযাপন করা মুস্তাহাব। আমাদের ধর্মে এটাকে উৎসাহিত করা হয়েছে। একজন স্বামীর এরচেয়ে উত্তম আর কি করার আছে তার স্ত্রীকে বার বার এ কথা বলার চেয়ে যে, আমি তোমাকে ভালবাসি। আমি এটা আবারো করতে রাজি।... স্বামী স্ত্রীর ভালবাসাময় বন্ধন শক্তিশালী করতে শরিয়ত উৎসাহিত করে। আরেকটি জিনিস মহিলারা চায় তা হলো- সময়। এ ক্ষেত্রে সময় বলতে ভিন্ন কিছু বুঝায়। স্বামীর কাছে সময় মানে হাতের ঘড়ি। তাই, স্ত্রী যখন বলে তুমি তো আমাকে সময় দাও না। স্বামী তখন গণনা করার মুডে চলে যায়। আমি তোমার সাথে দৈনিক আট ঘণ্টা ঘুমাই। এক ঘণ্টা নাস্তার সময় ব্যয় করি। আমি বাসায় আসি। ২৪ ঘণ্টার ১০ ঘণ্টাই তো তোমার সাথে কাটাই। কিভাবে তুমি বল যে, আমি তোমাকে সময় দেই না। কারণ, স্বামী এখানে ডিকশনারিতে সময়ের যে অর্থ আছে সে হিসেবে চিন্তা করছে। না, না, না। মহিলাদের ভিন্ন একটা ডিকশনারি আছে। মহিলাদের কাছে এর অর্থ ভিন্ন। একজন নারীর কাছে এর অর্থ হলো- মনোযোগ। অবিভক্ত মানসম্মত মনোযোগ। যেমন সপ্তাহের ছুটির দিনের ফ্রি সময়। আপনি সে সময় হয়তো খেলা দেখে, টিভি দেখে বা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে ব্যয় করেন। এসব করে আপনার স্ত্রীকে দেখালেন এই কোয়ালিটি সময়টা আপনি আপনার স্ত্রীর সাথে ব্যয় করতে চান না। তার মানে কি আপনি এসবের কিছুই করবেন না? না। বুঝতে চেষ্টা করুন, সে যখন আপনার কাছে সময় চায় সে এরকম কোয়ালিটি সময় চায়। আবার সে যখন আপনার কাছে কোনো উপদেশের জন্য আসে, কোনো সমস্যা সমাধান করতে আসে পুরুষরা তখন বুঝতে ভুল করে। পুরুষ মনে করে স্ত্রী তার কাছে সমাধান চাইতে এসেছে। সাথে সাথে স্বামী তখন বলে- "তুমি এটা এটা ভুল করেছ। তোমার এভাবে এভাবে করা উচতি ছিল।" মহিলারা আসলে এটা চায় না। মহিলারা কী চায়? মহিলারা চায় আপনি যেন ভালবাসার সাথে তাদের সমস্যার কথা শুনেন, সহমর্মিতার সাথে শুনেন। সে চায় কেউ একজন তার সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুক, সহমর্মিতার সাথে শুনুক- সমাধান যে করতেই হবে এমন নয়। এর নাম হলো কোয়ালিটি সময়। আন্তরিকতার সাথে এভাবে বলুন যে, যে সমস্যাতে সে এখন আক্রান্ত তা হতাশাজনক এবং কষ্টদায়ক ইনশাআল্লাহ দু'জনে মিলে এর একটা সমাধান বের করবো। স্ত্রী যা চায় আপনাকে তা দিতে হবে, বিনিময়ে আপনি যা চান আপনার স্ত্রী তা আপনাকে দিবে। — ড. ইয়াসির ক্বাদী

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...